আজঃ বুধবার ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৪
শিরোনাম

বরগুনায় তরমুজ চাষে ব্যস্ত কৃষকরা

প্রকাশিত:শনিবার ২১ জানুয়ারী ২০২৩ | হালনাগাদ:শনিবার ২১ জানুয়ারী ২০২৩ | অনলাইন সংস্করণ
অলিউল্লাহ্ ইমরান, বরগুনা

Image

তরমুজ চাষে ব্যস্ত সময় পার করছেন বরগুনা জেলার কৃষকরা। গতবছর তরমুজের ভালো দাম পাওয়ায়, এবার লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে বেশি জমিতে তরমুজ চাষ হচ্ছে বলে জানায় কৃষি বিভাগ। তবে তরমুজ চাষের বীজ, কীটনাশক ও সারের দাম বাড়ায় ক্ষোভ জানান কৃষকরা।

সারাদেশে যে পরিমাণ তরমুজের চাহিদা রয়েছে তার একটি অংশ আশে বরগুনা জেলা থেকে। এছাড়া এই অঞ্চলের তরমুজ সুমিষ্ট হওয়ায়, দেশজুড়ে এর বাড়তি চাহিদা রয়েছে।

সরেজমিনে উপজেলার বিভিন্ন গ্রাম ঘুরে দেখা গেছে, আমন ধান কাটার পরপরই পরিবার-পরিজন নিয়ে মাঠে কাজ করছেন কৃষকরা। মাঠের পর মাঠ চাষাবাদ করে তরমুজ বীজ বপনের জন্য গর্ত তৈরি করে রেখেছেন। এ কাজ করতে ঘরের নারী ও শিশুরাও বসে নেই। তারাও পুরুষের পাশাপাশি কাজ করছে।

বরগুনা জেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা গেছে, বরগুনা সদর ১০ হাজার, আমতলী ০৫ হাজার, তালতলী ০২ হাজার এবং অন্যান্য উপজেলায় আরো ৫০০ হেক্টর জমিতে এইবছর তরমুজ চাষাবাদের লক্ষমাত্রা মোট ১৭ হাজার ৫০০ ধরা হয়েছে। গত বছর ছিল ১১ হাজার ৫০০হেক্টর। গতো বছরের তুলনায় এ বছর ০৬ হাজার ৫০০ হেক্টর জমিতে বেশি তরমুজ চাষ হবে।

তবে বিগত বছরের চেয়ে এবার তরমুজের বীজ, সার এবং কীটনাশকের দাম বেড়েছে বলে জানালেন কৃষকরা। কিছু কিছু এলাকায় অসাধু ব্যাবসায়ীরা ৫০ কেজির এক বস্তা টিএসপি সার এক হাজার ৩০০ থেকে এক হাজার ৫০০ টাকায় কিনতে হচ্ছে। বস্তা প্রতি ২০০ থেকে ৪০০ টাকা বেশি দামে সার কিনতে হচ্ছে কৃষকদের। সরকারি ভাবে ৫০ কেজির এক বস্তা টিএসপি সারের দাম এক হাজার ১০০ টাকা। কিন্তু তরমুজ চাষে কৃষকেরা বেশি আগ্রহী হওয়ায় সুযোগে সার ব্যবসায়ীরা সিন্ডিকেট গড়ে বেশি দামে সার বিক্রি করছে এমন অভিযোগ কৃষকদের। অপর দিকে বাজারে এক কৌটা (১০০ গ্রাম) বিঘ ফ্যামিলি ৩০০০ টাকা, জাগুয়া ৩২০০ টাকা ও এশিয়ান বীজ ৩১০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। গত বছর একই বীজের দাম ছিল ২৫০০-২৭০০ টাকা। পাশাপাশি ডিজেলের মূল্যবৃদ্ধির কারণে জমি চাষেও বেশি খরচ হচ্ছে। এর ফলে, এবার তরমুজের উৎপাদন খরচ বাড়বে বলে জানান তারা।

বরগুনা জেলা (বিএফএ) ডিলার সমিতির সভাপতি মোঃ ফেরদাউস জামান শাহীন বলেন, সবখানে সরকারি দামে সার বিক্রি করা হচ্ছে। তবে গ্রামাঞ্চলে কিছু অসাধু ব্যাবসায়ী বেশি দামে বিক্রি করতে পারে। তবে তথ্য প্রমান পেলে আমরা আমাদের কর্তৃপক্ষের কাছে জানাবো।

বরগুনা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক আবু সৈয়দ মো. জোবায়দুল আলম বলেন, গত বছর তরমুজের বাম্পার ফলন হওয়ায় এ বছর কৃষকেরা বেশি তরমুজ চাষে ঝুঁকছেন। আমাদের কর্মকর্তারা রাত-দিন কৃষকের সুখে-দুখে পরামর্শ দিচ্ছেন আশা করি এ বছরও ব্যাপক হারে তরমুজ ফলন হবে। 

নিউজ ট্যাগ: বরগুনা

আরও খবর
সিলেট নগরী থেকে গৃহবধূর গলিত লাশ উদ্ধার

বুধবার ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৪




বিচার বিভাগের স্বচ্ছতা নিশ্চিতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ সরকার: রাষ্ট্রপতি

প্রকাশিত:শুক্রবার ২৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
আন্তর্জাতিক ডেস্ক

Image

বিচার বিভাগের স্বচ্ছতা, দক্ষতা এবং জবাবদিহি নিশ্চিতের জন্য প্রতিশ্রুতিবদ্ধ সরকার। শুক্রবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) সুপ্রিম কোর্ট আয়োজিত সাউথ এশিয়ান কনস্টিটিউশনাল কোর্ট ইন দ্য টোয়েন্টি ফার্স্ট সেনচুরি: লেসন ফ্রম বাংলাদেশ অ্যান্ড ইন্ডিয়াশীর্ষক আন্তর্জাতিক সম্মেলনের উদ্বোধনী অধিবেশনে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন এ সব কথা বলেন।

রাষ্ট্রপতি বলেন, আদালতের হস্তক্ষেপগুলি যেন সাংবিধানিকতার নীতি, ক্ষমতা ভারসাম্য এবং গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার প্রতি শ্রদ্ধা রেখে পরিচালিত হয় তা নিশ্চিত করতে হবে।

বাংলাদেশ এখন বিশ্বে উন্নয়নের রোল মডেল উল্লেখ করে তিনি বলেন, উন্নয়নের এ ধারা অব্যাহত রেখে একটি সুখী ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়তে সম্মিলিত প্রয়াস চালিয়ে যেতে হবে। দেশের সামগ্রিক উন্নয়ন ও সমৃদ্ধির অগ্রযাত্রায় বিচার বিভাগকে সামিল হতে হবে। জাতির ক্রান্তিকালে যখনই প্রয়োজন হয়েছে, সুপ্রিম কোর্ট তার উপরে অর্পিত দায়িত্ব পালনের মাধ্যমে মানুষের মৌলিক মানবাধিকার প্রতিষ্ঠা এবং সংবিধানকে রক্ষা করেছে।

তিনি বলেন, অবৈধভাবে সংসদকে ব্যবহার করে সংবিধানের পঞ্চম ও সপ্তম সংশোধনী পাসের মাধ্যমে তাদের সমস্ত কুকীর্তিকে বৈধতা দেওয়ার চেষ্টা করেছিল স্বৈরশাসকেরা। কিন্তু সংবিধানের ৫ম ও ৭ম সংশোধনীকে অবৈধ ঘোষণা করে দেশের মানুষের গণতান্ত্রিক অধিকার প্রতিষ্ঠা করেছে সুপ্রিম কোর্ট।

তিনি আরও বলেন, সংবিধানবিরোধী ইনডেমনিটি অধ্যাদেশ জারি করে জাতির পিতার হত্যাকারীরা ভেবেছিল আর কখনো তাদের বিচার হবে না। কিন্তু সুপ্রিম কোর্ট ষড়যন্ত্রকারীদের সেই নীল নকশা বাস্তবায়িত হতে দেয়নি। ইনডেমনিটি অধ্যাদেশকে সংবিধানবিরোধী ঘোষণা এবং জাতির পিতার হত্যাকারীদের বিচার করে সুপ্রিম কোর্ট তার সাংবিধানিক দায়িত্ব পালন করেছে।


আরও খবর



বাড়িঘর পুড়িয়ে ছাই করে দিচ্ছে জান্তা সরকার

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
আন্তর্জাতিক ডেস্ক

Image

বেসামরিক জাতীয় ঐক্য সরকারের (এনইউজি) অধীনে টানা কয়েক দিনের আক্রমণে গত বছরের ৬ নভেম্বর মিয়ানমারের সাগাইং অঞ্চলের কাওলিন শহরটি দখল করেছিল জাতিগত সেনাবাহিনী এবং পিপলস ডিফেন্স ফোর্স গ্রুপ (পিডিএফ)। গত ১২ ফেব্রুয়ারি বড় আক্রমণের মাধ্যমে কাওলিন পুনর্দখল করে মিয়ানমারের জান্তা বাহিনী।

পুনর্দখলের পর শহরটির প্রায় ৮০ ভাগ বাড়িঘর ধ্বংস করে দিয়েছে জান্তা বাহিনী। ২৫টি গ্রামের প্রায় ২৫ হাজার বাসিন্দা সংঘর্ষের কারণে বাস্তুচ্যুত হয়েছে। ড্রোন ক্যামেরায় তোলা একটি ছবিতে দেখা যাচ্ছে, শহরের প্রায় সব বাড়ি পুড়িয়ে দেওয়া হয়েছে।

কাওলিনভিত্তিক পিডিএফ অনুসারে, শহরের আটটি ওয়ার্ডই অগ্নিসংযোগের শিকার হয়েছে। জান্তা সৈন্যরা উপকণ্ঠের অন্তত ১০টি গ্রাম আগুনে সম্পূর্ণ ভষ্ম করে দিয়েছে।

কাওলিন রেভোলিউশন গ্রুপের একজন সদস্য সোমবার বলেন, আজ কোনো সংঘর্ষ ছিল না। তারপরও জান্তা সৈন্যরা ভোর ৫টা থেকে ইন বোকে কোনের লগিং সাইটে অগ্নিসংযোগ করছে।’

বহুতল ভবনগুলোতে জান্তা সৈন্য মোতায়েন করা হয়েছে। তাদের নজরদারিতে বাধা সৃষ্টি করে এমন সব অবকাঠামো ধ্বংস করা হচ্ছে।

শহরের উপকণ্ঠে কিয়াউকটান গ্রামের কাছে সংঘর্ষ অব্যাহত রয়েছে। এতে মান্দালে-শ্বেবো সড়কে পরিবহন ব্যাহত হচ্ছে। ২৩ ফেব্রুয়ারি থেকে অবরুদ্ধ মাইটকিনা-ইন্দাও-কাইউকটান সড়কেও যানবাহন আটকা পড়ে আছে।


আরও খবর
সৌদি আরবে এক দিনে সাতজনের শিরশ্ছেদ

বুধবার ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৪




পাকিস্তান নির্বাচন : ফল ঘোষণায় অস্বাভাবিক বিলম্ব

প্রকাশিত:শুক্রবার ০৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ০৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
আন্তর্জাতিক ডেস্ক

Image

পাকিস্তানে জাতীয় নির্বাচনের ফল ঘোষণায় অস্বাভাবিক বিলম্ব নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। এতে নির্বাচনের ফল নিয়ে কারচুপির অভিযোগ করছেন ইমরান খান সমর্থিত স্বতন্ত্র প্রার্থীরা। নির্বাচন পর্যবেক্ষকেরা বলছেন, পাকিস্তানের অতীতের নির্বাচনগুলো বিবেচনায় নিলে এবার ফল ঘোষণায় এমন বিলম্ব অস্বাভাবিক।

বার্তা সংস্থা রয়টার্স বলছে- দেশটিতে এর আগের নির্বাচনের দিন স্থানীয় সময় মধ্যরাতের মধ্যে কোন দল এগিয়ে ছিল সে সম্পর্কে একটি পরিষ্কার চিত্র পাওয়া গিয়েছিল। আর এবার ভোট গ্রহণের ২০ ঘণ্টার পর শুক্রবার (০৯ ফেব্রুয়ারি) স্থানীয় সময় সকাল সোয়া ৮টা পর্যন্ত ২৬৫ আসনের মধ্যে মাত্র ১০টি আসনের ফল পাওয়া গেছে।

স্থানীয় সংবাদমাধ্যম ডন পত্রিকার অনলাইন ভার্সনে বলা হয়েছে, এই ১০ আসনের ৪টিতে পাকিস্তান তেহরিক-ই-ইনসাফ (পিটিআই) সমর্থিত প্রার্থী, ৪টিতে পাকিস্তান মুসলিম লীগ-নওয়াজের (পিএমএল-এন), ২টিতে পাকিস্তান পিপলস পার্টির (পিপিপি) প্রার্থী জয়ী হয়েছেন।

বৃহস্পতিবার (০৮ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে ভোট গ্রহণ শেষে খুবই ধীরগতিতে ভোট গণনার কাজ করা হচ্ছে। মোবাইল ফোন সংযোগ স্থগিত ও সহিংসতার কারণে নির্বাচন বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছিল। এরপর ফল ঘোষণায়ও ধীরগতি দেখা যায়। এ অবস্থায় কারাবন্দী সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানের দল পিটিআই বলছে, ফল প্রকাশে এই বিলম্ব ভোট কারচুপির লক্ষণ।

যদিও দেশটির টিভি চ্যানেলের অনানুষ্ঠানিক ফলাফলে কিছুটা ইঙ্গিত করা হচ্ছে যে, ইমরান খানের দলের প্রার্থীরা এগিয়ে রয়েছে। গত বছর দুর্নীতির অভিযোগে কারাগারে বন্দী ইমরান খানকে এই নির্বাচনে প্রার্থী হিসেবে অযোগ্য ঘোষণা করা হয় এবং তার দল পিটিআইকে স্বতন্ত্র হিসেবে প্রার্থী দিতে হয়েছে।


আরও খবর
সৌদি আরবে এক দিনে সাতজনের শিরশ্ছেদ

বুধবার ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৪




ফিলিপাইনে সোনার খনি ধসে নিহত ৫৪

প্রকাশিত:সোমবার ১২ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:সোমবার ১২ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
আন্তর্জাতিক ডেস্ক

Image

ফিলিপাইনের দক্ষিণাঞ্চলীয় প্রদেশ দাভাও দে ওরোর মাকো শহরের কাছে একটি সোনার খনিতে ধসের পর এ পর্যন্ত সেখান থেকে ৫৪ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এখনও নিখোঁজ রয়েছেন অন্তত ৬৩ জন। নিহতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

গত ৬ ফেব্রুয়ারি সোনার খনিটিতে ধসে যাওয়া ঘটনা ঘটে বলে জানিয়েছেন দাভাও দে ওরো প্রদেশ প্রশাসনের কর্মকর্তা এডওয়ার্ড ম্যাকাপিলি।

রয়টার্সকে এডওয়ার্ড ম্যাকাপিলি জানান, সোনার খনিটি ধসের পর থেকে দুর্যোগ মোকাবিলা বিভাগের তিন শর মতো কর্মী উদ্ধার অভিযান শুরু করেন। গত পাঁচ দিনে ৫৪ জনের মরদেহ উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে।

কাদা-ধসে পড়া স্তূপের নিচে এখনো ৬৩ জনের মতো আটকা পড়ে আছেন বলে ধারণা করা হচ্ছে। তাদের বেঁচে থাকার সম্ভাবনা খুবই ক্ষীণ। তারপরের উদ্ধারকর্মীরা আপ্রাণ চেষ্টা চালাচ্ছেন।

ওই কর্মকর্তা আরও জানান, ভারী বর্ষণের কারণে কাদায় পুরো খনি ঢেকে গেছে। আরও ভূমিধসের আশঙ্কা করা হচ্ছে। যার ফলে উদ্ধার তৎপরতা বিঘ্ন ঘটছে।

এদিকে, নিখোঁজ তালিকাভুক্ত প্রত্যেককে উদ্ধার না করা পর্যন্ত অভিযান চালিয়ে যাওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে কর্তৃপক্ষ।


আরও খবর
সৌদি আরবে এক দিনে সাতজনের শিরশ্ছেদ

বুধবার ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৪




এনআইডি জালিয়াতি : ডা. সাবরিনার বিচার শুরু

প্রকাশিত:সোমবার ১২ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:সোমবার ১২ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
আদালত প্রতিবেদক

Image

বহুল-আলোচিত ডা. সাবরিনা শারমিনের বিরুদ্ধে তথ্য গোপন করে দ্বিতীয় এনআইডি তৈরির অভিযোগে নির্বাচন কমিশনের (ইসি) করা প্রতারণা মামলায় অভিযোগ গঠনের আদেশ দিয়েছেন আদালত।

সোমবার (১২ ফেব্রুয়ারি) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মাহবুব আহমেদ অব্যাহতির আবেদন খারিজ করে অভিযোগ গঠন করেন। একই সঙ্গে মামলার সাক্ষ্যগ্রহণের জন্য ১৩ জুন দিন ধার্য করেন। অভিযোগ গঠনের সময় ডা. সাবরিনা আদালতে উপস্থিত ছিলেন। এ সময় তিনি নিজেকে নির্দোষ দাবি করে আদালতের কাছে ন্যায় বিচার চেয়েছেন।

২০২০ সালের ৩০ আগস্ট সাবরিনার বিরুদ্ধে বাড্ডা থানায় মামলাটি করেন গুলশান থানার নির্বাচন কর্মকর্তা মোহাম্মদ মমিন মিয়া। গত বছরের ২৪ নভেম্বর গোয়েন্দা পুলিশের উপ-পরিদর্শক রিপন উদ্দিন আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেন।

মামলার এজাহারে বলা হয়, সাবরিনার দুটি এনআইডি কার্ড সক্রিয়। দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) বিষয়টি টের পাওয়ার পর বিস্তারিত জানতে ইসির কাছে তথ্য চায়। সাবরিনা ২০১৬ সালে ভোটার তালিকা হালনাগাদের সময় দ্বিতীয়বার ভোটার হন। তিনি প্রথমে ভোটার হন সাবরিনা শারমিন হোসেন নামে। একটিতে জন্ম তারিখ ১৯৭৮ সালের ২ ডিসেম্বর, অন্যটিতে ১৯৮৩ সালের ২ ডিসেম্বর। প্রথমটিতে স্বামীর নাম আর এইচ হক আর দ্বিতীয়টিতে স্বামীর নাম লেখা হয়েছে আরিফুল চৌধুরী।

উল্লেখ্য, জাল করোনা সনদ দেওয়ার মামলায় ২০২২ সালের ১৯ জুলাই সাবরিনা ও তার স্বামী আরিফুলসহ ৬ জনকে ১১ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দেন ঢাকার অতিরিক্ত মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট তোফাজ্জল হোসেন। বর্তমানে উচ্চ আদালত থেকে জামিন পেয়ে কারামুক্ত আছেন সাবরিনা।


আরও খবর
ডিআইজি মিজানের ১৪ বছরের সাজা বহাল

বুধবার ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৪