আজঃ শুক্রবার ২১ জুন ২০২৪
শিরোনাম

বরগুনায় বিএনপি নেতা হারুন গ্রেফতার

প্রকাশিত:শুক্রবার ২৬ মে ২০২৩ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২৬ মে ২০২৩ | অনলাইন সংস্করণ
অলিউল্লাহ্ ইমরান, বরগুনা

Image

বরগুনার পাথরঘাটা উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক ও চরদুয়ানী ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক ইউপি সদস্য হারুন অর রশিদ হাওলাদারকে আটক করেছে পাথরঘাটা থানা পুলিশ। বৃহস্পতিবার (২৫ মে) দিবাগত গত রাত ১টার দিকে তাকে বাড়ি থেকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

শুক্রবার (২৬ মে) বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন পাথরঘাটা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি শাহ আলম হাওলাদার।

আরও পড়ুন: ১২ বছর পর যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত আসামি গ্রেপ্তার

জানাগেছে, বরগুনা-২ আসনের বিএনপির সাবেক সংসদ সদস্য নুরুল ইসলাম মনি ১৭ বছর পর নিজ এলাকা পাথরঘাটায় প্রবেশের সময় গত বছরের ৪ সেপ্টেম্বর পাথরঘাটার সিঅ্যান্ডবি এলাকায় আওয়ামী লীগ-বিএনপি সংঘর্ষের রনক্ষেত্র তৈরি হয়। এ ঘটনায় পাথরঘাটা উপজেলা বিএনপি ও এর অঙ্গ সংগঠনের ৯৯ জনকে নামিয় ও আড়াইশ থেকে তিনশনকে অজ্ঞাত আসামী করে পাথরঘাটা থানায় মামলা হয়। এ মামলায় তাকে আসামি দেখিয়ে চরদুয়ানী ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ডের নিজ বাড়ি থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়।

আরও পড়ুন: বাবাকে হত্যার দায়ে এক মেয়ের ফাঁসি, স্ত্রী ও আরেক মেয়ের যাবজ্জীবন

এদিকে গ্রেফতারের প্রতিবাদ জানিয়ে তার নিঃশর্ত মুক্তি দাবি করেছেন পাথরঘাটা উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক চৌধুরী মোহাম্মদ ফারুক। তিনি জানান আজ শুক্রবার বরগুনায় জেলা বিএনপির সমাবেশ থাকায় বিএনপির নেতাকর্মীদের হয়রানি করছে পুলিশ। বাড়িতে বাড়িতে গিয়ে তল্লাশি চালিয়ে আতঙ্ক ছড়িয়ে জেলা সমাবেশে যেতে নিষেধ করেছে তারা। এছাড়াও শুক্রবার সকালে থেকে পাথরঘাটা, আমতলী, ফুলঝুড়ি, বগিসহ বিভিন্ন খেয়াঘাট ও ফেরিঘাট এলাকায় পুলিশ মোতায়েন করে যারা জেলা বিএনপির সমাবেশ যাচ্ছে তাদের তালিকা তৈরি করেছে পুলিশ। এবং বিভিন্ন যায়গায় খেয়াপারাপার ও গাড়ি চলাচল বন্ধ করে দিয়েছে।

আরও পড়ুন: কেরানীগঞ্জে ডাকাতদলের প্রধান মুসা আটক

এ ব্যাপারে পাথরঘাটা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি শাহ আলম হাওলাদার জানান, শহরের শান্তি শৃঙ্খলা বজায় রাখতে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। এছাড়াও কাউকে পুলিশের পক্ষ থেকে হয়রানি করা হচ্ছে না। তবে বিভিন্ন মামলায় আসামিদের ধরতে অভিযান চলমান আছে। আর হারুন অর রশিদ হাওলাদারকে মামলায় তদন্ত প্রাপ্ত আসামি হওয়ায় তাকে গ্রেফতার করা হয়েছে। শুক্রবার দুপুরে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।


আরও খবর



পল্টনের ফায়েনাজ টাওয়ারের আগুন নিয়ন্ত্রণে

প্রকাশিত:বুধবার ১২ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ১২ জুন ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক

Image

রাজধানীর পল্টনে ফায়েনাজ টাওয়ারে লাগা আগুন নিয়ন্ত্রণে এসেছে। ফায়ার সার্ভিস অ্যান্ড সিভিল ডিফেন্সের পাঁচ ইউনিটের চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে।

বুধবার (১২ জুন) সন্ধ্যা ৬টা ৪৮ মিনিটে আগুন লাগার খবর পায় ফায়ার সার্ভিস। পরে ফায়ার সার্ভিসের পাঁচ ইউনিটের চেষ্টায় সন্ধ্যা ৭টা ২৬ মিনিটে আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে।

ফায়ার সার্ভিসের নিয়ন্ত্রণ কক্ষের ডিউটি অফিসার রোজিনা আক্তার বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, পল্টনে ১৫তলা ফায়েনাজ টাওয়ারের পঞ্চম তলায় আগুন লাগে। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের পাঁচটি ইউনিট আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ করে।

প্রাথমিকভাবে আগুন লাগার কারণ ও হতাহতের খবর জানাতে পারেননি ফায়ার সার্ভিসের এই কর্মকর্তা।


আরও খবর



বিশ্ব শিশুশ্রম প্রতিরোধ দিবস আজ

প্রকাশিত:বুধবার ১২ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ১২ জুন ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক

Image

১২ জুন বিশ্ব শিশুশ্রম প্রতিরোধ দিবস। বিশ্বের অন্যান্য দেশের মতো বাংলাদেশেও আজ বুধবার দিবসটি পালিত হবে। দিবসটির এবারের প্রতিপাদ্য শিশুশ্রম বন্ধ করি, প্রতিশ্রুতি রক্ষা করি’। এ উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পৃথক বাণী দিয়েছেন।

এই দিবস পালন উপলক্ষে আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থা (আইএলও) এবং ইউনিসেফসহ বিভিন্ন আন্তর্জাতিক ও দেশীয় বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণ করেছে। এছাড়াও বিভিন্ন গণমাধ্যম দিবসটির গুরুত্ব তুলে ধরে অনুষ্ঠান, টিভিসি প্রচার করবে। সারা দেশে কলকারখানা ও শ্রমঘন এলাকায় ব্যানার ফেস্টুন পোস্টার টাঙ্গানো হবে। শিশুশ্রম নিরসনে সচেতননামূলক লিফলেট বিতরণ করা হবে। বিভিন্ন শিল্প এলাকার কলকারখানায় শিশুশ্রম নিরুৎসাহিত করতে বিশেষ পরিদর্শনের ব্যবস্থা করা হবে।

রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন শিশুদের উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ গড়তে ও শিশুশ্রম নিরসনে সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠান, আন্তর্জাতিক সহযোগী সংস্থাসহ সকলকে একযোগে কাজ করার আহ্বান জানিয়ে বলেন, শিশুরাই জাতির ভবিষ্যৎ। উন্নত ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়তে হলে শিশুর সার্বিক কল্যাণ নিশ্চিত করে তাদের সুযোগ্য নাগরিক হিসেবে গড়ে তোলার বিকল্প নেই। শিশুশ্রম একটি বৈশ্বিক সমস্যা। শিশুশ্রম শিশুর স্বাভাবিক শৈশব ও পারিবারিক জীবন ক্ষতিগ্রস্ত করার পাশাপাশি তাদের সঠিক মানসিক ও শারীরিক বিকাশ এবং শিক্ষা প্রক্রিয়াকে বাধাগ্রস্ত করে। টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রার টার্গেট ৮ দশমিক ৭ এর অধীনে ২০২৫ সালের মধ্যে সব ধরনের শিশুশ্রম বন্ধের বিষয়ে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে প্রথাগত শিশুশ্রম নির্মূলের পাশাপাশি জোরপূর্বক শ্রম, আধুনিক দাসপ্রথা ও মানবপাচার, শিশুদেরকে সৈনিক হিসেবে ব্যবহারসহ নিকৃষ্ট শিশুশ্রমসমূহ নিষিদ্ধ ও নির্মূলে এখনই কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তার বাণীতে বলেছেন, শিশুদের স্বাভাবিক বিকাশ ও শিক্ষার সুযোগ নিশ্চিত করাসহ শিশুশ্রম নিরসনে প্রত্যেকে নিজ নিজ অবস্থান থেকে আরও সচেষ্ট হতে হবে।

তিনি বলেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ১৯৭৪ সালে শিশুদের উন্নয়ন ও বিকাশে শিশু আইন প্রণয়ন ও প্রাথমিক শিক্ষা বাধ্যতামূলক করেন। তিনি সংবিধানে শিশু অধিকার সমুন্নত রাখেন। বাংলাদেশের সংবিধান ও জাতির পিতার আদর্শ অনুসরণ করে আওয়ামী লীগ সরকার বাংলাদেশে শিশু শ্রম প্রতিরোধে বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ ও বাস্তবায়ন করেছে। শ্রমজীবী শিশুদের ঝুঁকিপূর্ণ কাজ থেকে প্রত্যাহারের লক্ষ্যে আমরা জাতীয় শিশুশ্রম নিরসন নীতি-২০১০’ প্রণয়ন করেছি। এ নীতি বাস্তবায়নে জাতীয় শিশুশ্রম কল্যাণ পরিষদ, উপজেলা শিশুশ্রম পরিবীক্ষণ কমিটি, জেলা শিশুশ্রম পরিবীক্ষণ কমিটি এবং বিভাগীয় শিশুশ্রম কল্যাণ পরিষদ গঠন করা হয়েছে। শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় শিশুদের জন্য ৪৩টি কাজকে ঝুঁকিপূর্ণ কাজ হিসেবে চিহ্নিত করে তা গেজেট আকারে প্রকাশ করেছে।

তিনি আরও বলেন, এ পর্যন্ত ১ লাখ ৯০ হাজার শিশুকে ঝুঁকিপূর্ণ কাজ থেকে প্রত্যাহার করা হয়েছে। আইএলও কনভেনশন অনুযায়ী শিশুশ্রম নিরসনের লক্ষ্যে ২ হাজার ৫০০ কোটি টাকা ব্যয়ে শিশুশ্রম নিরসন ও পুনর্বাসন প্রকল্প’ নামে মেগাপ্রকল্প বাস্তবায়ন করা হয়েছে যা এবছর শেষ হবে। গৃহকর্মে শিশুশ্রম নিয়ন্ত্রণের লক্ষ্যে প্রণয়ন করা হয়েছে গৃহকর্মী সুরক্ষা ও কল্যাণ নীতি-২০১৫’।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, টেকসই উন্নয়নের লক্ষ্য অনুযায়ী আমরা দেশকে সব ধরনের শিশুশ্রম থেকে মুক্ত করার লক্ষ্যে জাতীয় কর্মপরিকল্পনা ২০২১-২৫ প্রণয়ন করেছি এবং এটি বাস্তবায়নে কাজ করে যাচ্ছি। সরকার জাতীয় শিশুনীতি-২০১১’, শিশু আইন-২০১৩’, বাল্যবিবাহ নিরোধ আইন-২০১৭’ প্রণয়ন করেছে। এছাড়া সুবিধা বঞ্চিত শিশুদের পুনর্বাসন এবং বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন শিশুদের বিকাশে কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। শিক্ষার্থীদের বছরের শুরুতে বিনামূল্যে নতুন বই প্রদান করা হচ্ছে। প্রায় শতভাগ শিশু আজ স্কুলে যাচ্ছে।

শেখ হাসিনা বলেন, আমরা শিশু ও তাদের পরিবারের সহায়তায় বিভিন্ন ধরনের উদ্যোগ গ্রহণ করেছি। এর মধ্যে রয়েছে শিশু সুরক্ষা ব্যবস্থা শক্তিশালীকরণ, শিশু সংবেদনশীল সামাজিক সুরক্ষা নীতি প্রণয়ন এবং পারিবারিক আয় বৃদ্ধির মাধ্যমে সমাজ ভিত্তিক শিশু সুরক্ষা ব্যবস্থাকে উন্নত করা। এছাড়া শিশুশ্রম নিরসনে আমরা বেসরকারি খাতগুলোকে সম্পৃক্ত করেছি। সহিংসতা ও শোষণ থেকে শিশুদের সুরক্ষা সম্পর্কে নিয়োগদাতাদের প্রশিক্ষিত করার বিষয়টিতে আমরা অগ্রাধিকার দিয়েছি।

বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর শিশুশ্রম সমীক্ষা-২০০৩ অনুযায়ী বাংলাদেশে শ্রমে নিয়োজিত শিশুর সংখ্যা ছিল প্রায় ৩২ লাখ। সরকারের সময়োপযোগী পদক্ষেপ গ্রহণের ফলে ২০২৩ সালে শিশুশ্রম সমীক্ষা অনুযায়ী শ্রমে নিয়োজিত শিশুর সংখ্যা হ্রাস পেয়ে ১৭ লাখে দাঁড়িয়েছে।


আরও খবর
সাত নদীর পানি বিপদসীমার ওপরে

বৃহস্পতিবার ২০ জুন ২০24




জাতীয় ঈদগাহে পাঁচ স্তরের নিরাপত্তা : ডিএমপি কমিশনার

প্রকাশিত:রবিবার ১৬ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:রবিবার ১৬ জুন ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক

Image

এবার জাতীয় ঈদগাহে ঈদুল আজহার প্রধান জামাতের নিরাপত্তার জন্য পাঁচ স্তরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) কমিশনার হাবিবুর রহমান। রোববার (১৬ জুন) রাজধানীর হাইকোর্ট প্রাঙ্গণে অবস্থিত জাতীয় ঈদগাহ ময়দান পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের তিনি এ কথা জানান।

ডিএমপি কমিশনার আরও জানান, ঈদগাহ ও এর আশপাশের এলাকায় এসবির ইকুইপমেন্ট দ্বারা সুইপিং করা হবে। ডিএমপির ডগ স্কোয়াড দিয়ে সুইপিং করা হবে।

তিনি বলেন, পুরো এলাকা সিসি ক্যামেরা দিয়ে পর্যবেক্ষণ, ড্রোন পেট্টোলিং ও ওয়াচ টাওয়ারের মাধ্যমে নিরাপত্তা পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করা হবে।

হাবিবুর রহমান বলেন, মেটাল ডিটেকটর ও আর্চওয়ের মাধ্যমে তল্লাশি করা হবে। ইউনিফর্ম পুলিশ ছাড়াও ডিবি, এসবি ও অন্যান্য গোয়েন্দা সংস্থার কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে। কোনো দাহ্যবস্তু নিয়ে ঈদের জামাতে আসা যাবে না।

জঙ্গি তৎপরতার আগাম খবর নেই জানিয়ে তিনি বলেন, তারপরও ডিএমপি পুরো বিষয়টি বিবেচনায় রেখে নিরাপত্তা পরিকল্পনা তৈরি করেছে।

এ ছাড়া কোরবানির পশুর চামড়া যেন কোনোভাবে পাচার না হয় সেজন্য পুলিশ সচেষ্ট থাকবে বলেও জানান ডিএমপি কমিশনার।


আরও খবর
সাত নদীর পানি বিপদসীমার ওপরে

বৃহস্পতিবার ২০ জুন ২০24




ঘূর্ণিঝড় রেমাল: চট্টগ্রাম বন্দরে অ্যালার্ট-৪ জারি

প্রকাশিত:রবিবার ২৬ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:রবিবার ২৬ মে ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
রাহুল সরকার, চট্টগ্রাম ব্যুরো

Image

ঘূর্ণিঝড় রেমালের ক্ষয়ক্ষতি কমাতে ব্যাপক সতর্কতামূলক ব্যবস্থা নিয়েছে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ। বন্দরের নিজস্ব অ্যালার্ট-৪ জারি করা হয়েছে। এর ফলে জেটিতে থাকা সব জাহাজের লোড-আনলোড কার্যক্রম বন্ধ হয়ে গেছে।

জেটির বড় জাহাজগুলোকে সার্বক্ষণিক ইঞ্জিন চালু রাখাসহ প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দিয়ে রোববার সকাল ১০টা থেকে বহির্নোঙরে পাঠিয়ে দেওয়া হচ্ছে।

জাহাজশূন্য থাকবে চট্টগ্রাম বন্দর জেটি। ক্রেনসহ সব হ্যান্ডলিং ইকুইপমেন্ট প্যাক করা হচ্ছে যাতে বাতাসে ক্ষতিগ্রস্ত না হয়। বন্দর থেকে ডেলিভারি কার্যক্রম বন্ধ করা হয়েছে। বহির্নোঙরে লাইটারিং কার্যক্রমও বন্ধ।

আবহাওয়া অধিদফতরের সতর্ক সংকেতের ভিত্তিতে বন্দর কর্তৃপক্ষ বন্দর চ্যানেল, জাহাজ, জেটি, ইয়ার্ড, শেড, হ্যান্ডলিং ইকুইপমেন্ট নিরাপদ রাখতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিয়েছে বলে জানিয়েছেন বন্দর সচিব মো. ওমর ফারুক।

তিনি জানান, শনিবার বন্দরের সব বিভাগের কর্মকর্তাদের নিয়ে সভা করা হয়েছে। আবহাওয়া অধিদপ্তরের সতর্ক সংকেতের ওপর ভিত্তি করে বিভিন্ন বিভাগের করণীয় জানিয়ে দেওয়া হয়েছে।


আরও খবর



বিশ্ব মরুময়তা দিবস আজ

প্রকাশিত:সোমবার ১৭ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:সোমবার ১৭ জুন ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক

Image

বিশ্ব মরুকরণ ও খরা প্রতিরোধ দিবস আজ। গত ২৭ বছর ধরে প্রতি বছর এই তারিখে দেশেও দিবসটি পালিত হয়ে আসছে। ১৯৯৫ সালে বাংলাদেশে প্রথম বিশ্ব মরুময়তা দিবস পালিত হয়। উত্তরাঞ্চলের রাজশাহীকে কেন্দ্রবিন্দু ধরে নগর থেকে ৪০ কিলোমিটার পশ্চিমে কাকনহাটে জাতীয়ভাবে প্রথমবারের মতো দিবসটি পালিত হয়।

প্রতিনিয়ত পরিবর্তিত হচ্ছে পৃথিবী। এই পরিবর্তনের ধারায় কখনো সিডর, কখনো সুনামি, কখনো হ্যারিকেন, কখনো ভূমিকম্প, কখনো অতিবৃষ্টি, অনাবৃষ্টি, বন্যা, বিভিন্ন রকমের রোগবালাই দুর্যোগ

আকারে দেখা দিচ্ছে। মারা যাচ্ছে মানুষ, ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে মাঠের ফসল। বাড়ছে খাদ্য সংকট। ঘরবাড়ি মিশে যাচ্ছে মাটির সঙ্গে। ফলে মানুষ হারাচ্ছে তার মাথা গোঁজার ঠাঁই। নানা প্রাকৃতিক দুর্যোগের মধ্যে জলবায়ুর নেতিবাচক প্রভাবে বিশ্বে মরুকরণ একটি অন্যতম সমস্যা।

১৯৭৫ সালে প্রথমবারের মতো জাতিসংঘের পক্ষ থেকে খরা ও মরুকরণের প্রতি সোচ্চার হয়ে প্রতিরোধ গড়ে তোলার আহ্বান জানানো হয়। এই ধারাবাহিকতায় ১৯৭৭ সালে নাইরোবিতে বিশ্ব মরুকরণ বিরোধী সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। ১৯৯২ সালে রিও ডি জেনিরোতে অনুষ্ঠিত জাতিসংঘের পরিবেশ ও উন্নয়ন বিষয়ক সম্মেলনের পরপরই মরুকরণ সংক্রান্ত আন্তর্জাতিক কনভেনশন গ্রহণের প্রক্রিয়া শুরু হয়। রিও সম্মেলনের এজেন্ডা ২১ এর প্রস্তাবটি ১৯৯২ সালে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৪৭তম অধিবেশনে গৃহীত হয় এবং ইন্টারগভর্মেন্টাল নেগোশিয়েটিং কমিটি গঠিত হয়। এই কমিটি মরুকরণ সংক্রান্ত খসড়া কনভেনশন চূড়ান্ত করে। ১৯৯৪ সালের জুন মাসে কনভেনশনের দলিল চূড়ান্ত হয়। এই কনভেনশনে ৫০টি দেশ কর্তৃক অনুমোদিত হওয়ার পর ১৯৯৬ সালের ২৬ ডিসেম্বর থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে কার্যকর হয়। বাংলাদেশও এই কনভেনশন অনুমোদন করে। পরবর্তীতে খরা ও মরুকরণ সম্পর্কে বিশ্ববাসীকে সচেতন করে তুলতে ১৭ জুন পালন করা হয় বিশ্ব খরা ও মরুকরণ প্রতিরোধ দিবস।


আরও খবর
সাত নদীর পানি বিপদসীমার ওপরে

বৃহস্পতিবার ২০ জুন ২০24