আজঃ বৃহস্পতিবার ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২১
শিরোনাম

ব্রহ্মপুত্রের পানি বিপৎসীমার ওপরে, পানিবন্দী ২৫ হাজার মানুষ

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ৩১ আগস্ট ২০২১ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ৩১ আগস্ট ২০২১ | ৭১৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image
রাস্তাঘাট ডুবে যাওয়ায় এসব এলাকার অন্তত ২৫ হাজার মানুষ পানিবন্দী হয়ে পড়েছে। বন্যার কারণে সাঘাটা, ফুলছড়ি, সদর ও সুন্দরগঞ্জ উপজেলার চরাঞ্চলের পাট, পটল, কাঁচামরিচ

কয়েকদিনের প্রবল বর্ষণ ও উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে গাইবান্ধার সবগুলো নদ-নদীর পানি অস্বাভাবিক বৃদ্ধি পেয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় ব্রহ্মপুত্রের পানি ১৩ সেন্টিমিটার বেড়ে বিপৎসীমার ২২ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। এছাড়া তিস্তায় পানি কমলেও ঘাঘট ও করতোয়া নদীর পানি বিপৎসীমার কাছ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।

মঙ্গলবার (৩১ আগস্ট) সকালে এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন গাইবান্ধা পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. শোখলেছুর রহমান।

জানা গেছে, জেলার সাঘাটা, ফুলছড়ি, সদর ও সুন্দরগঞ্জ উপজেলার মধ্যদিয়ে প্রবাহিত ব্রহ্মপুত্র, তিস্তা ও যমুনা নদী বেষ্টিত ফুলছড়ি উপজেলার ফুলছড়ি, গজারিয়া, খাটিয়ামারী ইউনিয়নের চরাঞ্চল, যমুনা নদী বেষ্টিত সাঘাটা উপজেলার হলদিয়া, চিনিরপটল, পালপাড়া, পবনতাইড়, থৈকরপাড়া, বাঁশহাটা, চকপাড়া, মুন্সিরহাট, গোবিন্দ, নলছিয়া ও তিস্তা নদী বেষ্টিত এছাড়া সুন্দরগঞ্জ উপজেলার চন্ডিপুর, তারাপুর, কাপাসিয়া, বেলকা, হরিপুর ও শ্রীপুর এবং সদর উপজেলার কামারজানি ও মোল্লারচর ইউনিয়নের বেশিরভাগ এলাকার নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে।

এদিকে রাস্তাঘাট ডুবে যাওয়ায় এসব এলাকার অন্তত ২৫ হাজার মানুষ পানিবন্দী হয়ে পড়েছে। বন্যার কারণে সাঘাটা, ফুলছড়ি, সদর ও সুন্দরগঞ্জ উপজেলার চরাঞ্চলের পাট, পটল, কাঁচামরিচ ও শাক-সবজির ক্ষেতসহ সদ্য রোপণকৃত আমন ক্ষেত তলিয়ে গেছে।

গাইবান্ধা পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. শোখলেছুর রহমান জানান, ব্রহ্মপুত্রের পানি বৃদ্ধ অব্যাহত থাকলে বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধের ভেতরে নদ-নদী বেষ্টিত গাইবান্ধার ফুলছড়ি, সাঘাটা ও সদর উপজেলার চরগুলোর বন্যা পরিস্থিতি ভয়াবহ রূপ নিতে পারে বলে আশংকা করা হচ্ছে।


আরও খবর



ড্রাইভিং লাইসেন্স সরবরাহ করবে সেনাবাহিনী

প্রকাশিত:সোমবার ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২১ | হালনাগাদ:সোমবার ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২১ | ৪৬৭৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়েও ড্রাইভিং লাইসেন্স পাচ্ছেন না সাড়ে ১২ লাখ গাড়িচালক। এমন অবস্থায় আগামী অক্টোবরে ড্রাইভিং লাইসেন্সের স্মার্ট কার্ড ছাপার কাজ শুরু করবে সেনাবাহিনী পরিচালিত বাংলাদেশ মেশিন টুলস ফ্যাক্টরি (বিএমটিএফ)। ছাপার দিন থেকে শুরু করে আগামী ছয় মাসের মধ্যে প্রতিষ্ঠানটি ১২ লাখ ৪৫ হাজার ড্রাইভিং লাইসেন্স সরবরাহ করবে।

এ বিষয়ে বাংলাদেশ রোড ট্রান্সপোর্ট অথরিটি (বিআরটিএ)র পরিচালক (ইঞ্জিনিয়ারিং) শীতাংশু শেখর বিশ্বাস বলেন, আটকে থাকা ১২ লাখ ৪৫ হাজার ড্রাইভিং লাইসেন্স ছাপানোর জন্য বাংলাদেশ মেশিন টুলস ফ্যাক্টরির (বিএমটিএফ) সঙ্গে চুক্তি স্বাক্ষর হয়েছে। আগামী ছয় মাসের মধ্যে এসব কার্ড ছাপা শেষ হবে। গত ২৯ আগস্ট সেনাবাহিনীর সঙ্গে এ চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে।

আগামী বছরের মার্চের মধ্যে সাড়ে ১২ লাখ স্মার্ট ড্রাইভিং লাইসেন্স ছাপানোর কাজ হাতে নিয়েছে বিআরটিএ। একই সঙ্গে আগামী ছয় মাসের মধ্যে প্রতিষ্ঠানটি সাড়ে ১২ লাখ ড্রাইভিং লাইসেন্স বিতরণও করতে চায়।

বিআরটিএর সড়ক নিরাপত্তা বিভাগের পরিচালক মাহবুব ই রব্বানী বলেন, ১৫ থেকে ২০ দিন পর স্মার্ট ড্রাইভিং লাইসেন্সের কার্ড ছাপার কাজ শুরু হচ্ছে। এজন্য বিএমটিএফর সঙ্গে চুক্তি হয়েছে। পাঁচ থেকে ছয় মাসের মধ্যে পেন্ডিং সব ড্রাইভিং লাইসেন্স সরবরাহ করা সম্ভব হবে।


আরও খবর
কিশোর গ্যাং নিয়ন্ত্রণ নিয়ে নতুনভাবে ভাবতে হবে

বৃহস্পতিবার ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২১




দেশে আরও ৩২১ ডেঙ্গু রোগী হাসপাতালে

প্রকাশিত:সোমবার ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২১ | হালনাগাদ:সোমবার ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২১ | ৪১০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে ৩২১ জন ডেঙ্গু রোগী বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। এর মধ্যে রাজধানী ঢাকার বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি হাসপাতালে ২৪৬ জন এবং ঢাকার বাইরের বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ৭৫ জন।

স্বাস্থ্য অধিদফতর বলছে, ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হওয়া অধিকাংশ রোগীই রাজধানীর বাসিন্দা। সবমিলিয়ে এ বছর না ফেরার দেশে পাড়ি জমিয়েছেন অন্তত ৫৪ জন।

সোমবার বিকেলে সারাদেশের পরিস্থিতি নিয়ে স্বাস্থ্য অধিদফতরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোল রুমের নিয়মিত ডেঙ্গুবিষয়ক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, নতুন ৩২১ জন নিয়ে বর্তমানে দেশের বিভিন্ন সরকারি ও বেসরকারি হাসপাতালে সর্বমোট ভর্তি থাকা ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে এক হাজার ২৭১ জনে।

ঢাকার ৪১টি সরকারি ও বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি আছেন ১ হাজার ৮০ জন এবং অন্যান্য বিভাগের বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি আছেন ১৯১ জন।

চলতি বছরের ১ জানুয়ারি থেকে আজ (১৩ সেপ্টেম্বর) পর্যন্ত হাসপাতালে সর্বমোট রোগী ভর্তি হয়েছেন ১৪ হাজার ২২১ জন। তাদের মধ্যে সুস্থ হয়ে হাসপাতাল ছেড়েছেন ১২ হাজার ৮৯৬ জন রোগী। ডেঙ্গুতে এ সময়ে ৫৪ জনের মৃত্যু হয়েছে।


আরও খবর
করোনায় শনাক্ত ও মৃত্যু আরও কমল

বৃহস্পতিবার ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২১




আজ নয়, বুধবার আসছে ফাইজারের ১০ লাখ টিকা

প্রকাশিত:সোমবার ৩০ আগস্ট ২০২১ | হালনাগাদ:সোমবার ৩০ আগস্ট ২০২১ | ৮৪৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image
আমেরিকা থেকে কোভ্যাক্স ফ্যাসিলিটিজের আওতায় ফাইজারের যে ১০ লাখ ডোজ ভ্যাকসিন আসার কথা ছিল, তা আজ না এসে বুধবার

কোভ্যাক্স সুবিধার আওতায় যুক্তরাষ্ট্র থেকে ফাইজারের ১০ লাখ ডোজ করোনার টিকা আজ সোমবার আসছে না। আগামী বুধবার (১ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৫টায় কাতার এয়ারলাইন্সের একটি বিমানে ওই টিকা ঢাকায় পৌঁছবে। আজ দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা মাইদুল ইসলাম এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

তিনি বলেন, ফাইজারের টিকা আসার শিডিউল/সময় কিছুটা পরিবর্তন হয়েছে। আজ (৩০ আগস্ট) সন্ধ্যা ৭টা ১৫ মিনিটে আমেরিকা থেকে কোভ্যাক্স ফ্যাসিলিটিজের আওতায় ফাইজারের যে ১০ লাখ ডোজ ভ্যাকসিন আসার কথা ছিল, তা আজ না এসে বুধবার (১ সেপ্টেম্বর) দেশে পৌঁছাবে।

এ ছাড়া আজ রাত আড়াইটায় বাংলাদেশ বিমানের আরেকটি ফ্লাইটে চীন থেকে সিনোফার্মের আরও ২০ লাখ ডোজ টিকা দেশে এসে পৌঁছবে কি না সেটিও পরে জানানো হবে বলে জানান স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের এই কর্মকর্তা।

এর আগে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় সোমবার যুক্তরাষ্ট্র থেকে উপহারের ১০ লাখ ডোজ ফাইজারের টিকা আসার কথা জানিয়েছিল। এমনকি টিকাগুলো বিমানবন্দরে স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক ও ঢাকায় নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত আর্ল রবার্ট মিলার গ্রহণ করবেন বলেও জানানো হয়েছিল।  এটি যুক্তরাষ্ট্র থেকে বাংলাদেশের জন্য পাঠানো ফাইজারের দ্বিতীয় চালান। এর আগে গত ৩১ মে প্রথম এক লাখ ৬২০ ডোজ ফাইজারের টিকা দেশে আসে।

ফাইজার ছাড়াও যুক্তরাষ্ট্র থেকে কোভ্যাক্সের আওতায় দুই দফায় মর্ডানার টিকা পেয়েছে বাংলাদেশ। প্রথম দফায় জুলাই মাসের প্রথম দিকে যুক্তরাষ্ট্র থেকে মডার্নার ১২ লাখ ৬৭ হাজার ২০০ ডোজ টিকা দেশে আসে।


আরও খবর
কিশোর গ্যাং নিয়ন্ত্রণ নিয়ে নতুনভাবে ভাবতে হবে

বৃহস্পতিবার ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২১




পাবনায় পানিবন্দি ৩ হাজার পরিবার

প্রকাশিত:শুক্রবার ১০ সেপ্টেম্বর ২০২১ | হালনাগাদ:শুক্রবার ১০ সেপ্টেম্বর ২০২১ | ৫২০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

উজানের ঢল আর টানা বর্ষণে পাবনায় যমুনা নদীর পানি আশঙ্কাজনকভাবে বেড়েছে। এতে জেলার সাঁথিয়া উপজেলার নিম্নাঞ্চলখ্যাত নাগডেমড়া ইউনিয়নের ১৬ গ্রামের তিন হাজার পরিবার দুই মাস ধরে পানিবন্দি রয়েছে। এসব এলাকায় প্রয়োজনীয় খাবার, বিশুদ্ধ পানি ও ওষুধের সংকট দেখা দিয়েছে।

এদিকে উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে গত কয়েক দিনে ৪০০ পরিবারকে ত্রাণ সহায়তা দেওয়া হলেও বাকি পরিবারগুলো খাবারের জন্য হাহাকার করছে।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, পানিবন্দি সাঁথিয়া উপজেলার নাগডেমড়া ইউনিয়নের বড় সোনাতলা, ছোট সোনাতলা, বৈরাগী সোনা তলা, হাড়িয়া, পাটগাড়ী, চিনানাড়ী, ছোট নারিন্দা, নাগডেমড়া, ছোট পাতাইলহাট, বড় পাতাইলহাট, সেলন্দা, ক্ষিদির গ্রাম, আটিয়া পাড়াসহ প্রায় ১৬টি গ্রাম পানিতে ভাসছে।

প্রায় প্রতিটি ঘরের মধ্যে হাটু সমান পানি। তারা অনেকেই পার্শ্ববর্তী বিভিন্ন বাড়িতে আশ্রয় নিয়েছেন। আবার কেউ কেউ ঘরের সঙ্গে বাঁশের সাঁকো বেঁধে কলার ভেলায় বিভিন্ন কাজকর্ম করছে। পানিবন্দি হওয়ায় কর্মহীন হয়ে পড়েছে এসব এলাকার মানুষ। দেখা দিয়ে বিশুদ্ধ পানি ও খাবারের সংকট।

সাঁথিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডা. মামুন আব্দুল্লাহ বলেন, দীর্ঘ দিন পানিবন্দি থাকার ফলে পানিবাহিত ও মশাবাহিত রোগের প্রকোপ দেখা দিতে পারে। পানিবাহিত রোগের মধ্যে টাইফয়েড, কলেরা, ডায়রিয়া, জন্ডিস হতে পারে। মশাবাহিত রোগের মধ্যে ডেঙ্গু, চিকুনগুনিয়া, ম্যালেরিয়া হতে পারে। এ ছাড়াও জ্বর-ঠান্ডা-কাশি হতে পারে। বন্যাকবলিত এলাকায় জরুরি চিকিৎসাসেবা না দিলে ভয়াবহ অবস্থা তৈরি হতে পারে।

পাবনা জেলা ত্রাণ ও পুনর্বাসন দফতরের কর্মকর্তা রেজাউল করিম বলেন, বন্যাকবলিত এলাকার ক্ষতিগ্রস্তদের তালিকা তৈরি করা হয়েছে। পর্যাপ্ত ত্রাণ মজুদ রয়েছে। যেকোনো সময় বন্যাকবলিতদের কাছে পৌঁছে যাবে। তাছাড়া গো-খাদ্য ও শিশ খাদ্যের বরাদ্ধ আসছে। সেগুলোরও তালিকা তৈরি হয়ে গেছে। সময়মতো সুবিধাভোগীদের মালামাল বুঝিয়ে দেওয়া হবে।


আরও খবর
শিয়ালের ফাঁদে মানুষের মৃত্যু

শুক্রবার ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২১




এবার শুক্রবারও চলবে অধিবেশন

প্রকাশিত:বুধবার ২৫ আগস্ট ২০২১ | হালনাগাদ:বুধবার ২৫ আগস্ট ২০২১ | ৬১৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

করোনাভাইরাসের কারণে এবার শুক্রবারও জাতীয় সংসদের ১৪তম অধিবেশন বসবে। এদিন বিকেল ৪টায় বসবে অধিবেশন। ১ সেপ্টেম্বর (বুধবার) শুরু হওয়া ওই অধিবেশন চলবে চার কার্যদিবস।

করোনার কারণে তাড়াতাড়ি অধিবেশন শেষ করতে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। এবারও সাংবাদিকরা সেখানে প্রবেশের অনুমতি পাচ্ছেন না।

সংসদের একাধিক কর্মকর্তা এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

বুধবার (২৫ আগস্ট) জাতীয় সংসদের যুগ্ম সচিব মো. তারিক মাহমুদ জানিয়েছেন, করোনা সংক্রমণ প্রতিরোধে অধিবেশনকালীন সাংবাদিকদের পাস সরবরাহ করা সম্ভব হচ্ছে না। জনস্বার্থে অধিবেশনের সব কার্যক্রম সংসদ বাংলাদেশ টেলিভিশনে সরাসরি সম্প্রচার (লাইভ সম্প্রচার) হবে।

সংসদের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, করোনা পরীক্ষা করে সংসদ সদস্য ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের অধিবেশনে যেতে হয়। অধিবেশনের কার্যদিবসের মধ্যে বিরতি রাখলে কেউ সংক্রামিত হতে পারেন। এজন্য শুক্রবারও অধিবেশন চালানোর পরিকল্পনা রয়েছে।

আসন্ন অধিবেশনটি হবে চলতি বছরের চতুর্থ অধিবেশন। গত ৩ জুলাই শেষ হয়েছিল সংসদের ১৩তম অধিবেশন, যেটি ছিল বাজেট অধিবেশন। করোনা প্রকোপের মধ্যে সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতার কারণে স্বাস্থ্যবিধি মেনে গত কয়েকটি অধিবেশন বসেছে। জাতীয় সংসদের এক অধিবেশন শেষ হওয়ার পরবর্তী ৬০ দিনের মধ্যে অধিবেশন ডাকার সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতা রয়েছে।


আরও খবর
কিশোর গ্যাং নিয়ন্ত্রণ নিয়ে নতুনভাবে ভাবতে হবে

বৃহস্পতিবার ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২১