আজঃ বৃহস্পতিবার ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২১
শিরোনাম

ব্রহ্মপুত্রের পানি বৃদ্ধি: ৭০ হাজার মানুষ পানিবন্দি

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ০২ সেপ্টেম্বর 2০২1 | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ০২ সেপ্টেম্বর 2০২1 | ৫৯৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

কুড়িগ্রামের চিলমারী, উলিপুর, রৌমারী, রাজিবপুর ও সদর উপজেলায় ব্রহ্মপুত্রের অববাহিকায় বন্যা পরিস্থিতির অবনতি হয়েছে। পানিবন্দি হয়ে পড়েছে অন্তত ৭০ হাজার মানুষ।

বৃহস্পতিবার (২ সেপ্টেম্বর) স্থানীয় পানি উন্নয়ন বোর্ড জানায়, বিকেল ৩টায় ব্রহ্মপুত্রের পানি বৃদ্ধি পেয়ে চিলমারী পয়েন্টে বিপৎসীমার ৫১ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। ধরলার পানি কিছুটা কমে সেতু পয়েন্টে বিপৎসীমার ১১ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।

এতে করে ধরলা অববাহিকায় বন্যা পরিস্থিতির কিছুটা উন্নতি হলেও অবনতি হয়েছে ব্রহ্মপুত্র অববাহিকার বন্যা পরিস্থিতি। ব্রহ্মপুত্রের পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় চিলমারী ও উলিপুর উপজেলার ২ শতাধিক চর ও দ্বীপচরের প্রায় ৭০ হাজার মানুষ পানিবন্দি জীবনযাপন করছে।

ভেঙে পড়েছে চরাঞ্চলের যোগাযোগ-ব্যবস্থা। যাতায়াতের দুর্ভোগে বেড়েছে বন্যাকবলিত এলাকার মানুষের। হাতে কাজ না থাকায় বিপাকে পড়েছেন পানিবন্দি মানুষজন। পানিতে নিমজ্জিত হয়ে পড়েছে রোপা-আমন, সবজিক্ষেত ও বীজতলা।

হাতিয়া ইউপি চেয়ারম্যান বিএম আবুল হোসেন জানান, আমার ইউনিয়নের প্রায় সাড়ে ৩ হাজার পানিবন্দি পরিবার কষ্টে জীবনযাপন করছে। ব্রহ্মপুত্রের পানি বৃদ্ধি অব্যাহত থাকায় নতুন নতুন এলাকা প্লাবিত হয়ে পড়ছে। বন্যার্তদের জন্য চাল বরাদ্দ পেয়েছি। যা শুক্রবার বিতরণ করা হবে।

এদিকে বর্নাতদের জন্য ২৮০ মেট্রিক টন চাল ও ১২ লাখ ৫০ হাজার টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। যা বিতরণ করা হচ্ছে বলে জানান জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ রেজাউল করিম।


আরও খবর
কুড়িগ্রামে ৭ দিনের লকডাউন

মঙ্গলবার ১৫ জুন ২০২১




রাজধানীর সেই ঝুঁকিপূর্ণ ভবন ভাঙা হচ্ছে কাল

প্রকাশিত:শুক্রবার ২৭ আগস্ট ২০২১ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২৭ আগস্ট ২০২১ | ৭৮০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) ৪৪ নম্বর ওয়ার্ডের তনুগঞ্জ লেনের কুলুটৌলায় হেলে পড়া ঝুঁকিপূর্ণ ভবনটি ভেঙে ফেলার প্রাথমিক কার্যক্রম শুরু হয়েছে।

শুক্রবার ভবনটির দরজা-জানালা ভাঙার মাধ্যমে ছয়তলা ভবনটি ভেঙে ফেলার প্রাথমিক কার্যক্রম শুরু করা হয়। আগামীকাল (শনিবার) থেকে ভবনটির মূল অবকাঠামো ভাঙার কার্যক্রম শুরু হবে।

ডিএসসিসির জনসংযোগ কর্মকর্তা মো. আবু নাছের স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

গত ১৯ আগস্ট হাজী বাড়ী নামে ছয়তলা ভবনটি হেলে পড়লে সেদিনই রাজউক চেয়ারম্যান এবিএম আমিন উল্লাহ নুরী, দক্ষিণ সিটির ঝুঁকিপূর্ণ ভবন সংক্রান্ত কারিগরি কমিটির সভাপতি ও করপোরেশনের প্রধান প্রকৌশলী মো. রেজাউর রহমান ও সদস্য সচিব খায়রুল বাকের, ঢাকা জেলার জেলা প্রশাসক মো. শহীদুল ইসলাম, ডিএসসিসির ঝুঁকিপূর্ণ ভবন সংক্রান্ত আঞ্চলিক কমিটির সভাপতি ও অঞ্চল-৫ এর আঞ্চলিক নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ সাখাওয়াত হোসেন সরকার, সদস্য সচিব সাইফুল ইসলাম জয়, ৪৪ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর মিজানুর রহমান ইমন এবং ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স, তিতাস গ্যাস ও ডিপিডিসির শীর্ষস্থানীয় কর্মকর্তা, স্থানীয় থানার কর্মকর্তারা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন।

জেলা প্রশাসন, ফায়ার সার্ভিস ও পুলিশের সহায়তায় ভবনের বাসিন্দাদেরকে নিরাপদে বের করে আনা হয়। তিতাস গ্যাস লিমিটেড ভবনটির গ্যাস সংযোগ এবং ডিপিডিসি বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে। পরবর্তীতে উপস্থিত বিভিন্ন সংস্থার প্রতিনিধি, ডিএসসিসির ঝুঁকিপূর্ণ ভবন সংক্রান্ত কারিগরি কমিটি ও আঞ্চলিক কমিটির সদস্যরা ভবনটি ঝুঁকিপূর্ণ বলে একমত পোষণ করেন এবং ভবনটিকে ঝুঁকিপূর্ণ ঘোষণা করে সেখানে স্টিকার সাঁটিয়ে দেন। পরবর্তীতে জেলা প্রশাসন ভবনটি সিলগালা করে দেয়।

ঘটনা পরবর্তী রাজউক গঠিত তদন্ত কমিটির প্রতিবেদনের ভিত্তিতে গত ২২ আগস্ট ভবনটি অপসারণে রাজউক থেকে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ফরিদ আহাম্মদ বরাবরে পত্র দেওয়া হয়। ঝুঁকিপূর্ণ ভবনগুলো অপসারণ বা ঝুঁকিমুক্ত করার বিষয়ে গঠিত ডিএসসিসির কারিগরি কমিটির ২৫ আগস্টের সভার কার্যবিবরণী এবং রাজউকের ২২ আগস্টের পত্রে অনুরোধের প্রেক্ষিতে দক্ষিণ সিটির মেয়র ব্যারিস্টার শেখ ফজলে নূর তাপস গত ২৫ আগস্ট ডিএসসিসির কারিগরি কমিটির কার্যবিবরণীতে সাক্ষর করেন। সেদিনই দক্ষিণ সিটির অঞ্চল-৫ এর আঞ্চলিক নির্বাহী কর্মকর্তার সাক্ষরে ভবনটি নিজ উদ্যোগে, নিজ খরচে ও নিজ ব্যবস্থাপনায় জননিরাপত্তা নিশ্চিতপূর্বক ভেঙে ফেলার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করতে ভবন মালিককে পত্র দেওয়া হয়। এর প্রেক্ষিতে গত ২৬ আগস্ট ঢাকা জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ভবনটির সিলগালা খুলে দেন এবং সেখানে রক্ষিত ভবনের বাসিন্দাদের আসবাপত্রসমূহ নিয়ে যাওয়ার সুযোগ দেওয়া হয়। আজ (শুক্রবার) সকাল থেকে ভবনটি ভেঙে ফেলা প্রাথমিক কার্যক্রম শুরু করা হয়। শনিবার থেকে ভবনের মূল অবকাঠামো ভাঙার কার্যক্রম শুরু হবে। বেলা সাড়ে ১১টায় দক্ষিণ সিটির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ফরিদ আহাম্মদ ও রাজউক চেয়ারম্যান এবিএম আমিন উল্লাহ নুরীসহ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা ভবন ভাঙার কার্যক্রম পরিদর্শন করবেন।

হেলে পড়া ঝুঁকিপূর্ণ ভবনটি ভাঙা প্রসঙ্গে দক্ষিণ সিটির অঞ্চল-৫ এর আঞ্চলিক নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ সাখাওয়াত হোসেন সরকার বলেন, বাড়ির মালিক নিজ উদ্যোগে ভবনটি ভেঙে ফেলার কার্যক্রম শুরু করেছেন। আজ (শুক্রবার) ভবনের দরজা-জানালা অপসারণসহ প্রাথমিক কার্যক্রম শুরু হয়েছে। আগামীকাল (শনিবার) ভবনের মূল অবকাঠামো ভাঙা শুরু হবে।

এ প্রসঙ্গে ৪৪ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর মিজানুর রহমান ইমন বলেন, ঝুঁকিপূর্ণ ভবন অপসারণে বাড়ির মালিক কাজ করছেন। আমরা তার পাশে থাকব এবং সার্বিক সহযোগিতা করব, ইনশাআল্লাহ।


আরও খবর
ই-অরেঞ্জ গ্রাহকদের পুলিশের লাঠিপেটা

বৃহস্পতিবার ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২১




সিনোফার্মের আরও ৫৪ লাখ টিকা দেশে পৌঁছাল

প্রকাশিত:শনিবার ১১ সেপ্টেম্বর ২০২১ | হালনাগাদ:শনিবার ১১ সেপ্টেম্বর ২০২১ | ৫৫৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

চীন থেকে কেনা সিনোফার্মের করোনার টিকার আরেকটি চালান ঢাকায় এসে পৌঁছেছে। সিনোফার্মের ৫৪ লাখ এক হাজার ৩৫০ ডোজ করোনার টিকা গতকাল শুক্রবার  দিবাগত রাতে দেশে এসে পৌঁছায়। গত ৩ জুলাই বাণিজ্যিক চালান শুরুর পর এটি বাংলাদেশে সিনোফার্মের টিকার ষষ্ঠ চালান।

বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের একটি ফ্লাইট টিকার চালান নিয়ে শুক্রবার দিবাগত রাত পৌনে ১টার দিকে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করে। এরপর টিকার চালান বুঝে নেন স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালক ডা. শামসুল হক।

এর আগে ঢাকায় নিযুক্ত চীনা দূতাবাসের ডেপুটি চিফ অব মিশন হুয়ালং ইয়ান গতকাল শুক্রবার রাতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে এক পোস্টে চীনের টিকার চালান বাংলাদেশে আসছে বলে জানান। হুয়ালং ইয়ান বলেন, চীন থেকে বাণিজ্যিকভাবে ক্রয় করা টিকার চালান শনিবার (আজ) ঢাকা পৌঁছাবে।

হুয়ালং ইয়ান বলেন, বাংলাদেশের কৌশলগত অংশীদার হিসেবে যখনই প্রয়োজন হবে, চীন সর্বদা সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য সরবরাহকারী হিসেবে পাশে থাকবে।

এর আগে গতকাল দুপুরে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী জাহিদ মালেক জানান, চলতি মাসে চীন থেকে দুই কোটি ডোজ করোনার টিকা আসবে। এর মধ্যে (শনিবার) ৫০ লাখ ডোজ আসবে। এ মাসে এমন চারটি শিডিউল রয়েছে। এখন থেকে আগামী নভেম্বর মাস পর্যন্ত প্রতি সপ্তাহে ৫০ লাখ ডোজ করে আসবে। এসব টিকা পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে টিকা কার্যক্রম জোরদার করা হবে বলে জানান তিনি। 


আরও খবর
করোনায় শনাক্ত ও মৃত্যু আরও কমল

বৃহস্পতিবার ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২১




নারী নেতাদের একটি নেটওয়ার্ক দরকার : শেখ হাসিনা

প্রকাশিত:বুধবার ২২ সেপ্টেম্বর ২০২১ | হালনাগাদ:বুধবার ২২ সেপ্টেম্বর ২০২১ | ৩০০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

লিঙ্গ সমতা নিশ্চিত করতে নারী নেতাদের একটি নেটওয়ার্ক গঠন করার প্রয়োজনীয়তার কথা তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, এটি লিঙ্গ সমতা নিশ্চিত করতে চালিকা শক্তি হিসেবে কাজ করবে। জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের সভাপতির আহ্বানে নারী নেতাদের নিয়ে একটি উচ্চ পর্যায়ের বৈঠকে এ আহ্বান জানান প্রধানমন্ত্রী।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, দৃঢ়ভাবে অনুভব করছি- নারী নেতাদের একটি নেটওয়ার্ক প্রতিষ্ঠা করতে পারি, যা আমাদের শুধু একক বৈঠকের জন্য একত্রিত করবে না, বরং লিঙ্গ সমতা অর্জনে বাস্তব পদক্ষেপ নিশ্চিত করতে একটি শক্তি হিসেবে কাজ করবে এবং এটি নারী ক্ষমতায়নে ব্যাপক ভূমিকা রাখবে। লিঙ্গ সমতা নিশ্চিত করতে বিশ্ব নেতাদের সামনে তিনটি প্রস্তাব পেশ করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

প্রথম প্রস্তাবে প্রধানমন্ত্রী বলেন, লিঙ্গ সমতার বিষয়ে উপদেষ্টা বোর্ড প্রতিষ্ঠার জন্য আপনাদের প্রশংসা করি। এখন এটিকে স্থানীয়করণ করা দরকার। প্রত্যেক পর্যায়ে, বিশেষ করে তৃণমূল পর্যায়ে লিঙ্গ চ্যাম্পিয়ন প্রয়োজন এবং এর মাধ্যমে আমরা দৃষ্টান্ত স্থাপন করতে পারি।

দ্বিতীয় প্রস্তাবে প্রধানমন্ত্রী নারী নেতৃত্বাধীন সংগঠনগুলোকে পর্যাপ্ত রাজনৈতিক ও আর্থিকভাবে সাহায্য-সহযোগিতা করার প্রয়োজনীয়তার কথা তুলে ধরেন। এ ধরনের প্রচেষ্টায় জাতিসংঘের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা দরকার।

তৃতীয় প্রস্তাবে বঙ্গবন্ধু কন্যা বলেন, লিঙ্গ সমতার জন্য সাধারণ কর্মসূচিকে জোরদার করতে নেতাদের একটি সম্মেলন করার জন্য আহ্বান জানাচ্ছি। শুধু আমরা নয়, সব নেতাদের এতে যোগদান করা উচিত এবং লিঙ্গ সমতার অগ্রগতির জন্য দৃঢ় প্রতিশ্রুতি প্রয়োজন।

নারীদের ওপর করোনা মহামারির নেতিবাচক প্রভাবের কথা তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, অবৈতনিক যত্ন নেওয়ার কাজ বেড়েছে। লিঙ্গভিত্তিক সহিংসতা বেড়েছে। ইউনিসেফ এ দশকের শেষের আগে আরও দশ মিলিয়ন বাল্যবিবাহের আশঙ্কা করছে।

করোনা মহামারি পরিস্থিতি মোকাবিলায় নারীদের ভূমিকার প্রশংসা করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, স্বাস্থ্যসেবা কর্মীদের প্রায় ৭০ শতাংশ নারী এবং তারা মহামারির বিরুদ্ধে লড়াইয়ে সামনের সারিতে রয়েছে। তৈরি পোশাককর্মীদের ৮০ শতাংশের বেশি নারী। অনানুষ্ঠানিক অর্থনীতিতে নারীরা সংখ্যাগরিষ্ঠ। তাদের অনেকে চাকরি ও আয় হারিয়েছে। নারীসহ ২০ লাখ প্রবাসী শ্রমিক দেশে ফিরে এসেছে।

করোনা মহামারির কারণে বাংলাদেশ কষ্টার্জিত অগ্রগতির চাকা পেছনে ঘোরার ঝুঁকিতে রয়েছে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেন শেখ হাসিনা। মহামারির নেতিবাচক প্রভাব মোকাবিলায় জরুরি পদক্ষেপ নেওয়ার তাগিদ দেন প্রধানমন্ত্রী।

করোনা পরিস্থিতির মধ্যে অর্থনীতি সচল রাখতে বাংলাদেশের বিভিন্ন পদক্ষেপ নেওয়ার কথা তুলে ধরে শেখ হাসিনা বলেন, আমরা ১৪ দশমিক ৬ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের ২৮টি প্যাকেজ ঘোষণা করেছি। আমরা সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচি বাড়িয়েছি। যেখানে বেশির ভাগ সুবিধাভোগী নারী ও শিশু।

নারী নেতৃত্বাধীন এসএমই সেক্টরের জন্য বিশেষ বরাদ্দ, নারীদের দক্ষতা উন্নয়নে বিভিন্ন প্রকল্প গ্রহণ, নারী উদ্যোক্তাদের বিনা জামানতে ঋণ সুবিধা দিতে বাংলাদেশ সরকারের নেওয়া বিভিন্ন পদক্ষেপের কথা তুলে ধরেন শেখ হাসিনা।


আরও খবর
কিশোর গ্যাং নিয়ন্ত্রণ নিয়ে নতুনভাবে ভাবতে হবে

বৃহস্পতিবার ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২১




রামেক হাসপাতালে করোনায় ৬ জনের প্রাণহানি

প্রকাশিত:সোমবার ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২১ | হালনাগাদ:সোমবার ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২১ | ৪৯৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে করোনায় ২ জন ও উপসর্গ নিয়ে ৪ জন মারা গেছেন। সোমবার (১৩ সেপ্টেম্বর) সকালে রামেক হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল শামীম ইয়াজদানী এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

এর আগে শনিবার (১১ সেপ্টেম্বর) সকাল ৮টা থেকে রবিবার (১২ সেপ্টেম্বর) সকাল ৮টা পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টায় রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের করোনা ওয়ার্ডে ৫ জনের মৃত্যু হয়। এদের মধ্যে ৩ জন করোনা পজিটিভ হয়ে এবং ২ জন উপসর্গ নিয়ে মারা যান। শামীম ইয়াজদানী জানান, সর্বশেষ মারা যাওয়া ৬ জনের মধ্যে রাজশাহীর ২ জন, নাটোরের ৩ জন ও নওগাঁর ১ জন রয়েছেন।

তিনি আরও জানান, রবিবার (১২ সেপ্টেম্বর) সকাল ৮টা থেকে সোমবার (১৩ সেপ্টেম্বর) সকাল ৮টা পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টায় হাসপাতালের করোনা ওয়ার্ডে নতুন রোগী ভর্তি হয়েছেন ৯ জন। এ নিয়ে ২৪০ বেডের বিপরীতে মোট ভর্তি রোগী আছেন ১২৯ জন।

আগের দিন রাজশাহীর ২টি পিসিআর ল্যাবে রাজশাহী জেলার ৩০৯টি নমুনা পরীক্ষায় ২৫ জনের করোনা পজিটিভ আসে। রাজশাহীতে শনাক্তের হার ৮.৯ শতাংশ।


আরও খবর
বিস্কুটের কার্টন থেকে নবজাতক উদ্ধার

বৃহস্পতিবার ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২১

বগুড়ায় ধানক্ষেতে মিলল নারী ইউপি সদস্যের লাশ

বৃহস্পতিবার ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২১




বার্সায় থাকছেন না গ্রিজম্যান

প্রকাশিত:বুধবার ০১ সেপ্টেম্বর ২০২১ | হালনাগাদ:বুধবার ০১ সেপ্টেম্বর ২০২১ | ৬৭৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

দলবদলের শেষ দিনে বেশ কয়েকজন খেলোয়াড়কে ছেড়ে দিল বার্সেলোনা। এর মধ্যে সবচেয়ে বড় নাম অ্যান্তোনিও গ্রিজম্যান। উইন্ডো বন্ধ হওয়ার একেবারে শেষ মুহূর্তে বার্সা জানিয়ে দিল, মৌসুমের বাকি সময়ে বার্সায় থাকছেন না গ্রিজম্যান।

বিশ্বকাপজয়ী তারকাকে তাঁর পুরোনো ক্লাব অ্যাথলেটিকো মাদ্রিদে পাঠাল বার্সা। এই অ্যাথলেটিকো থেকেই দুই বছর আগে ১২ কোটি ইউরো খরচা করে গ্রিজম্যানকে নিয়েছিল কাতালান ক্লাবটি।

গ্রিজম্যানকে ছেড়ে দিয়ে তারা এক মৌসুমের জন্য সেভিয়া থেকে ধারে  লুক ডি ইয়ংকে দলে টেনেছে। চাইলে ডি ইয়ংয়ের সঙ্গে চুক্তিও করে নিতে পারবে স্প্যানিশ জায়ান্টরা।

গ্রিজম্যানকেও এক বছরের ধারের চুক্তিতে অ্যাথলেটিকোতে পাঠানো হয়েছে বলে জানিয়েছে বার্সা। তবে চার কোটি ইউরোতে অ্যাথলেটিকো চাইলে কিনে নিতে পারবে গ্রিজম্যানকে। এ ছাড়া ধারের সময়সীমা বাড়ানোর সুযোগও রয়েছে।

গতকাল দলবদলের শেষ দিনে এসে ব্রাজিলের ডিফেন্ডার এমেরসনকে টটেনহ্যাম হটস্পার এবং ইলাইশ মোরিবাকে লাইপজিগের কাছে বিক্রি করে দিয়েছে বার্সেলোনা।


আরও খবর
টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের থিম সং প্রকাশ

বৃহস্পতিবার ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২১

মেসিকে পেছনে ফেললেন সিআর সেভেন

বৃহস্পতিবার ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২১