আজঃ বৃহস্পতিবার ১৩ মে ২০২১
শিরোনাম

বৃহত্তর করোনা হাসপাতালে আজ থেকে রোগী ভর্তি শুরু

প্রকাশিত:সোমবার ১৯ এপ্রিল ২০২১ | হালনাগাদ:সোমবার ১৯ এপ্রিল ২০২১ | ১০২জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

করোনাভাইরাসে আক্রান্ত রোগীদের চিকিৎসা সেবা দিতে দেশের বৃহত্তর করোনা হাসপাতাল ডিএনসিসি ডেডিকেটেড কোভিড-১৯ হাসপাতালের উদ্বোধন হয়েছে।

আজ সোমবার (১৯ এপ্রিল) সকাল ৮টা থেকে হাসপাতালটিতে রোগী ভর্তিসহ সব চিকিৎসা কার্যক্রম শুরু হয়েছে।

আজ হাসপাতালটির পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল একেএম নাসির উদ্দিন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।তিনি বলেন, হাসপাতালটির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন হয়েছে। আজ আংশিক হলেও মাসের শেষ নাগাদ এর কার্যক্রম পূর্ণাঙ্গভাবে চালু হবে। শুরুতে ২৫০ শয্যা দিয়েই আজ হাসপাতালের চিকিৎসা কার্যক্রম শুরু হচ্ছে। আগামী এক সপ্তাহের মধ্যেই আমরা এটাকে পাঁচ শতাধিক শয্যায় পরিণত করব এবং এ মাসের মধ্যেই আশা করা যায় এক হাজার শয্যাই আমরা চালু করে দেব।

সূত্র জানায়, ডিএনসিসি ডেডিকেটেড কোভিড-১৯ হাসপাতালটি পূর্ণাঙ্গ হলে রোগীদের জন্য ২১২টি আইসিইউ, ২৫০টি এইচডিইউ ও ৫৪০টি আইসোলোটেড হাই কেয়ার রুম থাকবে। ৫০০ জনেরও বেশি করোনা রোগীকে একসঙ্গে উচ্চ-প্রবাহের অক্সিজেন সরবরাহ করা যাবে।

ঢাকা উত্তর সিটি করপোরশনের (ডিএনসিসি) মহাখালী কাঁচাবাজারের ছয় তলা বিশিষ্ট এক লাখ ৮০ হাজার ৫৬০ বর্গফুট আয়তনের ফাঁকা ভবনে এই হাসপাতাল চালু হলো। এতদিন মার্কেটটি করোনা আইসোলেশন সেন্টার এবং বিদেশগামী যাত্রীদের করোনা পরীক্ষার ল্যাব হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে। এখন করোনা হাসপাতালের কার্যক্রম শুরু হলেও পৃথকভাবে ওই সেবা কার্যক্রমগুলো চলবে।

এরইমধ্যে ১৫০ জন চিকিৎসক হাসপাতালে যোগদান করেছেন, নার্স যোগদান করেছেন ২০০ জন এবং অন্যান্য স্বাস্থ্যকর্মী যোগদান করেছেন ৩০০ জনের মতো। এছাড়া এই হাসপাতালে সেনা, বিমান ও নৌবাহিনীর প্রায় ১৫০ জন চিকিৎসক ও বিভিন্ন বিষয়ে দক্ষ কর্মীরা সহযোগিতা করছে।


আরও খবর



ভারত থেকে অস্ট্রেলিয়া প্রবেশ করলেই পাঁচ বছরের কারাদণ্ড!

প্রকাশিত:শনিবার ০১ মে ২০২১ | হালনাগাদ:শনিবার ০১ মে ২০২১ | ৮৯জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image
অস্ট্রেলিয়া চলতি সপ্তাহের শুরুর দিকে মহামারি করোনাভাইরাস রোধে ভারতের সঙ্গে সকল ধরনের বিমান চলাচল বন্ধ করে দেয়। ধারণা করা হচ্ছে যে, প্রায় নয় হাজার অস্ট্রেলিয়ান ভারতে রয়েছেন এবং এদের মধ্যে কমপক্ষে ৬০০ জনের

অস্ট্রেলিয়ার নাগরিকরাও যদি ভারত থেকে নিজ দেশে প্রবেশ করেন তাহলে পাঁচ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড এবং জরিমানা হতে পারে তাদের। ভারত থেকে অস্ট্রেলিয়া আসা সাময়িকভাবে অবৈধ ঘোষণা করেছে অস্ট্রেলিয়া।

শনিবার (১ মে) বিবিসি বাংলার এক প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে এ তথ্য। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, অস্ট্রেলিয়ার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, ভারতে যেসকল মানুষ করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন তাদের সংস্পর্শে আসা ব্যক্তিদের কোয়ারেন্টিনের হার বিবেচনায় এমন সিদ্ধান্ত নিয়েছে তারা।

অস্ট্রেলিয়া চলতি সপ্তাহের শুরুর দিকে মহামারি করোনাভাইরাস রোধে ভারতের সঙ্গে সকল ধরনের বিমান চলাচল বন্ধ করে দেয়। ধারণা করা হচ্ছে যে, প্রায় নয় হাজার অস্ট্রেলিয়ান ভারতে রয়েছেন এবং এদের মধ্যে কমপক্ষে ৬০০ জনের অবস্থা গুরুতর বলে শনাক্ত করা হয়েছে।

এদিকে করোনার এই ভয়াল পরিস্থিতিতে যে সকল নাগরিকরা দেশে ফিরতে চান তাদের ক্ষেত্রে সরকারের এই সিদ্ধান্ত অবিবেচনাপ্রসূত বলে জানিয়েছেন চিকিৎসক এবং স্বাস্থ্য বিশ্লেষক ড. ভিয়োম শার্মের। বলেছেন, আমাদের নাগরিকরা সত্যিকারেই ভারতে মারা যাচ্ছে। তাদের বের করার পথ নেই, আর এখন পরিত্যাগ করা হলো তাদের।

অস্ট্রেলিয়ার এ সিদ্ধান্ত অনুযায়ী গত দুই সপ্তাহের মধ্যে যে সকল নাগরিকরা ভারতে কাটিয়েছেন তাদের জন্য অস্ট্রেলিয়া প্রবেশের ক্ষেত্রে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে। এই আদেশ কেউ না মানলে তাদের পাঁচ বছরের কারাদণ্ড এবং সঙ্গে ৩৭ হাজার পাউন্ড জরিমানাও হতে পারে। তবে ১৫ মে এই সিদ্ধান্ত আবার পর্যালোচনা করা হবে বলে জানিয়েছে দেশটির স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়।


আরও খবর



তৃতীয় দিনের মতো চলছে সর্বাত্মক লকডাউন

প্রকাশিত:শুক্রবার ১৬ এপ্রিল ২০২১ | হালনাগাদ:শুক্রবার ১৬ এপ্রিল ২০২১ | ৯৯জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

করোনাভাইরাস সংক্রমণ মোকাবিলায় রাজধানী ঢাকাসহ সারাদেশে তৃতীয় দিনের মতো সর্বাত্মক লকডাউন চলছে। শুরুর দুইদিন কঠোর কড়াকড়ির মধ্যে সীমিত পরিসরে চলাচল করেছে মানুষ ও গাড়ি। কিন্তু তৃতীয় দিনে অনেকটা ঢিলেঢালার মতো পালন হচ্ছে সর্বাত্মক লকডাউন। যদিও লকডাউন বাস্তবায়নে চেকপোস্ট বসিয়ে তৎপরতা চালিয়ে যাচ্ছে পুলিশ।

শুক্রবার সকালে রাজধানীর বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা গেছে, সড়কে মানুষ ও গাড়ির উপস্থিতি গত দুই দিনের তুলনায় বেশি। পুলিশ জরুরি সেবা ছাড়া অন্যান্য গাড়িকে থামিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করছে। তবে মানুষের চলাচল নিয়ন্ত্রণে পুলিশের কঠোর চেষ্টা তেমন চোখে পড়েনি।

এছাড়া সড়কে চলাচলকারী লোক যদি জরুরি সেবার সঙ্গে যুক্ত থাকেন তাদেরই শুধুমাত্র চেকপোস্ট অতিক্রম করার অনুমতি দেয়া হচ্ছে। আর যারা জরুরি সেবার আওতায় নন তাদের ফিরিয়ে দেয়া হচ্ছে।

ঢাকা মহানগরীর বিভিন্ন গলিতে নির্দিষ্ট স্থান পর পর বাঁশ দিয়ে প্রতিবন্ধক গড়ে তুলেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। তবে চলাচল করতে পারছে রিকশাসহ ছোট বাহন। শুধুমাত্র নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য কিনতে স্থানীয় স্বেচ্ছাসেবকরা লোকদের চলাফেরা করতে দিচ্ছেন।

উল্লেখ্য, গত ৫ এপ্রিল থেকে ১১ এপ্রিল পর্যন্ত চলতি বছরের প্রথম লকডাউন ঘোষণা করে সরকার। সেই সাতদিনের লকডাউনে জনগণের উদাসীনতা দেখেই ১৪ এপ্রিল ভোর ৬টা থেকে ২১ এপ্রিল মধ্যরাত পর্যন্ত দ্বিতীয় দফায় সর্বাত্মক লকডাউন ঘোষণা করে সরকার।


আরও খবর



যুক্তরাষ্ট্রে বন্দুকধারীর হামলায় নিহত ৮

প্রকাশিত:শুক্রবার ১৬ এপ্রিল ২০২১ | হালনাগাদ:শুক্রবার ১৬ এপ্রিল ২০২১ | ১০০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

যুক্তরাষ্ট্রের ইন্ডিয়ানা অঙ্গরাজ্যের সবচেয়ে জনবহুল শহর ইন্ডিয়ানাপোলিসে বন্দুকধারীর হামলায় অন্তত আটজন নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন আরও অনেকে।

বৃহস্পতিবার রাতে যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক বহুজাতিক পণ্য ডেলিভারি সংস্থা ফেড-এক্সের একটি স্থাপনায় এ হামলা হয় বলে জানিয়েছে মেট্রোপলিটন পুলিশ।

শুক্রবার সকালে পুলিশের মুখপাত্র জেনায়ে কুক জানিয়েছেন, হামলায় বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন। তাদের হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। এদের মধ্যে একজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক।

তিনি বলেন, বন্দুকধারী নিজেই নিজের প্রাণ নিয়েছে বলে বিশ্বাস করে পুলিশ। বর্তমানে ওই এলাকায় কোনও হুমকি নেই। হামলাকারীর উদ্দেশ্য এখনও নিশ্চিত নয়।

কুক জানান, স্থানীয় সময় রাত ১১টার দিকে ঘটনাস্থলে পৌঁছায় পুলিশ। তখন সেখানে গুলি চলছিল। এরপরও নির্দ্বিধায় ভেতরে প্রবেশ করেন পুলিশ কর্মকর্তারা।

তিনি বলেন, আমরা গুলিবিদ্ধ আটজনকে শনাক্ত করেছি, যারা ঘটনাস্থলেই মারা গেছেন।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, তারা হামলাকারীকে একটি স্বয়ংক্রিয় অস্ত্র দিয়ে গুলি চালাতে দেখেছেন।

জেরেমিয়া মিলার নামে ফেড-এক্সের এক কর্মী বার্তা সংস্থা এএফপিকে বলেন, আমি এক ব্যক্তিকে এক ধরনের সাব-মেশিনগানসহ দেখেছি। সে উপর্যুপরি গুলি চালাচ্ছিল। ভয়ে আমি সঙ্গে সঙ্গে শুয়ে পড়ি।

এক বিবৃতিতে ফেড-এক্স কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, তারা বন্দুকহামলার বিষয়ে অবগত এবং তদন্তে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে সহায়তা করছে।

সংস্থাটি বলেছে, নিরাপত্তাই আমাদের প্রথম অগ্রাধিকার। ভুক্তভোগী সকলের জন্য আমাদের চিন্তা রয়েছে।


আরও খবর



টিকা সরবরাহে বিলম্ব

অ্যাস্ট্রাজেনেকার বিরুদ্ধে মামলা করেছে ইইউ

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ২৭ এপ্রিল ২০২১ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ২৭ এপ্রিল ২০২১ | ৭৩জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image
গত বছরের আগস্টে অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রাজেনেকার ৩০ কোটি ডোজ টিকার অর্ডার দেয় ইউরোপীয় কমিশন। সঙ্গে ছিল আরও ১০ কোটির সম্ভাব্য অর্ডার। চুক্তিতে এ বছরের প্রথম ত্রৈমাসিকের মধ্যে মূল অর্ডারের ৩০ কোটি থেকে আট কোটি

করোনাভাইরাসের টিকা সরবরাহে বিলম্বের অভিযোগে টিকা উৎপাদক কোম্পানি অ্যাস্ট্রাজেনেকার বিরুদ্ধে মামলা করেছে ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ)। যুক্তরাজ্যের সংবাদমাধ্যম বিবিসির খবরে এ কথা জানানো হয়েছে।

ইইউর নির্বাহী শাখা ইউরোপীয় কমিশন জানায়, টিকা সরবরাহের চুক্তির প্রতি শ্রদ্ধাশীল না থাকা এবং ঠিক সময়ে টিকা সরবরাহের কোনো বিশ্বাসযোগ্য পরিকল্পনা না থাকায় কোম্পানিটির বিরুদ্ধে মামলা আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার কাজ শুরু হয়েছে। ইইউর এমন পদক্ষেপের ফলে উভয় পক্ষের মধ্যকার রেষারেষি ভিন্ন স্তরে পৌঁছাল। ইইউর অনেক নেতা অভিযোগ করে আসছিলেন, টিকা সরবরাহে অ্যাস্ট্রাজেনেকা যুক্তরাজ্যকে প্রাধান্য দিচ্ছে।

গত বছরের আগস্টে অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রাজেনেকার ৩০ কোটি ডোজ টিকার অর্ডার দেয় ইউরোপীয় কমিশন। সঙ্গে ছিল আরও ১০ কোটির সম্ভাব্য অর্ডার। চুক্তিতে এ বছরের প্রথম ত্রৈমাসিকের মধ্যে মূল অর্ডারের ৩০ কোটি থেকে আট কোটি ডোজ সরবরাহ করার কথা ছিল। কিন্তু দেওয়া হয়েছে মাত্র তিন কোটি।

অ্যাস্ট্রাজেনেকা এ বছরের শুরুতে জানায়, তাদের উৎপাদনের সমস্যার কারণে টিকার সরবরাহের পরিমাণ কমতে পারে।

ইইউর আইনি পদক্ষেপকে অবিবেচনাপ্রসূত বলে আখ্যা দিয়েছে অ্যাস্ট্রাজেনেকা। আদালতে শক্তভাবে এর মোকাবিলার প্রত্যয় ব্যক্ত করা হয়েছে কোম্পানিটির পক্ষ থেকে।

ইউরোপীয় কমিশন জানায়, চুক্তি মতে এ বছরের দ্বিতীয় ত্রৈমাসিকে অ্যাস্ট্রাজেনেকা ইউরোপীয় জোটকে সাত কোটি ডোজ টিকা দেওয়ার কথা রয়েছে। কিন্তু এ নিয়ে সংশয়ে রয়েছেন কমিশনের শীর্ষ কর্মকর্তারা।


আরও খবর



করোনায় আরও ৩৭ মৃত্যু, শনাক্ত ১৬৮২

প্রকাশিত:শুক্রবার ০৭ মে ২০২১ | হালনাগাদ:শুক্রবার ০৭ মে ২০২১ | ৭৬জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

মহামারি করোনা আক্রান্ত হয়ে দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় আরও ৩৭ জনের মৃত্যু হয়েছে। যা গত ৫ সপ্তাহের সর্বনিম্ন।এ নিয়ে দেশে করোনায় প্রাণ হারালেন মোট ১১ হাজার ৮৩৩ জন। আর গত ২৪ ঘণ্টায় প্রাণঘাতি ভাইরাসটি ধরা পড়েছে ১ হাজার ৬৮২ জনের শরীরে।

শুক্রবার বিকালে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের দেওয়া তথ্যে এসব জানা গেছে।এর আগে গত ১৯ এপ্রিল ১১২ জনের সর্বোচ্চ মৃত্যুর খবর দেয় স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। এটি দেশে এখন পর্যন্ত একদিনে সর্বোচ্চ সংখ্যক মৃত্যুর রেকর্ড। এর আগে গত ১৬ ও ১৭ এপ্রিল করোনায় ১০১ জন করে মারা যান। আর ১৮ এপ্রিল করোনায় মারা যান ১০২ জন। দেশে প্রথম রেকর্ড মৃত্যু হয় সর্বাত্মক লকডাউনের প্রথম দিন ৯৬ জনের মৃত্যুর মধ্যদিয়ে।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন শনাক্ত ১৬৮২ জন নিয়ে দেশে এখন পর্যন্ত আক্রান্ত হয়েছেন মোট ৭ লাখ ৭০ হাজার ৮৪২ জন।২৪ ঘণ্টায় ১৭ হাজার ১৩টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে। নমুনা পরীক্ষার তুলনায় শনাক্তের হার ৯ দশমিক ৮৯ শতাংশ।

গত বছরের ৮ মার্চ দেশে প্রথম করোনা শনাক্ত হয়। আর প্রথম মৃত্যু হয় ১৮ মার্চ। গত বছরের মে মাসের মাঝামাঝি থেকে সংক্রমণ বাড়তে শুরু করে। আগস্টের তৃতীয় সপ্তাহ পর্যন্ত শনাক্তের হার ২০ শতাংশের ওপরে ছিল। এরপর ধীরে ধীরে স্বাভাবিক হতে শুরু করে করোনা পরিস্থিতি।

কিন্তু এ বছর মার্চে শুরু হয়েছে করোনার দ্বিতীয় ঢেউ। প্রথম ঢেউয়ের চেয়ে এবার সংক্রমণ বেশি তীব্র। মধ্যে কয়েক মাস ধরে শনাক্তের চেয়ে সুস্থ বেশি হওয়ায় দেশে চিকিৎসাধীন রোগীর সংখ্যা কমে আসছিল। কিন্তু মার্চ থেকে চিকিৎসাধীন রোগীর সংখ্যাও আবার বাড়তে শুরু করেছে।গত বছরে এত মৃত্যুর সংখ্যা দেখেনি দেশ। তবে এ বছরই আক্রান্ত ও মৃত্যু রেকর্ড হারে বাড়তে থাকে।


আরও খবর