আজঃ শনিবার ১৫ জুন ২০২৪
শিরোনাম

চাকরির বয়সসীমা উন্মুক্ত রাখার দাবি রব্বানীর

প্রকাশিত:শনিবার ১১ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ১১ মে ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক

Image

দেশের সকল সরকারি-বেসরকারি চাকরিতে প্রবেশের বয়সসীমা উন্মুক্ত রাখার দাবি জানিয়েছেন ডাকসু ও ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক গোলাম রব্বানী।

শনিবার (১১ মে) চাকরিতে প্রবেশের বয়সসীমা ৩৫ করার দাবিতে শিক্ষার্থীদের সমাবেশে তিনি এ দাবি করেন।

গোলাম রাব্বানী বলেন, আজ বাংলাদেশ মধ্যম আয়ের দেশ থেকে উন্নত বিশ্বে যাওয়ার জন্য অপেক্ষা করছে। আমরা দক্ষ জনশক্তিতে যাদের রোল মডেল মনে করি সেই চীনসহ আমাদের সার্কভুক্ত দেশ পাকিস্তানছাড়া সকল দেশেই চাকরিতে প্রবেশের বয়সসীমা ৩৫ থেকে ৪৫ এর মধ্যে৷ ইন্ডিয়ান লিগ্যাল সিস্টেম, ইন্ডিয়ান এডমিনিস্ট্রেশন সিস্টেম আমরা সবসময় অনুসরণ করি। তাহলে চাকরিতে প্রবেশের ক্ষেত্রে কেন ভারতের মতো আমাদের দেশেও ৩৫ হবে না?

তিনি বলেন, সরকারের বাধা কোথায়, কষ্ট কোথায়, ক্ষতি কোথায় সেটা আমার মাথায় আসেনা। অনেকে মনে করে চাকরিতে দেরি করে প্রবেশ করলে আবার নতুন করে অবসরে যাবার বয়সও বাড়াতে হবে। কিন্তু আমরা স্পষ্ট করতে চাই, চাকরিতে প্রবেশের বয়সসীমা বাড়ানো হলেও চাকরি থেকে অবসরের বয়সসীমা বাড়ানোর প্রয়োজন নেই। অন্তত আমাদের আশার প্রদীপটা জ্বালিয়ে রাখতে দেন। মানুষের মাঝে যতক্ষণ শ্বাস আছে ততক্ষণ আশা আছে। আমরা আশায় বাঁচতে চাই৷ আমরা কোনো অন্যায্য সুবিধা বা অন্যায্য দাবি জানাচ্ছি না।

রাব্বানী বলেন, আমি শিক্ষামন্ত্রী ও জনপ্রশাসন মন্ত্রীর নিকট অনুরোধ জানাবো আপনারা ছাত্রদের এই দাবি নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর নিকট যান। তাকে বোঝান, ছাত্রসমাজ চায় চাকরিতে প্রবেশের বয়সসীমা ৩৫ করা হোক। কথায় কথায় আমরা যে সিঙ্গাপুর মালয়েশিয়ার উদাহরণ দেই তাদের দেশে চাকরিতে প্রবেশের বয়সসীমা ৪৫ বছর। সবচেয়ে ভালো হয় চাকরিতে বয়সের প্রবেশসীমা উন্মুক্ত রাখলে৷ তা না হলে অন্তত ৩৫ বছর করা হোক।

এর আগে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে শিক্ষার্থীরা বলেন, বাংলাদেশের সকল পর্যায়ে চাকরিতে আবেদনের বয়সসীমা আজ থেকে ৩৩ বছর আগে ১৯৯১ সালে ২৭ বছর থেকে ৩০ বছরে উন্নীত করা হয়, যখন বাংলাদেশের মানুষের গড় আয়ু ছিলো ৫৭ বছর। বর্তমানে বাংলাদেশের মানুষের গড় আয়ু বৃদ্ধি পেয়ে ৭৩ বছর। তাই চাকরিতে আবেদনের বয়সসীমা বৃদ্ধি করা যৌক্তিক।


আরও খবর



সেন্টমার্টিন থেকে ট্রলারে ফিরেছে আড়াই শতাধিক মানুষ

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ১৩ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ১৩ জুন ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
মোহাম্মদ ফারুক, কক্সবাজার

Image

মিয়ানমার সীমান্ত থেকে সেন্টমার্টিন দ্বীপে যাতায়াতকারী নৌযান লক্ষ্য করে মিয়ানমার থেকে গুলিবর্ষণের কারণে সাত দিন বন্ধ থাকার পর বিকল্প পথে ঝুঁকি নিয়ে চারটি ট্রলারে করে সেন্টমার্টিন থেকে টেকনাফে ফিরেছে হোটেলকর্মী, শ্রমিক ও বিভিন্ন কাজে গিয়ে আটকা পড়া আড়াই শতাধিক মানুষ।

বৃহস্পতিবার (১৩ জুন) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে সেন্টমার্টিন জেটিঘাট থেকে চারটি ট্রলার টেকনাফের উদ্দেশ্যে রওনা দিয়ে আড়াইটায় টেকনাফের মুন্ডারডেইল পৌঁছে। অন্যদিকে গোলাগুলি অব্যাহত থাকায় সেন্টমার্টিনবাসীর জন্য জেলা প্রশাসনের খাদ্যসামগ্রী বহনকারী নৌযান যেতে পারেনি।

বিষয়টি নিশ্চিত করে টেকনাফ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. আদনান চৌধুরী জানান, মিয়ানমার সীমান্ত থেকে সেন্টমার্টিন দ্বীপে যাতায়াতকারী নৌযান লক্ষ্য করে মিয়ানমার থেকে গুলিবর্ষণের কারণে সাত দিন বন্ধ থাকার পর বিকল্প পথে চারটি ট্রলারে করে সেন্টমার্টিন থেকে টেকনাফে ফিরেছে হোটেলকর্মী, শ্রমিক ও বিভিন্ন কাজে গিয়ে আটকা পড়া আড়াই শতাধিক মানুষ। তবে খাদ্যসামগ্রী নিয়ে টেকনাফ থেকে যে নৌযান সেন্টমার্টিন যাওয়ার কথা ছিল সেটি যেতে পারেনি। কারণ গতকাল থেকে নাফ নদীর একটি এলাকায় ব্যাপক গোলাগুলির শব্দ শোনা যাচ্ছে। বিকল্প পথে হয়ত আগামীকাল শুক্রবার কক্সবাজার থেকে এসব খাদ্যসামগ্রী পৌঁছাতে পারে।

সেন্টমার্টিন ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মুজিবুর রহমান বলেন, সাত দিন বন্ধ থাকার পর বিকল্প পথে ঝুঁকি নিয়ে টেকনাফের উদ্দেশ্যে চারটি ট্রলার ছেড়ে গেছে। সেন্টমার্টিনে খাদ্য সংকট দেখা দিয়েছে। বেশি খাদ্যও মজুদ নেই। দ্বীপের মানুষের আতঙ্ক ছাড়ছে না।


আরও খবর



শেরপুরে দ্বিতীয় শ্রেণীর শিক্ষার্থীকে ধর্ষণ এর প্রতিবাদে মানববন্ধন

প্রকাশিত:রবিবার ০২ জুন 2০২4 | হালনাগাদ:রবিবার ০২ জুন 2০২4 | অনলাইন সংস্করণ
মো. নাজমুল হোসাইন, শেরপুর

Image

শেরপুর জেলার ঝিনাইগাতী উপজেলাতে দ্বিতীয় শ্রেণির আদিবাসী শিক্ষার্থীকে ধর্ষণের প্রতিবাদ এবং ধর্ষক ফাহিম এর দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে বিক্ষোভ সমাবেশ ও মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে। 

রোববার (২ জুন) বেলা সাড়ে ১১টায় উপজেলা পরিষদের সম্মুখে আধাঘন্টা ব্যাপী এই কর্মসূচী পালন করা হয়।

বাগাছাস ঝিনাইগাতী উপজেলা শাখার সভাপতি সৌহার্দ্য চিরানের সভাপতিত্বে এবং রুবেল নকরেক এর সঞ্চালনায় এতে বক্তব্য রাখেন, ট্রাইবাল ওয়েল ফেয়ার এসোসিয়েশনের ঝিনাইগাতী উপজেলা শাখার চেয়ারম্যান মি. নবেশ খকসী, শ্রীবরদী উপজেলা শাখার চেয়ারম্যান প্রাঞ্জল এম সাংমা, বাগাছাস ছাত্র সংগঠনের নেতা আলবা মৃ, অ্যান্টনী রেমা, সুমন্ত বর্মন, স্বতির্থ চিরানসহ আরো অনেকেই।

এর আগে শহরের প্রধান সড়কে বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়। বক্তারা, গ্রেপ্তারকৃত ধর্ষক ফাহিম এর দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান।

উল্লেখ্য, গত ২৮ মে ঝিনাইগাতী উপজেলার কাংশা ইউনিয়নের উত্তর গান্ধিগাঁও গ্রামের দ্বিতীয় শ্রেণির এক আদিবাসী শিক্ষার্থী ধর্ষণের শিকার হয়। একইদিন পুলিশ ধর্ষক কিশোর ফাহিমকে গ্রেফতার করে আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে প্রেরণ করে।


আরও খবর



আবারও বাঘাইছড়ি উপজেলা নির্বাচন স্থগিত

প্রকাশিত:শনিবার ০৮ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ০৮ জুন ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
রাঙ্গামাটি প্রতিনিধি

Image

রাঙামাটির বাঘাইছড়ি উপজেলা পরিষদ নির্বাচন ফের স্থগিত করা হয়েছে। বৈরী আবহাওয়া এবং সড়ক ও নৌপথ অবরোধের কারণে দ্বিতীয় দফায় নির্বাচন স্থগিত করল নির্বাচন কমিশন।

শনিবার (৮ জুন) সকালে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন সিনিয়র জেলা নির্বাচন অফিসার মো. মনির হোসেন। তিনি জানান, এর আগে ঘূর্ণিঝড়ের কারণে গত ২৯ মে নির্বাচন স্থগিত করা হয়েছিল। স্থগিত হওয়া নির্বাচন ৯ জুন হওয়ার কথা ছিল। বৈরী আবহাওয়া ও আইনশৃঙ্খলা অবনতির শঙ্কায় ফের বাঘাইছড়ি উপজেলা পরিষদ নির্বাচন স্থগিত করে কমিশন। পরবর্তীতে উপযুক্ত সময়ে কমিশনের নির্দেশনা মোতাবেক নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।

এদিকে ভোটের আগের দিন সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ’ নির্বাচনের দাবিতে রাঙামাটির বাঘাইছড়ি উপজেলায় সকাল সন্ধ্যা সড়ক অবরোধের ডাক দেয় পাহাড়ের আঞ্চলিক দল ইউনাইটেড পিপলস ডেমোক্রেটিক ফ্রন্ট (ইউপিডিএফ)। তবে নির্বাচন স্থগিত হয়ে যাওয়া দুপুর ১২টা থেকে অবরোধ প্রত্যাহার করে নিয়েছে সংগঠনটি।

এ উপজেলায় চেয়ারম্যান পদে লড়ছেন ২ জন, ভাইস চেয়ারম্যান পদে ৫ জন ও মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে ২ জন প্রার্থী লড়ছেন। চেয়ারম্যান পদে লড়ছেন পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতি (এমএনলারমা) সমর্থিত বর্তমান চেয়ারম্যান সুদর্শন চাকমা, ঘোড়া প্রতীক নিয়ে অপর প্রার্থী আওয়ামী লীগ নেতা ইতিময় চাকমা, আনারস প্রতীক নিয়ে লড়ছেন অলিভ চাকমা। অলিভকে স্থানীয় আঞ্চলিক সংগঠন সন্তু লারমা জেএসএস ও ইউপিডিএফ সমর্থন দেওয়ায় উত্তেজনা তৈরি হয়েছে নির্বাচনকে ঘিরে।


আরও খবর



চট্টগ্রামে পুলিশ কর্মকর্তাদের ‘রোড ক্র্যাশের অন্যতম ঝুঁকি গতি’ বিষয়ক কর্মশালা

প্রকাশিত:বুধবার ০৫ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ০৫ জুন ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
রাহুল সরকার, চট্টগ্রাম ব্যুরো

Image

মাঠপর্যায়ে সড়কে ট্রাফিক ব্যবস্থাপনার দায়িত্ব পুলিশের। সেজন্য সড়ক নিরাপত্তা নিশ্চিতে কোনো উদ্যোগ গ্রহণের আগে তাদের পরামর্শ গ্রহণ করা হলে সেটি আরো কার্যকর হবে জানিয়েছেন চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের (সিএমপি) কমিশনার কৃষ্ণ পদ রায়।

বুধবার সকালে রোড ক্র্যাশের কারণ হিসেবে গতি শীর্ষক একটি প্রশিক্ষণ কর্মশালায় তিনি এসব মন্তব্য করেন।

ব্লুমবার্গ ফিলানথ্রপিস ইনিশিয়েটিভ ফর গ্লোবাল রোড সেফটি (বিআইজিআরএস) প্রোগ্রামের অংশ হিসেবে, গ্লোবাল রোড সেফটি পার্টনারশিপ (জিআরএসপি) ৪ ও ৫ জুন দুই ব্যাচে ৭০ জন পুলিশ কর্মকর্তা ও চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের (চসিক) ৪ জন প্রকৌশলীকে প্রশিক্ষণ প্রদান করে।

প্রশিক্ষণের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সিএমপি কমিশনার (অ্যাডিশনাল আইজিপি) কৃষ্ণ পদ রায়।

তিনি চট্টগ্রাম নগরীর সড়কগুলোকে নিরাপদ করতে সমন্বিত প্রচেষ্টার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। তিনি বলেন, পুলিশের একার পক্ষে সড়ক নিরাপত্তা নিশ্চিত করা সম্ভব নয়। নিরাপদ সড়ক অবকাঠামোর নির্মাণের দায়িত্ব চসিক ও সিডিএর এবং যানবাহনের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য বিআরটিএর মতো অংশীদার সংস্থা রয়েছে। পুলিশ শুধু আইন প্রয়োগ ও ট্রাফিক ব্যবস্থাপনার দায়িত্ব পালন করে। সেজন্য নগরীতে যথাযথ সড়ক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সবগুলো সংস্থাকে সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে।

কর্মশালায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সিএমপির অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ট্রাফিক) মাসুদ আহাম্মদ এবং উপ-পুলিশ কমিশনার (ট্রাফিক-দক্ষিণ) নাসির উদ্দিন,  জিআরএসপির সিনিয়র রোড পুলিশিং উপদেষ্টা রাসেল নাইম্যান ও পল সিমকক্স প্রশিক্ষণ সেশন পরিচালনা করেন।

এ প্রশিক্ষণে তারা রোড ক্র্যাশ প্রতিরোধে আইন প্রয়োগের ভূমিকা, ক্র্যাশের ক্ষেত্রে যানবাহনের উচ্চ গতির ভূমিকা, গতি নিয়ন্ত্রণের গুরুত্ব, গতি নিয়ন্ত্রণ প্রযুক্তি ও কৌশল এবং রাস্তার পাশের চেকপয়েন্টগুলোর নিরাপদ ব্যবস্থাপনা ইত্যাদির উপর আলোচনা করেন। এসময় অংশগ্রহণকারীদের হাতেকলমে স্পিড ক্যামেরার ব্যবহারও শেখানো হয়।

প্রসঙ্গত, দেশে রোড ক্র্যাশে মৃত্যু ও হতাহত কমিয়ে আনার লক্ষ্যে সম্প্রতি বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ) দেশের বিভিন্ন সড়ক ও মহাসড়কের যানবাহনভেদে সর্বোচ্চ গতিসীমা নির্ধারণ করে দিয়েছে। সিটি কর্পোরেশন এলাকায় যানবাহনের সর্বোচ্চ গতি হবে ৪০ কিমি/ঘণ্টা, যদিও মোটরসাইকেলের ক্ষেত্রে তা ৩০ কিমি/ঘণ্টা।

কর্মশালায় অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার, সহকারী পুলিশ কমিশনার, পুলিশ পরিদর্শক, ট্রাফিক সার্জেন্ট ও উপ-পরিদর্শক পদবির কর্মমর্তাগণ অংশগ্রহণ করেন। কর্মশালা শেষে মান্যবর সিএমপি কমিশনার অংশগ্রহণকারীদের হাতে সনদপত্র তুলে দেন।

অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন বিআইজিআরএস চট্টগ্রামের ইনিশিয়েটিভ কোঅর্ডিনেটর লাবিব তাজওয়ান উৎসব, এনফোর্সমেন্ট কো-অর্ডিনেটর কাজী হেলাল উদ্দিন, ট্রান্সপোর্ট কোঅর্ডিনেটর সুতপা তাসনিম ও কমিউনিকেশন অফিসার মাহামুদুল হাসান।

এর আগে এবছরের মার্চে জিআরএসপি সিএমপির ৭৮ পুলিশ কর্মকর্তাকে রোড ক্র্যাশ তদন্ত বিষয়ে প্রশিক্ষণ প্রদান করেছিল।


আরও খবর



বাউফলে ঝোড়ো হাওয়ায় ঘরচাপায় বৃদ্ধের মৃত্যু

প্রকাশিত:সোমবার ২৭ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:সোমবার ২৭ মে ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
দূর্জয় দাস, বাউফল (পটুয়াখালী)

Image

পটুয়াখালীর বাউফলে ঘূর্ণিঝড় রেমালের প্রভাবে ঝোড়ো হাওয়ায় একটি পরিত্যক্ত টিনশেড দোতালা ঘরচাপা পড়ে করিম (৬৫) নামের এক বৃদ্ধের মৃত্যু হয়েছে।

রোববার (২৬ মে) রাতে ঝড়ের সময় বৃদ্ধ করিম পরিত্যক্ত ওই ঘরে আশ্রয় নেন এবং রাতের যেকোনো সময় ঝোড়ো হাওয়ায় ঘর ভেঙে এ ঘটনা ঘটে বলে ধারণা করা হচ্ছে। বাউফল পৌরসভার ৯নং ওয়ার্ডের উপজেলা পরিষদ এলাকার কাছে এ ঘটনা ঘটে।

মৃত বৃদ্ধের বাড়ি পটুয়াখালী বাউফলের নাজিরপুর ইউনিয়নের ধানদি গ্রামে। তিনি ভিক্ষা করতেন। পরিত্যক্ত ঘরটির মালিক বিএনপির সাবেক সভাপতি ইঞ্জিনিয়ার একেএম ফারুক আহমেদ তালুকাদার। তিনি ঢাকা থাকেন।

সোমবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে বাউফলের ইউএনও মো. বশির গাজী খবর পেয়ে ঘটনাস্থল পরির্দশন করেন। মরদেহ উদ্ধার করে বাউফল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়েছে।

বাউফল থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শোনিত কুমার গায়েন বলেন, মরদেহের পরিচয় পাওয়া গেছে। আনুষ্ঠানিকতা শেষ করে স্বজনদের কাছে মরদেহ হস্তান্তর করা হবে।


আরও খবর