আজঃ শুক্রবার ১৪ জুন ২০২৪
শিরোনাম

ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় কমিটিতে নড়াইলের চারজন

প্রকাশিত:শুক্রবার ১৪ জুলাই ২০২৩ | হালনাগাদ:শুক্রবার ১৪ জুলাই ২০২৩ | অনলাইন সংস্করণ
এস এম সালাউদ্দিন, নড়াইল প্রতিনিধি

Image

বাংলাদেশ ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় কমিটিতে পদ পেয়েছেন নড়াইল জেলার চারজন। তারা হলেন কমিটির ২ নং যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মোঃ হুসাইন আহমেদ সোহান, সহ-সভাপতি মিলন খান, উপ-প্রশিক্ষণ বিষয়ক সম্পাদক নুসরাত রুবাইয়াত নীলা, উপ-মানব সম্পদ উন্নয়ন বিষয়ক সম্পাদক সৈয়দ হাজ্জাজ বিন রাজ। তারা প্রত্যেকেই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী।

কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সভাপতি সাদ্দাম হোসেন ও সাধারণ সম্পাদক শেখ ওয়ালী আসিফ ইনান স্বাক্ষরিত দলীয় প্যাডে প্রকাশিত ছাত্রলীগের পূর্ণাঙ্গ কমিটির তালিকা থেকে এসব তথ্য জানা যায়।

যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মোঃ হুসাইন আহমেদ সোহান এর আগে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কমিটির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক পদে দায়িত্ব পালন করেন। সর্বশেষ ডাকসু নির্বাচনে তিনি ড. মুহাম্মদ শহীদুল্লাহ হল ছাত্র সংসদের ভিপি হিসেবে নির্বাচিত হন। সহ-সভাপতি পদে দায়িত্ব পেয়েছেন মিলন খান। তিনি এর আগে কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের উপ-প্রচার সম্পাদক ও সলিমুল্লাহ মুসলিম হল কমিটির সহ-সভাপতি পদে দায়িত্ব পালন করেন। এছাড়াও বিগত ডাকসু নির্বাচনে তিনি সলিমুল্লাহ মুসলিম হল ছাত্র সংসদের সমাজসেবা সম্পাদক নির্বাচিত হন।

আরও পড়ুন>> ছাত্রলীগের ৩০১ সদস্যের পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণা

উপ-প্রশিক্ষণ বিষয়ক সম্পাদক পদ পাওয়া নুসরাত রুবাইয়াত নীলা শামসুন্নাহার হল ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের লোক প্রশাসন বিভাগের শিক্ষার্থী। এছাড়াও উপ-মানব উন্নয়ন বিষয়ক সম্পাদক পদে দায়িত্ব পেয়েছেন সৈয়দ হাজ্জাজ বিন রাজ। এর আগে তিনি কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-সম্পাদক পদে দায়িত্ব পালন করেন।

পদপ্রাপ্তির বিষয়ে সহ-সভাপতি মিলন খান বলেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের হাতে গড়া সংগঠন বাংলাদেশ ছাত্রলীগের একজন সদস্য হওয়া অনেক বেশি গর্বের। বাংলাদেশ ছাত্রলীগের একজন ক্ষুদ্র কর্মী হিসাবে দেশরত্ন শেখ হাসিনার চলার পথকে মসৃণ রাখার জন্য সর্বদা সেচ্চার থাকবো। আর আগামী নিবার্চনে ছাত্রলীগের নেতৃত্বে রাজপথে থেকে শেখ হাসিনাকে রাষ্ট্র ক্ষমতায় অধিষ্ঠিত করতে এবং স্মার্ট বাংলাদেশ বিনির্মাণের জন্য ছাত্র সমাজের পক্ষ থেকে আমি অঙ্গীকারবদ্ধ।


আরও খবর
গৃহবধূকে ডেকে নিয়ে দলবদ্ধ ধর্ষণ

বৃহস্পতিবার ১৩ জুন ২০২৪




উপজেলা নির্বাচন: চলছে চতুর্থ ধাপের ভোটগ্রহণ

প্রকাশিত:বুধবার ০৫ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ০৫ জুন ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক

Image

ষষ্ঠ উপজেলা পরিষদের চতুর্থ ধাপে ৬০টি উপজেলা পরিষদের নির্বাচনে ভোটগ্রহণ শুরু হয়েছে। বুধবার (৫ জুন) সকাল ৮টা থেকে শুরু হওয়া এ ভোটগ্রহণ চলবে বিকেল ৪টা পর্যন্ত। এ ধাপে ৬০টি উপজেলা মধ্যে ছয়টি উপজেলায় ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিনে (ইভিএম) ভোট হবে।

এদিকে আজকের ভোটযুদ্ধের মধ্য দিয়ে এবারের উপজেলা নির্বাচনের আনুষ্ঠানিক সমাপ্তি ঘটবে বলে ইসির তথ্য বলছে। তবে ঘূর্ণিঝড় রেমালের কারণে স্থগিত করা ২০টি উপজেলায় আগামী ৯ জুন ভোটগ্রহণ করা হবে।

চতুর্থ ধাপে ৬০টি উপজেলায় একজন চেয়ারম্যান, তিনজন ভাইস চেয়ারম্যান ও একজন মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান ইতোমধ্যে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছেন। এ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে ২৫১, ভাইস চেয়ারম্যান পদে ২৬৫ ও মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে ২০৫ জনসহ মোট ৭২১ প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। এই ধাপে মোট ভোটার ২ কোটি ১৭ লাখ ৩৪ হাজার ২৫৫ জন। ভোটকেন্দ্র রয়েছে ৭ হাজার ৮২৫টি। নির্বাচনে মোবাইল ও স্ট্রাইকিং ফোর্স হিসেবে মোতায়েন থাকছে ১৬৬ প্লাটুন বিজিবি।

তপশিল ঘোষণার পরদিন থেকে ভোট গ্রহণের তিন দিন পূর্ব পর্যন্ত আচরণবিধি এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় প্রতি উপজেলার জন্য একজন করে ম্যাজিস্ট্রেট এবং ভোট গ্রহণের তিন দিন আগে থেকে ভোট গ্রহণের পরের দিন পর্যন্ত আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় প্রতি ৩টি ইউনিয়নের জন্য একজন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নিয়োগ করা হয়েছে। এ ছাড়াও ১৭টি উপজেলায় অতিরিক্ত ২৯ প্লাটুন বিজিবি, ১৪ টিম র‍্যাব, ১২৮ জন আনসার ও ১৬ জন অতিরিক্ত ম্যাজিস্ট্রেট মোতায়েন করা হয়েছে।

দেশের ৪৯৫ উপজেলার মধ্যে নির্বাচন উপযোগী ৪৮৫ উপজেলায় চার ধাপে ভোট হচ্ছে এবার। প্রথম ধাপের ১৩৯ উপজেলায় ভোট হয়েছে গত ৮ মে। এসব উপজেলায় গড়ে প্রায় ৩৬ শতাংশ ভোট পড়ে। প্রথম ধাপে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় ২৮ জন নির্বাচিত হন। দ্বিতীয় ধাপে ১৫৬ উপজেলা নির্বাচনে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতা পার হন ২২ জন। ২১ মে অনুষ্ঠিত এ ধাপের নির্বাচনে ভোট পড়ে ৩৮ শতাংশ। ২৯ মে তৃতীয় ধাপের ৮৭টি উপজেলার নির্বাচনে ভোট পড়ে ৩৬ দশমিক ২৪ শতাংশ। আর ২৩টি উপজেলার নির্বাচন নানা কারণে বাতিল ও স্থগিত হয়েছে।


আরও খবর



স্থলভাগে উঠে তাণ্ডব শুরু করেছে ঘূর্ণিঝড় রেমাল

প্রকাশিত:রবিবার ২৬ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:রবিবার ২৬ মে ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক

Image

ঘণ্টায় ৯০ থেকে ১২০ কিলোমিটার গতিতে রেমাল স্থলভাগে উঠছে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। সংস্থাটি বলছে, সন্ধ্যা ৬টার পরপরই রিমালের কেন্দ্র উপকূল অঞ্চলে ছুঁয়েছে। রোববার (২৬ মে) রাতে আবহাওয়ার বিশেষ ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের এসব তথ্য জানান ড. শামিম হাসান ভূঁইয়া।

তিনি বলেন, রেমাল স্থলভাগে উঠতে শুরু করেছে। এর অগ্রভাগ উপকূল ছুঁয়েছে। এর কেন্দ্র আগামী দেড় থেকে দুই ঘণ্টার মধ্যে পুরোপুরি উপকূলে প্রবেশ করবে। প্রবল ঘূর্ণিঝড়টি উপকূল অতিক্রম করতে সাত থেকে আট ঘণ্টা সময় নেবে।

আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে, উত্তরপশ্চিম বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন এলাকায় অবস্থানরত প্রবল ঘূর্ণিঝড় রেমাল উত্তর দিকে অগ্রসর হয়ে একই এলাকায় (২১.২° উত্তর অক্ষাংশ এবং ৮৯.২° পূর্ব দ্রাঘিমাংশ) অবস্থান করছে। এটি আজ (২৬ মে) সন্ধ্যা ৬টায় চট্টগ্রাম সমুদ্রবন্দর থেকে ৩১০ কি.মি. পশ্চিম- দক্ষিণপশ্চিমে, কক্সবাজার সমুদ্রবন্দর থেকে ৩১০ কি.মি. পশ্চিম, মোংলা সমুদ্র বন্দর থেকে ১৪৫ কি.মি. দক্ষিণে এবং পায়রা সমুদ্রবন্দর থেকে ১৫০ কি.মি. পশ্চিম-দক্ষিণপশ্চিমে অবস্থান করছিল।

সংস্থাটি আরও জানায়, প্রবল ঘূর্ণিঝড়টির কেন্দ্র মোংলার দক্ষিণপশ্চিম দিক দিয়ে পশ্চিমবঙ্গ খেপুপাড়া উপকূল অতিক্রম শুরু করেছে। ঘূর্ণিঝড়টির কেন্দ্র আরও উত্তর দিকে অগ্রসর হয়ে ১ থেকে ২ ঘণ্টার মধ্যে উপকূল অতিক্রম করে সম্পূর্ণ ঘূর্ণিঝড়টি পরবর্তী ৫ থেকে ৭ ঘণ্টার মধ্যে উপকূল অতিক্রম সম্পন্ন করতে পারে।

এদিকে ঘূর্ণিঝড় রিমালে প্রভাবে উপকূলীয় এলাকায় ৮-১২ ফুট উঁচু জলোচ্ছ্বাসে প্লাবিত হওয়ার শঙ্কাও রয়েছে। আবহাওয়ার বিশেষ বিজ্ঞপ্তিতে (ক্রমিক নম্বর-১৩) এ তথ্যানুসারে, ঘূর্ণিঝড়টির আকার ৪০০ থেকে ৫০০ কিলোমিটার হতে পারে। আর ঘূর্ণিঝড় রেমালের প্রভাবে ৮ থেকে ১২ ফুট জলোচ্ছ্বাসেরও আশঙ্কা রয়েছে।

একই সঙ্গে মোংলা ও পায়রা সমুদ্রবন্দরে ১০ এবং চট্টগ্রাম ও কক্সবাজার সমুদ্রবন্দরে ৯ নম্বর মহাবিপৎসংকেত বহাল রয়েছে। রেমাল-এর অগ্রভাগের প্রভাবে ইতোমধ্যে দেশের উপকূলীয় অঞ্চলে দমকা বাতাস বইছে, সঙ্গে আছে বৃষ্টি। বাতাসসহ বৃষ্টি হচ্ছে ঢাকায়ও।

পায়রা ও মোংলা সমুদ্রবন্দরকে ১০ নম্বর মহাবিপৎসংকেত দেখিয়ে যেতে বলা হয়েছে। উপকূলীয় জেলা খুলনা, সাতক্ষীরা, বাগেরহাট, পিরোজপুর, ঝালকাঠি, বরগুনা, বরিশাল, ভোলা, পটুয়াখালী এবং তাদের অদূরবর্তী দ্বীপ ও চরগুলো ১০ নম্বর মহাবিপৎসংকেতের আওতায় থাকবে বলেও জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।

কক্সবাজার ও চট্টগ্রাম সমুদ্রবন্দরকে ৯ নম্বর মহাবিপৎসংকেত দেখিয়ে যেতে বলা হয়েছে। উপকূলীয় জেলা চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, ফেনী, নোয়াখালী, লক্ষ্মীপুর, চাঁদপুর এবং তাদের অদূরবর্তী দ্বীপ ও চরগুলো ৯ নম্বর মহাবিপৎসংকেতের আওতায় থাকবে।

আবহাওয়াবিদ মো. ওমর ফারুক জানিয়েছেন খুলনা, সাতক্ষীরা, বাগেরহাট, পিরোজপুর, ঝালকাঠি, বরগুনা, বরিশাল, ভোলা, পটুয়াখালী, ফেনী, নোয়াখালী, লক্ষ্মীপুর, চাঁদপুর, চট্টগ্রাম ও কক্সবাজার জেলার নদী বন্দরগুলোকে ৪ নম্বর নৌ-মহাবিপৎসংকেত দেখিয়ে যেতে বলা হয়েছে। প্রবল ঘূর্ণিঝড়টির অগ্রবর্তী অংশ ও বায়ুচাপ পার্থক্যের আধিক্যের প্রভাবে উপকূলীয় জেলা খুলনা, সাতক্ষীরা, বাগেরহাট, পিরোজপুর, ঝালকাঠি, বরগুনা, বরিশাল, ভোলা, পটুয়াখালী, ফেনী, নোয়াখালী, লক্ষ্মীপুর, চাঁদপুর, চট্টগ্রাম, কক্সবাজার এবং তাদের অদূরবর্তী দ্বীপ ও চরগুলোর নিম্নাঞ্চল স্বাভাবিক জোয়ারের চেয়ে ৮-১২ ফুটের বেশি উচ্চতার বায়ুতাড়িত জলোচ্ছ্বাসে প্লাবিত হতে পারে।

প্রবল ঘূর্ণিঝড়টির প্রভাবে রাজশাহী, রংপুর, ময়মনসিংহ, ঢাকা, খুলনা, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগে দমকা বা ঝোড়ো হাওয়াসহ ভারী (৪৪-৮৮ মিমি/২৪ ঘণ্টা) থেকে অতিভারী (৮৯ মিমির বেশি/২৪ ঘণ্টা) বর্ষণ হতে পারে। অতিভারী বর্ষণের প্রভাবে কক্সবাজার, বান্দরবান, রাঙ্গামাটি, খাগড়াছড়ি ও চট্টগ্রামের পাহাড়ি অঞ্চলের কোথাও কোথাও ভূমিধস হতে পারে বলেও জানিয়েছেন ওমর ফারুক।

তিনি আরও জানান, উত্তর বঙ্গোপসাগর ও গভীর সাগরে অবস্থানরত মাছ ধরার নৌকা ও ট্রলারসমূহকে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত নিরাপদ আশ্রয়ে থাকতে বলা হলো।


আরও খবর
সারাদেশে বৃষ্টির আভাস

বৃহস্পতিবার ১৩ জুন ২০২৪




শুভ বুদ্ধপূর্ণিমা আজ

প্রকাশিত:বুধবার ২২ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ২২ মে ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক

Image

বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীদের প্রধান ধর্মীয় উৎসব শুভ বুদ্ধপূর্ণিমা আজ। বৌদ্ধধর্ম মতে, প্রায় আড়াই হাজার বছর আগে এই দিনে মহামতি গৌতম বুদ্ধ দুনিয়াতে আবির্ভূত হয়েছিলেন। তার শুভ জন্ম, বোধিজ্ঞান ও মহাপরিনির্বাণ লাভ- এই তিন স্মৃতিবিজড়িত বৈশাখী পূর্ণিমা বিশ্বের বৌদ্ধ সম্প্রদায়ের কাছে বুদ্ধপূর্ণিমা নামে পরিচিত। এ উপলক্ষে গতকাল মঙ্গলবার রাষ্ট্রপতি মোঃ সাহাবুদ্দিন ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পৃথক বাণী দিয়েছেন।

রাষ্ট্রপতি মোঃ সাহাবুদ্দিন বলেন, একটি সৌহার্দ ও শান্তিপূর্ণ বিশ্ব প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে মহামতি গৌতম বুদ্ধ আজীবন সাম্য ও মৈত্রীর বাণী প্রচার করে গেছেন। সমাজে শান্তি প্রতিষ্ঠায় অহিংস পরম ধর্ম’- বুদ্ধের এই অমিয় বাণী আজও সমভাবে প্রযোজ্য। তিনি আরও বলেন, আজকের এই অশান্ত ও অসহিষ্ণু বিশ্বে মূল্যবোধের অবক্ষয় রোধ, যুদ্ধ-বিগ্রহ, ধর্ম-বর্ণ-জাতিগত হানাহানি রোধসহ সমাজে শান্তি প্রতিষ্ঠায় বুদ্ধের দর্শন ও জীবনাদর্শ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারে।

এদিকে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তার বাণীতে দেশের বৌদ্ধ সম্প্রদায়সহ সবাইকে আন্তরিক শুভেচ্ছা জানিয়ে বলেন, আওয়ামী লীগ সরকার অসাম্প্রদায়িক চেতনাকে সমুন্নত রাখতে বদ্ধপরিকর। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান প্রণীত আমাদের সংবিধানে সব ধর্ম ও বর্ণের মানুষের সমানাধিকার নিশ্চিত করা হয়েছে। তিনি আরও বলেন, মহামতি গৌতম বুদ্ধ লোভ, দ্বেষ, লালসাকে অতিক্রম করে জীবন ও কর্মের মাধ্যমে মানবজগৎকে আলোকিত করেছেন। তিনি ছিলেন সত্য ও সুন্দরের আদর্শে উজ্জীবিত।

বুদ্ধপূর্ণিমা উপলক্ষে আজ সরকারি ছুটি। যথাযথ ধর্মীয় ভাবগম্ভীর পরিবেশে এ দিবস পালনে বাংলাদেশের বৌদ্ধ সম্প্রদায় বিভিন্ন কর্মসূচির আয়োজন করেছে।

বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীদের সংবর্ধনা দেবেন রাষ্ট্রপতি:

রাষ্ট্রপতি মোঃ সাহাবুদ্দিন বুদ্ধপূর্ণিমা উপলক্ষে বঙ্গভবনের ক্রিডেনশিয়াল হলে বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীদের সংবর্ধনা দেবেন। রাষ্ট্রপতির প্রেস সচিব জয়নাল আবেদীন গণমাধ্যমকে জানান, আজ বিকাল ৪টায় বৌদ্ধ নেতাদের সংবর্ধনা দেওয়া শুরু হবে। রাষ্ট্রপতি গণমাধ্যমের মাধ্যমে সারা দেশের বৌদ্ধ সম্প্রদায়ের উদ্দেশে ভাষণ দেবেন।’

এ ছাড়া রাষ্ট্রপতি এবং তার সহধর্মিণী ড. রেবেকা সুলতানা বৌদ্ধ নেতাদের শুভেচ্ছা জানাবেন। তারাও রাষ্ট্রপতিকে ফুলের তোড়া উপহার দেবেন। ৮শরও বেশি অতিথিসহ এক হাজারেরও বেশি ব্যক্তি সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে যোগ দেবেন বলে আশা করা হচ্ছে। ধর্মমন্ত্রী মো. ফরিদুল হক খান, পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী কুজেন্দ্র লাল ত্রিপুরা এবং বঙ্গভবনের সংশ্লিষ্ট সচিবরা অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকবেন।


আরও খবর



বেনাপোল-মোংলা কমিউটার ট্রেনের যাত্রা শুরু

প্রকাশিত:শনিবার ০১ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ০১ জুন ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
খুলনা প্রতিনিধি

Image

মোংলা থেকে বেনাপোল নতুন রুটে ট্রেন চলাচল শুরু হয়েছে। আজ শনিবার সকাল সাড়ে ৯টার দিকে বেনাপোল থেকে যাত্রী নিয়ে মোংলা কমিউটার’ ট্রেনটি মোংলার উদ্দেশে ছেড়ে যায়।

বেনাপোল রেলস্টেশনের মাস্টার সাইদুর রহমান গণমাধ্যমকে বলেন, বেতনা কমিউটার ট্রেনটির বগি ও ইঞ্জিন দিয়ে চলছে মোংলা কমিউটার ট্রেন। বেতনা কমিউটার ট্রেন আগে খুলনা থেকে বেনাপোল দুইবার চলাচল করতো। তবে আজ থেকে খুলনা-বেনাপোল রুটে একবার এবং বেনাপোল থেকে মোংলায় চলাচল করবে একবার। আজ সকাল সাড়ে ৯টার দিকে বেনাপোল থেকে যাত্রী নিয়ে মোংলার উদ্দেশে ছেড়ে যায় কমিউটার ট্রেনটি। এ ট্রেনটি খুলনার ফুলতলা, মোহাম্মদনগর হয়ে যাবে মোংলায়। মোংলা থেকে যাত্রী নিয়ে আবার খুলনা হয়ে বেনাপোলে ফিরবে। বেনাপোল থেকে মোংলা রেলপথে ভাড়া নির্ধারণ হয়েছে ৮৫ টাকা। মঙ্গলবার ছাড়া সপ্তাহের অন্যান্য দিন এই রুটে একই সময়ে ট্রেন চলাচল করবে। এই রুটের দূরত্ব ১৩৮ দশমিক ৬৪ কিলোমিটার।

রেলওয়ে পশ্চিমাঞ্চলের সহকারী চিফ অপারেটিং সুপারিনটেনডেন্ট মো. আব্দুল আওয়াল স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে বলা হয়েছে, বেনাপোল থেকে ট্রেন ছাড়ার পর ট্রেনটি নাভারণে সকাল ৯টা ৩০ মিনিটে, ঝিকরগাছায় ৯টা ৫০ মিনিটে, যশোরে ১০টা ১১ মিনিটে, সিঙ্গিয়ায় ১০টা ৩০ মিনিটে, নোয়াপাড়ায় ১০টা ৪৬ মিনিটে, ফুলতলায় বেলা ১১টা ৪ মিনিটে, মোহাম্মদগর স্টেশনে ১১টা ৩১ মিনিটে, কাটাখালী স্টেশনে ১১টা ৫০ মিনিটে, চুলকাটি বাজারে ১২টা এবং মোংলায় পৌঁছাবে ১২টা ৩৫ মিনিটে।

ট্রেনটি মোংলা থেকে দুপুর ১টায় ছেড়ে বেনাপোল পৌঁছাবে বিকেল ৪টা ৩০ মিনিটে। এর মধ্যে চুলকাটি বাজারে ১টা ২২ মিনিটে, কাটাখালীতে ১টা ৪০ মিনিটে, খুলনার মোহাম্মদনগরে ১টা ৫৯ মিনিটে, ফুলতলায় ২টা ২৫ মিনিটে যাত্রাবিরতি করে নোয়াপাড়ায় ২টা ৩২মিনিটে, চেঙ্গুটিয়ায় ২টা ৫২ মিনিটে, সিঙ্গিয়ায় বিকেল ৩টা ১১ মিনিটে, যশোরে ৩টা ৩০ মিনিটে, ঝিকরগাছা ৩টা ৫২ মিনিটে, নাভারণে বিকেল ৪টা ১১ মিনিটে এবং বেনাপোলে পৌঁছাবে বিকেল ৪টা ৩০ মিনিটে।


আরও খবর
গৃহবধূকে ডেকে নিয়ে দলবদ্ধ ধর্ষণ

বৃহস্পতিবার ১৩ জুন ২০২৪




পর্যটন ও সামাজিক অনুষ্ঠানে ভাড়া দেওয়া হবে শতবর্ষী জাহাজ

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ৩০ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ৩০ মে ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক

Image

বাংলাদেশে ব্রিটিশ আমলের তৈরি শত বছরেরও বেশি পুরোনো যাত্রীবাহী জাহাজগুলো পর্যটনে ব্যবহার ও সামাজিক অনুষ্ঠানের জন্য ভাড়া দেওয়ার চিন্তা-ভাবনা করছে সরকার।

বৃহস্পতিবার (৩০ মে) সচিবালয়ে বাংলাদেশ সফররত ইন্টারন্যাশনাল মেরিটাইম অর্গানাইজেশনের (আইএমও) মহাসচিব আর্সেনিও এন্টোনিও ডোমিনগেজ ভেলাসকোর সঙ্গে বৈঠকের পর নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী খালিদ মাহমুদ চৌধুরী সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান।

ব্রিটিশ আমলের তৈরি জাহাজের মধ্যে রয়েছে- পিএস মাহসুদ, পিএস লেপচা, পিএস অস্ট্রিচ ও পিএস টার্ন। এসব নৌযান দীর্ঘদিন ব্যবহার না করায় যন্ত্রপাতি নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। সদরঘাটের বাদামতলী ঘাটে স্টিমারগুলো অলস পড়ে আছে। বয়স বিবেচনায় জাহাজগুলোর দেশীয় ঐতিহ্য হিসেবেও বিবেচনা করা হয়।

নৌপ্রতিমন্ত্রী বলেন, আমাদের পুরোনো প্যাডেলচালিত যে জাহাজগুলো আছে, আমরা চিন্তা করছি সেগুলো পর্যটন ক্ষেত্রে ব্যবহার করা যায় কি না। কারণ এগুলো শত বছরের পুরোনো। মানুষ এখন স্পিডি হয়ে গেছে, এত স্লো জলযানে উঠতে চায় না।

তিনি বলেন, আমরা চিন্তা করছি, এগুলো পর্যটন ক্ষেত্রে ব্যবহার করা যায় কিংবা ক্রুজ সার্ভিস করা যায়। আমাদের সামাজিক প্রোগ্রামগুলো রয়েছে, কর্পোরেট হাউজের প্রোগ্রামগুলো রয়েছে। সেগুলো অনবোর্ডে করা যেতে পারে। সেটার ব্যাপারে আমরা চিন্তা-ভাবনা করছি।

আগামী ঈদুল আজহার সময় বিআইডব্লিউটিসির জাহাজগুলো যাত্রী পরিবহনে নিয়োজিত হবে জানিয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, আমরা আরও দুটি নতুন জাহাজ (এমভি বঙ্গমাতা ও এমভি বঙ্গতরী) পেতে যাচ্ছি। এই জাহাজ দুটিকে আমরা ভোলা রুটে চালানোর চিন্তা-ভাবনা করছি।


আরও খবর