আজঃ শুক্রবার ০১ মার্চ ২০২৪
শিরোনাম

ছয়টি বেসরকারি মেডিকেল কলেজে ভর্তি বন্ধ

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ০৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ০৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক

Image

ছয়টি বেসরকারি মেডিকেল কলেজ এ বছর এমবিবিএস প্রথম বর্ষে শিক্ষার্থী ভর্তি করতে পারবে না। তাদের মধ্যে চারটি মেডিকেল কলেজের ২০২৩২৪ শিক্ষাবর্ষে ভর্তি কার্যক্রম স্থগিত রেখেছে স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিদপ্তর। দুটি মেডিকেল কলেজের নিবন্ধনই বাতিল করা হয়েছে।

আজ বৃহস্পতিবার সরকারি ও বেসরকারি মেডিকেল কলেজে ২০২৩২৪ শিক্ষাবর্ষে এমবিবিএস ভর্তি পরীক্ষা উপলক্ষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ কথা বলা হয়। বিশেষ কারণে এই সংবাদ সম্মেলন স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় সভাকক্ষে আয়োজন না করে শেখ হাসিনা বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে করা হয়। আগামীকাল শুক্রবার এই ভর্তি পরীক্ষা হবে।

যে চারটি মেডিকেল কলেজে এ বছর কোনো শিক্ষার্থী ভর্তি করাতে পারবে না তার মধ্যে আছে, রাজধানীর উত্তরার আইচি মেডিকেল কলেজ, ধানমন্ডির নর্দার্ন মেডিকেল কলেজ, রংপুরের নর্দান, মেডিকেল কলেজ ও রাজশাহীর শাহ মখদুম মেডিকেল কলেজ। অন্যদিকে রাজধানীর কেয়ার মেডিকেল কলেজ ও আশুলিয়ার নাইটিঙ্গেল মেডিকেল কলেজের নিবন্ধন বাতিল করেছে স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিদপ্তর।

সংবাদ সম্মেলনে স্বাস্থ্যমন্ত্রী সামন্ত লাল সেন বলেন, ৩৭টি সরকারি মেডিকেল কলেজ ৫ হাজার ৩৮০টি ও ৬৭টি বেসরকারি মেডিকেল কলেজে ৬ হাজার ২৯৫টি আসন আছে। ১০৪টি কলেজের ১১ হাজার ৬৭৫টি আসনের জন্য ১ লাখ ৪ হাজার ৩৭৪ জন শিক্ষার্থী আবেদন করেছেন। তিনি বলেন, ভর্তি পরীক্ষা সুষ্ঠু করার জন্য সর্বোচ্চ চেষ্টা করা হয়েছে। প্রশ্নপত্র ফাঁস বা অন্য কোনো অসত কাজে শিক্ষার্থীরা বা তাঁদের অভিভাবকেরা যেন জড়িয়ে না পড়েন, সে জন্য গোয়েন্দা সংস্থাগুলো তৎপর আছে।

দেশের ১৯টি কেন্দ্রের ৪৪টি প্রতিষ্ঠানে ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে উল্লেখ করে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, মেডিকেল ভর্তিপ্রক্রিয়া ডিজিটাইলেজশন করা হয়েছে। প্রশ্নপত্র বহনকরী প্রতিটি ট্রাঙ্কে এমন একটি যন্ত্র রাখা হয়েছে, তাতে বোঝা যাবে ট্যাঙ্কটি কোথায় আছে, কোনো স্থান থেকে কোথায় যাচ্ছে।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের উদ্দেশ্য বলেন, পরীক্ষা শুরু হবে সকাল ১০টায়। চলবে বেলা ১১টা পর্যন্ত। কিন্তু শিক্ষার্থীরা যেন নিজ নিজ কেন্দ্রে সকাল ৮টার মধ্যে পৌঁছে যান। সকাল সাড়ে নয়টার পর কোনো শিক্ষার্থীকে কেন্দ্রে ঢুকতে দেওয়া হবে না। প্রবেশপত্র এবং বল পয়েন্ট কলম ছাড়া কোনো ধরনের ইলেকট্রোনিক ডিভাইস কেন্দ্রের মধ্যে নেওয়া যাবে না। প্রত্যেক শিক্ষার্থীর দেহ তল্লাশি করা হবে।

সংবাদ সম্মেলনে স্বাস্থ্য শিক্ষা বিভাগের সচিব, স্বাস্থ্য শিক্ষা ও স্বাস্থ্য সেবা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য, বিএমএর সভাপতি, স্বাচিপের ও বিএমডিসির সভাপতি উপস্থিত ছিলেন।


আরও খবর



যে ধরনের সিনেমায় কাজ করতে চান নোরা ফাতেহি

প্রকাশিত:রবিবার ১৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:রবিবার ১৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
বিনোদন ডেস্ক

Image

নোরা ফাতেহি আইটেম গার্ল হিসেবে বলিউডে জনপ্রিয়তার শীর্ষে। তার কাছে সব সময় আইটেম গানে নৃত্যের প্রস্তাব আসে। তবে তিনি মনেপ্রাণে চান এমন একটি সিনেমায় অভিনয় করতে, যেখানে তিনি অ্যাকশন দৃশ্যে নিজেকে মেলে ধরার সুযোগ পাবেন। চলচ্চিত্র নির্মাতাদের কাছে নোরার অনুরোধ এমন কোনো সিনেমার জন্য যেন তাকে ভাবা হয়।

ক্র্যাক সিনেমায় নোরা একটি বিশেষ চরিত্রে অভিনয় করেছেন। মূলত অ্যাকশন ঘরানার সিনেমা এটি। পর্দায় স্টান্ট করতে দেখা যাবে নোরাকে। বিদ্যুৎ জামওয়াল এবং অর্জুন রামপাল এ সিনেমার দুই দিকপাল। বলিউডের অন্যতম শরীর সচেতন অভিনেতা হিসেবে দুজনেরই পরিচিতি রয়েছে।

দুজনের সঙ্গে কাজ করে পর্দায় অ্যাকশন করার প্রতি একটি বাড়তি উৎসাহ পেয়েছেন নোরা। তিনি চান গোটা সিনেমাজুড়ে তিনি স্টান্ট করবেন। মারপিটের দৃশ্যে অভিনয় করবেন।

নোরার মতে, একজন নৃত্যশিল্পীকেও খেলোয়াড়দের মতো ফিট হতে হয়। দুক্ষেত্রেই ফিটনেস অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। নোরা বলেন, আমি নিজে একজন ডান্সার। আমি জানি নাচ করতে গেলে ঠিক কতটা ফিট থাক জরুরি। আমার বিশ্বাস আমাকে যদি কেউ এমন কোনো চরিত্রের জন্য ভাবেন, আমি নিরাশ করব না।

নিউজ ট্যাগ: নোরা ফাতেহি

আরও খবর
টেইলর সুইফট ইফেক্টে আক্রান্ত সিঙ্গাপুর

বৃহস্পতিবার ২৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৪




দাড়ি ছেঁড়ার ঘটনায় ছাত্রলীগ নেতাকে হল থেকে বহিষ্কার

প্রকাশিত:শুক্রবার ২৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক

Image

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) মাস্টারদা সূর্যসেন হলের ক্যানটিন মালিক বকেয়া টাকা পরিশোধ করতে বলায় তাকে মারধর করে দাড়ি ছিঁড়ে ফেলার ঘটনায় শাখা ছাত্রলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক আরাফাত হোসাইন অভিকে হল থেকে বহিষ্কার করেছে হল প্রশাসন। তিন সদস্যবিশিষ্ট তদন্ত কমিটির প্রতিবেদনের সুপারিশের ভিত্তিতে এই বহিষ্কারের নোটিশ প্রদান করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২২ ফেব্রুয়ারি) হল প্রাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. জাকির হোসেন ভূঁইয়া স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গত ১২ ফেব্রুয়ারি আনুমানিক দুপুর ১টা ৩০ মিনিটে আপনি ক্যান্টিনে যেয়ে দুপুরের খাবার নিয়ে চলে যাওয়ার সময় বাকি খাতায় লিখে রাখতে বলেন। এ সময় ক্যান্টিনের ক্যাটারার মো. ফাহিম আপনার নিকট পূর্বের বাকি ২ হাজার ৬৫০ টাকা চাওয়ায় আপনি পরে পরিশোধ করবেন বলে জানান।

পরে ক্যান্টিনের ক্যাটারার তার ম্যানেজারকে বলে পরবর্তীতে আপনাকে আর বাকি খাবার না দিতে। এতে আপনি মেজাজ হারিয়ে ফাহিমের কলার চেপে ধরে অকথ্য ভাষায় গালাগালি করেন এবং চর থাপ্পড় দেন। এক পর্যায়ে আপনি ফাহিমের শার্টের কলার এবং দাড়ি ছিঁড়ে ফেলেন। ছাত্ররা আপনাদের দুইজনকে আলাদা করে দিলে আপনি পরবর্তীতে ফাহিমকে ডেকে নিয়ে শাসান এবং এই ঘটনা নিয়ে কোনোরূপ বাড়াবাড়ি না করতে বলেন।

এ ঘটনায় ক্যান্টিন ক্যাটারারের লিখিত অভিযোগের প্রেক্ষিতে গঠিত তদন্ত কমিটির প্রদত্ত রিপোর্টে ও সকল সাক্ষ্য-প্রমাণ, সিসিটিভি ফুটেজ থেকে প্রাপ্ত তথ্যাদির ভিত্তিতে আপনি দোষী হিসেবে প্রমাণিত।

এ ছাড়া গত ২০২১ সালের বিএ (সম্মান) পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হওয়ায় এবং এমএ শ্রেণিতে ভর্তি না হওয়ায় বর্তমানে আপনার ছাত্রত্বও নেই, তথাপি আপনি হলে অবৈধভাবে অবস্থান করছেন। এ ধরনের ঘটনা ঘটানো ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বিধি লঙ্ঘন, মর্যাদা ও আইনের পরিপন্থি। উল্লেখিত ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে আপনার বরাদ্দকৃত সিট বাতিলসহ আগামী ২৩ ফেব্রুয়ারির মধ্যে আপনাকে হল ত্যাগের নির্দেশ প্রদান করা হলো। ভবিষ্যতে আপনাকে হলে অবস্থান করতে দেখা গেলে আপনার বিরুদ্ধে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিধি মোতাবেক যথাযথ আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

আরাফাত হোসেন অভি ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের ২০১৭-১৮ সেশনের শিক্ষার্থী এবং মাস্টারদা সূর্যসেন হলে দ্বৈতাবাসিক ১৭৯ নম্বর কক্ষে থাকতেন। তিনি চুয়াডাঙ্গা জেলার দামুরহুদা থানার আরামডাঙ্গা গ্রামের মো. জুলফিকার আলীর ছেলে। অভি হল ছাত্রলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসছিলেন। একই ঘটনার প্রেক্ষিতে তাকে ছাত্রলীগ থেকেও সাময়িক বহিষ্কার করা হয়।


আরও খবর
জাবির ‘ডি’ ইউনিটের ফল প্রকাশ

বৃহস্পতিবার ২৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৪




রিপোর্টার্স উইদাউট বর্ডারসের প্রতিবেদনে ভুল তথ্য আছে : আরাফাত

প্রকাশিত:সোমবার ১৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:সোমবার ১৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক

Image

বাংলাদেশে সাংবাদিকতা ও গণমাধ্যমের স্বাধীনতা নিয়ে রিপোর্টার্স উইদাউট বর্ডারস (আরএসএফ) ২০২৩ সালের মে মাসে যে প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে তাতে ভুল তথ্য আছে এবং সেখানে বাস্তবতার প্রতিফলন নেই বলে মন্তব্য করেছেন তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী মোহাম্মদ আলী আরাফাত।

আজ সোমবার দুপুরে সচিবালয়ে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের সভা কক্ষে বাংলাদেশের গণমাধ্যমের স্বাধীনতা নিয়ে রিপোর্টার্স উইদাউট বর্ডারস (আরএসএফ) এর প্রতিবেদন ও র‌্যাংকিং নিয়ে প্রেস ব্রিফ্রিংকালে প্রতিমন্ত্রী এসব কথা বলেন।

এ সময় সাংবাদিকদের প্রতিমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশে সাংবাদিকতা ও গণমাধ্যমের স্বাধীনতা নিয়ে রিপোর্টার্স উইদাউট বর্ডার্স (আরএসএফ)-এর ওয়েবসাইটে যে প্রতিবেদন ও র‌্যাংকিং প্রকাশ হয়েছে, তা নিয়ে বাংলাদেশের গণমাধ্যম সংশ্লিষ্ট অংশীজন ও সাধারণ জনগণের মধ্যে হতাশা আছে। ওয়েবসাইটে ভুল, অর্ধসত্য ও অপর্যাপ্ত তথ্যের উপর ভিত্তি করে বিশ্ব মুক্ত গণমাধ্যম সূচকে বিশ্বের ১৮০টি দেশের মধ্যে বাংলাদেশকে ১৬৩তম দেখানো হয়েছে। এর মাধ্যমে বাংলাদেশে গণমাধ্যমের ক্রমবিকাশ, সুষ্ঠু পরিবেশ নিশ্চিতকরণ এবং স্বাধীন ও নিরপেক্ষ সাংবাদিকতার জন্য বর্তমান সরকারের অব্যাহত উদ্যোগকে অস্বীকার করা হয়েছে। দেশের গণমাধ্যম ও সাংবাদিকতার অবাধ স্বাধীনতার প্রকৃত চিত্রের বিপরীতে আরএসএফের মূল্যায়ন অগ্রহণযোগ্য, পক্ষপাতদুষ্ট এবং সত্যের বিচ্যুতি বলে সরকার মনে করে।

তিনি আরও বলেন, আরএসএফের ওয়েবসাইটে ছয়জন সাংবাদিক সিরাজুল ইসলাম রতন, আহমেদ খান বাবু, গোলাম মোস্তফা রফিক, খলিলুর রহমান, মোহাম্মদ আখতারুজ্জামান এবং এস এম ইউসুফ আলী সম্পর্কে তথ্য দেওয়া হয়েছে তারা আটক হয়ে জেলে আছে। সর্বশেষ প্রাপ্ত তথ্য-উপাত্ত অনুযায়ী তাদের নিয়ে আরএসএফের এ দাবি অযৌক্তিক ও ভিত্তিহীন।

ব্রিফিংয়ে তিনি আরও বলেন, আরেএসএফ এর প্রতিবেদনে প্রচুর ভুল, অর্ধসত্য, অসত্য তথ্যের উপর ভিত্তি করে বাংলাদেশকে র‌্যাংকিং করা হয়েছে। এ ধরণের সূচক বা র‌্যাংকিংকে রেফারেন্স হিসেবে ব্যবহার করে পৃথিবীর বিভিন্ন দেশের অনেকেই আমাদের সাথে কথা বলার সময় বলতে চান যে আমাদের গণতন্ত্র, মানবাধিকার, গণমাধ্যমের স্বাধীনতা নেই। এ র‌্যাংকিং পুনর্মূল্যায়নের জন্য আরএসএফকে দাপ্তরিকভাবে চিঠি দেওয়া হয়েছে।

তিনি আরও যোগ করেন, বাংলাদেশের গণমাধ্যমের স্বাধীনতা নিয়ে আরএসএফ-এর বাংলাদেশ অধ্যায়ে বর্ণিত তথ্য অসম্পূর্ণ, অপর্যাপ্ত, এবং বিভ্রান্তিকর। আরএসএফ এর দাবির বিপরীতে দেখা যায় ২০০৯ সাল থেকেই মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন সরকার সরকারি গণমাধ্যমের চেয়ে বেসরকারি টেলিভিশন ও রেডিও চ্যানেল সম্প্রসারণে সর্বাধিক গুরুত্ব দিয়েছে। সরকারি সম্প্রচার মাধ্যম বিটিভি ও বাংলাদেশ বেতার শিক্ষা, জনস্বাস্থ্য, নারীর ক্ষমতায়ন, গ্রামীণ জনগণের ক্ষমতায়নসহ উন্নয়নমুখী নানা অনুষ্ঠান ও সংবাদ প্রচার করে। জনকল্যাণে সরকার কর্তৃক বাস্তবায়িত সব উন্নয়ন কাজ জনগণের কাছেই তুলে ধরে এ দুটি সম্প্রচার মাধ্যম। ফলে সরকার ও জনগণের মধ্যে প্রতিনিয়তই সেতৃবন্ধন তৈরি করছে বিটিভি ও বেতার। অথচ আরএসএফ রিপোর্টে উল্টোভাবে বলা হয়েছে।

প্রতিমন্ত্রী এ সময় আরও বলেন, সাইবার স্পেসকে সন্ত্রাসী, মৌলবাদী ও দুর্বৃত্তদের হাত থেকে রক্ষা করতে বাংলাদেশ সরকার ২০১৮ সালে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন (ডিএসএ) চালু  করে। তবে আইনের কিছু ধারা নিয়ে উদ্বেগের প্রেক্ষিতে সরকার ডিএসএ বাতিল করে এর পরিবর্তে ২০২৩ সালে সাইবার নিরাপত্তা আইন (সিএসএ) প্রণয়ন করে বাংলাদেশ সরকার। এই আইনে সংবাদ প্রকাশের সাথে সম্পর্কিত মানহানি মামলায় সাংবাদিকদের গ্রেফতারের পরিবর্তে আইনী তলব করার বিধান রাখা রয়েছে। আইনগত প্রেক্ষাপট নিয়ে আরএসএফের সর্বশেষ প্রতিবেদনের উদ্বেগ এই মুহুর্তে প্রাসঙ্গিক নয়। এ বিষয়গুলো আরএসএফ এর পুনর্মূল্যায়ন করা উচিত এবং তার একটা প্রতিফলন তাদের পরবর্তী প্রতিবেদনে থাকা উচিত।

এ সময় তিনি আরও বলেন, বিশ্বের অনেক দেশের মতো বাংলাদেশও গণমাধ্যমের সর্বোচ্চ স্বাধীনতা বজায় রাখতে বেশ কিছু চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হচ্ছে। তবে বর্তমান সরকার গণমাধ্যম সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিবর্গকে সাথে নিয়ে এই চ্যালেঞ্জগ মোকাবিলায় বহুমুখী প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন সরকার, সাংবাদিকদের অধিকার রক্ষা ও তাদের মর্যাদা পুনরুদ্ধারে সাংবাদিক পরিচয়পত্র নীতিমালা,২০২২ চূড়ান্ত করেছে, ২০১৪ সালে জাতীয় সম্প্রচার নীতিমালা প্রণয়ন করেছে, বাংলাদেশ সাংবাদিক কল্যাণ ট্রাস্ট গঠন করেছে। সাংবাদিকদের জীবনযাত্রার মান উন্নয়নে, মান সম্মত বেতন ও জীবিকা নিশ্চিত করতে সরকার নবম ওয়েজ বোর্ড গঠন করেছে, এবং দশম ওয়েজ বোর্ড গঠনের বিষয়টিও প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। এ ভালো উদ্যোগগুলো আরএসএফ এর প্রতিবেদনে প্রতিফলিত হয়নি।

তিনি যোগ করেন, আরএসএফ এর সর্বশেষ প্রতিবেদনে বাংলাদেশের বর্তমান র‌্যাংকিং একবারেই বাস্তবতা বহির্ভুত। আরএসএফের এ ধরণের রিপোর্টকে পূর্ণাঙ্গ বলা যায় না। বাংলাদেশ সরকার চায় আরএসএফ বাস্তবাতার প্রতিফলন ঘটাতে বাংলাদেশের গণমাধ্যমের পূর্ণাঙ্গ চিত্র তুলে ধরুক এবং যে প্রতিবেদন অর্ধসত্য এবং ভুল তথ্যের ভিত্তিতে করা হয়েছে তার পুনর্মূল্যায়ন করুক।

সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের উত্তরে এ সময় প্রতিমন্ত্রী বলেন, আমরা সত্য দিয়ে অসত্য মোকাবিলা করতে চাই। গণমাধ্যমের পরিবেশ নিয়ে যেখানে সত্যিই উন্নতি করার সুযোগ আছে সেখানে সরকার তা করবে। আমরা সত্যিকার অর্থেই আরএসএফ এর র‌্যাংকিং এ উপরে উঠতে চাই।


আরও খবর



ঢাকা আইনজীবী সমিতির প্রথম দিনের ভোটগ্রহণ শুরু

প্রকাশিত:বুধবার ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক

Image

ঢাকা আইনজীবী সমিতির (২০২৪-২৫) কার্যকরী কমিটির নির্বাচনে প্রথম দিনের ভোটগ্রহণ শুরু হয়েছে। বুধবার সকাল ৯টা থেকে শুরু হয়ে এক ঘণ্টা বিরতি দিয়ে বিকেল ৫টা পর্যন্ত চলবে ভোটগ্রহণ। পরের দিন বৃহস্পতিবারও একই ভাবে ভোট গ্রহণ হবে।

নির্বাচনে আওয়ামী লীগ সমর্থিত সাদা প্যানেল থেকে সভাপতি পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন আবদুর রহমান হাওলাদার। একই প্যানেল থেকে সাধারণ সম্পাদক পদে লড়ছেন মো. আনোয়ার শাহাদাত।

অপরদিকে, বিএনপি সমর্থিত নীল প্যানেল থেকে সভাপতি পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন খোরশেদ মিয়া আলম। সাধারণ সম্পাদক পদে লড়ছেন সৈয়দ নজরুল ইসলাম।

নির্বাচনে প্রধান নির্বাচন কমিশনারের দায়িত্ব পালন করছেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী মোখলেছুর রহমান। ২১ হাজার ১৩৭ জন আইনজীবী নির্বাচনে ভোটাধিকার প্রয়োগ করবেন।

আওয়ামী সমর্থিত সাদা প্যানেলের অন্যান্য পদের মধ্যে জ্যেষ্ঠ সহ-সভাপতি পদে আবুল কালাম মোহাম্মাদ আক্তার হোসেন, কোষাধ্যক্ষ পদে মো. ওমর ফারুক, জ্যেষ্ঠ সহ-সাধারণ সম্পাদক পদে মাসরাত আলী, সহ-সাধারণ সম্পাদক পদে আসাদুজ্জামান, লাইব্রেরি সম্পাদক পদে হুমায়ুন কবির, সাংস্কৃতিক সম্পাদক পদে মনিরা বেগম, অফিস সম্পাদক পদে সরোয়ার জাহান, সমাজকল্যাণ সম্পাদক পদে প্রদীপ চন্দ্র সরকার, ক্রীড়া সম্পাদক পদে মো. ওয়াকিলুর রহমান এবং তথ্য ও যোগাযোগ সম্পাদক পদে সৈয়দা ফরিদা ইয়াছমিন প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।

সাদা প্যানেলে সদস্য পদে নির্বাচন করছেন এমদাদুল হক, হাফিজ আল মামুন, কাজী হুমায়ুন কবির, মাহমুদুল হাসান, আবদুর রহমান মিয়া, মো. ইমরান হাসান, মো. মোহসিন উদ্দিন, মোহাম্মাদ মইন উদ্দিন, শাহিন আহমেদ ও সুমন আহমেদ।

এছাড়া, বিএনপি সমর্থিত নীল প্যানেলে অন্যান্য পদের মধ্যে জ্যেষ্ঠ সহসভাপতি পদে আবদুর রাজ্জাক, সহসভাপতি পদে সহিদুজ্জামান, কোষাধ্যক্ষ পদে আবদুর রশীদ মোল্লা, জ্যেষ্ঠ সহসাধারণ সম্পাদক পদে জহিরুল হাসান, সহসাধারণ সম্পাদক পদে সৈয়দ মো. মইনুল হোসেন, সমাজকল্যাণ সম্পাদক পদে মাহবুব হাসান, লাইব্রেরি সম্পাদক পদে নার্গিস পারভীন, সাংস্কৃতিক সম্পাদক পদে নূরজাহান বেগম, দপ্তর সম্পাদক পদে আনোয়ারুল ইসলাম, ক্রীড়া সম্পাদক মোবারক হোসেন এবং তথ্য ও যোগাযোগ সম্পাদক পদে মো. মাজহারুল ইসলাম প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।

নীল প্যানেলে সদস্য পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন আলী মোরতুজা, গাজী তানজিল আহমেদ, মো. আনোয়ার হোসেন, মো. আসিফ, জাবেদ হোসেন, খলিলুর রহমান, মো. সামসুজ্জামান, মোহাম্মাদ আলী, মুক্তা বেগম ও রেজাউল হক।


আরও খবর
জজ কোর্ট চত্বরে ককটেল বিস্ফোরণ

বৃহস্পতিবার ২৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৪




ভূমিকম্পে ক্ষতিগ্রস্তদের মধ্যে দুই লাখ বাড়ি হস্তান্তর করবে তুরস্ক

প্রকাশিত:রবিবার ০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:রবিবার ০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
আন্তর্জাতিক ডেস্ক

Image

আধুনিক ইতিহাসে গত বছর সবচেয়ে বড় দুর্যোগের সম্মুখীন হয় তুরস্ক। সাত দশমিক আট মাত্রার শক্তিশালী ভূমিকম্পে বিধ্বস্ত হয় তুরস্কের দক্ষিণাঞ্চলের ১১টি প্রদেশ। নিহত হন ৫০ হাজারের বেশি মানুষ। ধ্বংস হয়ে যায় লাখ লাখ বাড়ি।

ভূমিকম্পের পর বিধ্বস্ত এলাকায় নতুন করে অবকাঠামো নির্মাণ প্রকল্পের ঘোষণা দেন তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়্যেপ এরদোয়ান। এরই অংশ হিসেবে শনিবার (৩ ফেব্রুয়ারি) কিছু নতুন বাড়ির চাবি হস্তান্তর করা হয়েছে ভুক্তভোগীদের মাঝে।

এরদোয়ান বলেন, আজকে আমরা হাতায়ে এলাকায় ৭ হাজার ২৭৫টি বাড়ি হস্তান্তর করছি। এই অঞ্চলে পর্যায়ক্রমে ৪০ হাজার বাড়ি হস্তান্তর করা হবে বলেও জানান তিনি। গত বছর ভূমিকম্পে বিধ্বস্ত এলাকাগুলোর মধ্যে এটি অন্যতম।

বিধ্বস্ত এলাকায় আগামী দুই মাসের মধ্যে ৭৫ হাজার বাড়ি হস্তান্তর করার পরিকল্পনার কথা জানিয়েছেন এরদোয়ান। তুরস্কের সরকার এ বছরের মধ্যে দুই লাখ বাড়ি হস্তান্তর করবে।

দেশটির নগরায়ণমন্ত্রী মেহমেত ওজাসেকি ভূমিকম্পে তুরস্কের দক্ষিণাঞ্চলে মোট ৬ লাখ ৮০ হাজার বাড়ি ধ্বংস হয়। এর মধ্যে ৩ লাখ ৯০ হাজার পরিবার বাড়ি পাওয়ার জন্য আবেদন করেছে।

তুরস্ক ও সিরিয়ার সীমান্ত বরাবর ২০২৩ সালের ৬ ফেব্রুয়ারি শক্তিশালী ভূমিকম্প আঘাত হানে। এতে ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয় তুরস্কের দক্ষিণপূর্বাঞ্চল।

শুক্রবার (২ ফেব্রুয়ারি) তুরস্কের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রণালয় নতুন করে মৃত্যুর সংখ্যা প্রকাশ করেছে। এতে দেখা গেছে, দেশটিতে আঘাত হানা ওই ভয়াবহ ভূমিকম্পে ৫৩ হাজার ৫৩৭ জন মারা গেছেন। ফলে দুই দেশ মিলিয়ে মোট মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে প্রায় ৬০ হাজার।

সিরিয়ার সরকার জানিয়েছে, ২০২৩ সালের ৬ ফেব্রুয়ারির ৭ দশমিক ৮ মাত্রার ভূমিকম্পে তাদের নিয়ন্ত্রিত এলাকায় এক হাজার ৪১৪ জন নিহত হয়।

ফলে দুই দেশের প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, ভূমিকম্পটিতে ৫৯ হাজার ৪৮৮ জন মানুষ প্রাণ হারিয়েছেন। এর আগে সবচেয়ে বড় প্রাণঘাতী ভূমিকম্প হয় পেরুতে। ১৯৭০ সালের ভূমিকম্পে দেশটিতে ৬৭ হাজার মানুষের মৃত্যু হয়।


আরও খবর