আজঃ রবিবার ০৩ মার্চ ২০২৪
শিরোনাম

চিত্রনায়িকা মাহিয়া মাহি গ্রেপ্তার

প্রকাশিত:শনিবার ১৮ মার্চ ২০২৩ | হালনাগাদ:শনিবার ১৮ মার্চ ২০২৩ | অনলাইন সংস্করণ
গাজীপুর প্রতিনিধি

Image

ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ করার অভিযোগে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের মামলায় চিত্রনায়িকা মাহিয়া মাহি গ্রেপ্তার হয়েছেন। সৌদি আরব থেকে দেশে ফেরার পর আজ শনিবার বেলা পৌনে ১২টার দিকে ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

গাজিপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের ডিসি ডিবি (উত্তর) মো. ইব্রাহিম খান মাহিকে গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

এর আগে, চিত্রনায়িকা মাহিয়া মাহি ও তার স্বামী রকিব সরকারের বিরুদ্ধে গাজীপুরে দুটি মামলা হয়। ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ করার অভিযোগে শুক্রবার (১৭ মার্চ) রাতে বাসন থানার এসআই রোকন মিয়া বাদী হয়ে একটি মামলা করেন। এ ছাড়া জমি দখলের অভিযোগে আরেকটি মামলা করেছেন স্থানীয় বাসিন্দা ইসমাইল হোসেন।

বিষয়টি নিশ্চিত করেন গাজীপুর মহানগর পুলিশ কমিশনার মোল্যা নজরুল ইসলাম। তিনি বলেন, ফেসবুকে চিত্রনায়িকা মিথ্যা বলে মানুষের সহানুভূতি নেওয়ার চেষ্টা করেছেন। পুলিশের বিরুদ্ধে ঢালাও অভিযোগ করেছেন তিনি। তারা পুলিশকে বিতর্কিত করার মিশনে নেমেছেন। ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ করার অভিযোগে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে পুলিশ তাদের বিরুদ্ধে মামলা করেছে।

এর আগে, শুক্রবার ভোরে স্বামীর সঙ্গে ওমরাহ পালন করতে যাওয়া চিত্রনায়িকা মাহি সৌদি আরবের মক্কা শহর থেকে ফেসবুক লাইভে রাকিবের গাড়ির শোরুম ভাঙচুর ও হামলার অভিযোগ করেন।

এ সময় তিনি দাবি করেন, ভাওয়াল বদরে আলম সরকারি কলেজের পূর্ব পাশে সনিরাজ কার প্যালেস নামে তার স্বামীর একটি গাড়ির শোরুম রয়েছে। সেই শোরুমে দুর্বৃত্তরা হামলা চালিয়েছে। হামলাকারীরা তার শোরুমের গেট ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করে। তারা শোরুমের বিভিন্ন আসবাব, দরজা-জানালার কাচ, টেবিল-চেয়ার ভাঙচুর করেছে। শোরুমের সাইনবোর্ডও খুলে ফেলেছে। দুর্বৃত্তরা তার অফিসকক্ষ তছনছ করে টাকা-পয়সা লুট করে নিয়ে গেছে।

ইসমাইল হোসেন ওরফে লাদেন ও মামুন সরকারের নেতৃত্বে এ হামলা চালানো হয় বলে অভিযোগ করেন মাহি। ফেসবুকে গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের বিরুদ্ধে ঘুষ নেওয়ার অভিযোগ তোলেন এই নায়িকা। পুলিশের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ করার জন্য অভিযোগে মাহিয়া মাহি ও তার স্বামী রকিব সরকারের বিরুদ্ধে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে মামলা করে পুলিশ। এই মামলাতেই গ্রেপ্তার করা হলো মাহিকে।

নিউজ ট্যাগ: মাহিয়া মাহি

আরও খবর



বিশ্বের দুর্লভ পাসপোর্টের অধিকারী মাত্র ৫০০ জন!

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ০৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ০৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
আন্তর্জাতিক ডেস্ক

Image

পাসপোর্ট হাতে পাওয়া মানে যেন চোখজুড়ে বিশ্ব ঘুরে দেখার এক সুবর্ণ সুযোগ। পাসপোর্টের মধ্যেও আছে শ্রেণিবিভাগ। যার ওপর নির্ভর করে সুযোগ-সুবিধা। বিশ্বে এমন বিরল পাসপোর্ট রয়েছে যার অধিকারী মাত্র ৫০০ জন। বিস্ময়কর এ তথ্য জানিয়েছে ভারতের সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি।

পাসপোর্টের মাধ্যমেই রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা, কূটনৈতিক সম্পর্ক, অর্থনৈতিক আঞ্চলিক চুক্তির মতো বিষয়গুলো প্রকাশ পায়। বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী পাসপোর্টের মধ্যে অন্যতম হলো জাপানের পাসপোর্ট। দেশটির পাসপোর্টধারীরা ১৯৩টি দেশে ভিসামুক্ত প্রবেশের সুবিধা পেয়ে থাকেন।

তবে বিশ্বের সবচেয়ে দুর্লভ পাসপোর্ট হলো মাল্টার সার্বভৌম সামরিক আদেশের পাসপোর্ট। এ দেশটি জাতিসংঘের পর্যবেক্ষক মর্যাদা এবং সংবিধানসহ সার্বভৌম জাতি হিসেবে স্বীকৃত। এ দেশটির গাড়ির লাইসেন্স, মুদ্রা, পাসপোর্টসহ সবই অনন্যা বৈশিষ্টের।

১৩০০-এর দশকে অর্ডার অব মাল্টা বিদেশি মিশনে আসা কূটনীতিকদের প্রাথমিক পাসপোর্ট ইস্যুকারী দেশ ছিল। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর এ কূটনৈতিক পাসপোর্ট বিবর্তিত হয়। বিশ্বব্যাপী বর্তমানে প্রায় ৫০০ কূটননৈতিক পাসপোর্ট রয়েছে। এ ধরনের পাসপোর্ট অস্তিত্বের প্রতীক এবং বিরলতম পাসপোর্ট হিসেবে পরিচিত। লাল রঙের এ পাসপোর্ট সার্বভৌম কাউন্সিলের সদস্য, কূটনৈতিক মিশনের নেতা ও তাদের পরিবারের জন্য একচেটিয়াভাবে সংরক্ষিত।

দেশটির এক কর্মকর্তা জানান, কূটনৈতিক এ পাসপোর্ট শেনজেন সদস্যদের দুই তৃতীয়াংশ দ্বারা স্বীকৃত। আনুষ্ঠানিক কূটনৈতিক সম্পর্ক ছাড়াও এ আদেশ ফ্রান্স, যুক্তরাজ্য এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রসহ বিভিন্ন দেশের সঙ্গে সম্পৃক্ত।

বর্তমানে মাল্টার সার্বভৌম আদেশ ১২০টি দেশে সক্রিয়ভাবে নিযুক্ত রয়েছে। চিকিৎসা, সামাজিক এবং মানবিক উদ্যোগের মাধ্যমে মাল্টা এসব দেশের সঙ্গে নিজেদের সম্পর্ক প্রসারিত করেছে। যদিও যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য এবং নিউজিল্যান্ডসহ বেশ কিছু দেশে এ পাসপোর্টের স্বীকৃতি মেলেনি। তবে বিশ্বের ১২টি দেশে এ পাসপোর্টের স্বীকৃতি রয়েছে। এর বাইরেও সার্বভৌম সত্ত্বা হিসেবে এ পাসপোর্টকে বিবেচনা করা হয়।


আরও খবর



বাগেরহাটে হাত-পা ও মুখ বেঁধে খাতনা দেওয়ায় শিশুর মৃত্যু

প্রকাশিত:শুক্রবার ০১ মার্চ ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ০১ মার্চ ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
বাগেরহাট প্রতিনিধি

Image

বাগেরহাটের চিতলমারীতে হাত-পা ও মুখ বেঁধে খাতনা দেওয়ায় তিন বছরে শিশু শিহাব শেখের মৃত্যু হয় বলে স্বীকার করে আদালতে জবানবন্দি দিয়েছেন ঘাতক কিশোর হামিম শেখ(১৭)।

বৃহস্পতিবার (২৯ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে তাকে বাগেরহাট আদালতে সোপর্দ করলে সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট মোঃ আছাদুল ইসলাম হামিম শেখকে যশোর কিশোর সংশোধোনাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।

মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা চিতলমারী থানার ওসি তদন্ত মোঃ তরিকুল ইসলাম বলেন, হত্যার দায় স্বীকার করে কিশোর হামিম আদালতে জবানবন্দী দিয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে হামিমের মধ্যে খাতনা দেওয়ার কৌতুহল ছিল। এজন্য সে শিহাবকে বাছাই করে। বাড়িতে কেউ না থাকার সুযোগে শিহাবকে ডেকে ঘরের মধ্যে নিয়ে যায় হামিম। শিহাবের হাত-পা ও মুখ বেঁধে একটি ক্যাচি দিয়ে খাতনা দেওয়ার চেষ্টা করে এবং শিহাবের পুরুষাঙ্গ কেটে ফেলে। এক পর্যায়ে শিশু শিহাব অচেতন হয়ে পড়লে সেখানেই শিহাবের মৃত্যু হয়।

তিনি আরও বলেন, বৃহস্পতিবার বাগেরহাট ২৫০ শয্যা হাসপাতাল মর্গে শিশু শিহাবের মৃতদেহের ময়না তদন্ত সম্পন্ন হয়েছে। কিশোর হামিমকে আদালত কিশোর সংশোধোনাগারে প্রেরণের আদেশ দিয়েছেন।

বুধবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে শিশু শিহাব বাড়ির উঠোনে খেলছিল। হামিম শেখ ডেকে নিয়ে নিজ ঘরের মধ্যে হাত-পা ও মুখ বেঁধে শিশু শিহাবকে হত্যা করে। অনেক খোঁজাখুঁজির পরে না পেয়ে, রাতে মাইকিংও করে স্থানীয়রা। পরবর্তীতে হামিমের ঘর সংলগ্ন শৌচাগারের পাশ থেকে শিশু শিহাবের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। ওই রাতেই পুলিশ অভিযুক্ত হামিম শেখকে আটক করে।

এ ঘটনায় শিশু শিহাবের মা সুমি বেগম বাদী হয়ে কিশোর হামিমকে আসামী করে চিতলমারী থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেছেন। হত্যার শিকার শিশু শিহাব চিতলমারী উপজেলার হিজলা গ্রামের ফরহাদ শেখের ছেলে। অভিযুক্ত কিশোর হামিম শেখ (১৭) একই এলাকার রমজান শেখের ছেলে।


আরও খবর



দেশে ৩০ শতাংশ খাদ্য অপচয় হয়: কৃষিমন্ত্রী

প্রকাশিত:বুধবার ২১ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ২১ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক

Image

বাংলাদেশে ফসল সংগ্রহের পর বিভিন্ন পর্যায়ে প্রায় ৩০ শতাংশ ফসল ও খাদ্য নষ্ট এবং অপচয় হয় বলে জানিয়েছেন কৃষিমন্ত্রী ড. মো. আব্দুস শহীদ।

তিনি বলেন, খাদ্য নিরাপত্তার ক্ষেত্রে এটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ। খাদ্য নষ্ট ও অপচয়ের পরিমাণ কমাতে পারলে আমাদের খাদ্য নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও শক্তিশালী হবে।

বুধবার (২১ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে শ্রীলঙ্কার রাজধানী কলম্বোতে জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থার (এফএও) ৩৭তম এশিয়া ও প্যাসিফিক আঞ্চলিক সম্মেলনে খাদ্য ও পানি সংরক্ষণ এবং খাদ্য অপচয়রোধ শীর্ষক সেশনে এসব কথা বলেন কৃষিমন্ত্রী।

আব্দুস শহীদ বলেন, কৃষিতে বর্তমান সরকারের এখন অগ্রাধিকার হলো ফসলের সংগ্রোত্তর নষ্ট ও অপচয়ের বিশাল পরিমাণ কমিয়ে আনা। সেলক্ষ্যে সরকার ৫০-৭০ শতাংশ ভর্তুকিতে কৃষকদের কৃষিযন্ত্র দিয়ে যাচ্ছে এবং বহুমুখী হিমাগার নির্মাণ, বহুফসলের সমন্বিত সংরক্ষণাগার নির্মাণ ও শাকসবজি পরিবহনে রেফ্রিজারেটেড ভেহিকল প্রদানের উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। কৃষি প্রক্রিয়াজাতকরণে গুরুত্বারোপ করা হচ্ছে।

তিনি বলেন, খাদ্য নষ্ট ও অপচয়ের পরিমাণ কমাতে ফসল তোলা, মাড়াই, পরিবহণ ও সংরক্ষণে বিশাল বিনিয়োগ প্রয়োজন। সরকার গুরুত্ব দিয়ে কাজ করছে; তারপরও এসব খাতে বেসরকারি ও বিদেশি বিশাল বিনিয়োগ প্রয়োজন। আমরা এখন সরকারি-বেসরকারি অংশীদারিত্বে (পিপিপি) অগ্রাধিকার দিচ্ছি। বিদেশি বিনিয়োগ আনার বিষয়ে এফএও সহযোগিতা করতে পারে। অনুষ্ঠানে কৃষি মন্ত্রণালয়ের যুগ্মসচিব মো: মাহমুদুর রহমান এবং এফএওর বাংলাদেশ প্রতিনিধি জিয়াওকুন শি উপস্থিত ছিলেন।

এর আগে সকালে মন্ত্রী ২১ শে ফেব্রুয়ারি মহান শহীদ দিবস এবং আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে কলম্বোর ইন্ডিপেনডেন্স স্কয়ারে বাংলাদেশ হাই কমিশন, শ্রীলঙ্কা এবং শ্রীলঙ্কার শিক্ষা মন্ত্রণালয় আয়োজিত অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন।


আরও খবর



রোজার আগে চিনির দাম বেড়েছে কেজিতে ২০ টাকা

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ২২ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ২২ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক

Image

কেজিতে ২০ টাকা বাড়িয়ে সরকারি মিলের চিনির সর্বোচ্চ খুচরা মূল্য ১৬০ টাকা নির্ধারণ করেছে চিনি ও খাদ্য শিল্প কর্পোরেশন (বিএসএফআইসি)।

আজ বৃহস্পতিবার (২২ ফেব্রুয়ারি) এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানায় সংস্থাটি।

এতে বলা হয়, আন্তর্জাতিক ও দেশীয় চিনির বাজার মূল্যের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে বিএসএফআইসি কর্তৃক উৎপাদিত চিনির বিক্রয়মূল্য পুনর্নির্ধারণ করা হয়েছে। বাজারে রোজা উপলক্ষে চিনির বাজার নিয়ন্ত্রণে সরকারের সহযোগিতা প্রয়োজন।

এখন থেকে করপোরেশনের ৫০ কেজি বস্তাজাত চিনির মিলগেটে বিক্রয়মূল্য ১৫০ টাকা (এক কেজি) ও ডিলার পর্যায়ে বিক্রয়মূল্য ১৫৭ টাকা (এক কেজি) নির্ধারণ করা হয়েছে।

এ ছাড়া করপোরেশনের ১ কেজি প্যাকেটজাত চিনির মিলগেট বা করপোরেট সুপারশপ বিক্রয়মূল্য ১৫৫ টাকা ও বিভিন্ন সুপারশপ, চিনি শিল্প ভবনের বেজমেন্টে ও বাজারে সর্বোচ্চ খুচরা বিক্রয়মূল্য ১৬০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। বাজারে সরকারি চিনির নামে মোড়কজাত করে চড়া দামে বিক্রি করছে কিছু প্রতিষ্ঠান। সবশেষ কেজিপ্রতি ১৪০ টাকা চিনির মূল্য নির্ধারণ করে সংস্থাটি।


আরও খবর



পিপিপির সঙ্গে জোট করবেন ইমরান খান!

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ১৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ১৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
আন্তর্জাতিক ডেস্ক

Image

পাকিস্তান পিপলস পার্টির সঙ্গে জোট গঠনের ইঙ্গিত দিয়েছেন দেশটির সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান। রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বিদের সঙ্গে জোট গঠন না করার ব্যাপারে অনঢ় থাকলেও পিটিআই প্রতিষ্ঠাতা কিছুটা নরম হয়েছেন বলে জানা গেছে। পার্টির সূত্রে এমনটাই দাবি করেছে দেশটির সংবাদমাধ্যম জিও নিউজ।

গত বৃহস্পতিবার পাকিস্তানে সাধারণ পরিষদের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। ৬০ ঘণ্টা পর প্রকাশিত ফলে দেখা যায়, স্বতন্ত্র প্রার্থীরা পেয়েছেন ১০২টি আসন, পাকিস্তান মুসলিম লিগ-নওয়াজ (পিএমএল-এন) ৭৪টি এবং পাকিস্তান পিপলস পার্টি (পিপিপি) ৫৪টি। এ ছাড়া মুত্তাহিদা কওমি মুভমেন্ট পাকিস্তান (এমকিউএম) ১৭ আসনে জয়ী হয়েছে। অন্য দলগুলো পেয়েছে ১৭টি আসন। পাকিস্তানে সরকার গঠনের জন্য প্রয়োজন ১৩৪ আসন। কিন্তু কোনো দলই এই সংখ্যায় না পৌঁছানোয় এখন জোট সরকার গঠন করেন দেশটির রাজনীতিবিদরা।

সর্বোচ্চ আসন পেলেও নওয়াজ শরীফের পিএমএল-এন বা বিলাওয়াল ভুট্টর পিপিপির মতো প্রতিদ্বন্দ্বির সঙ্গে জোট না করে বিরোধী দলে থাকার পরিকল্পনা ছিল ইমরান খানের। তবে জিও নিউজ জানিয়েছে এখন পিপিপির সঙ্গে আলোচনা করে সরকার গঠনে প্রস্তুত ইমরান খান।

ওই সূত্র জানায়, ‍দুই রাজনৈতিক দলের সম্পর্ক সামনে এগিয়ে নিতে প্রস্তুত নেতারা। এ ছাড়া জমিয়াত উলেমা ই-আসলাম-ফজল, আওয়ামী ন্যাশনাল পার্টি, জামায়াতে ইসলামীসহ অন্যান্য দলগুলোর সঙ্গেও আলোচনার করতে চায় পিটিআই।

তবে পিটিআইয়ের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে পিপিপির সঙ্গে জোট গঠনের দাবি প্রত্যাখ্যান করা হয়েছে। দলটির নেতা ব্যারিস্টার মুহাম্মদ আলি সাইফ বলেন, ইমরান খান এমন আলোচনায় অংশ না নেওয়ার জন্য কঠোর নির্দেশনা দিয়েছেন।

দুইদিন আগে পিপিপির কো-চেয়ারম্যান আসিফ আলি জারদারিও পিটিআইয়ের সঙ্গে আলোচনার আগ্রহ প্রকাশ করেছিলেন। তিনি বলেন, আমরা চাই রাজনৈতিক সংস্কার প্রক্রিয়াতে পিটিআিই যুক্ত থাকুক। প্রত্যেকটি রাজনৈতিক শক্তিকেই যুক্ত থাকা উচিত।

মঙ্গলবার তিনি বলেছিলেন, আমরা অর্থনৈতিক, সামরিকসহ অন্যান্য ইস্যুতে একসঙ্গে কাজ করতে চাই। তাহলেই পাকিস্তান ও এর জনগণে সাফল্য আসবে।


আরও খবর