আজঃ বৃহস্পতিবার ১৯ মে ২০২২
শিরোনাম

চকলেটের প্রলোভন দেখিয়ে শিশুকে ধর্ষণ

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ১২ মে ২০২২ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ১২ মে ২০২২ | ৩৭৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডের ভাটিয়ারী ইউনিয়নে চকলেটের প্রলোভন দেখিয়ে সাড়ে ৪ বছরের শিশুকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে উঠেছে। বুধবার (১১ মে) বিকালে কদমরসুল এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

ঘটনায় পরপরই অভিযুক্ত আবদুল কুদ্দুস লিটনকে স্থানীয়রা আটক করে রাত সোয়া ৯টার দিকে সীতাকুণ্ড থানায় হস্তান্তর করে।

আটক ব্যক্তির নাম আবদুল কুদ্দুস লিটন (৩০)। তিনি নোয়াখালী জেলা সেনবাগ থানার শামসুল হকের ছেলে। লিটন ভাটিয়ারী ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডের কদমরসুল এলাকার আমিন কোম্পানির ভাড়া বাসায় পরিবার নিয়ে বসবাস করেন।

থানা ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, অভিযুক্ত লিটন একটি শীপ ব্রেকিং ইয়ার্ডে বাবুর্চির কাজ করেন। ঈদে তার স্ত্রী গ্রামের বাড়িতে যান। বুধবার (১১ মে) বিকালে পাশের বাসার সাড়ে ৪ বছরের শিশুকে চকলেটের প্রলোভন দেখিয়ে বাসায় ডেকে নিয়ে যান। বাসায় ধর্ষণের চেষ্টা করলে ওই শিশুর চিৎকার শুনে আশপাশে মানুষ ছুটে আসেন। তখন লিটনকে আটক করেন স্থানীয়রা।

সীতাকুণ্ড মডেল থানার পরিদর্শক (তদন্ত) সুমন বনিক বলেন, সাড়ে ৪ বছরের শিশুকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে এক যুবককে স্থানীয়রা আটক করেন। রাত সোয়া ৯টার দিকে থানায় হস্তান্তর করেন। এ ঘটনায় থানায় মামলা প্রক্রিয়াধীন। 

নিউজ ট্যাগ: শিশুকে ধর্ষণ

আরও খবর



শত বছরে উল্লাপাড়ার সলপের ঘোল, যাচ্ছে বিদেশেও

প্রকাশিত:বুধবার ২০ এপ্রিল ২০22 | হালনাগাদ:বুধবার ২০ এপ্রিল ২০22 | ৬৯৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

বুধবার (৭ বৈশাখ) সলপের ঐতিহ্যবাহী ঘোলের প্রতিষ্ঠার শত বছর পূর্ণ হলো। এই ঘোলের চাহিদাও বেড়েছে অনেক। দেশের সীমানা পেরিয়ে সলপের ঘোল এখন বিদেশেও যাচ্ছে। সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়া উপজেলা সদর থেকে ৬ কিলোমিটার পূর্বে সলপ রেলওয়ে ষ্টেশনের পাশে বাংলা ১৩২৯ সালের (ইংরেজি ১৯২২) ৭ বৈশাখ এই বিশেষ ঘোল তৈরির সূচনা করেন বেতবাড়ি গ্রামের সাদেক আলী খান। সলপের তদানীন্তন প্রভাবশালী জমিদাররা এই ঘোল তৈরিতে পৃষ্ঠপোষকতা করেন। সাদেক আলী খানের নাতি আব্দুল মালেক তার ছোট ভাই আব্দুল খালেককে সঙ্গে নিয়ে পূর্বসুরিদের হাত ধরে নেমেছেন ঘোলের ব্যবসায়। ধরে রেখেছেন এর প্রাচীন ঐতিহ্য। দু'টি কারখানায় এখন প্রতিদিন তাদের ১৩০ থেকে ১৫০ মণ ঘোল ও মাঠা তৈরি হয়ে থাকে। অন্তত ৪০ জন কর্মচারী কারখানায় ঘোল, মাঠা, তৈরির কাজ করেন। রমজান মাসে এই ঘোলের চাহিদা প্রতি বছর বেড়ে যায় দ্বিগুণ।

সলপ ষ্টেশনে ঘোলের দোকানে গেলে প্রয়াত সাদেক আলী খান তার দাদার উদ্ধৃতি দিয়ে এই ঘোলের জন্মলগ্নের কাহিনী শোনান। আব্দুল মালেক জানান, সলপের জমিদারদের অনুপ্রেরণা ও সহায়তায় তার দাদা বাংলা ১৩২৯ সালে সলপ ষ্টেশনের পাশে গড়ে তোলেন ঘোল তৈরির কারখানা। ওই সময়ে প্রথমে সাদেক আলী রাজশাহীতে একটি মিষ্টির দোকানের এক কারিগরের কাছে ঘোল তৈরির প্রশিক্ষণ নেন। পরে সলপে ফিরে এসে ৭ বৈশাখ শুরু করেন ঘোল তৈরি। শুরুতে ৮ থেকে ১০ মণ করে ঘোল উৎপাদন করা হতো। প্রতিষ্ঠালগ্নে তাদের উৎপাদিত ঘোলের বেশিরভাগ অংশ কিনে নিতেন সলপ জমিদার পরিবারের লোকজন। জমিদাররা সে সময় এই ঘোল ট্রেনযোগে কলকাতায় তাদের স্বজনদের কাছে নিয়মিত পাঠাতেন।

মালেক জানান, সাদেক আলী খানের মৃত্যুর পর তার চার ছেলে আনছার আলী, আব্দুস সোবহান, আব্দুল মান্নান ও তহেজ উদ্দিন ঘোলের ব্যবসায় আসেন। তাদের মৃত্যুর পর আব্দুল মান্নানের ছেলে হিসেবে মালেক ও তার ভাই খালেক ব্যবসার হাল ধরেন। বস্তুত মালেকরাই এখন এই ঘোলের খ্যাতি দেশে ও দেশের বাইরে ছড়িয়ে দিয়েছেন। আব্দুল মালেক আরও জানান, সলপের ঘোল এখন এই নামেই দেশের বিভিন্ন স্থানে বিক্রি হচ্ছে। ময়মনসিংহের ভালুকায় মো. লালন, ঢাকার সাভারে বেলাল হোসেন, কমলাপুরে জায়েদ হোসেন ও আমির হোসেন, গুলশানে আব্দুল লতিফ মিয়া, ঢাকা বিমান বন্দরে আব্দুর রাজ্জাকসহ দেশের দক্ষিণাঞ্চলেও বেশ কয়েকজন ঘোল ব্যবসায়ী সলপ থেকে পাঠানো ঘোল 'সলপের ঘোল' নামেই বিক্রি করছেন। প্লাস্টিকের বড় পাত্রে করে এসব ঘোল ট্রেনযোগে প্রতিদিন উল্লিখিত স্থানগুলোতে পাঠানো হয়। পাত্রে ওঠানোর পর ১০ ঘণ্টা পর্যন্ত ঘোল ভালো থাকে। শীতলীকরণের (ফ্রিজিং) মাধ্যমে সলপের ঘোল করোনা অতিমারির আগে এলাকার লোকজন ভারত, সৌদি আরব ও মালয়েশিয়াতে তাদের স্বজনদের কাছে পাঠিয়েছেন। করোনা পরিস্থিতি আরও ভালো হলে আবারও এই ঘোল দেশের বাইরে যাবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন মালেক। তিনি বলেন, যেকোনো মূল্যে তারা সলপের ঘোলের খ্যাতি ও ঐতিহ্য অক্ষুণ্ন রাখতে চান।

যেভাবে তৈরি হয় ঘোল: আব্দুল মালেক বিশেষ এই ঘোল তৈরির ব্যাপারে বলেন, দুধ কিনে সসপেনে করে ৭-৮ ঘণ্টা ধরে ভালোভাবে জ্বাল দিতে হয়। এরপর ছোট ছোট বিভিন্ন পাত্রে ঘন দুধ ঢেলে ঠান্ডা হবার জন্য রাতভর রেখে দিতে হয়। পরদিন ভোর থেকে এসব পাত্রে কিছু পরিমান পানি মিশিয়ে বাঁশের তৈরি চড়কি রশির সাহায্যে বিশেষ কৌশলে টেনে ঘোরানো হয়। কখনো একা আবার কখনো দু'জন মিলেও ঘোরানো হয়। কয়েক দফা ঘোরানোর পর তৈরি হয় এই ঘোল। এখন ঘোল তৈরিতে বৈদ্যুতিক যন্ত্রও তারা ব্যবহার করেন। স্থানীয় বাজারগুলো ছাড়াও শাহজাদপুর ও মোহনপুরের বিভিন্ন গরুর খামার থেকে প্রতিদিন দুধ সংগ্রহ করা হয়। প্রতিদিন ১৩০ থেকে ১৫০ মণ দুধ প্রয়োজন হয় তাদের। রমজানে ঘোলের চাহিদা বাড়ায় ২শ' মণ পর্যন্ত দুধ কিনতে হয়। ঘোল বিক্রি করা হয় ৬০ টাকা থেকে ৬৫ টাকা লিটার দরে। একই সঙ্গে মাঠা (সাদা রঙ্গের ননীযুক্ত উন্নত ঘোল) বিক্রি হয় ৭০ টাকা থেকে ৮০ টাকা লিটার। মালেক ও খালেক ছাড়াও সলপ এলাকায় আরও কয়েকজন এই ঘোল বিক্রির কাজে নেমেছেন।

সলপে ঘোলের দোকানে গিয়ে দেখা যায় প্লাস্টিকের বোতল ও বড় ক্যান নিয়ে পাশের বেলকুচি, শাহজাদপুর, কামারখন্দ উপজেলা এবং সিরাজগঞ্জ, নাটোর ও পাবনার কাশিনাথপুর থেকে অনেক মানুষ ঘোল কিনতে এসেছেন। কথা হয় কাশিনাথপুরের ঘোল ক্রেতা আব্দুস সালামের সঙ্গে। তিনি বলেন, সলপের ঘোল খুবই উন্নত। রমজান মাসে তার পরিবারের জন্য অন্তত দেড় মণ ঘোল তিনি ৩-৪ দফায় কিনে নিয়ে যান। ফ্রিজে রেখে তারা এই ঘোল খেয়ে থাকেন। সিরাজগঞ্জের আব্দুস সাত্তার ২৫ কেজি ঘোল কিনেছেন। তিনি বললেন, স্বাদে মানে সলপের ঘোলের এখনও তুলনা নেই।

সলপে পঞ্চক্রোশী আলী আহম্মেদ উচ্চ বিদ্যালয়ের সাবেক প্রধান শিক্ষক সলপ ষ্টেশনের পাশের বাসিন্দা হাবিবুজ্জামান জানান, শত বছরে পা দিয়েছে সলপের ঘোল। এখনও সুখ্যাতি রয়েছে এই ঘোলের। প্রতি বছর বৈশাখ মাসের প্রথম সপ্তাহে সলপ রেলওয়ে ষ্টেশন চত্বরে ঘোল উৎসবের আয়োজন করা হয়। সিরাজগঞ্জের স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন প্রভাতী সংঘ এই উৎসব আয়োজনে সহযোগিতা দিয়ে থাকে। উৎসবের দিন আব্দুল মালেক ও আব্দুল খালেক দেড় শতাধিক অতিথিকে ঘোল, চিড়া, মুড়ি-মুড়কি দিয়ে আপ্যায়ন করে থাকেন। করোনার কারণে গেল ২ বছর ঘোল উৎসব হয়নি।

প্রভাতী সংঘের সভাপতি অধ্যক্ষ আব্দুল আজিজ সরকার জানান, এ বছর সলপের ঘোলের একশত বছর পূর্ণ হচ্ছে। এজন্য তাদের ঘোল উৎসবের আয়োজন হবে অনেক বড় আকারের। রমজান মাসের কারণে ঘোলের একশ বছর পূর্তি উৎসব সময়মতো করা সম্ভব হচ্ছে না। ঈদের পরে সুবিধামতো সময়ে এই পূর্তি উৎসবের আয়োজন করা হবে।


আরও খবর
সম্ভাবনার সেন্টমার্টিন

বুধবার ১১ মে ২০২২




মাদারীপুরে কিশোর গ্যাংয়ের সংঘর্ষে শিক্ষকসহ আহত ৮

প্রকাশিত:সোমবার ১৬ মে ২০২২ | হালনাগাদ:সোমবার ১৬ মে ২০২২ | ২৭৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

মাদারীপুরে কিশোর গ্যাংয়ের দুইপক্ষের সংঘর্ষে সরকারি বিদ্যালয়ের শিক্ষকসহ আহত হয়েছেন অন্তত আটজন। রবিবার রাত সাড়ে ৯টার দিকে শহরের তরমুগরিয়া এলাকার ইউআই সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের সামনে এ ঘটনা ঘটে।

আহতরা হলেন-ইউআই সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের চারুকলা বিভাগের শিক্ষক সজল সূত্রধর, ইটেরপুল এলাকার আরিফ ফকিরের ছেলে নয়ন ফকির, আমিরাবাদ এলাকার বাবুল তালুকদারের ছেলে রাকিব তালুকদার, লতিফ সরদারের ছেলে আশিক সরদার ও হাজিরহাওলা এলাকার ইয়াকুব হাওলাদারের ছেলে রাসেল হাওলাদার। বাকিদের নাম তাৎক্ষণিক পাওয়া যায়নি।

পুলিশ ও স্থানীয়রা জানান, কলেজ রোড এলাকার হাসান মাদবরের সাথে আমিরাবাদ এলাকার রাকিব তালুকদারের সাথে সিনিয়র-জুনিয়র নিয়ে কথা কাটাকাটি হয়। এরই জেরে রাতে হাসান বন্ধুদের সহযোগিতায় দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র তরমুগরিয়া এলাকার ইউআই সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের সামনে হামলা চালায়।

এ খবর ছড়িয়ে পড়লে হাসান ও রাকিবদের গ্রুপ সংঘর্ষে জড়ায়। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে পুলিশ। সংঘর্ষে ইউআই সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের চারুকলা বিভাগের শিক্ষক সজল সূত্রধরসহ আহত হন অন্তত আটজন। তাদের উদ্ধার করে জেলা সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তাদের মধ্যে একজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানিয়েছেন চিকিৎসক।

মাদারীপুরে জেলা সদর হাসপাতালের মেডিকেল অফিসার মশিউর রহমান জানান, আহতদের সবাইকে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে ভর্তি করা হয়েছে। তাদের মধ্যে একজন গুরুতর।

মাদারীপুর সদর মডেল থানার ওসি মো. কামরুল ইসলাম জানান, এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে। অভিযোগ পেলে নেওয়া হবে আইনগত ব্যবস্থা।

নিউজ ট্যাগ: কিশোর গ্যাংয়

আরও খবর



শ্রীলঙ্কায় একরাতেই জ্বলেছিল ৩৩ এমপির বাড়ি

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ১২ মে ২০২২ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ১২ মে ২০২২ | ৩০৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

শ্রীলঙ্কায় স্বাধীনতা-উত্তর সবচেয়ে ভয়াবহ অর্থনৈতিক সংকটের জেরে জনগণের তোপের মুখে পড়েছে দেশটির সরকার। প্রেসিডেন্ট-প্রধানমন্ত্রী তো বটেই, জনরোষ থেকে ছাড় পাচ্ছেন না লঙ্কান মন্ত্রী, এমপি, উচ্চপদস্থ সরকারি কর্মকর্তারাও। পথ আটকে তাদের ওপর যেমন শারীরিক আক্রমণের ঘটনা ঘটেছে, তেমনি আগুন লাগানো হয়েছে অর্ধশতাধিক নেতার বাড়িগাড়িতে। এর মধ্যে একরাতেই বিক্ষোভের আগুনে পুড়েছে শ্রীলঙ্কার অন্তত ৩৩ সংসদ সদস্যের বাসভবন।

স্থানীয় সংবাদমাধ্যমের তথ্যমতে, গত সোমবার (৯ মে) রাতে শাসক দলীয় নেতাদের অন্তত ৩৩টি বাড়িতে অগ্নিসংযোগ করা হয়েছে। নেতাদের সঙ্গে যোগসূত্র রয়েছে অভিযোগে বেশ কিছু বেসরকারি সম্পত্তিতেও হামলা চালানো হয়েছে। দ্বীপরাষ্ট্রটিতে বেছে বেছে ক্ষমতাধর ব্যক্তিদের বাড়ি-গাড়িতে হামলা চালাচ্ছে ক্রুদ্ধ জনতা।

জানা গেছে, সদ্য পদত্যাগকারী লঙ্কান প্রধানমন্ত্রী মাহিন্দা রাজাপাকসের মেদামুলনায় অবস্থিত পৈতৃক বাড়ি এবং কুরুনেগালায় অবস্থিত বাসভবনে আগুন দিয়েছে বিক্ষোভকারীরা। একই ঘটনা ঘটেছে ক্ষমতাসীন দল শ্রীলঙ্কা পোদুজানা পেরামুনার (এসএলপিপি) সংসদ সদস্য সনাথ নিশান্ত, জনক থিসা কুট্টিয়ারচ্চি, রোহিতা আবেগুনাবর্ধনে, আনুশা পাসকুয়াল, প্রসন্ন রানাতুঙ্গা, রমেশ পাথিরানা, শান্ত বান্দারা, কনাকা হেরাথ, অরুন্দিকা ফার্নান্দো, গামিনী লোকুগে, শেহান সেমাসিংহ, মহিপাল হেরাথ, প্রসন্ন রানাতুঙ্গা, ট্রেভিন ফার্নান্দো, বান্দুলা গুণবর্ধনে, রেণুকা পেরেরা, কেহেলিয়া রামবুকওয়েলা, কাঞ্চনা বিজেসেকারা, সিরিপাল গামলাথ, রোশন রানাসিংহ, নালাকা গোদাহেওয়া, ডুমিন্ডা দিসানায়েক ও আলী সাবরি রহিমের বাসভবনে।

এসএলপিপির আরেক এমপি জনস্টন ফার্নান্দোর মালিকানাধীন দুটি বাড়ি, একটি কারখানা ও একটি মদের দোকানে আগুন দিয়েছে বিক্ষোভকারীরা। সরকার দলীয় এমপি নিমল লাঞ্জার বাড়ির পাশাপাশি তার ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানেও হামলা চালানো হয়েছে। অগ্নিসংযোগ করা হয়েছে কুরুনেগালার মেয়র থুশারা সঞ্জিওয়া এবং মোরাতুয়ার মেয়র সমন লালের বাসভবনে। এর আগে, শ্রীলঙ্কায় এক এমপির অস্বাভাবিক মৃত্যু হয়েছে, বিক্ষোভকারীদের আক্রমণে আহত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন আরেকজন।

লঙ্কান পুলিশ জানিয়েছে, বিক্ষোভকারীরা কলম্বো উপকণ্ঠে সরকার দলীয় এমপি অমরাকীর্তি আথুকোরালার গাড়িতে হামলা চালালে তিনি দুজনকে গুলি করেন। এতে একজন মারা যান। এরপর সরকারবিরোধী বিক্ষোভকারীরা তাকে ঘিরে ধরেন। পরে নিজের পিস্তল দিয়ে আত্মহত্যা করেন ওই সংসদ সদস্য। এছাড়া সোমবার রাতে হোমগমার মহাকুম্বুরা এলাকায় সংসদ সদস্য কুমারা ওয়েল্গামার গাড়িতে হামলা চালায় একদল বিক্ষোভকারী। এসময় তিনি গাড়ির ভেতরেই ছিলেন। এ ঘটনায় আহত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হন ওই এমপি। শ্রীলঙ্কায় রাজনৈতিক নেতাদের পাশাপাশি হামলার শিকার হচ্ছেন সরকারি কর্মকর্তারাও। এরই মধ্যে লঙ্কান পুলিশের সিনিয়র ডেপুটি ইন্সপেক্টর জেনারেল (এসডিআইজি) দেশবন্ধু টেন্নাকুনকে মারধরের ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে।

জানা গেছে, গত মঙ্গলবার কলম্বোর গঙ্গারাম এলাকার কাছে এসডিআইজি দেশবন্ধুর গাড়ি ঘিরে ধরে একদল বিক্ষোভকারী। পরে তাকে গাড়ি থেকে নামিয়ে মারধর করা হয়। এসময় পরিস্থিতি সামলাতে ফাঁকা গুলি ছোড়ে পুলিশ। এ ঘটনার একদিন আগেই এক এমপির পাশে দেখা গিয়েছিল দেশবন্ধুকে। চলমান বিক্ষোভ-সহিংসতার মধ্যে শ্রীলঙ্কার সংসদ সদস্যরা যেন দেশ ছেড়ে পালাতে না পারেন, সেজন্য মঙ্গলবার দেশটির প্রধান বিমানবন্দর অবরোধ করেছিল সরকারবিরোধী বিক্ষোভকারীরা। এদিন কাতুনায়েকে অবস্থিত বন্দরনায়েক আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের প্রবেশদ্বারে গাড়ি রেখে অবস্থান নেয় একদল তরুণ।

এর কয়েক ঘণ্টা পরেই সহিংসতাকারীদের দেখামাত্র গুলির নির্দেশ দেয় রাজাপাকসে সরকার। মঙ্গলবার সন্ধ্যায় এক বিবৃতিতে লঙ্কান প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানায়, কাউকে সরকারি সম্পত্তি লুটপাট বা মানবজীবনের ক্ষতি করতে দেখলে নিরাপত্তা বাহিনীকে গুলি করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। শ্রীলঙ্কায় ব্যাপক বিক্ষোভ-সহিংসতায় সোমবার থেকে এ পর্যন্ত প্রাণ হারিয়েছেন অন্তত আটজন, আহত হয়েছেন ২২০ জন। দেশটিতে কারফিউয়ের মেয়াদ বৃহস্পতিবার স্থানীয় সময় সকাল ৭টা পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে।

নিউজ ট্যাগ: শ্রীলঙ্কা

আরও খবর



নিউমার্কেট এলাকায় যান চলাচল স্বাভাবিক, বন্ধ দোকানপাট

প্রকাশিত:বুধবার ২০ এপ্রিল ২০22 | হালনাগাদ:বুধবার ২০ এপ্রিল ২০22 | ৪৫৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

গতকাল রাতে নিউমার্কেট এলাকায় যান চলাচল স্বাভাবিক না থাকলেও আজ সকাল থেকে যানবাহন চলতে দেখা যায়। তবে নিউমার্কেটের কোনো দোকানপাট খুলতে দেখা যায়নি।বুধবার (২০ এপ্রিল) সকালে নিউমার্কেট এলাকায় সরেজমিনে গিয়ে এসব চিত্র দেখা গেছে।

জানা গেছে, গতকাল রাতে ব্যবসায়ী এবং ঢাকা কলেজের শিক্ষার্থীদের মধ্যে কয়েক দফা বৈঠক হয়। বৈঠকের পরও সকাল দশটার পর নিউমার্কেট খুললে হামলা করার হুমকি দেন শিক্ষার্থীরা। ওই সময় শিক্ষার্থীরা বলেন, সকাল দশটার পর আমরা দেখব নিউ মার্কেটের ব্যবসায়ীরা কীভাবে দোকানপাট খোলে।

এদিকে আজ সকালে বৃষ্টির পর ঢাকা কলেজের শিক্ষার্থী ও ব্যবসায়ীদের রাস্তায় অবস্থান করতে দেখা যায়নি। সরেজমিনে দেখা যায়, সকাল থেকেই এই এলাকায় যান চলাচল স্বাভাবিক রয়েছে।

সকালে নিউমার্কেটে এসে হকার্স ব্যবসায়ী নাহিদ মিয়া বলেন, মার্কেট কর্তৃপক্ষ আমাদের নির্দেশনা দিয়েছে দোকানপাট খোলা যাবে না। পরিবেশ পরিস্থিতি বুঝতে এসেছি।

নিউমার্কেটে দুই নম্বর গেটের সামনের হকার্স ব্যবসায়ী রাজু বলেন, দোকানপাট খোলার এখনো নির্দেশনা পায়নি। পুলিশ বলছে, দোকানপাট বন্ধ রাখতে। দেখি মার্কেট কমিটি কী বলে। সকালে কেন এসেছেন, জানতে চাইলে তিনি বলেন, পরিবেশ বুঝতে এসেছি।

নিউমার্কেটের দুই নম্বর গেটের সামনের আরেক দোকানদার বলেন, নিউমার্কেটের ভেতরে আমাদের প্রবেশ করতে দেওয়া হচ্ছে না। সকালে এসেছি, সামনে ঈদ, ব্যবসা না করলে আমরা চলব কীভাবে। দোকানপাট খোলার কোনো পরিবেশ তৈরি হয়েছে কি না দেখতে এলাম।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে রমনা বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার (ডিসি) সাজ্জাদ বলেন, কাল বিকাল থেকে পরিবেশ পুলিশের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। আমরা ব্যবসায়ীদের সঙ্গে কথা বলছি দোকানপাট খোলার সার্বিক বিষয়ে এখনো সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি। তবে ঢাকা কলেজের শিক্ষার্থী ও ব্যবসায়ীদের মধ্যে আলোচনা চলছে। বিস্তারিত পরে জানানো যাবে।


আরও খবর



বঙ্গবন্ধু সেতুতে একদিনে টোল আদায় ৩ কোটি ১৮ লাখ টাকা

প্রকাশিত:শনিবার ৩০ এপ্রিল ২০২২ | হালনাগাদ:শনিবার ৩০ এপ্রিল ২০২২ | ৪৭৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

বঙ্গবন্ধু সেতু দিয়ে গত ২৪ ঘণ্টায় ৪২ হাজার ১৯৯টি যানবাহন পারাপার হয়েছে। এতে টোল আদায় হয়েছে তিন কোটি ১৮ লাখ ৮ হাজার টাকা। শনিবার (৩০ এপ্রিল) সেতুটির নির্বাহী প্রকৌশলী আহসান মাসুদ বাপ্পী এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

জানা গেছে, শুক্রবার (২৯ এপ্রিল) সকাল ৬টা থেকে শনিবার (৩০ এপ্রিল) ভোর ৬টা পর্যন্ত বাস, ট্রাক, পিকআপভ্যান, মিনি ট্রাকসহ বিভিন্ন যানবাহন ওই সেতু দিয়ে পারাপার হয়েছে। এর মধ্যে বঙ্গবন্ধু সেতু পূর্ব টোলপ্লাজায় যানবাহন পারাপার হয়েছে ২৫ হাজার ৭৮১টি এবং টোল আদায় হয়েছে এক কোটি ৭৭ লাখ ২৯ হাজার ৫০ টাকা। এ ছাড়া সেতুর পশ্চিম টোলপ্লাজায় ১৬ হাজার ৪১৮টি এবং টোল আদায় হয়েছে এক কোটি ৪৭ লাখ ৮৯ হাজার ৫০ টাকা।

এদিকে, ঢাকা-টাঙ্গাইল-বঙ্গবন্ধু সেতু মহাসড়কে গাড়ির চাপ ধীরে ধীরে বাড়ছে। সেতুর পূর্ব ও পশ্চিম পাড়ে টোলপ্লাজার উভয় পাশে ১৮টি পয়েন্টে টোল আদায় করা হচ্ছে। সড়কে যাতে যানজটের সৃষ্টি না হয় সে লক্ষ্যে এ ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে সেতু কর্তৃপক্ষ।

এলেঙ্গা পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ আতাউর রহমান বলেন, মহাসড়কে যানজট নেই। স্বাভাবিক গতিতেই যানবাহন চলাচল করছে। প্রসঙ্গত, বঙ্গবন্ধু সেতু চালু হওয়ার পর গত ঈদে সর্বোচ্চ ৫২ হাজার ৭৬৮টি যানবাহন পারাপার হয়। যা এ যাবৎকালে সর্বোচ্চ যানবাহন পারাপারের রেকর্ড।


আরও খবর