আজঃ রবিবার ২১ জুলাই ২০২৪
শিরোনাম

চট্টগ্রামে বিআরটিএ’র অভিযানে ৬১ হাজার টাকা জরিমানা

প্রকাশিত:শনিবার ২২ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ২২ জুন ২০২৪ | পত্রিকায় প্রকাশিত
রাহুল সরকার, চট্টগ্রাম ব্যুরো

Image

চট্টগ্রামে ফিটনেস, রুট পারমিটবিহীন অবৈধ যানবাহনের বিরুদ্ধে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে অভিযান চালিয়েছে বাংলাদেশ রোড ট্রান্সপোর্ট অথরিটি (বিআরটিএ)। অভিযানে পাঁচটি গাড়িকে ৬১ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। পাশাপাশি ফিটনেস, ট্যাক্স টোকেন, রুট পারমিট দীর্ঘদিন হালনাগাদ না করায় তিনটি ডাম্পার ট্রাককে ডাম্পিং করা হয়।

শনিবার (২২ জুন) সকালে নগরীর হালিশহর থানার নয়াবাজার বিশ্বরোড এলাকায় এই অভিযানে নেতৃত্ব দেন বিআরটিএ ভ্রাম্যমাণ আদালত-১২ এর নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মিশকাতুল তামান্না।

এসময় অভিযানে উপস্থিত ছিলেন বিআরটিএ চট্টমেট্রো সার্কেল-২ এর মোটরযান পরিদর্শক শাহাদাত হোসেন চৌধুরী। তিনি বলেন, বিআরটিএ চেয়ারম্যানের নির্দেশে সারাদেশে অবৈধ ও ডকুমেন্ট হালনাগাদ না করার যানবাহনের বিরুদ্ধে অভিযান চলছে। তারই ধারাবাহিকতায় আজ হালিশহর নয়াবাজার বিশ্বরোড এলাকায় অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট পাঁচটি গাড়িকে ৬১ হাজার টাকা জরিমানা করেন। তাছাড়াও ফিটনেস, ট্যাক্স টোকেন, রুট পারমিটসহ সবধরনের ডকুমেন্ট দীর্ঘদিন হালনাগাদ না করায় তিনটি ডাম্পার ট্রাককে (চট্ট মেট্রো-ট-১১-৯১৫১, চট্ট মেট্রো-শ-১১-১৪৮৭, চট্ট মেট্রো-শ-১১-১৫৭৬) ডাম্পিং করার নির্দেশনা দেওয়া হয়।

এ অভিযানে সহযোগিতা করেন চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশ (সিএমপি) ও ট্রাফিক পুলিশ।


আরও খবর



বাড্ডায় ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীদের সড়ক অবরোধ

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ১৬ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ১৬ জুলাই ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি

Image

কোটা সংস্কারের দাবিতে রাজধানীর বাড্ডা এলাকায় সড়ক অবরোধ করেছেন ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা। মঙ্গলবার (১৬ জুলাই) সকালে সাড়ে ১০টার দিকে তারা বাড্ডা এলাকায় তাদের ক্যাম্পাসের সামনের সড়ক অবরোধ করেন।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, সকাল ১০টার দিকে তারা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভেতরে জড়ো হন এবং এরপর সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করেন।

ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের বাড্ডা জোনের অ্যাসিস্ট্যান্ট কমিশনার রাজন কুমার সাহা বলেন, শিক্ষার্থীরা সড়কের একপাশ বন্ধ করে বিক্ষোভ করছেন। সকাল সাড়ে ১০টার দিক থেকে তারা বিক্ষোভ শুরু করেন।


আরও খবর
আরও ৩ দিনের এইচএসসি পরীক্ষা স্থগিত

বৃহস্পতিবার ১৮ জুলাই ২০২৪




দেশসেরা উপজেলা চেয়ারম্যান হলেন শুসেন চন্দ্র শীল

প্রকাশিত:বুধবার ১০ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ১০ জুলাই ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
রাজিব মাসুদ, ফেনী

Image

১১ জুলাই বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস উপলক্ষে পরিবার পরিকল্পনা এবং মা ও শিশু স্বাস্থ্যে বিশেষ অবদান রাখায় ফেনী সদর উপজেলা সারা দেশে শ্রেষ্ঠ উপজেলা হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন। আসমা হাসান স্বাক্ষরিত পরিবার-পরিকল্পনা অধিদপ্তরের এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জাতীয় পর্যায়ে শ্রেষ্ঠ উপজেলা চেয়ারম্যান হিসেবে তার নাম ঘোষণা করা হয়।

নিজের অনুভূতি প্রকাশ করে চেয়ারম্যান শুসেন চন্দ্র শীল বলেন, দেশরত্ন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সুযোগ্য নেতৃত্বে দেশ এগিয়ে যাচ্ছে। এগিয়ে যাচ্ছে আমাদের স্বাস্থ্যসেবা কার্যক্রম। আন্তরিক ধন্যবাদ মাননীয় প্রধানমন্ত্রীকে আমাকে শ্রেষ্ঠ উপজেলা চেয়ারম্যান হিসেবে নির্বাচিত করায়। কৃতজ্ঞতা জানাই ফেনী সদর আসনের সংসদ সদস্য নিজাম উদ্দিন হাজারীর প্রতি। এ ছাড়া পরিবার পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের প্রতি কৃতজ্ঞ।

তিনি আরও বলেন, ফেনী সদর উপজেলার মানুষের ভালোবাসা আর সহযোগিতার ফল আমার এই অর্জন। আমরা সামনের দিকে আরও এগিয়ে যেতে চাই। ফেনী সদর উপজেলাকে একটি মডেল উপজেলা হিসেবে গড়তে চাই।

এ বিশেষ অর্জনের জন্য ফেনী সদর উপজেলার চেয়ারম্যান শুসেন চন্দ্র শীল, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা হুমায়ন রশিদ, উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা সাহেদা হোসেন চৌধুরী এবং সদর উপজেলার মাঠ পর্যায়ের সব কর্মকর্তা-কর্মচারীকে ফেনী জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে আন্তরিক অভিনন্দন জানিয়েছেন। এ অর্জনের অংশীদার জেলা প্রশাসক, জেলা পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তাসহ সংশ্লিষ্ট সবাই। সেবার এবং অর্জনের এ ধারা অব্যাহত থাকুক এ প্রত্যাশা ফেনীবাসীর।

১১ জুলাই বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস উপলক্ষে পরিবার পরিকল্পনা এবং মা ও শিশু স্বাস্থ্য উল্লেখযোগ্য অবদানের জন্য ফেনী সদর উপজেলা জাতীয় পর্যায়ে শ্রেষ্ঠ উপজেলা হিসেবে নির্বাচিত হয়েছে। এ ছাড়া জাতীয় পর্যায়ে ৯ ক্যাটাগরির মধ্যে ৫ ক্যাটাগরিতে ফেনী সদর উপজেলা শ্রেষ্ঠ হিসেবে নির্বাচিত হয়েছে। বিগত এক বছরে পরিবার পরিকল্পনা এবং মা ও শিশু স্বাস্থ্যের বিভিন্ন সূচকে লক্ষ্যমাত্রার বিপরীতে অর্জন, উদ্ভাবনী উদ্যোগ, উপজেলা প্রশাসন ও পরিষদের ভূমিকা বিবেচনা করে সারা দেশে শ্রেষ্ঠ উপজেলা নির্বাচন করা হয়।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী ডা. সামন্ত লাল সেন জাতীয় পর্যায়ে শ্রেষ্ঠ উপজেলা চেয়ারম্যান হিসেবে ফেনী সদর উপজেলার চেয়ারম্যান শুসেন চন্দ্র শীল এর হাতে এ পুরস্কার তুলে দেবেন।


আরও খবর



ঢাকার ৯৫ শতাংশ বাড়িঘর অনুমোদনহীন: গণপূর্তমন্ত্রী

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ২৭ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ২৭ জুন ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক

Image

রাজধানী ঢাকার প্রায় ৯৫ শতাংশ বাড়িঘর অনুমাদনহীন বলে মন্তব্য করেছেন গৃহায়ন ও গণপূর্তমন্ত্রী র আ ম উবায়দুল মোকতাদির চৌধুরী।

বৃহস্পতিবার (২৭ জুন) বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ইন্টারন্যাশনাল অ্যান্ড স্ট্র্যাটেজিক স্টাডিজ (বিআইআইএসএস) মিলনায়তনে ‌আয়োজিত এক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ মন্তব্য করেন। টেকসই শহর তৈরি: বাংলাদেশের চ্যালেঞ্জ ও বাধা শীর্ষক সেমিনারটি আয়োজন করে বিআইআইএসএস।

সেমিনারে স্থপতি ইকবাল হাবিবের বরাত দিয়ে গৃহায়ন ও গণপূর্তমন্ত্রী বলেছেন, ঢাকা শহরের প্রায় ৯৫ শতাংশ বাড়িঘর অনুমোদনবিহীন। এ অনুমোদনবিহীন বাড়িঘরগুলোকে যাতে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে অনুমোদনের আওতায় আনা যায়, এজন্য একটি কমিটি আছে। এমন একটি কমিটি আছে, তা গৃহায়ণ ও গণপূর্তমন্ত্রী হওয়ার আগে আমি জানতামই না।

তিনি আরও বলেন, ঢাকাই বাংলাদেশ নয়, ঢাকার বাইরেও বাংলাদেশ আছে। কিন্তু দুর্ভাগ্যবশত আমরা যারা ঢাকায় থাকি, তারা ঢাকার বাইরে বাংলাদেশ আছে, সেটা বুঝতে চায় না। এমনকি যারা গ্রামে থাকে তারাও মনে করে ঢাকায় চলে যাওয়া ভালো, ওটাই বাংলাদেশ। নগরায়নকে শুধু বিল্ডিং তোলা এবং কিছু মানুষের বসবাসের সুবিধা ও জীবন-জীবিকার সঙ্গে যুক্ত করলে চলবে না। নগরায়নের সঙ্গে এখন প্রকৃতির বিস্তৃতির কথাও খেয়াল রাখতে হবে। ইকো-ফ্রেন্ডলি একটি অবস্থান তৈরি করতে হবে।

প্রকৃতিকে ধ্বংস করে দিয়ে নগরায়ন করা হচ্ছে মন্তব্য করে র আ ম উবায়দুল মোকতাদির চৌধুরী আরো বলেন, নগরায়ন করতে গিয়ে প্রকৃতির কথা খেয়াল রাখা হচ্ছে না। নগরায়নের ক্ষেত্রে শুধু বিল্ডিং তুললেই হবে না, আরো অনেক কিছু দেখতে হবে। আমরা নগরায়নের নামে বুড়িগঙ্গাকে শেষ করে দিয়েছি। শুধু বুড়িগঙ্গা নয়, পুরো পানি ব্যবস্থাটাকেই আমরা ধ্বংস করে দিয়েছি। এটাকে কিভাবে উদ্ধার করা যায়, সেটাকেও নগরায়নের পরিকল্পনার সঙ্গে যুক্ত করতে হবে। বর্জ্য ব্যবস্থাপনার কথা চিন্তা করতে হবে।

প্রতিদিন কৃষিজমি নগরায়নের ভেতরে ঢুকে যাচ্ছে জানিয়ে তিনি আরও বলেন, আমরা নগরায়ন করতে গিয়ে যত কৃষি জমি আছে, যত জলাশয় আছে, সব তো ধ্বংস করে দিয়েছি। এ অবস্থা থেকে বেরিয়ে আসা খুবই কঠিন। তাই বলে বসে থাকলে চলবে না। আমাদের এ অবস্থা থেকে বেরিয়ে আসতে হবে। এজন্য মহাপরিকল্পনা দরকার।

তিনি বলেন, প্রকৃতি ধ্বংস না করে নগরায়ন করা সম্ভব, শুধু যারা কাজটি করবেন, তাদের মধ্যে দেশপ্রেম থাকতে হবে। তাদের এ মনেপ্রাণে বিশ্বাস করতে হব, দেশটা তার এবং তার ভবিষ্যৎ বংশধরদের। দেশকে সামনের দিকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার মনমানসিকতা থাকতে হবে। আমাদের মধ্যে সমন্বয়ের অভাব রয়েছে। এক জায়গা থেকে সব পরিকল্পনা হওয়া উচিত। সেটা না হলেও অন্তত সমন্বয় থাকা উচিত। আমাদের সবাইকে দেশপ্রেমের জায়গা থেকে বিষয়গুলো দেখা উচিত।

তিনি বলেন, প্রকৃতি ধ্বংসের দায় আওয়ামী লীগ, বিএনপি বা জাতীয় পার্টির ওপর চাপিয়ে দিলে হবে না। এ কাজটি আমরা সবাই মিলে করেছি। আমরা সবাই মিলে যে দুষ্কর্মটা করেছি, সেই দুষ্কর্ম থেকে বেরিয়ে আসার জন্য আমাদের চেষ্টা করতে হবে। নিজেদের দায়িত্বটা সঠিকভাবে পালন করতে হবে।

বিআইআইএসএস এর মহাপরিচালক মেজর জেনারেল মো. আবু বকর সিদ্দিক খানের স্বাগত বক্তব্যে সেমিনারে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন বিআইআইএসএস এর গবেষণা পরিচালক শেগুফতা হোসেন।

এছাড়া বিআইআইএসএস এর চেয়ারম্যান ও রাষ্ট্রদূত এ এফ এম গওসোল আযম সরকারের সঞ্চালনায় সেমিনারে আলোচক হিসেবে ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইমেরিটাস অধ্যাপক ও সেন্টার ফর আরবান স্টাডিজ (সিইউএস) এর চেয়ারম্যান নজরুল ইসলাম, বিশ্ব ব্যাংকের নগর উন্নয়ন বিশেষজ্ঞ ঈশিতা আলম অবনী, বাংলাদেশ প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) স্থাপত্য বিভাগের অধ্যাপক ড. খন্দকার শাব্বির আহমেদ।

সেমিনারে আলোচকরা বলেছেন, টেকসই শহর তৈরি করা বিশ্বব্যাপী একটি অগ্রাধিকার হয়ে উঠেছে। দ্রুত নগরায়ন, অবকাঠামোগত অগ্রগতি ও শহরমুখী অভিবাসন বিভিন্ন সমস্যার সৃষ্টি করেছে, যার ফলস্বরূপ শহরগুলোতে প্রকৃতি, মানব জীবন এবং সম্পদের উপর চাপ সৃষ্টি হচ্ছে। উন্নয়নশীল দেশ হিসেবে বাংলাদেশও এ ধরনের সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছে। বাংলাদেশের বড় শহরগুলো যানজট, জলাবদ্ধতা, বায়ু-জল-মাটি দূষণ এবং ভূমিকম্পের ঝুঁকিতে ভুগছে। পরিকল্পিত এবং টেকসই নগরায়ন অর্থনৈতিক উন্নয়নের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ পূর্বশর্ত এবং এসডিজি ১১ এ বর্ণিত এই প্রয়োজনীয়তাকে বাংলাদেশ গুরুত্ব প্রদান করে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বিচক্ষণ নেতৃত্বে সরকার সেই লক্ষ্যগুলি বাস্তবায়নে বিভিন্ন উদ্যোগ গ্রহণ করেছে এবং তা অর্জনে অক্লান্ত পরিশ্রম করে যাচ্ছে। গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয় সরকারের এসব প্রচেষ্টার অগ্রভাগে রয়েছে।

বক্তা ও প্যানেলিস্টরা নগরায়ণের ফলে উদ্ভূত সমস্যাদি মোকাবিলায় আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার এবং অন্যান্য মহানগরের ক্ষেত্রে গৃহীত সর্বোত্তম কার্যপদ্ধতিগুলো থেকে শিক্ষালাভের মাধ্যমে সমগ্র বাংলাদেশে টেকসই উন্নয়নের প্রসারের জন্য পরামর্শ প্রদান করেন।


আরও খবর
মেট্রোরেল চলাচল পুরোপুরি বন্ধ

বৃহস্পতিবার ১৮ জুলাই ২০২৪




বিশ্বকাপ মিশন শেষে দেশে ফিরেছে বাংলাদেশ দল

প্রকাশিত:শুক্রবার ২৮ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২৮ জুন ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
ক্রীড়া প্রতিবেদক

Image

গত ২৪ জুন আফগানিস্তানের কাছে হেরে সুপার এইট থেকে বিদায় নেয় বাংলাদেশ। এরপর কিছুদিন ক্যারিবীয় দীপপুঞ্জে কাটানোর পর শুক্রবার (২৮ জুন) দেশে ফিরেছে বাংলাদেশ দল।

এবারের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে শুরুটা ভালোই করেছিল বাংলাদেশ। গ্রুপ পর্বে শ্রীলঙ্কাকে রুদ্ধশ্বাস ম্যাচে হারিয়ে যাত্রা শুরু করে তারা। এরপর দক্ষিণ আফ্রিকার কাছে ৪ রানে হেরে যায় শান্তর দল। তবে গ্রুপ পর্বের শেষ দুই ম্যাচে নেদারল্যান্ডস ও নেপালকে হারিয়ে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে প্রথমবারের মতো শেষ আটে জায়গা করে নেয় টাইগাররা।

তবে শেষ আটে একটি ম্যাচও জিততে পারেনি বাংলাদেশ। প্রথম ম্যাচে অস্ট্রেলিয়ার কাছে বড় ব্যবধানে হেরে যায় শান্ত বাহিনীরা। এরপর ভারতের কাছেও হারে বাংলাদেশ। তবে দুই ম্যাচ হেরেও সেমিতে যাওয়ার সুবর্ণ সুযোগ ছিল বাংলাদেশের সামনে। শেষ আটে নিজেদের শেষ ম্যাচে আফগানিস্তানের মুখোমুখি হয়েছিল টাইগাররা। তবে নাটকীয় সেই ম্যাচ হেরে শেষ আট থেকেই বিদায় নেয় শান্তর দল।

এবারের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে বাংলাদেশের বোলিং নিয়ে সাবেকরা প্রশংসা করলেও ব্যাটিং নিয়ে সমালোচনা করেছেন সকলে। ব্যাট হাতে কেউ এবারের বিশ্বকাপে জ্বলে উঠতে পারেনি। সবাইকে হতাশ করেছেন সাকিব-শান্তরা। অভিজ্ঞ মাহমুদউল্লাহও ছিলেন অনুজ্জ্বল।

তবুও তাদের মাঝে নিজেকে মেলে ধরেছেন তাওহীদ হৃদয়। আর বল হাতে তো সবার সুনাম কুড়িয়েছেন তানজিম সাকিব ও রিশাদ হোসেন। মুস্তাফিজ, তাসকিনরাও নিজেদের ছন্দেই ছিলেন।


আরও খবর



সিটি সেন্টারের অগ্রগতি বিষয়ে রাসিক ও এনা প্রোপার্টিজ’র মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত

প্রকাশিত:রবিবার ১৪ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:রবিবার ১৪ জুলাই ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
Image

পাবলিক প্রাইভেট পার্টনারশিপ (পিপিপি) এর আওতায় নির্মিত রাজশাহী সিটি কর্পোরেশনের বহুতল ভবন সিটি সেন্টার এর অগ্রগতি বিষয়ে এক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

শনিবার দুপুরে নগর ভবনে মেয়র দপ্তরকক্ষে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য ও রাজশাহী সিটি কর্পোরেশনের মাননীয় মেয়র এ.এইচ.এম খায়রুজ্জামান লিটন।

সভায় রাসিক মেয়র সিটি সেন্টারের অবশিষ্ট কাজ দ্রুত সময়ের মধ্যে সম্পন্ন করতে নির্মাণকারী প্রতিষ্ঠান এনা প্রোপার্টিজকে নির্দেশনা প্রদান করেন।

সভায় এনা প্রপাটিজের সত্ত্বাধিকারী সাবেক এমপি প্রকৌশলী এনামুল হক, রাসিকের প্যানেল মেয়র-১ ও ২১নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর নিযাম উল আযীম, প্যানেল মেয়র-২ ও ১৩নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর আব্দুল মোমিন, ১৯নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর তৌহিদুল হক সুমন, ১৬নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর বেলাল আহমেদ, ৯নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর রাসেল জামান, ২৪নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর মোঃ আরমান আলী, প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ড. এবিএম শরীফ উদ্দিন, সচিব মোবারক হোসেন, প্রধান প্রকৌশলী নুর ইসলাম তুষার, প্রধান রাজস্ব কর্মকর্তা আবু সালেহ মোঃ নুর-ঈ-সাঈদ, এনা প্রপার্টিজের জেনারেল ম্যানেজার হোসেন আলী, রিজওনাল ডিরেক্টর মোঃ সারওয়ার জাহান, প্রধান প্রকৌশলী শেখ সুলতান-উল ইসলাম, রাসিকের স্থপতি মো. জহুরুল আনোয়ার অনন্ত, সম্পত্তি কর্মকর্তা আবু নুর মোঃ মতিউর রহমান, সহকারী প্রকৌশলী মীর শাহরিয়ার সুলতান পরাগ, সহকারী প্রকৌশলী তানজির রহমান বন্ধন প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

নিউজ ট্যাগ: রাজশাহী

আরও খবর