আজঃ বুধবার ০৪ আগস্ট ২০২১
শিরোনাম

চট্টগ্রামে করোনা শনাক্তে নতুন রেকর্ড, মৃত্যু ১৪

প্রকাশিত:রবিবার ১১ জুলাই ২০২১ | হালনাগাদ:রবিবার ১১ জুলাই ২০২১ | ১২৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

চট্টগ্রামে করোনা শনাক্তে নতুন রেকর্ড সৃষ্টি হচ্ছে প্রতিদিন। চট্টগ্রামে গত ২৪ ঘণ্টায় করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন ৭০৯ জন, এ সময় করোনায় মৃত্যু হয়েছে আরও ১৪ জনের।

আজ রবিবার (১১ জুলাই) চট্টগ্রাম জেলা সিভিল সার্জন কার্যালয় থেকে প্রকাশিত প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা গেছে।

দুই হাজার ৮২ জনের নমুনা পরীক্ষা করে ৭০৯ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছে। নতুন রোগীদের মধ্যে ৪১৬ জন চট্টগ্রাম মহানগরী এলাকার এবং বাকি ২৯৩ জন বিভিন্ন উপজেলার বাসিন্দা। মারা যাওয়া ১৪ জনের মধ্যে ৭ জন মহানগরীর এবং ৭ জন উপজেলার বাসিন্দা।

উপজেলাগুলোর মধ্যে গত ২৪ ঘণ্টায় মীরসরাইয়ে ৩৩ জন, রাউজানে ১৯ জন, সীতাকুণ্ডে ৫৪ জন, হাটহাজারীতে ৪৮ জন, ফটিকছড়িতে ২৩ জন, রাঙ্গুনিয়ায় ১৮ জন, সন্দ্বীপে ১৬ জন, বোয়ালখালীতে ১১ জন, বাঁশখালী ৮ জন, আনোয়ারা ১ জন, চন্দনাইশে ২৯ জন, পটিয়া ২৪ জন, সাতকানিয়া ১৫ জন, ও লোহাগাড়া ৪ জন রয়েছেন।


আরও খবর



জ্বর হলে করোনা টেস্টের পাশাপাশি ডেঙ্গু পরীক্ষাও করাতে হবে

প্রকাশিত:সোমবার ১৯ জুলাই ২০২১ | হালনাগাদ:সোমবার ১৯ জুলাই ২০২১ | ৮৬জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

সম্প্রতি জ্বর হলে করোনা টেস্টের পাশাপাশি ডেঙ্গু পরীক্ষাও করাতে হবে। এমনটাই বলছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। গতকাল রবিবার (১৮ জুলাই) সারাদেশের করোনা পরিস্থিতি নিয়ে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নিয়মিত বুলেটিনে অধিদপ্তরের মুখপাত্র ও লাইন ডিরেক্টর অধ্যাপক ডা. নাজমুল ইসলাম এ কথা বলেন।

তিনি বলেন, আপনারা জানেন দেশের করোনা পরিস্থিতি এখন ঊর্ধ্বগামী। এ অবস্থায় ডেঙ্গু পরিস্থিতিও যদি অবনতি হয়, তাহলে আমাদের পক্ষে সামাল দেওয়া কঠিন হবে। আর রাজধানীসহ সারাদেশের মশক নিয়ন্ত্রণে যারা দায়িত্বপ্রাপ্ত আছেন, তারা যদি নিজেদের জায়গা থেকে নিজেকে উজাড় করে না দেন, তাহলে পরিস্থিতির অবনতি ঘটতে থাকবে।

তিনি বলেন, ডেঙ্গু প্রতিরোধে সাধারণ মানুষকেও অনেক বেশি সচেতন হতে হবে। ছাদে ফুলের টব, বাসার আশেপাশের ড্রেনসহ সবকিছু পরিষ্কার রাখতে হবে। বাথরুমের কমোড, বালতিসহ কিছুতেই যেন পানি জমে না থাকে। বিশেষ করে ৩ দিন বা তার অধিক সময়ের জন্য কোথাও চলে গেলে বাসায় কোনো পাত্রে পানি জমিয়ে রাখা যাবে না।

নিউজ ট্যাগ: ডেঙ্গু পরীক্ষা

আরও খবর
করোনায় আরও ২৩৫ জনের মৃত্যু

মঙ্গলবার ০৩ আগস্ট ২০২১




বাংলাবাজার ঘাটে ঢাকামুখী মানুষের উপচে পড়া ভিড়

প্রকাশিত:শনিবার ৩১ জুলাই ২০২১ | হালনাগাদ:শনিবার ৩১ জুলাই ২০২১ | ১৯০জন দেখেছেন
Image

মাদারীপুর থেকে দেলোয়ার হোসাইন

লকডাউনের প্রথম দিকে কাজ না থাকায় যারা বাড়ি ফিরে এসেছিলেন তারা আবারও ছুটছেন রাজধানী ঢাকার দিকে। গার্মেন্টস, শিল্প-কারখানা খোলার খবরে ঢাকামুখী ছুটছে দক্ষিণাঞ্চলের মানুষ।

তাই লকডাউনের নবম দিনে শনিবার (৩১ জুলাই) শিবচরের বাংলাবাজার ঘাটে রয়েছে যাত্রীদের উপচে পড়া ভিড়। ভোর থেকেই রাজধানীগামী যাত্রীদের সংখ্যা বেড়েই চলেছে নৌরুটে।

বাংলাবাজার ঘাট সূত্রে জানা গেছে, লকডাউন সত্ত্বেও ঈদের পর দিন থেকেই নৌরুট দিয়ে যাত্রীদের যাতায়াত ছিল চোখে পড়ার মতো। লকডাউনে ফেরিতে যাত্রী পারাপার বন্ধের নির্দেশনা থাকলেও গত ২৩ জুলাই থেকে শুরু হওয়া কঠোর লকডাউনে শিবচরের বাংলাবাজার-শিমুলিয়া নৌরুটের চিত্র ছিল সম্পূর্ণ ভিন্ন।

শুধু যাত্রীবাহী বাস পারাপার বন্ধ ছিল। এছাড়া নৌরুটে সাধারণ যাত্রীদের পারাপার ছিল নির্বিঘ্ন।

তবে শনিবার যাত্রীদের ভিড় অন্যান্য দিনের তুলনায় বেড়ে দ্বিগুণ হয়েছে। সকাল থেকেই প্রতিটি ফেরিতে রয়েছে যাত্রীদের উপচে পড়া ভিড়।

বিআইডব্লিউটিসির বাংলাবাজার ঘাট সূত্রে জানা গেছে, শনিবার সকাল থেকে নৌরুটে চারটি রো রো চারটি কে টাইপসহ মোট ১০টি ফেরি চলাচল করছে। গত দুইদিন বৈরী আবহাওয়া থাকায় ফেরি চলাচল ব্যাহত হয়েছিল নৌরুটে। ফলে পদ্মা পারাপারের জন্য অপেক্ষারত পণ্যবাহী পরিবহনের সংখ্যা বেড়েছে নৌরুটে।

এছাড়া শনিবার সকাল থেকে ফেরিতে যাত্রীদের চাপ রয়েছে। ঘাটে ট্রাক, কাভার্ডভ্যান, মাইক্রোবাস, প্রাইভেটসহ ছোটবড় অসংখ্য গাড়ি পার হচ্ছে ফেরিতে। এদিকে পদ্মায় পানি বাড়া অব্যাহত থাকায় স্রোতের গতিও বেড়েছে সে কারণে ফেরি পারাপারে সময় বেশি লাগছে।

জাহানারা বেগম নামে পিরোজপুর থেকে আসা এক যাত্রী বলেন, গার্মেন্টস খুলবে কাল। বাড়িতে থেকে জমানো টাকা শেষ হয়ে গেছে। কিছুই করার নেই এখন ঢাকায় ফিরতে ডাবল ভাড়া দিয়ে ঘাটে আসছি।

ঘাট সূত্রে জানা গেছে, দক্ষিণাঞ্চলের বিভিন্ন জেলা থেকে আসা যাত্রীরা কয়েকগুন ভাড়া গুনে থ্রি-হুইলার এবং মোটরসাইকেলে করে শিবচরের বাংলাবাজার ঘাটে আসছেন।

বরিশাল, পটুয়াখালী, খুলনা, ফরিদপুর, মাদারীপুরসহ দক্ষিণাঞ্চলের জেলাগুলো থেকে মোটরসাইকেল, ইজিবাইক, মাহিন্দ্রাসহ হালকা যানবাহনে চড়ে ঘাটে আসছেন। একইভাবে যাত্রীরা ঘাট থেকে দক্ষিণাঞ্চলের জেলাগুলোতে যাচ্ছেন। যাত্রাপথে স্বাভাবিকের চেয়ে ব্যয় হচ্ছে দ্বিগুণ।

বিআইডব্লিউটিসি বাংলাবাজার ঘাট ম্যানেজার মো. সালাউদ্দিন বলেন, নৌরুটে শনিবার সকাল থেকে ১০টি ফেরি চলছে। পণ্যবাহী ট্রাক, অ্যাম্বুলেন্সসহ জরুরি গাড়ি পারাপার করা হচ্ছে। ভিড় থাকায় ফেরিতে যাত্রীদেরও পার করা হচ্ছে।


আরও খবর



করোনা ফিল্ড হাসপাতাল হচ্ছে ঢাকার পাঁচ স্থানে

প্রকাশিত:শুক্রবার ০৯ জুলাই ২০২১ | হালনাগাদ:শুক্রবার ০৯ জুলাই ২০২১ | ২০৩জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বিএসএমএমইউ) বঙ্গমাতা কনভেনশন সেন্টার ও পুলিশ কনভেনশন সেন্টার হলসহ ঢাকার পাঁচটি স্থানকে করোনা ফিল্ড হাসপাতাল করার পরিকল্পনা নিয়েছে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়।

শুক্রবার বিকালে বিএসএমএমইউ কনভেশন সেন্টার পরিদর্শন শেষে মন্ত্রণালয়ের স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের সচিব লোকমান হোসেন মিয়া সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান।

স্বাস্থ্য সচিব বলেন, করোনা সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে রাজধানীর ৫টি স্থানে ফিল্ড হাসপাতাল স্থাপন করা হবে। ফিল্ড হাসপাতাল আমরা বড় আকারে শুরু করব। শুরু হলেই আপনার দেখতে পারবেন। আশা করি, স্বল্প সময়ে মধ্যে এই হাসপাতালগুলো চালু হবে।

একই সঙ্গে করোনা ডেডিকেটেড হাসপাতালের শয্যা বাড়ানো ও জনবল পুনর্বণ্টন করা হচ্ছে জানিয়ে তিনি বলেন, করোনায় আক্রান্ত রোগীর সেবা নিশ্চিতে আমরা সরকারির পাশাপাশি বেসরকারি হাসপাতালে অনেক শয্যা বাড়িয়েছি। ঢাকার বেসরকারি ১০টি হাসপাতালে ১ হাজার ৫০১ শয্যা বাড়ানো হয়েছে। ডিএসসিসি মার্কেটে সবচেয়ে বড় করোনা হাসপাতাল তৈরি করা হয়েছে। এখানে আইসিইউ ১,২০০ শয্যা রাখা হয়েছে। 

এর আগে গত বুধবার স্বাস্থ্য অধিদফতর আয়োজিত ভার্চুয়াল বুলেটিনে অধিদফতরের মুখপাত্র অধ্যাপক ডা. নাজমুল ইসলাম বলেছিলেন, আমাদের যেসব হাসপাতালে করোনার চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে, সেই হাসপাতালগুলোতে কীভাবে শয্যার সংখ্যা বাড়ানো যায়, জনবল কীভাবে পুনঃবণ্টন করা যায়, আমরা সেদিকে মনোযোগ দিয়েছি। এর বাইরে ফিল্ড হাসপাতাল করা যায় কি না, সে বিষয়টি আমরা যাচাই-বাছাই করছি। প্রয়োজন হলে ফিল্ড হাসপাতাল করব।

দেশে সর্বশেষ জানানো ২৪ ঘণ্টায় ২১২ জনের মৃত্যু হয়েছে, যা এখন পর্যন্ত একদিনের হিসাবে সর্বোচ্চ মৃত্যু। এ নিয়ে করোনায় আক্রান্ত হয়ে দেশে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল ১৬ হাজার চারজনে। একইসঙ্গে ওই ২৪ ঘণ্টায় দেশে করোনা শনাক্ত হয়েছেন আরও ১১ হাজার ৩২৪ জন। ফলে দেশে করোনায় শনাক্তের সংখ্যা হলো ১০ লাখ ৫৪৩ জন।


আরও খবর



ফকির আলমগীরের দাফন সম্পন্ন

প্রকাশিত:শনিবার ২৪ জুলাই ২০২১ | হালনাগাদ:শনিবার ২৪ জুলাই ২০২১ | ১০৪জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্রের শব্দ সৈনিক, দেশবরেণ্য গণসংগীত শিল্পী ফকির আলমগীরের দাফন সম্পন্ন হয়েছে। জোহরের নামাজের পর দুপুর ১টা ৫০ মিনিটে রাজধানীর খিলগাঁও মাটির মসজিদে দ্বিতীয় নামাজে জানাজা শেষে করোনার স্বাস্থ্যবিধি মেনেই তার দাফন সম্পন্ন হয়।

ফকির আলমগীরের ছেলে মাশুক আলমগীর রাজীব বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, বেলা ১১টায় পল্লীমা সংসদে ফকির আলমগীরের প্রথম জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। এরপর দুপুর ১২টায় ফকির আলমগীরের মরদেহ শ্রদ্ধা জানানোর জন্য নেওয়া হয় কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে। সবশেষ বাদ যোহর রাজধানীর খিলগাঁও মাটির মসজিদে শেষ জানাজা শেষে তাকে তালতলা কবরস্থানে দাফন করা হয়।

এর আগে, দুপুর পৌনে ১২টায় তার মরদেহ শহীদ মিনারে নেওয়া হয়। সেখানে তার মরদেহে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানানো হয়। আর সকালেই খিলগাঁওয়ের পল্লীমা সংসদ মাঠে এই বীর মুক্তিযোদ্ধাকে নেওয়া হয়েছিল। সেখানে তার প্রথম জানাজা সম্পন্ন হওয়ার পর বেলা ১১টার দিকে তাকে গার্ড অব অনার দেওয়া হয়।

শুক্রবার (২৩ জুলাই) রাত ১০টা ৫৬ মিনিটে করোনাভাইরাসে (কোভিড-১৯) আক্রান্ত হয়ে লাইফ সাপোর্টে থাকা অবস্থায় মারা যান একাত্তরের কণ্ঠযোদ্ধা, গণসংগীত শিল্পী ফকির আলমগীর। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৭১ বছর। তিনি স্ত্রী, তিন ছেলে ও অসংখ্য গুণগ্রাহী রেখে গেছেন।

ফকির আলমগীর এর মৃত্যুতে শোক বার্তায় প্রধানমন্ত্রী, রাষ্ট্রপতি, মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও বিশিষ্টজনরা গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন। শোক বার্তায় রহুমের বিদেহী আত্মার মাগফেরাত কামনা করা হয়। শোকাহত পরিবারের সদস্য ও ফকির আলমগীরের অগণিত ভক্তের প্রতি গভীর সমবেদনা জ্ঞাপন করা হয়।

ফকির আলমগীর ১৯৬৬ সালে ছাত্র ইউনিয়নের সক্রিয় সদস্য ছিলেন। রাজপথে বিভিন্ন আন্দোলনে তাকে বহুবার দেখা গেছে। তিনি ষাটের দশক থেকে গণসংগীতের সঙ্গে যুক্ত। ক্রান্তি শিল্পী গোষ্ঠী ও গণশিল্পী গোষ্ঠীর সদস্য হিসেবে ১৯৬৯-এর গণঅভ্যুত্থানে শামিল হন এ গণসংগীত শিল্পী। এরপর ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধ শুরু হলে তিনি যোগ দেন স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্রে। তিনি একাত্তরের কণ্ঠযোদ্ধা হিসেবে পরিচিত।

স্বাধীনতার পর পাশ্চাত্য সংগীতের সঙ্গে দেশজ সুরের মেলবন্ধন ঘটিয়ে বাংলা পপ গানের বিকাশে ভূমিকা রাখেন এ শিল্পী। সংগীতে গুরুত্বপূর্ণ অবদানের জন্য সরকার ১৯৯৯ সালে ফকির আলমগীরকে একুশে পদক দেয়।

জগন্নাথ কলেজ থেকে স্নাতক ডিগ্রি নিয়ে পরবর্তী পর্যায়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগ থেকে স্নাতকোত্তর করা ফকির আলমগীর গানের পাশাপাশি নিয়মিত লেখালেখিও করেন। মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতি ও বিজয়ের গান, গণসংগীতের অতীত ও বর্তমান, আমার কথা, যারা আছেন হৃদয় পটেসহ বেশ কয়েকটি বই প্রকাশ হয়েছে তার।


আরও খবর



১২ থেকে ১৭ বছর বয়সীরাও নিতে পারবে মডার্নার ভ্যাকসিন

প্রকাশিত:শনিবার ২৪ জুলাই ২০২১ | হালনাগাদ:শনিবার ২৪ জুলাই ২০২১ | ১৪৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

১২ থেকে ১৭ বছর বয়সী শিশুদের জন্য মডার্নার ভ্যাকসিন ব্যবহারের অনুমোদন দিয়েছে ইউরোপিয়ান মেডিসিন ওয়াচডগ ইএমএ। শুক্রবার এই অনুমোদন দেয় তারা। এর মধ্যদিয়ে মডার্না শিশুদের জন্য অনুমোদন পাওয়া দ্বিতীয় ভ্যাকসিন হলো।

মডার্নার ভ্যাকসিনের নাম উল্লেখ করে সংস্থাটি বলে, ১২ থেকে ১৭ বছর বয়সী শিশুদের মধ্যে স্পাইক্যাভ্যাক্স ভ্যাকসিনের ব্যবহার ১৮ বছর বা তার বেশি বয়সীদের মতো হবে।

এই ভ্যাকসিনও চার সপ্তাহের ব্যবধানে দুটি ইনজেকশনের মাধ্যমে দেওয়া হবে। মে মাসে ফাইজার/বায়োএনটেকের বানানো ইউরোপীয় তরুণদের জন্য প্রথম ভ্যাকসিনের অনুমোদনের পরে অ্যামস্টারডামকেন্দ্রিক এই এজেন্সিটি এই সিদ্ধান্ত দিলো।

ইএমএ জানিয়েছে, ১২ থেকে ১৭ বছর বয়সী ৩ হাজার ৭৩২ জন শিশুর শরীরে স্পাইকভ্যাকের প্রভাব নিয়ে গবেষণা করা হয়। গবেষণা বলছে, স্পাইকভ্যাক্স ১২ থেকে ১৭ বছর বয়সীদের মধ্যে তুলনামূলক অ্যান্টিবডি প্রতিক্রিয়া তৈরি করে যা ১৮ থেকে ২৫ বছর বয়সী তরুণ প্রাপ্তবয়স্কদের মধ্যে দেখা যায়। এটি জিনগত উপাদানগুলো ব্যবহার করে করোনাভাইরাসের স্পাইক প্রোটিন তৈরির জন্য মানব কোষগুলোকে নির্দেশনা দেয়। ফলে সেটা হোস্টকে সত্যিকারের সংক্রমণ ছাড়াই প্রতিরোধের প্রতিক্রিয়ার প্রশিক্ষণ দেয়।

বৃহস্পতিবার ইইউ জানায়, ২০০ মিলিয়ন ইউরোপীয়ান পুরোপুরি ভ্যাকসিন গ্রহণ করেছেন। তা মোট প্রাপ্তবয়স্ক জনসংখ্যার অর্ধেক। কিন্তু গ্রীষ্মের মধ্যেই ৭০ শতাংশকে ভ্যাকসিন দেওয়ার লক্ষ্যমাত্রার থেকে কম।


আরও খবর
ভারতে আবারও বেড়েছে মৃত্যু

বুধবার ০৪ আগস্ট ২০২১