আজঃ শনিবার ১৫ জুন ২০২৪
শিরোনাম

চট্টগ্রামে অপরাজিতা নারীদের রাজনৈতিক ক্ষমতায়ন শীর্ষক সভা অনুষ্ঠিত

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ১১ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ১১ জুন ২০২৪ | পত্রিকায় প্রকাশিত
চট্টগ্রাম প্রতিনিধি

Image

রাজনীতি ও জনপ্রতিনিধিত্বের ক্ষেত্রে নারীদের অংশগ্রহণমূলক অগ্রযাত্রা ও কার্যকারিতা বৃদ্ধির উদ্দেশ্যে অপরাজিতার সৃষ্টি। দীর্ঘ ৭ বছরের (২০১৮-২০২৪) পদযাত্রায় সোমবার (১০ জুন) প্রকল্পটির সমাপনী সভা অনুষ্ঠিত হয় চট্টগ্রামে অবস্থিত কারিতাস হল রুমে। যার প্রতিপাদ্য ছিলো নারীর রাজনৈতিক ক্ষমতায়নে অপরাজিতাদের সাফল্য শেয়ারিংয়ের গল্প।

অপরাজিতা নারীর রাজনৈতিক ক্ষমতায়ন শীর্ষক একটি প্রকল্প তৃতীয় পর্যায়ে ২০১৮ সাল থেকে বাস্তবায়িত হয়ে এসেছিলো বাংলাদেশে। ৪টি সংস্থা দ্বারা পরিচালিত প্রকল্পটিতে অন্যতম সহযোগি ছিলো বাংলাদেশের আর্থিক উন্নয়ন সহযোগী সংস্থা সুইজারল্যান্ডের (এসডিসি) ও হেলভেটাস সুইস ইন্টারকোঅপারেশন বাংলাদেশের ব্যবস্থাপনায় সহযোগী সংস্থা ডেমোক্রেসিওয়াড, খান ফাউন্ডেশন, প্রিপ ট্রাস্ট ও রূপান্তর।

মূলত এই প্রকল্পের মূল লক্ষ্য ছিলো, স্থানীয় সরকার তথা গভর্নেন্স প্রক্রিয়ায় নারীদের সমান অংশগ্রহণ, প্রতিনিধিত্ব ও নেতৃত্ব প্রসার এবং কার্যকারিতা বৃদ্ধিতে অবদান রাখা ও নারীর জন্য গৃহীত রাষ্ট্রীয় আইনগুলো নিশ্চিত করা।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয়ের উপ-পরিচালক জনাব শাহিনা সুলতানা। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মেট্রোপলিটন কৃষি অফিসার কামরুম মোয়াজ্জেম, জেলা সমাজ সেবা অফিসের সহকারী পরিচালক মোঃ কামরুল পাশা।

এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন বিভাগীয় অপরাজিতা নেটওয়ার্কের সহ-সভাপতি ও সিনিয়র নারী সাংবাদিক ডেইজি মওদুদ, জনাব মাজেদা বেগম শিরু, এডভোকেসি এন্ড নেটওয়ার্কিং কো অর্ডিনেটর ইসমত আরা ইয়াসমিন, মনিটরিং এন্ড ইভ্যালুয়েশন কো অর্ডিনেটর মোঃ সায়েদুল ইসলাম, জেলা প্রোগ্রাম কো অর্ডিনেটর মোঃ আসাদুজ্জামান লিওনসহ অনেকে।

জনপ্রতিনিধিদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন আনোয়ারা উপজেলার নবনির্বাচিত মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান চুমকি চৌধুরী, জুইদন্ডী ইউনিয়নের মোঃ ইদ্রিসসহ বিভিন্ন ইউনিয়ন ও উপজেলা থেকে আগত নারী ইউপি সদস্যবৃন্দ।

এতদিন ধরে প্রায় নয় হাজার তৃণমূল নারী নেত্রীদের নিয়ে কাজ করে আসছে এ সংস্থাটি যার প্রত্যক্ষ সুবিধা ভোগী প্রান্তিক নারীরা। আর পরোক্ষ ভাবে যারা কাজ করে গিয়েছেন তারা অধিকাংশই ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক, বর্তমান বা আগামীর সম্ভাব্য নির্বাচিত জনপ্রতিনিধি।

প্রকল্পের আওতায় প্রায় ৯ হাজার তৃণমূল নারী নেত্রী যাঁরা নিজেদেরকে অপরাজিতা বলে পরিচয় দেন অধিকতর আত্মবিশ্বাস ও দক্ষতার সাথে এবং দৃশ্যমান নেতৃত্বের ভূমিকায় ইউনিয়ন পরিষদসহ বিভিন্ন স্থানীয় প্রতিষ্ঠানে কার্যকরভাবে অংশগ্রহণ করেন এবং তাদের সাথে যোগ দেওয়া অন্যান্য পর্যায়ের নারী জনপ্রতিনিধি, রাজনীতিবিদ ও নাগরিক সমাজের প্রতিনিধিরা সম্মিলিতভাবে নারীর রাজনৈতিক ক্ষমতায়ন বিষয়ক বিভিন্ন দাবিদাওয়া তুলে ধরার চেষ্টা করেন।

দশম ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন চট্টগ্রামে অপরাজিতা কর্ম এলাকায় ১১জন নারী চেয়ারম্যান পদে জয়লাভ করেছেন। সেক্ষেত্রে প্রযোজ্য হার দেশের অন্যান্য এলাকায় চেয়ারম্যান পদে নারীদের জয়লাভের হারের তুলনায় দ্বিগুণেরও বেশি।

গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ (আরপিও) অনুসারে রাজনৈতিক দলসমূহের সকল কমিটিতে কমপক্ষে ৩৩% নারীর প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত করার দাবিতে অপরাজিতারা অভাবনীয় সাফল্যের সাথে বিভিন্ন পর্যায়ের কয়েকশ রাজনৈতিক নেতানেত্রীকে (অধিকাংশই পুরুষ) সংলাপে যুক্ত করেছেন। অপরাজিতার কর্ম এলাকায় বাল্যবিবাহের পাশাপাশি লিঙ্গ-ভিত্তিক সহিংসতা রোধে ব্যপক কাজ করে গেছে।

অনুষ্ঠানে আগত অপরাজিতার সাথে যুক্ত নারীরা বলেন, অপরাজিতা আমাদের রাজনীতি শিখিয়েছে, ঘর থেকে বের হতে শিখিয়েছে, সমাজে কথা বলতে ও মাথা উচু করে চলতে শিখিয়েছে। আজ আমরা পারিবারিক ও সামাজিক বিভিন্ন বাঁধা ডিঙিয়ে প্রত্যেকে স্বাবলম্বী ও আত্মনির্ভরশীল।

জনাব শাহীনা সুলতানা বলেন, নারীরা আজ এগিয়ে যাচ্ছে। বর্তমান সরকার খুবই নারী বান্ধব। তবুও প্রত্যেকটা জায়গায় প্রত্যেকটা বিষয়ে নারীদের আজও নিজেদের প্রমান করতে হয়, যেটা আমরা নারী অফিসার হয়েও রেহাই পাই না। একজন শিরিন শারমিন, একজন শেখ হাসিনা সবাই হতে পারেনা। তাই নারীদের মনেবল হারালে চলবেনা, এগিয়ে যেতে হবে।

সিনিয়র সাংবাদিক ডেইজি মওদুদ বলেন, সামাজিক প্রতিবন্ধকতার কারণে আজও মেয়েরা এক পা এগুলো ২ পা পিছায়। এখানে যারা উপস্থিত আছেন প্রত্যেকে একেকজন আলোকবর্তিকা। প্রত্যেকের জন্য শুভ কামনা। নারীদের সমাজের জন্য অনেক কিছু করার আছে।

মেট্রোপলিটন কৃষি অফিসার কামরুম মোয়াজ্জেম বলেন, যে নারীরা প্রত্যেকে নিজের চিন্তা করতে শিখেছেন, প্রত্যেকে অপরাজিতা। বর্তমান সরকার কৃষিবান্ধব সরকার। তাই নিরাপদ কৃষিতে নারীদের আরও বেশি এগিয়ে আসতে হবে। নিজেদের অধিকার সম্পর্কে সচেতন হতে হবে। সরকারের লক্ষ্যমাত্রা বাস্তবায়নের কৃষিতে মহিলাদের ৩০% অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে হবে।

আনোয়ারা উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান চুমকি চৌধুরী বলেন, মেয়েরা মেয়েদের শত্রু নয়। তাই সকলকে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে কাজ করে দেশের অগ্রযাত্রা চলমান রাখতে হবে।

সমাপনী বক্তব্য প্রদান কালে মাজেদা বেগম শিরু বলেন, নারীরা আজ অনেক বেশি এগিয়ে। অপরাজিতার প্রকল্প শেষ হলেও অপরাজিতা সকলের মধ্যে যে আন্তঃযোগাযোগ তৈরি করে গেলো তা ইতিহাস হয়ে থাকবে। আমরা অপরাজিতার অনুপ্রেরণায় কাজ করে যাবো সারাজীবন।


আরও খবর



ট্রেনে ঈদযাত্রা: ১৪ জুনের টিকিট বিক্রি চলছে

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ০৪ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ০৪ জুন ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক

Image

পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে স্বাচ্ছন্দ্যে বাড়ি ফিরতে ট্রেনের অগ্রিম টিকিট বিক্রি শুরু করেছে বাংলাদেশ রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ। যাত্রীদের অনলাইনে টিকিট ক্রয় করতে হচ্ছে। আজ বিক্রি হচ্ছে ১৪ জুনের টিকিট।

মঙ্গলবার (৪ জুন) সকাল ৮টায় টিকিট বিক্রি শুরু হয়। রেলওয়ে কর্তৃপক্ষের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, যাত্রী সাধারণের টিকিট কেনা সহজলভ্য করার জন্য পশ্চিমাঞ্চলে চলাচলরত সব আন্তনগর ট্রেনের টিকিট বিক্রি সকাল ৮টায় শুরু হয়েছে। আর পূর্বাঞ্চলে চলাচলরত সব ট্রেনের টিকিট দুপুর ২টা থেকে বিক্রি শুরু হবে।

মঙ্গলবার যারা টিকিট ক্রয় করছেন তারা আগামী ১৪ জুন ভ্রমণ করতে পারবেন। একজন যাত্রী ঈদের আগে যাত্রা ও ফিরতিতে সর্বোচ্চ একবার টিকিট ক্রয় করতে পারবেন এবং সর্বাধিক ৪টি আসনের টিকিট ক্রয় করতে পারবেন। এ ক্ষেত্রে যাত্রীর সর্বোচ্চ এই চারটি টিকিট ক্রয়ের ক্ষেত্রে সহযাত্রীদের নাম সংযুক্ত করে দেওয়ার ব্যবস্থা আছে। ঈদযাত্রার এই টিকিট রিফান্ড করা যাবে না। টিকিট কালোবাজারি প্রতিরোধে প্রতিবার টিকিট ক্রয়ের সময় নিবন্ধনকৃত মোবাইল নম্বরে ওটিপি প্রেরণের ব্যবস্থা করা হচ্ছে। ঈদের চাঁদ দেখার ওপর নির্ভর করে ১৭, ১৮ ও ১৯ জুনের টিকিট বিক্রি করা হবে।

ঈদযাত্রার ফিরতি টিকিট বিক্রি শুরু হবে ১০ জুন। ১০ থেকে ১৪ জুন পর্যন্ত ২০ থেকে ২৪ জুনের ফিরতি অগ্রিম টিকিট বিক্রি করা হবে।

২০ জুনের অগ্রিম টিকিট দেওয়া হবে ১০ জুন। ২১ জুনের টিকিট দেওয়া হবে ১১ জুন। ২২ জুনের টিকিট দেওয়া হবে ১২ জুন। ২৩ জুনের টিকিট দেওয়া হবে ১৩ জুন। আর ২৪ জুনের টিকিট দেওয়া হবে ১৪ জুন।

ঈদযাত্রায় বাড়তি যাত্রীর চাপ সামাল দিতে পূর্বাঞ্চল ও পশ্চিমাঞ্চলে সব মিলে ২০টি, অর্থাৎ ১০ জোড়া বিশেষ ট্রেন চালাবে রেলওয়ে। এসব বিশেষ ট্রেনের টিকিট যাত্রার আগে স্টেশনের কাউন্টারে বিক্রি করা হবে।

এবারের ঈদযাত্রায় প্রতিদিন ঢাকা থেকে বর্হিগামী ট্রেনের মোট আসন সংখ্যা হবে ৩৩ হাজার ৫০০টি।

এদিকে রেলের পশ্চিমাঞ্চলে কোরবানির পশু পরিবহনের জন্য ১২ থেকে ১৪ জুন পর্যন্ত ক্যাটল ট্রেন’ পরিচালনা করা হবে। আর পূর্বাঞ্চলে ক্যাটল ট্রেন চলবে ১২ জুন।


আরও খবর



রেমালের আঘাতে সারাদেশে নিহত ১০

প্রকাশিত:সোমবার ২৭ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:সোমবার ২৭ মে ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট ঘূর্ণিঝড় রেমালের আঘাতে সারাদেশে অন্তত ১০ নিহত হয়েছেন। নিহতদের মধ্যে বরিশাল বিভাগের সাতজন, খুলনা বিভাগের দুজন এবং চট্টগ্রাম বিভাগের একজন রয়েছেন। এ তিন বিভাগের বিভাগীয় কমিশনারের বরাত দিয়ে এই সংখ্যা জানিয়েছে ফরাসি বার্তা সংস্থা এএফপি।

বরিশালের বিভাগীয় কমিশনার মো. শওকত আলী সাতজনের নিহত হওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, অধিকাংশই নিহত হয়েছেন বিধ্বস্ত ঘর অথবা ধসে পড়া দেয়ালের নিচে চাপা পড়ে।

তিনি বলেন, ঘূর্ণিঝড়ের কারণে শুরু হওয়া বৃষ্টিপাত এখনো চলছে এবং একই সঙ্গে বাতাসও বইছে তীব্র গতিতে।

খুলনা বিভাগে দুজন নিহতের তথ্য নিশ্চিত করে বিভাগীয় কমিশনার হেলাল মাহমুদ বলেন, এই ঘূর্ণিঝড়ের কারণে খুলনা বিভাগে অন্তত ১ লাখ ২৩ হাজার ঘরবাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, যার মধ্যে ৩১ হাজার ঘরবাড়ি পুরোপুরি বিধ্বস্ত হয়েছে।

চট্টগ্রামের বিভাগীয় কমিশনার তোফায়েল ইসলাম চট্টগ্রামে একজন নিহতের তথ্য নিশ্চিত করে  জানিয়েছেন, প্রবল বাতাস ও ভারী বৃষ্টিপাতের কারণে এখনো তার বিভাগে অন্তত ৪০ হাজার মানুষ বিভিন্ন আশ্রয়কেন্দ্রে অবস্থান করছে।

অন্যদিকে, রিমালের কারণে দেশের উপকূলীয় অঞ্চলের বিপুলসংখ্যক মানুষ বিদ্যুৎসংযোগহীন হয়ে পড়েছে। এ বিষয়ে বাংলাদেশ পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ডের মুখ্য প্রকৌশলী বিশ্বনাথ শিকদার জানিয়েছেন, অন্তত ১ কোটি ২৫ লাখ মানুষ বিদ্যুৎ সংযোগহীন অবস্থায় আছেন।

তিনি বলেন, ঘূর্ণিঝড় পরিস্থিতির উন্নতি হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে আমরা আবারও বিদ্যুৎ সরবরাহ শুরু করব।


আরও খবর



বেনজীর কীভাবে দেশত্যাগ করলেন, প্রশ্ন ফখরুলের

প্রকাশিত:শনিবার ০১ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ০১ জুন ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক

Image

দুর্নীতির অভিযোগ থাকার পরও পুলিশের সাবেক মহাপরিদর্শক (আইজিপি) বেনজীর আহমেদ সপরিবারে কীভাবে দেশত্যাগ করলেন- সরকারের কাছে এমন প্রশ্ন রেখেছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

তিনি বলেন, সরকার মানুষের সঙ্গে প্রতারণা করছে। অসংখ্য আজিজ-বেনজীর সৃষ্টি করেছে আওয়ামী লীগ সরকার, লুটের সাম্রাজ্য তৈরি করেছে। লড়াই সংগ্রামের মধ্য দিয়ে সরকারকে পরাজিত করে জনগণের সরকার প্রতিষ্ঠা করা হবে।

শনিবার (১ জুন) জাতীয় প্রেস ক্লাবের এক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা ও প্রয়াত রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ৪৩তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে বাংলাদেশ সম্মিলিত পেশাজীবী পরিষদ এ আলোচনা সভার আয়োজন করে।

মির্জা ফখরুল বলেন, পাকিস্তান একদিনে হয়নি, বাংলাদেশ একদিনে হয়নি। ২৫ বছর সংগ্রাম করতে হয়েছে বাংলাদেশের স্বাধীনতার জন্য। আমরা তো মাত্র কয়েক বছর লড়াই করলাম, মাত্র ১৫ বছর। আমরা হেরে গেছি- এটা মনে করার কোনো কারণ নেই।

তিনি বলেন, এ লড়াই সাধারণ লড়াই নয়, ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে গণতান্ত্রিক লড়াই, ৬০ লাখ আসামি। এ লড়াইয়ে আমাদের হাজার হাজার নেতাকর্মী প্রাণ দিয়েছেন। আমরা জেলে যাচ্ছি, কারাগারে যাচ্ছি। হ্যাঁ, সাফল্য আসেনি। তবে একদিন সাফল্য আসে না। খালেদা জিয়া এখনো কারাগারে, তাকে মুক্ত করতে পারিনি। লড়াই থেমে যায়নি। যতক্ষণ বিজয় অর্জন না হবে ততক্ষণ পর্যন্ত লড়াই চলবে। সেখান থেকে সরে আসিনি।

বিএনপি মহাসচিব বলেন, বিএনপি সবচেয়ে বড় দল, শক্তিশালী দল। বিএনপির রিসার্চ সেল আছে। বিএনপিপন্থি বুদ্ধিজীবী ও পেশাজীবীদের এগিয়ে আসার আহ্বান জানাচ্ছি। ফ্যাসিবাদী সরকারকে সরিয়ে গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার জন্য লড়াই করছে বিএনপি। এখনো পিছপা হইনি আমরা। বিজয় অর্জন করতেই হবে, সাফল্য আনতেই হবে। লক্ষ্য থেকে সরে আসবে না বিএনপি, মাঝেমধ্যে কৌশল পরিবর্তন হবে।

সাবেক আইজিপি বেনজীর আহমেদ তিন মেয়ে ও স্ত্রীসহ গত ৪ মে সিঙ্গাপুর এয়ারলাইনসের একটি ফ্লাইটে ঢাকা ছাড়েন। স্ত্রী জীশান মির্জার চিকিৎসাজনিত কারণে তারা এখন সিঙ্গাপুরে অবস্থান করছেন বলে জানা গেছে।


আরও খবর



ফেনীতে ভুয়া এনএসআই সদস্য আটক

প্রকাশিত:বুধবার ২২ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ২২ মে ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
রাজিব মাসুদ, ফেনী

Image

ফেনীতে সাইফুল করিম (৪৫) নামের এক ভুয়া এনএসআইকে আটক করেছে মডেল থানা পুলিশ। বুধবার (২২ মে) ফেনী শহরের জেনারেল হাসপাতাল এলাকা থেকে তাকে আটক করা হয়।

এসময় তার কাছ থেকে একটি ভুয়া পরিচয়পত্র উদ্ধার করা হয়। ওই পরিচয়পত্রে তার নাম লেখা হয় মেজর সাইফুল ইসলাম রাজ। এতে পদবি লেখা ছিল এনএসআই‍‍য়ের অতিরিক্ত পরিচালক।

ফেনী মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শহীদুল ইসলাম চৌধুরী বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, আটককৃত এ প্রতারকের বাড়ি ফেনী সদর উপজেলার গোবিন্দপুর এলাকায়।

নিউজ ট্যাগ: ভুয়া এনএসআই

আরও খবর



প্রধানমন্ত্রী ডাকল ‘আয় আয়’, ছুটে এলো খরগোশের দল

প্রকাশিত:শনিবার ১৫ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ১৫ জুন ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক

Image

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কণ্ঠ শুনেই ছুটে এলো খরগোশের দল। শনিবার (১৫ জুন) গণভবনে কৃষক লীগের তিন মাসব্যাপী বৃক্ষরোপণ অভিযানের উদ্বোধন উপলক্ষে গণভবন প্রাঙ্গণে বৃক্ষ রোপণ শেষে খরগোশের ঘরের সামনে গেলে এমন দৃশ্য দেখা যায়। এসময় প্রধানমন্ত্রী আয় আয় বলে ডাক দিলে ছুটে আসে খরগোশের দল।

এদিকে গণভবনে কৃষক লীগের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, কৃষি অর্থনীতি উন্নত করে আমরা শিল্পায়নে যাব। এজন্য ১০০টা অর্থনৈতিক অঞ্চল করেছি। এর বাইরে যত্রতত্র জমি নষ্ট করে শিল্প করা যাবে না। আমাদের জনসংখ্যা বাড়ছে, ফসল উৎপাদন বাড়াতে হবে। আমরা আমাদের ফসল উৎপাদন করবো, যাতে কারও কাছে হাত পাততে না হয়। আমাদের খুব তিক্ত অভিজ্ঞতা ৭৪ সালের। নগদ টাকায় কেনা খাদ্যও কিন্তু আসতে দেয়নি। কৃত্রিমভাবে সেখানে একটা দুর্ভিক্ষ সৃষ্টি করা হয়েছিল। সেটা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবকে যেভাবেই হোক মানুষের কাছ থেকে বিচ্ছিন্ন করতে। সেটাতেও যখন সফল হয়নি, তারপরই তো ১৫ আগস্ট ঘটালো। এখনো কিছু লোকের সেই চেষ্টাটা আছে।

কৃষিতে ভর্তুকির বিষয়ে তিনি বলেন, সারের দাম আমরা কমিয়ে দিয়েছি। এখনো ব্যাপক পরিমাণ ভর্তুকি দিচ্ছি। যেহেতু দেশের মানুষের খাদ্য চাহিদার বিষয়, সে ক্ষেত্রে আমরা কখনো কার্পণ্য করি না, বাজেটে সব সময় আমরা ভর্তুকি দেই।

গাছ লাগানোর গুরুত্ব তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ জলবায়ুর ক্ষতি করে না। কিন্তু জলবায়ু অভিঘাতে আমরা ক্ষতিগ্রস্ত। গাছ আমাদের প্রাণ, শ্বাস-প্রশ্বাস দেয়। ফল ও ঔষধি গাছের উপকারিতা অনেক। এজন্য গাছ লাগাতে হবে। নদীর পাড়, উপকূলে এবং ঘরবাড়িতে গাছ লাগান। তবে ফসলি জমি নষ্ট করা যাবে না। শহরে ছাদেও ছোট ছোট গাছ লাগাতে পারেন। উপকূলীয় অঞ্চলে সবুজ বেষ্টনি তৈরি করা। কৃত্রিম উপায়ে বৃক্ষরোপণ করা। ঘূর্ণিঝড়সহ প্রাকৃতিক দুর্যোগে মানুষকে বাঁচাতে আমাদের ম্যানগ্রোভ ফরেস্ট করতে হবে।

মাটির গুণ রক্ষায় পরামর্শ দিয়ে সরকারপ্রধান বলেন, বারবার একই ফসল করতে করতে মাটির গুণ নষ্ট হয়ে যায়। এজন্য মাঝখানে আরেকটা করলে মাটি পুষ্টি ফিরে পায়। যেমন- আমরা বারবার ধান করছি, এটার মাঝখানে আরেকটা করতে পারলে মাটির পুষ্টি বাড়বে।

শেখ হাসিনা বলেন, পেঁয়াজ নিয়ে এত ঝামেলা। আমরা কেন উৎপাদন করি না? ৪০ শতাংশ আমরা জোগান দেই। এটা আরও বাড়বে। পেঁয়াজ উৎপাদন করে কৃষাণী অনেক টাকা আয় করে। ভুট্টাও চাষ হতো না, সেটাও করছি। আগে সবজি শীতকালে পাওয়া যেত, কিন্তু এখন আমরা গবেষণা করে বারোমাসি সবজির জাত উদ্ভাবন করেছি। এখন এটার ফল পাওয়া যাচ্ছে।

কৃষক লীগের সভাপতি কৃষিবিদ সমীর চন্দের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে কৃষক লীগের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক বিশ্বনাথ সরকার বিটুসহ মন্ত্রিপরিষদ সদস্য, আওয়ামী লীগের নেতা, সরকারের পদস্থ কর্মকর্তা ও কৃষক লীগের নেতারা অংশ নেন।


আরও খবর