আজঃ বুধবার ০৪ আগস্ট ২০২১
শিরোনাম

চুমুতে যে উপকারিতা রয়েছে

প্রকাশিত:বুধবার ০৭ জুলাই ২০২১ | হালনাগাদ:বুধবার ০৭ জুলাই ২০২১ | ১৮৪জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image
চুম্বন মানসিক চাপ কমায় এবং স্বাস্থ্য ভালো হতেও সহায়তা করে। গড়ে একজন ব্যক্তি যদি চুম্বনে ৩৩৬ ঘণ্টা ব্যয় করেন তাহলে আমাদের জীবনের দুই সপ্তাহের সমান

চুমু বা চুম্বন হলো ভালোবাসার প্রতীক। ক্ষেত্র বিশেষে এর মাধুর্য কখনো কখনো পরিবর্তনও হয়। ছোট-বড় পরিবারের যে কাউকে চুম্বন করা হলো আদর-স্নেহ ও ভালোবাসার বহিঃপ্রকাশ। আবার প্রেমিক যুগলদের ক্ষেত্রে কোমল ঠোঁটের আলতো ছোঁয়ার চুম্বন অনুভূতি সহজেই বলে দেয় যে- এর বিকল্প বোধহয় আর নেই।

২০০৬ সাল থেকে প্রতি বছর ৬ জুলাই দিনটিকে আন্তর্জাতিক চুম্বন দিবস হিসেবে পালন করা হয়। তবে আমেরিকায় প্রতি বছর ২২ জুন জাতীয় চুম্বন দিবস পালিত হয়। এছাড়াও ফেব্রুয়ারির ১৩ তারিখেও চুম্বন দিবস পালিত হয়।

বলা হয়ে থাকে- সঙ্গীর কাছে ভালোবাসা জাহির করার শ্রেষ্ঠ উপায় হলো চুম্বন। চুম্বন হলো সহজ ও সুন্দর রূপ। যা দুজনের মুখেই হাসি ফোটায় এবং একটি সম্পর্ককে মজবুত ও প্রাণবন্ত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। এর ফলে শুধু শারীরিক স্বাস্থ্যের পক্ষেই উপকারী নয়, মানসিক স্বাস্থ্যের জন্যও অনেক কার্যকরী।

সঙ্গীকে যদি এক মিনিট চুম্বন করা হয় তাহলে ২৬ ক্যালোরি পর্যন্ত ঝরানো সম্ভব। প্রতিদিন যদি একবার করেও চুম্বন করা হয় তাহলে এটি আপনার বয়স বৃদ্ধি করবে বলে বিশ্বাস করা হয়। প্রতি ১০ সেকেন্ড গাঢ় চুম্বনের ফলে ৮০ মিলিয়ন ব্যাকটেরিয়ার আদান-প্রদান হয়। এছাড়া মুখের ভিতর প্রচুর পরিমাণে লালা নিঃসরণ হয়ে থাকে। ফলে মুখ পরিষ্কার করতে বিশেষ ভূমিকা পালন করে এবং দাঁতের ক্ষয়রোগ নিরাময়েও সহায়তা করে। দাঁতের স্বাস্থ্যের জন্যও অনেক কার্যকরী চুম্বন।

গবেষণায় দেখা গেছে, চুম্বন মানসিক চাপ কমায় এবং স্বাস্থ্য ভালো হতেও সহায়তা করে। গড়ে একজন ব্যক্তি যদি চুম্বনে ৩৩৬ ঘণ্টা ব্যয় করেন তাহলে আমাদের জীবনের দুই সপ্তাহের সমান।

একদল ব্রিটিশ গবেষকদের মতে, চুম্বনের সময় মানুষের মুখের ৩৪টি পেশি এবং ১১২টি পসট্রুয়াল পেশি সক্রিয় হয়। এতে ফেসিয়াল পালসি, মাসকুলার ডিসটোনিয়ার মতো সমস্যা থেকে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি হ্রাস পায়।


আরও খবর
যেভাবে রান্না করবেন মেজবানি মাংস

বৃহস্পতিবার ২২ জুলাই ২০২১




মাইগ্রেন বা অসুস্থতা ছাড়াও মাথাব্যথার কারণ

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ০৬ জুলাই ২০২১ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ০৬ জুলাই ২০২১ | ১৪৮জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

মাথাব্যথা মানেই এই নয় যে মাইগ্রেন বা অন্য কোনো অসুখ। এসব ছাড়াও অন্যসব কারণে মাথা ব্যথা করতে পারে। আমেরিকার মায়ো ক্লিনিক নামের এক চিকিৎসাবিজ্ঞান সংক্রান্ত অনলাইন জার্নালের পক্ষ থেকে মাথাব্যথার উপর সমীক্ষা চালানো হয়েছে। সমীক্ষায় দেখা গেছে, অসুখের কারণে মাথাব্যথা হয় এমন মানুষদের বাদ দিলে বাকিদের বিভিন্ন কারণেই মাথাব্যথা হয়।

এবার তাহলে সমীক্ষাকারী দলের চিকিৎসকদের তৈরি তালিকা থেকে মাথাব্যথার বড় বড় কারণগুলো জেনে নেয়া যাক-

চোখের পাওয়ারে পরিবর্তন বা টানা দীর্ঘক্ষণ কম্পিউটার-ফোনের দিকে তাকিয়ে থাকা।

মদ্যপান বা কালো কফি পান।

বিশেষ কিছু খাবার খাওয়ার পর মাথার যন্ত্রণা।

ঘুমের অভ্যাস বা ঘুমের সময় পরিবর্তন।

ঘুমানোর সময় ঘাড় বা কাঁধ সংলগ্ন পেশিতে চাপের ফলেও মাথাব্যথা হয়ে থাকে।

দীর্ঘক্ষণ না খেয়ে থাকলে।

মানসিক চাপ।

হঠাৎ করেই অ্যালার্জি হওয়া।

পরোক্ষ ধূমপানের কারণেও মাথাব্যথা করে থাকে।

কোনো কিছুর কড়া সুগন্ধি বা গন্ধ।

কোনো রাসায়নিকের গন্ধ।

এছাড়া যারা নিয়মিত খোঁপা বা ঝুঁটি রাখেন না তারা যদি হঠাৎ করে লম্বা চুল রাখা শুরু করেন, খোঁপা বা ঝুঁটি রাখেন তাহলে তাদের মাথাব্যথা হতে পার।


আরও খবর
যেভাবে রান্না করবেন মেজবানি মাংস

বৃহস্পতিবার ২২ জুলাই ২০২১




পবিত্র ঈদুল আজহা কাল

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ২০ জুলাই ২০21 | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ২০ জুলাই ২০21 | ১০৩জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

মুসলমানদের অন্যতম ধর্মীয় উৎসব পবিত্র ঈদুল আজহা বুধবার, ২১ জুলাই। অনিশ্চিত ভবিষ্যতের আশঙ্কার মধ্যেই গতবারের মতো এবারও ঈদ উদযাপন করবেন মুসলমানরা। মুসলিম সম্প্রদায়ের মধ্যে ঈদকে ঘিরে যে আনন্দ-উচ্ছাস থাকার কথা তা ম্লান করে দিয়েছে বৈশ্বিক অতিমারী করোনাভাইরাস (কোভিড ১৯)।

করোনা মোকাবিলায় ও সংক্রমণ বিস্তার রোধে ঈদুল ফিতরের মতো এই ঈদেও সরকারের নির্দেশনায় শারীরিক দূরত্ব বজায় রেখে ও স্বাস্থ্যবিধি মেনে ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হবে। ধর্ম মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে ঈদের  জামাত শেষে কোলাকোলি এবং হাত মেলানো থেকে বিরত থাকার অনুরোধ জানানো হয়েছে।

এবারও হাইকোর্ট সংলগ্ন জাতীয় ঈদগাহে ঈদের জামাত হচ্ছে না। হচ্ছে না শত বছরের ঐতিহ্য ঐতিহাসিক শোলাকিয়া ময়দানের ঈদ জামাতও। তবে জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমে এবার ঈদের ৫টি জামাত অনুষ্ঠিত হবে।

ধর্ম মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, ঈদুল আজহায় জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমে অনুষ্ঠিত হবে ৫টি ঈদ জামাত। সকাল ৭টায় হবে প্রথম জামাত। এরপর পর্যায়ক্রমে ৮টা, ৯টা, ১০টা এবং ১০টা ৪৫ মিনিটে অনুষ্ঠিত হবে শেষ ঈদ জামাত।

সামাজিক দূরত্ব ও স্বাস্থ্যবিধি মেনে ঈদুল আজহার নামাজ অনুষ্ঠিত হবে বলে বিজ্ঞপ্তিতে জানায় ধর্ম মন্ত্রণালয়।

ধর্ম মন্ত্রণালয়ের সময়সূচি অনুযায়ী, বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদে ঈদের প্রথম জামাতের ইমামতি করবেন বায়তুল মোকাররমের সিনিয়র পেশ ইমাম হাফেজ মুফতি মাওলানা মো. মিজানুর রহমান, মুকাব্বির থাকবেন বায়তুল মুকাররম মসজিদের মুয়াজ্জিন মো. আতাউর রহমান। দ্বিতীয় জামাত সকাল ৮টায়  অনুষ্ঠিত হবে। এ জামাতের ইমামতি করবেন বায়তুল মোকাররমের পেশ ইমাম হাফেজ মুফতি মুহিব্বুল্লাহিল বাকী নদভী, মুকাব্বির থাকবেন হাফেয ক্বারী কাজী মাসুদুর রহমান। তৃতীয় জামাত সকাল ৯টায় অনুষ্ঠিত হবে। এতে ইমামতি করবেন বায়তুল মোকাররমের পেশ ইমাম মাওলানা এহসানুল হক, মুকাব্বির থাকবেন হাফেয ক্বারী হাবিবুর রহমান মেশকাত। চতুর্থ জামাত অনুষ্ঠিত হবে সকাল ১০টায়। এ জামাতের ইমামতি করবেন বায়তুল মোকাররমের পেশ ইমাম  মাওলানা মহিউদ্দিন কাসেম, মুকাব্বির থাকবেন ক্বারী মো. ইসহাক। পঞ্চম ও সর্বশেষ জামাত  সকাল ১০টা ৪৫ মিনিটে অনুষ্ঠিত হবে। এ  জামাতের ইমামতি করবেন ইসলামিক ফাউন্ডেশনের মুহাদ্দিস হাফেজ মাওলানা ওয়ালিয়ূর রহমান খান,  মুকাব্বির থাকবেন মো. শহীদুল্লাহ।

এই ৫টি জামাতে কোন ইমাম অনুপস্থিত থাকলে বিকল্প ইমাম হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন ইসলামিক ফাউন্ডেশনের মুফতী মাওলানা মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ।

বতর্মান করোনা পরিস্থিতি বিবেচনায় ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের ১২ জুলাই জারীকৃত বিজ্ঞপ্তি অনুসরণপূর্বক যথাযথ স্বাস্থ্যবিধি মেনে পবিত্র ঈদুল আযহার নামাজ আদায়ের জন্য মসজিদের খতিব-ইমাম, ধর্মপ্রাণ মুসল্লী ও সংশ্লিষ্ট সকলকে অনুরোধ করা হয়েছে।

যথাযথ ধর্মীয় মর্যদা ও ভাবগাম্ভীর্যের মধ্যদিয়ে রাজধানীসহ সারাদেশে মুসলিম সম্প্রদায় ঈদুল আজহা উদযাপন করবে। মহান আল্লাহর অপার অনুগ্রহ লাভের আশায় ঈদুল আজহার জামাত শেষে ধর্মপ্রাণ মুসলমানরা সামর্থ অনুয়ায়ি পশু কোরবানি করবেন।

সারাদেশে বিভাগ, জেলা, উপজেলা, সিটি করপোরেশন, পৌরসভা, সশস্ত্র বাহিনী বিভাগ এবং সরকারি সংস্থাসমূহের প্রধানগণ জাতীয় কর্মসূচীর আলোকে নিজ নিজ কর্মসূচি প্রণয়ন করে ঈদ উদযাপন করবেন।

এছাড়াও বাংলাদেশ টেলিভিশন, বাংলাদেশ বেতার ও বেসরকারি গণমাধ্যমসমূহ যথাযোগ্য গুরুত্ব সহকারে বিশেষ অনুষ্ঠান প্রচার ও সংবাদপত্রসমূহে বিশেষ সংখ্যা প্রকাশ করবে। ঈদ উদযাপন উপলক্ষে দেশের সকল হাসপাতাল, কারাগার, সরকারি শিশু সদন, বৃদ্ধ নিবাস, মাদকাসক্তি নিরাময় কেন্দ্রে উন্নতমানের খাবার পরিবেশন করা হবে। বিদেশে অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাস ও মিশনসমূহে যথাযথভাবে পবিত্র ঈদুল আযহা উদযাপন করবে। এ উপলক্ষে সারাদেশে আইন শৃংখলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রক্ষার্থে বিশেষ ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে।

কুরবানীকৃত পশুর রক্ত বা বর্জ্য পদার্থ দ্বারা যাতে পরিবেশ দুর্গন্ধময় না হয় সে বিষয়ে সকল প্রকার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে ঢাকার দুই সিটি কর্পোরেশনসহ দেশের সকল স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠান। ঈদুল আজহার পূর্ববর্তী জুমার খুৎবায় এ বিষয়ে মুসলিমদের সচেতন করা হয়েছে।

উল্লেখ্য, প্রায় চার হাজার বছর আগে আল্লাহ পাকের সন্তুষ্টি লাভের জন্য হজরত ইব্রাহিম (আ.) নিজ পুত্র হজরত ইসমাইলকে (আ.) কোরবানি করার উদ্যোগ নিয়েছিলেন। কিন্তু পরম করুণাময়ের অপার কুদরতে হজরত ইসমাইল (আ.)-এর পরিবর্তে একটি দুম্বা কোরবানি হয়ে যায়। হজরত ইব্র্রাহিম (আ.)-এর ত্যাগের মহিমার কথা স্মরণ করে বিশ্বব্যাপি মুসলিম সম্প্রদায় জিলহজ মাসের ১০ তারিখে আল্লাাহ পাকের অনুগ্রহ লাভের আশায় পশু কোরবানি করে থাকে।

আর্থিকভাবে সামর্থ্যবান মুসলিমের জন্য আল্লাহ কোরবানি ফরজ করে দিয়েছেন। এজন্য ধর্মীয় দৃষ্টিকোণ থেকে কোরবানি করাই এ দিনের উত্তম ইবাদত। সেই ত্যাগ ও আনুগত্যের আদর্শে অনুপ্রাণিত হয়ে সারাদেশের মুসলিম সম্প্রদায় শনিবার দিনের শুরুতেই মসজিদে সমবেত হবেন এবং ঈদুল আজহার দুরাকাত ওয়াজিব নামাজ আদায় করবেন। নামাজের খুতবায় খতিব তুলে ধরবেন কোরবানির তাৎপর্য। তবে এবার করোনার মতো দুর্যোগময় পরিস্থিতিতে ভিন্ন পরিবেশে কুরবানীর ঈদ হওয়ায় অন্যান্য বারের চেয়ে পশু কোরবানি কিছুটা কম হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাবি) কেন্দ্রীয় মসজিদ মসজিদুল জামিআয় পবিত্র ঈদুল আজহার জামাত সকাল ৮টায় অনুষ্ঠিত হবে। জামাতে ইমামতি করবেন মসজিদের সিনিয়র ইমাম খতিব ড. সৈয়দ মুহাম্মদ এমদাদ উদ্দীন। বিশ্ববিদ্যালয়ের জনসংযোগ বিভাগ থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, বিশ্ববিদ্যালয়ের ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ হল জামে মসজিদে সকাল ৮টায় ঈদুল আজহার জামাত অনুষ্ঠিত হবে। এছাড়া একই সময়ে ফজলুল হক মুসলিম হল মসজিদে ঈদের জামাত হবে। করোনা পরিস্থিতিতে স্বাস্থ্যবিধি মেনে এবং সামাজিক ও শারীরিক দূরত্ব বজায় রেখে ঈদের এসব জামাত অনুষ্ঠিত হবে।

নামাজ শেষে মুসল্লিদের অনেকেই যাবেন কবরস্থানে। চিরবিদায় নেওয়া স্বজনদের কবরের পাশে দাঁড়িয়ে সজল চোখে এই আনন্দের দিনে তাদের রুহের মাগফিরাত কামনা করে আল্লাহর দরবারে আকুতি জানাবেন।

জিলহজ মাসের ১০ তারিখে ঈদুল আজহা উদযাপিত হলেও পরের দুই দিনও পশু কোরবানি করার বিধান রয়েছে। কোরবানির পশুর চামড়া বিক্রির সমুদয় অর্থ এবং কোরবানি দেওয়া পশুর মাংসের তিন ভাগের এক ভাগ তাদের মধ্যে বন্টন করে দেওয়া হবে।

মুসলিম সম্প্রদায়ের ধর্মীয় এই উৎসব উপলক্ষে বিভিন্ন রাজনৈতিক দল, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দও দেশবাসীকে ঈদ শুভেচ্ছা জানিয়েছেন।

ঢাকা দক্ষিণ ও উত্তর সিটি করপোরেশনের পক্ষ থেকে স্বাস্থ্যবিধি মেনে পশু কোরবানির জন্য নগরবাসীকে অনুরোধ জানানো হয়েছে। সেই সঙ্গে উভয় সিটি করপোরেশনের পক্ষ থেকে কোরবানীর পশুর বর্জ্য দ্রুত অপসারণের বিশেষ ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে। দুই সিটি করপোরেশনের প্রয়োজনীয় সংখ্যক পরিচ্ছন্নতাকর্মী বর্জ্য অপসারণে নিয়োজিত থাকবে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।



আরও খবর



কুষ্টিয়ায় একদিনে আরও ১৪ জনের মৃত্যু

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ২২ জুলাই ২০২১ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ২২ জুলাই ২০২১ | ১০৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

কুষ্টিয়ায় গত ২৪ ঘণ্টায় করোনা ও এর উপসর্গ নিয়ে আরও ১৪ জনের মৃত্যু হয়েছে। এদের মধ্যে ১০ জন করোনা ও ৪ জনের করোনার উপসর্গ ছিল।

বুধবার (২১ জুলাই) সকাল ৮টা থেকে বৃহস্পতিবার (২২ জুলাই) বৃহস্পতিবার সকাল ৮টা পর্যন্ত এদের মৃত্যু হয়েছে। এছাড়াও ২৪ ঘণ্টায় ৮২ নমুনা পরীক্ষায় আরও ২১ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছে। নমুনা পরীক্ষা বিবেচনায় শনাক্তের হার কমে ২৫.৬১ শতাংশ হয়েছে।

তত্ত্বাবধায়ক ডা. আব্দুল মোমেন জানান, কুষ্টিয়া করোনা ডেডিকেডেট জেনারেল হাসপাতালে ২শ বেডের অনুকূলে করোনা ও এর উপসর্গ নিয়ে এখন ভর্তি আছে ২৪১ জন। এর মধ্যে করোনা শনাক্ত রোগীই ১৮৬ জন। বাকীরা করোনার উপসর্গ নিয়ে ভর্তি আছেন। প্রায় ৭০ শতাংশ রোগীদের অক্সিজেন প্রয়োজন হচ্ছে।

গত ৭ দিনেই কুষ্টিয়ায় করোনা আক্রান্ত ৭২ জনের মৃত্যু হয়েছে এবং ১ হাজার ৩৪৪ জন করোনায় আক্রান্ত হয়েছে। এ পর্যন্ত করোনা আক্রান্ত ৪৫২ জনের মৃত্যু হয়েছে।


আরও খবর



রবিবার দুপুর ১২টা পর্যন্ত চলবে লঞ্চ

প্রকাশিত:শনিবার ৩১ জুলাই ২০২১ | হালনাগাদ:শনিবার ৩১ জুলাই ২০২১ | ১১২জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

করোনাভাইরাসের সংক্রমণ রোধে চলমান কঠোর বিধিনিষেধের মধ্যে আগামীকাল রবিবার দুপুর ১২টা পর্যন্ত লঞ্চ চলাচলের অনুমতি দিয়েছে সরকার। গার্মেন্টসসহ শিল্পকারখানা খুলে দেওয়ায় দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের মানুষের দুর্ভোগের কথা চিন্তা করে এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ-পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআইডব্লিউটিএ)।

শনিবার রাত আটটার দিকে লঞ্চ চলাচলের অনুমতির বিষয়টি নিশ্চিত করেন বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ-পরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআইডব্লিউটিএ) মিডিয়া কর্মকর্তা মিজানুর রহমান।

বিআইডব্লিউটিএ কর্মকর্তা বলেন, দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের মানুষের দুর্ভোগের কথা চিন্তা করে আজ রাত থেকে আগামীকাল দুপুর ১২টা পর্যন্ত লঞ্চ চলাচলের সিদ্ধান্ত হয়েছে।

করোনা মহামারির প্রকোপ রোধে চলমান কঠোর বিধিনিষেধের মধ্যেই আগামীকাল রবিবার থেকে দেশের রপ্তানিমুখী সব শিল্প কল-কারখানা খোলার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। শুক্রবার মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় আগামী ১ আগস্ট সকাল ৬টা থেকে রপ্তানিমুখী সকল শিল্প ও কল-কারখানা বিধিনিষেধের আওতা বহির্ভূত রাখা হলো।

তবে শিল্প কল-কারখানা খোলার সিদ্ধান্ত এলেও সবধরনের গণপরিবহন বন্ধই রয়েছে। এই অবস্থায় ঈদের ছুটিতে বাড়িতে যাওয়া কর্মীরা শনিবার নানা বিড়ম্বনার শিকার হয়ে অনেক কষ্টে কর্মস্থলের পথে রওনা করে।

গত বৃহস্পতিবার মালিকরা মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে গিয়ে বিধিনিষেধের মধ্যেই শিল্পকারখানা খুলে দেওয়ার দাবি জানান। এর একদিনের মাথায় মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে শিল্পকারখানা খুলে দেওয়ার প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়।


আরও খবর



কুষ্টিয়ায় গত ২৪ ঘণ্টায় আরও ২০ জনের মৃত্যু

প্রকাশিত:রবিবার ১৮ জুলাই ২০২১ | হালনাগাদ:রবিবার ১৮ জুলাই ২০২১ | ১০৭জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

কুষ্টিয়ায় গেল ২৪ ঘণ্টায় করোনা ও এর উপসর্গ নিয়ে আরও অন্তত ২০ জনের মৃত্যু হয়েছে। এদের মধ্যে ১২ জন করোনা শনাক্ত ছিলেন, আর ৮ জনের করোনার উপসর্গ ছিল।

শনিবার (১৭ জুলাই) সকাল ৮টা থেকে আজ রোববার (১৮ জুলাই) সকাল ৮টা পর্যন্ত সময়ে এদের মৃত্যু হয়েছে। এছাড়াও ২৪ ঘণ্টায় আরও ২০৫ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছে। নমুনা পরীক্ষা বিবেচনায় শনাক্তের হার কমে ২০.৭৪ শতাংশ হয়েছে।

আজ সকালে কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতাল থেকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।

গত ৭ দিনেই কুষ্টিয়ায় করোনা আক্রান্ত ৬৬ জনের মৃত্যু হয়েছে এবং ১ হাজার ৬৬২ জন করোনায় আক্রান্ত হয়েছে। এ পর্যন্ত শুধু করোনা আক্রান্ত ৪০৭ জনের মৃত্যু হলো।

কুষ্টিয়া করোনা ডেডিকেডেট জেনারেল হাসপাতালে রোগীর চাপ বেড়েই চলেছে। হাসপাতালটির তত্ত্বাবধায়ক ডা. আব্দুল মোমেন জানান, ২শ বেডে করোনা ও এর উপসর্গ নিয়ে ভর্তি আছেন ২৫০ জন। এর মধ্যে করোনা শনাক্ত রোগীই ১৮৩ জন। বাকীরা উপসর্গ নিয়ে ভর্তি আছেন। প্রায় ৭০ শতাংশ রোগীদের অক্সিজেন প্রয়োজন হচ্ছে।


আরও খবর