আজঃ শুক্রবার ২১ জুন ২০২৪
শিরোনাম

চুয়াডাঙ্গায় নবান্ন উৎসব ও মাঠ দিবস অনুষ্ঠিত

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ১৬ নভেম্বর ২০২৩ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ১৬ নভেম্বর ২০২৩ | অনলাইন সংস্করণ
চুয়াডাঙ্গা প্রতিনিধি

Image

এসো মিলি সবে নবান্নের উৎসবে এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে চুয়াডাঙ্গায় নবান্ন উৎসব ও মাঠ দিবস অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার বিকাল ৩ টায় চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলা চন্ডিপুর গ্রামে এই উৎসব অনুষ্ঠিত হয়। উৎসবে সকাল থেকে গ্রামের কৃষকদের বাড়িতে বাড়িতে এক আনন্দ বিরাজ করা দেখা গেছে। যেখানে ছোট শিশু থেকে শুরু করে সব বয়সিরা এই নবান্ন উৎসব উপভোগ করেছে। আর এই উৎসবটি আয়োজন করেন চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর।

কৃষক তারিকুল ইসলামের বাড়ির চারপাশে আগুনের চুলাই গ্রামীণ বধুদের নিখুত হাতের ছোঁয়ায় তৈরি হচ্ছে নবান্ন উৎসবের হরেক রকমের পিঠা। যার মধ্যে আছে, পিঠাপুলি, পাকান পিঠা, চিতই পিঠা, পাটিসাপটা, নারকেল পিঠা,ফুল পিঠা, ছিটা পিঠা, পাতা পিঠা, বিস্কুট পিঠা, রুটি পিঠা, জামায় ভাজা পিঠা, বউ ভুলানো পিঠা সহ প্রায় অর্ধশতাধিক পিঠার আয়োজনে এই এক নবান্ন উৎসব। আর এই নবান্ন উৎসবের পিঠার স্বাদ নিয়েছেন উৎসবের প্রধান অতিথি চুয়াডাঙ্গা জেলা প্রশাসক ড.কিসিঞ্জার চাকমা।

নবান্ন উৎসবের এই হরেক রকমের পিঠার স্বাদ শেষে প্রধান অতিথি বলেন, আজ বাংলাদেশ কৃষিতে সয়ংসম্পুর্ণ। কৃষকরা তাদের উৎপাদিত ফসল বিক্রি করে লাভের মুখ দেখছে। প্রতিবার এই নবান্ন উৎসব পালন করা হয় তাহলে বাঙালি যে একটা ঐতিহ্য অব্যাহত থাকবে। এই ভাবে গ্রাম বাংলার কৃষকের আনান্দ সারা জীবন অটুট থাকুক। মূলত গ্রামবাংলার চিরায়ত সংস্কৃতি লালন এবং তা ধরে রাখতেই এই উৎসব। যেটা প্রতিবছর এই দিনে আমরা আয়োজন করে থাকি। নবান্ন বাঙালির  ঐতিহ্য। নবান্নের সঙ্গের কৃষির একটি সম্পর্ক রয়েছে।

কৃষি প্রধান এ দেশের কৃষকরা তাদের প্রচীন ঐতিহ্য সম্পর্কে জানবে এবং কৃষির আধুনিকায়নে উৎসাহী হবে সেটাই প্রত্যাশা। নবান্ন উৎসব হল নতুন আমন ধান কাটার পর সেই ধান থেকে প্রস্তুত চালের প্রথম রান্না উপলক্ষে আয়োজিত উৎসব। সাধারণত বাংলা অগ্রহায়ণ মাসে অর্থাৎ হেমন্তকালে আমন ধান পাকার পর এই উৎসব অনুষ্ঠিত হয়। কোথাও কোথাও মাঘ মাসেও নবান্ন উদ্যাপনের প্রথা রয়েছে। এই নবান্ন উৎসবের মধ্য দিয়ে কৃষকরা নতুন উদ্দ্যোমে জেগে উঠবে।

উৎসবের শেষ পর্বে কৃষকদের কৃষি কাজে আরও উৎসাহি করার জন্য এবং কৃষিতে আরও কিভাবে অগ্রগতি বাড়ানো যায় তা নিয়ে মাঠ দিবস অনুষ্ঠিত হয়। এই উপলক্ষে কৃষকদের সাথে আলোচনা সভা করা হয়। সভায় সভাপত্বিত করেন চুয়াডাঙ্গা জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক বিভাস চন্দ্র সাহা । যশোর অঞ্চলের টেকসই কৃষি সম্প্রসারণ প্রকল্পের আওতায় দিবসটি আয়োজন করেন, চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর।

এসময় সভায় উপস্থিত ছিলেন, চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলার নির্বাহী অফিসার শামিম ভুইয়া, সদর উপজেলার কৃষি অফিসার আফরিন বিনতে আজিজ, সহকারি কৃষি অফিসার আসিফ ইকবাল, পুরিসংখ্যান অফিসার বিলাল হোসেন, উপ-সহকারি কৃষি অফিসার আব্দুল করিম, শেফালি খাতুন, প্রমুখ। অনুষ্ঠানটি সার্বিক পরিচালনায় ছিলেন, উপ-সহকারি সহকারি কৃষি অফিসার আমিরুল ইসলাম রাসেল।

নিউজ ট্যাগ: নবান্ন উৎসব

আরও খবর



৪৬ হাজার প্রাথমিক শিক্ষকের মৌখিক পরীক্ষা গ্রহণে বাধা কাটল

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ৩০ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ৩০ মে ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক

Image

প্রশ্নফাঁসের অভিযোগ ওঠায় তৃতীয় ধাপে ঢাকা চট্টগ্রাম বিভাগের ৪৬ হাজার প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক নিয়োগের কার্যক্রম ৬ মাসের জন্য স্থগিতের আদেশ স্থগিত করেছেন চেম্বার আদালত। এর ফলে উত্তীর্ণ পরীক্ষার্থীদের মৌখিক পরীক্ষা গ্রহণে বাধা নেই বলে জানিয়েছেন আইনজীবীরা। তবে পরীক্ষায় প্রশ্নফাঁসের ঘটনা তদন্তে হাইকোর্টের আদেশ বহাল রেখেছেন আদালত। আদালত বলেছেন, পরীক্ষার প্রশ্নফাঁসের ঘটনায় তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত মৌখিক পরীক্ষার ফল প্রকাশ করা যাবে না।

বৃহস্পতিবার (৩০ মে) আপিল বিভাগের চেম্বার বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিম এ আদেশ দেন।

আদালতে রাষ্ট্রপক্ষে শুনানি করেন অ্যাটর্নি জেনারেল এ এম আমিন উদ্দিন, অতিরিক্ত অ্যাটর্নি জেনারেল শেখ মো. মোরসেদ ও সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল সাইফুল আলম। রিটের পক্ষে ছিলেন ব্যারিস্টার সৈয়দ সায়েদুল হক সুমন।

এর আগে মঙ্গলবার (২৮ মে) ৪৬ হাজার শিক্ষক নিয়োগের কার্যক্রম ৬ মাসের জন্য স্থগিত করেন হাইকোর্ট। একইসঙ্গে প্রশ্নপত্র ফাঁসের ঘটনা তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। বিচারপতি মোস্তফা জামান ইসলাম ও বিচারপতি এস এম মাসুদ হোসেন দোলনের হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেন।

আদালতে রিটের পক্ষে শুনানি করেন ব্যারিস্টার সৈয়দ সায়েদুল হক সুমন। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল তুষার কান্তি রায়।

সেদিন ব্যারিস্টার সুমন বলেন, সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষার তৃতীয় ধাপের পরীক্ষায় প্রশ্নফাঁস হয়েছিল। আর এই ফাঁস হওয়া প্রশ্নে অনেকে পরীক্ষা দিয়েছে। এরইমধ্যে তৃতীয় ধাপের পরীক্ষার ফলও প্রকাশিত হয়েছে। এ কারণে পরীক্ষার প্রকাশিত ফল নিয়ে প্রশ্ন উঠে। প্রশ্নফাঁস হওয়ার ঘটনার তদন্ত ও পরীক্ষা প্রক্রিয়া স্থগিত চেয়ে হাইকোর্টে রিট করেন ঢাকা ও চট্টগ্রামের কয়েকজন পরীক্ষার্থী।

সহকারী শিক্ষক নিয়োগের জন্য গত বছরের ২৮ ফেব্রুয়ারি প্রথম ধাপে রংপুর, সিলেট ও বরিশাল বিভাগের ক্লাস্টারের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর। এরপর ২২ মার্চ ২য় ধাপে রাজশাহী, খুলনা ও ময়মনসিংহ বিভাগের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়। পরে ১৭ জুন ৩য় ধাপে ঢাকা ও চট্টগ্রাম বিভাগে নিয়োগের জন্য বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়।

প্রথম ধাপে ৩ লাখ ৬০ হাজার ৭০০, দ্বিতীয় ধাপে ৪ লাখ ৫৯ হাজার ৪৩৮ এবং তৃতীয় ধাপে ৩ লাখ ৪০ হাজার প্রার্থী আবেদন করেন।


আরও খবর



সুপার এইটে উঠেছি, এখন যা পাবো সবই বোনাস: হাথুরুসিংহে

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ২০ জুন ২০24 | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ২০ জুন ২০24 | অনলাইন সংস্করণ
ক্রীড়া প্রতিবেদক

Image

বিশ্বকাপে বাংলাদেশের লক্ষ্য ছিল প্রথম রাউন্ড পেরিয়ে সুপার এইটে খেলা, সেই লক্ষ্য পূরণ হয়েছে। এখন আর হারানোর কিছু নেই। এই পর্বে যা পাওয়া যাবে সবই বোনাস বলে মন্তব্য করেছেন দলের হেড কোচ চন্ডিকা হাথুরুসিংহে।

হাথুরু বলেন, যখন আমরা টুর্নামেন্টে আসি, আমাদের প্রথম লক্ষ্য ছিল এই সুপার এইটে উঠা। তাই আমি মনে করি, আমরা দারুণভাবে তা অর্জন করেছি... । আমি বলতে পারি, বোলাররা আমাদের এখন পর্যন্ত প্রতিযোগিতায় টিকিয়ে রেখেছে? যে কারণে আমরা অবস্থান নিয়েই খেলেছি। সত্যিই ভালো; কন্ডিশন আমাদের পক্ষে কাজ করেছে।

সুতরাং আমাদের এগিয়ে যাওয়া এবং এই পর্যায়ে আসতে পেরে আমরা খুব খুশি। এখান থেকে আমাদের যা কিছু আসবে, সবকিছুই বোনাস। তাই, আমরা অনেক স্বাধীনতা নিয়ে খেলি। আমরা তিনটি দলকেই চ্যালেঞ্জ জানাতে যাচ্ছি। আমরা আমাদের সেরাটাই দিতে পারি- যোগ করেন হাথুরু।

বাংলাদেশের সুপার এইটের যাত্রা শুরু হবে আগামীকাল শুক্রবার ভোর সাড়ে ৬টায়। প্রতিপক্ষ গেল বছরের ওয়ানডে বিশ্বকাপজয়ী অস্ট্রেলিয়া। এরইমধ্যে দুই দলই সেরে নিয়েছে নিজেদের প্রস্তুতি। বিশ্ব আসরে অসিদের কাছে হারের বৃত্ত থেকে বাংলাদেশ বের হতে পারে কিনা, সেটিই এখন দেখার।


আরও খবর



অতিরিক্ত ভাড়ায় ঝুঁকি নিয়ে ট্রাক পিকআপে ছুটছে মানুষ

প্রকাশিত:শনিবার ১৫ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ১৫ জুন ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
জেলা প্রতিনিধি

Image

প্রিয়জনের সাথে ঈদ আনন্দ ভাগ করে নিতে গাজীপুরের ঢাকা-টাঙ্গাইল ও ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কে অতিরিক্ত ভাড়ায় ঝুঁকি নিয়ে খোলা ট্রাক, পিকআপে বাড়ি ফিরছে মানুষ।

শনিবার (১৫ জুন) সকাল থেকে গাজীপুরের চন্দ্রা, পল্লী বিদ্যুৎ, কোনাবাড়ি, চান্দনা চৌরাস্তা, ভবানীপুর, পল্লী বিদ্যুৎ মোড় ও মাওনা চৌরাস্তা এলাকা থেকে যাত্রীদের ট্রাক, পিকআপে যেতে দেখা যায়।

ভবানীপুর এলাকার একটি প্রতিষ্ঠানের কর্মচারী মাহমুদুল হাসান। বাসে অতিরিক্ত ভাড়া এড়াতে তিনি পিকআপে করে স্বজনদের সঙ্গে ঈদ করতে রওনা দিয়েছেন। তিনি বলেন, দীর্ঘ সময় দাঁড়িয়ে থেকেও বাস পাইনি। বাস পেলেও তিনগুণ চারগুণ ভাড়া দাবি করছে। যা বোনাস পেয়েছি তা বাস ভাড়াতেই খরচ হয়ে যাবে। তাই যাতায়াত খরচ কমাতে পিকআপে উঠেছি।

চান্দনা চৌরাস্তা থেকে ময়মনসিংহের ভাড়া ১০০ থেকে ১২০ টাকা। কিন্তু ঈদ যাত্রায় ৪০০ থেকে ৫০০ টাকা দাবি করছে জানিয়ে আরেক যাত্রী নাইমুল ইসলাম বলেন, ঢাকা থেকে যেসব বাস চলাচল করছে তার অধিকাংশই ফেরার পথে গাড়িভর্তি যাত্রী নিয়ে আসছে। কোনো বাস পাওয়া গেলেও দেখা যাচ্ছে সিট ছাড়াই ৪০০/৫০০ টাকা দাবি করছে। লোকাল বাসের চিত্রও একই। তাই পরিবার নিয়ে পিকআপেই রওনা দিয়েছি।

সালনা হাইওয়ে থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সালেহ আহমেদ বলেন, ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কের কোথাও কোনো সমস্যা নেই। গাড়িগুলো সুন্দরভাবে চলাচল করছে। তবে মহাসড়কের গড়গড়িয়া মাস্টারবাড়ি, বাঘেরবাজার এলাকায় গাড়ির কিছুটা চাপ রয়েছে। যেসব ট্রাক, পিকআপ যাত্রী পরিবহন করছে আমাদের সামনে পড়া মাত্রই আমরা আইনগত ব্যবস্থা নিচ্ছি।

নিউজ ট্যাগ: গাজীপুর

আরও খবর



ঈদের আগে শেষ কর্মদিবসে রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় যানজট

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ১৩ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ১৩ জুন ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক

Image

ঈদুল আজহার আগে শেষ কর্মদিবস বৃহস্পতিবার (১৩ জুন)। বাড়ি ফেরার তাড়ায় লোকজনের ভিড়ে রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় যানজটের সৃষ্টি হয়েছে। যানজটের কারণে লোকজনকে বেশ খানিকটা সময় রাস্তায় অপেক্ষা করতে হচ্ছে।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, রাজধানীর মহাখালী, গাবতলী, কল্যাণপুর, তেজগাঁও, সাতরাস্তা ও যাত্রাবাড়ী এলাকায় তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয়েছে সকাল থেকে। গন্তব্যে যেতে মানুষজনকে সীমাহীন ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে।

দারুস সালাম এলাকায়‌ সরেজমিন দেখা যায়,‌ ঢাকা ঢোকার প্রবেশপথে পবর্তা সিগন্যালে আটকে যাচ্ছি ঈদ যাত্রীকে নামিয়ে আসা ফিরতি বাসসহ সব পরিবহন। পর্বতা সিগন্যাল থেকে দারস সালাম মাজার রোড পর্যন্ত যানজট। দীর্ঘসময় গাড়ি আটকে থাকছে সিগন্যালের কারণে। অন্যদিকে ঈদযাত্রার বাসসহ অন্যান্য পরিবহন একইভাবে টেকনিক্যাল, মাজার রোড ক্রসিং, গাবতলী বাস টার্মিনাল হয়ে পর্বতা সিগন্যাল পার হতে সময় লাগছে অন্তত আধা ঘণ্টা।

ডিএমপি‌র ট্রাফিক মিরপুর বিভাগের দারুস সালাম জোনের সহকারী পুলিশ কমিশনার (এসি) কাজী মাহবুব আলী বলেন, আজ ঈদের আগে শেষ কর্মদিবস। স্বাভাবিকভাবে আজ অন্যদিনের তুলনায় সড়কে গাড়ির চাপ অনেক বেশি। সকাল থেকে দারুস সালাম, মাজার রোড এলাকায় যানজটের সৃষ্টি হয়েছে। ঈদযাত্রার গাড়িগুলোর চাপ রয়েছে রাস্তায়। বেলা যত গড়াচ্ছে যানজট ততই বাড়ছে। ঈদযাত্রা শেষ না হওয়া পর্যন্ত এই যানজট থাকবে।

এদিকে রাজধানীর মহাখালী এলাকায় সরেজমিনে দেখা যায়, মহাখালী বাস টার্মিনাল থেকে শুরু করে একদিক দিয়ে যানজট পৌঁছেছে বনানী পর্যন্ত। অন্যদিক দিয়ে মহাখালী বাস টার্মিনাল থেকে যানজট তেজগাঁও শিল্পাঞ্চল এলাকা হয়ে সাতরাস্তা পর্যন্ত পৌঁছেছে। এছাড়া মহাখালী থেকে জাহাঙ্গীর গেট হয়ে ফার্মগেট পর্যন্ত যাওয়া রাস্তায়ও যানজটের সৃষ্টি হয়েছে সকাল থেকে।

এ বিষয়ে ডিএমপির ট্রাফিক গুলশান বিভাগের মহাখালী জোনের সহকারী পুলিশ কমিশনার (এসি) মো. রনি বলেন, আজ ঈদের আগে শেষ কর্মদিবস, যানজট হবে এটাই স্বাভাবিক। এছাড়া মহাখালীতে আন্তঃজেলা একটি বাস টার্মিনাল রয়েছে। সকাল থেকে বাস টার্মিনাল থেকে ঈদযাত্রার দূরপাল্লার গাড়িগুলো ছেড়ে যাচ্ছে। ফলে মহাখালী থেকে শুরু করে এর আশপাশ এলাকায় যানজট ছড়িয়ে পড়েছে। আমরা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে কাজ করে যাচ্ছি।


আরও খবর



বাগেরহাটে ঘূর্ণিঝড় রেমালের তান্ডবে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি

প্রকাশিত:সোমবার ২৭ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:সোমবার ২৭ মে ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
বাগেরহাট প্রতিনিধি

Image

উপকূলীয় জেলা বাগেরহাটে ঘূর্ণিঝড় রেমালের তান্ডবে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। রাতপার তান্ডবের পর সোমবার সকাল ১১টা পর্যন্ত দমকা হাওয়া সাথে বৃষ্টিপাত অভ্যাহত থাকে। তবে বেলা বাড়ার সাথে সাথে বাতাসের তীব্রতা কিছুটা কমলেও হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টিপাত অভ্যাহত রয়েছে।

এদিকে, রেমালের প্রভাবে বিধ্বস্ত হয়েছে জেলার ৪৫ হাজার ঘরবাড়ি। এর মধ্যে আংশিক বিধ্বস্ত হয়েছে ৩৫ হাজার ও পুরোপুরি বিধ্বস্ত হয়েছে ১০ হাজার বাড়িঘর। উপড়ে পড়েছে কয়েক হাজার গাছপালা। বিদ্যুৎতের খুটি উপড়ে পড়ায় বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে জেলা সদরসহ সবকটি উপজেলা। জেলার নিম্নাঞ্চল ৩ খেকে ৫ ফুট পানিতে প্লাবিত হয়েছে। পানিবন্দি হয়ে পড়েছে জেলার প্রায় অর্ধলক্ষ পরিবার। ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে মৎস্য ঘেরে। জেলার মোংলা, রামপাল, শরণখোলা, মোরেলগঞ্জ ও বাগেরহাট সদর উপজেলায় সাড়ে ৩হাজার চিংড়ি ঘের ও পুকুরের মাছ ভেসে গেছে। এতে ৭৩ কোটি টাকার ক্ষতি হয়েছে বলে জেলা মৎস্য অফিস সূত্রে জানা গেছে। এছাড়া ১ হাজার ৫শ ৮১ হেক্টর ফসলি জমি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। জেলার মোরেলগঞ্জ ও শরণখোলায় প্রায় দুই কিলোমিটার ভেড়িবাঁধ ভেঙ্গে ৭টি গ্রাম প্লাবিত হয়েছে বলে জেলা পানি উন্নয়ন বোর্ড সূত্রে জানা গেছে।

বাগেরহাটের জেলা প্রশাসক মোঃ খালিদ হোসেন বলেন, ঘূর্ণিঝড় রেমালের প্রভাবে জেলার শরণখোলা, মোরেলগঞ্জ ও মোংলা উপজেলায় সব থেকে বেশি ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। এসব উপজেলার ঘরবাড়ি বিধ্বস্ত হওয়ার খবর পেয়েছি। আবহওয়া পুরোপুরি স্বাভাবিক হলে ক্ষয়ক্ষতির সঠিক তথ্য জানা যাবে। তবে গতকাল রাতে জেলার ৩৫৯টি আশ্রয় কেন্দ্রে প্রায় লক্ষাধিক মানুষ ও কয়েক হাজার গবাদি পশু আশ্রয় নিয়েছিলো। এখনও পর্যন্ত জেলায় প্রাণহানির কোন খবর পাওয়া যায়নি।


আরও খবর