আজঃ মঙ্গলবার ০৫ মার্চ ২০২৪
শিরোনাম

চুয়াডাঙ্গায় অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে খাবার তৈরির অপরাধে জরিমানা

প্রকাশিত:রবিবার ১৫ অক্টোবর ২০২৩ | হালনাগাদ:রবিবার ১৫ অক্টোবর ২০২৩ | অনলাইন সংস্করণ
চুয়াডাঙ্গা প্রতিনিধি

Image

চুয়াডাঙ্গা আলমডাঙ্গায় বেকারির খাবার অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে তৈরির অপরাধে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা ও সাত দিনের জন্য বন্ধের নির্দেশ দিয়েছে চুয়াডাঙ্গা ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর।

রবিবার আলমডাঙ্গা  উপজেলার হাটবোয়ালিয়া বাজার ও মোড়ভাঙ্গা  এলাকায়  অভিযান পরিচালনার সময় এই জরিমানা করা হয়। এসময় অভিযানের বেকারিসহ অন্যান্য নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের প্রতিষ্ঠানে তদারকি করা হয়।

চুয়াডাঙ্গা ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক সজল আহম্মেদ জানান, আলমডাঙ্গা হাটবোয়ালি মোড়ভাঙ্গা এলাকায় মেসার্স নিউ সেতু ফুড নামক বেকারিতে অভিযানের আগে সতর্ক করা হয়।  তারপরও নির্দেশ অমান্য করে গরুর গোয়ালের সাথেই  অস্বাস্থ্যকরভাবে বেকারির কেক, বিস্কুট, পাউরুটি তৈরি করছিল।

এছাড়াও ওই বেকারির কারখানার কর্মচারীদের টয়লেটে হাত ধোয়ার সাবান/হ্যান্ডওয়াস না থাকা, নোংরা হাতে কাজ ও স্বাস্থ্যবিধি না মানাসহ  মেয়াদ উত্তীর্ণ আটা ময়দায় বেকারি পণ্য তৈরি। নোংরা মেঝেতে তৈরি করা পণ্য ছড়িয়ে ছিটিয়ে রাখা।  যথাযথভাবে মেয়াদ মূল্য ইত্যাদি না দেয়ার অপরাধে প্রতিষ্ঠানটির মালিক বাচ্চু মিয়াকে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন ২০০৯ এর ৩৭ ও ৪৩ ধারায় ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।

পরে কারখানার পরিবেশ উন্নয়ন ও পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতার জন্য ৭দিন বন্ধ রাখার নির্দেশ দেয়া হয়। মেয়াদ উত্তীর্ণ আটা ময়দা ও অস্বাস্থ্যকর জিনিসগুলো নষ্ট করে দেয়া হয়।

অভিযানের শেষ পর্বে অন্যান্য সব ব্যবসায়ীদের আইন মেনে ব্যবসা পরিচালনার ব্যাপারে সতর্ক করা হয় এবং সচেতনতামুলক লিফলেট বিতরণ করা হয়। অভিযানে সহযোগিতায় ছিলেন আলমডাঙ্গা উপজেলা স্যানিটারি ইন্সপেক্টর  নিজাম উদ্দিন ও আলমডাঙ্গা থানার হাটবোয়ালিয়া পুলিশ ক্যাম্পের একটি টিম। জনস্বার্থে এ অভিযান অব্যাহত থাকবে।

নিউজ ট্যাগ: চুয়াডাঙ্গা

আরও খবর



মুক্তি পেলেন বিএনপি নেতা প্রিন্স

প্রকাশিত:শনিবার ১০ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ১০ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক

Image

বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক সৈয়দ এমরান সালেহ প্রিন্স জামিনে মুক্ত হয়েছেন। শনিবার (১০ ফেব্রুয়ারি) দুপুর ১টায় কাশিমপুর কারাগার থেকে মুক্তি পান তিনি।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বিএনপির মিডিয়া সেলের সদস্য শায়রুল কবির খান।

তিনি জানান, সৈয়দ এমরান সালেহ প্রিন্স কারাগার থেকে বের হয়ে সরাসরি কলাবাগানের বাসভবনে যান।

এর আগে গত বছরের ৪ নভেম্বর বাড্ডার এক আত্মীয়ের বাসা থেকে সৈয়দ এমরান সালেহ প্রিন্সকে গ্রেফতার করে পুলিশ।


আরও খবর



কোকাকোলা বাংলাদেশ কিনছে তুর্কি কোম্পানি

প্রকাশিত:শনিবার ১৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ১৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
অর্থ ও বাণিজ্য ডেস্ক

Image

মালিকানা পরিবর্তন হচ্ছে কোকাকোলা বাংলাদেশ বেভারেজেস লিমিটেডের। কোম্পানিটি কিনে নিচ্ছে তুরস্কের কোকাকোলা আইসেক (সিসিআই)। এ জন্য তুর্কি কোম্পানিটিকে গুনতে হবে ১৩ কোটি মার্কিন ডলার। বাংলাদেশি মুদ্রায় যা ১ হাজার ৪৩০ কোটি টাকা।

এরই মধ্যে একটি চুক্তি সম্পন্ন করেছে তুর্কি কোম্পানিটি। বৃহস্পতিবার (১৫ ফেব্রুয়ারি) নিজেদের ওয়েবসাইটে এ সংক্রান্ত এক আনুষ্ঠানিক বিবৃতিতে সিসিআই জানিয়েছে, ১৩ কোটি ডলারের বিনিময়ে কোকাকোলা বাংলাদেশের শতভাগ শেয়ার অধিগ্রহণ করবে সিসিআই। প্রতিষ্ঠানটির শেয়ার কিনতে অর্থায়ন করবে সিসিআই ইন্টারন্যাশনাল হল্যান্ড বিভি। সিসিআই তার সম্পূর্ণ মালিকানাধীন সাবসিডিয়ারি সিসিআইএইচবিভি ও কোকাকোলা কোম্পানির একটি সাবসিডিয়ারির সঙ্গে এই চুক্তি করেছে, যার প্রধান শেয়ারহোল্ডার হবে সিসিআইএইচবিভি।

এ বিষয়ে সিসিআইয়ের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা করিম ইয়াহি বিবৃতিতে বলেছেন, আমরা সিসিবিবি অধিগ্রহণের জন্য শেয়ার কেনার চুক্তি স্বাক্ষর করতে পেরে আনন্দিত। এই চুক্তিকে আমরা ভবিষ্যতের সম্ভাবনাময় বাজারে প্রবেশের দারুণ সুযোগ হিসেবে দেখছি।

বিবৃতিতে আরও বলা হয়েছে, কোকাকোলা বাংলাদেশ দেশে কোক ব্র্যান্ডের পানীয় উৎপাদন, বিক্রয় ও বিতরণ করে। ২০০৯ সালে প্রতিষ্ঠিত কোম্পানিটি রংপুর, রাজশাহী, ময়মনসিংহ ও ঢাকা অঞ্চলের প্রায় ১০ কোটি গ্রাহককে সেবা দেয়। প্রতিষ্ঠানটির তিন শতাধিক কর্মচারী রয়েছে। এছাড়া একটি বোতলজাত প্ল্যান্ট, তিনটি গুদামসহ প্রায় তিন লাখ বিক্রয়কেন্দ্র রয়েছে কোম্পানিটির। তাদের ডিস্ট্রিবিউটরের সংখ্যা ৫০০।

বিগত ৫ বছরে সিসিবিবি বাংলাদেশের বাজারে ক্রমাগত প্রতিযোগিতামূলকভাবে শক্তিশালী অবস্থান ধরে রেখেছে। এতে ২০২৩ সালের হিসাবে দেশের স্পার্কলিং ক্যাটাগরির বাজারের ৪৫ দশমিক ৩ শতাংশ আধিপত্য ধরে রেখেছে কোকাকোলা বাংলাদেশ।

কোকাকোলা ব্র্যান্ডের পণ্য উৎপাদন, বিতরণ ও বাজারজাত করে থাকে সিসিআই। এই কোম্পানির কার্যক্রম পরিচালিত হয় ১১টি মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ দেশে। এর মধ্যে রয়েছে তুরস্ক, তুর্কমেনিস্তান, আজারবাইজান, ইরাক, জর্ডান, কাজাখস্তান, কিরগিজস্তান, পাকিস্তান, সিরিয়া, তাজিকিস্তান ও উজবেকিস্তান।

নিউজ ট্যাগ: কোকাকোলা

আরও খবর



ফের ক্যানসারে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে সাবিনা ইয়াসমিন

প্রকাশিত:শুক্রবার ২৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
বিনোদন ডেস্ক

Image

২০০৭ সালে দুরারোগ্য ক্যানসারে আক্রান্ত হয়েছিলেন বাংলা গানের পাখি সাবিনা ইয়াসমিন। সবার সহযোগিতায় ক্যানসার জয় করে গানে নিয়মিত হয়েছিলেন তিনি। তবে সম্প্রতি আবারও অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন সাবিনা ইয়াসমিন।

জানা গেছে, আবারও ক্যানসারে আক্রান্ত হয়েছেন তিনি। উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে সিঙ্গাপুরের ন্যাশনাল ক্যানসার সেন্টারে নেয়া হয়েছে। এরই মধ্যে একটি সার্জারি সম্পন্ন হয়েছে। খুব দ্রুতই দেয়া হবে রেডিওথেরাপিও। এ ছাড়াও শারীরিকভাবে দুর্বল হয়ে পড়েছেন ৬৯ বছর বয়সী এই কিংবদন্তি গায়িকা।

পাঁচ দশকেরও বেশি সময় ধরে গানের ভুবনে বিচরণ করছেন সাবিনা ইয়াসমিন। বাংলাদেশের ইতিহাসে একমাত্র রুনা লায়লা ছাড়া তার সমকক্ষ হয়ে কেউ এত লম্বা সময় আধিপত্য বজায় রাখতে পারেননি। মরমী শিল্পী আব্দুল আলীম থেকে শুরু করে একালের উঠতি গায়কদের সঙ্গেও তিনি একের পর এক গান গেয়েছেন। সুযোগ পেয়েছেন উপমহাদেশের বরেণ্য সুরকার আর ডি বর্মণের সুরে গান গাওয়ার। উপমহাদেশের বিখ্যাত দুই কণ্ঠশিল্পী কিশোর কুমার ও মান্না দের সঙ্গেও গান গেয়েছেন সাবিনা ইয়াসমিন।

বাংলাদেশের চলচ্চিত্রের গানের পাশাপাশি তিনি দেশাত্মবোধক গান থেকে শুরু করে উচ্চাঙ্গ, ধ্রুপদী, লোকসঙ্গীত ও আধুনিক বাংলা গানসহ বিভিন্ন ধারার নানান আঙ্গিকের সুরে গান গেয়ে নিজেকে দেশের অন্যতম সেরা সঙ্গীতশিল্পী হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছেন। চলচ্চিত্রের গানে কণ্ঠ দিয়ে তিনি ১৪টি জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার ও ৬টি বাচসাস পুরস্কার অর্জন করেছেন। শিল্পকলার সঙ্গীত শাখায় অবদানের জন্য বাংলাদেশ সরকার তাকে ১৯৮৪ সালে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ বেসামরিক রাষ্ট্রীয় সম্মাননা একুশে পদক এবং ১৯৯৬ সালে সর্বোচ্চ বেসামরিক রাষ্ট্রীয় সম্মাননা স্বাধীনতা পুরস্কারে ভূষিত করে।

এ ছাড়া জহির রায়হান চলচ্চিত্র পুরস্কার পেয়েছেন দুবার। ১৯৮৪ সালে বিশ্ব উন্নয়ন সংসদ থেকে সংগীতের ওপর লাভ করেন ডক্টরেট ডিগ্রিও। ১৯৯০ সালে শেরে বাংলা স্মৃতি পদক, ১৯৯১ সালে বিএফজেএ পুরস্কার ও উত্তম কুমার পুরস্কার, ১৯৯২ সালে অ্যাস্ট্রোলজি পুরস্কার এবং একই বছর নিউইয়র্ক, লস অ্যাঞ্জেলেস থেকে পান বেস্ট সিঙ্গার পুরস্কার। ২০১৭ সালে দশম স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড-দ্য ডেইলি স্টার জীবনের জয়গান উৎসব থেকে পান আজীবন সম্মাননা।

সাবিনা শৈশব থেকে গানের তালিম নেয়া শুরু করেন। তিনি সাত বছর বয়সে প্রথম মঞ্চানুষ্ঠানে অংশ নেন এবং খেলাঘর নামে একটি বেতার অনুষ্ঠানে ছোটদের গান করতেন। ১৯৬২ সালে নতুন সুর চলচ্চিত্রে রবীন ঘোষের সুরে ছোটদের গানে অংশ নেন। চলচ্চিত্রে পূর্ণ নেপথ্য সঙ্গীতশিল্পী হিসেবে তার আত্মপ্রকাশ ঘটে ১৯৬৭ সালে আগুন নিয়ে খেলা চলচ্চিত্রের মধ্য দিয়ে। ১৯৭২ সালে অবুঝ মন চলচ্চিত্রের শুধু গান গেয়ে পরিচয় গানে কণ্ঠ দিয়ে তিনি প্রথম জনপ্রিয়তা অর্জন করেন।

 এ শিল্পীর উল্লেখযোগ্য গানগুলোর মধ্যে রয়েছে: সব সখীরে পার করিতে, এই পৃথীবির পরে, মন যদি ভেঙে যায়, ও আমার রসিয়া বন্ধুরে, জীবন মানেই যন্ত্রণা, জন্ম আমার ধন্য হলো মা গো, সব ক'টা জানালা খুলে দাও না, ও আমার বাংলা মা, মাঝি নাও ছাড়িয়া দে, সুন্দর সুবর্ণ, একটি বাংলাদেশ তুমি জাগ্রত জনতার প্রভৃতি।

সাবিনা ইয়াসমিন শেষ প্লেব্যাক করেছেন প্রয়াত চিত্রনায়িকা ও নির্মাতা কবরী পরিচালিত এই তুমি সেই তুমি ছবির দুটি চোখে ছিল কিছু নীরব কথা শিরোনামের একটি গানে। ২০২০ সালের সেপ্টেম্বরে গানটিতে কণ্ঠ দেন তিনি। এ ছাড়া কবরীর এই তুমি সেই তুমি ছবির চারটি গানে সুরও দেন তিনি। এর মাধ্যমে ক্যারিয়ারে প্রথমবার তিনি সুরকার হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেন।


আরও খবর



তাওহিদ হৃদয়ের ঝড়ে খুলনাকে হারালো কুমিল্লা

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ১৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ১৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
ক্রীড়া প্রতিবেদক

Image

প্রথম চার ম্যাচের দুটিতে হার। বিপিএলের শুরুতে একটু 'শেকি' থাকা যেন নিয়মই বানিয়ে ফেলেছে কুমিল্লা ভিক্টোরিইয়ান্স। টুর্নামেন্ট যতো সামনে এগোতে থাকে, ততই জট খোলে তাদের। পরের চার ম্যাচের চারটিতেই জয় সেটারই প্রমাণ।

ব্যতিক্রম হয়নি বুধবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) খুলনা টাইগার্সের বিপক্ষেও। কুমিল্লার টানা পাঁচ নম্বর জয়টি এসেছে ৭ উইকেটে।

কুমিল্লার সঙ্গে এখানে যোজন-যোজন পার্থক্য খুলনার। আসরের প্রথম চার ম্যাচেই জিতেছিল দলটি।

শুরুর দিকে পয়েন্ট টেবিলের শীর্ষেও ছিল খুলনা। সেই তারাই টানা পাঁচ ম্যাচ হেরে এখন সেরা চারে না থাকার অনিশ্চতায় ভুগছে। আট পয়েন্ট নিয়ে খুলনার অবস্থান এখন পাঁচে। সেখানে রংপুর রাইডার্সের সমান ১৪ পয়েন্ট নিয়েও রানরেটে পিছিয়ে থেকে দুইয়ে অবস্থান কুমিল্লা।

খুলনার ১৬৪ রান তাড়ায় কুমিল্লার শুরুটা অবশ্য ভালো ছিল না। ইনিংসের দ্বিতীয় ওভারে আউট হয়ে যান লিটন দাস। ওয়েইন পার্নেলের বলে লিটনের ক্যাচ নেন মুকিদুল ইসলাম মুগ্ধ। আগের ম্যাচে সেঞ্চুরি করা উইল জ্যাকসও এদিন ডানা মেলার আগে ১৮ রানে আউট হন। দলীয় ৮৩ রানের ফেরেন প্রথম ম্যাচ খেলতে নামা জনসন চার্লসও।

তবে কুমিল্লার দাপটে চিড় ধরতে দেননি তাওহিদ হৃদয়। চট্টগ্রাম পর্বের প্রথম ম্যাচে ব্যাট কথা বলেনি। সেই ঝাল তাওহিদ মিটিয়েছেন পার্নেল-লুক উড সমৃদ্ধ খুলনার বোলিং লাইনআপের ওপর দিয়ে। অপরাজিত ৯১ রানের ইনিংসে খুলনার স্কোরটা আরেকটু বড় না হওয়ার আক্ষেপ করতেই পারেন তাওহিদ। তাকে সঙ্গ দিয়েছেন অপরাজিত ৪০ রানের ইনিংস খেলা জাকের আলি অনিক।

আগের দিন বড় স্কোরের ম্যাচ দেখে টস জিতে ব্যাটিং নিলেও খুলনার ইনিংসে কেউ ঝড় তুলতে পারেননি। তাদের ইনিংস এগিয়েছে অনেকটা 'দশে মিলে করি কাজের' মতো। প্রথম ছয় ব্যাটারই দুই অঙ্ক ছুঁয়েছেন। তবে কারো স্কোর চল্লিশের ঘরে যায়নি।

রয়েসয়ে শুরু করেছিলেন দুই ওপেনার অ্যালেক্স হেলস ও আফিফ হোসেন। ৪.১ ওভার থেকে তারা তুলেন ৩২ রান। ম্যাথু ফোর্ডের বলে হেলস বোল্ড হলে এই জুটি ভাঙে। ১৭ বলে তিন চার ও এক ছক্কায় ২২ রান করেন হেলস। আরেক প্রান্তে ছন্দ পাননি আফিফ। তিনে নেমে রানের গতি বাড়ানোর দায়িত্বটা তাই নিজের কাঁধে তুলে নেন এনামুল হক বিজয়। তবে খুলনার অধিনায়কের ইনিংস বেশিদূর এগোয়নি। মুস্তাফিজুর রহমানের বলে জাকেরের হাতে ক্যাচ দিয়ে ১৮ রান করে ফেরেন তিনি। এনামুলের ১৩ বলের ইনিংসে কোনো চার না থাকলেও দুটি ছক্কার মার রয়েছে।

অধিনায়কের পথ অনুসরণ করতে বেশি সময় লাগেনি আফিফের। দলের স্কোর বোর্ডে আর ২ রান যোগ হতেই তাকে ফেরান প্রথমবার বাংলাদেশ টি-টোয়েন্টি দলে ডাক পাওয়া আলিস আল ইসলাম। এরপর মাহমুদুল হাসান জয় ও এভিন লুইসের ৫৭ রানের জুটি। ১১ রানের ব্যবধানে আউট হন দুজনেই। ১৯ বলে ২৮ রান করা মাহমুদুলকে ফেরান ফোর্ড। ২০ বলে তিন চার ও দুই ছক্কায় ৩৬ রান করা লুইস শিকার মঈন আলির। ইনিংসের বাকি অংশে ব্যাটারদের আসা-যাওয়ার মিছিলে ২০ রান করেন প্রথম ম্যাচ খেলতে নামা পার্নেল। তবে চট্টগ্রামের উইকেটে খুলনার সংগ্রহটা যে যথেষ্ট ছিল না, সেটা তাওহিদের ব্যাটিংয়েই প্রমাণিত।


আরও খবর



পাকিস্তানে ভারী বৃষ্টি ও তুষারপাতে ২৯ জনের মৃত্যু

প্রকাশিত:রবিবার ০৩ মার্চ ২০২৪ | হালনাগাদ:রবিবার ০৩ মার্চ ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
আন্তর্জাতিক ডেস্ক

Image

পাকিস্তানে চলা তুষারঝড় ও বৃষ্টিতে ১৬ শিশুসহ ২৯ জনের মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে দেশটির খাইবার পাখতুনখাওয়া প্রদেশে সবচেয়ে বেশি মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে।

রোববার (৩ মার্চ) এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে এক্সপ্রেস ট্রিবিউন। 

খাইবার পাখতুনখাওয়াতে বৃষ্টি ও তুষারঝড়ে ২৪ জন প্রাণ হারিয়েছে। যার মধ্যে শিশু ১৪ জন। এছাড়া বিভিন্নভাবে আহত হয়েছেন আরও ৩৪ জন। বৃষ্টি ও তুষারপাতে মৃত্যুর পাশপাশি অনেক বাড়িঘর ধ্বংস হয়ে গেছে। এছাড়া তুষারের নিচে আটকা পড়েছে অনেক পশুপাখি।

প্রাদেশিক বিপর্যয় ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষ (পিডিএমএ) জানিয়েছে, তুষারঝড়ের কারণে অনেক সড়ক বন্ধ হয়ে গেছে। সেগুলো চালুর জন্য চেষ্টা চলছে।

পিডিএমএ সতর্কতা দিয়ে বলেছে, এই বৃষ্টি ও তুষারপাত আরও কয়েকদিন অব্যাহত থাকবে। এতে করে খাইবার পাখতুনখাওয়ার পাহাড়গুলো ভারী তুষারে ঢাকা পড়তে পারে।

এদিকে দেশটিতে ভারী বৃষ্টিপাতের কারণে অনেক জায়গায় ভূমিধসের ঘটনা ঘটেছে। এতে করে অনেক মানুষ তাদের বাড়ি-ঘরের নিচে আটকা পড়েছেন। আটকেপড়া এসব মানুষকে উদ্ধারে এখন উদ্ধার অভিযান চলছে।


আরও খবর
আইনি লড়াইয়ে বড় জয় পেলেন ট্রাম্প

মঙ্গলবার ০৫ মার্চ ২০২৪