আজঃ মঙ্গলবার ০৫ মার্চ ২০২৪
শিরোনাম

চুয়াডাঙ্গায় ভারতীয় রুপাসহ গ্রেফতার এক

প্রকাশিত:সোমবার ০২ অক্টোবর 2০২3 | হালনাগাদ:সোমবার ০২ অক্টোবর 2০২3 | অনলাইন সংস্করণ
চুয়াডাঙ্গা প্রতিনিধি

Image

চুয়াডাঙ্গা দামুড়হুদায় ১৯ কেজি ৯৯৮ গ্রাম ভারতীয় রুপা জব্দসহ এক নারীকে গ্রেফতার করেছে দামুড়হুদা মডেল থানা পুলিশ।

আজ সোমবার বেলা আড়াইটার দিকে দামুড়হুদা মডেল থানার চোরাচালান ও মাদক বিরোধী বিশেষ অভিযানের সময় এই জব্দ ও গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতারকৃত শাহানাজ খাতুন(৪০) দামুড়হুদা বিষ্ণুপুর গ্রামের রুস্তম আলির স্ত্রী।

চুয়াডাঙ্গা জেলা পুলিশ সুপার আব্দুল্লাহ আল-মামুন জানান, দামুড়হুদা মডেল থানা চোরাচালান ও মাদক বিরোধী বিশেষ অভিযান পরিচালনাকালে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে এই অভিযান চালনো হয়। এ সময় দামুড়হুদা বিষ্ণুপুর গ্রামের একচালা ওয়াল টিনশেড ঘরে সিমেন্টের বস্তা দিয়ে তৈরী বাজার করা ব্যাগের মধ্য থেকে কস্টেপ দিয়ে মোড়ানো ১৬ টি বান্ডেলে মোট ১৯ কেজি ৯৯৮ গ্রাম ভারতীয় রুপা পাওয়া যায়। যার বাজার মূল্য আনুমানিক ২০ লাখ ৬৪ হাজার টাকা। পরে রুপা এ ঘটনার সাথে যুক্ত থাকার কারণে শাহানাজ খাতুনকে গ্রেফতার করা হয়। তার বিরুদ্ধে দামুড়হুদা মডেল থানায় বিশেষ ক্ষমতা আইনে নিয়মিত মামলা দায়ের করা হয়।

নিউজ ট্যাগ: চুয়াডাঙ্গা

আরও খবর



এবার সুন্নতে খৎনা করাতে গিয়ে আইডিয়াল শিক্ষার্থীর মৃত্যু

প্রকাশিত:বুধবার ২১ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ২১ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক

Image

শিশু আয়ানের মৃত্যুর রেশ না কাটতেই এবার মালিবাগের জেএস ডায়াগনস্টিক অ্যান্ড মেডিকেল চেকআপ সেন্টারে মতিঝিল আইডিয়াল স্কুল অ্যান্ড কলেজের এক শিক্ষার্থীর মৃত্যু হয়েছে। চতুর্থ শ্রেণিতে পড়ুয়া ওই শিক্ষার্থীর নাম আহনাফ তাহমিন আয়হাম (১০)। স্বজনদের অভিযোগ, লোকাল অ্যানেস্থেসিয়া দেওয়ার কথা থাকলেও তারা ফুল অ্যানেস্থেসিয়া দিয়েছে। যে কারণে আহনাফের আর জ্ঞান ফেরেনি। গতকাল মঙ্গলবার রাত ৮টায় আহনাফকে সুন্নাতে খৎনা করাতে অপারেশন থিয়েটারে নেওয়া হয়। এর ঘণ্টাখানেক পর তাকে মৃত ঘোষণা করা হয়।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, মালিবাগের জেএস ডায়াগনস্টিক অ্যান্ড মেডিকেল চেকআপ সেন্টারে অর্থোপেডিক ও ট্রমা সার্জন ডা. এস এম মুক্তাদিরের তত্ত্বাবধানে মঙ্গলবার রাতে সন্তানকে সুন্নাতে খৎনা করাতে আসেন শিশু আয়হামের বাবা ফখরুল আলম ও মা খায়কুন নাহার চুমকি। রাত আটটার দিকে খৎনা করানোর জন্য অ্যানেস্থেসিয়া দেওয়ার পর আর ঘুম ভাঙেনি আহনাফের। এর ঘণ্টাখানেক পর হাসপাতালটির পক্ষ থেকে শিশুটিকে মৃত ঘোষণা করা হয়।

স্বজনদের অভিযোগ, লোকাল অ্যানেস্থেসিয়া দেওয়ার কথা থাকলেও ফুল অ্যানেস্থেসিয়া দেওয়া হয় আহনাফকে। যে কারণে তার জ্ঞান ফেরেনি।

আহনাফের বাবা ফখরুল আলম বলেন, আমরা চিকিৎসককে বলেছিলাম যেন ফুল অ্যানেস্থেসিয়া না দেওয়া হয়। তারপরও আমার ছেলের শরীরে সেটি পুশ করেন ডাক্তার মুক্তাদির। আমি বারবার তাদের পায়ে ধরেছি। আমার ছেলেকে যেন ফুল অ্যানেস্থেসিয়া না দেওয়া হয়। 

আরও পড়ুন>> সাম্প্রদায়িকতার বিষবৃক্ষ মুলোৎপাটনই আজকের দিনের অঙ্গীকার: ওবায়দুল কাদের

তিনি বলেন, আমার সন্তানকে অ্যানেস্থেসিয়া দিয়ে হত্যা করা হয়েছে। এই মৃত্যুর দায় মুক্তাদিরসহ হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ সবারই। আমি তাদের কঠোর শাস্তি চাই।

এদিকে ঘটনার পরই ডায়াগনস্টিক সেন্টার থেকে উধাও হয়ে যান অভিযুক্ত চিকিৎসক ডা. মুক্তাদির। তিনি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বিএসএমএমইউ) অর্থোপেডিক বিভাগের জয়েন্ট ব্যথা, বাতব্যথা, প্যারালাইসিস বিশেষজ্ঞ হিসেবে পরিচয় দিয়ে চিকিৎসা দিতেন বলে জানা গেছে। এ বিষয়ে বক্তব্য জানতে জেএস ডায়াগনস্টিক অ্যান্ড মেডিকেল চেকআপ সেন্টার কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলেও কাউকে পাওয়া যায়নি।

প্রসঙ্গত, গত ৮ জানুয়ারি রাজধানীর সাতারকুল বাড্ডার ইউনাইটেড মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে সুন্নাতে খৎনা করাতে গিয়ে লাইফ সাপোর্টে থাকা শিশু আয়ান মারা যায়। টানা সাত দিন লাইফ সাপোর্টে ছিল আয়ান।


আরও খবর



পটুয়াখালী পৌরসভা : বিদ্যুৎ বিল বকেয়া পড়েছে ১০ কোটি টাকা

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ২০ ফেব্রুয়ারী ২০24 | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ২০ ফেব্রুয়ারী ২০24 | অনলাইন সংস্করণ
পটুয়াখালী প্রতিনিধি

Image

পটুয়াখালী পৌরসভায় চলতি বছরের জানুয়ারি মাস পর্যন্ত বিদ্যুৎ বিল বকেয়া পড়েছে ৯ কোটি ৯৩ লক্ষ পয়তাল্লিশ হাজার বিরানব্বই টাকা। এনিয়ে প্রতি মাসে বকেয়া বিল আদায়ে বিদ্যুৎ অফিস লিখিত চিঠি দিলেও কোন সাড়া দিচ্ছে না পৌরসভা কর্তৃপক্ষ।

জানাগেছে, পৌরভবন, কমিউনিটি হল, পানির পাম্প ও পৌর এলাকার রাস্তাসহ প্রায় ৩২টি হিসাবের বিপরীতে পৌরসভা এ বিদ্যুৎ ব্যবহার করছে। বিগত কয়েক বছর ধরে পটুয়াখালী পৌরসভায় বিদ্যুৎ বিল বকেয়া পড়েছে প্রায় ১০ কোটি টাকা। বিভিন্ন মাসে পৌর কর্তৃপক্ষ বিদ্যুৎ বিল দিলেও বেশির ভাগ মাসেই বিদ্যুৎ বিল পরিশোধ করছে না। এনিয়ে প্রতি মাসে ওয়েষ্ট জোন পাওয়ার ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি (ওজোপডিকো) পটুয়াখালী বারবার বকেয়া বিল পরিশোধে পৌরসভা কর্তৃপক্ষকে চিঠি দিলেও বিল পরিশোধ করেনি তারা।

পটুয়াখালী পৌরসভার বিদ্যুৎ বিভাগের দায়িত্বে থাকা রিয়াজ উদ্দিন মজুমদার জানান, এটা যেহেতু পৌরসভার ব্যাপার তাই মেয়রকে জানালে ভাল হয় কারণ সে বিস্তারিত বলতে পারবে। এর আগে পৌর মেয়র মহিউদ্দিন আহমেদকে দুপুর আড়াইটা থেকে বিকাল পৌনে চারটা পর্যন্ত তার ফোনে একাধিকবার ফোন দিলেও তিনি কল রিসিভ করেনি।

পটুয়াখালী বিদ্যুৎ বিক্রয় ও বিতরণ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী দীন মোহাম্মদ মহিম জানান, বেশ কয়েক বছর ধরেই পৌরসভার কাছে বিদ্যুৎ বিল বকেয়া রয়েছে। যা এখন প্রায় ১০ কোটি টাকার মত দাঁড়ায়। এনিয়ে বর্তমান মেয়র মহিউদ্দিন আহমেদকে বারবার জানানো হয়। তবে ২০২৩ সালের জুন থেকে প্রতিমাসের বিল প্রতি মাসে দিলেও এখনো বিপুল পরিমাণ টাকা বকেয়া রয়েছে।

তিনি আরো বলেন, গত ১৮ ফেব্রুয়ারি রবিবার জেলা প্রশাসকের দরবার হলে জেলা উন্নয়ন সভায় পৌরসভার বকেয়া বিদ্যুৎ বিলটি নিয়ে জেলা প্রশাসকের সাথে আলোচনা হয়। তবে বর্তমানে পৌরসভা নির্বাচন চলায় বিষয়টি নির্বাচনের পর দেখার সিদ্ধান্ত হয়। তখন যদি পৌর কর্তৃপক্ষ বকেয়া বিদ্যুৎ বিল পরিশোধ না করে তবে বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করা হবে বলে জানান।


আরও খবর



চড়ুই পাখির কিচিরমিচির শব্দে ঘুম ভাঙে যে শহরের

প্রকাশিত:শনিবার ২৪ ফেব্রুয়ারী 20২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ২৪ ফেব্রুয়ারী 20২৪ | অনলাইন সংস্করণ
রেদওয়ানুল হক, ঠাকুরগাঁও

Image

বসন্তের ছোয়া লেগেছে প্রকৃতিতে। শীতের হাত থেকে মুক্ত আকাশে পাখা মেলেছে পাখির দল। উড়ন্ত পাখিরা নির্ভয়ে এক প্রান্ত থেকে অন্য প্রান্তে ঘুরে ফিরছে গাছের ডালে।

পাখ-পাখালির কথা উঠলেই চোখে ভেসে ওঠে সবুজে ঘেরা গ্রাম। শ্যামল-ছায়া আর সুনিবিড় সেই গ্রামজুড়ে থাকে পাখির কিচিরমিচির। তবে ইট-পাথরের শহরে কোলাহলের মাঝেও পাখিরা যে গলা ছেড়ে গাইতে পারে- তা চোখে না দেখলে বিশ্বাসই হবে না।

ঠাকুরগাঁও শহরের ব্যস্ততম এলাকা বাসস্ট্যান্ড তেমনই ব্যতিক্রমী একটি জায়গা। যেখানে পাখিরা খুঁজে পেয়েছে তাদের নিরাপদ আবাস। তাইতো ছোট দুই-তিনটি গাছেই প্রতিদিন বিকেল হলেই জড়ো হয় হাজার হাজার চড়ুই। সেই সঙ্গে সন্ধ্যা নামতেই কিচিরমিচির ছন্দে তাল মিলিয়ে মেতে ওঠে তারা। আবার ভোরের আলো ফুটতেই উড়াল দেয় অজানায়।

পশ্চিমে সূর্য ঢলে পড়ার সঙ্গে সঙ্গে ঝাঁকে ঝাঁকে চড়ুইপাখি আসে এই শহরের প্রাণকেন্দ্রে। আবার পূর্ব আকাশে ভোর হলেই বেরিয়ে পড়ে খাবারের সন্ধানে। এ যেন রোজকার রুটিন তাদের। শহরের যান্ত্রিকতা কিংবা কর্মব্যস্ত মানুষের ঘরে ফেরার শোরগোল ছাপিয়ে এই কলতান যেনো রঙ ছড়ায় পথের গল্পে, যা শুনে মুহূর্তের জন্য হলেও থমকে দাঁড়ায় পথিক। তাদের এমন ইতিউতি উড়াউড়ি আর খুঁনসুটি নাগরিক মন খুঁজে পায় গ্রামীন পরশ। হয়ে ওঠে ভীষণ রকম নস্টালজিক। যদিও গ্রামগঞ্জে দিনকে দিন হারিয়ে যাচ্ছে চড়ুই।

ঠাকুরগাঁও বাসস্ট্যান্ড মোড় এলাকায় গিয়ে দেখা যায়, গোধূলি নামতেই ঝাঁকে ঝাঁকে ছুটে আসে গাছের দিকে পাখির দল। এরা গাছের এক ডাল থেকে আরেক ডালে ছোটাছুটি শুরু করে। কিচিরমিচির ডাকে মাতিয়ে তোলে পুরো শহর। সন্ধ্যা হলেই সেখানে কিছুক্ষণ দাঁড়িয়ে যান পথচারীরা। যারা নতুন আসেন তারা দীর্ঘ সময় ধরে পাখির উড়াউড়ি দেখেন, মোবাইলে ভিডিও ধারণ করেন, তোলেন ছবিও।

স্থানীয় ব্যবসায়ীরা বলছেন, কয়েক বছর ধরেই শহরের ব্যস্ততম বাসস্ট্যান্ড চত্বরকে ঘিরে বিদ্যুতের তারে ও গাছের ডালে চড়ুই পাখির এমন বাড়ি দেখা যাচ্ছে। বিকেল হলেই এরা দলে দলে আসতে থাকে। শুরু হয় কিচিরমিচির, ওড়াউড়ি। রাত বাড়লে বিদ্যুতের খুঁটিকে ঘিরে ঘন হয়ে আসে। একসময় চুপ হয়ে যায়। হঠাৎ করে পাখি বলে মনেও হবে না। মনে হতে পারে, গোলাকার কোনো কিছু তারে তারে ঝুলে আছে। শীত, ঝড়-বৃষ্টি সব সময়ই এরা কমবেশি আছে। কোনো কারণে মানুষ বিরক্ত করলে মাঝেমাঝে তারা একটু-আধটু এদিক-ওদিক স্থান বদল করে। কিছুদিন পর আবার পুরোনো স্থানে ফিরে আসে।

ওয়াজেদ নামে এক শিক্ষার্থী বলেন, প্রতিদিন পড়ন্ত বিকেলে পাখিরা এখানে এসে আশ্রয় নেয়। সন্ধ্যায় পুরো এলাকা পাখির কলকাকলিতে মুখর হয়ে ওঠে। নির্বিঘ্নে রাত কাটায় আর ভোর হলেই উড়ে যায় এরা। দিনের শেষে আবার নীড়ে ফেরে।

পরিবেশ কর্মী এস.এম. মনিরুজ্জামান বলেন, আগে বাসা-বাড়িতে প্রচুর চড়ুই পাখি দেখা যেত। এখন পাকা ঘর হওয়ায় আর তেমন দেখা যায় না। শহরের বাসস্ট্যান্ড মৌড়ে অনেকগুলো চড়ুই পাখি। এরা বিদ্যুতের খুঁটি ও তারে রাত কাটায়। যান্ত্রিক শহরে একসঙ্গে এত পাখির চঞ্চলতা ভালোই লাগে।

ঠাকুরগাঁও প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. মোঃ আবুল কালাম আজাদ বলেন, গাছপালা, পশুপাখি প্রকৃতির ভারসাম্য ও বৈচিত্র্য সৃষ্টি করে। চড়ুই পাখিরা দলবদ্ধভাবে বসবাস করতে ভালোবাসে। তাই এরা একসঙ্গে থাকে। শহরের বাসস্ট্যান্ড মোড়ে একটি গাছে হাজারো চড়ুই পাখি বসবাস করছে, এটি দারুণ ভালো লাগার বিষয়। এদেরকে আমাদের সংরক্ষণ করতে হবে।

নিউজ ট্যাগ: ঠাকুরগাঁও

আরও খবর



ঢাকা আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলায় বাংলাদেশ মেশিন টুলস ফ্যাক্টরীর পণ্য

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ২০ ফেব্রুয়ারী ২০24 | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ২০ ফেব্রুয়ারী ২০24 | অনলাইন সংস্করণ
প্রেস বিজ্ঞপ্তি

Image

বাংলাদেশ মেশিন টুলস ফ্যাক্টরী (বিএমটিএফ) লিমিটেড, গাজীপুর নিজস্ব উৎপাদিত পণ্যসমূহ নিয়ে ক্রেতাগণের মাঝে আগ্রহ সৃষ্টি এবং পণ্যসমূহ ক্রেতাদের দোর গোড়ায় পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্যে ঢাকা আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলায় প্যাভিলিয়ন নম্বর ১৪তে বিএমটিএফ লিমিটেড এর ৮টি স্টলে ৪৩৭টি পণ্য নিয়ে অংশগ্রহণ করেছে।

বিএমটিএফ কর্তৃক উৎপাদিত কসমেটিকস্, লেদার আইটেম, জুতা, এ্যাপারেলস, ইলেকট্রিক বাল্ব, জার্মনিল হ্যান্ড স্যানিটাইজার, ফার্নিচার, প্যাকেজিং আইটেম প্যাভিলিয়নে স্থান পেয়েছে।

এছাড়াও রয়েছে বিএমটিএফ এর তৈরীকৃত র‍্যাঙ্ক ব্যাজ, মেডেল, ক্রেস্ট, লোশন, কোটপিন, ড্রেস, এলইডি বাল্ব, সোলার বাল্ব, চেয়ার-টেবিল, সোফা, খাট, প্যাকেজিং সিস্টেম, হ্যান্ডব্যাগ, স্থান সংকুলানের জন্য স্বয়ংক্রিয় দ্বিতল পার্কিং সিস্টেম ভার্টি পার্ক, ব্যাটারী চালিত বাহন পুলক ও বাহকসহ নানা পণ্য।

উল্লেখ্য, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ২০০০ সালে বাংলাদেশ মেশিন টুলস ফ্যাক্টরী (বিএমটিএফ) লিমিটেডকে একটি লাভজনক প্রতিষ্ঠানে পরিণত করে দেশের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে অবদানের উদ্দেশ্যে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর নিকট হস্তান্তর করেন। বিএমটিএফ লিমিটেড এর পরিচালনা পর্ষদের চেয়ারম্যান সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল এস এম শফিউদ্দিন আহমেদ, এসবিপি (বার), ওএসপি, এনডিইউ, পিএসসি, পিএইচডি এবং ব্যবস্থাপনা পরিচালক মেজর জেনারেল মোহাম্মদ আসাদুল্লাহ মিনহাজুল আলম, এনডিইউ, পিএসসি, পিএইচডি হিসেবে দায়িত্বরত রয়েছেন। 

এছাড়া, ঢাকা আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলায় বিএমটিএফ লিমিটেড কর্তৃক উৎপাদিত পণ্যসমূহের প্রতি ক্রেতাগণের ব্যাপক আগ্রহ ও চাহিদা পরিলক্ষিত হয়েছে, যা বিএমটিএফ লিমিটেড এর উৎপাদন কার্যক্রমকে ভবিষ্যতে আরো বেগবান করবে বলে আশা করা যায়।


আরও খবর