আজঃ শনিবার ২৩ অক্টোবর ২০২১
শিরোনাম

দাদাগিরি সঞ্চালনা করবেন অঙ্কুশ

প্রকাশিত:বুধবার ১৩ অক্টোবর ২০২১ | হালনাগাদ:বুধবার ১৩ অক্টোবর ২০২১ | ৫৫০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

প্রথম সঞ্চালনাতেই মাতিয়ে দিয়েছেন জি বাংলার ডান্স বাংলা ডান্স নাচের অনুষ্ঠান। সে সব ছাপিয়ে এ বার তিনি দাদাগিরির সঞ্চালক? সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়ের জায়গায়! জি ফাইভ থেকে পোস্ট হওয়া ছোট্ট ভিডিয়ো তেমনই দেখিয়েছে। সেখানে অঙ্কুশকে দাদার সংলাপ বলতে শোনা গিয়েছে। এবং অনায়াসে তিনি বলেওছেন। অঙ্কুশকে সঞ্চালনা করতে দেখে চোখ ছানাবড়া অংশগ্রহনকারী পরমব্রত চট্টোপাধ্যায়, অনির্বাণ চক্রবর্তীর।

আচমকাই অভিনেতার পিঠে আলতো ছোঁয়া। হাসিমুখে এসে দাঁড়িয়েছেন সঞ্চালক সৌরভ। তাঁর বক্তব্য, অঙ্কুশ আমার ছোট ভাইয়ের মতোই। দাদাগিরিকে নতুন মাত্রায় পৌঁছে দেবে আজকে। তার পরেই মহারাজের বিনীত প্রশ্ন এফআইআর ছবির অভ্রজিৎকে, আমি সঞ্চালকের জায়গায় দাঁড়াব? না, প্রতিযোগীদের পোডিয়ামে যাব?

তখনই ফাঁস সমস্ত রহস্য। অঙ্কুশ জোড়হাতে দাদাকে বলেছেন, দাদা তুমি অলরাউন্ডার। এবং সেরা সঞ্চালক। যদি কোনও দিন ভাইগিরি বলে কোনও অনুষ্ঠান হয়, আমি চেষ্টা করব। দাদাগিরি তোমার। সৌরভ-অঙ্কুশের কথোপকথন, তাঁদের রসিকতায় জমে গিয়েছে প্রশ্নোত্তরের অনুষ্ঠান। দুই তারকার কথা শুনে চওড়া হাসি প্রতিযোগী এবং উপস্থিত সবার মুখে। অনুরাগী-দর্শকেরাও ঝলক দেখে বুঝেছেন, এটি আসলে আগামী অনুষ্ঠানের প্রচার ভিডিয়ো। একই সঙ্গে স্বস্তির শ্বাসও ফেলেছেন। মন্তব্য বিভাগে তার ছাপ স্পষ্ট। সবাই এক বাক্যে অঙ্কুশের বলা কথার পুনরাবৃত্তি ঘটিয়েছেন, খাঁটি কথা। 


আরও খবর



মেয়র মো. আতিকুল ইসলামসহ ৫ জনের বিরুদ্ধে আদালত অবমাননার রুল

প্রকাশিত:সোমবার ০৪ অক্টোবর ২০২১ | হালনাগাদ:সোমবার ০৪ অক্টোবর ২০২১ | ৩৭৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

আদালতের আদেশ অমান্য করায় ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের মেয়র মো. আতিকুল ইসলামসহ পাঁচজনের বিরুদ্ধে কেন শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে না, তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন হাইকোর্ট।

সোমবার (৪ অক্টোবর) বিচারপতি মো. মজিবুর রহমান মিয়া ও বিচারপতি মো. কামরুল হোসেন মোল্লার হাইকোর্ট বেঞ্চ তাদের বিরুদ্ধে রুল জারির লিখিত আদেশ দেন।

অন্য চারজন হলেন : ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. সেলিম রেজা, প্রধান প্রকৌশলী বিগ্রেডিয়ার জেনারেল মুহাম্মদ আমিনুল ইসলাম, সিটি করপোরেশনের সচিব মোহাম্মদ মাসুদ আলম সিদ্দিকী ও প্রধান তদন্ত কর্মকর্তা মো. মোজাম্মেল হক।

আদালতে রিটের পক্ষে শুনানি করেন অ্যাডভোকেট পংকজ কুমার কুণ্ডু বলেন, দীর্ঘ দিন ধরে পদোন্নতি না হওয়ায় হাইকোর্টে রিট করেন ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের উপ-সহকারী প্রকৌশলী মো. মিজানুর রহমান। রিটের শুনানি নিয়ে ২০১৯ সালের ৪ নভেম্বর বিচারপতি মো. আশফাকুল ইসলামের নেতৃত্বাধীন হাইকোর্ট বেঞ্চ ঢাকা উত্তর সিটি কর্তৃপক্ষকে পদোন্নতির জন্য তার করা আবেদন নিষ্পত্তি করতে আদেশ দেন। তারা সেই আবেদন নিষ্পত্তি না করায় মিজানুর রহমান সিটি করপোরেশনের সংশ্লিষ্টদের লিগ্যাল নোটিশ পাঠান।

নোটিশ পাওয়ার পর ক্ষিপ্ত হয়ে উপ-সহকারী প্রকৌশলী মো. মিজানুর রহমানকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়। এ বরখাস্তের আদেশ চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে রিট করেন মিজানুর রহমান। সেই রিটের শুনানি নিয়ে চলতি বছরের ২৪ জানুয়ারি হাইকোর্ট তাকে বরখাস্তের আদেশ স্থগিত করেন। পাশাপাশি রুল জারি করেন।

আইনজীবী জানান, হাইকোর্টে আদেশ স্থগিত চেয়ে আপিল বিভাগে যায় সিটি করপোরেশন কর্তৃপক্ষ। গত ৪ মে আপিল বিভাগও হাইকোর্টের আদেশ বহাল রাখেন। আদালতের আদেশের পরও মিজানুর রহমানকে স্বপদে বহাল করা হয়নি। উল্টো মিজানুর রহমানের বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু করে সিটি করপোরেশন।

এছাড়া বরখাস্ত থাকাদের মতই মিজানুর রহমানকে অর্ধেক আনুষঙ্গিক ভাতা দেওয়া হয়। এ অবস্থায় ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের মেয়রসহ ৫ জনের বিরুদ্ধে আদালত অবমাননার মামলা করা হয়। মামলার শুনানি নিয়ে হাইকোর্ট মেয়র আতিকুল ইসলামসহ ৫ জনের বিরুদ্ধে আদালত অবমাননার রুল জারি করেন। চার সপ্তাহের মধ্যে তাদের রুলের জবাব দিতে বলা হয়।


আরও খবর



শান্তিতে নোবেল পেলেন দুই সাংবাদিক

প্রকাশিত:শুক্রবার ০৮ অক্টোবর ২০২১ | হালনাগাদ:শুক্রবার ০৮ অক্টোবর ২০২১ | ৪৯৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

শান্তিতে নোবেল জিতলেন ফিলিপাইন বংশোদ্ভূত মার্কিন সাংবাদিক মারিয়া রেসা এবং রাশিয়ার সাংবাদিক দিমিত্রি মোরাতোভ। প্রতিবছরের মতো এ বছরও নোবেল পুরস্কারের এই ক্যাটাগরি নিয়েই সবার আগ্রহ ছিল।

শুক্রবার (৮ অক্টোবর) বাংলাদেশ সময় বিকাল ৩টায় শান্তি পুরস্কার বিজয়ী হিসেবে তাদের নাম ঘোষণা করে নরওয়ের নোবেল কমিটি।

নোবেল কমিটি বলেছে, মত প্রকাশের স্বাধীনতা রক্ষায় নিজেদের ভূমিকার কারণে মারিয়া রেসা এবং দিমিত্রি মোরাতোভকে এই পুরস্কার দেওয়া হয়েছে। নোবেল কমিটি মনে করে গণতন্ত্র এবং দীর্ঘমেয়াদি শান্তির পূর্ব শর্তই হচ্ছে মত প্রকাশের স্বাধীনতার সুরক্ষা।

মারিয়া রেসা ফিলিপাইনভিত্তিক অনলাইন নিউজ ওয়েবসাইট র‌্যাপলার-এর সহপ্রতিষ্ঠাতা। এর আগে তিনি মার্কিন সম্প্রচারমাধ্যম সিএনএনের হয়ে দক্ষিণপূর্ব এশিয়ায় দুই দশক অনুসন্ধানী সাংবাদিকতা করেছেন। আর দিমিত্রি মোরাতোভ রুশ সংবাদপত্র নোভায়া গেজেতার এডিটর ইন চিফ। এই সংবাদপত্রটিকে অনেকেই রাশিয়ার একমাত্র সত্যিকার সমালোচক সংবাদমাধ্যম মনে করে থাকে।

২০২০ সালে শান্তিতে নোবেল পুরস্কার পায় জাতিসংঘের বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচি (ডব্লিউএফপি)। ক্ষুধামুক্ত বিশ্ব গড়ার লড়াইয়ে অনন্য ভূমিকার জন্য সংস্থাটিকে এ পুরস্কারের জন্য মনোনীত করা হয়। ২০১৯ সালে শান্তিতে নোবেল পুরস্কার জেতেন ইথিওপিয়ার প্রধানমন্ত্রী আবি আহমেদ। ইথিওপিয়া ও ইরিত্রিয়ার সংঘাত নিরসনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করায় বিশ্বের সবচেয়ে মর্যাদাবান পুরস্কার জেতেন তিনি।

এর আগে নেলসন ম্যান্ডেলা, মাদার তেরেসা ও বারাক ওবামার মতো ব্যক্তিত্বরা নোবেল শান্তি পুরস্কার পেয়েছেন। বাংলাদেশ থেকে একমাত্র ব্যক্তি হিসেবে নোবেল পুরস্কার পেয়েছেন গ্রামীণ ব্যাংকের প্রতিষ্ঠাতা অর্থনীতিবিদ ড. মুহাম্মদ ইউনূস।

প্রসঙ্গত, ১৮৯৫ সালের নভেম্বর মাসে আলফ্রেড নোবেল নিজের মোট উপার্জনের ৯৪% (৩ কোটি সুইডিশ ক্রোনার) দিয়ে তার উইলের মাধ্যমে নোবেল পুরস্কার প্রবর্তন করেন। এই বিপুল অর্থ দিয়েই শুরু হয় পদার্থবিজ্ঞান, রসায়ন, চিকিৎসাবিজ্ঞান, সাহিত্য ও শান্তিতে নোবেল পুরস্কার প্রদান।

১৯৬৮ সালে তালিকায় যুক্ত হয় অর্থনীতি। সে বছর পুরস্কার ঘোষণার আগেই মৃত্যুবরণ করেছিলেন আলফ্রেড নোবেল। আইনসভার অনুমোদন শেষে তার উইল অনুযায়ী নোবেল ফাউন্ডেশন গঠিত হয়। তাদের ওপর দায়িত্ব বর্তায় আলফ্রেড নোবেলের রেখে যাওয়া অর্থের সার্বিক তত্ত্বাবধান করা এবং নোবেল পুরস্কারের সার্বিক ব্যবস্থাপনা করা। বিজয়ী নির্বাচনের দায়িত্ব সুইডিশ অ্যাকাডেমি আর নরওয়েজিয়ান নোবেল কমিটিকে ভাগ করে দেওয়া হয়।


আরও খবর



সিরাজগঞ্জ-৬ উপনির্বাচন

উন্নয়নের স্বার্থে ড. লিটনকে চান আ.লীগের নেতাকর্মীরা

প্রকাশিত:শনিবার ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২১ | হালনাগাদ:শনিবার ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২১ | ৭৬০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

সিরাজগঞ্জ-৬ আসনের উপনির্বাচনে যুবলীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য ড. সাজ্জাদ হায়দার লিটনকে আওয়ামী লীগের প্রার্থী হিসেবে দেখতে চান স্থানীয় নেতাকর্মীরা। তাঁদের মতে, এলাকার উন্নয়নে এবং কর্মীবান্ধব নেতা হিসেবে ড. লিটনের বিকল্প নেই। ড. লিটনের বাবা মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল মতিন মোহনের হাত ধরে যেমন শাহজাদপুর উপজেলার গুরুত্বপূর্ণ অনেক পরিবর্তন এসেছে, তেমনি ড. লিটনকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত করা গেলেও এলাকায় যুগান্তকারী অনেক পরিবর্তন আসবে। স্থানীয় নেতাকর্মীদের সঙ্গে সুসম্পর্ক এবং সরকার ও আওয়ামী লীগের উচ্চ পর্যায়ে ভাল যোগাযোগ থাকায় তাঁর পক্ষেই কাঙ্খিত উন্নয়ন সম্ভব। শাহজাদপুর আওয়ামী লীগের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা এমনটা জানিয়েছেন।

সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুর উপজেলা নিয়ে গঠিত সিরাজগঞ্জ-৬ সংসদীয় আসন। সম্প্রতি সংসদ সদস্য হাসিবুর রহমান স্বপনের মৃত্যুতে আসনটি শূণ্য হয়। শাহজাদপুর উপজেলার অর্থনীতির মূল চালিকা শক্তি হলো দুগ্ধ এবং তাঁত শিল্প। করতোয়া নদীর পশ্চিমে দুগ্ধ শিল্প আর পূর্ব দিকে তাঁত শিল্পের প্রাধান্য। শাহজাদপুরে এই দুইটি শিল্পের বিকাশে যিনি সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন তিনি হলেন ড. লিটনের বাবা মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল মতিন মোহন। তিনি শাহজাদপুরের পোঁতাজিয়া ইউনিয়ন পরিষদের ৫ বার নির্বাচিত চেয়ারম্যান এবং শাহজাদপুর উপজেলা পরিষদের দুইবার ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান ছিলেন। তিনি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান থাকাকালেই পোঁতাজিয়া ইউনিয়নে স্থাপন হয় বাংলাদেশ দুগ্ধ উৎপাদনকারী সমবায় ইউনিয়ন লিমিটেড (মিল্কভিটা) এর সবচেয়ে বড় কারখানা।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল মতিন মোহনের হাত ধরে শাহজাদপুরে তাঁত শিল্পেরও বিকাশ হয়। তিনি পাকিস্তান আমলে তাঁত শিল্পের সঙ্গে যুক্ত হন। তৎকালীন ভারতের বোম্বে (মুম্বাই) থেকে ডিজাইন নিয়ে এসে শাহজাদপুরে নিজের কারখানায় কাপড় উৎপাদন করতেন মোহন। তিনি সেসময়ে শাহজাদপুর বণিক সমিতির সভাপতিও ছিলেন। তিনি মুক্তিযুদ্ধের সময়ে একদিকে যেমন সম্মুখ যুদ্ধে অংশ নেন অন্যদিকে মুক্তিযোদ্ধাদের অর্থনৈতিকভাবেও সহযোগিতা করতেন।

জানা যায়, আব্দুল মতিন মোহনের পদাঙ্ক অনুসরণ করে তাঁর সন্তান সাজ্জাদ হায়দার লিটনও শাহজাদপুরের মানুষের পাশে থেকে তাদের সেবা করে চলেছেন। তার ঐকান্তিক চেষ্টায় শাহজাদপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সকে ৫০ শয্যায় উন্নীত করা হয়েছে। তাঁর বাবা আব্দুল মতিন মোহনের নামে রাস্তা, ব্রিজ নির্মাণ করেছেন। নিজস্ব জমি ও অর্থায়নে স্কুল, ঈদগাহ, কবরস্থান নির্মাণ করেছেন।

জানা গেছে, গত দুই দশক ধরে জাতীয় পর্যায়ে আওয়ামী লীগের রাজনীতির পক্ষে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে চলেছেন সাজ্জাদ হায়দার লিটন। তিনি গত ১৯ বছর ধরে আওয়ামী যুবলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির নেতা। বর্তমানে তিনি যুবলীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য। এর আগে ২০১২ সালে যুবলীগের কমিটি গঠন হলে সাজ্জাদ হায়দার লিটন আন্তর্জাতিক সম্পাদকের দায়িত্ব পান। এরও আগে জাহাঙ্গীর কবির নানক ও মির্জা আজমের নেতৃত্বাধীন কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য ছিলেন ড. লিটন। তিনি ২০১২ সালে আন্তর্জাতিক সম্পাদক হওয়ার পরে সারা বিশ্বে যুবলীগের কর্মকাণ্ডে গতির সঞ্চার হয়। তিনি বিভিন্ন দেশ ঘুরে যুবলীগকে সংগঠিত করেন।

২০০৭ সালের আলোচিত এক এগারোর রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে সাহসী ভূমিকা রাখেন সাজ্জাদ হায়দার লিটন। সেসময়ের বাস্তবতায় অনেক নেতা যখন গা ঢাকা দেন তখন তিনি রাজপথে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন। তিনি আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনার কারামুক্তির আন্দোলন সংগ্রামে সামনের সারিতে ছিলেন। ঝুঁকি নিয়ে ও তৎকালীন সেনা সমর্থিত সরকারের রক্তচক্ষু উপেক্ষা করে সাজ্জাদ হায়দার লিটন ধানমণ্ডির সুধাসদনে শেখ হাসিনার সঙ্গে যোগাযোগ রাখতেন।

শাহজাদপুরের বিভিন্ন পর্যায়ের আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা সাজ্জাদ হায়দার লিটনকে আগামী উপনির্বাচনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী হিসেবে দেখতে চান। ড. লিটনের পরিবার ও তাঁর নিজের রাজনৈতিক অবদান, শিক্ষাগত যোগ্যতা, কর্মী বান্ধব রাজনীতি, সর্বপোরি জনসেবার মানসিকতাই তাঁকে প্রার্থী হিসেবে এগিয়ে রাখছে।

জানতে চাইলে শাহজাদপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি রফিকুল ইসলাম বাবলা বলেন, এবারের উপনির্বাচনে দুই পরিবারের তিনজন মনোনয়ন প্রত্যাশীর মধ্যে মূল লড়াই হবে।

সাজ্জাদ হায়দার লিটনের প্রসঙ্গে তিনি বলেন, তাঁর বাবা একজন বীর মুক্তিযোদ্ধা ছিলেন। বর্তমানে ড. লিটন যুবলীগের কেন্দ্রীয় গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে আছেন। এলাকাতেও তাঁর ভালো অবস্থান রয়েছে।

পোঁতাজিয়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মো. আনসার আলী বলেন, লিটনের বাবা মুক্তিযোদ্ধা ছিলেন। পোঁতাজিয়া ইউনিয়নের টানা ৫ বার চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন। তিনি উপজেলা আওয়ামী লীগের সিনিয়র সহসভাপতি ছিলেন। তাঁর নেতৃত্বে আমরা রাজনীতি করেছি। লিটন নিজেও যুবলীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য। তাঁর বাবার অবস্থান এবং নিজের সাংগঠনিক পরিচয় সবমিলিয়ে এলাকায় ব্যাপক পরিচিতি রয়েছে। আওয়ামী লীগ তাঁকে মনোনয়ন দিলে এলাকার সবাই তার পক্ষে কাজ করবে। তবে যদি কোনো হাইব্রিড নেতা মনোনয়ন পায় তাহলে আমরা কষ্ট পাব।

নিউজ ট্যাগ: সিরাজগঞ্জ

আরও খবর



ভৈরবে লাইনচ্যুতির সাড়ে ছয় ঘণ্টা পর ট্রেন চলাচল শুরু

প্রকাশিত:শনিবার ০২ অক্টোবর 2০২1 | হালনাগাদ:শনিবার ০২ অক্টোবর 2০২1 | ৫৯০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image
খবর পেয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যসহ রেলওয়রে কর্মকর্তা-কর্মচারীরা ঘটনাস্থলে গিয়ে যাত্রীদের নিরাপত্তা বিধান করেন

কিশোরগঞ্জের ভৈরবে ময়মনসিংহ থেকে চট্টগ্রামগামী নাসিরাবাদ ট্রেনের চাকা লাইনচ্যুত হওয়ায় সাড়ে ছয় ঘণ্টা পর চলাচল স্বাভাবিক হয়েছে। আজ শনিবার বিকেলে ৪টার দিকে একটি উদ্ধারকারী ট্রেন এসে দুর্ঘটনাকবলিত ট্রেনের চাকাগুলো ঠিক করলে সন্ধ্যে ৭টার দিকে ট্রেন চলাচল শুরু হয়।

এ বিষয়ে ভৈরব রেলওয়ে স্টেশন মাস্টার মো. নূরনবী জানান, ময়মনসিংহ থেকে ছেড়ে আসা চট্টগ্রামগামী নাসিরাবাদ এক্সপ্রেস ট্রেনটি ভৈরবের জগন্নাথপুর এলাকায় পৌঁছলে এর চারটি চাকা লাইনচ্যুত হয়। ফলে ওই পথে ট্রেন চলাচল বন্ধ হয়ে যায়।

খবর পেয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যসহ রেলওয়রে কর্মকর্তা-কর্মচারীরা ঘটনাস্থলে গিয়ে যাত্রীদের নিরাপত্তা বিধান করেন। পরে বিকেলে ৪টার দিকে একটি উদ্ধারকারী ট্রেন এসে দুর্ঘটনাকবলিত ট্রেনের চাকাগুলো উদ্ধার করলে সন্ধ্যা ৭টার দিকে ট্রেন চলাচল স্বাভাবিক হয়।

আজ শনিবার দুপুর দেড়টার দিকে ভৈরব রেলওয়ে স্টেশন সংলগ্ন জগন্নাথপুর এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। এর ফলে ঢাকা থেকে ছেড়ে আসা কিশোরগঞ্জগামী কিশোরগঞ্জ এক্সপ্রেস ট্রেনটি প্রায় চার ঘণ্টা ভৈরব বাজার রেলওয়ে স্টেশনে আটকে থাকে। এতে করে ট্রেন দুটির যাত্রীরা বিলম্ব যাত্রাসহ দুর্ভোগে পড়েন।

নিউজ ট্যাগ: কিশোরগঞ্জ

আরও খবর



নড়াইলে সার্বজনীন কেন্দ্রীয় দুর্গা মন্দির উদ্বোধন

প্রকাশিত:রবিবার ১০ অক্টোবর ২০২১ | হালনাগাদ:রবিবার ১০ অক্টোবর ২০২১ | ৬১০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

নড়াইল প্রতিনিধি:

দুর্গাপূজার আগের দিনে নড়াইলের বাঁধাঘাটে সার্বজনীন কেন্দ্রীয় দুর্গা মন্দিরের উদ্বোধন করছেন স্থানীয় সরকার পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী স্বপন ভট্টাচার্য্য এমপি। রবিবার (১০ অক্টোবর) দুপুরে নড়াইলের জমিদারবাড়ির বাধাঘাটের সাথে লাগোয়া মন্দির উদ্বোধন করা হয়। এসময় উপস্থিত ছিলেন নড়াইল- ২ আসনের সংসদ সদস্য মাশরাফি বিন মর্তুজা।

প্রতিমন্ত্রী স্বপন ভট্টাচার্য্য বলেন, একসময় নড়াইলের সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য যশোরের নামে লেখা হতো। এই ঐতিহ্যবাহী নড়াইলের বাঁধাঘাট এলাকায় সার্বজনীন দুর্গা মন্দির স্থাপিত হয়েছে। দৃষ্টিনন্দন এই মন্দির উদ্বোধন করতে পেরে আমি আনন্দিত।

বাঁধাঘাট শ্রী শ্রী সর্বজনীন কেন্দ্রীয় দুর্গা মন্দির কমিটির সভাপতি শিশির কুমার বৈরাগীর সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন রামকৃষ্ণ আশ্রম যশোর ও নড়াইলের অধ্যক্ষ স্বামী জ্ঞান প্রকাশানন্দ। এসময় দৃষ্টিনন্দন এই মন্দিরের স্থপতি বিধান কুমার সাহাসহ জমিদানকারীদের ক্রেস্ট প্রদান করে অভিনন্দন জানান আয়োজকরা।

সকলকে শারদীয় শুভেচ্ছা জানিয়ে নড়াইল২ আসনের সংসদ সদস্য মাশরাফি বিন মর্তুজা বলেন, বঙ্গবন্ধুর অসম্প্রদায়িক দেশ গড়তে আমাদেরকে এগিয়ে আসতে হবে। আমরা যাতে যার যার মতো করে পরিবার নিয়ে বসবাস করতে পারি।

পরে নতুনভাবে স্থাপিত বাধাঘাট সার্বজনিন কেন্দ্রীয় দুর্গা মন্দিরের ভিত্তিফলক উন্মেচন করা হয়। মঙ্গল প্রদীপ জ্বালিয়ে ও ফিতা কেটে মন্দিরের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন- জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ হাবিবুর রহমান, পুলিশ সুপার প্রবীর কুমার রায়, জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান অ্যাড. সোহরাব হোসেন বিশ্বাস, সদর উপজেলা চেয়ারম্যান নিজাম উদ্দিন খান নিলু, পৌর মেয়র আঞ্জুমান আরা, কালিয়া পৌরমেয়র ওহিদুজ্জামান হিরা, প্রকৌশলী শৈলেন্দ্র নাথ সাহা, বাঁধাঘাট সর্বজনীন কেন্দ্রীয় দুর্গা মন্দির কমিটির নিলাংশু শেখর নিপু প্রমুখ।


আরও খবর