আজঃ বুধবার ০৪ আগস্ট ২০২১
শিরোনাম

দারুণ একটি মাইলফলকের সামনে মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ

প্রকাশিত:সোমবার ১৯ জুলাই ২০২১ | হালনাগাদ:সোমবার ১৯ জুলাই ২০২১ | ১১০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

বর্ণাঢ্য ক্যারিয়ারে দারুণ একটি মাইলফলকের সামনে মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ। নিজের ওয়ানডে ক্রিকেট ক্যারিয়ারে ২০০তম ম্যাচ খেলার অপেক্ষায় আছেন এ তারকা অলরাউন্ডার।

এ পর্যন্ত বাংলাদেশ ক্রিকেটের পঞ্চপান্ডবের চারজনই ২০০র মাইলফলক পেরিয়েছেন। মাহমুদউল্লাহ বাকি ছিলেন। সেটিই পূরণ হতে চলেছে।

মঙ্গলবার দেড়টায় জিম্বাবুয়ের হারারে স্পোর্টস ক্লাব মাঠে তিন ম্যাচ সিরিজের শেষ খেলায় স্বাগতিকদের হোয়াইটওয়াশের লক্ষ্যে মাঠে নামবে টাইগাররা।

এদিন মাঠে নামার মধ্য দিয়ে দেশের পঞ্চম ক্রিকেটার হিসেবে ওয়ানডেতে ২০০তম ম্যাচ পূর্ণ হবে মাহমুদউল্লাহর।


আরও খবর



করোনায় চট্টগ্রামে রেকর্ড মৃত্যু, শনাক্ত ১৩১০ জন

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ২৭ জুলাই ২০২১ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ২৭ জুলাই ২০২১ | ৯১জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

ঈদের পর চট্টগ্রামে করোনায় মৃত্যু ও শনাক্তের হার বেড়েছে। মঙ্গলবার (২৭ জুলাই) একদিনে চট্টগ্রামে সর্বোচ্চ ১৮ জনের মৃত্যুর তথ্য জানানো হয়। নগরীর বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তারা মারা যান। সিভিল সার্জন সেখ ফজলে রাব্বি এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। একই সময়ে চট্টগ্রামে নতুন করে আরও এক হাজার ৩১০ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছে বলেও জানান তিনি।  

গত বছরের ৪ এপ্রিল চট্টগ্রামে প্রথম করোনা রোগী শনাক্তের পর চট্টগ্রামে একদিনে এটিই সর্বোচ্চ মৃত্যু। এর আগে গত ২০ জুলাই চট্টগ্রামে করোনায় আক্রান্ত হয়ে একদিনে সর্বোচ্চ ১৫ জন মারা যান। ওই ঘটনার সাত দিনের মাথায় আজ ১৮ জনের মৃত্যুর তথ্য জানানো হয়।

সেখ ফজলে রাব্বি বলেন, গত ২৪ ঘন্টায় চট্টগ্রামে করোনায় আক্রান্ত হয়ে আরও ১৮ জনের মৃত্যু হয়েছে। এটি এখন পর্যন্ত চট্টগ্রামে করোনায় আক্রান্ত হয়ে একদিনে সর্বোচ্চ রোগীর মারা যাওয়ার ঘটনা। অন্যদিকে গত ২৪ ঘণ্টায় চট্টগ্রামে করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন এক হাজার ৩১০ জন। এ নিয়ে চট্টগ্রামে করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন মোট ৭৭ হাজার ৫২১ জন। এর মধ্যে ৫৮ হাজার ৩২৩ জন চট্টগ্রাম নগরীর। বাকি ১৯ হাজার ১৯৮ জন বিভিন্ন উপজেলার।

সিভিল সার্জন কার্যালয়ের প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, গত ২৪ ঘণ্টায় চট্টগ্রামের ১০টি ল্যাবে তিন হাজার ৩৮৯ টি নমুনা পরীক্ষায় এক হাজার ৩১০ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছে। এর মধ্যে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় ল্যাবে ২২৫টি, বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ট্রপিক্যাল অ্যান্ড ইনফেকশাস ডিজিজেস (বিআইটিআইডি) ল্যাবে ৫০৬টি, চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ (চমেক) ল্যাবে ৩০৭টি এবং চট্টগ্রাম ভেটেরিনারি ও অ্যানিম্যাল সায়েন্সেস বিশ্ববিদ্যালয় ল্যাবে ৩৪৫টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়।

এর মধ্যে চবি ল্যাবে ১২৩ জন বিআইটিআইডি ল্যাবে ১৭৫ জন, চমেক ল্যাবে ১৩৪ জন এবং সিভাসু ল্যাবে ১৫০ জনের করোনা শনাক্ত হয়। এছাড়া এদিন এক হাজার ২৯০টি অ্যান্টিজেন পরীক্ষায় ৪২৯ জনের করোনা শনাক্ত হয়।

অন্যদিকে বেসরকারি ইমপেরিয়াল হাসপাতালে ৪৫৬ টি নমুনা পরীক্ষায় ১৭৭ জন, শেভরন হাসপাতাল ল্যাবে ১৪১টি নমুনা পরীক্ষায় ৬৮ জন, চট্টগ্রাম মা ও শিশু হাসপাতালে ৬৩টি নমুনা পরীক্ষা করে ২৮ জন এবং মেডিক্যাল সেন্টার হাসপাতালে ৪৪টি নমুনা পরীক্ষায় ২৩ জনের শরীরে করোনা শনাক্ত হয়েছে। এছাড়া কক্সবাজার মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে চট্টগ্রামের ১২টি নমুনা পরীক্ষা করে তিন জনের করোনা শনাক্ত হয়।



আরও খবর



ভেঙে গেল মিয়া খলিফার সংসার

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ২২ জুলাই ২০২১ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ২২ জুলাই ২০২১ | ২৪০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

সাবেক পর্নো তারকা মিয়া খলিফা। ২০১৯ সালে সুইডিশ শেফ রবার্ট স্যান্ডবার্গের সঙ্গে বাগদান সারেন তিনি। একই বছর জুনে বিয়ে করেন তারা। কিন্তু বিচ্ছেদের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন এই দম্পতি।

বুধবার (২১ জুলাই) ফটো ও ভিডিও শেয়ারিং সাইট ইনস্টাগ্রামে বিচ্ছেদের ঘোষণা দিয়ে এই সাবেক পর্নো তারকা লিখেছেন, আমরা দুইজনেই বেশ জোরের সঙ্গে বলতে পারি, বিয়ে বাঁচিয়ে রাখার সব চেষ্টা করেছিলাম। কিন্তু গত ১ বছর থেরাপি এবং সমস্ত চেষ্টা সত্ত্বেও তা কার্যকর হলো না। তবে একথা বলতে পারি আমরা পরস্পরের খুব ভালো বন্ধু হয়ে থাকব। শুধু এটুকু বলতে পারি, মনে কোনো অনুশোচনা না রেখেই আমরা আলাদা হচ্ছি। তবে পরিবার-পরিজন-বন্ধুবান্ধব ও বিশেষ করে সারমেয়র প্রতি আমাদের দুজনের ভালোবাসার কারণে আমাদের যোগাযোগ থেকেই যাবে।

এর আগে ২০১১ সালে স্কুল জীবনের প্রেমিককে বিয়ে করেছিলেন মিয়া খলিফা। কিন্তু ২০১৪ সালে তারা আলাদা হয়ে যান। ২০১৬ সালে তাদের বিচ্ছেদ হয়। এরপর পর্নো ইন্ডাস্ট্রিতে ক্যারিয়ার শুরু করেন মিয়া। বর্তমানে তিনি সোশ্যাল মিডিয়া ইনফ্লুয়েন্সার ও স্পোর্টস ব্রডকাস্টার হিসেবেই পরিচিত।


আরও খবর
পরীমনির বাসায় শত শত মদের বোতল

বুধবার ০৪ আগস্ট ২০২১

নায়িকা পরীমণি আটক

বুধবার ০৪ আগস্ট ২০২১




বাংলাদেশি তরুণী নির্যাতন, বেঙ্গালুরুতে গ্রেপ্তার ১২

প্রকাশিত:শুক্রবার ০৯ জুলাই ২০২১ | হালনাগাদ:শুক্রবার ০৯ জুলাই ২০২১ | ১০৪জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

ভারতে বাংলাদেশি তরুণীকে যৌন নির্যাতন ও গণধর্ষণের মামলায় ১২ জনকে গ্রেপ্তার করেছে বেঙ্গালুরুর পুলিশ। বেঙ্গালুরুর পুলিশ কমিশনার কমল পন্থ এ বিষয়ে বৃহস্পতিবার সিরিজ টুইট করেছেন। পরে এ নিয়ে একটি রিপোর্ট প্রকাশ করে এনডিটিভি।

তবে গ্রেপ্তারকৃত ব্যক্তিদের নাম জানায়নি গণমাধ্যমটি। সেখানে বলা হয়, গ্রেপ্তার হওয়া ব্যক্তিদের মধ্যে ১১ জন বাংলাদেশি। গ্রেপ্তারকৃত ১২ জনের মধ্যে দুজন নারী।

পরে সিরিজ টুইট বার্তায় ওই গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করেন বেঙ্গালুরুর পুলিশ কমিশনার কমল পন্থ। তিনি বলেন, মাত্র পাঁচ সপ্তাহের মধ্যে তদন্ত শেষ করা হয়েছে এবং আদালতে অভিযোগপত্রও দাখিল করা হয়েছে।

এসময় তদন্ত দ্রুত শেষ করে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিলের জন্য তদন্তকারী দলের প্রশংসা করেছেন পন্থ। তদন্তকারী দলের জন্য ১ লাখ রুপি পুরস্কার অনুমোদন দেয়ার কথাও জানান বেঙ্গালুরুর পুলিশ কমিশনার।

উল্লেখ্য, গত মে মাসে নির্যাতনের শিকার হয় বাংলাদেশের ওই তরুণী। এই ঘটনার ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়ে। তখন বলা হয়, ২২ বছর বয়সী ওই তরুণীকে নির্যাতনের পর গণধর্ষণও করা হয়েছিল।


আরও খবর



মুনিয়ার মৃত্যু: বসুন্ধরার এমডি সায়েমের সংশ্লিষ্টতা পায়নি পুলিশ

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ২২ জুলাই ২০২১ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ২২ জুলাই ২০২১ | ১১৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

দেশের চাঞ্চল্যকর ঘটনা কলেজছাত্রী মোসারাত জাহান মুনিয়ার রহস্যজনক মৃত্যু। এই ঘটনায় বসুন্ধরা গ্রুপের এমডি সায়েম সোবহান আনভীরের বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলা তদন্তে নেমে তার কোনো ধরনের সংশ্লিষ্টতার তথ্য-প্রমাণ পায়নি পুলিশ। এজন্য আত্মহত্যার প্ররোচনার অভিযোগে দায়ের করা মামলা থেকে আনভীরকে অব্যাহতি দিয়ে আদালতে চূড়ান্ত প্রতিবেদন দাখিল করেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার (২২ জুলাই) এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন ডিএমপির গুলশান বিভাগের উপ-কমিশনার (ডিসি) সুদীপ কুমার চক্রবর্তী।

তিনি বলেন, মুনিয়া আত্মহত্যা প্ররোচনা মামলায় বসুন্ধরার এমডি সায়েম সোবহান আনভীরকে অব্যাহতি দিয়ে আদালতে ফাইনাল রিপোর্ট দাখিল করা হয়েছে। এটি গত সোমবার (১৯ জুলাই) ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট (সিএমএম) আদালতে দাখিল করা হয়।

এদিকে জানা গেছে, পুলিশের দেওয়া ওই প্রতিবেদনের ওপর আগামী ২৯ জুলাই (বৃহস্পতিবার) শুনানির দিন ধার্য করেছেন আদালত। ওইদিন আদালত সিদ্ধান্ত নেবেন পুলিশের জমা দেয়া চূড়ান্ত ওই প্রতিবেদন গ্রহণ করবেন কিনা।

গত ২৬ এপ্রিল রাতে গুলশানের একটি ফ্ল্যাট থেকে মুনিয়ার মরদেহ উদ্ধারের পর দায়ের হওয়া মামলায় আসামি করা হয় বাংলাদেশের শীর্ষস্থানীয় ব্যবসায়ী গোষ্ঠী বসুন্ধরা গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সায়েম সোবহান আনভীরকে। মামলায় আত্মহত্যায় প্ররোচনার অভিযোগ আনা হয়।

ঘটনার দিন রাতেই মুনিয়ার বোন নুসরাত বাদী হয়ে গুলশান থানায় মামলাটি করেন। মামলার অভিযোগ করা হয়, এক বন্ধুর মাধ্যমে পরিচয়ের পর ২০১৯ সালে আনভীর মুনিয়াকে স্ত্রী পরিচয় দিয়ে বনানীতে একটি ফ্ল্যাট ভাড়া নিয়ে বসবাস শুরু করেন। ২০২০ সালের ফেব্রুয়ারিতে আনভীরের পরিবার মুনিয়ার সঙ্গে তার প্রেমের সম্পর্কের কথা জানতে পারে। তখন আমার বোনকে (মুনিয়াকে) আনভীরের জীবন থেকে সরে যাওয়ার জন্য হুমকি দেন তার মা।

এ ঘটনার পর আনভীর মুনিয়াকে কৌশলে কুমিল্লায় পাঠিয়ে দেন এবং পরে বিয়ে করবেন বলে আশ্বাস দেন। গত মাসের (মার্চ) ১ তারিখে গুলশানের ১২০ নম্বর সড়কের ১৯ নম্বর বাসার বি/৩ ফ্যাটটি ভাড়া নেন আনভীর। ১ মার্চ থেকে মুনিয়া সেই ফ্ল্যাটেই ছিলেন এবং আনভীর মাঝে মাঝে ওই ফ্ল্যাটে আসা যাওয়া করতেন।

গত ২৩ এপ্রিল ফ্ল্যাট মালিকের বাসায় ইফতার পার্টিতে গিয়ে মুনিয়া ছবি তোলেন। ফ্ল্যাট মালিকের স্ত্রী ফেসবুকে সেই ছবি পোস্ট করলে সেটি আনভীরের পরিবারের একজন দেখে ফেলেন এবং আনভীরকে জানান। বিষয়টি নিয়ে আনভীর মুনিয়াকে বকাঝকা করেন এবং হুমকি দেন। ২৬ এপ্রিল সকাল ৯টার দিকে মুনিয়া তার মোবাইল নম্বর থেকে নুসরাতকে ফোন করে কান্নাকাটি শুরু করেন। তিনি বলেন, আনভীর আমাকে বিয়ে করবে না, সে শুধু আমাকে ভোগ করেছে। এছাড়া আমাকে সে মনে রাখিস তোকে আমি ছাড়ব না বলে হুমকি দিয়েছে।

এজাহারে বলা হয়েছে, মুনিয়া নুসরাতের কাছে চিৎকার করে বলেন, যেকোনো সময় আমার বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটতে পারে। তোমরা তাড়াতাড়ি ঢাকায় আসো।

মোসারাত জাহান মুনিয়া মিরপুর ক্যান্টনমেন্ট পাবলিক স্কুল অ্যান্ড কলেজের একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিলেন। তার গ্রামের বাড়ি কুমিল্লায়। ২৬ এপ্রিল রাতে গুলশানের একটি ফ্ল্যাট থেকে তার ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।

গুলশান থানা সূত্রে জানা যায়, মুনিয়া নিহত হওয়ার ঘটনায় এখন পর্যন্ত বেশ কয়েকজনকে জিজ্ঞাসাবাদ করেছে পুলিশ। বাড়ির মালিক, মালিকের মেয়ের জামাইসহ বেশ কয়েকজনকে জিজ্ঞাসাবাদ করে মামলা সংক্রান্ত বেশকিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পেয়েছেন তারা। এসব তথ্য যাচাই-বাছাই করেছে পুলিশ।

মুনিয়া যে ফ্ল্যাটটিতে থাকতেন সেই ভবনের বেশকিছু সিসিটিভি ক্যামেরার ফুটেজও সংগ্রহ করে পুলিশ। সেসব সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণ করে ওই ফ্ল্যাটে সায়েম সোবহান আনভীরের যাতায়াতের প্রমাণ পায় তারা। তবে ঘটনার দিন বা এর আগের দিন মুনিয়ার ফ্ল্যাটে আনভীরের যাতায়াতের কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি। এছাড়া সিসিটিভি ফুটেজে এই দুই দিন সন্দেহজনক কারও যাতায়াত ওই বাড়ি কিংবা ফ্ল্যাটের আশপাশে পাওয়া যায়নি।



আরও খবর



দেশে করোনার চেয়ে হেপাটাইটিসে বেশি মৃত্যু

প্রকাশিত:বুধবার ২৮ জুলাই ২০২১ | হালনাগাদ:বুধবার ২৮ জুলাই ২০২১ | ১৬৮জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

দেশে প্রতি বছর হেপাটাইটিস রোগে ২০ হাজারের বেশি মানুষের মৃত্যু হয়। আর দেশের প্রায় এক কোটি মানুষ হেপাটাইটিস বি বা সি রোগে আক্রান্ত বলে জানিয়েছেন বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার আঞ্চলিক পরামর্শক ও বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের ইন্টারভেনশনাল হেপাটোলজি ডিভিশনের অধ্যাপক ডা. মামুন আল মাহতাব স্বপ্নীল। বুধবার (২৮ জুলাই) বিশ্ব হেপাটাইটিস দিবস উপলক্ষে এসব তথ্য জানিয়েছেন তিনি।

ডা. মামুন আল মাহতাব স্বপ্নীল জানান, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার হিসাব অনুযায়ী বাংলাদেশে প্রতিবছর হেপাটাইটিস বিসি ভাইরাসজনিত লিভার রোগে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুবরণ করে প্রায় ২০ হাজার মানুষ। আর এ সংখ্যা দেশে এ পর্যন্ত করোনায় যতজন মানুষের মৃত্যু হয়েছে তার চেয়ে অনেক বেশি।

তিনি বলেন, দেশে প্রায় সাড়ে ৫ শতাংশ মানুষের শরীরে হেপাটাইটিস বি ভাইরাসের সংক্রমণ আছে আর হেপাটাইটিস সি ভাইরাসে সংক্রমিত আরও প্রায় ১ শতাংশের কাছাকাছি।

ডা. স্বপ্নীল বলেন, এখানেই শেষ নয়, এ দেশের আরও প্রায় ৪০ শতাংশ মানুষ তাদের জীবদ্দশায় কোনো এক সময় হেপাটাইটিস ভাইরাসে এক্সপোজড হয়েছেন। আর এসব মানুষের অনেকেই কোনো এক সময় লিভার সিরোসিস বা এমনকি লিভার ক্যান্সারেও আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকিতে আছেন।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার আঞ্চলিক পরামর্শক বলেন, দেশে সরকারি মেডিকেল কলেজ হাসপাতালগুলোর মেডিসিন বিভাগগুলোতে প্রতিবছর যত রোগী ভর্তি হয় তার প্রায় ১২ শতাংশ ভুগছেন লিভার রোগে। আর যারা মারা যাচ্ছে, হিসাব করলে দেখা যাবে সেখানেও লিভারের রোগগুলো আছে একেবারে ওপরের দিকে।

তিনি আরও বলেন, বৈজ্ঞানিক প্রকাশনাগুলো থেকেই দেখা যাচ্ছে, এ দেশের ৮০ শতাংশ লিভার সিরোসিস আর লিভার ক্যান্সার হচ্ছে এই দুটি ঘাতক ভাইরাসের কারণেই।

জানা গেছে, বিশ্ব জুড়ে ৩২৫ মিলিয়ন মানুষ হেপাটাইটিস বিসিতে আক্রান্ত। ফলে প্রতি বছর ১৪ লাখ মানুষের মৃত্যু হয় এ দুই ভাইরাসের কারণে। প্রাপ্তবয়স্কদের মধ্যে এইচসিভির সংক্রমণ অব্যাহত রয়েছে।

এদিকে মহামারি করোনাভাইরাস সংক্রমণের কারণে অন্যান্যবারের মতো এ বছর দিবসটি পালনে ব্যাপক আয়োজন না থাকলেও বিভিন্ন সংস্থার ভার্চুয়াল সভা-সেমিনারের কর্মসূচি রয়েছে।

হেপাটাইটিস হলো লিভারের প্রদাহ। সাধারণত দূষিত খাবার বা পানির মাধ্যমে এই রোগ ছড়িয়ে পড়ে। রোগের বিস্তার না ঘটা পর্যন্ত বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই কোনো নির্দিষ্ট লক্ষণ ধরা পড়ে না। হেপাটাইটিসে আক্রান্ত হলে লিভার ফুলে যাওয়া, ক্ষিদে কমে যাওয়া, জয়েন্টে ব্যথা, শরীর দুর্বল, বমি বমি ভাব, পেটব্যথা, শরীর হলুদ বর্ণ ধারণ করা এবং হলুদ প্রস্রাবের মতো উপসর্গ দেখা দিতে পারে।

শরীরে এই রোগের বিস্তার ঘটলে পেটে পানি আসা, রক্ত পায়খানা ও রক্ত বমি হতে পারে। হেপাটাইটিসের ৫টি ভাইরাস হলো এ, বি, সি, ডি এবং ই। এর মধ্যে টাইপ-বি এবং সি মারাত্মক রূপ নেয় এবং লিভার সিরোসিস এবং ক্যান্সার মতো মারাত্মক আকার ধারণ করে। প্রাথমিক চিকিত্সা না পাওয়া গেলে, অবস্থা গুরুতর হয়ে ওঠে এবং লিভার সম্পূর্ণরূপে ক্ষতিগ্রস্থ হতে পারে।



আরও খবর
করোনায় আরও ২৩৫ জনের মৃত্যু

মঙ্গলবার ০৩ আগস্ট ২০২১