আজঃ বৃহস্পতিবার ০৯ ডিসেম্বর ২০২১
শিরোনাম

ডেঙ্গু: আরও ১২৩ জন হাসপাতালে

প্রকাশিত:শুক্রবার ২২ অক্টোবর ২০২১ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২২ অক্টোবর ২০২১ | ৫৮৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে আরও ১২৩ জন আক্রান্ত হয়ে হাপসাতালে ভর্তি হয়েছে। এ নিয়ে চলতি বছরে মোট আক্রান্ত হয়েছেন ২২ হাজার ১৩০ জন। 

আজ শুক্রবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোল রুমের নিয়মিত ডেঙ্গুবিষয়ক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় সারা দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে নতুন ১২৩ জন ভর্তি হয়েছে। এর মধ্যে ঢাকার বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে ১১৬ জন এবং ঢাকার বাইরের বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে সাতজন। এ ছাড়া এ নিয়ে বর্তমানে দেশের বিভিন্ন সরকারি ও বেসরকারি হাসপাতালে সর্বমোট ভর্তি থাকা রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৭৮০ জন।

এর মধ্যে ঢাকার ৪৬টি সরকারি ও বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি আছে ৬২৫ জন এবং অন্যান্য বিভাগের বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি আছে ১৫৫ জন।

প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, গত ১ জানুয়ারি থেকে এ পর্যন্ত ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে ২২ হাজার ১৩০ জন। তাদের মধ্যে সুস্থ হয়ে হাসপাতাল ছেড়েছে ২১ হাজার ২৬৬  জন রোগী। ডেঙ্গুতে এ পর্যন্ত ৮৪ জনের মৃত্যু হয়েছে।


আরও খবর
করোনায় মৃত্যু ও শনাক্ত বেড়েছে

মঙ্গলবার ০৭ ডিসেম্বর ২০২১




ট্রাকের চাপায় কুষ্টিয়ায় স্কুলছাত্রী নিহত

প্রকাশিত:শুক্রবার ২৬ নভেম্বর ২০২১ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২৬ নভেম্বর ২০২১ | ৪৭৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

কুষ্টিয়ায় সড়ক দুর্ঘটনায় তোয়া খাতুন (১১) নামের এক স্কুল শিক্ষার্থী নিহত হয়েছে। আজ শুক্রবার বেলা ১১টার দিকে কুষ্টিয়া-ঈশ্বরদী মহাসড়কের তালবাড়িয়া ইউনিয়নের রানাখড়িয়া শিমুলতলা বালুঘাট এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।

নিহত তোয়া খাতুন পাবনা জেলার সদর উপজেলার দৌগাছি ইউনিয়নের কুড়ুনিয়া গ্রামের মোকাররম মুন্সির মেয়ে। তালবাড়িয়া পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ উপ-পরিদর্শক (এসআই) শ্যামা প্রসাদ রায় ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

তিনি জানান, সকালে মোকাররম মুন্সি, তার স্ত্রী ও মেয়ে তোয়াকে নিয়ে মোটরসাইকেলে পাবনা থেকে কুষ্টিয়ায় এক আত্মীয়ের বাড়ি যাচ্ছিলেন। পথিমধ্যে বালুঘাট এলাকায় পৌঁছালে মোটরসাইকেল থেকে পড়ে যায় তোয়া। এসময় পেছন থেকে আসা একটি ট্রাক তাকে চাপা দিলে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়। খবর পেয়ে ঘটনাস্থল থেকে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালের মর্গে প্রেরণ করা হয়।


আরও খবর



ইসরায়েলের সঙ্গে আমিরাত-বাহরাইনের প্রথম নৌ মহড়া

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ১৬ নভেম্বর ২০২১ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ১৬ নভেম্বর ২০২১ | ৫১৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

ইসরায়েলের যৌথ নৌ মহড়ায় অংশ নিয়েছে আরব আমিরাত এবং বাহরাইন। উপসাগরীয় কোনো দেশের নৌবাহিনী, আমেরিকান নৌবাহিনীর সমন্বয়ে পরিচালিত ইসরায়েলি রণতরীর সঙ্গে যৌথ নৌ মহড়ার ঘটনা এই প্রথম। মাত্র ৩ বছর আগেও বিষয়টা ছিল অচিন্তনীয়।

লোহিত সাগরে পাঁচ দিনের এই নৌ মহড়ায় অংশ নিয়েছে সংযুক্ত আরব আমিরাত, বাহরাইন, ইসরায়েল এবং আমেরিকার রণতরীগুলো। এই মহড়া শুরু হয়েছে গত বুধবার (১০ নভেম্বর) এবং জাহাজের মুক্ত চলাচল নিশ্চিত করতে জাহাজে ওঠা, অনুসন্ধান চালানো এবং তা জব্দ করার কৌশল এই মহড়ায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

মার্কিন নৌবাহিনীর কেন্দ্রীয় কমান্ড বলছে আঞ্চলিক নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতা বাড়াতে যৌথভাবে কাজ করতে অংশগ্রহণকারী দেশগুলোর নৌবাহিনীর দক্ষতা বৃদ্ধি এই প্রশিক্ষণের লক্ষ্য।

২০২০ সালের সেপ্টেম্বরে আরব আমিরাত এবং বাহরাইন ইসরায়েলের সাথে সম্পর্ক স্বাভাবিক করতে অ্যাব্রাহাম চুক্তি নামে একটি চুক্তি স্বাক্ষর করার পর এই যৌথ মহড়ায় দেশগুলো অংশ নিচ্ছে। ওই চুক্তি স্বাক্ষরের পর ইসরায়েল এবং উপসাগরীয় দেশ দুটির মধ্যে কূটনৈতিক, সামরিক এবং গোয়েন্দা যোগাযোগের ব্যাপারে ব্যাপকভিত্তিতে আলাপ আলোচনা হয়েছে, বিশেষ করে ইরান বিষয়ে এই দেশগুলোর একই ধরনের উদ্বেগের পটভূমিতে।

ইসরায়েলি গোয়েন্দা সংস্থা মোসাদের প্রধান নিজে বাহরাইনে গেছেন এবং অক্টোবর মাসে ইউএই-র বিমান বাহিনীর অধিনায়ক প্রথমবারের মতো এধরনের একটি সফরে ইসরায়েল গেছেন।

ইরান যেভাবে তার শক্তি বৃদ্ধি করেছে

ইরানও সম্প্রতি হরমুজ প্রণালীতে তাদের নিজস্ব নৌ মহড়া চালানোর ঘোষণা দিয়েছে। উপসাগরীয় এলাকায় আমেরিকান এবং অন্যান্য পশ্চিমা নৌবাহিনীর উপস্থিতির ঘোর বিরোধিতা করছে ইরান।

শাহ-এর শাসনামলে ওই এলাকায় নৌ সামরিক শক্তিতে সবচেয়ে ক্ষমতাধর দেশ ছিল ইরান। ১৯৭৯ সালের ইসলামিক বিপ্লবের পর, ইরান, উপসাগরীয় আরব দেশগুলো থেকে মার্কিন সেনাবাহিনীকে বহিষ্কারের জন্য প্রায়শই আহ্বান জানিয়েছে।

ইরান আরব দেশগুলোকে বলার চেষ্টা করেছে উপসাগরীয় এলাকার নিরাপত্তার দায়িত্ব গ্রহণের জন্য স্বাভাবিকভাবে ইরানের সাথেই জোটে তাদের অংশীদার হওয়া উচিত। কিন্তু ইরানের এই আহ্বানে তারা কর্ণপাত করেনি। ৬টি আরব রাষ্ট্রের প্রত্যেকেই আমেরিকাকে তাদের দেশে সামরিক ঘাঁটি তৈরির কাজ চালিয়ে যেতে দিয়েছে।

সৌদি আরব, বাহরাইন এবং সংযুক্ত আরব আমিরাত ইরান এবং তার ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কোর (আইআরজিসি) সম্পর্কে গভীরভাবে সন্দিহান।

ইরান আন্তর্জাতিক নিষেধাজ্ঞা সফলভাবেই অগ্রাহ্য করে যেভাবে মধ্যপ্রাচ্যে শক্তিশালী বিকল্প মিলিশিয়া বাহিনীর নেটওয়ার্ক গড়ে তুলেছে, তার ওপরেও তারা উদ্বেগের সাথে নজর রেখেছে।

সৌদি নেতৃত্বে ইয়েমেনে হামলা

সৌদি নেতৃত্বে ইয়েমেনের ওপর ৬ বছরের বেশি সময় ধরে চালানো বিমান হামলা ইরানের সমর্থনপুষ্ট হুথি বিদ্রোহীদের পরাজিত করতে পারেনি। লেবাননে হেযবোল্লাহ আগের চেয়ে আরও বেশি শক্তিশালী হয়েছে।

ইরাক এবং সিরিয়াতে মিলিশিয়াদের অর্থ ও অস্ত্রের যোগান দিয়ে এবং সিরিয়াতে তাদের নিজস্ব বাহিনী পাঠিয়ে ইরান প্রেসিডেন্ট বাশার আল-আসাদ প্রশাসনের হাত শক্ত করে এই দুটি দেশে তাদের অবস্থান আরও সুদৃঢ় করেছে।

ইরান তার ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রের সম্ভার আরও উন্নত করেছে এবং এসব ক্ষেপণাস্ত্র উপসাগরের যেকোনো জায়গায় আঘাত হানতে সক্ষম। রেভল্যুশনারি গার্ডের নৌবাহিনীও দ্রুত তাদের সক্ষমতা বৃদ্ধি করে তাদের নৌ অস্ত্র সম্ভারে যুক্ত করেছে দ্রুত আঘাত হানার এবং মাইন পাতার উপযোগী জাহাজ।

উপসাগরীয় আরব দেশগুলোর উদ্বেগের সাথে সহমত ইসরায়েল। ইরানের পরমাণু কর্মসূচি নিয়ে তারা ক্রমশই আরও বেশি উদ্বিগ্ন উঠছে। বিশেষ করে ২০১৫ সালে তথাকথিত যৌথ সার্বিক কর্ম পরিকল্পনা (জেসিপিওএ) নামে যে পরমাণু চুক্তি হয়েছিল, প্রথমে যুক্তরাষ্ট্র এবং পরে ইরান সেই চুক্তির প্রতিশ্রুতি থেকে সরে আসার পর।

ইসরায়েল সন্দেহ করে ইরান পারমাণবিক যুদ্ধাস্ত্র তৈরির লক্ষ্যে কাজ করছে। যা ইরান অস্বীকার করে।

রহস্যজনক হামলা

ইসরায়েল এবং ইরানের মধ্যে অঘোষিত একটা চাপা নৌ সংঘাতও চলেছে সাম্প্রতিক সময়ে। এমনকি লোহিত সাগর এবং ওমান উপসাগরেও জাহাজের ওপর রহস্যজনক হামলা হয়েছে। জুলাই মাসে ওমান উপকূলের অদূরে ইসরায়েলের সাথে সংশ্লিষ্ট একটি তেলবাহী জাহাজের ওপর একটি বিস্ফোরক ভর্তি ড্রোন হামলায় একজন ব্রিটিশ নিরাপত্তা রক্ষী ও একজন রোমানিয়ান নাবিকের মৃত্যুর জন্য ইরানকে দায়ী করা হয়েছে। ইরান এই ঘটনায় তাদের জড়িত থাকার অভিযোগ অস্বীকার করেছে।

মধ্যপ্রাচ্যে ইরানের কার্যকলাপের নিন্দা জানানোর ব্যাপারে ঐতিহাসিকভাবে সবচেয়ে সোচ্চার দেশগুলোর মধ্যে রয়েছে সৌদি আরব। বিশেষ করে যুবরাজ মোহাম্ম বিন সালমান আল সাউদ ২০১৫ সালে দেশটির প্রতিরক্ষা মন্ত্রী হিসাবে দায়িত্ব গ্রহণের পর সৌদি ইরানের সমালোচনায় আরও মুখর হয়েছে।

তবে ২০১৯ সালের ১৪ সেপ্টেম্বর ঘটা একটি ঘটনা রিয়াদে কৌশল পরিকল্পনাকারীদের সব হিসাব নিকাশ আমূল বদলে দেয়। সেদিন ভোরের আলো ফোটার আগে অন্ধকারের মধ্যেই সৌদি আরবের আবকেইক ও খুরাইশে গুরুত্বপূর্ণ তেল পরিশোধন স্থপনার ওপর এসে আঘাত হানে সুনির্দিষ্ট নিশানয় ছোঁড়া এক ঝাঁক ড্রোন ও মিসাইল। ওই একটা মাত্র হামলায় সৌদি আরবের তেল উৎপাদন সাময়িকভাবে অর্ধেকে নেমে যায়।

ইয়েমেনের হুথি বিদ্রোহীরা হামলার দায় স্বীকার করে। কিন্তু ক্ষেপণাস্ত্রগুলো ছোঁড়া হয়েছিল উত্তর দিক থেকে এবং পরে তদন্তে জানা যায় সীমান্তের অপর পাড়ে দক্ষিণ ইরাক থেকে ইরানের প্রক্সি মিলিশিয়ারা ওই ক্ষেপণাস্ত্রগুলো ছুঁড়েছিল।

ইরানের স্পষ্ট বার্তা

ইরানের পক্ষে বার্তাটা ছিল স্পষ্ট: ইরান চাইলে সৌদি আরব এবং তার মিত্র দেশগুলোর গুরুত্বপূর্ণ জাতীয় অবকাঠামোর ব্যাপক ক্ষতিসাধনে সক্ষম, যার মধ্যে রয়েছে গুরুত্বপূর্ণ পানি লবণ-মুক্ত করার স্থাপনা এবং অর্থনৈতিক প্রাণকেন্দ্রগুলো।

সৌদি আরব সেই হামলার জবাব দিতে মুখর হয়ে ওঠেনি, যেটা ছিল উল্লেখযোগ্য এবং সাম্প্রতিক কয়েক মাসে ইরানি এবং সৌদি কর্মকর্তারা উত্তেজনা প্রশমনের জন্য কথাবার্তা বলেছেন। তবে এর অর্থ এই নয় যে, তেহরান আর রিয়াদ তাদের মধ্যে সহসা একটা বন্ধুত্বের সম্পর্ক গড়ে তুলতে চাইছে।

এর অর্থ হলো ভবিষ্যতে কোনো সংঘাতের পরিস্থিতি সৃষ্টি হলে দুই দেশই যে ক্ষতিগ্রস্ত হবে তা স্বীকার করে নেওয়া। এছাড়াও তাদের মধ্যে বিভেদ সত্ত্বেও ওই অঞ্চলে একটা স্থিতিশীলতা বজায় রাখা যে কতটা গুরুত্বপূর্ণ সেটা মেনে নিয়ে একটা সমঝোতার পথ বের করার গুরুত্ব অনুধাবন করা। 


আরও খবর



বকশীবাজার মোড় অবরোধ করেছেন ছাত্রীরা

প্রকাশিত:রবিবার ২১ নভেম্বর 20২১ | হালনাগাদ:রবিবার ২১ নভেম্বর 20২১ | ৩৬০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

হাফ ভাড়া দিতে গিয়ে বাসচালকের সহকারীর (হেল্পার) মাধ্যমে হেনস্তার শিকার হওয়ায় রাজধানীর বকশীবাজার মোড় অবরোধ করেছেন ছাত্রীরা। 

রোববার (২১ নভেম্বর) সকাল ১০টার দিকে বদরুন্নেসা কলেজের ছাত্রীরা এ কর্মসূচি শুরু করেন।

শিক্ষার্থীরা জানান, ঠিকানা বাসে শনিবার হাফ ভাড়া দেওয়া নিয়ে শিক্ষার্থীদের শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করেছেন চালকের সহকারী। অভিযুক্তের বিচার ও হাফ ভাড়া নিশ্চিতের জন্য ঘোষণা এলে তারা আন্দোলন শেষ করবেন। এসময় তারা একটা একটা বাস ধর, ধোলাই কর, আমার বোন লাঞ্ছিত কেন? বিচার চাই, উই ওয়ান্ট জাস্টিসসহ বিভিন্ন স্লোগান দেন।

আন্দোলন চলাকালে অধ্যক্ষ সাবিকুন নাহার শিক্ষার্থীদের সঙ্গে কথা বলেন। এসময় তিনি বলেন, ধর্ষণের হুমকি দেওয়া হয়নি। তবে তুই তুকারি করা হয়েছে। আমি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কথা বলেছি। ঠিকানা ও মৌমিতা বাসের মালিকপক্ষ আসবে।

এদিকে অধ্যক্ষ শিক্ষার্থীদের দাবি মেনে নেওয়ার আশ্বাস দিলেও তারা আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছেন। অপরদিকে চানখারপুল-পলাশী দিয়ে চলাচলকারী সব ধরনের যানবাহন চলাচল বন্ধ রয়েছে। শুধুমাত্র অ্যাম্বুলেন্স যাতায়াতে বাধা দেওয়া হচ্ছে না।

 

নিউজ ট্যাগ: সড়ক অবরোধ

আরও খবর



জলবায়ু কূটনীতিতে বাংলাদেশের ভূমিকা নেতৃস্থানীয় : প্রধানমন্ত্রী

প্রকাশিত:বুধবার ১৭ নভেম্বর ২০২১ | হালনাগাদ:বুধবার ১৭ নভেম্বর ২০২১ | ৪৬৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image
আজ বুধবার সংবাদ সম্মেলনে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে গণভবন থেকে যুক্ত হন প্রধানমন্ত্রী। অপরদিকে সংবাদকর্মীরা যুক্ত হন প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের শাপলা হল থেকে

যুক্তরাজ্যের গ্লাসগো, লন্ডন ও ফ্রান্সের প্যারিস সফর নিয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, জলবায়ু পরিবর্তনের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় প্রতি বছর ১০০ বিলিয়ন ডলার ছাড়সহ জলবায়ু অর্থায়ন প্রক্রিয়াকে আরও ত্বরান্বিত করতে বিশ্বের রাষ্ট্র ও সরকারপ্রধানদের একমত হওয়াকে এবারের জলবায়ু সম্মেলনের বড় প্রাপ্তি।

আজ বুধবার সংবাদ সম্মেলনে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে গণভবন থেকে যুক্ত হন প্রধানমন্ত্রী। অপরদিকে সংবাদকর্মীরা যুক্ত হন প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের শাপলা হল থেকে। এ সময় প্রধানমন্ত্রী বলেন, এবারের কপ-২৬ সম্মেলনে উল্লেখযোগ্য প্রাপ্তি হচ্ছে বিশ্বের রাষ্ট্র ও সরকারপ্রধানরা প্যারিস চুক্তি ও টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে প্রতি বছর ১০০ বিলিয়ন ডলার ছাড়সহ জলবায়ু অর্থায়ন প্রক্রিয়াকে আরও ত্বরান্বিত করতে একমত হন। বাংলাদেশসহ ১৪১টি দেশ ২০৩০ সালের মধ্যে সব ধরনের অরণ্য নিধন রোধে প্রতিজ্ঞাবদ্ধ হয়।

প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, বাংলাদেশের নেতৃত্বে ৪৮টি জলবায়ু ঝুঁকিপূর্ণ দেশের রাষ্ট্র ও সরকারপ্রধানদের ঢাকা-গ্লাসগো ডিক্লারেশন গ্রহণ করাকে জলবায়ু কূটনীতিতে বাংলাদেশের নেতৃস্থানীয় ভূমিকার বহিঃপ্রকাশ। তিনি বলেন, যুক্তরাজ্যের সংবাদমাধ্যম বিবিসি সম্প্রতি তাদের একটি প্রতিবেদনে আমাকে কপ-২৬ সম্মেলনের পাঁচজন শীর্ষ ডিল মেকার-এর একজন হিসেবে চিহ্নিত করে। একে আমি বাংলাদেশের ক্রমবর্ধমান অর্থনৈতিক সক্ষমতা অর্জন, আমাদের নৈতিক পররাষ্ট্রনীতির প্রতি বিশ্ববাসীর আস্থা হিসেবে বিবেচনা করে সম্মানিত বোধ করি।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ ও ফ্রান্সের মধ্যে নিয়মিত কূটনৈতিক সংলাপ শুরু করার জন্য আমি প্রেসিডেন্ট মাখোঁকে প্রস্তাব করি। তিনি তা সাদরে গ্রহণ করেন। প্রেসিডেন্ট মাখোঁ প্রতিরক্ষা ও অর্থনীতিসহ অন্যান্য খাতে দুই দেশের কার্যক্রম বাড়ানোর ব্যাপারে এবং আঞ্চলিক শান্তি ও স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে একযোগে কাজ করার ব্যাপারে একমত পোষণ করেন।

শেখ হাসিনা বলেন, কোভিড-১৯ ব্যবস্থাপনায় ২০০ মিলিয়ন ইউরো সহায়তা, টেকসই পানি সঞ্চালন ব্যবস্থাপনা সংক্রান্ত প্রকল্পে ১৩০ মিলিয়ন ইউরো সহায়তা এবং বিমান চলাচল খাতে প্রযুক্তিগত সহযোগিতা ও প্রশিক্ষণ প্রদান সংক্রান্ত আলাদা তিনটি চুক্তি সই হয়েছে।  কোভ্যাক্সের আওতায় ফ্রান্স বাংলাদেশকে ২০ লাখ কোভিড-১৯ ভ্যাকসিন প্রদানের ঘোষণা দিয়েছে।


আরও খবর



রাস্তায় নেমে গাড়ি ভাঙচুর শিক্ষার্থীদের কাজ না : প্রধানমন্ত্রী

প্রকাশিত:বুধবার ০১ ডিসেম্বর ২০২১ | হালনাগাদ:বুধবার ০১ ডিসেম্বর ২০২১ | ৩২৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

রাস্তায় নেমে গাড়ি ভাঙচুর করা শিক্ষার্থীদের কাজ না। সড়ক দুর্ঘটনায় দোষীরা শাস্তি পাবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি বলেন, আইন নিজের হাতে তুলে নেবেন না। আমি চালকদেরও বলব, গাড়ি সতর্কভাবে চালাতে হবে।

শিশু একাডেমি প্রাঙ্গণে নির্মিত বঙ্গবন্ধুর ম্যুরাল উদ্বোধন এবং ধানমণ্ডিতে জয়িতা টাওয়ার নির্মাণ প্রকল্পের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন অনুষ্ঠানে গণভবন থেকে ভার্চুয়ালি যোগ দিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এসব কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, আমি ছাত্র-ছাত্রীদের বলব, দুর্ঘটনায় ছাত্র যে মারা গেছে- সেটা দুঃখজনক। তিনি আরো বলেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান দীর্ঘদিনের জন্য বন্ধ ছিল। শিক্ষাব্যবস্থা চালু রাখার জন্য আমরা বিভিন্ন ব্যবস্থা করেছি। এখন সব স্কুল-কলেজ খুলে গেছে। সাবাইকে এখন পড়াশোনা করতে হবে। তাদের স্কুলে ফিরে যেতে হবে।

তিনি আরো বলেন, রাস্তায় নেমে গাড়ি ভাঙচুর করা এটা ছাত্রদের কাজ না। এটা কেউ করবেন না দয়া করে। যার যার শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ফিরে যান। লেখাপড়া করেন। যারা দোষী অবশ্যই তাদের শাস্তি দেওয়া হবে। তাদের খুঁজে বের করা হয়েছে। আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী অনেক সতর্ক এ ব্যাপারে।

এ সময় করোনার নতুন ঢেউ সম্পর্কে সবাইকে সচেতন থাকারও পরামর্শ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। রাস্তাঘাটে চলাচল করতে ট্রাফিক আইন মেনে চলারও আহ্বান জানান তিনি।


আরও খবর