আজঃ মঙ্গলবার ২৩ জুলাই ২০২৪
শিরোনাম

দেশে আসছে ডিজিটাল ব্যাংক

প্রকাশিত:শনিবার ১৭ জুন ২০২৩ | হালনাগাদ:শনিবার ১৭ জুন ২০২৩ | অনলাইন সংস্করণ
অর্থ ও বাণিজ্য ডেস্ক

Image

দেশে ডিজিটাল ব্যাংক স্থাপনের নীতিমালা চূড়ান্ত করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। বাংলাদেশ ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদ গত সপ্তাহে ডিজিটাল ব্যাংক গঠনের নীতিমালা অনুমোদন করেছে। এই ব্যাংকের কোনো শাখা, উপশাখা, এটিএম বুথ বা কোনো স্থাপনা থাকবে না। মোবাইল ফোন বা ডিজিটাল ডিভাইস ব্যবহার করেই গ্রাহকদের ব্যাংক সেবা দেওয়া হবে। এটি গঠনে প্রয়োজন হবে ১২৫ কোটি টাকা, পরিচালক হতে লাগবে কমপক্ষে ৫০ লাখ টাকা। কেন্দ্রীয় ব্যাংক সূত্রে জানা গেছে, বাংলাদেশ ব্যাংক এখন নীতিমালা অনুযায়ী এই ব্যাংক গঠনের প্রস্তাব আহ্বান করলে আগ্রহীরা আবেদন জমা দেওয়ার সুযোগ পাবেন। এরপর যাচাই-বাছাই করে অনুমোদন দেওয়া হবে। ব্যাংক কোম্পানি আইন ও নীতিমালা অনুযায়ী চলবে এই ব্যাংক।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নীতিমালা অনুযায়ী, ডিজিটাল ব্যাংক পরিচালনার জন্য প্রধান কার্যালয় থাকবে। তবে সেবা প্রদানের ক্ষেত্রে এটি হবে স্থাপনাবিহীন। অর্থাৎ এই ব্যাংক কোনো ওভার দ্য কাউন্টার (ওটিসি) সেবা দেবে না। এর নিজস্ব কোনো শাখা বা উপশাখা, এটিএম, সিডিএম অথবা সিআরএমও থাকবে না। সব সেবাই হবে অ্যাপ নির্ভর, মোবাইল ফোন বা ডিজিটাল যন্ত্রে। দিন-রাত ২৪ ঘণ্টাই সেবা মিলবে। গ্রাহকদের লেনদেনের সুবিধার্থে ডিজিটাল ব্যাংক ভার্চুয়াল কার্ড, কিউআর কোড ও অন্য কোনো উন্নত প্রযুক্তিভিত্তিক পণ্য দিতে পারবে। লেনদেনের জন্য কোনো প্লাস্টিক কার্ড দিতে পারবে না। অবশ্য এই ব্যাংকের সেবা নিতে গ্রাহকেরা অন্য ব্যাংকের এটিএম ও এজেন্টসহ নানা সেবা ব্যবহার করতে পারবেন।

তবে ডিজিটাল ব্যাংক কোনো ঋণপত্র (এলসি) খুলতে পারবে না। বড় এবং মাঝারি শিল্পেও কোনো ঋণ দেওয়া যাবে না। শুধু ছোট ঋণ দিতে পারবে।

আরও পড়ুন<< দেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ পর্যায়ে ডলারের দাম

ব্যাংক স্থাপনের শর্ত: নীতিমালা অনুযায়ী, একেকটি ডিজিটাল ব্যাংক স্থাপনের জন্য ন্যূনতম মূলধন লাগবে ১২৫ কোটি টাকা। প্রচলিত ধারার ব্যাংক করতে প্রয়োজন হয় ৫০০ কোটি টাকা। ডিজিটাল ব্যাংকের প্রত্যেক উদ্যোক্তাকে কমপক্ষে ৫০ লাখ টাকা মূলধন দিতে হবে। কেন্দ্রীয় ব্যাংক লাইসেন্স দেওয়ার পাঁচ বছরের মধ্যে এই ব্যাংককে দেশের পুঁজিবাজারে প্রাথমিক গণপ্রস্তাব (আইপিও) ছাড়তে হবে। আইপিওর পরিমাণ হতে হবে স্পন্সরের প্রাথমিক অবদানের ন্যূনতম পরিমাণের সমান। এই ব্যাংক স্থাপনে উদ্যোক্তাদের অর্ধেককে হতে হবে প্রযুক্তিভিত্তিক ব্যাংকিং, উদীয়মান প্রযুক্তি, সাইবার আইন ও বিধিবিধান বিষয়ে শিক্ষা, জ্ঞান ও অভিজ্ঞতা সম্পন্ন। বাকি অর্ধেককে হতে হবে ব্যাংকিং, ই-কমার্স এবং ব্যাংকিং আইন ও বিধিবিধান বিষয়ে পর্যাপ্ত জ্ঞান ও অভিজ্ঞতাসম্পন্ন। ডিজিটাল ব্যাংককে কোম্পানি আইন অনুযায়ী প্রচলিত ব্যাংকের মতো সময়ে সময়ে বাংলাদেশ ব্যাংক নির্ধারিত ন্যূনতম নগদ জমা (সিআরআর) ও বিধিবদ্ধ জমা (এসএলআর) বজায় রাখতে হবে।

আরও পড়ুন<< ঈদের আগে বেড়েছে রেমিট্যান্স প্রবাহ

বর্তমানে দেশে প্রচলিত ধারার ব্যাংক আছে ৬১টি। অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল ১ জুন জাতীয় সংসদে বাজেট বক্তৃতায় ডিজিটাল ব্যাংকিং চালুর ঘোষণা দেন। নতুন অর্থবছরেই এটি চালুর কথা বলেন তিনি। কোনো ব্যাংক বা আর্থিক প্রতিষ্ঠানের ঋণখেলাপি ব্যক্তি বা তার পরিবারের কোনো সদস্য প্রস্তাবিত ডিজিটাল ব্যাংকের উদ্যোক্তা হতে পারবেন না। এক পরিবার থেকে সর্বোচ্চ কতজন পরিচালক হতে পারবেন, তা ঠিক করা হবে ব্যাংক কোম্পানি আইন অনুযায়ী। ডিজিটাল ব্যাংকের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তার (সিইও) ব্যাংকিং পেশায় কমপক্ষে ১৫ বছরের অভিজ্ঞতা থাকতে হবে, যার মধ্যে প্রযুক্তিভিত্তিক ব্যাংকিং, রেগুলেশন, গাইডলাইন, সার্কুলার ইত্যাদি ক্ষেত্রে কমপক্ষে পাঁচ বছরের অভিজ্ঞতা থাকতে হবে।

নিউজ ট্যাগ: ডিজিটাল ব্যাংক

আরও খবর



প্রশাসন চাইলে ঢাবিতে প্রবেশ করবে পুলিশ : বিপ্লব

প্রকাশিত:সোমবার ১৫ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:সোমবার ১৫ জুলাই ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক

Image

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে কোটা সংস্কারের দাবিতে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের সঙ্গে ছাত্রলীগের ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটেছে। সেখানে পুলিশি কার্যক্রম কিংবা অ্যাকশন নিতে গেলে ভিসি মহোদয়ের অনুমতি প্রয়োজন। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন যদি চায় তবেই ঢাবি ক্যাম্পাসে পুলিশ প্রবেশ করে সহযোগিতা করবে বলে জানিয়েছেন ডিএমপির যুগ্ম-পুলিশ কমিশনার (অপারেশনস) বিপ্লব কুমার সরকার।

ঢাবিতে আন্দোলনকারী শিক্ষার্থী ও ছাত্রলীগের নেতাকর্মীদের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া ও সংঘর্ষকে কেন্দ্র করে ক্যাম্পাসে থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে। সংঘর্ষের ঘটনায় শতাধিক আহত হলেও কোনো পুলিশ সদস্যকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে দেখা যায়নি।

এ ব্যাপারে জানতে চাইলে ডিএমপির যুগ্ম-পুলিশ কমিশনার (অপারেশনস) বিপ্লব কুমার সরকার বলেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসির অনুমতি ছাড়া ঢাবির মধ্যে কোনো কার্যক্রমে অংশ নেয় না পুলিশ। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের সঙ্গে আমাদের কথা হবে, যদি তারা পুলিশের কোনো সহযোগিতা চায় তবে সহযোগিতা করা হবে।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভেতরে পুলিশ না থাকলেও রাজধানীর নিউ মার্কেট, সায়েন্সল্যাব, শাহবাগসহ আশপাশের এলাকায় বিপুল সংখ্যক পুলিশ মোতায়েন রয়েছে।

প্রসঙ্গত, বিকেল ৩টার পর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে মুখোমুখি অবস্থান নেয় আন্দোলনকারী শিক্ষার্থী ও ছাত্রলীগ নেতাকর্মীরা। একপর্যায়ে দুইপক্ষের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া শুরু হয়। পরে সেই ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া ছড়িয়ে পড়ে পুরো ক্যাম্পাসে।

সরেজমিনে দেখা যায়, বিকেল ৩টায় আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের সঙ্গে ছাত্রলীগের নেতাকর্মীদের সংঘর্ষ বাঁধে। এরপর দুইপক্ষ ইট-পাটকেল, লাঠিসোঁটা নিয়ে মুখোমুখি সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ায় উত্তপ্ত হয় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস। পরে ছাত্রলীগের ঢাকা মহানগর উত্তর ও দক্ষিণের নেতাকর্মীরা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় খণ্ড খণ্ড মিছিল নিয়ে প্রবেশ করে। যোগ দেন ঢাকা কলেজসহ ছাত্রলীগের বিভিন্ন ইউনিটের আরও নেতাকর্মী।

পরে সংঘর্ষের একপর্যায়ে সাধারণ শিক্ষার্থীরা ছত্রভঙ্গ হয়ে পড়েন। তখন ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা রাজু ভাস্কর্যের সামনে অবস্থান নেন। বর্তমানে ক্যাম্পাসে থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে। তবে এসময় ছাত্রলীগের নেতাকর্মীদের লাঠি-রড নিয়ে ক্যাম্পাসে মহড়া দিতেও দেখা গেছে।

এর আগে বিকেল ৩টার দিকে সরকারি চাকরিতে মুক্তিযোদ্ধা কোটা নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর দেওয়া বক্তব্য প্রত্যাহারের দাবিতে দ্বিতীয় দিনের মতো আন্দোলন শুরু করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়, ঢাকা কলেজ, ইডেন কলেজের সাধারণ শিক্ষার্থীরা। তারা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাজু ভাস্কর্যের পাদদেশে এসে জড়ো হন। সেখান থেকে বিক্ষোভ মিছিল শুরু করেন শিক্ষার্থীরা। মিছিলটি ক্যাম্পাসের গুরুত্বপূর্ণ স্থান প্রদক্ষিণ করে পুনরায় রাজু ভাস্কর্যের পাদদেশে এক সমাবেশে মিলিত হয়।

বিক্ষোভ মিছিলে শিক্ষার্থীরা- কোটা না মেধা, মেধা মেধা, কে রাজাকার কে রাজাকার, তুই রাজাকার তুই রাজাকার, মুক্তিযুদ্ধের চেতনা, রাষ্ট্র কারো বাপের না, চেয়েছিলাম অধিকার, হয়ে গেলাম রাজাকার, আমার স্বাধীন বাংলায়, একের কথা চলে না, তুমি কে আমি কে, বাঙালি বাঙালি, লাখো শহীদের রক্তে কেনা , দেশটা কারো বাপের না অ্যাকশন টু অ্যাকশন, ডাইরেক্ট অ্যাকশন, হামলা/মামলা দিয়ে আন্দোলন, বন্ধ করা যাবে না ইত্যাদি স্লোগান দিতে থাকেন।


আরও খবর



কোটা বিরোধী আন্দোলনে উত্তাল দক্ষিণের জনপদ

প্রকাশিত:বুধবার ১৭ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ১৭ জুলাই ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
মোঃ মোছাদ্দেক হাওলাদার, বরিশাল প্রতিনিধি

Image

সারাদেশে সাধারণ শিক্ষার্থীদের ওপর ন্যক্কারজনক হামলার প্রতিবাদে ও কোটা সংস্কারের দাবিতে এখন উত্তাল হয়ে উঠছে দক্ষিণের জনপদ বরিশাল। কর্মসূচির অংশ হিসেবে দিন-রাত সমান তালে বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করেছে শিক্ষার্থীরা। প্রতিদিন আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীদের সর্বাত্মক প্রতিরোধের মুখে অচল হয়ে আছে বরিশাল-ঢাকা ও কুয়াকাটা-বরিশাল মহাসড়ক। শিক্ষার্থীদের ওপর হামলার প্রতিবাদে দক্ষিণাঞ্চলের জনগুরুত্বপূর্ন সড়কগুলোতে অবস্থান নিয়ে বিক্ষোভ করেন বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়সহ বরিশালের সিংহ ভাগ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা।

বরিশালে কোটা নিয়ে প্রথম আন্দোলনে নামেন বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা। তারা বরিশাল-কুয়াকাটা মহাসড়ক অবরোধ করে অধ্যাবদি আন্দোলন চালিয়ে আসছেন। এতে প্রতিদিন শহরে দীর্ঘ যানজট সৃষ্টি হয়। এরপর অবরোধ কর্মসূচিতে একাত্মতা প্রকাশ করে বরিশাল কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনাল এলাকায় ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কসহ নগরীর প্রধান প্রধান সড়ক অবরোধ করে আন্দোলনে যোগ দেয় সরকারি ব্রজমোহন (বিএম) কলেজ, শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ, সরকারি সৈয়দ হাতেম আলী কলেজ, বেসরকারি অমৃত লাল দে মহাবিদ্যালয়, সরকারি মহিলা কলেজ, সরকারি পলিটেকনিক কলেজ, ইনফ্রা পলিটেকনিকসহ অধিকাংশ সরকারি-বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা। এদিকে বরিশালের বাইরে বিভাগের বাকি জেলাগুলোতে বিচ্ছিন্ন কয়েকটি আন্দোলনের খবর পাওয়া গেছে। তবে লাগাতার কর্মসূচি পালন করতে দেখাযায়নি জেলাপর্যায়ের শিক্ষার্থীদের।

বরিশালে গতকাল বুধবার (১৭ জুলাই) শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধের দিনেও রাজপথে আন্দোলনে সবর ছিলেন শিক্ষার্থীরা। সরেজমিনে দেখা গেছে, বেলা সকাল ১১ টায় সাধারণ শিক্ষার্থী ব্যানারে বরিশাল নগরের নতুল্লাবাদ কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনাল এলাকায় অবরোধ করে বিক্ষোভ শুরু হয়। এছাড়াও রুপাতলি বাস টার্মিনাল এলাকা ও বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের সামনে সড়কে বিক্ষোভ করছে শিক্ষার্থীরা। এছাড়াও জেলার বাইরে উজিরপুর উপজেলায় ঢাকা-বরিশাল মহাসড়ক অবরোধ করে রাখেন সাধারন শিক্ষার্থীরা। সড়ক অবরোধ করে শিক্ষার্থীরা বিক্ষোভ করলে সড়কের দুইপাশে যানবাহনের দীর্ঘ লাইন পড়ে। ভোগান্তিতে পরেন যাত্রী সহ সাধারণ মানুষ। অনেকে পায়ে হেঁটে গন্তব্যে রওনা হন। শিক্ষার্থীদের আন্দোলনকে কেন্দ্র করে জনসাধারণের জান মালের নিরাপত্তায় কাজ করছেন পুলিশ সদস্যরা ।

এদিকে বুধবার বরিশাাল বিশ্ববিদ্যালয় (ববি) অনির্দিষ্টকালের জন্য শিক্ষা কার্যক্রম ও আবাসিক হল সমূহ বন্ধ ঘোষণা করেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। সেইসাথে বেলা ৩টার মধ্যে শিক্ষার্থীদের হল ত্যাগ করার নির্দেশনা দেওয়া হয়। বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিষ্ট্রার মো. মনিরুল ইসলাম সাক্ষরিত এক নোটিশের মাধ্যমে বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়।

তবে এসব নির্দেশ উপেক্ষা করে আন্দোলনে সবর রয়েছে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা। তারা বুধবার সকাল থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের সামনে বরিশাল-কুয়াকাটা মহাসড়ক অবরোধ করে আন্দোলন করে শিক্ষার্থীরা। হল বন্ধ থাকায় দুপুরে শুকনো খাবার খেয়ে আন্দোলনে সবর আছেন তারা।

এরআগে গত মঙ্গলবার রাতে কোটা সংস্কারের দাবিতে আন্দোলনকারী ববি শিক্ষার্থীদের ওপর হামলার শঙ্কার খবর ছড়িয়ে পরে। যে কারনে উপাচার্য, প্রক্টর, প্রভোস্টসহ বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-কর্মকর্তারা শিক্ষার্থীদের সাথে হলগুলোতে রাত কাটিয়েছেন।

অপরদিকে এর আগে গত মঙ্গলবার সরকারি ব্রজমোহন (বিএম) কলেজ ক্যাম্পাসে কোটা সংস্কারের দাবি আন্দোলনকারীদের ওপর হামলা চালিয়েছে ছাত্রলীগ। আন্দোলনকারীরাও তাদের ধাওয়া দিয়ে ক্যাম্পাস দখলে নিয়েছে। এতে দুই পক্ষের সংঘর্ষে আহত হয়েছেন অন্তত ১০ জন।


আরও খবর



ভারত বাংলাদেশের রাজনৈতিক বন্ধু, চীন উন্নয়নের: কাদের

প্রকাশিত:শনিবার ০৬ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ০৬ জুলাই ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক

Image

ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্ক ভালো বলেই অনেক সুবিধা নিতে পেরেছি মন্তব্য করে সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, ভারত বাংলাদেশের রাজনৈতিক বন্ধু আর চীন উন্নয়নের বন্ধু। এ দেশের বহু উন্নয়নে চীনের অবদান আছে।

শনিবার (৬ জুলাই) রাজধানীর বেইলি রোডে শেখ হাসিনা পার্বত্য চট্টগ্রাম ঐতিহ্য ও গবেষণা কেন্দ্রে সাত দিনব্যাপী পাহাড়ি ফলমেলার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে এ কথা বলেন তিনি।

ভারতের সঙ্গে সম্পর্কের বিষয়ে ওবায়দুল কাদের বলেন, ভারতের সঙ্গে ২১ বছর বৈরি সম্পর্ক রেখে কি অর্জন করেছে ৭৫ পরবর্তী রাজনৈতিক দল? শেখ হাসিনা এবং নরেন্দ্র মোদির সম্পর্ক ভালো ছিল বলেই আমরা বাংলাদেশের সমান আরেকটি সমুদ্র পেয়েছি। সম্পর্ক ভালো ছিল বলেই সিটমহল সমস্যার সমাধান করেছি। সম্পর্ক ভালো থাকলে আলাপ-আলোচনা করে সমস্যার সমাধান করা যায়। গঙ্গাচুক্তিসহ বহুবিধ সুবিধা ভারত থেকে নিতে পেরেছেন শেখ হাসিনা। যারা বড় বড় কথা বলেন তারা গঙ্গার কথা ভুলে গিয়েছিলেন। খালি হাতে আগেও ফিরি নাই, এখনো ফিরি নাই।

চীনের সঙ্গে আমাদের পার্টনারশিপ রয়েছে জানিয়ে আওয়ামী লীগ সম্পাদক বলেন, ভারত আমাদের রাজনৈতিক বন্ধু, চীন আমাদের উন্নয়নের বন্ধু। এ দেশে বহু উন্নয়নে চীনের অবদান আছে। সাহায্য পেলে আমরা সাহায্য কেনো নেব না? আমার দেশের উন্নয়নের জন্য যেখানে সাহায্য দরকার আমরা সেখান থেকে সাহায্য নেব। মেট্রোরেল, পদ্মা সেতু, এক্সপ্রেসওয়ে এসব নিয়ে অনেকের জ্বলে, যাদের জ্বলে তাদের মন্তব্যের কোনো জবাব আমরা দেব না।

গত ১৬ বছরে বাংলাদেশ বদলে গেছে। সেই বদলের সঙ্গে তাল মিলিয়ে পার্বত্য অঞ্চলও বদলেছে জানিয়ে সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী বলেন, সড়ক যোগাযোগে এখন পার্বত্য তিন জেলা অনেক উন্নত, একসাথে ৪২টি ব্রিজ উদ্বোধন হয়েছে খাগড়াছড়িতে। এখন সীমান্ত সড়ক তৈরি হচ্ছে। শেখ হাসিনা থাকলে সব সমস্যার সমাধান হবে।

ওবায়দুর কাদের আরও বলেন, বিদেশি বহু ফলের চেয়ে অনেক উন্নত মানের ফল উৎপাদিত হয় পার্বত্য তিন জেলায়। এক সময় আনারসই প্রধান ফল ছিল। কিন্তু এখন বহু ধরনের ফল উৎপাদিত হয়। এক সময় যোগাযোগ ব্যবস্থা উন্নত না থাকার কারণে ফল পচে যেত। আজকে যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়নের কারণে আপনাদের পাহাড়ের সুমিষ্ট ফল ঢাকায় চলে আসে। সিঙ্গাপুরের চেয়ে উন্নতমানের ফল আমাদের পাহাড়ি অঞ্চলে উৎপাদিত হয়।


আরও খবর
মেট্রোরেল চলাচল পুরোপুরি বন্ধ

বৃহস্পতিবার ১৮ জুলাই ২০২৪




আলোচিত চিকিৎসক সাবরিনাসহ ৭ জনের নামে দুদকের মামলা

প্রকাশিত:বুধবার ১০ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ১০ জুলাই ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক

Image

কারোনা টেস্টের ১৫ হাজার ৪৬০ ভুয়া ও জাল রিপোর্ট প্রস্তুত করে জনগণের সঙ্গে প্রতারণার অভিযোগে আলোচিত জেকেজি হেলথ কেয়ারের চেয়ারম্যান ডা. সাবরিনা চৌধুরী ও অধিদপ্তরের সাবেক মহাপরিচালকসহ ৭ জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

বুধবার (১০ জুলাই) দুদকের সহকারী পরিচালক আফনান জান্নাত কেয়া বাদী হয়ে সমন্বিত জেলা কার্যালয় ঢাকা-১ এ মামলাটি দায়ের করেন।

দুদকের ঊর্ধ্বতন একটি সূত্র গণমাধ্যমকে তথ্য নিশ্চিত করেন।

মামলার আসামিরা হলেন, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সাবেক মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. আবুল কালাম আজাদ, জেকেজি হেলথ কেয়ারের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আরিফুল চৌধুরী, অফিস স্টাফ আ স ম সাঈদ চৌধুরী, হুমায়ুন কবির ওরফে হিমু, তানজিনা পাটোয়ারী ও জেকেজি হেলথ কেয়ারের মালিক জেবুন্নেসা রিমা।

এজাহার সূত্রে জানা যায়, আসামি ডা. সাবরিনা শারমিন হুসেন জাতীয় হৃদরোগ ইন্সটিটিউট এর কার্ডিয়াক সার্জারি বিভাগের রেজিস্ট্রার হিসেবে কর্মরত থাকাকালে অসৎ উদ্দেশ্য এবং কর্তৃপক্ষের বিনা অনুমতিতে জেকেজি হেলথ কেয়ার নামক একটি লাভজনক ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের চেয়ারম্যান পরিচয় ব্যবহার করে আর্থিকভাবে লাভবান হয়েছেন। তিনি স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ও  অন্যান্যদের যোগসাজশে অভিজ্ঞতাহীন, নিবন্ধনবিহীন, ট্রেডলাইসেন্সবিহীন তার স্বামী আরিফুল চৌধুরীর ওভাল গ্রুপের নাম সর্বস্ব প্রতিষ্ঠান জেকেজি হেলথ কেয়ারকে কোভিড-১৯ এর নমুনা সংগ্রহের জন্য অনুমতি পাইয়ে দিতে সহযোগিতা করেন।

সূত্র আরও জানায়, বিনামূল্যে বুথ থেকে করোনার স্যাম্পল কালেকশনের জন্য স্বাস্থ্য অধিদপ্তর থেকে অনুমোদন নিয়ে বুথ থেকে স্যাম্পল কালেকশন না করে আসামি ডা. সাবরিনা শারমিন হুসেন ও তার স্বামী আরিফুল চৌধুরীর নির্দেশে তার অফিসের কর্মীরা বাড়ি বাড়ি গিয়ে টেস্ট ফি হিসেবে প্রতিটি টেস্টের জন্য আনুমানিক ৫ হাজার থেকে ৮ হাজার টাকা গ্রহণ করে তা যথাযথভাবে পরীক্ষা না করে ভুয়া ও জাল রিপোর্ট প্রস্তুত করেছেন। দুদকের অনুসন্ধানে ১৫ হাজার ৪৬০টি প্রস্তুত করে তা সেবা গ্রহীতাদের নিকট সরবরাহ করে প্রতারণার মাধ্যমে অর্থ সংগ্রহ করে আত্মসাৎ করেন।

এছাড়া সরকার ঘোষিত সাধারণ ছুটি এবং লকডাউন চলাকালীন ২০২০ সালের ১ এপ্রিল থেকে ৩০ জুন সময়ে লকডাউনের মধ্যে মাত্র ৩ মাসে ওভাল গ্রুপ এবং এর অঙ্গ প্রতিষ্ঠান ভেলবিল সিকিউরিটি সার্ভিসেস প্রাইভেটের ব্যাংক অ্যাকাউন্টে ১ কোটি ১৬ লাখ ৯০ হাজার টাকা জমা হয়েছে। যা করোনা টেস্টের টাকা বলে প্রমাণ পাওয়া গেছে।

আসামিদের বিরুদ্ধে দণ্ডবিধির ১৬৮/৪০৯/৪২০/৪৬৭/৪৬৮/৪৭১/১০৯ ধারা তৎসহ দুর্নীতি প্রতিরোধ আইন ১৯৪৭ এর ৫(২) ধারায় অভিযোগ আনা হয়েছে।

২০২০ সালে স্বামী আরিফ চৌধুরীর সহায়তায় প্রতারণা ও জালিয়াতির মাধ্যমে ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে করোনা রোগীদের নমুনা সংগ্রহ করে ভুয়া মেডিকেল রিপোর্ট প্রস্তুত ও সরবরাহ করে ৮ কোটি টাকা হাতিয়ে নেওয়াসহ জ্ঞাত আয় বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগে তার (ডা. সাবরিনা চৌধুরী) বিরুদ্ধে অনুসন্ধান শুরু করে দুদক।

বিভিন্ন সূত্রে জানা যায়, ডা. সাবরিনা চৌধুরী পেশায় একজন হৃদরোগ সার্জন। তার স্বামী আরিফ চৌধুরী। আরিফের মালিকানাধীন জেকেজি হেলথ কেয়ার নামের প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে তারা ২৭ হাজার করোনা রোগীর নমুনা সংগ্রহ করে। এরপর কোনো পরীক্ষা ছাড়াই ১৫ হাজার ৪৬০টি ভুয়া রিপোর্ট দেন বলে অভিযোগ রয়েছে। ওই সময়ে করোনার রিপোর্ট জালিয়াতির কারণে সাবরিনা চৌধুরীর স্বামী আরিফ চৌধুরীসহ ছয়জনকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।


আরও খবর
মেট্রোরেল চলাচল পুরোপুরি বন্ধ

বৃহস্পতিবার ১৮ জুলাই ২০২৪




ব্রিটিশ সরকারের সঙ্গে আমাদের বন্দি বিনিময় চুক্তি নেই: পররাষ্ট্রমন্ত্রী

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ২৭ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ২৭ জুন ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক

Image

তারেক রহমানকে ফিরিয়ে আনতে ব্রিটিশ সরকারের সঙ্গে আলোচনা হয়েছে বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ। বৃহস্পতিবার (২৭ জুন) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে এক মতবিনিময় সভায় এ কথা বলেন তিনি।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, তারেক রহমানকে ফিরিয়ে আনতে ব্রিটিশ সরকারের সঙ্গে আলোচনা হয়েছে। তাদের সঙ্গে আমাদের বন্দি বিনিময় চুক্তি নেই, সেটি একটি সমস্যা। তবে দুই দেশ সম্মত হলে তাকে ফিরিয়ে আনা সম্ভব। এ নিয়ে আলোচনা চলছে।

তিনি বলেন, বিএনপি গণতন্ত্রের কথা বলে কিন্তু তাদের দলেই গণতন্ত্র নেই। বাংলাদেশে গণতন্ত্র রক্ষা করেছে শেখ হাসিনা।

এ সময় হাছান মাহমুদ বলেন, ভারত আমাদের বিশ্বস্ত বন্ধু। চীনও আমাদের অবকাঠামো উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। তিস্তা ভারত-বাংলাদেশের যৌথ নদী। যদি প্রয়োজন অনুযায়ী ভারত আমাদের সহায়তা করে সেটি ভালো। বাংলাদেশে ভারতের ট্রেন চলাচল তো আগে থেকেই আছে। বাংলাদেশ থেকে ট্রেন শুধু ভারতে যাবে না, নেপাল আর ভুটানেও যাবে। তা নিয়ে আমরা কাজ করছি।

তিনি আরও বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ৮ জুলাই চীন সফরে যাবেন। এটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ সফর। এই সফরের মাধ্যমে দুই দেশের বন্ধুত্ব আরও অটুট হবে। সফরে যেসব বিষয়ে আলোচনা হবে তা নিয়ে আমরা কাজ করছি। সেখানে রোহিঙ্গা সমস্যা নিয়েও আলোচনা হবে।

নিউজ ট্যাগ: তারেক রহমান

আরও খবর
মেট্রোরেল চলাচল পুরোপুরি বন্ধ

বৃহস্পতিবার ১৮ জুলাই ২০২৪