আজঃ বৃহস্পতিবার ০৯ ডিসেম্বর ২০২১
শিরোনাম

দেশে খালেদা জিয়ার সর্বোচ্চ চিকিৎসা হচ্ছে: তথ্য প্রতিমন্ত্রী

প্রকাশিত:বুধবার ২৪ নভেম্বর ২০২১ | হালনাগাদ:বুধবার ২৪ নভেম্বর ২০২১ | ৪৭০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image
সরকার খালেদা জিয়ার সর্বোচ্চ চিকিৎসা নিশ্চিত করছে। বিদেশে তার চিকিৎসার বিষয়ে আইন মন্ত্রণালয় বিশ্লেষণ করছে। দোয়া করি, তিনি সুস্থ হয়ে উঠুন

তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী ডা. মুরাদ হাসান বলেছেন, খালেদা জিয়ার বয়স হয়েছে। এ বয়সে শারীরিক জটিলতা থাকে, বিশেষ করে নারীদের। তার প্রতি আমাদের সমবেদনা রয়েছে। দেশে তার সবোর্চ্চ চিকিৎসা হচ্ছে।

তিনি বলেন, সরকার খালেদা জিয়ার সর্বোচ্চ চিকিৎসা নিশ্চিত করছে। বিদেশে তার চিকিৎসার বিষয়ে আইন মন্ত্রণালয় বিশ্লেষণ করছে। দোয়া করি, তিনি সুস্থ হয়ে উঠুন।

বুধবার সচিবালয়ে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ে নিজ অফিস কক্ষে সমসাময়িক বিষয় নিয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে তিনি এসব কথা বলেন।

দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদীর কথা উল্লেখ করে প্রতিমন্ত্রী বলেন, তিনি এ দেশের অনেক অপকর্মের হোতা। তাকে জেলে রেখে রাষ্ট্রের অর্থে ভরণ-পোষণ করা হচ্ছে। এটি আমাদের অনুভূতিতে আঘাত করে।

তিনি বলেন, বিষয়টি নিয়ে সবাইকে সোচ্চার হতে হবে। এখানে মিডিয়ার একটি বড় ভূমিকা পালনের ক্ষেত্র রয়েছে।

গণপরিবহনে শিক্ষার্থীদের অর্ধেক ভাড়ার দাবির প্রসঙ্গে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে প্রতিমন্ত্রী বলেন, গণপরিবহনে ছাত্রীদের সঙ্গে অসৌজন্যমূলক আচরণ দুঃখজনক। এ আচরণ কাম্য নয়। গণপরিহনের ভাড়া নিয়ে শিক্ষার্থীদের আন্দোলন যৌক্তিক। পৃথিবীর সব দেশের গণপরিবহনে শিক্ষার্থীদের জন্য বিশেষ সুবিধা দেওয়া হয়। এমনকি আমাদের পার্শ্ববর্তী দেশ ভারতেও রয়েছে।

এ সময় শিক্ষার্থীদের দাবি মেনে নেওয়ার জন্য জোর দাবি জানান প্রতিমন্ত্রী।

নিউজ ট্যাগ: ডা. মুরাদ হাসান

আরও খবর



ইন্দোনেশিয়ায় ফের অগ্ন্যুৎপাত, নিহত ১৩

প্রকাশিত:রবিবার ০৫ ডিসেম্বর ২০২১ | হালনাগাদ:রবিবার ০৫ ডিসেম্বর ২০২১ | ২৮০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

ইন্দোনেশিয়ার জাভা দ্বীপের সেমেরু আগ্নেয়গিরিতে ভয়াবহ অগ্ন্যুৎপাত চলছে। এ ঘটনায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে কমপক্ষে ১৩ জনে। এছাড়া আহত হয়েছেন আরও বহু মানুষ। আগ্নেয়গিরির অগ্নুৎপাতে ধেয়ে আসা ছাইয়ের কুণ্ডলি ও লাভায় দগ্ধ হয়ে হতাহতের এই ঘটনা ঘটে।

রোববার (৫ ডিসেম্বর) সকালে এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে বার্তাসংস্থা রয়টার্স। এছাড়া অগ্ন্যুৎপাতের পর আতঙ্কিত বহু মানুষ প্রাণ বাঁচাতে তাদের বাড়ি-ঘর ছেড়ে পালিয়ে যাচ্ছেন। অগ্নুৎপাতের কারণে জাভা দ্বীপের আশপাশের এলাকার আকাশে বিশাল ধোঁয়ার কুণ্ডলি ও ছাই উড়তে দেখা গেছে।

এদিকে রোববার ইন্দোনেশিয়ার দুর্যোগ প্রশমন এজেন্সি (বিএনপিবি) জানিয়েছে, সেমেরু আগ্নেয়গিরিতে ভয়াবহ অগ্ন্যুৎপাতের পর আটকে পড়া ১০ জনকে নিরাপদে উদ্ধার করা হয়েছে।

বিএনপিবির কর্মকর্তা আবদুল মুহারি জানিয়েছেন, সেমেরু আগ্নেয়গিরিতে ভয়াবহ অগ্ন্যুৎপাতে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৩ জনে। এর মধ্যে দুজনের পরিচয় শনাক্ত করা হয়েছে। এছাড়া অগ্ন্যুৎপাতে আহতের সংখ্যাও বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৯৮ জনে। তাদের মধ্যে দুজন অন্তঃসত্ত্বা নারীও রয়েছেন।

এছাড়া দুর্যোগপীড়িত ওই এলাকা থেকে এখন পর্যন্ত ৯০২ জন মানুষকে নিরাপদে উদ্ধার করা হয়েছে বলেও এক বিবৃতিতে জানিয়েছেন ইন্দোনেশিয়ার দুর্যোগ প্রশমন এজেন্সির ওই কর্মকর্তা। এদিকে আহতদের মধ্যে ৩৫ জনকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে এবং আরও ৪১ জন অগ্ন্যুৎপাতের লাভায় দগ্ধ হয়েছেন।

ইন্দোনেশিয়ার কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, শনিবার স্থানীয় সময় দুপুর আড়াইটার দিকে জাভা দ্বীপের সেমেরু আগ্নেয়গিরিতে অগ্নুৎপাত শুরু হয়। দেশটির জরুরি সেবা বিভাগের কর্মকর্তাদের শেয়ার করা ভিডিওতে দেখা যায়, পূর্ব জাভা প্রদেশের আশপাশের গ্রামগুলোতে ধোঁয়া ও ছাইয়ের বিশাল উঁচু স্তুপ তৈরি হওয়ায় স্থানীয় বাসিন্দারা নিরাপদ আশ্রয়ে পালিয়ে যাচ্ছেন।

দক্ষিন-পূর্ব এশিয়ার এই দেশটির জাভা দ্বীপের সবচেয়ে উঁচুতে অবস্থিত সেমেরু আগ্নেয়গিরি। এটি ভূ-পৃষ্ঠ থেকে ৩ হাজার ৬০০ মিটার (১২ হাজার ফুট) উচুতে অবস্থিত।

এর আগে চলতি বছরের জানুয়ারিতেও এই আগ্নেয়গিরি থেকে অগ্নুৎপাত হয়েছিল। তখন অবশ্য হতাহতের কোনো ঘটনা ঘটেনি। ইন্দোনেশিয়ায় বর্তমানে প্রায় ১৩০টি সক্রিয় আগ্নেয়গিরি রয়েছে।



আরও খবর



সেমেরুতে আবারও অগ্নুৎপাত, নিহত বেড়ে ২২

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ০৭ ডিসেম্বর ২০২১ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ০৭ ডিসেম্বর ২০২১ | ২০০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

ইন্দোনেশিয়ার জাভা দ্বীপের সেমেরু আগ্নেয়গিরিতে আবারও অগ্নুৎপাত শুরু হয়েছে এবং মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২২ জনে। এখনও নিখোঁজ আছেন বহু মানুষ। গেল শনিবার দ্বীপের অন্যতম সক্রিয় এবং সর্বোচ্চ এই আগ্নেয় পর্বতটি থেকে গরম ঘন ছাই এবং ধোঁয়া উদগীরণ হতে শুরু করে। এতে ছেঁয়ে যায় আশপাশের গ্রামগুলো।

উপর থেকে নেওয়া ভিডিওতে দেখা গেছে, ঘন ছাইয়ে ঢাকা পড়েছে পুরো এলাকা। সেখান থেকে একে একে উদ্ধার অভিযান শুরু করে স্থানীয় বাসিন্দারা এবং উদ্ধারকর্মীরা।

এ সময় ১৪ জন নিহতের খবর পাওয়া যায়। পরে সোমবার আবারও উদগীরণ শুরু হয় এবং বিপর্যস্ত হয়ে পড়ে পুরো এলাকা। মৃতের সংখ্যাও  বেড়ে ২২ জনে দাঁড়িয়েছে বলে জানিয়েছে স্থানীয় প্রশাসন। নিখোঁজ রয়েছেন ২৭ জন।

খারাপ আবহাওয়ার কারণে ধ্বংসস্তূপ থেকে হতাহতদের বের করে আনতে বেগ পেতে হচ্ছে বলে জানিয়েছেন উদ্ধার কর্মীরা। দেশটির আগ্নেয়গিরি এবং ভূতাত্ত্বিক ঝুঁকি প্রশমন কেন্দ্র টুইটারে জানিয়েছেন আগ্নেয়গিরিটির সক্রিয়তা অব্যাহত আছে, এজন্য সতর্কও করেছে তারা।

মেরু আগ্নেয়গিরি পর্যবেক্ষণাগারের প্রধান লিসওয়ান্তো রয়টার্সকে বলেন, ইন্দোনেশিয়ার সবচেয়ে সক্রিয় আগ্নেয়গিরিগুলোর মধ্যে সেমেরু একটি। ৪ ডিসেম্বরের উদগীরণের আগেও এটি সক্রিয় ছিল, পরেও এর সক্রিয়তা বজায় আছে এবং থাকবে।

শনিবার থেকে শুরু হওয়া এই উদগীরণে ৫০ জনেরও বেশি মানুষ আহত হয়েছেন, যাদের বেশিরভাগই দগ্ধ হয়েছেন।

ইন্দোনেশিয়ার প্রায় ১৩০টি সক্রিয় আগ্নেয়গিরির মধ্যে সেমেরু একটি। জাভা দ্বীপে ৩৬০০ মিটার উঁচু এ আগ্নেয়গিরি থেকে গত জানুয়ারিতেও উদগীরণ হয়েছিল, তবে তখন হতাহতের ঘটনা ঘটেনি।

বহু দ্বীপের দেশ ইন্দোনেশিয়া অত্যন্ত ভূমিকম্পপ্রবণ এলাকা। কয়েকটি টেকটনিক প্লেটের প্রান্তসীমা রয়েছে এই এলাকায়, ফলে এখানে ঘন ঘন ভূমিকম্প হয় এবং একই কারণে সেখানে অনেকগুলো আগ্নেয়গিরি সৃষ্টি হয়েছে।


আরও খবর



বসুন্ধরা এল. পি. গ্যাসের ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসেডর হলেন জয়া আহসান

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ৩০ নভেম্বর ২০২১ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ৩০ নভেম্বর ২০২১ | ৩২০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

দেশের এক নম্বর এল. পি. গ্যাস ব্র্যান্ড বসুন্ধরা এল. পি. গ্যাসের ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসেডর হিসেবে চুক্তি স্বাক্ষর করেছেন জনপ্রিয় মডেল ও অভিনেত্রী জয়া আহসান। বসুন্ধরা এল.পি.গ্যাস ও দুই বাংলার জনপ্রিয় অভিনেত্রী জয়া আহসানের এক অনন্য মেলবন্ধনের সূচনা হলো নতুন এই চুক্তি স্বাক্ষরের মাধ্যমে।

বসুন্ধরা গ্রুপের হেডকোয়ার্টার-২ এর কনফারেন্স রুমে আয়োজিত এই চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন জনাব এম এম জসীম উদ্দীন (চিফ অপারেটিং অফিসার, ব্র্যান্ড এন্ড মার্কেটিং, সেক্টর-এ, বসুন্ধরা গ্রুপ), জনাব মাহবুব আলম (চিফ ফাইন্যান্সিয়াল অফিসার, বসুন্ধরা এল. পি. গ্যাস লিঃ), জনাব জাকারিয়া জালাল (হেড অফ সেলস, বসুন্ধরা এল. পি. গ্যাস লিঃ), জনাব সাদ তানভীর (হেড অফ এইচ.আর., বসুন্ধরা এল. পি গ্যাস লিঃ), জনাব সরোয়ার হোসেন সোহাগ (জেনারেল ম্যানেজার, সাপ্লাই চেইন, বসুন্ধরা এল. পি. গ্যাস লিঃ) সহ অনেকে।

এই চুক্তি স্বাক্ষর প্রসঙ্গে জনাব এম এম জসীম উদ্দীন বলেন, "কাজের প্রতি জয়ার নিবেদন, যত্ন ও পরিশ্রম অনুসরণীয়। ঠিক তেমনি শীর্ষস্থান ধরে রাখতে বসুন্ধরা এল. পি. গ্যাস সদা সচেষ্ট। আমাদের দর্শন ও অর্জনের সাথে একাত্ম হয়েই জয়া আমাদের ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসেডর হিসেবে যুক্ত হয়েছেন। তাঁর গ্রহণযোগ্যতা ও কাজের প্রতি সততা তাঁর অভিনয় দক্ষতার মতই মনোমুগ্ধকর। তাঁর উপস্থিতি আমাদের ব্র্যান্ড ভ্যালু ও বাজারে আমাদের অবস্থানে নতুন এক মাত্রা যোগ করবে।"

জনাব মাহবুব আলম বলেন, "দেশসেরা এল. পি. গ্যাস ব্র্যান্ড বসুন্ধরা এল. পি. গ্যাস সফলতার সাথে মানুষের পাশে আছে দীর্ঘ সময় ধরে। মানের ব্যাপারে বসুন্ধরা এল. পি. গ্যাস বরাবরই আপসহীন। ব্র্যান্ড কমিউনিকেশন্স এর ব্যাপারেও আমরা আপোসহীন। আর তাই দেশজুড়ে সবার ভরসা এই বসুন্ধরা এল. পি. গ্যাস। গ্রাহকদের সন্তুষ্টি ও প্রশংসাই আসলে আমাদের বড় প্রাপ্তি।"

জনাব সাদ তানভীর বলেন, "জয়া আহসানের মত আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন গুণী অভিনেত্রীকে আমাদের সাথে পেয়ে আমরা সত্যিই আনন্দিত এবং আমরা আশা রাখি একসাথে আমরা স্বাচ্ছন্দ্যের সাথে এগিয়ে যাব আরও বহুদূর।"

জনাব জাকারিয়া জালাল বলেন, "দুবাংলার জনপ্রিয় অভিনেত্রী জয়া আহসান। নিজের অভিনয় ও সৌন্দর্য দিয়ে জায়গা করে নিয়েছেন ফ্যানদের মনে। ভার্সেটাইল এই অভিনেত্রী এখন থেকে আমাদের বিভিন্ন ক্যাম্পেইন, এনগেজমেন্ট সেশন ও অন্যান্য প্রচারণামূলক কাজে সম্পৃক্ত থাকবেন ও বিভিন্ন প্রচারণা কার্যক্রমে অংশগ্রহণ করবেন। আমাদের সুদৃঢ় বিশ্বাস এর মাধ্যমে আমাদের পণ্য এখন ক্রেতাদের কাছে আরও ভালো আবেদন তৈরি করতে পারবে।"

জয়া আহসান জানান, "এলপিজি. ব্র্যান্ড হিসেবে বসুন্ধরা এল. পি. গ্যাসের রয়েছে দেশজুড়ে সুনাম। দেশের অন্যতম কয়েকটি ব্র্যান্ডের মধ্যে বসুন্ধরা এল পি গ্যাস একটি, এই ব্র্যান্ডকে মানুষের কাছে নতুন করে পরিচয় করানোর কিছু নেই। এলপিজি সেক্টরে এমন একটি স্বীকৃত ও ভালোবাসার ব্র্যান্ডের প্রতিনিধিত্ব করার সুযোগ পেয়ে আমি সত্যিই আনন্দিত এবং আমি আশাবাদী এটি আমাকে ফ্যানদের সাথে সম্পৃক্ত হওয়ার ক্ষেত্রে একটি অভিজ্ঞতা প্রদান করবে। তাদের সাথে যুক্ত হতে পেরে আমি অত্যন্ত আনন্দিত।"

উল্লেখ্য, বিগত ২০ বছরের অধিক সময় ধরে গৌরবের সাথে শীর্ষস্থান দখল করে আছে দেশসেরা ব্র্যান্ড বসুন্ধরা এল.পি.গ্যাস। সমগ্র দেশজুড়ে বসুন্ধরা এল.পি.গ্যাসের রয়েছে বিস্তৃত নেটওয়ার্ক ও অগণিত শুভানুধ্যায়ী, ডিলার, গ্রাহক ও ডিস্ট্রিবিউটর।


আরও খবর
শেয়ারবাজারে মূল্যসূচকের বড় উত্থান

মঙ্গলবার ০৭ ডিসেম্বর ২০২১

সূচকের উত্থানে লেনদেন শেষ হয়েছে

সোমবার ০৬ ডিসেম্বর ২০২১




যান চলাচলের জন্য খুলছে টঙ্গী ব্রিজ

প্রকাশিত:শনিবার ২০ নভেম্বর ২০21 | হালনাগাদ:শনিবার ২০ নভেম্বর ২০21 | ৫২০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image
সেতু এলাকা পরিদর্শন করে দেখা গেছে, ঢাকামুখী যানবাহনগুলো কামারপাড়া রোডের মোড় ঘুরে রাজধানীতে প্রবেশ করছে। ব্রিজের একপাশ দিয়ে সাধারণ মানুষ হেঁটে পার হচ্ছেন

ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কে চলাচল করা যাত্রীদের দশ দিনের দুর্ভোগের অবসান হচ্ছে আজ রাতে। গাজীপুরের তুরাগ নদীর ওপরে টঙ্গী ব্রিজের ঝুঁকিপূর্ণ অংশের সংস্কারকাজ প্রায় শেষ পর্যায়ে। শনিবার (২০ নভেম্বর) দিবাগত রাত ১২টার পর ব্রিজটি চলাচলের জন্য খুলে দেওয়ার কথা থাকলেও রাত ৯টার দিকে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ ও গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে সঙ্গে নিয়ে খুলে দেওয়া হবে। বিআরটি প্রকল্পের সেতু বিভাগের প্রকল্প পরিচালক মহিরুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

মহিরুল ইসলাম বলেন, নতুন সেতুর নির্মাণকাজ সম্পন্ন না হওয়া পর্যন্ত মেরামত করা সেতু দিয়ে যান চলাচল করবে। পাশাপাশি নতুন সেতুর নির্মাণকাজ চলমান থাকবে।

সেতু এলাকা পরিদর্শন করে দেখা গেছে, ঢাকামুখী যানবাহনগুলো কামারপাড়া রোডের মোড় ঘুরে রাজধানীতে প্রবেশ করছে। ব্রিজের একপাশ দিয়ে সাধারণ মানুষ হেঁটে পার হচ্ছেন।

ময়মনসিংহ থেকে আসা মাইক্রোবাস চালক রবিউল ইসলাম বলেন, প্রায় এক সপ্তাহ যাবৎ এ সড়ক দিয়ে চলাচলকারী যাত্রী ও যানবাহন চালকরা ব্রিজের জন্য দুর্ভোগে আছেন। থেমে থেমে যান চলাচল ও যানজটের কারণে মানুষ সময় মতো অফিস-আদালত ও গন্তব্যে পৌঁছতে পারেনি। দ্রুত চলাচল উপযোগী করার চেয়ে সেতুটি ভালোভাবে সংস্কার করে ঝুঁকিমুক্ত করাই জরুরি ছিল। এটি যেন সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ বিবেচনা করেন।

ঢাকাগামী ইসলামীয়া পরিবহনের চালক আবুল কালাম জানান, ব্রিজটির সংস্কার কাজের জন্য বেশ কয়েকদিন যাত্রী ও চালকদের ধুলোবালি আর যানজটের মধ্যে চলাচল করতে হচ্ছে। ব্রিজটি চালু হলে মানুষের দুর্ভোগ কমবে।

গাজীপুরের শ্রীপুরের একটি পোশাক কারখানায় চাকরি করেন আল-আমিন। ঢাকা থেকে প্রতিদিন তিনি সেখানে যাতায়াত করেন। আল-আমিন বলেন, ব্রিজটি ভেঙে যাওয়ায় প্রতিদিন সকালে এক ঘণ্টা এবং অফিস থেকে ফেরার সময় দুই থেকে তিন ঘণ্টা টঙ্গী ব্রিজের কাছে এসে জ্যামে বসে থাকতে হয়।

প্রসঙ্গত, গত ৯ নভেম্বর টঙ্গী ব্রিজের ঝুঁকিপূর্ণ অংশটি চিহ্নিত হয়। ১০ নভেম্বর রাতে ব্রিজের ঢাকামুখী চলাচল বন্ধ করে দেওয়া হয়। ঢাকামুখী যানবাহনগুলো কামারপাড়া রোডের মোড় ঘুরে রাজধানীতে প্রবেশের বিকল্প ব্যবস্থা করা হয়। ১২ নভেম্বর থেকে ব্রিজটি চলাচল উপযোগী করার জন্য সংস্কার কাজ শুরু হয়।

নিউজ ট্যাগ: টঙ্গী ব্রিজ

আরও খবর



দুই শিক্ষার্থী ধর্ষণ: খালাস পেলেন সাফাতসহ পাঁচ জনই

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ১১ নভেম্বর ২০২১ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ১১ নভেম্বর ২০২১ | ৫৪৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

রাজধানীর বনানীর রেইনট্রি হোটেলে শিক্ষার্থী ধর্ষণের ঘটনায় দায়ের করা মামলায় আপন জুয়েলার্সের কর্ণধার দিলদার আহমেদের ছেলে সাফাত আহমেদসহ পাঁচজনকে খালাস দিয়েছেন আদালত। বৃহস্পতিবার (১১ নভেম্বর ) ঢাকার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-৭ এর বিচারক বেগম কামরুন্নাহারের আদালত এ রায় ঘোষণা করেন।

অপর তিন জন হলেন- সাফাত আহমেদের বন্ধু সাদমান সাকিফ, দেহরক্ষী রহমত আলী ও গাড়িচালক বিল্লাল হোসেন। সংশ্লিষ্ট ট্রাইব্যুনালের রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী আফরোজা ফারহানা আহমেদ অরেঞ্জ এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। এর আগে দুপুর ১২টা ২৫ মিনিটে আসামিদের আদালতে হাজির করা হয়। এর কিছুক্ষণ পরেই রায় পড়া শুরু করেন বিচারক।

গত ২৭ অক্টোবর রায় ঘোষণার দিন ধার্য ছিল। কিন্তু সিনিয়র আইনজীবী বাসেত মজুমদার মারা যাওয়ায় আদালতের কার্যক্রম বন্ধ ছিল। তাই বিচারক রায় ঘোষণার জন্য আজ ১১ নভেম্বর দিন ধার্য করেন।

তার আগে গত ১২ অক্টোবর রায় ঘোষণার দিন ধার্য ছিল। কিন্তু বিচারক অসুস্থ থাকায় রায় ঘোষণার জন্য ঢাকার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-৭ এর ভারপ্রাপ্ত বিচারক ২৭ অক্টোবর দিন ধার্য করেছিলেন।

গত ৩ অক্টোবর রাষ্ট্রপক্ষ ও আসামিপক্ষের যুক্তি উপস্থাপন শুনানি শেষে রায় ঘোষণার জন্য দিন ধার্য করেন আদালত। একইসঙ্গে জামিনে থাকা সাফাতসহ পাঁচ আসামির জামিন বাতিল করে তাদের কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।

২০১৭ সালের ৭ জুন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা পুলিশের উইমেন সাপোর্ট অ্যান্ড ইনভেস্টিগেশন ডিভিশনের (ভিকটিম সাপোর্ট সেন্টার) পরিদর্শক ইসমত আরা এমি পাঁচ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র আদালতে দাখিল করেন। ওই বছরের ১৯ জুন একই ট্রাইব্যুনাল আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র গ্রহণ করেন।

অভিযোগপত্রে আসামি সাফাত আহমেদ ও নাঈম আশরাফ ওরফে এইচ এম হালিমের বিরুদ্ধে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের ৯ (১) ধারায় ধর্ষণের অভিযোগ করা হয়েছে। এছাড়া মামলার অন্য তিন আসামি সাফাত আহমেদের বন্ধু সাদমান সাকিফ, দেহরক্ষী রহমত আলী ও গাড়িচালক বিল্লাল হোসেনের বিরুদ্ধে ওই আইনের ৩০ ধারায় ধর্ষণে সহযোগিতার অভিযোগ আনা হয়।

মামলার অভিযোগ থেকে জানা যায়, ২০১৭ সালের ২৮ মার্চ রাত ৯টা থেকে পরদিন সকাল ১০টা পর্যন্ত অভিযুক্তরা মামলার বাদী, তার বান্ধবী ও বন্ধুকে আটকে রাখে। অস্ত্র দেখিয়ে ভয় প্রদর্শন ও অশ্লীল ভাষায় গালাগাল করেন। বাদী ও তার বান্ধবীকে জোর করে একটি কক্ষে নিয়ে যায় আসামিরা। বাদীকে সাফাত আহমেদ ও তার বান্ধবীকে নাঈম আশরাফ একাধিকবার ধর্ষণ করে।

অভিযোগে আরও উল্লেখ করা হয়, সাদমান সাকিফকে দুই বছর ধরে চেনেন মামলার বাদী। তার মাধ্যমেই ঘটনার ১০ থেকে ১৫ দিন আগে সাফাতের সঙ্গে দুই শিক্ষার্থীর পরিচয় হয়। ওই দুই শিক্ষার্থী সাফাতের জন্মদিনের অনুষ্ঠানে যান। সাফাতের গাড়িচালক বিল্লাল ও দেহরক্ষী তাদের বনানীর ২৭ নম্বর রোডে রেইনট্রি হোটেলে নিয়ে যান। হোটেলে যাওয়ার আগে বাদী ও তার বান্ধবী জানতেন না যে সেখানে পার্টি হবে। তাদের বলা হয়েছিল, এটা একটা বড় অনুষ্ঠান, অনেক লোকজন থাকবে। অনুষ্ঠান হবে হোটেলের ছাদে।

সেখানে যাওয়ার পর তারা কাউকে দেখেননি। সেখানে আরও দুই তরুণী ছিলেন। বাদী ও তার বান্ধবী সাফাত ও নাঈমকে ওই দুই তরুণীকে ছাদ থেকে নিচে নিয়ে যেতে দেখেন। এসময় বাদীর বন্ধু ও আরেক বান্ধবী ছাদে আসেন। পরিবেশ ভালো না লাগায় তারা চলে যেতে চান। এসময় অভিযুক্তরা তাদের গাড়ির চাবি শাহরিয়ারের কাছ থেকে নিয়ে নেয় এবং তাকে মারধর করেন। ধর্ষণের সময় গাড়িচালককে ভিডিও করতে বলেন সাফাত। বাদীকে নাঈম আশরাফ মারধর করেন।


আরও খবর
আবরার হত্যায় ২০ আসামির মৃত্যুদণ্ড

বুধবার ০৮ ডিসেম্বর ২০২১