আজঃ সোমবার ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৪
শিরোনাম

দেশে কোরবানির পশু আছে ১ কোটি ২৫ লাখ: প্রাণিসম্পদ সচিব

প্রকাশিত:শনিবার ১০ জুন ২০২৩ | হালনাগাদ:শনিবার ১০ জুন ২০২৩ | অনলাইন সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক

Image

দেশে প্রায় ১ কোটি ২৫ লাখ কোরবানির যোগ্য পশু আছে বলে জানিয়েছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সচিব ড. নাহিদ রশীদ।

আজ শনিবার রাজধানীর মোহাম্মদপুর এলাকার বিভিন্ন খামার পরিদর্শন শেষে সাদেক এগ্রো লিমিটেডে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে সচিব এ কথা বলেন।

ড. নাহিদ রশীদ বলেন, গত ঈদুল আজহার চাইতে বেশি কোরবানির যোগ্য পশু এবার প্রস্তুত রয়েছে। এখন পর্যন্ত খামারি ও প্রান্তিক চাষিদের কাছ থেকে প্রাপ্ত তথ্যানুযায়ী, প্রায় ১ কোটি ২৫ লাখ কোরবানির যোগ্য পশু প্রস্তুত রয়েছে। এই সংখ্যা বাড়তে পারে। সুতরাং এবার দেশের বাইরে থেকে কোনো পশু আমদানির প্রয়োজন হবে না। তাই আমরা সীমান্ত এলাকায় নজরদারি বাড়িয়েছি। এজন্য স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ করা হচ্ছে, যেন বাইরে থেকে কোনো পশু না প্রবেশ করে।

আরও পড়ুন>> আক্কেলপুরে একই ওড়নায় ঝুলছিল স্বামী-স্ত্রীর লাশ

সচিব বলেন, গত বছর কোরবানির যোগ্য পশু ছিল ১ কোটি ২১ লাখ। কিন্তু গত বছর ঈদুল আজহায় ৯৯ লাখ ৫০ হাজার পশু কোরবানি হয়েছিল। সেই হিসাবে এবার কোরবানি বাড়লেও পশুর সংকট হবে না।

বিভিন্ন উপায়ে দেশের বাইরে থেকে পশু দেশে ঢুকছে- সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে ড. নাহিদ রশীদ বলেন, আমরা নিজেরা যেহেতু চোরাচালান বা সীমান্তের বিষয়টা দেখি না। অন্য মন্ত্রণালয় বা প্রতিষ্ঠান দেখে। তাই আমরা চেষ্টা করছি। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও বিজিবির সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখছি। আমাদের চেষ্টার কোনো ত্রুটি নেই। এমনকি দেশের বাইরে থেকে যেন মাংস ঢুকতে না পারে সেদিকেও নজরদারি রয়েছে।

খামারিদের দাবির প্রেক্ষিতে ঈদের আগে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে কোরবানির পশুবিক্রেতা বা খামারি পর্যায়ে কেউ যেন অযথা হয়রানি বা চাঁদাবাজির শিকার না হন, সে জন্য জাতীয় জরুরি সেবার হটলাইন নম্বর-৯৯৯ যুক্ত করার বিষয়ে আশ্বাস দেন সচিব। এর বাইরে অন্য কোনো হটলাইন নম্বর যুক্ত করার প্রয়োজন থাকলেও সেটিও আগামী ১৪ জুন আন্তঃমন্ত্রণালয় সভায় চূড়ান্ত করা হবে বলে জানান তিনি। 

পশুখাদ্যের দাম কমানোর বিষয়ে প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ডা. মো. এমদাদুল হক তালুকদার বলেন, ইতোমধ্যে পশুখাদ্যের দাম কিছুটা কমাতে সক্ষম হয়েছি। আমাদের চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে। এখন কিন্তু দেশের বিভিন্ন প্রান্তে প্রচুর ঘাস উৎপাদন হচ্ছে। ফলে দাম অনেকটা কমাতে সক্ষম হয়েছি। আগামী দুই-তিন মাস পর থেকে খাদ্যেদ্রব্যের দাম আরও কমিয়ে আনতে সক্ষম হবো বলে আশা করছি।

খামার থেকে কেনা পশুর জন্য হাসিলমুক্ত রাখার বিষয়টি মন্ত্রণালয় থেকে প্রজ্ঞাপন জারির অনুরোধ জানান বাংলাদেশ ডেইরি ফার্মারস অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি মোহাম্মদ ইমরান হোসেন। এ বিষয়ে তাৎক্ষণিকভাবে ব্যবস্থা নেওয়া আশ্বাস দেন সচিব। আগামী ১৪ জুন আন্তঃমন্ত্রণালয় সভা ও আইনশৃঙ্খলা সংক্রান্ত সভায় বিষয়টি আলোচনা করে সিদ্ধান্ত জানিয়ে দেওয়া হবে বলে জানান তিনি।


আরও খবর



জরুরি অবস্থার মেয়াদ বাড়ালো মিয়ানমারের জান্তা

প্রকাশিত:বুধবার ৩১ জানুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ৩১ জানুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
আন্তর্জাতিক ডেস্ক

Image

দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে বিদ্রোহীদের সঙ্গে সামরিক বাহিনীর তীব্র সংঘাত চলার মাঝেই জরুরি অবস্থার মেয়াদ আরও এক দফায় ছয় মাসের জন্য বৃদ্ধি করেছে মিয়ানমারের জান্তা। ২০২১ সালের ফেব্রুয়ারিতে বিনা রক্তপাতে এক সামরিক অভ্যুত্থানের মাধ্যমে ক্ষমতা দখল করে দেশটির সেনাবাহিনী। ওই সময় গণতান্ত্রিক উপায়ে নির্বাচিত দেশটির নেত্রী অং সান সুচিকে ক্ষমতাচ্যুত ও অবরুদ্ধ করা হয়।

ক্ষমতা দখলের পর দ্রুত দেশটিতে নির্বাচন আয়োজনের প্রতিশ্রুতি দেয় জান্তা। তবে বুধবার নতুন করে জরুরি অবস্থার মেয়াদ বৃদ্ধি মাধ্যমে দেশটিতে জাতীয় নির্বাচন আরও পিছিয়ে দেওয়া হয়েছে।

এ ব্যাপারে বুধবার (৩১ জানুয়ারি) এক ‍বিবৃতিতে জান্তা বাহিনী বলেছে, পরিস্থিতি স্বাভাবিক না থাকায় এবং বিদ্রোহীদের বিরুদ্ধে লড়াই অব্যাহত রাখতে ভারপ্রাপ্ত প্রেসিডেন্ট ইউ মিন্ত সুয়ে জরুরি অবস্থার মেয়াদ আরও ছয় মাস বৃদ্ধির ঘোষণা দিয়েছেন।

প্রায় তিন বছর আগে অভ্যুত্থানের মাধ্যমে অং সান সুচিকে ক্ষমতাচ্যুত করে দেশটিতে জরুরি অবস্থা জারি করে সামরিক জান্তা। কিন্তু সেবার অভ্যুত্থানের বিরুদ্ধে রাস্তায় নামেন হাজার হাজার মানুষ। তারা নির্বাচিত সরকারের হাতে ক্ষমতা ফিরিয়ে দেওয়ার দাবি জানান। এ কারণে সাধারণ মানুষের ওপর ব্যাপক দমনপীড়ন ও হত্যাযজ্ঞ চালায় জান্তা বাহিনী।

পরে দেশজুড়ে জান্তার বিরুদ্ধে সশস্ত্র প্রতিরোধ গড়ে তোলেন দেশটির সাধারণ জনতা ও বিদ্রোহীরা। এছাড়া অন্যান্য বিচ্ছিন্নতাবাদী গোষ্ঠীগুলোও আরও সক্রিয় হয়ে ওঠে। দেশটিতে সশস্ত্র প্রতিরোধ ঠেকাতে জরুরি অবস্থার মেয়াদ কয়েক দফায় বৃদ্ধি করেছে সামরিক জান্তা।

মিয়ানমারের জান্তা বাহিনী ২০০৮ সালের সংবিধান অনুযায়ী নিজেদের কার্যক্রম পরিচালনা করে থাকে। তাদের দাবি, এই সংবিধান এখনো কার্যকর আছে। ২০০৮ সালের সংবিধানে বলা আছে, জরুরি অবস্থা তুলে নেওয়ার ছয় মাসের মধ্যে নতুন নির্বাচন আয়োজন করতে হবে।

মিয়ানমারের স্থানীয় একটি পর্যবেক্ষক সংস্থার তথ্য অনুযায়ী, ২০২১ সালের পর অভ্যুত্থানবিরোধী প্রায় ৪ হাজার ৪০০ মানুষকে হত্যা করেছে জান্তা। তবে এত দমন-নিপীড়ন চালিয়েও সশস্ত্র প্রতিরোধ ঠেকানো যাচ্ছে না।

বিশেষ করে গত তিন মাসে দেশটির বিভিন্ন অঞ্চলের নিয়ন্ত্রণ হারিয়েছে জান্তা বাহিনী। যার মধ্যে রয়েছে বাংলাদেশ সীমান্তবর্তী রাখাইন রাজ্য। রাখাইনে স্থানীয় সশস্ত্র গোষ্ঠী আরাকান আর্মির তীব্র হামলার মুখে অনেক জায়গা থেকে সরে যেতে বাধ্য হয়েছে সেনাবাহিনী।


আরও খবর



তোশাখানা মামলায় ইমরান ও তার স্ত্রীর ১৪ বছরের কারাদণ্ড

প্রকাশিত:বুধবার ৩১ জানুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ৩১ জানুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
আন্তর্জাতিক ডেস্ক

Image

তোশাখানা মামলায় পাকিস্তানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও তার স্ত্রী বুশরা বিবির ১৪ বছরের কারাদণ্ড হয়েছে। বুধবার আদালত তাদের এ সাজা ঘোষণা করেন।

চলতি মাসের শুরুতে এক জবাবদিহি আদালত তাদের দুজনকে অভিযুক্ত করে। দুর্নীতি বিরোধী ওয়াচডগের অভিযোগ, ইমরান প্রধানমন্ত্রী থাকাকালে তিনি ও তার স্ত্রী বিভিন্ন দেশের প্রধান ও বিশিষ্ট ব্যক্তিদের কাছ থেকে মোট ১০৮টি উপহার পান।

৮ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠেয় সাধারণ নির্বাচনের মাত্র আট দিন আগে এ রায় এলো। ইমরানের দল পাকিস্তান তেহরিক-ই-ইনসাফ (পিটিআই) রাষ্ট্রীয় দমনপীড়নের মধ্যে প্রতীক ছাড়াই লড়ছে। 

আরও পড়ুন>> জর্ডানে হামলার জবাব দেবে যুক্তরাষ্ট্র: বাইডেন

আর আগের দিন মঙ্গলবার গোপন তথ্য ফাঁস করার অভিযোগে অফিসিয়াল সিক্রেটস আইনে ইমরান ও তার তৎকালীন পররাষ্ট্রমন্ত্রী শাহ মেহমুদ কুরেশিকে ১০ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়।

ইমরান ও বুশরার সরকারি কোনো পদে থাকায় ১০ বছরের নিষেধাজ্ঞার পাশাপাশি প্রত্যেকের ৭৮৭ মিলিয়ন রুপি জরিমানা হয়েছে। শুনানির সময় পিটিআই প্রতিষ্ঠাতাকে হাজির করা হলেও তার স্ত্রী আদালতে হাজির হননি।


আরও খবর



যে পথে হাঁটলে এখনো ক্ষমতায় আসতে পারেন ইমরান

প্রকাশিত:শনিবার ১০ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ১০ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
আন্তর্জাতিক ডেস্ক

Image

সব ঘটার দেশ হিসেবে পরিচিত পাকিস্তান। তাই এ দেশ নিয়ে আগে থেকে কোনো কিছু বলা মুশকিল। আর ‍বিষয়টা যদি হয় রাজনীতি তাহলে তো কথাই নেই। সমীকরণের পর সমীকরণ সাজালেও উত্তর মেলানো দায়। নতুন নতুন জটিল হিসাব সামনে এসে দাঁড়াবেই।

নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণা প্রায় শেষদিকে। ঘোষিত ফলাফল অনুযায়ী, নওয়াজ শরিফ কিংবা বিলাওয়াল ভুট্টোর চেয়ে এখনো অনেকটা এগিয়ে রয়েছেন ইমরান সমর্থিত স্বতন্ত্র প্রার্থীরা। তবে পিছিয়ে থাকলেও জোট করে সরকার গঠনের কথা জানিয়ে দিয়েছে নওয়াজের পিএমএল-এন এবং বিলাওয়ালের পিপিপি। দল দুটি নির্বাচনে যথাক্রমে দ্বিতীয় ‍ও তৃতীয় স্থানে রয়েছে।

তবে যেমনটা বলা হয়ে থাকে, পাকিস্তানের রাজনীতিতে শেষ বলতে কোনো কথা নেই। যে কোনো সময় নাটকীয় কিছু ঘটে যেতে পারে, যা বদলে দিতে পারে পুরো রাজনৈতিক সমীকরণ।

সূত্রের বরাতে জিও নিউজ জানায়, শুক্রবার রাতে পাঞ্জাবের তত্ত্বাবধায়ক সরকারের মুখ্যমন্ত্রী মহসিন নকভির বাসভবনে পিপিপি শীর্ষ নেতাদের সঙ্গে দেখা করেন শাহবাজ। দলীয় সূত্র জানায়, বিলাওয়ালের বাবা আসিফের সঙ্গে ভবিষ্যৎ সরকার গঠন নিয়ে আলোচনা করেছেন এবং পিএমএল-এন সুপ্রিমো নওয়াজ শরিফের বার্তাও পৌঁছে দিয়েছেন শাহবাজ। পিপিপির এই দুই নেতাকে পাকিস্তানে রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতার জন্য পিএমএল-এনের নেতাদের সঙ্গে বসার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।

সূত্র আরও জানায়, পাঞ্জাবে ও কেন্দ্রে সরকার গঠনের বিষয়ে সম্মত হয়েছেন শাহবাজ ও আসিফ। পরবর্তী বৈঠকে এ বিষয়ে নিজ নিজ বক্তব্য তুলে ধরবে দুই দল। ওই বৈঠকেই ক্ষমতা ভাগাভাগি, কে কোন মন্ত্রণালয়ে বসবে, এসব বিষয় চূড়ান্ত হবে।

তবে বিপত্তি বাধতে পারে জোট সরকারের প্রধানমন্ত্রী কে হবেন, সেটা নিয়ে। কেননা নওয়াজ ও বিলাওয়াল দুজনই এবার প্রধানমন্ত্রী পদপ্রত্যাশী। পিপিপির শীর্ষ মুখপাত্র খুরশিদ শাহ জিও নিউজকে বলেছেন, নওয়াজ শরিফ নয় তারা পাকিস্তানের পরবর্তী প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দলের চেয়ারম্যান বিলাওয়াল ভুট্টো জারদারিকে দেখতে চান।

এ নিয়ে যদি দুই দলের মধ্যে মতপার্থক্য দেখা দেয় তাহলে ইমরান খানের জন্য নতুন দুয়ার খুলে যেতে পারে। চাইলেই পিপিপি বা পিএমএল-এনের সঙ্গে জোট গঠন করে সরকারে আসতে পারবেন পিটিআই সমর্থিত স্বতন্ত্র প্রার্থীরা। তবে পিপিপি বা পিএমএল-এনের সঙ্গে জোট করে সরকার গঠনের বিষয়ে আগেই না বলে রেখেছে পিটিআই। অবশ্য রাজনীতিতে শেষ বলেতে কোনো কিছু নেই। যদি সব বিষয়ে বনিবনা হয়েই যায় তাহলে যোগ্য নেতা হিসেবে অর্থনৈতিক সংকটে জর্জরিত পাকিস্তানের হাল ধরতে পারেন ইমরান খান। পেতে পারেন কারামুক্তি!

নিউজ ট্যাগ: ইমরান খান

আরও খবর



পোস্তগোলা সেতু সংস্কারের তৃতীয় দিনে যান চলাচল বন্ধ

প্রকাশিত:শনিবার ২৪ ফেব্রুয়ারী 20২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ২৪ ফেব্রুয়ারী 20২৪ | অনলাইন সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক

Image

সংস্কার কাজ শুরু হওয়ার তৃতীয় দিনের মতো রাজধানীর পোস্তগোলা সেতুর ওপর দিয়ে যান চলাচল বন্ধ রয়েছে। রাজধানীতে প্রবেশে ও বের হওয়ার জন্য পদ্মা সেতু হয়ে দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের ২১ জেলায় যাওয়ার অন্যতম মাধ্যম পোস্তগোলা সেতু।

শনিবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) সেতু দিয়ে যান চলাচলের ক্ষেত্রে এ নির্দেশনা দিয়েছে সেতু কর্তৃপক্ষ। যদিও গত বৃহস্পতিবার থেকে শুরু হওয়া সংস্কার কাজ শুরুর সময়ে হালকা যান চলাচলের অনুমতি ছিল।

আগামী ৮ মার্চ পর্যন্ত এই ১৬ দিন সেতু দিয়ে চলাচলকারী যানবাহনগুলোকে বিকল্প পথ ব্যবহার করতে অনুরোধ করেছে সংস্থাটি। একই অনুরোধ জানিয়ে বিকল্প রুটের নির্দেশনাও দিয়েছে ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) ট্রাফিক বিভাগ।

এ বিষয়ে সওজের অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী মো. সবুজ উদ্দিন খান সই করা বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ২২ ফেব্রুয়ারি থেকে আগামী ৮ মার্চ পর্যন্ত বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান (এন-৮ ঢাকা-মাওয়া-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়ে) মহাসড়কের তৃতীয় কিলোমিটারে অবস্থিত বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী বুড়িগঙ্গা সেতু-১ এর (পোস্তগোলা সেতু) দুটি গার্ডারের মেরামত ও রেট্রোফিটিং কাজ করা হবে। 

এজন্য ভারী যানবাহন (ট্রাক-পিকআপ ভ্যান, কাভার্ডভ্যান, কনটেইনারবাহী লরি) ২২ ফেব্রুয়ারি থেকে ৮ মার্চ পর্যন্ত এবং হালকা যানবাহন (বাস, মাইক্রোবাস, প্রাইভেটকার, সিএনজি, অটোরিকশা ইত্যাদি) ২৪ ও ২৬ এবং ১, ৪ ও ৮ মার্চ- এই পাঁচদিন বিকল্প সড়ক ব্যবহার করতে বলা হয়েছে ।

আর যাত্রাবাড়ী থেকে ছেড়ে আসা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান মহাসড়কগামী যানবাহন ধোলাইপাড় বাসস্ট্যান্ড ও বাবুবাজার সেতু ব্যবহার করে তেঘড়িয়া ইন্টারসেকশন হয়ে মহাসড়কে প্রবেশ করবে। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান মহাসড়ক হতে যাত্রাবাড়ীগামী যানবাহন তেঘড়িয়া ইন্টারসেকশন-বাবুবাজার সেতু ব্যবহার করে ধোলাইপাড় হয়ে যাত্রাবাড়ী প্রবেশ করবে। গাবতলী থেকে ছেড়ে আসা দক্ষিণ অঞ্চলগামী যানবাহন পাটুরিয়া দৌলতদিয়া ফেরিঘাট হয়ে যাতায়াত করবে। দেশের পূর্বাঞ্চলদক্ষিণ পূর্বাঞ্চল হতে ছেড়ে আসা দক্ষিণাঞ্চলদক্ষিণ পশ্চিমাঞ্চলগামী যানবাহন চাঁদপুর-শরীয়তপুর ফেরিঘাট হয়ে যাতায়াত করবে। দেশের উত্তরাঞ্চল হতে ছেড়ে আসা দক্ষিণাঞ্চলগামী যানবাহন বঙ্গবন্ধু সেতু হয়ে যাতায়াত করবে।

হালকা যানবাহনের জন্য বিকল্প সড়ক:

পদ্মা সেতু হতে নারায়ণগঞ্জ ও চট্টগ্রামমুখী যানবাহন শ্রীনগর-মুন্সীগঞ্জ- মুক্তারপুর সেতু- তৃতীয় শীতলক্ষ্যা সেতু- মদনপুর সড়ক ব্যবহার করতে পারবে। সিলেট, চট্টগ্রাম হতে পদ্মা সেতুমুখী যানবাহন মদনপুর হতে তৃতীয় শীতলক্ষ্যা সেতু- মুক্তারপুর সেতু মুন্সীগঞ্জ- শ্রীনগর সড়ক ব্যবহার করতে পারবে। পদ্মা সেতু হতে ঢাকাগামী যানবাহন শ্রীনগর দোহার- নবাবগঞ্জ- কেরানীগঞ্জ (আর-৮২০) সড়ক, তুরাগ-রোহিতপুর (জেড-৫০৬৯), আব্দুল্লাহপুর- রাজাবাড়ী বাজার-কোনা খোলা মোড়-বছিলা সেতু- মোহাম্মদপুর সড়ক ব্যবহার করতে পারবে। 


আরও খবর
ছুটির দিনেও ঢাকার বায়ু ‌‘অস্বাস্থ্যকর’

সোমবার ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৪




শিশু আহনাফের মৃত্যুর ঘটনায় মামলা, গ্রেপ্তার দুই চিকিৎসক

প্রকাশিত:বুধবার ২১ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ২১ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক

Image

মালিবাগের জে এস ডায়াগনস্টিক অ্যান্ড মেডিকেল চেকআপ সেন্টারে চতুর্থ শ্রেণির শিক্ষার্থী আহনাফ তাহমিন আয়হামের (১০) মৃত্যুতে দুই চিকিৎসককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এ ছাড়া সেন্টারটি বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে।

বুধবার (২১ ফেব্রুয়ারি) সকালে হাতিরঝিল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আওলাদ হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। গ্রেপ্তার দুই চিকিৎসক হলেন এস এম মুক্তাদির ও মাহবুব।

ওসি বলেন, এ ঘটনায় জেএস ডায়াগনস্টিক অ্যান্ড মেডিকেল চেকআপ সেন্টারটি বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। আর দুজন চিকিৎসককে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। প্রাথমিকভাবে তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।

স্বজনদের অভিযোগ, লোকাল অ্যানেস্থেসিয়া দেওয়ার কথা থাকলেও তারা ফুল অ্যানেস্থেসিয়া দিয়েছে। যে কারণে আয়হামের আর জ্ঞান ফেরেনি। এর আগে, মঙ্গলবার (২০ ফেব্রুয়ারি) রাত ৮টায় আয়হামের সুন্নতে খতনা করাতে অপারেশন থিয়েটারে নেওয়া হয়। এর ঘণ্টাখানেক পর তাকে মৃত ঘোষণা করা হয়। 

আরও পড়ুন>> এবার সুন্নতে খৎনা করাতে গিয়ে আইডিয়াল শিক্ষার্থীর মৃত্যু

জানা গেছে, মালিবাগের জে এস ডায়াগনস্টিক অ্যান্ড মেডিকেল চেকআপ সেন্টারে অর্থোপেডিক ও ট্রমা সার্জন ডা. এস এম মুক্তাদিরের তত্ত্বাবধানে মঙ্গলবার রাতে সন্তানকে সুন্নতে খতনা করাতে আসেন শিশু আয়হামের বাবা ফখরুল আলম ও মা খায়কুন নাহার চুমকি। রাত ৮টার দিকে খতনা করানোর জন্য অ্যানেস্থেসিয়া দেওয়ার পর আর ঘুম ভাঙেনি আয়হামের। এর ঘণ্টাখানেক পর হাসপাতালটির পক্ষ থেকে শিশুটিকে মৃত ঘোষণা করা হয়।

এ বিষয়ে আহনাফের বাবা ফখরুল আলম বলেন, আমরা চিকিৎসককে বলেছিলাম যেন ফুল অ্যানেস্থেসিয়া না দেওয়া হয়। তারপরও আমার ছেলের শরীরে সেটি পুশ করেন ডা. মুক্তাদির। আমি তাদের পা পর্যন্ত ধরেছি। বলেছি, কিছু একটা ব্যবস্থা করেন। তারা বলে ঠিক হয়ে যাবে, এই যে দেখেন নিশ্বাস নিচ্ছে। কিন্তু এর আগেই ডেট।

তিনি বলেন, আমার সন্তানকে অ্যানেস্থেসিয়া দিয়ে হত্যা করা হয়েছে। এই মৃত্যুর দায় মুক্তাদিরসহ হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ সবারই। আমি তাদের কঠোর শাস্তি চাই।

অভিযুক্ত চিকিৎসক মুক্তাদির বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বিএসএমএমইউ) অর্থোপেডিক বিভাগের জয়েন্ট ব্যথা, বাত ব্যথা, প্যারালাইসিস বিশেষজ্ঞ হিসেবে পরিচয় দিয়ে চিকিৎসা দিতেন বলে জানা গেছে।

এ বিষয়ে বক্তব্য জানতে জে এস ডায়াগনস্টিক অ্যান্ড মেডিকেল চেকআপ সেন্টার কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলেও কাউকে পাওয়া যায়নি।

গত ৮ জানুয়ারি রাজধানীর বাড্ডা সাতারকুলে ইউনাইটেড মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে সুন্নতে খতনা করাতে গিয়ে লাইফ সাপোর্টে থাকা শিশু আয়ান মারা যায়। টানা সাত দিন লাইফ সাপোর্টে ছিল আয়ান।


আরও খবর
ছুটির দিনেও ঢাকার বায়ু ‌‘অস্বাস্থ্যকর’

সোমবার ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৪