আজঃ মঙ্গলবার ২০ এপ্রিল ২০21
শিরোনাম

দেশে করোনা টিকার দ্বিতীয় ডোজ দেওয়া শুরু

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ০৮ এপ্রিল ২০২১ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ০৮ এপ্রিল ২০২১ | ৭৭জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image
খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম বলেন, ২য় ডোজ টিকা নিয়ে অনেক ধরনের আলোচনা ছিল। আমাদের প্রধানমন্ত্রী পরিষ্কার করে বলে দিয়েছেন ৮ এপ্রিল থেকে যে দ্বিতীয় ডোজ শুরু হওয়ার কথা, এটা যথারীতি চলবে

করোনাভাইরাসের ভ্যাকসিনের (টিকা) দ্বিতীয় ডোজ দেওয়ার কার্যক্রম সারাদেশে শুরু করা হয়েছে।  বৃহস্পতিবার (০৮ এপ্রিল) এ কার্যক্রম শুরু হয়।

এর আগে স্বাস্থ্যসচিব লোকমান হোসেন মিয়া জানান, টিকা নিলেও আমাদের মাস্ক ব্যবহার করতে হবে। আমরা যতো বেশি সচেতন হবো তত বেশি সুরক্ষিত থাকতে পারবো। আমরা চেষ্টা করবো ডাক্তার-নার্সসহ সব পর্যায়ের মানুষকে নিয়ে করোনা ভাইরাসের প্রাদুর্ভাব সুষ্ঠু ও সুন্দরভাবে মোকাবিলা করতে পারি।

মন্ত্রিপরিষদ সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম বলেন, ২য় ডোজ টিকা নিয়ে অনেক ধরনের আলোচনা ছিল। আমাদের প্রধানমন্ত্রী পরিষ্কার করে বলে দিয়েছেন ৮ এপ্রিল থেকে যে দ্বিতীয় ডোজ শুরু হওয়ার কথা, এটা যথারীতি চলবে। 

এদিকে টিকা গ্রহণ নিয়ে দেশের বিভিন্ন জেলার সিভিল সার্জন কার্যালয় থেকে জনসাধারণের উদ্দেশে বেশ কিছু নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। এতে বলা হয়,

১. বৃহস্পতিবার (৮ এপ্রিল) থেকে এসএমএস পাওয়া সাপেক্ষে দ্বিতীয় ডোজের ভ্যাকসিন নেওয়া যাবে।

২. যারা যোগ্য হবেন তাদের মোবাইল ফোনে এসএমএস চলে যাবে, যাদের ভ্যাকসিন দেওয়ার পর দুই মাস অতিবাহিত হয়েছে কিন্তু এসএমএস পাননি তারা অবশ্যই টিকা কার্ড এবং টিকা কার্ডের ফটোকপি নিয়ে টিকা কেন্দ্রে আসবেন।                   

৩. দ্বিতীয় ডোজের জন্য আগত সবাইকে টিকা কার্ড এবং জাতীয় পরিচয়পত্র নিয়ে আসতে হবে। কারও টিকা কার্ড হারিয়ে গেলে কিংবা কোনও কারণে নষ্ট হয়ে গেলে অনলাইন থেকে পুনরায় কার্ড ওঠানো যাবে।

৪. দুই মাস পূরণের আগে ২য় ডোজের ভ্যাকসিন নেওয়া যাবে না, তবে পরে নেওয়া যাবে (১২ সপ্তাহ পর্যন্ত)।

৫. রেজিস্ট্রেশনকৃত হজ যাত্রীদের বয়স ১৮ বছরের বেশি হলেই রেজিস্ট্রেশন করে ভ্যাকসিন নিতে পারবেন। (এমন হজযাত্রীর সংখ্যা প্রায় ৬০ হাজার। তাদের দ্রুত রেজিস্ট্রেশন করে ভ্যাকসিন নিতে বলা হয়েছে। সৌদি আরবের হজ কর্তৃপক্ষও জানিয়েছে, ভ্যাকসিন গ্রহণের প্রমাণপত্র ছাড়া এবছর হজে অংশ নিতে দেওয়া হবে না)।

৬. প্রথম ডোজের টিকা দেওয়ার কর্মসূচি আগের মতোই এমনকি রমজান মাসেও অব্যাহত থাকবে তাই প্রথম ডোজের টিকা নেওয়ার জন্য অনলাইনে রেজিস্ট্রেশন করে নির্ধারিত দিনে নির্ধারিত কেন্দ্রে গিয়ে টিকা নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

৭. পর্যাপ্ত ভ্যাকসিন আছে, শেষ হওয়ার ভয়ে কেউ ভীত হবেন না, গুজবে বিশ্বাস করবেন না, রোজা রেখে ভ্যাকসিন নেওয়া যাবে।

৮. কেন্দ্র পরিবর্তন করে আপাতত দ্বিতীয় ডোজের ভ্যাকসিন নেওয়া যাবে না।

৯. টিকা কেন্দ্রে বাধ্যতামূলকভাবে মাস্ক পরে আসতে হবে এবং প্রত্যেক টিকা গ্রহণকারীকে অন্তত ৩ ফুট দূরত্ব বজায় রাখার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

নির্দেশনায় আরও বলা হয়েছে, টিকাদাতা এবং স্বেচ্ছাসেবীদের সহযোগিতা করলে গ্রহীতার কাজ দ্রুত এবং সহজ হবে।

এছাড়াও স্বাস্থ্যবিধি মানার জন্যে বাইরে গেলেই ঘরে ফেরার পর বা যেখানে সুবিধা আছে সেখানে সাবান-পানি দিয়ে ২০ সেকেন্ড ধরে হাত ধোয়ার পরামর্শ দিয়েছেন চিকিৎসকরা। সঠিক তথ্যের প্রয়োজনে ৩৩৩, ৯৯৯ অথবা ১৬২৬৩ হেল্প লাইনে ফোন করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

গত ২৭ জানুয়ারি কুর্মিটোলা হাসপাতালে একজন নার্সকে অক্সফোর্ডের ভ্যাকসিন দেওয়ার মধ্যে দিয়ে বাংলাদেশে করোনার টিকাদান কার্যক্রম শুরু হলেও আনুষ্ঠানিকভাবে তা শুরু হয় ৭ ফেব্রুয়ারি। একজন ব্যক্তিকে দুই ডোজ ভ্যাকসিন নিতে হবে।


আরও খবর



করোনার সংক্রমণ ঠেকাতে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

প্রকাশিত:সোমবার ২৯ মার্চ ২০২১ | হালনাগাদ:সোমবার ২৯ মার্চ ২০২১ | ৯৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার পাশাপাশি ফেসমাস্ক ব্যবহার নিশ্চিত করতে দেশবাসীর প্রতি আহ্বান পুনর্ব্যক্ত করে নতুন করে কোভিড-১৯ সংক্রমণের তীব্রতা বৃদ্ধির বিষয়ে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা গ্রহণে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে নির্দেশ দিয়েছেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমি আপনাদের সবাইকে অনুরোধ করব মাস্ক ছাড়া কেউ যাতে বাইরে না যান। সামাজিক দূরত্ব মেনে চলতে হবে এবং প্রত্যেকটি সভা বা সিম্পোজিয়াম, সেমিনার বা প্রশিক্ষণ কর্মশালা সামাজিক দূরত্ব মেনে করতে হবে। যতদূর সম্ভব খোলা জায়গায় কর্মসূচি করতে হবে। ঘরের মধ্যে করলে করোনার প্রাদুর্ভাব আরও বেশি দেখা দেয়। এ সময় ভ্যাকসিন প্রদানও চলবে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

প্রধানমন্ত্রী গতকাল রোববার অপরাহ্নে স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উপলক্ষে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ আয়োজিত আলোচনা সভায় সভাপতির ভাষণে এ কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সে ২৩, বঙ্গবন্ধু এভিনিউতে দলীয় কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত মূল অনুষ্ঠানে ভার্চুয়ালি অংশগ্রহণ করেন।

শেখ হাসিনা বলেন, মুজিববর্ষ এবং স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তীতে দেশে একটি মানুষও আর গৃহহীন থাকবে না। তাঁর সরকার সবাইকে ঘর করে দেবে। তিনি বলেন, আমরা প্রায় ৯৯ শতাংশ মানুষের কাছে বিদ্যুৎ পৌঁছে দিয়েছি। যেগুলো বাকী আছে সেগুলোও করে দেব। শতভাগ মানুষের কাছে বিদ্যুৎ সুবিধা পৌঁছে দেওয়ার মাধ্যমে শতভাগ গৃহকে আমরা আলোকিত করব।

প্রধানমন্ত্রী স্কুল-কলেজ এবং শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো খুলতে না পারায় দুঃখ প্রকাশ করে বলেন, আমরা স্কুল কলেজগুলো খুলে দিতে চেয়েছিলাম, কিন্তু এখন হঠাৎ করে করোনার প্রাদুর্ভাব বেড়ে যাওয়াতে আমরা এখন নয়, রোজার ঈদের পরে স্কুল-কলেজ-শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খুলে দেব। আর এই ফাঁকে বিশ্ববিদ্যালয়ের হলগুলোসহ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে যেসবের মেরামত লাগবে সেসব কাজ ইত্যবসরে তাঁর সরকার করে দেবে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

পাশাপাশি, দেশের উন্নয়নের কাজগুলো চলতে থাকবে, বাংলাদেশের অগ্রযাত্রা যাতে অব্যাহত থাকে সে প্রচেষ্টা আমরা অব্যাহত রাখব বলেন প্রধানমন্ত্রী।

শেখ হাসিনা বলেন, এখন আমাদের সবাইকে প্রস্তুতি নিতে হবে। করোনাভাইরাসে যেন মানুষের কষ্ট না হয়, একটা রাজনৈতিক দল হিসেবে মানুষের পাশে দাঁড়ানো আমাদের কর্তব্য। আপনাদের এখন থেকে প্রস্তুতি নিয়ে আবার মানুষের পাশে দাঁড়াতে হবে।

প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, গত ১২ বছরে বাংলাদেশের আমূল পরিবর্তন হয়েছে। বঙ্গবন্ধুর আদর্শ নিয়ে দেশ পরিচালনা করেছি। এতসব অর্জনে বঙ্গবন্ধুর আদর্শই কারণ। এটা নতুন কিছু নয়, কোনো ম্যাজিকও নয়। এ দেশের মানুষ জাতির পিতার নির্দেশে মুক্তিযুদ্ধ করেছে। ৭ মার্চের ভাষণে যা যা করতে বলেছেন, মানুষ তাই করেছে। তিনিই বলেছিলেন, বাঙালিকে দাবায়ে রাখতে পারবা না। আসলেও দাবায়ে রাখা যায়নি, যাচ্ছে না। আমরা তাঁর আদর্শে দেশ পরিচালনা করে এগিয়ে যাচ্ছি।

শেখ হাসিনা বলেন, বঙ্গবন্ধু তাঁর সংবিধানে যে মৌলিক নির্দেশনা দিয়ে গেছেন, আমরা সে আলোকেই পথ চলছি। তাঁর সব কাজ পূর্ণ করছি। তিনি বলেন, গৃহহীন ও ভূমিহীন কেউ যেন বাদ না যায়, সেদিকে লক্ষ রাখতে হবে। কেউ বাদ গেলে জানাতে হবে।


আরও খবর



মামুনুল হকের দাবি করা স্ত্রীর দ্বিতীয় বিয়ের কথা জানেন না এলাকাবাসী

প্রকাশিত:রবিবার ০৪ এপ্রিল ২০২১ | হালনাগাদ:রবিবার ০৪ এপ্রিল ২০২১ | ১৮২জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image
মামুনুল হকের দাবি মতে, সঙ্গে থাকা ওই নারী তার দ্বিতীয় স্ত্রী। তার নাম আমেনা তৈয়াবা। ইসলামি শরীয়ত মোতাবেক ওই নারীকে তিনি বিয়ে করেছেন। তবে ওই নারী নিজেকে জান্নাত আরা জান্নাত বলে

হেফাজতে ইসলামের কেন্দ্রীয় যুগ্ম মহাসচিব ও ঢাকা মহানগরীর মহাসচিব মামুনুল হকের দাবি করা দ্বিতীয় স্ত্রী জান্নাত আরা জান্নাত ওরফে ঝরনার পরিচয় মিলেছে। উপজেলা জুড়ে এখন ঝরনাকে নিয়েই চলছে আলোচনার ঝড়। তবে জান্নাতের আগে বিয়ে হয়েছে, দুটি সন্তান আছে, এ কথা সবাই জানলেও দ্বিতীয় বিয়ের কোনও খবরই জানেন না এলাকাবাসী।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, জান্নাত আরা ঝরনার গ্রামের বাড়ি ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গা উপজেলার গোপালপুর ইউনিয়নের কামারগ্রাম-কুলধর গ্রামে। তার পিতার নাম ওয়ালিয়ার রহমান।

মামুনুল হকের দাবি মতে, সঙ্গে থাকা ওই নারী তার দ্বিতীয় স্ত্রী। তার নাম আমেনা তৈয়াবা। ইসলামি শরীয়ত মোতাবেক ওই নারীকে তিনি বিয়ে করেছেন। তবে ওই নারী নিজেকে জান্নাত আরা জান্নাত বলে পরিচয় দেন। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুক ও গণমাধ্যমে প্রচারের পর জান্নাত আরা ঝরনার দ্বিতীয় বিয়ের কথা তার গ্রামের বাড়ি আলফাডাঙ্গায় ছড়িয়ে পড়ে, শুরু হয় তোলপাড়।

সংবাদ পেয়ে শনিবার রাতে ঝরনার গ্রামের বাড়িতে পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করলে তার বাবা-মায়ের মোবাইলনম্বরগুলো বন্ধ পাওয়া যায়। রাত সোয়া ১২টার দিকে বাড়িতে গিয়েও যোগাযোগের চেষ্টা করে ব্যর্থ হন স্থানীয় গণমাধ্যমকর্মীরা।

কামারগ্রামের বাসিন্দা ও আলফাডাঙ্গা থেকে প্রকাশিত সাপ্তাহিক আমাদের আলফাডাঙ্গা পত্রিকার সম্পাদক ও প্রকাশক সেকেন্দার আলম জানান, এ ঘটনা প্রচারের পর অনেকেই জানার জন্য মোবাইলফোনে কল করেছেন। জান্নাত আরা নাম হলেও, আমাদের এলাকায় সে ঝরনা নামে পরিচিত। তার বিয়ে হয়েছে খুলনায়। দুটি ছেলেও আছে, তবে পরের বিয়ের খবর জানা নেই। আজকেই শুনলাম, খবরে দেখলাম।

ওয়ালিয়ার রহমানের (ঝরনার পিতা) প্রতিবেশী ও কামারগ্রাম আদর্শ ডিগ্রি কলেজের ভাইস-প্রিন্সিপাল ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক আতাউর রহমান সাইক্লোন জানান, ঝরনার পিতা ওয়ালিয়ার ভাই একজন বীর মুক্তিযোদ্ধা, সহজ সরল মানুষ। তার মেয়ের আগে বিয়ে হয়েছে। তার দুই ছেলেও আছে, পরে বিয়ে হয়েছে কিনা জানি না। তবে তার পরিবারও সম্ভবত জানে না। জানলে গ্রামবাসীতো অন্তত জানতো।

উল্লেখ্য, হেফাজতে ইসলামের কেন্দ্রীয় যুগ্ম মহাসচিব ও ঢাকা মহানগরীর মহাসচিব মামুনুল হক শনিবার (৩ মার্চ) এক নারীকে নিয়ে সোনারগাঁওয়ের রয়্যাল রিসোর্টের ৫০১ নম্বর কক্ষে ওঠেন। মামুনুল হক দাবি করেন, সঙ্গে থাকা ওই নারী তার দ্বিতীয় স্ত্রী। তার নাম আমেনা তৈয়াবা। ইসলামি শরীয়ত মোতাবেক ওই নারীকে তিনি বিয়ে করেছেন। যদিও ওই নারী নিজেকে জান্নাত আরা জান্নাত বলে পরিচয় দেন।


আরও খবর



চিত্রনায়ক ওয়াসিম মারা গেছেন

প্রকাশিত:রবিবার ১৮ এপ্রিল ২০২১ | হালনাগাদ:রবিবার ১৮ এপ্রিল ২০২১ | ৫৮জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image
কী কারণে উনার মৃত্যু হয়েছে সে ব্যাপারে আমরা নিশ্চিত না। তিনি করোনায় আক্রান্ত ছিলেন না। বার্ধক্যজনিত কারণে তার মৃত্যু হতে পারে। তবে তার কিডনির সমস্যা ও ডায়াবেটিস ছিল

ঢাকাই সিনেমার সত্তর-আশির দশকের অ্যাকশন এবং ফোক ফ্যান্টাসি চিত্রনায়ক ওয়াসিম (৭৪) মারা গেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। রাজধানীর শাহাবুদ্দিন মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে শনিবার দিবাগত রাত ১২টা ৪০ মিনিটে দেড়শ সিনেমায় অভিনয় করা এই নায়কের মৃত্যু হয়।

রাত ১টার দিকে এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন হাসপাতালটির ইমার্জেন্সি মেডিকেল অফিসার ডাক্তার জয়ন্ত নায়ারণ শর্মা। তিনি বলেন, উনাকে হাসপাতালে নিয়ে আসা হলে আমরা ইসিজি করি, তারপর উনাকে মৃত ঘোষণা করা হয়। কী কারণে উনার মৃত্যু হয়েছে সে ব্যাপারে আমরা নিশ্চিত না। তিনি করোনায় আক্রান্ত ছিলেন না। বার্ধক্যজনিত কারণে তার মৃত্যু হতে পারে। তবে তার কিডনির সমস্যা ও ডায়াবেটিস ছিল বলে আমরা পরিবারের কাছ থেকে জেনেছি।

চিত্রনায়ক ওয়াসিম প্রসঙ্গে বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির সাধারণ সম্পাদক জায়েদ খান জানিয়েছেন, তিনি (ওয়াসিম) নানা শারিরীক জটিলতায় ভুগছিলেন। বেশ কিছুদিন অসুস্থ ছিলেন।

প্রখ্যাত চিত্র পরিচালক এস এম শফীর হাত ধরে চলচ্চিত্র জগতে অভিষেক ঘটে ওয়াসিমের। ১৯৭২ সালে শফী পরিচালিত ছন্দ হারিয়ে গেলো চলচ্চিত্রের সহকারী পরিচালক হন তিনি। এতে ছোট একটি চরিত্রে অভিনয়ও করেন। ১৯৭৪ সালে আরেক প্রখ্যাত চিত্রনির্মাতা মহসিন পরিচালিত রাতের পর দিন চলচ্চিত্রে প্রথম নায়ক হিসেবে আত্মপ্রকাশ তার। চলচ্চিত্রটির অসামান্য সাফল্যে রাতারাতি সুপারস্টার বনে যান তিনি। তবে ১৯৭৬ সালে মুক্তি পাওয়া এস এম শফী পরিচালিত দি রেইন সিনেমা তাঁকে ব্যাপক পরিচিতি এনে দেয়।

হাতেগোনা অল্প কিছু সিনেমা ছাড়া তাঁর প্রতিটি সিনেমাই সুপারহিট হয়েছিল। ১৯৭৩ থেকে ১৯৯০ সাল পর্যন্ত চলচ্চিত্রে শীর্ষ নায়কদের একজন ছিলেন তিনি।


আরও খবর



মোহাম্মদপুর থেকে হেফাজতের সহকারী মহাসচিব আটক

প্রকাশিত:শনিবার ১৭ এপ্রিল ২০২১ | হালনাগাদ:শনিবার ১৭ এপ্রিল ২০২১ | ৭২জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

এবার হেফাজতে ইসলামের সহকারী মহাসচিব মাওলানা জালাল উদ্দিন আহমেদকে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) গোয়েন্দা বিভাগ (ডিবি)। আজ শনিবার দুপুরে মোহাম্মদপুরের নিজ বাসা থেকে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়।

ডিবির যুগ্ম কমিশনার মো. মাহবুব আলম বিকেলে বলেন, সাম্প্রতিক সময়ের নাশকতার ঘটনায় এবং হেফাজতে ইসলামের নেতাদের বিরুদ্ধে পুরনো মামলায় জালাল উদ্দিনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এ নিয়ে হেফাজতের ছয় নেতাকে গ্রেপ্তার করেছে ডিবি।

জালাল উদ্দিন আহমেদ খেলাফতে মজলিশের যুগ্ম মহাসচিব এবং সংগঠনটির ঢাকা মহানগরের সহসাধারণ সম্পাদক।

এর আগে গতকাল শুক্রবার বিকেলে রাজধানীতে হেফাজতে ইসলামের আরেক নেতা মোহাম্মদ যোবায়েরকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। পুরান ঢাকার লালবাগ এলাকা থেকে তাঁকে গ্রেপ্তার করে ডিএমপির গোয়েন্দা বিভাগ। যোবায়ের হেফাজতে ইসলাম ঢাকা মহানগরের নায়েবে আমিরের দায়িত্বে রয়েছেন।

এর আগে বিভিন্ন সময়ে হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের নায়েবে আমির মাওলানা মঞ্জুরুল ইসলাম আফেন্দী, হেফাজতে ইসলামের সাংগঠনিক সম্পাদক ও নেজামে ইসলাম পার্টির যুগ্ম মহাসচিব মাওলানা আজিজুল ইসলাম ইসলামাবাদী, হেফাজতে ইসলামের সহকারী মহাসচিব ও লালবাগ মাদরাসার মুহাদ্দিস মাওলানা শাখাওয়াত হোসাইন রাজী, মাদানীনগর মাদরাসার মুহাদ্দিস মুফতি বশির উল্লাহ প্রমুখ গ্রেপ্তার হন।


আরও খবর



হেফাজতের তান্ডবে পুলিশের যত ক্ষতি

প্রকাশিত:বুধবার ৩১ মার্চ ২০২১ | হালনাগাদ:বুধবার ৩১ মার্চ ২০২১ | ৯৭জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির বাংলাদেশ সফরের প্রতিবাদে এবং ঢাকা ও চট্টগ্রামে মাদরাসাছাত্রদের ওপর পুলিশের হামলার খবরে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় গত ২৬ মার্চ থেকে ২৮ মার্চ পর্যন্ত হেফাজতে ইসলামের নেতাকর্মীদের চালানো তাণ্ডবে জেলা পুলিশের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। পাশাপাশি শতাধিক পুলিশ সদস্য আহত হয়েছেন। মঙ্গলবার (৩০ মার্চ) সন্ধ্যায় সংবাদ বিজ্ঞপ্তি পাঠিয়ে এসব তথ্য জানিয়েছে জেলা পুলিশ।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গত ২৬ মার্চের তাণ্ডবে পুলিশ সুপার কার্যালয়ের ৪৩টি জানালার গ্লাস, নিয়ন্ত্রণ-কক্ষের সিসি ক্যামেরার মনিটর, কম্পিউটার, ফটোকপি মেশিন, জেনারেটর, ট্র্যাফিক পুলিশের ভাস্কর্য, রিকুইজিশন করা দুটি মাইক্রোবাস, একটি পাজেরো জিপ ও ১৩টি মোটরসাইকেল ক্ষতিগ্রস্ত হয়। এছাড়া ওইদিন সদর মডেল থানার ২নং ফাঁড়ির ৫২টি জানালার গ্লাস, ৪টি সিসি ক্যামেরা, দুটি সিলিং ফ্যান, ৬টি মোটরসাইকেল ও ৪টি দরজার থাই গ্লাসসহ অন্যান্য জিনিসপত্র ক্ষতিগ্রস্ত হয়।

২৮ মার্চ পুলিশের রিজার্ভ অফিসের দরজা-জানালা, ১নং গেইটের সেন্ট্রি পোস্টের দরজা-জানালা, পুলিশ লাইনস গেইট ও সীমানা প্রচীরের লাইট, মসজিদের জানালা, পুলিশ লাইনস স্কুলের জানালা, খাঁটিহাতা হাইওয়ে থানার পজ মেশিন, স্প্রিড গান, অ্যালকোহল ডিটেক্টর, আরএফআই গান, ক্যামেরা, ওয়ারলেস সেট, কম্পিউটারসহ অন্যান্য আসবাবপত্র ক্ষতিগ্রস্ত হয় বলে সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়। এছাড়া একই দিনে আশুগঞ্জ টোল প্লাজার পুলিশ ফাঁড়ির ৯২টি জানালা, দুটি হেলমেট, ৬ জোড়া ল্যাগগার্ড, দুটি ওয়াকিটকি চার্জার, চায়না রাইফেলের ২০টি গুলি, একটি ল্যাপটপ, একটি ভিডিও ক্যামেরাসহ অন্যান্য আসবাবপত্র ভাঙচুর ও লুটপাট করে হরতালকারীরা।

নিউজ ট্যাগ: হেফাজতের তান্ডব

আরও খবর