আজঃ শুক্রবার ০১ মার্চ ২০২৪
শিরোনাম

ঢাবির অধ্যাপক নাদির জুনাইদের বিরুদ্ধে যৌন হয়রানির অভিযোগ

প্রকাশিত:রবিবার ১১ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:রবিবার ১১ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
ঢাবি প্রতিনিধি

Image

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের অধ্যাপক নাদির জুনাইদের বিরুদ্ধে যৌন হয়রানির অভিযোগ করেছেন একই বিভাগের এক নারী শিক্ষার্থী। শনিবার বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টরের নিকট অভিযোগপত্র দায়ের করেছেন তিনি।

প্রক্টরের নিকট অভিযোগপত্রে ওই নারী লিখেছেন, অধ্যাপক নাদির জুনাইদ কর্তৃক যৌন হয়রানির কারণে বিগত দেড় বছর প্রচণ্ড মানসিক যন্ত্রণার মধ্য দিয়ে গেছেন তিনি। একপর্যায়ে ঘুমের ওষুধ নিতে হয়েছে তার। গত বছরের শুরুতে কাউন্সিলিংও করেছেন তিনি। ভুক্তভোগীর অভিযোগ, অধ্যাপক নাদির জুনাইদ বিভিন্ন সময়ে কথাবার্তায় তাকে যৌন ইঙ্গিত দিতেন এবং প্ররোচিত করতে চেষ্টা করতেন। যৌন প্ররোচনায় সাড়া না দিলে শিক্ষার্থীকে অনুভূতিহীন, নির্বোধ, ডাক্তার দেখানো উচিত প্রভৃতি মন্তব্য করতেন।

ওই শিক্ষার্থী বলেন, অধ্যাপক নাদির জুনাইদ বিয়ের প্রসঙ্গে কথা বলেন এবং স্পষ্টভাবে আমার দিকে ইঙ্গিত করেন। আমি খুব অবাক হই এবং খুব অস্বস্তিতে পড়ি। তবে, আমি কৌশলে তাকে নাকচ করে দিই।

তিনি আরও জানান, নাদির জুনাইদ ঘন ঘন দেখা করতে বলতেন এবং তার বাসায় আমন্ত্রণ জানাতেন। আমি প্রতিবারই বিভিন্ন অযুহাতে নাকচ করতাম। অধ্যাপক নাদির জুনাইদের ব্যক্তি-আক্রোশের শিকার হওয়ার ভয়ে গত দেড় বছর যাবৎ মুখ বুজে সব সহ্য করেছি।

অধ্যাপক নাদির জুনাইদ অনান্য নারী শিক্ষার্থীর শরীরের অবয়ব নিয়ে নোংরা মন্তব্য করতেন উল্লেখ করে ওই শিক্ষার্থী অভিযোগপত্রে লিখেছেন, নাদির জুনাইদ পরিচয়ের শুরুতে উনার সুন্দর আচরণ দিয়ে শিক্ষার্থীদের মুগ্ধ করেন।

আদর্শের ভেক ধরে থাকেন। এর মাধ্যমে ধীরে ধীরে নারী শিক্ষার্থীদের সাথে সম্পর্ক গড়ে তোলেন। আমার সাথে কথোপকথনের সময়ও উনি বিভিন্ন নারী শিক্ষার্থীদের নাম উল্লেখ করতেন। এমনকি বিভিন্ন সময় তাদের শারীরিক অবয়ব নিয়েও নোংরা মন্তব্য করেছেন। আমার মত অনেক শিক্ষার্থীকেই বিয়ের প্রস্তাব দিয়েছেন বিভিন্ন সময় জানতে পেরেছি।

সাংবাদিকতা বিভাগের এই অধ্যাপক বিভাগে ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করেছে উল্লেখ করে অভিযোগপত্রে ভুক্তভোগী উল্লেখ করেছেন, আমরা নিজ বিভাগে ভয়ের সংস্কৃতির মধ্যে বেড়ে উঠছি, নিজেদের মধ্যে সেলফ সেন্সরশিপ আরোপ করছি। একজন শিক্ষকের কাছে সবাই কোণঠাসা হয়ে পড়লাম। যেখানে উনি উনার মতো একটা ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করছেন, আর সামনে করতে যাচ্ছেন।

এ বিষয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. মো. মাকসুদুর রহমান বলেন, অভিযোগপত্রটি হাতে এসেছে। এটি উপাচার্যের স্যারের অফিসে রাখা হয়েছে। উপাচার্য স্যার টুঙ্গিপাড়ায় গিয়েছেন। স্যার ঢাকায় ফেরার পর তার কাছে অভিযোগ পত্রটি জমা দেয়া হবে। উপাচার্য স্যারই এবিষয়ে যথাযথ সিদ্ধান্ত গ্রহণ করবেন।


আরও খবর



বিশ্বে দূষিত শহরের তালিকায় শীর্ষে ঢাকা

প্রকাশিত:সোমবার ০৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:সোমবার ০৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

বিশ্বজুড়ে বায়ুর মান পর্যবেক্ষণকারী সংস্থা আইকিউ এয়ারের তথ্য অনুযায়ী সোমবার (৫ ফেব্রুয়ারি) ঢাকার বাতাসের মান ঝুঁকিপূর্ণ। এদিন সকাল ৮টার পর ৪৮৯ স্কোর নিয়ে বিশ্বের দূষিত শহরের তালিকায় প্রথম স্থানে রয়েছে ঢাকা।

একই সময়ে ৩৩০ স্কোর নিয়ে দূষিত বায়ুর শহরের তালিকার দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে পশ্চিম আফ্রিকার দেশ ঘানার আক্রা। ১৭৬ স্কোর নিয়ে তৃতীয় স্থানে রয়েছে ভারতের মুম্বাই। এরপর যথাক্রমে ১৭৩ স্কোর নিয়ে চার নম্বরে নেপালের কাঠমান্ডু ও একই স্কোর নিয়ে চীনের বেইজিং পাঁচে আছে । অর্থাৎ, শহরদুটির বাতাসও আজ অস্বাস্থ্যকর।

সুইজারল্যান্ডভিত্তিক বায়ুর মান পর্যবেক্ষণকারী প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান আইকিউ এয়ার দূষিত বাতাসের শহরের এ তালিকা প্রকাশ করে। প্রতিদিনের বাতাসের মান নিয়ে তৈরি করা একিউআই স্কোর একটি নির্দিষ্ট শহরের বাতাস কতটুকু নির্মল বা দূষিত, সে সম্পর্কে মানুষকে তথ্য দেয় এবং তাদের কোনো ধরনের স্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরি হতে পারে কি না, তা জানায়।

তথ্যমতে, একিউআই স্কোর শূন্য থেকে ৫০ ভালো হিসেবে বিবেচিত হয়। ৫১ থেকে ১০০ মাঝারি হিসেবে গণ্য করা হয়। আর সংবেদনশীল গোষ্ঠীর জন্য অস্বাস্থ্যকর হিসেবে বিবেচিত হয় ১০১ থেকে ১৫০ স্কোর। ১৫১ থেকে ২০০ পর্যন্ত অস্বাস্থ্যকর হিসেবে বিবেচিত হয়।

একইভাবে একিউআই স্কোর ২০১ থেকে ৩০০ এর মধ্যে থাকলে খুব অস্বাস্থ্যকর এবং স্কোর ৩০১ থেকে ৪০০ এর মধ্যে থাকলে ঝুঁকিপূর্ণ বলে বিবেচিত হয়। বায়ুদূষণ গুরুতর স্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরি করে। এটা সব বয়সী মানুষের জন্য ক্ষতিকর। তবে শিশু, অসুস্থ ব্যক্তি, প্রবীণ ও অন্তঃসত্ত্বাদের জন্য বায়ুদূষণ খুবই ক্ষতিকর।

ঢাকায় বায়ু দূষণের জন্য ইটভাটা, যানবাহনের ধোঁয়া ও নির্মাণ সাইটের ধুলোকে দায়ী করছেন বিশেষজ্ঞরা। বায়ুদূষণের ফলে বাড়ছে শ্বাসকষ্ট, কাশি, নিম্ন শ্বাসনালীর সংক্রমণ এবং বিষণ্ণতার ঝুঁকি।


আরও খবর
সারা দেশে কমতে পারে রাতের তাপমাত্রা

সোমবার ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৪




প্রতি বছর বিশ্বে ক্যানসারে আক্রান্ত চার লাখ শিশু

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ১৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ১৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক

Image

প্রতি বছর বিশ্বে অন্তত চার লাখ শিশু ক্যানসারে আক্রান্ত হয়। উন্নত দেশগুলোতে ক্যানসার থেকে রোগীর সুস্থ হওয়ার হার প্রায় ৮০ শতাংশ। বাংলাদেশে এ হার এখনো ৩০ শতাংশ। তবে যথাসময়ে ক্যানসার শনাক্ত করা গেলে এবং উন্নত চিকিৎসা পেলে ৭০ শতাংশ রোগী সুস্থ হয়।

বৃহস্পতিবার (১৫ ফেব্রুয়ারি) বিশ্ব শিশু ক্যানসার দিবস। দিবসটির এবারের প্রতিপাদ্য যথাসময়ে সঠিক চিকিৎসায় শিশু ক্যানসার নিরাময় সম্ভব। দিবসটি উপলক্ষে সকালে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয় (বিএসএমএমইউ) মিলনায়তনে শিশু হেমাটোলজি বিভাগের উদ্যোগে শোভাযাত্রা ও বৈজ্ঞানিক সেমিনারের আয়োজন করা হয়।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সচেতনতার অভাব, মাত্রাতিরিক্ত চিকিৎসা ব্যয়, স্বাস্থ্যসেবার সুযোগের অভাবসহ নানান কারণে বেশির ভাগ ক্যানসার আক্রান্ত শিশু মারা যায়। শিশুদের মধ্যে সাধারণত লিউকেমিয়া বা রক্তের ক্যানসার বেশি হয়। ক্যানসার আক্রান্ত শিশুদের মধ্যে এক-তৃতীয়াংশ লিউকেমিয়ায় আক্রান্ত।

বিশিষ্ট শিশু ক্যানসার বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক ডা. আমিরুল মোরশেদ জানান, প্রাপ্তবয়স্কদের মতো একই কারণে শিশুদের ক্যানসার হয় না। প্রধানত বংশক্রমিক বা জেনেটিক্যাল কারণে শিশুদের ক্যানসার হয়ে থাকে। শিশুর দেহে শুরুতেই ক্যানসার শনাক্ত ও সঠিক চিকিৎসা দিতে পারলে পরবর্তী সময়ে সুস্থ-স্বাভাবিক জীবনযাপন করতে পারে। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়, জাতীয় ক্যানসার গবেষণা ইনস্টিটিউটসহ দেশের ১৪টি সরকারি মেডিকেল কলেজে শিশু ক্যানসার রোগীদের সুচিকিৎসার পূর্ণ ব্যবস্থা রয়েছে। এখন দেশেই সর্বাধুনিক প্রযুক্তির সাহায্যে অভিজ্ঞ বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকরা শিশু ক্যানসার রোগীদের আন্তর্জাতিকমানের চিকিৎসা সেবা দিচ্ছেন।


আরও খবর



দ্বিতীয়বার মা হলেন আনুশকা

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ২০ ফেব্রুয়ারী ২০24 | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ২০ ফেব্রুয়ারী ২০24 | অনলাইন সংস্করণ
বিনোদন ডেস্ক

Image

পুত্রসন্তানের মা হয়েছেন আনুশকা শর্মা। আজ ইনস্টাগ্রামে দ্বিতীয়বার মা-বাবা হওয়ার সুসংবাদ দেন আনুশকা ও বিরাট কোহলি।

এই তারকা দম্পতি জানিয়েছেন, গত ১৫ ফেব্রুয়ারি তাদের দ্বিতীয় সন্তানের জন্ম হয়েছে। যৌথ বিবৃতিতে সদ্যোজাত সন্তানের জন্য সবার শুভকামনা চেয়েছেন এই তারকা দম্পতি। একই সঙ্গে তাদের ব্যক্তিগত গোপনীয়তার প্রতিও সম্মান দেখানোর অনুরোধ করেছেন।

আজ মঙ্গলবার ইনস্টাগ্রামে কোহলি লিখেছেন, আপনাদের সকলকে খুশির সঙ্গে জানাচ্ছি, গত ১৫ ফেব্রুয়ারি আমাদের পরিবারে একজন পুত্র সন্তানের আগমন ঘটেছে। যার নাম রাখা হয়েছে অকায়। আপনাদের সকলের আশীর্বাদ ও দোয়া কামনা করছি। আমরা অনুরোধ করছি, আমাদের গোপনীয়তাকে আপনারা সম্মান করবেন।

আনুশকা শর্মা ও বিরাট কোহলির মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে ২০১৩ সালে। ২০১৭ সালের ১১ ডিসেম্বর ইতালির তাসকেনি প্রদেশের ফ্লোরেন্সে এক ঐতিহ্যবাহী রিসোর্টে বিরাট কোহলির সঙ্গে গাঁটছড়া বাঁধেন আনুশকা শর্মা।

এটি ছিল ২০১৭ সালে বলিউডের সবচেয়ে আলোচিত বিয়ের অনুষ্ঠান। ২০২০ সালের ২৭ আগস্ট একটি ছবি পোস্ট করে আনুশকা ও বিরাট তাদের সন্তানের আগমনের খবরটি জানিয়েছিলেন সবাইকে। ২০২১ সালের ১১ জানুয়ারি প্রথমবার মা হয়েছেন আনুশকা শর্মা। তারা মেয়ের নাম রাখেন ভামিকা।


আরও খবর
টেইলর সুইফট ইফেক্টে আক্রান্ত সিঙ্গাপুর

বৃহস্পতিবার ২৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৪




আজ টেডি ডে : যে কারণে এই দিন পালন করা হয়

প্রকাশিত:শনিবার ১০ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ১০ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
জীবন ধারা ডেস্ক

Image

ভ্যালেনটাইনস ডে আসতে এখনও কয়েক দিন বাকি। চলছে ভ্যালেন্টাইনস উইক, অর্থাৎ প্রেমের সপ্তাহ। এই বিশেষ সপ্তাহের চতুর্থ দিন টেডি ডে। আর এই বিশেষ দিনে প্রিয়জনকে টেডি উপহার দেওয়ার রীতি আছে।

একেই ভালবাসার সপ্তাহ। তার উপর একেকদিন পালন করা হয় একেকটি বিশেষ আবহ। টেডি ডেও তেমনই এক বিশেষ আবহ। তবে এই দিবস কেন পালিত হয়, তা কি জানেন?

ভালোবাসার প্রকাশ নানাভাবেই হয়। ভালোবাসার পাশাপাশি প্রেম, আদর ও যত্নের প্রতীক হয়ে থাকে টেডি। তবে টেডি উপহার হিসেবে কেন এত বিখ্যাত? কবে থেকেই বা টেডি দেওয়ার রীতি শুরু হলো?

টেডি ডের ইতিহাস : টেডি ডের সঙ্গে অনেকটাই জড়িয়ে আছে টেডির গল্প। টেডি উপহার হিসেবে খুব বেশি দিন বিখ্যাত হয়নি। গত শতক থেকে এটি উপহার হিসেবে জনপ্রিয় হয়। কিন্তু তার পেছনে আছে এক গল্প। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট সেই গল্পের নায়ক।

বিভিন্ন সূত্র থেকে প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, বিশ শতকের গোড়ার দিকে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে প্রেসিডেন্ট থিওডোর রুজভেল্ট একবার শিকারে যান। শিকারের সময় একটি ভাল্লুককে দেখে তার মত বদলে ফেলেন।

ভাল্লুকটিকে ছেড়ে দেন মার্কিন রাষ্ট্রপতি। থিওডোরের এই ঘটনার কথা সঙ্গে সঙ্গে রটে যায়। তার এই মানবিক গুণ কার্টুনে ফুটিয়ে তোলেন ক্লিফোর্ড বেরিম্যান। কার্টুনে দেখা যায় একটা মিষ্টি ভাল্লুককে। কার্টুনটি জনপ্রিয় হয়েছিল। একই সঙ্গে সেই ভাল্লুকটিই জনপ্রিয় হয়ে যায়। এর পর মরিস মিকটোম ওই কার্টুন ভাল্লুকের আকারে একটী খেলনা পুতুল তৈরি করেন। যেটি টেডি হিসেবে জনপ্রিয় হয়ে ওঠে।

জনপ্রিয় উপহার হিসেবে টেডির চল : শুরু থেকেই টেডি জনপ্রিয় হয়ে গিয়েছিল। শুরুতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট এর সঙ্গে জড়িত থাকায় সহজে জনপ্রিয়তা পায় ভাল্লুক। এর পর বিভিন্ন অনুষ্ঠানে টেডি জনপ্রিয় উপহার হয়ে ওঠে।

টেডির চেহারার মধ্যে আছে এক নিষ্পাপ আদুরে ভাব। যে কারণে ব্যক্তিগত সম্পর্কে জায়গা করে নিল উপহার। কিশোরী, তরুণীদের মধ্যে টেডি প্রেম অচিরে বাড়তে থাকে। আর সেই থেকে প্রেমের একটি মিষ্টি উপহার টেডি। টেডি ডের সেই উপহারের জন্য বরাদ্দ একটি দিন। এদিন চাইলে সঙ্গী রং-বেরঙের টেডি উপহার দিতে পারেন।


আরও খবর
২৯ ফেব্রুয়ারি: ইতিহাসের এই দিনে

বৃহস্পতিবার ২৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৪

আজকের রাশিফল: বৃহস্পতিবার ২৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৪

বৃহস্পতিবার ২৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৪




মিরাজ-মালিকের ব্যাটে রোমাঞ্চকর জয় বরিশালের

প্রকাশিত:শনিবার ০৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ০৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
ক্রীড়া প্রতিবেদক

Image

কঠিন সমীকরণ, শেষ দুই ওভারে দরকার ৩৭ রান। ১৯তম ওভারের শেষ বল পর্যন্ত একপ্রকার অনিশ্চিতই ছিল ফরচুন বরিশালের জয়। ওই বলে ছক্কা হাঁকিয়ে সমীকরণ কিছুটা সহজ করেন শোয়েব মালিক। শেষ ছয় বলে বরিশালের দরকার ছিল ১৮ রান। প্রথম বলে ছক্কা মেরে পরের বলে সিঙ্গেল নিলে স্ট্রাইকে যান শোয়েব মালিক। তৃতীয় বলে চার ও চতুর্থ বলে মারলেন ছক্কা। এতেই দুই বল বাকি থাকতে খুলনা টাইগার্সকে ৫ উইকেটে হারিয় ফরচুন বরিশাল। আগে ব্যাট করে ৮ উইকেট হারিয়ে ১৫৫ রান করে খুলনা। ম্যাচ হারলেও ৫ ম্যাচ খেলে ৪ জয় ও এক হারে শীর্ষে এখনো খুলনা। অন্যদিকে ৬ ম্যাচের ৩ জয়ে পাঁচে বরিশাল।

টসে হেরে ব্যাটিংয়ে নেমে শুরুতে খুব একটা সুবিধা করতে পারেনি খুলনা। দলটির অধিনায়ক এনামুল হক বিজয় ১৩ বলে ১২ রান করে আউট হতেই শুরু হয় ব্যাটিং ধস। রান আউটে কাটা পড়েন হাবিবুর রহমান সোহান। একপ্রান্ত আগলে রাখা ইমন আউট ২৪ বলে ৩৩ রানের ইনিংস খেলে। পরের বলেই সাজঘরে ফেরেন আফিফ। ব্যক্তিগত ১৩ রানে তাইজুলের বলে ফেরেন মাহমুদুল জয়। এরপর নাহিদুল ইসলামও বিদায় নিলে ৮৮ রানে ৭ উইকেট হারায় খুলনা।

শেষদিকে ফাহিম আশরাফ ও মোহাম্মদ নওয়াজের ঝড়ে ৮ উইকেটে ১৫৫ রানের লড়াকু পুঁজি গড়েছে এনামুল হক বিজয়ের দল। নওয়াজ ২৩ বলে ৪ ছক্কায় খেলেন ৩৮ রানের ইনিংস। ফাহিম ১৩ বলে ৫ চার ও ১ ছক্কায় করেন ৩২ রান। তাইজুল ইসলাম মাত্র ৭ রান দিয়ে শিকার করেন দুই উইকেট। সমান উইকেট নেন ২৪ রান দেওয়া শোয়েব মালিকও।

জবাবে মাঠে নেমে শুরুতেই হোঁচট খায় বরিশাল। দলীয় ৭ রানের মাথায় আহমেদ শেহজাদের উইকেট হারায় দলটি। তিন বল খেলেও রানের খাতা খুলতে পারেননি এই ডানহাতি ব্যাটার। তৃতীয় উইকেটে সৌম্য সরকারকে সঙ্গে নিয়ে রান তুলতে থাকেন তামিম ইকবাল। এই জুটিতে যোগ হয় ২৭ রান। দলীয় ৩৪ রানের মাথায় তামিমের বিদায়ে ভাঙে এই জুটি। ১৮ বলে ২০ রান করে ফেরেন বাঁহাতি এই ব্যাটার। এরপর ২৩ বলে ২৬ রান করে আশরাফের দ্বিতীয় শিকার হন সৌম্য। তার বিদায়ের পর মুশফিক-মাহমুদউল্লাহ বেশিক্ষণ টিকতে পারেনি। মুশফিক ২৭ ও মাহমুদউল্লাহ চার রান করে বিদায় নেন। শেষদিকে, মিরাজ ও শোয়েব মালিক জুটিতে জয়ের সম্ভাবনা জাগিয়ে তোলে বরিশাল। শেষমেশ তাদের হাত ধরেই জয় নিশ্চিত হয় বরিশালের।


আরও খবর
৪ বছরের জন্য ফুটবলে নিষিদ্ধ বিশ্বকাপজয়ী পগবা

বৃহস্পতিবার ২৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৪