আজঃ শুক্রবার ২১ জুন ২০২৪
শিরোনাম

ঢাকার বায়ুমানের কিছুটা উন্নতি, শীর্ষে লাহোর

প্রকাশিত:রবিবার ১৭ মার্চ ২০২৪ | হালনাগাদ:রবিবার ১৭ মার্চ ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক

Image

দিন দিন বিশ্বের বিভিন্ন দেশেই বেড়ে চলেছে বায়ুদূষণের মাত্রা। তবে মেগাসিটি ঢাকার বায়ুদূষণ অন্যদিনের তুলনায় কিছুটা উন্নতি হয়েছে। বেশ কিছু দিন ধরে শহরটির বাতাস জনস্বাস্থ্যের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় থাকলেও আজ রোববার (১৭ মার্চ) সকালে দূষণের মাত্রা একটু কম।

সকাল পৌন ৮টার দিকে আন্তর্জাতিক বায়ুমান প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান আইকিউএয়ারের তথ্য অনুযায়ী, প্রায় প্রতিদিনই দূষিত বাতাসের শহরের তালিকায় শীর্ষ ১০-এর মধ্যে থাকলেও ১৩৯ স্কোর নিয়ে বিশ্বের দূষিত বাতাসের শহরের তালিকায় ঢাকা আজ ১২তম স্থানে রয়েছে।  সে হিসাবে বলা যায়, ঢাকার বাতাসের কিছুটা উন্নতি হয়েছে। তবে ঢাকার আজকের বাতাসও সংবেদনশীল গোষ্ঠীর জন্য অস্বাস্থ্যকর।

সকাল পৌন ৮টার দিকে আন্তর্জাতিক বায়ুমান প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান আইকিউএয়ারের তথ্য অনুযায়ী, ১৩৯ স্কোর নিয়ে বিশ্বের দূষিত বাতাসের শহরের তালিকায় ঢাকা আজ ১২তম স্থানে রয়েছে।

আইকিউএয়ারের মানদণ্ড অনুযায়ী, ২৫০ স্কোর নিয়ে দূষিত বাতাসের শহরের তালিকায় শীর্ষে রয়েছে পাকিস্তানের লাহোর, ২১৩ স্কোর নিয়ে দ্বিতীয় স্থানে ভারতের দিল্লি; ১৮০ স্কোর নিয়ে তৃতীয় থাইল্যান্ডের চিয়াং মাই শহর; ১৭৬ স্কোর নিয়ে চতুর্থ অবস্থানে আছে পাকিস্তানের আরেক শহর করাচি এবং ১৬২ স্কোর নিয়ে ইন্দোনেশিয়ার মেদান শহর আছে পঞ্চম স্থানে।

একিউআই স্কোর শূন্য থেকে ৫০ ভালো হিসেবে বিবেচিত হয়। ৫১ থেকে ১০০ মাঝারি হিসেবে গণ্য করা হয়; আর সংবেদনশীল গোষ্ঠীর জন্য অস্বাস্থ্যকর বিবেচিত হয় ১০১ থেকে ১৫০ স্কোর। স্কোর ১৫১ থেকে ২০০ হলে তাকে অস্বাস্থ্যকর বায়ু বলে মনে করা হয়।

২০১ থেকে ৩০০-এর মধ্যে থাকা একিউআই স্কোরকে খুব অস্বাস্থ্যকর বলা হয়। এ অবস্থায় শিশু, প্রবীণ এবং অসুস্থ রোগীদের বাড়ির ভেতরে এবং অন্যদের বাড়ির বাইরের কার্যক্রম সীমাবদ্ধ রাখার পরামর্শ দেয়া হয়ে থাকে। এ ছাড়া ৩০১ থেকে ৪০০-এর মধ্যে থাকা একিউআই ঝুঁকিপূর্ণ বলে বিবেচিত হয়, যা নগরের বাসিন্দাদের জন্য গুরুতর স্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরি করে।

সাধারণত একিউআই নির্ধারণ করা হয় দূষণের পাঁচটি ধরনকে ভিত্তি করে; যেমন: বস্তুকণা (পিএম১০ ও পিএম২.৫), এনও২, সিও, এসও২ ও ওজোন (ও৩)।

বায়ুদূষণ গুরুতর স্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরি করে থাকে। এটা সব বয়সি মানুষের জন্য ক্ষতিকর। তবে শিশু, অসুস্থ ব্যক্তি, প্রবীণ ও অন্তঃসত্ত্বাদের জন্য বায়ুদূষণ খুবই ক্ষতিকর।


আরও খবর
নয় অঞ্চলে ৬০ কিমি বেগে ঝড়ের আভাস

বৃহস্পতিবার ২০ জুন ২০24




নীরবে লাগামহীন কাঁচামরিচ-আদা-রসুনের বাজার

প্রকাশিত:শনিবার ০১ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ০১ জুন ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
উপজেলা প্রতিনিধি

Image

দিনাজপুরের ফুলবাড়ীতে গত ১৫ দিনের ব্যবধানে বিভিন্ন মসলার সঙ্গে পেঁয়াজ, রসুন, আদা ও কাঁচামরিচের দাম বৃদ্ধি পাওয়ায় বিপাকে সাধারণ ক্রেতারা।

ব্যবসায়ীরা বলছেন, স্থানীয় বাজারে আদমানি কম হওয়াসহ মোকামে দাম বৃদ্ধি পাওয়ায় দাম বেড়েছে। সরবরাহ বাড়লে দামও কমে আসবে এমনটাই আশা ব্যবসায়ীদের।

শনিবার (১ জুন) সকালে ফুলবাড়ী পৌর বাজার ঘুরে দেখা যায়, ১৫ দিন আগেও যে আদা বিক্রি হয়েছে ১৮০ টাকা কেজি দরে, এখন সেই আদা বিক্রি হচ্ছে ২৬০ টাকায়। ১৭০ টাকা কেজির রসুন বর্তমানে বিক্রি হচ্ছে ২০০ থেকে ২২০ টাকা কেজি দরে। ৫৫ টাকা কেজির পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ৭০ থেকে ৭৫ টাকায় আর ৫০ টাকা কেজির কাঁচামরিচ বিক্রি হচ্ছে ১২০ টাকায়।

ফুলবাড়ী পৌর বাজারে বাজার করতে আসা মো. মাহাবুব আলম বলেন, গত দুই সপ্তাহ আগে আদা ১৮০ টাকা কেজি দারে কিনতে পাওয়া গেলেও এখন সেই আদা কিনতে হচ্ছে ২৪০ টাকা কেজি দরে। এভাবে দাম বাড়লে সাধারণ মানুষ চলবে কীভাবে।

অপর ক্রেতা সাজ্জাদ হোসেন বলেন, কোরবানির ঈদ আসছে। সবার মসলা প্রয়োজন হয়। বাজারে এসে দেখা যাচ্ছে আদা, রসুন, পেঁয়াজ ও কাঁচামরিচের দাম বেড়ে গেছে। নিত্যপণ্যের দাম সাধারণ মানুষের নাগালের মধ্যে থাকলে অনেক ভালো হয়।

ফুলবাড়ী পৌর বাজারের পাইকারি সবজি ব্যবসায়ী বিধান চন্দ্র ও আলমগীর হোসেন বলেন, ডলারের দাম বৃদ্ধির কারণে আদার দাম বাড়ছে। দেশের বাজারে রসুনের আমদানি বর্তমান কম, যার কারণে দাম বাড়ছে। আবার মোকামে দাম বৃদ্ধিসহ আমদানি কম হওয়ায় পেঁয়াজ ও কাঁচা মরিচের দামও বেড়েছে। প্রচণ্ড দাবদাহে মরিচের গাছ ঝলসে যাওয়ায় ফলন কমে গেছে। ফলে আমদানি কমে গেছে আশঙ্কাজনকভাবে। এসব কারণেই দাম বৃদ্ধি পাচ্ছে। সরবরাহ বাড়লে দামও কমে আসবে।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মীর মো. আল কামাহ্‌ তমাল বলেন, উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে নিয়মিত বাজার মনিটরিং ও নজরদারি রাখা হয়েছে। অসাধু ব্যবসায়ীরা যদি সিন্ডিকেট করে দাম বাড়ানোর চেষ্টা করে তাহলে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।


আরও খবর



ঈদে টানা ৫ দিনের ছুটি পাচ্ছেন সরকারি চাকরিজীবীরা

প্রকাশিত:শনিবার ০৮ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ০৮ জুন ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক

Image

এবার ঈদুল আজহায় সরকারি চাকরিজীবীরা টানা পাঁচদিনের ছুটি পাচ্ছেন। আগামী ১৪-১৮ জুন পর্যন্ত ছুটি কাটাবেন সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীরা।

এদিকে শুক্রবার সন্ধ্যায় বাংলাদেশের আকাশে জিলহজ মাসের চাঁদ দেখা গেছে। ফলে শনিবার (৮ জুন) থেকে শুরু হয়েছে জিলহজ মাস। আরবি এ মাসের ১০ তারিখে ঈদুল আজহা।

সেই হিসাবে ১৭ জুন (সোমবার) দেশে মুসলমানদের দ্বিতীয় বড় ধর্মীয় উৎসব পবিত্র ঈদুল আজহা বা কোরবানির ঈদ উদযাপিত হবে।

এ উপলক্ষে ১৬, ১৭ ও ১৮ জুন (রোব, সোম ও মঙ্গলবার) সরকারি ছুটি থাকবে। তবে ঈদের ছুটির আগে ১৪ ও ১৫ জুন (শুক্র ও শনিবার) দুদিন সাপ্তাহিক ছুটি। সেজন্য সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ছুটি শুরু হবে ১৪ জুন থেকে। তারা ছুটি কাটাবেন ১৮ জুন পর্যন্ত।

জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে জানা গেছে, ঈদুল আজহার দিন সাধারণ ছুটি থাকে। আর ঈদের আগের ও পরের দিন নির্বাহী আদেশে সরকারি ছুটি ভোগ করে থাকেন সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীরা।

গ্রামের বাড়িতে থাকা প্রিয়জনদের সঙ্গে আনন্দ ভাগাভাগি করতে সাধারণত ঈদের ছুটিতে রেল, সড়ক ও নৌপথে অসংখ্য মানুষ রাজধানী ছাড়েন। লাখ লাখ মানুষ গ্রামে ফেরায় ঢাকা ফাঁকা হয়ে যায়।

যে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীরা দূর-দূরান্তে ঈদ উদযাপন করবেন তাদের কেউ কেউ আগামী বৃহস্পতিবার অফিস করেই কর্মস্থল ত্যাগ করবেন বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

অন্যদিকে ঈদুল আজহার ছুটির পর ১৯ জুন থেকে নতুন সময়সূচিতে চলবে সরকারি অফিস। ওই দিন থেকে আগের মতো সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত অফিস করবেন সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীরা।


আরও খবর



শক্তি সঞ্চয় করে ধেয়ে আসছে ঘূর্ণিঝড় রেমাল, উপকূলে বৃষ্টি

প্রকাশিত:রবিবার ২৬ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:রবিবার ২৬ মে ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক

Image

প্রবল শক্তি সঞ্চয় করে বাংলাদেশের স্থলভাগের ৩০০ কিলোমিটারের মধ্যে চলে এসেছে ঘূর্ণিঝড় রেমাল। এরই মধ্যে এর অগ্রভাগের প্রভাবে দেশের উপকূলীয় অঞ্চলে বৃষ্টি হচ্ছে। ঢাকার আকাশও মেঘলা।

মোংলা ও পায়রা সমুদ্রবন্দরে ৭ নম্বর বিপৎসংকেত বহাল রাখা হয়েছে। অন্যদিকে চট্টগ্রাম ও কক্সবাজার সমুদ্রবন্দরে বহাল রয়েছে ৬ নম্বর বিপৎসংকেত।

রবিবার (২৬ মে) আবহাওয়ার বিশেষ বিজ্ঞপ্তিতে (ক্রমিক নম্বর-৯) সব তথ্য জানিয়েছে বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর।

এতে বলা হয়, উত্তর-পশ্চিম বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন এলাকায় অবস্থানরত ঘূর্ণিঝড় রেমাল’ উত্তর দিকে অগ্রসর হয়ে একই এলাকায় অবস্থান করছে। এটি গত মধ্যরাতে চট্টগ্রাম সমুদ্রবন্দর থেকে ৪০৫ কিলোমিটার দক্ষিণ-পশ্চিমে, কক্সবাজার সমুদ্রবন্দর থেকে ৩৫৫ কিলোমিটার দক্ষিণ-পশ্চিমে, মোংলা সমুদ্রবন্দর থেকে ৩৪০ কিলোমিটার দক্ষিণে এবং পায়রা সমুদ্রবন্দর থেকে ৩০০ কিলোমিটার দক্ষিণে অবস্থান করছিল। এটি আরও উত্তর দিকে অগ্রসর ও ঘনীভূত হতে পারে।

ঘূর্ণিঝড় কেন্দ্রের ৫৪ কিলোমিটারের মধ্যে বাতাসের একটানা সর্বোচ্চ গতিবেগ ঘণ্টায় ৬২ কিলোমিটার, যা দমকা বা ঝোড়ো হাওয়ার আকারে ৮৮ কিলোমিটার পর্যন্ত বৃদ্ধি পাচ্ছে। ঘূর্ণিঝড় কেন্দ্রের নিকটবর্তী এলাকায় সাগর খুবই উত্তাল রয়েছে বলেও জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।

‘পায়রা ও মোংলা সমুদ্রবন্দরকে ৭ নম্বর এবং চট্টগ্রাম ও কক্সবাজার সমুদ্রবন্দরকে ৬ নম্বর বিপৎসংকেত দেখিয়ে যেতে বলা হয়েছে।’

ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাবে উপকূলীয় জেলা সাতক্ষীরা, খুলনা, বাগেরহাট, পিরোজপুর, ঝালকাঠি, বরগুনা, বরিশাল, ভোলা, পটুয়াখালী, নোয়াখালী, লক্ষ্মীপুর, ফেনী, কুমিল্লা, চট্টগ্রাম, কক্সবাজার এবং তাদের অদূরবর্তী দ্বীপ ও চরের নিম্নাঞ্চল স্বাভাবিক জোয়ারের চেয়ে ৩ থেকে ৫ ফুটের বেশি উচ্চতার বায়ুতাড়িত জলোচ্ছ্বাসে প্লাবিত হতে পারে। ঘূর্ণিঝড়টির প্রভাবে রাজশাহী, রংপুর, ময়মনসিংহ, ঢাকা, খুলনা, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগে দমকা বা ঝোড়ো হাওয়াসহ ভারী (৪৪ থেকে ৮৮ মিমি) থেকে অতিভারী (৮৯ মিমির বেশি) বর্ষণ হতে পারে। চট্টগ্রামের পাহাড়ি এলাকায় ভূমিধস হতে পারে বলেও বিশেষ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে।

আবহাওয়াবিদরা আরও জানিয়েছেন, উত্তর বঙ্গোপসাগর ও গভীর সাগরে অবস্থানরত মাছ ধরার নৌকা ও ট্রলারকে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত নিরাপদ আশ্রয়ে থাকতে বলা হলো।


আরও খবর
নয় অঞ্চলে ৬০ কিমি বেগে ঝড়ের আভাস

বৃহস্পতিবার ২০ জুন ২০24




পদ্মা সেতুতে একদিনে সর্বোচ্চ ৫ কোটি টাকা টোল আদায়

প্রকাশিত:শনিবার ১৫ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ১৫ জুন ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক

Image

ঈদকে সামনে রেখে প্রিয়জনের টানে বাড়ি ছুটছে মানুষ। দক্ষিণাঞ্চলের প্রবেশদ্বার মুন্সীগঞ্জের মাওয়ায় ঘরমুখো মানুষের ঢল নেমেছে। আর এতে সেতুতে বেড়েছে টোল আদায়। শুক্রবার (১৪ জুন) পদ্মা সেতু দিয়ে ৪৪ হাজার ৩৩টি যান পারাপার হয়েছে। এর থেকে টোল আদায় হয়েছে ৪ কোটি ৮০ লাখ টাকারও বেশি।

শনিবার (১৫ জুন) সকালে লৌহজং উপজেলার মাওয়া প্রান্তে পদ্মা সেতু পরিদর্শনে গিয়ে সেতু বিভাগের সিনিয়র সচিব মো. মঞ্জুর হোসেন এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

দেখা যায়, পদ্মা সেতুর টোল প্লাজা ঘিরে তাই লম্বা লাইন। প্রাইভেটকার, জিপ, মাইক্রোবাস, বাস, ট্রাকসহ সব ধরনের যানবাহনই সেতু পার হচ্ছে। আর ভিন্ন লেন দিয়ে যাতায়াত করছে মোটরসাইকেল। ভোর থেকে যানবাহনে চাপ বেশি থাকলেও বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে তা কমে আসে। কখনো কখনো যানবাহনের চাপ বেড়ে লাইন লম্বা হচ্ছে। আবার কখনো ফাঁকা হয়ে যাচ্ছে। তবে ঈদযাত্রা নির্বিঘ্ন করতে কর্তৃপক্ষ নানা পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে।

এ দিকে জানা যায়, দক্ষিণাঞ্চলের প্রবেশদ্বার মুন্সীগঞ্জের মাওয়ায় স্বপ্নের পদ্মা সেতু অতিক্রম করে নিজ নিজ গন্তব্যে যাচ্ছেন ঘরমুখো যাত্রীরা। তাই এ পথে এবারের ঈদযাত্রা একেবারেই নির্বিঘ্ন। তেমন কোনো বিড়ম্বনার অভিযোগ নেই ঘরমুখো মানুষের। পদ্মা সেতুর নির্বিঘ্ন ঈদযাত্রায় খুশি সেতু ব্যবহারকারীরা। এ ছাড়া দুপাশের এক্সপ্রেসওয়েতেও ঝক্কিঝামেলাবিহীন যাতায়াত করছেন ঘরমুখো মানুষ।


আরও খবর



১৩ হাজার ৮৭৬ কোটি টাকার জ্বালানি তেল কিনবে সরকার

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ১১ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ১১ জুন ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক

Image

চলতি বছরের জুলাই থেকে ডিসেম্বর সময়ে ১৩ হাজার ৮৭৬ কোটি ৫৩ লাখ টাকার পরিশোধিত জ্বালানি তেল আমদানির পরিকল্পনা নিয়েছে সরকার। আন্তর্জাতিক কোটেশন প্রক্রিয়া অবলম্বন করে এই তেল আমদানি করতে অনুমোদন দিয়েছে সরকারি ক্রয়সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটি।

মঙ্গলবার (১১ জুন) সচিবালয়ে অর্থমন্ত্রী আবুল হাসান মাহমুদ আলীর সভাপতিত্বে সরকারি ক্রয়সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। ওই বৈঠকে এ অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। বৈঠক শেষে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সমন্বয় ও সংস্কার সচিব মো. মাহমুদুল হোসাইন খান সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান।

তিনি জানান, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের প্রস্তাবের পরিপ্রেক্ষিতে ২০২৪ সালের জুলাই থেকে ডিসেম্বর সময়ে আন্তর্জাতিক কোটেশন প্রক্রিয়ায় পরিশোধিত জ্বালানি তেল আমদানির অনুমোন দিয়েছে মন্ত্রিসভা কমিটি। এটি বাস্তবায়ন করবে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (বিপিসি)। এজন্য বিপিসির ১৩ হাজার ৮৭৬ কোটি ৫৩ লাখ টাকার বাজেট অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।

জানা গেছে, ২০২৪ সালের জুলাই থেকে ডিসেম্বর সময়ের জন্য পরিশোধিত জ্বালানি তেল আমদানির লক্ষ্যে ৫টি প্যাকেজে বিভক্ত করে আন্তর্জাতিক কোটেশন আহ্বান করা হয়। সাতটি প্রতিষ্ঠান থেকে দরপ্রস্তাব জমা পড়ে। তারমধ্যে চারটি প্রতিষ্ঠানের প্রস্তাব কারিগরিভাবে রেসপনসিভ হয়।

প্রস্তাবের সব প্রক্রিয়া শেষে টিইসি কর্তৃক সুপারিশ করা রেসপনসিভ সর্বনিম্ন দরদাতা প্রতিষ্ঠান সিঙ্গাপুরের ইউনিপেক সিঙ্গাপুর প্রাইভেট লিমিটেড এবং ভিটল এশিয়া প্রাইভেট লিমিটেড থেকে ১৫ লাখ ৮০ হাজার মেট্রিক টন জ্বালানি তেল আমদানি সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এতে ব্যয় হবে ১১৭ কোটি ৬৯ লাখ ৭৪ হাজার ৮০০ মার্কিন ডলার। বাংলাদেশি মুদ্রায় ১৩ হাজার ৮৭৬ কোটি ৫৩ লাখ টাকা।

প্রতি ব্যারেল জেটএ-১ এর দাম পড়বে ১০.৮৮ ডলার। এছাড়া প্রতি ব্যারেল গ্যাস অয়েল ৮.৮৩ মার্কিন ডলার, ফার্নেস অয়েল ৪৬.৭২ ডলার, মোগ্যাস ৯.৮৮ ডলার এবং মেরিন ফুয়েল ৭৬.৮৮ ডলার দিয়ে কেনা হবে। এই দামে গ্যাস অয়েল ১০ লাখ মেট্রিক টন, জেট-এ-১ ২ লাখ মেট্রিক টন, ফার্নেস অয়েল ২ লাখ ৫০ হাজার মেট্রিক টন, মোগ্যাস ১ লাখ মেট্রিক টন এবং মেরিন ফুয়েল ৩০ হাজার মেট্রিক টন আমদানি করা হবে।


আরও খবর