আজঃ বুধবার ০৪ আগস্ট ২০২১
শিরোনাম

ধামরাই বিপুল পরিমাণ মাদকদ্রব্যসহ আটক-৩

প্রকাশিত:বুধবার ১৪ জুলাই ২০২১ | হালনাগাদ:বুধবার ১৪ জুলাই ২০২১ | ১১৪জন দেখেছেন
Image

সাভার থেকে আসাদুজ্জামান খাইরুল:

ঢাকা জেলার ধামরাই উপজেলা থেকে বিপুল পরিমাণ ইয়াবা ও মাদক ব্যবসায় ব্যবহৃত সরঞ্জামাদিসহ তিন মাদক ব্যবসায়ীকে আটক করে র‌্যাব-৪।

বুধবার (১৪-০৭-২০২১ ইং) দুপুরে বিষয়টি নিশ্চিত করে র‌্যাব-৪।

র‌্যাপিড এ্যাকশন ব্যাটালিয়ন, র‌্যাব-৪ এর (CPC-2) কোম্পানি কমান্ডারের নেতৃত্বে বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে, ১৩ জুলাই ২০২১ইং তারিখ রাত ২০.১০ ঘটিকায় গোপন সংবাদের প্রেক্ষিতে ঢাকা জেলার ধামরাই থানাধীন কালামপুর এলাকা থেকে ৮০১ পিস ইয়াবা, ০১ টি মোটর সাইকেল, ০৩ টি মোবাইল এবং মাদক বিক্রিত নগদ-২৫,০৬০/- টাকাসহ ০৩ মাদক কারবারীকে গ্রেফতার করে।

র‌্যাব-৪ এর(CPC-2) কোম্পানি কমান্ডার লেফটেন্যান্ট কমান্ডার রাকিব মাহমুদ খান জানান, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায় আসামীদ্বয় পরস্পর যোগসাজোশে বেশ কিছুদিন যাবৎ দেশের সীমান্তবর্তী এলাকা হতে নেশাজাতীয় মাদকদ্রব্য ইয়াবা সংগ্রহ করে ভিন্ন ভিন্ন কৌশলে লোক চক্ষুর আড়ালে ঢাকা জেলার ধামরাইসহ আশেপাশের বিভিন্ন এলাকায় সরবরাহ করে আসছিলো।

আটককৃত আসামিরা হলেন, (ক) মোঃ জাহিদ হাসান (৩২), জেলা- টাঙ্গাইল। (খ) মোঃ শফিকুল ইসলাম (৩৫), জেলা- টাঙ্গাইল। (গ) মোঃ জাহেদ তালুকদার (২৫), জেলা- টাঙ্গাইল।

তিনি আরো বলেন, উপরোক্ত বিষয়ে প্রয়োজনীয় আইনানুগ কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন।


আরও খবর



শ্রীপুরে দুর্বৃত্তের ছুড়া পেট্রোলে দোকানে আগুন, দগ্ধ যুবকের মৃত্যু!

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ২৭ জুলাই ২০২১ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ২৭ জুলাই ২০২১ | ৯৩জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

শ্রীপুর (গাজীপুর) প্রতিনিধি :

গাজীপুরের শ্রীপুরে গ্যাস সিলিন্ডারের মূল্য নির্ধারণ নিয়ে বাক বিতন্ডায় দোকানে হামলা এবং দোকান মালিকের গায়ে পেট্রোল ঢেলে আগুন লাগিয়ে হত্যা চেষ্টার ঘটনার টানা চারদিন ঢাকা বারডেম হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় অগ্নিদগ্ধ শরীর নিয়ে মৃত্যুর সাথে পাঞ্জা লড়ে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যবরণ করলেন দগ্ধ আরিফ হোসেন (৩০)।

সোমবার (২৬ জুলাই) দিবাগত রাত সাড়ে এগারোটার দিকে রাজধানীর শেখ হাসিনা বার্ন ইউনিটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যু হয় আরিফের।

তথ্যটি নিশ্চিত করেছেন নিহতের বড় ভাই তোফাজ্জল হোসেন।

নিহত আরিফ হোসেন (৩০) শ্রীপুর উপজেলার তেলিহাটি ইউনিয়নের উদয়খালী গ্রামের জজ মিয়ার ছেলে। সে স্থানীয় বিবিএস কেবলসে চাকুরির পাশাপাশি বিবিএস কোম্পানির সামনে ব্যবসা করতো।

এ ঘটনায় মো. তোফাজ্জল হোসেন বাদী হয়ে শ্রীপুর মডেল থানায় একটি লিখিত অভিযোগ করেছেন। অভিযুক্তরা হলো, উপজেলার গোদারচালা গ্রামের ফালু সরকারের ছেলে তেলিহাটি ইউনিয়ন যুবদলের সভাপতি তোফাজ্জল সরকার, মোফাজ্জল সরকার এবং তাইজু সরকার।

উল্লেখ্য, গত বৃহস্পতিবার(২২ জুলাই) সন্ধ্যা সাড়ে ৬ টার দিকে তেলিহাটি ইউনিয়ন যুবদলের সভাপতি তোফাজ্জল সরকার একটি গ্যাস সিলিন্ডারের দাম নিয়ে দোকানদার সাখাওয়াতের সাথে বাকবিতন্ডা হয়। এক পর্যায়ে দোকানদারের বাবা জজ মিয়াকে মারধর করে। এর আধা ঘণ্টা পরে তেলিহাটি ইউনিয়ন যুবদলের সভাপতি তোফাজ্জল সরকার তার লোকজন নিয়ে ওই দোকানে ভাঙচুর করে পেট্রোল ঢেলে আগুন লাগিয়ে দেয়। এ সময় প্রতিপক্ষের হামলায় ৬ জন গুরুতর আহত হয়েছেন। আহতদের উদ্ধার করে স্থানীয় বিভিন্ন ক্লিনিকে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাদেরকে শ্রীপুর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও ঢাকা মেডিকেল কলেজ বার্ন ইউনিটে পাঠানো হয়। এসময় হামলাকারীরা ভাংচুর এবং লুটপাট করে ড্রয়ার ভেঙ্গে নগদ ৯ লক্ষ ২০ হাজার টাকা নিয়ে যায় এবং  প্রায় ১৫ লক্ষ টাকার মালামালের ক্ষতি সাধন করে।

এ ঘটনায় আহত ছয়জনের মধ্যে আরিফ, সজিব ও রুবেল নামের তিনজনের শরীর পেট্রোল ছিটিয়ে আগুন লাগিয়ে দেয় দুর্বৃত্তরা। যার মধ্যে আরিফের অবস্থা আশংকাজনক।

এ ব্যাপারে শ্রীপুর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি খোন্দকার ইমাম হোসেন হামলার ঘটনায় থানায় মামলা হয়েছে আসামিদের গ্রেপ্তারের জন্য আমাদের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।


আরও খবর



দক্ষিণ আফ্রিকায় সহিংসতায় নিহত বেড়ে ৭২

প্রকাশিত:বুধবার ১৪ জুলাই ২০২১ | হালনাগাদ:বুধবার ১৪ জুলাই ২০২১ | ১০২জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

দক্ষিণ আফ্রিকায় লুটপাট ও সহিংসতার ঘটনায় নিহতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৭২। এর মধ্যে ১০ জন পদদলিত হয়ে প্রাণ হারিয়েছেন। স্থানীয় সময় সোমবার রাতে সোয়েটো শহরের একটি শপিং সেন্টারে লুটপাটের সময় এই ঘটনা ঘটে। সাবেক প্রেসিডেন্ট জ্যাকব জুমা জেলে যাওয়ার জের ধরে দেশজুড়ে ব্যাপক সহিংসতা ছড়িয়ে পড়েছে। খবর বিবিসির।

গত এক সপ্তাহ ধরেই দক্ষিণ আফ্রিকার বিভিন্ন শহরে সহিংসতার ঘটনা ঘটছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশের সঙ্গে মাঠে নেমেছে সেনাবাহিনী। লুটপাট, অগ্নিসংযোগ ঠেকানো এবং অর্থনৈতিক কেন্দ্রস্থল জোহানেসবার্গকে রক্ষায় নিরাপত্তা বাহিনী কাজ করছে।

আদালত অবমাননার দায়ে গত ৮ জুলাই থেকে জুমার কারাজীবন শুরু হয়। তারপর থেকেই সহিংসতা ও লুটপাটের ঘটনার সূত্রপাত। দক্ষিণ আফ্রিকার পুলিশ এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, দাঙ্গা উস্কে দেয়ার ঘটনায় সন্দেহভাজন ১২ জনকে চিহ্নিত করেছে তারা। এছাড়া এখন পর্যন্ত ১ হাজার ২৩৪ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

মঙ্গলবার দক্ষিণ আফ্রিকার পুলিশ বলছে, যেভাবে লুটপাট চলছে তা আরও কিছু দিন অব্যাহত থাকলে দেশটিতে নিত্য প্রয়োজনীয় খাদ্যের সঙ্কট দেখা দিতে পারে।

তবে এখনও পরিস্থিতি তাদের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে বলে জানিয়েছেন দক্ষিণ আফ্রিকার প্রতিরক্ষামন্ত্রী নসিভিওয়ে মাপিসা-নাকাকুলা। তিনি বলেন, জরুরি অবস্থা জারি করার মতো অবস্থায় যায়নি দেশ।

এদিকে, দক্ষিণ আফ্রিকার প্রেসিডেন্ট সিরিল রামাফোসা বলছেন, ১৯৯০ সালের পর সবচেয়ে ভয়াবহ সহিংসতার সাক্ষী হলো তার দেশ। প্রধান প্রধান শহর এবং বাণিজ্য কেন্দ্রগুলোতে ব্যাপক লুটপাট চালানো হয়েছে। এ থেকে বাদ যায়নি কুয়াজুলু-নাতাল এবং গাউতেং প্রদেশের ছোট ছোট শহরগুলোও।

গত কয়েকদিন ধরেই দিনরাত বিক্ষোভকারীদের সহিংসতা, সম্পত্তি ধ্বংস এবং লুটপাট চলছেই। আদালতের নির্দেশে গত সপ্তাহ থেকে ১৫ মাসের কারাভোগ শুরু করেছেন দক্ষিণ আফ্রিকার সাবেক প্রেসিডেন্ট জ্যাকব জুমা।

দুর্নীতির তদন্তকারীদের তথ্যপ্রমাণ দিয়ে সহযোগিতা না করায় তাকে এ দণ্ড দেন আদালত। প্রথমে তিনি আত্মসমর্পণে অস্বীকৃতি জানালে গ্রেফতারের সময়সীমা বেঁধে দেন দেশটির সাংবিধানিক আদালত। পরে অবশ্য জুমা ফাউন্ডেশনের এক বিবৃতিতে বলা হয়, সাবেক প্রেসিডেন্ট আত্মসমর্পণের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।

জ্যাকব জুমার দাবি, তার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ পুরোপুরি মিথ্যা। তিনি রাজনৈতিক ষড়যন্ত্রের শিকার বলেও উল্লেখ করেছে। তবে এরপরেই নানা নাটকীয়তা শেষে ৭৯ বছর বয়সী এই নেতা আত্মসমর্পণ করেন।



আরও খবর
ভারতে আবারও বেড়েছে মৃত্যু

বুধবার ০৪ আগস্ট ২০২১




‘রাতের রাণী’ পিয়াসা ও মৌ যেভাবে করতেন ‘ভয়ঙ্কর ব্ল্যাকমেইল’

প্রকাশিত:সোমবার ০২ আগস্ট 2০২1 | হালনাগাদ:সোমবার ০২ আগস্ট 2০২1 | ৩৪১জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

মডেল পিয়াসা ও মৌ ব্লাকমেইল করা সংঘবদ্ধ চক্রের সদস্য। ওই চক্রের সদস্যরা রাতের রাণী বলেই সংশ্লিষ্টদের কাছে পরিচিত। তারা সারাদিন ঘুমিয়ে কাটাতেন। রাতে বিভিন্ন পার্টিতে গিয়ে উচ্চবিত্ত পরিবারের সন্তানদের টার্গেট করে বাসায় ডেকে আনতেন। এরপর বাসায় গোপনে তাদের আপত্তিকর ছবি তুলতেন। সেই ছবি বাবা-মা বা পরিবারের সদস্যদের দেখানোর ভয় দেখিয়ে ব্ল্যাকমেইল করতেন। হাতিয়ে নিতেন মোটা অংকের অর্থ কিংবা আদায় করে নিতেন নামি-দামিসব পণ্য।

গতকাল রবিবার (১ আগস্ট) রাতে রাজধানীর বারিধারা ও মোহাম্মদপুরের পৃথক দুটি বাসায় অভিযান চালিয়ে আলোচিত ফারিয়া মাহবুব পিয়াসা ও মরিয়ম আক্তার মৌকে আটকের পর এসব তথ্য জানান ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের যুগ্ম কমিশনার হারুন অর রশিদ।

তিনি বলেন, আমরা পিয়াসা ও মৌয়ের বিরুদ্ধে ব্ল্যাকমেইল করার অনেকগুলো অভিযোগ তদন্ত করছিলাম। সেই তদন্তের অংশ হিসেবে ফারিয়া ও মৌয়ের বাসায় অভিযান চালানো হয়। তাদের বাসা থেকে বিদেশি মদ ও ইয়াবা পাওয়া গেছে। তাদের ব্ল্যাকমেইলিং করার বিষয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে। এছাড়া যেহেতু মাদকদ্রব্য উদ্ধার করা হয়েছে, এজন্য গুলশান ও মোহাম্মদপুর থানায় পৃথক দুটি মামলা দায়ের করা হবে।

গোয়েন্দা কর্মকর্তারা জানান, রবিবার রাতে প্রথমে বারিধারার পিয়াসার বাসায় অভিযান চালানো হয়। তার বাসা থেকে মাদকদ্রব্যসহ পিয়াসাকে আটকের পর অভিযান চালানো হয় মোহাম্মদপুরের বাবর রোডের একটি বাসায়। সেখান থেকে অন্তত ১ ডজন বিদেশি মদ, ৫ প্যাকেট ইয়াবাসহ মৌকে আটক করা হয়।

সরেজমিনে মৌয়ের বাসায় গিয়ে দেখা যায়, গণমাধ্যমকর্মীদের উপস্থিতিতে ওই বাসায় অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছিল। মিরপুর রোড সংলগ্ন ২২/৯ বাবর রোডের ওই বাসার নিচতলায় থাকতেন মৌ। বাসার ভেতরে ড্রয়িং রুমের পাশেই একটি মিনি বার দেখা গেছে। বাসার ভেতরের বেডরুমের একটি ড্রয়ার থেকে ৫ প্যাকেট ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করেন গোয়েন্দা কর্মকর্তারা। এছাড়া ওই বেডরুমের ভেতরে আরেকটি ড্রেসিং রুম থেকে অন্তত এক ডজন বিদেশি মদ উদ্ধার করা হয়।

গোয়েন্দা পুলিশের যুগ্ম কমিশনার হারুন অর রশিদ বলেন, গ্রেপ্তারকৃত মৌ ও পিয়াসা তাদের বাসায় মদের আসর বসাতো মূলত উচ্চবিত্ত পরিবারের সন্তানদের ব্ল্যাকমেইল করার জন্য। এই বিষয়ে তদন্তে সত্যতা পেলে ব্ল্যাকমেইলিংয়ের অভিযোগেও পৃথক মামলা দায়ের করা হবে।



আরও খবর
পরীমনির বাসায় শত শত মদের বোতল

বুধবার ০৪ আগস্ট ২০২১

নায়িকা পরীমণি আটক

বুধবার ০৪ আগস্ট ২০২১




লকডাউন শিথিলে সংক্রমণ বাড়ার শঙ্কা স্বাস্থ্যমন্ত্রীর

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ১৫ জুলাই ২০২১ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ১৫ জুলাই ২০২১ | ৯১জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image
ঈদের যে আনন্দ, সে আনন্দ মানুষ করতে পারবে না। আমরা এমনভাবে যাতে ঘোরাফেরা না করি, ঈদের আনন্দ যেন দুঃখে বা ট্র্যাজেডিতে পরিণত না হয়ে যায়

লকডাউন শিথিলের ঘোষণায় সংক্রমণের হার বাড়তে পারে বলে শঙ্কা প্রকাশ করেছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক। আসন্ন ঈদুল আজহা উপলক্ষে বুধবার মধ্যরাত থেকে লকডাউন শিথিল করা হয়েছে। পরিপ্রেক্ষিতে স্বাস্থ্যমন্ত্রী এ আশঙ্কা প্রকাশ করেন।

বৃহস্পতিবার দুপুরে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের কোভিড-১৯ আইসিইউ সম্প্রসারণ এবং ওপিডি শেড উদ্বোধনকালে তিনি এ কথা বলেন।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক বলেন, লকডাউন শিথিল করা হলেও যদি স্বাস্থ্যবিধি মেনে চললে আশা করি সংক্রমণের হার নিয়ন্ত্রণে থাকবে।

তিনি আরও বলেন, ঈদের যে আনন্দ, সে আনন্দ মানুষ করতে পারবে না। আমরা এমনভাবে যাতে ঘোরাফেরা না করি, ঈদের আনন্দ যেন দুঃখে বা ট্র্যাজেডিতে পরিণত না হয়ে যায়। সংক্রমিত হয়ে মানুষ মারা গেলে ঈদ আর ঈদ থাকবে না, তখন আমাদের মাতম করতে হবে।

জাহিদ মালিক বলেন, বাংলাদেশের করোনাভাইরাস প্রায় সব বিভাগে কিছুটা ঊর্ধ্বমুখী। কিছু কিছু বিভাগে স্থিতিশীল আছে, কিছু কিছু বিভাগে ঊর্ধ্বমুখী। আমাদের দেশে ১৫ হাজার বেড রয়েছে, এর মধ্যে ৭৫ শতাংশ বেডে রোগী আছে। এই পরিস্থিতিতে সংক্রমণের হার কমাতে হবে। সংক্রমণের হার কমাতে হলে স্বাস্থ্যবিধি মানতে হবে।  সংক্রমণের হার কমলে রোগীর সংখ্যা বাড়তে থাকবে, স্বাস্থ্য সেবায় বিরাট চাপ পড়বে।


আরও খবর



পবিত্র ঈদুল আজহার ১৫ দিনে এলো ১০ হাজার ৭০০ কোটি টাকার রেমিট্যান্স

প্রকাশিত:সোমবার ১৯ জুলাই ২০২১ | হালনাগাদ:সোমবার ১৯ জুলাই ২০২১ | ১০৩জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

করোনা মহামারির মধ্যেও প্রবাসীরা রেমিট্যান্স পাঠানোর ধারা অব্যাহত রেখেছেন। পবিত্র ঈদুল আজহার আগে জুলাই মাসের প্রথম ১৫ দিনে ১২৬ কোটি ৪২ লাখ মার্কিন ডলার পাঠিয়েছেন প্রবাসীরা। বাংলাদেশি মুদ্রায় যার পরিমাণ ১০ হাজার ৭০০ কোটি টাকার বেশি। রেমিট্যান্স প্রবাহ এ ধারা অব্যাহত থাকলে মাস শেষে রেকর্ড পরিমাণ প্রবাসী আয় অর্জন করবে দেশ। সোমবার (১৯ জুলাই) বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রকাশিত প্রতিবেদনে এ তথ্য জানা গেছে।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের প্রতিবেদন বলছে, চলতি জুলাই মাসের প্রথম ১৫ দিনে সবচেয়ে বেশি রেমিট্যান্স বা প্রবাসী আয় এসেছে বেসরকারি ইসলামী ব্যাংকের মাধ্যমে। ব্যাংকটির মাধ্যমে এসেছে ৩৮ কোটি ৭৮ লাখ ডলার। এরপর ডাচ-বাংলা ব্যাংক ১৬ কোটি ৯২ লাখ, অগ্রণী ব্যাংক ১৩ কোটি ৭৬ লাখ ও সোনালী ব্যাংক এনেছে ৭ কোটি ৬৪ লাখ ডলার।

উল্লেখ্য, গত জুন মাসে প্রবাসী বাংলাদেশিরা ১৯৪ কোটি মার্কিন ডলার রেমিট্যান্স দেশে পাঠিয়েছেন। ফলে সদ্য সমাপ্ত ২০২০-২১ অর্থবছরে দেশে রেমিট্যান্স আহরণের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ২ হাজার ৪৭৭ কোটি ৭৭ লাখ ডলার। যা বাংলাদেশি মুদ্রায় দুই লাখ ১০ হাজার ৬১০ কোটি টাকার বেশি। এটি আগের অর্থবছরের চেয়ে ৩৬ দশমিক ১০ শতাংশ বেশি। এর আগে কোনো অর্থবছরে এত পরিমাণ রেমিট্যান্স আসেনি বাংলাদেশে।

রেমিট্যান্সের প্রবাহ চাঙ্গা থাকায় ইতিবাচক অবস্থায় রয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংকের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ। জুন মাস শেষে বাংলাদেশ ব্যাংকের রিজার্ভের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৪৬ দশমিক ৪২ বিলিয়ন ডলার বা প্রায় চার হাজার ৬৪২ কোটি ডলার; প্রতি মাসে ৪ বিলিয়ন ডলার আমদানি ব্যয় হিসেবে মজুদ এ বৈদেশিক মুদ্রা দিয়ে সাড়ে ১১ মাসের আমদানি ব্যয় মেটানো সম্ভব।


আরও খবর
আজ ব্যাংক বন্ধ

বুধবার ০৪ আগস্ট ২০২১