আজঃ শুক্রবার ০১ মার্চ ২০২৪
শিরোনাম
সিসিটিভি ফুটেজ গায়েব

ধর্ষণের রাতে ছাত্রলীগ সভাপতির আশ্রয়ে অন্য হলে ছিলেন মোস্তাফিজুর

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ০৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ০৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি

Image

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের (জাবি) মীর মশাররফ হোসেন হলে স্বামীকে আটকে রেখে স্ত্রীকে দলবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগে অভিযুক্ত ছাত্রলীগ নেতা মোস্তাফিজুর রহমানকে অন্য হলে আশ্রয় নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। কিন্তু ওই হলের সিসিটিভি ফুটেজ দেখতে চাইলে ফুটেজ পাওয়া যায়নি। ফুটেজ বিলোপের নির্দেশ দেয়ার অভিযোগ উঠেছে বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি আকতারুজ্জামান সোহেলের বিরুদ্ধে।

অভিযুক্ত মোস্তাফিজুর রহমান শনিবার (৩ ফেব্রুয়ারি) রাত ১টা ১৫ মিনিটের দিকে মীর মশাররফ হোসেন হল থেকে রান্নাঘর সংলগ্ন গেট ভেঙে বের হয়ে যান। পরবর্তীতে রোববার সকাল সাড়ে আটটায় মূল অভিযুক্ত মোস্তাফিজুর আশুলিয়া থানা কর্তৃক গ্রেপ্তার হন। 

বিশ্বস্ত সূত্রে জানা যায়, শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি আকতারুজ্জামান সোহেলের নির্দেশেই মোস্তাফিজুরকে পলায়নে সহায়তা করে মীর মশাররফ হোসেন হল ছাত্রলীগের নেতা সাগর সিদ্দিকী এবং সভাপতির নির্দেশেই তাকে বিশ্ববিদ্যালয়ের রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর হলে আশ্রয় দেয়া হয়। পরবর্তীতে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন মহলের চাপে ছাত্রলীগ সভাপতির নির্দেশে আত্মসমর্পণ করেন মোস্তাফিজ।

বিশ্ববিদ্যালয় প্রক্টর আ স ম ফিরোজ উল হাসান বলেন, সভাপতি সোহেল আমাকে জানায় মোস্তাফিজুর থানায় গিয়ে আত্মসমর্পণ করতে চায়। আমি তখন তাকে বলেছি সেটা তার বিষয়। সে আত্মসমর্পণ করুক বা না করুক সে গ্রেপ্তার হবেই।

অভিযুক্ত মোস্তাফিজুর নিজে থেকেই থানায় গিয়ে আত্মসমর্পণ করেছে- ছাত্রলীগ সভাপতি শুরুতে এমন দাবি করেন। কিন্তু যখন তাকে আবারো প্রশ্ন করা হয় আপনি কীভাবে জানলেন সে আত্মসমর্পণ করেছে যেখানে পুলিশ বলছে তাকে গ্রেপ্তার করেছে। তাহলে কী আপনি আগে থেকেই তার অবস্থা সর্ম্পকে জানতেন। এমন প্রশ্নে তিনি বলেন, আমি এই বিষয়ে কিছু জানি না।

অভিযুক্ত ধর্ষককে আশ্রয় দেয়ার সময়কালের সিসিটিভি ফুটেজ দেখতে চাইলে বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর হল কর্তৃপক্ষ থেকে জানানো হয়, ১ ফেব্রুয়ারি থেকে ৪ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর হলের সকল সিসিটিভি ক্যামেরায় কোনো ফুটেজ রেকর্ড হয়নি। এর জন্য তারা যান্ত্রিক ত্রুটিকে দায়ী করেন। তবে সরেজমিনে সিসিটিভি সিস্টেম পর্যবেক্ষণ করে দেখা যায় জানুয়ারি মাসের ৩১ তারিখ পর্যন্ত সকল ফুটেজ রয়েছে এবং ৫ ফেব্রুয়ারি সকাল ১০টা থেকে সিসিটিভি ফুটেজ রেকর্ড হচ্ছে। এ বিষয়ে জিজ্ঞাসা করা হলে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা সন্তোষজনক উত্তর দিতে পারেননি।

হলের প্রভোস্ট অধ্যাপক নাজমুল হাসান তালুকদার বলেন, আমি ছুটিতে ছিলাম। হল ওয়ার্ডেন প্রভোস্টের দায়িত্বে ছিল। কারগরী ত্রুটির কারণে কয়েকদিন ধরে আমাদের সিসিটিভি কাজ করছে না। পরবর্তীতে সিসিটিভি ঠিক করেছি। সিসিটিভি ফুটেজ গায়েবের মতো কোন ঘটনাই ঘটেনি।

উল্লেখ্য, শনিবার জাবির মীর মশাররফ হোসেন হলে বহিরাগত এক ব্যক্তিকে আটকে রেখে তার স্ত্রীকে ধর্ষণের ঘটনা ঘটে। রাত সাড়ে ৯টার দিকে হলসংলগ্ন জঙ্গলে ঘটা এই ঘটনায় অভিযুক্ত প্রধান আসামী ছাত্রলীগের আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক মোস্তাফিজুরকে পরদিন সকালে সাভারের একটি এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করা হয় বলে দাবি করে পুলিশ। আর শনিবার রাতেই ধর্ষককে পালাতে সাহায্যকারীরা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে গ্রেপ্তার করা হয়।  অভিযুক্তরা আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের ছাত্র সাগর সিদ্দিকী ও হাসানুজ্জামান, শাহ পরান, মুরাদ এবং উদ্ভিদবিজ্ঞান বিভাগের ছাত্র সাব্বির হাসান। 


আরও খবর



ফেব্রুয়ারি মাসেই চট্টগ্রামে ৪ কোটি টাকার ফুল বিক্রির আশা ব্যবসায়ীদের

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ১৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ১৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
চট্টগ্রাম প্রতিনিধি

Image

বিশ্ব ভালোবাসা দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস, সামাজিক বিবাহ অনুষ্ঠান উপলক্ষ্য ঘিরে নানা ফুলের চাহিদা মিটাচ্ছে ফুল চাষি ও ব্যবসায়িরা। এই বছরে আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় অনেকবেশি ফুলের ফলন হয়েছে। চট্টগ্রাম নগরীর ফুল পাড়া হিসেবে পরিচিত চেরাগীর পাহাড় মোড়ে ফুলের দোকানে। চট্টগ্রামে ফেব্রুয়ারি মাসেই ৪ কোটি টাকার ফুল বিক্রির আশা ব্যবসায়ীদের।

সরেজমিনে দেখা যায়, নগরীর বিভিন্ন ফুল দোকানে চাহিদার তুলনায় পযাপ্ত ফুলের সরবরাহ আছে। গত বছর একটি দেশী গোলাপ ৪০ টাকা, দেশী চায়না গোলাপ ৭০ টাকা ও পিংকালারের একটি গোলাপ বিক্রি হয়েছে ১২০ টাকা। ফুলের এ চাহিদা বেড়ে বাড়ে ভালোবাসা দিবস, ২১ ফেব্রুয়ারি আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস ও সামাজিক বিয়েতে ফুল বিক্রি চার কোটি টাকা ছাড়িয়ে যাওয়ার আশা করছে ব্যবসায়িরা ।

ফুল বিক্রেতা আব্দুল মোনাফ বলেন, এবার দেশী ফুলের কদর বেড়েছে সে কারণে দামও বেড়েছে। এবার পাইকারিভাবে প্রতিটি ১২, গেদা ১০০০টি ২৫০ টাকা, জিপসি প্রতি আঁটি ১৫-২০ টাকা, চন্দ্রমল্লিকা প্রতিটি ৪ টাকা টাকা বিক্রি হচ্ছে। চায়না গেদা প্রতি ১০০টি ৫০০ টাকা এবং চায়না বেলি বিক্রি হচ্ছে প্রতি ১০০টি ৫০০ টাকায়।

ব্যবসায়ীরা জানান, বর্তমানে সরকার নানামুখী পদক্ষেপ প্রহণ করার কারণে বাণিজ্যিকভাবে দেশী ফুল চাষের সুদিন ফিরছে।তবে রাস্তায় চাঁদাবাজদের কারণে শহরে আসতে আসতে ফুলের দাম বেড়ে যায়। বিদেশ থেকে ফুল আমদানির ক্ষেত্রে সরকার যদি আমদানি শুল্কহার বৃদ্ধি করে দেন তাহলে আমদানি কারকরা বিদেশ থেকে ফুল আমদানিতে নিরুৎসাহিত হবেন, ফলে দেশী ফুলের চাহিদা আরো বৃদ্ধি পাবে।

চকরিয়ার ফুল চাষি আনসারউল ইসলাম জানান,  ভালোবাসা দিবস বা ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস, সামাজিক অনুষ্ঠান ঘিরে দেশী কাঁচা ফুলের কদর বাড়ছে। ফুল চাষিরা তাদের বাগানে ব্যস্ত সময় পার করছেন। আবহাওয়া অনুকূলে থাকাতর এই বছর ফুলের চাষও ভালো হয়েছে। চকরিয়া থেকেও কোটি টাকার উপরে ফুলের ব্যবসা হবে।


আরও খবর



একজন রোহিঙ্গাকেও ঢুকতে দেবো না : বিজিবির ডিজি

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ০৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ০৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক

Image

বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) নবনিযুক্ত মহাপরিচালক মেজর জেনারেল মোহাম্মদ আশরাফুজ্জামান সিদ্দিকী বলেছেন, বাংলাদেশ-মিয়ানমার সীমান্ত পরিস্থিতি বিজিবির সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। আমরা কোনোভাবেই নতুন করে আর কোনো রোহিঙ্গা নাগরিককে বাংলাদেশে প্রবেশ করতে দেব না।

বিজিবি মহাপরিচালক মঙ্গলবার (৬ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায় পৌঁছান এবং বঙ্গবন্ধুর সমাধিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করে শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন।

বিজিবি মহাপরিচালক বলেন, আমি গতকাল দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকে সবচেয়ে বেশি এই সীমান্ত পরিস্থিতি নিয়ে ইনভলভ আছি। বুধবার (৭ ফেব্রুয়ারি) আমি নিজে সরেজমিনে সীমান্ত পরিদর্শনে যাচ্ছি। আমরা ধৈর্য ধারণ করে, মানবিক দিক বিবেচনা করে এবং আন্তর্জাতিকভাবে সুসম্পর্ক বজায় রেখে পরিস্থিতি মোকাবিলার চেষ্টা করছি। আমাদের প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা সেরকমই। গতকাল প্রধানমন্ত্রী এব্যাপারে কথাও বলেছেন, ধৈর্যধারণের নির্দেশনা দিয়েছেন। প্রধানমন্ত্রী নির্দেশনা অনুযায়ী বিজিবি কাজ করে যাচ্ছে।

বিজিবি মহাপরিচালক বলেন, গতকাল রাত পর্যন্ত ১১৫ জন বিজিপি সদস্য আমাদের কাছে আত্মসমর্পণ করে বা আশ্রয় নিয়েছেন। আজ সকালে আরও ১১৪ জন যুক্ত হয়েছে।  দুপুর পর্যন্ত এই সংখ্যা ছিল ২২৯। দুপুরের পর আরো বিজিপিসহ দেশটির অন্যান্য বাহিনীর ৩৫ জন যোগ হয়ে ২৬৪ জন আশ্রয় নিয়েছেন। তাদের আমরা থাকা ও খাবারের ব্যবস্থা করেছি। তাদের মধ্যে ১৫ জন আহত ছিলেন, এরমধ্যে ৮ জন ছিলেন গুরুতর আহত। এই ৮ জনের মধ্যে চারজনকে কক্সবাজার সদর হাসপাতালে বিজিবির ব্যবস্থাপনায় ভর্তি করা হয়েছে। বাকি চারজনকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে বিজিবির ব্যবস্থাপনায় চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হয়েছে।

সীমান্তে উত্তপ্ত পরিস্থিতিতে সরকারি পরিকল্পনা সম্পর্কে তিনি বলেন, সরকারের বিভিন্ন পর্যায়ে ও স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় কাজ করছে। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় মিয়ানমারের সঙ্গে যোগাযোগ করছে। আশ্রিতদের প্রত্যাবর্তন বা ফেরানোর বিষয়ে কীভাবে সমাধান করা যায় তা নিয়ে কাজ চলছে। মিয়ানমার এব্যাপারে সহযোগিতা করবে বলে জানিয়েছে। তারাও প্রত্যাবর্তনের ব্যাপারে নোট নিয়েছে। আশা করি খুব শিগগিরই তাদের প্রত্যাবর্তন করানো হবে।

বিজিবি ডিজি বলেন, একই সঙ্গে দুই দেশের দুই সীমান্ত বাহিনীর মধ্যে যোগাযোগ হচ্ছে। সীমান্তবর্তী পরিস্থিতি আপনারা জানেন। মিয়ানমারে গোলাগুলির মধ্যে কিছু শেল এসে বাংলাদেশে পড়ছে। দুর্ভাগ্যজনকভাবে গতকাল এক রোহিঙ্গা নাগরিক ও একজন বাংলাদেশি নারী মারা গেছেন। এই মৃত্যু কোনোভাবেই কাম্য নয়। আমরা প্রোটেস্ট নোট দিয়েছি। আমরা বারবার বলেছি আজকেও স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে একটি বড় মিটিং হচ্ছে। আর আমি আগামীকাল সরেজমিন সীমান্ত পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণে যাব।

তিনি বলেন, আজকে মিয়ানমারের ডিএ (ডিফেন্স অ্যাটাচ) আমার সঙ্গে দেখা করেছেন। সবদিক অ্যাঙ্গেজ করে কীভাবে এর আশু সমাধান করা যায়, সে চেষ্টা আমরা করছি।

বিজিবি মহাপরিচালক বলেন, আজকে ৬৫ জন রোহিঙ্গা বোটের মাধ্যমে নদী পথে মিয়ানমার থেকে বাংলাদেশের প্রবেশের চেষ্টা করেছে। আমাদের টেকনাফ বিজিবি তাদেরকে প্রতিহত করেছে। তাদের পুশব্যাক করার প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। আমরা নতুন করে কোনো রোহিঙ্গাকে বাংলাদেশে আর প্রবেশ করতে দেব না। এভাবে আমরা বাংলাদেশের অখণ্ডতা রক্ষা করে প্রধানমন্ত্রী দিক-নির্দেশনায় বিজিবি কাজ করে যাচ্ছে। সীমান্তের সার্বিক নিরাপত্তা পরিষদের এখন পর্যন্ত বিজেপি নিয়ন্ত্রণ রয়েছে।

উল্লেখ্য, গত ৫ ফেব্রুয়ারি তিনি বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) মহাপরিচালক হিসেবে দায়িত্বভার গ্রহণ করেন।


আরও খবর



বিএনপি-জামায়াতের ষড়যন্ত্র সত্ত্বেও গণতন্ত্র শক্তিশালী হয়েছে: পররাষ্ট্রমন্ত্রী

প্রকাশিত:শুক্রবার ০৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ০৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক

Image

পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ বলেছেন, দেশে গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া নস্যাৎ করার জন্য বিএনপি এবং তার চরমপন্থী জামায়াতে ইসলামী মিত্রদের ষড়যন্ত্র সত্ত্বেও বাংলাদেশে গণতন্ত্র শক্তিশালী হয়েছে।

তিনি বলেন, বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামী বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়াকে প্রতিনিয়ত ব্যাহত করার চেষ্টা করছিল। তারা সহিংসতার আশ্রয় নিয়ে ২০১৪, ২০১৮ এবং তারপর ২০২৪ সালের নির্বাচন বানচালের চেষ্টা করেছিল। কিন্তু জনগণ তাদের জনবিরোধী কার্যকলাপ প্রত্যাখ্যান করায় তারা সফল হতে পারেনি।

বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় ভারতের দিল্লিতে ফরেন করেসপন্ডেন্টস ক্লাব অব সাউথ এশিয়ায় (এফসিসি, সাউথ এশিয়া) সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে মন্ত্রী এ কথা বলেন। ভারতে বাংলাদেশের হাইকমিশনার মো. মুস্তাফিজুর রহমান এ সময় মঞ্চে উপস্থিত ছিলেন।

এফসিসি সভাপতি ও প্রবীণ সাংবাদিক ভেঙ্কট নারায়ণ অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন এবং ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক প্রকাশ নন্দ সূচনা বক্তব্য রাখেন। এ সময় বিভিন্ন জাতীয় ও আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমের সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন। 

আরও পড়ুন>> বিএনপিকে ভুলের খেসারত অনেক দিন দিতে হবে : ওবায়দুল কাদের

বিএনপিকে রাস্তার বিরোধী হিসেবে উল্লেখ করে হাছান মাহমুদ বলেন, বাংলাদেশে সম্প্রতি অনুষ্ঠিত সাধারণ নির্বাচন বানচালের জন্য বিএনপি ও তার সহযোগীরা বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ (সরকারি) স্থাপনায় হামলা চালিয়েছে। এমনকি তারা প্রধান বিচারপতির বাসভবন এবং গণপরিবহনে অগ্নিসংযোগ করেছে, যার ফলে দুইজন নিহত হয়েছে।

মন্ত্রী বলেন, তাদের ষড়যন্ত্র সত্ত্বেও বাংলাদেশের ইতিহাসে একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও স্বচ্ছভাবে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে। বিশ্বের বিভিন্ন দেশ এমনকি ইউরোপের কিছু দেশে সম্প্রতি অনুষ্ঠিত নির্বাচনের তুলনায় আমাদের ভোটার উপস্থিতি ভালো ছিল।

সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, যেহেতু বাংলাদেশ একটি মুক্ত সমাজ, সেহেতু সবার স্বাধীনভাবে কথা বলার অধিকার রয়েছে। এই সুযোগ নিয়ে কিছু মহল ভারত, চীন এমনকি আওয়ামী লীগ বিরোধী স্লোগান দিতে পারে। কিন্তু এই ট্যাবলেট এখন আর কাজ করে না।

ধর্মান্ধরা নির্বাচনের আগে বাংলাদেশে ভারত বিরোধী তাস খেলেছে মন্তব্য করে ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্কের বিষয়ে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির আমলে দুই বন্ধুপ্রতীম দেশের সম্পর্ক নতুন উচ্চতায় পৌঁছেছে।

তিনি বলেন, ১৯৭১ সালে দেশের মহান মুক্তিযুদ্ধে অনেক ভারতীয় সাধারণ জনগণ এবং সৈন্যরা তাদের জীবন উৎসর্গ করায় ভারতের সাথে বাংলাদেশের সম্পর্ক রক্তের বন্ধনে আবদ্ধ। কাজেই এই সম্পকর্কে অন্য কোনো দেশের সঙ্গে তুলনা করা যায় না।

ভারতের সঙ্গে তিস্তার পানি বণ্টন চুক্তির বিষয়ে তিনি বলেন, বিষয়টি নিয়ে যথাযথ কর্তৃপক্ষের সঙ্গে একাধিকবার আলোচনা হয়েছে। কেন্দ্রীয় সরকার চুক্তিতে স্বাক্ষর করতে রাজি হয়েছিল কিন্তু রাজ্য সরকার এতে আপত্তি করে।

তিনি বলেন, যেহেতু আপনারা (ভারত) মার্চ বা এপ্রিল বা মে মাসে নির্বাচন করছেন, তাই নির্বাচনের পর আমরা আবার সরকারের সাথে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা চালিয়ে যাব এবং আমি আশা করি আমরা এর একটি সমাধান খুঁজে পাব। 

আরেক প্রশ্নের জবাবে ড. হাছান বলেন, বাংলাদেশ একটি বহুত্ববাদী সমাজ হওয়ায় আমরা গণতন্ত্রের মূল্যবোধকে সমুন্নত রাখি। বাংলাদেশ একদলীয় রাষ্ট্র নয়, এটি একটি বহুদলীয় গণতান্ত্রিক দেশ। গত নির্বাচনে নির্বাচন কমিশনে নিবন্ধিত ৪৪টির মধ্যে ২৯টি রাজনৈতিক দল নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিল।

সীমান্তে হত্যার বিষয়ে জানতে চাইলে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ভারতীয় ভূখণ্ডে একজন বিজিবি সদস্যের লাশ পাওয়া যাওয়ার পর তারা বিষয়টি ভারতীয় কর্তৃপক্ষের কাছে তুলে ধরেছেন। আমরা সীমান্তে হত্যা বন্ধের দাবি জানিয়েছিলাম এবং ভারতীয় পক্ষ এর জন্য ক্ষমা চেয়েছে এবং ঘটনাটি উদঘাটনের জন্য তদন্ত চলছে।

চীন সম্পর্কে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, যদিও চীন আমাদের পাশের প্রতিবেশী নয়, তবে এটি আমাদের দক্ষিণ এশিয়ার প্রতিবেশী এবং চীনের সাথে আমাদের খুব ভালো সম্পর্ক রয়েছে। কারণ, দেশটি বাংলাদেশের একটি প্রধান উন্নয়ন সহযোগী।

এছাড়া তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাংলাদেশের ভালো সম্পর্ক রয়েছে এবং আমরা আমাদের জনগণের স্বার্থে ভবিষ্যতে সম্পর্ক আরও জোরদার করার অপেক্ষায় রয়েছি।

এর আগে পররাষ্ট্রমন্ত্রী তার সূচনা বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে গত এক দশকে দেশের আর্থসামাজিক খাতে বাংলাদেশের অগ্রগতির কথা উল্লেখ করেন।


আরও খবর
শপথ নিলেন নতুন ৭ প্রতিমন্ত্রী

শুক্রবার ০১ মার্চ ২০২৪




কোচিং করাতে পারবেন না ভিকারুননিসার কোনো শিক্ষক

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক

Image

ভিকারুননিসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের কোনো শিক্ষক কোচিং করাতে পারবেন না বলে জানিয়েছেন প্রতিষ্ঠানটির ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ কেকা রায় চৌধুরী।

তিনি বলেন, এই প্রতিষ্ঠানের কোনো শিক্ষক কোচিং করাতে পারবেন না। এর ব্যত্যয় হলে অভিযুক্ত শিক্ষককে কারণ দর্শানোর চিঠি দেওয়া হবে। এরপর তদন্ত কমিটি করে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

মঙ্গলবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) আলাপকালে সাংবাদিকদের এ কথা বলেন অধ্যক্ষ কেকা রায় চৌধুরী।

সম্প্রতি ভিকারুননিসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের আজিমপুর শাখার গণিতের শিক্ষক মুরাদ হোসেন সরকারের বিরুদ্ধে প্রাইভেট কোচিংয়ের সময় যৌন নির্যাতনের অভিযোগ ওঠে, যা নিয়ে এখন উত্তাল ভিকারুননিসা। ওই শিক্ষককে বহিষ্কার ও তার বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি উঠে।

সোমবার রাতে গভর্নিং বডির বৈঠকে শিক্ষক মুরাদ হোসেনকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়।


আরও খবর
জাবির ‘ডি’ ইউনিটের ফল প্রকাশ

বৃহস্পতিবার ২৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৪




টিসি দেওয়ার হুমকি দিয়ে বিয়ে করেছে মুশতাক: তিশার মা

প্রকাশিত:বুধবার ২১ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ২১ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক

Image

খন্দকার মুশতাক আহমেদ ও সিনথিয়া ইসলাম তিশার অসম বিয়ে নিয়ে চলছে নানা আলোচনা-সমালোচনা। ৬০ বছরের মুশতাককে নিজেদের ১৮ বছরের মেয়ে তিশার জামাই হিসেবে কিছুতেই মেনে নিতে পারছে না তার পরিবার। তিশার বাবা সাইফুল ইসলাম প্রথম থেকেই মুশতাক আহমেদের বিরুদ্ধে নানা আভিযোগ তুলছিলেন। এবার এ বিষয়ে মুখ খুললেন তিশার মা। তিনি বলেন, টিসি দেওয়ার হুমকি দিয়ে বিয়ে করেছে মুশতাক।

মঙ্গলবার (২০ ফেব্রুয়ারি) ফেসবুক লাইভে এসে তিশার মা বলেন, তিশাকে ব্লাকমেইল করেছেন খন্দকার মুশতাক আহমেদ। তাকে জিম্মি করে কাবিননামায় স্বাক্ষর নিয়েছেন তিনি। তাকে যে বিয়ে করেছে এর সাক্ষী কাজী ছাড়া আর কেউ নেই।

তিনি বলেন, তিশা এখন যা বলছে সব শেখানো কথা। এখন মুশতাক নিজে বাঁচতে তিশাকে হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করছে। মুশতাক ভালো করেই জানে যে, তিশা একবার মুখ খুললে তার (মুশতাক) খবর আছে। তিশা আমাদের সঙ্গে যোগাযোগ করার চেষ্টা করছে কিন্তু তাকে (তিশা) মুশতাক কোনোভাবেই যোগাযোগ করতে দিচ্ছে না। তিশা অনেক ভীতু মেয়ে এবং সহজ সরল। তাকে যেভাবে পরিচালনা করছে সেভাবে সে পরিচালিত হচ্ছে।

তিশার মা বলেন, তিশাকে জোর করে কাবিননামায় স্বাক্ষর নিয়েছে। খন্দকার মুশতাকের বিচার ও শাস্তি চাই। আমার মেয়েকে জিম্মি করে কাবিননামায় সই দিতে বলে মুশতাক। কিন্তু আমার মেয়ে সই দিবে না, তখন বলে যে তোমার ছবি ভিডিও ইন্টারনেটে ছেড়ে দেব। টিসি দিয়ে স্কুল থেকে বের করে দেব। আমি গভর্নিং বডির সদস্য; প্রিন্সিপাল আমার ক্লোজ, এটা তো জানোই। বাধ্য হয়ে তিশা সই করে। এটাকে আমি বিয়ে বলব না।


আরও খবর