আজঃ মঙ্গলবার ১৬ জুলাই ২০২৪
শিরোনাম

ডিবি কার্যালয়ে তানজিন তিশা

প্রকাশিত:সোমবার ২০ নভেম্বর ২০23 | হালনাগাদ:সোমবার ২০ নভেম্বর ২০23 | অনলাইন সংস্করণ
বিনোদন ডেস্ক

Image

ছোটপর্দার জনপ্রিয় অভিনেত্রী তানজিন তিশা ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশ কার্যালয়ে গিয়েছেন। সোমবার (২০ নভেম্বর) বিকেল সোয়া ৪টার দিকে ডিবি কার্যালয়ে যান এ অভিনেত্রী।

ডিবির একটি সূত্রজানিয়েছে, এদিন বিকেলে রাজধানীর মিন্টো রোডে ডিবিপ্রধান মোহাম্মদ হারুন অর রশীদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করার জন্য ডিবি কার্যালয়ে যান তিশা। ব্যক্তিগত সমস্যা সম্পর্কে ডিবি কর্মকর্তাদের অবহিত এবং পরামর্শ নেওয়ার জন্যই গিয়েছেন তিনি।

কয়েকদিন আগেই তিশার আত্মহত্যার চেষ্টা শিরোনামে সংবাদ প্রকাশ হয়। ওই সময় গুঞ্জন উঠে, অভিনেতা মুশফিক আর ফারহানের সঙ্গে প্রেমের সম্পর্কে জটিলতা থেকে আত্মহত্যার চেষ্টা করেছেন অভিনেত্রী। পরে অবশ্য এ কথা অস্বীকার করেন। 

আরও পড়ুন>> হাবিবকে নিয়ে তানজিন তিশার ৯ মিনিটের অডিও ফাঁস

এ ঘটনায় তিশার কাছে বিষয়টি জানতে চাইলে সাংবাদিকদের উড়িয়ে দেওয়ার হুমকি দেন তিনি। একই সঙ্গে নিজের সর্বোচ্চ ক্ষমতা ব্যবহার করে দেখে নেবেন বলেও জানান অভিনেত্রী তিশা।

সাংবাদিকদের হুমকি দেওয়ায় বিষয়টি নিয়ে দেশের বিনোদন সাংবাদিকসহ বিভিন্ন সচেতন মহল প্রতিবাদ জানালে অনেকটা তোপের মুখে ক্ষমা চান তিশা। সোশ্যাল মিডিয়ায় এক পোস্টের মাধ্যমে ক্ষমা চাইলেও পরবর্তীতে সেই পোস্ট অবশ্য মুছে ফেলেন তিনি।

এসব ঘটনা নিয়ে সমালোচনার মাঝে রোববার (১৯ নভেম্বর) রাতে হঠাৎ করেই তিশার পুরনো একটি ফোনালাপ ফাঁস হয় সোশ্যালে। ফাঁস হওয়া ওই ফোনালাপটি অনেক পুরনো। এর আগে সংগীতশিল্পী হাবিব ওয়াহিদের সঙ্গে প্রেমের সম্পর্কে জড়িয়েছিলেন তিশা। যদিও বেশি দিন টিকেনি ওই সম্পর্ক। তখন হাবিবের সঙ্গে সম্পর্ক নিয়ে গায়কের সাবেক স্ত্রী রেহান চৌধুরীর সঙ্গে কথা বলেছিলেন অভিনেত্রী। আর ওই ফোনালাপটি নতুন করে ভাইরাল হয়েছে সোশ্যালে।


আরও খবর



কোটা বহালে হাইকোর্টের রায় বাতিল চেয়ে লিভ টু আপিল

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ১৬ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ১৬ জুলাই ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
আদালত প্রতিবেদক

Image

প্রথম ও দ্বিতীয় শ্রেণির সরকারি চাকরিতে কোটা পদ্ধতি বাতিলের পরিপত্র অবৈধ ঘোষণা করে হাইকোর্টের দেওয়া রায়ের বিরুদ্ধে লিভ টু আপিল দায়ের করেছে রাষ্ট্রপক্ষ। লিভ টু আপিলে হাইকোর্টের রায় বাতিল চাওয়া হয়েছে। মঙ্গলবার (১৬ জুলাই) আপিল বিভাগের সংশ্লিষ্ট শাখায় লিভ টু আপিল দায়ের করা হয়।

সোমবার (১৫ জুলাই) প্রথম ও দ্বিতীয় শ্রেণির সরকারি চাকরিতে কোটা পদ্ধতি বাতিলের পরিপত্র অবৈধ ঘোষণা করে হাইকোর্টের দেওয়া রায়ের বিরুদ্ধে লিভ টু আপিল দায়েরের প্রস্তুতি সম্পন্ন করে রাষ্ট্রপক্ষ।

গত ১৪ জুলাই প্রথম ও দ্বিতীয় শ্রেণির সরকারি চাকরিতে কোটা পদ্ধতি বাতিলের পরিপত্র অবৈধ ঘোষণা করে হাইকোর্টের দেওয়া রায়ের পূর্ণাঙ্গ কপি প্রকাশ করা হয়েছে। বিচারপতি কে এম কামরুল কাদের ও বিচারপতি খিজির হায়াতের হাইকোর্ট বেঞ্চ ২৭ পৃষ্ঠার পূর্ণাঙ্গ রায়টি প্রকাশ করেন।

রায়ে বলা হয়েছে, ২০১২ সালে করা এক রিটের পরিপ্রেক্ষিতে হাইকোর্টের দেওয়া রায় ও আদেশ, ২০১৩ সালের লিভ টু আপিলের পরিপ্রেক্ষিতে আপিল বিভাগের তা বহাল ও সংশোধিত আদেশ এবং ২০১১ সালের ১৬ জানুয়ারির অফিস আদেশের (মুক্তিযোদ্ধার সন্তান ও নাতি-নাতনির কোটা) আলোকে মুক্তিযোদ্ধার সন্তান/নাতি-নাতনিদের জন্য কোটা পুনর্বহাল করতে সরকারকে নির্দেশ দেওয়া হলো। একইসঙ্গে জেলা, নারী, প্রতিবন্ধী ব্যক্তি, উপজাতি-ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীর জন্য কোটাসহ, যদি অন্যান্য থাকে, কোটা বজায় রাখতে নির্দেশ দেওয়া হলো। এ বিষয়ে যত দ্রুত সম্ভব, আদেশ পাওয়ার তিন মাসের মধ্যে পরিপত্র জারি করতে নির্দেশ দেওয়া হলো।

রায়ে হাইকোর্ট বলেছেন, প্রয়োজনে উল্লিখিত শ্রেণির ক্ষেত্রে কোটা পরিবর্তন ও হার কমানো বা বাড়ানোর বিষয়ে এ রায় বিবাদীদের জন্য কোনো বাধা তৈরি করবে না। যেকোনো পাবলিক পরীক্ষায় কোটা পূরণ না হলে সাধারণ মেধাতালিকা থেকে শূন্য পদ পূরণ করায় সরকারের স্বাধীনতা রয়েছে।

২৭ পৃষ্ঠার রায়ে রিট আবেদনকারী পক্ষের যুক্তি, ইতিহাস পর্যালোচনা তুলে ধরে বলা হয়েছে, ১৯৭৫ সালে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে সপরিবারে নির্মমভাবে হত্যার পর বিপুল সংখ্যক মেধাবী ও যোগ্য মুক্তিযোদ্ধাদের দৃশ্যপটের আড়ালে ঠেলে দেওয়া হয়। এমনকি মুক্তিযুদ্ধে প্রত্যক্ষ অবদান রাখা মুক্তিযোদ্ধা এবং তাদের সন্তানদের একটি অংশ যোগ্য-মেধাবী হওয়ার পরও প্রজাতন্ত্রের পরিষেবাগুলোতে কর্মসংস্থানের সুযোগ পায়নি।

রিটকারী পক্ষের এ যুক্তিতে বিবাদীদের কোনো বিরোধিতা ছিল না উল্লেখ করে রায়ে আরও বলা হয়, মুক্তিযোদ্ধারা আমাদের জাতির গর্ব। সুতরাং আমরা মনে করি যে ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট থেকে ১৯৯৬ সাল পর্যন্ত ২১ বছর ধরে মুক্তিযোদ্ধা এবং তাদের সন্তান ও নাতি-নাতনিরা সামাজিক, অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন; যা দেশের নাগরিকদের মধ্যে তাদের সবচেয়ে পিছিয়ে পড়া অংশে পরিণত করেছে।

এ কথা ঠিক যে দেশের কিছু জেলা, উপজেলা বেশি উন্নত এবং এসব জেলা-উপজেলার নাগরিকরা বেশি সুবিধা ভোগ করেন। নারী, প্রতিবন্ধী, উপজাতি, ক্ষুদ্র নৃতাত্ত্বিক জনগোষ্ঠীর মানুষরা এখনো অনগ্রসর অংশ। মুক্তিযোদ্ধা এবং তাদের সন্তান ও নাতি-নাতনিরাও এই অনগ্রসর অংশে বিবেচনায় আসতে পারে। যদিও তাদের অনগ্রসর হিসেবে বিবেচনায় (২০১৮ সালের কোটা বাতিলের পরিপত্রে) নেওয়া হয়নি। তাই সরকারের নিয়োগ প্রক্রিয়ায় অনগ্রসর অংশের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করার জন্য নীতিমালা প্রণয়ন করে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে পারেন বিবাদীরা।

২০১৩ সালের আপিল বিভাগের রায় তুলে ধরে হাইকোর্ট রায়ে বলেছেন, মুক্তিযোদ্ধাদের সন্তানদের জন্য ৩০ শতাংশ কোটা সুরক্ষিত ছিল। যেহেতু আপিল বিভাগ ইতোমধ্যে (২০১৩ সালে দেওয়া রায়ে) বিষয়টি নিষ্পত্তি করেছেন। সংবিধানের ১১১ ও ১১২ অনুচ্ছেদ অনুসারে আপিল বিভাগের সেই সিদ্ধান্ত হাইকোর্টসহ রাষ্ট্রযন্ত্রের সকল কর্তৃপক্ষের জন্য বাধ্যতামূলক এবং তা না মানা সংবিধানের লঙ্ঘন।

রায় প্রকাশের পর সংশ্লিষ্ট বেঞ্চের ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল শেখ মো. সাইফুজ্জামান বলেন, আপিল বিভাগ কোটার বিষয়ে স্থিতাবস্থা বজায় রাখতে আদেশ দিয়েছেন। আগামী ৭ আগস্ট শুনানির দিন রেখেছেন। ফলে আপাতত হাইকোর্টের রায় কার্যকর হবে না।

প্রসঙ্গত, গত ৫ জুন সরকারি চাকরিতে প্রথম ও দ্বিতীয় শ্রেণির মুক্তিযোদ্ধা কোটা পদ্ধতি বাতিলের সিদ্ধান্ত অবৈধ ঘোষণা করেন হাইকোর্ট। এ সংক্রান্ত ২০১৮ সালে জারি করা পরিপত্রকেও অবৈধ ঘোষণা করেন আদালত।

তবে আপিল বিভাগ হাইকোর্টের রায়ের ওপর চার সপ্তাহের জন্য স্থিতাবস্থা জারি করেছেন। ফলে নতুন করে রায় আসা পর্যন্ত ২০১৮ সালের পরিপত্র বহাল থাকছে বলে জানিয়েছেন আইনজীবীরা।


আরও খবর
সেই মিল্টন সমাদ্দারের জামিন

সোমবার ১৫ জুলাই ২০২৪




সুনামগঞ্জে বন্যা পরিস্থিতির অবনতি, পানিবন্দি লক্ষাধিক মানুষ

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ১৮ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ১৮ জুন ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
সুনামগঞ্জ প্রতিনিধি

Image

ছাতকে বন্যা পরিস্থিতির ক্রমশ অবনতি ঘটেছে। উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢল এবং মুষলধারে বৃষ্টির কারণে নদ-নদীর পানি বৃদ্ধি পেয়ে বিপৎসীমা ছাড়িয়ে গেছে। ভয়াবহ রূপ নিয়েছে সুরমা, চেলা ও পিয়াইন নদী। পাউবোর তথ্য মতে মঙ্গলবার (১৮ জুন) নদীর পানি বিপৎসীমার ১৩৭ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।

ছাতক পৌরশহরের বাগবাড়ী, মন্ডলীভোগ, হাসপাতাল রোড, তাঁতিকোন, বৌলা, চরেরবন্দ, মোগলপাড়া, ঢাকাইয়া বাড়ি, লেবারপাড়া, পাটনীড়া, কুমনা, শ্যামপাড়াসহ আবাসিক এলাকায় বন্যার পানি প্রবেশ করায় চরম দুর্ভোগে পড়েছে এসব এলাকার বসবাসরত মানুষজন। ইতোমধ্যেই উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় একাধিক আশ্রয় কেন্দ্র খোলা হয়েছে এবং আশ্রয়কেন্দ্রে আশ্রিত মানুষের জন্য শুকনো খাবারসহ প্রাথমিক সব ব্যবস্থা রেখেছে উপজেলা প্রশাসন।

ছাতকসহ পার্শ্ববর্তী কোম্পানীগঞ্জ ও দোয়ারাবাজার উপজেলার বিস্তীর্ণ এলাকা প্লাবিত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। ইতোমধ্যেই ছাতকের বহু গ্রামীণ সড়ক বন্যার পানিতে তলিয়ে গিয়ে যোগাযোগ ব্যবস্থা ভেঙে পড়েছে। পানিবন্দি হয়ে পড়েছে উপজেলার লক্ষাধিক মানুষ।

ছাতক পৌর এলাকার বাসিন্দা মাসুদ আমান বলেন, ২২ এর বন্যার চেয়ে ভয়ানক রুপ নিচ্ছে এবারে বন্যা। আমরা ছেলে-মেয়ে নিয়ে বিপাকে আছি। আমার ২ মেয়ের কেউ সাঁতার জানে না। কী হবে এখনো জানি না।

বাগবাড়ি এলাকার বাসিন্দা জামি আহমেদ বলেন, পরিবারের সবাইকে নিয়ে নিরাপদেই আছি। কিন্তু আমাদের গবাদি পশু নিয়ে পড়েছি বিপাকে। আমাদের মতো তারাও না খেয়ে আছে।

ছাতক উপজেলার গ্রামাঞ্চলের অধিকাংশ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে বন্যার পানি প্রবেশ করেছে। অর্ধশতাধিক গ্রামের মানুষ পানিবন্দি অবস্থায় দুর্বিসহ অবস্থায় দিন পার করছে। উপজেলার ইছামতি-ছনবাড়ীবাজার, শিমুলতলা-মুক্তিরগাঁও সড়ক, বঙ্গবন্ধু সড়ক, ছাতক-জাউয়া, ছাতক-সুনামগঞ্জ, ছাতক-দোয়ারাবাজার  সড়কের বিভিন্ন নিচু অংশ পানিতে তলিয়ে গেছে। এছাড়া ছাতক পৌরসভারসহ নোয়ারাই, ছাতক সদর, কালারুকা, উত্তর খুরমা, চরমহল্লা, জাউয়া, গোবিন্দগঞ্জ-সৈদেরগাঁও, ছৈলা-আফজলাবাদ, দক্ষিণ খুরমা, ভাতগাঁও, দোলারবাজার ও সিংচাপইড় ইউনিয়নের অর্ধশতাধিক গ্রামের লক্ষাধিক মানুষ বর্তমানে পানিবন্দি অবস্থায় রয়েছেন।

ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে শতাধিক কাঁচা ঘর-বাড়ি ও গ্রামীণ কাঁচা সড়ক। পাহাড়ি ঢলের স্রোতের ধাক্কায় ছাতক উপজেলার ইসলামপুর ইউনিয়নের সীমান্তবতী নীজগাঁও, রতনপুর, বাগানবাড়ি, নোয়াকোট, ধনীটিলা, ছনবাড়ী, দারোগাখালী সড়ক সহ নব নির্মিত ৮-১০টি কাঁচা সড়ক বিলীন হয়ে গেছে। এভাবে পানি বৃদ্ধি অব্যাহত থাকলে যেকোনো সময় দেশের সাথে ছাতকের সড়ক যাগাযোগ ব্যবস্থা বিচ্ছিন্ন হওয়ার আশঙ্কা করা হচ্ছে।

ছাতক উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা গোলাম মোস্তাফা মুন্না বলেন, বন্যা পরিস্থিতি মোকাবিলায় উপজেলা প্রশাসন প্রস্তুত রয়েছে। পর্যাপ্ত আশ্রয়কেন্দ্রের ব্যবস্থা করা হয়েছে। আশ্রয়কেন্দ্র প্রস্তুতসহ প্রাথমিক সব ধরনের প্রস্তুতি উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে গ্রহণ করা হয়েছে। বন্যার্তদের সহায়তায় সকলকে মানবীয় কর্মকাণ্ডে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান তিনি।


আরও খবর



জলোচ্ছ্বাস ও ভূমিধসের বিষয়ে কাউন্সিলরদের সতর্কতা দিল চসিক

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ২০ জুন ২০24 | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ২০ জুন ২০24 | অনলাইন সংস্করণ
রাহুল সরকার, চট্টগ্রাম ব্যুরো

Image

চট্টগ্রামে বুধবার (১৯ জুন) থেকে আগামী ৭২ ঘণ্টায় রয়েছে ভারি থেকে অতিভারি বৃষ্টির সম্ভাবনা। রয়েছে পাহাড়ধস বা ভূমিধসের শঙ্কাও।

তাই পাহাড়ের ঢালে ঝুঁকি নিয়ে বাস করা বসবাসকারীদের নিরাপদ আশ্রয়ে সরে আসতে মাইকিং করছে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন (চসিক)। পাশাপাশি কাউন্সিলরদের প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে দেওয়া হয়েছে নির্দেশনাও।

বুধবার (১৯ জুন) স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে এই তথ্য জানান চসিক সচিব মোহাম্মদ আশরাফুল আমিন।

আবহাওয়া অফিসের সতর্কবার্তা অনুসারে, আগামী তিন দিন সক্রিয় মৌসুমি বায়ুর প্রভাবে উত্তর বঙ্গোপসাগর এলাকায় গভীর সঞ্চালনশীল মেঘমালা সৃষ্টি হচ্ছে। এর প্রভাবে উত্তর বঙ্গোপসাগরের উপকূলীয় এলাকা এবং সমুদ্র বন্দরসমূহের ওপর দিয়ে দমকা/ঝোড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে। চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের বিভিন্ন এলাকায় জলোচ্ছ্বাস ও ভূমিধসের সম্ভাবনা রয়েছে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। এ ছাড়া ওই সতর্ক বার্তায় চট্টগ্রাম বন্দরকে তিন নম্বর স্থানীয় সতর্ক সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।

চসিক সচিব মোহাম্মদ আশরাফুল আমিন বলেন, আবহাওয়া অফিসের সতর্ক বার্তা অনুযায়ী জলোচ্ছ্বাস এবং ভূমিধসের বিষয়ে যথাযথ প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য কাউন্সিলরদের জানিয়েছে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন। এ ছাড়া করপোরেশনের পক্ষ থেকে পাহাড়ের পাদদেশে ঝুঁকিপূর্ণভাবে বসবাসরতদের দ্রুত নিরাপদ স্থানে সরে যেতে নির্দেশনা প্রদান করেছে চসিক।

নিউজ ট্যাগ: চসিক

আরও খবর



৫৪ ওমরাহ কোম্পানিকে কালো তালিকাভূক্ত করলো সৌদি আরব

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ০২ জুলাই 2০২4 | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ০২ জুলাই 2০২4 | অনলাইন সংস্করণ
আন্তর্জাতিক ডেস্ক

Image

অনিয়মের অভিযোগে ৫৪ ওমরাহ কোম্পানিকে কালো তালিকাভূক্ত করেছে সৌদি আরব। এর মধ্যে আরব ও ইসলামিক দেশের ১৯টি প্রতিষ্ঠান রয়েছে। দেশটির স্থানীয় সংবাদমাধ্যমের বরাত দিয়ে এ খবর জানিয়েছে গালফ নিউজ।

গত মাসে সৌদি আরবের পবিত্র নগরী মক্কায় হজ পালন করতে এসে অনেক হজযাত্রী মারা যান। এদের মধ্যে অনেকে সৌদি আরবে ভ্রমণ ভিসায় এসে হজ পালন করেন। আর এসব হজযাত্রীদের নিয়ম ভঙ্গে সহযোগিতা করে অনেক ট্রাভেল এজেন্সি। যার ফলে এবার তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে। সৌদি আরবের আল ওয়াটন সংবাদমাধ্যমের খবরে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

ওই সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে আরও জানানো হয়েছে, অনেক কোম্পানি সৌদি আরবের নিরাপত্তা এজেন্সির সঙ্গে মিলে নীতি ভঙ্গ করেছে।

অসমর্থিত সূত্রের বরাদ দিয়ে সংবাদমাধ্যমটি জানায়, এসব প্রতিষ্ঠানের অনেকে মানবপাচারের সঙ্গেও জড়িত। আবার অনেক প্রতিষ্ঠানের রেজিস্ট্রেশন নেই। ফলে তারা অবৈধভাবে অনেককে ওমরাহ ভিসা দিয়েছে।

সৌদি আরবের হজ ও ওমরাহ বিষয়ক উপমন্ত্রী আব্দুল ফাতাহ মাসাত সম্প্রতি ওমরাহ বিষয়ক প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে নতুন ওমরাহ মৌসুম নিয়ে আলোচনা করেছেন। গত মাসে সৌদি আরবের পবিত্র নগরী মক্কায় ১৮ লাখ মুসল্লি পবিত্র হজ পালন করেন। এরপর থেকেই ওমরাহ পালনের মৌসুম শুরু হয়েছে।


আরও খবর



আলমগীর-বাদশাহর নেতৃত্বে পিরোজপুর জেলা শ্রমিক লীগের নতুন কমিটি

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ১৬ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ১৬ জুলাই ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
মশিউর রহমান রাহাত, পিরোজপুর

Image

জাতীয় শ্রমিক লীগের পিরোজপুর জেলা শাখার নতুন কার্যকরী কমিটি গঠিত হয়েছে। শ্রমিক নেতা  মো. আলমগীর হোসেনকে সভাপতি এবং মো. বাদশাহ মোল্লাকে সাধারণ সম্পাদক করে আগামী ৩ বছরের জন্য ৭১ সদস্যের কার্যকরী কমিটি অনুমোদন পেয়েছে। জাতীয় শ্রমিক লীগের সভাপতি নুর কুতুব আলম মান্নান এবং সাধারণ সম্পাদক কেএম আযম খসরু গতকাল সোমবার কমিটি অনুমোদন দিয়েছে।

কমিটির অন্যরা হলেন, সহ-সভাপতি আবুল কালাম মৃধা, শেখ রাজু আহম্মেদ মনা, শাহ জালার সিকদার, মো. জাকির খান, মাহমুদ হাসান আবুল, মো. সুলতান আহম্মেদ, শহিদুল ইসলাম সিকদার, মতিউর রহমান হাওলাদার, মতিউর রহমান, মো. ফরিদ আহমেদ, ফায়েজ আহমেদ, ফারুক হোসেন, আব্দুল মান্নান বাবুল ও আজিবর ফকির।

যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো. বশির সিকদার, মো. লাভলু হাওলাদার, আলমগীর মহাজন, মো. মিঠু সরদার, রিয়াজুল ইসলাম ও জাকির খান।

সহ-সাধারণ সম্পাদক মো. কাইয়ুম শেখ, মতিউর রহমান, সেলিম শেখ, মোস্তফা মোল্লা ও রুবেল শেখ। সাংগঠনিক সম্পাদক নুরুল ইসলাম, মিরাজুল ইসলাম তালুকদার, শেখ নাজমুল হুদা তানিম, শামীম সিকদার, মো. কামাল হোসেন ও মো. রেজাউল করিম। সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক সায়েম কাজী, জলিল জোমাদ্দার, মোস্তফা, এনাম কাজী ও নাছির খান। প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক আলমগীর খান এবং সহ-প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক মো. সোহেল। দপ্তর সম্পাদক হাছান আল-আমিন (সুমন) এবং সহ-দপ্তর সম্পাদক শামীম সিকদার। অর্থ বিষয়ক সম্পাদক বেলায়েত হোসেন এবং সহ-অর্থ বিষয়ক সম্পাদক জসীম।

আইন ও দর কষাকষি সম্পাদক মামুন মাঝি এবং সহ- আইন ও দর কষাকষি সম্পাদক সেলিম। শিক্ষা, সাহিত্য ও গবেষণা সম্পাদক মো. হান্নান হাওলাদার এবং সহ-শিক্ষা, সাহিত্য ও গবেষণা সম্পাদক মিয়াধ শেখ। ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক বিষয়ক সম্পাদক মাসুম মোল্লা এবং সহ-ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক বিষয়ক সম্পাদক অরুন কুমার শীল।

শ্রমিক কল্যান ও উন্নয়ন সম্পাদক মো. মাসুম হাওলাদার এবং সহ-শ্রমিক কল্যান ও উন্নয়ন সম্পাদক বিশ্বজিৎ শীল।  ত্রাণ ও পূর্নবাসন বিষয়ক সম্পাদক মান্নান শেখ এবং সহ-ত্রাণ ও পূর্নবাসন বিষয়ক সম্পাদক রানা শেখ। মহিলা বিষয়ক সম্পাদক ইরানী শেখ এবং সহ-মহিলা বিষয়ক সম্পাদক শিল্পী।

কার্যকরী সদস্য আব্দুর রশীদ, আবদুল্লাহ আল মামুন, মানিক মল্লিক, রেজাউল, সেলিম সিকদার, হায়দার খান, হুমায়ুন হাওলাদার, তৌহিদুল শেখ, জাহাঙ্হীর মাতুব্বর, সোহাগ হাওলাদার, আব্দুর রহিম হাওলাদার, হায়দার বেপারী, শহিদ শেখ, মো. বেল্লাল এবং মো. ফরিদ।

নিউজ ট্যাগ: শ্রমিক লীগ

আরও খবর