আজঃ বৃহস্পতিবার ১৯ মে ২০২২
শিরোনাম

ডিমলায় গ্রামীণ প্রাচীনতম ঐতিহ্যবাহী কামার শিল্প প্রায় বিলুপ্তির পথে

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ১২ মে ২০২২ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ১২ মে ২০২২ | ৪৭৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

নীলফামারী প্রতিনিধি:

নীলফামারীর ডিমলা উপজেলার গ্রামীণ প্রাচীনতম ঐতিহ্যবাহী কামার শিল্প নানা সংকটে আজ প্রায় বিলুপ্তির পথে। প্রয়োজনীয় উপকরণের অভাব, কারিগরির মজুরি বৃদ্ধি, তৈরি সামগ্রী বিক্রয়ের মূল্য কম, কয়লার মূল্য বৃদ্ধি, বিদেশ থেকে বড় বড় ব্যবসায়ীদের স্টিল সামগ্রী আমদানিসহ চরম আর্থিক সংকট ও উৎপাদনের চাহিদা কম থাকায় বিভিন্ন প্রতিকূলতার কারণে উপজেলার কামার শিল্প বিলুপ্তির পথে। মুসলিম সম্প্রদায়ের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব ঈদুল আযহাকে সামনে রেখে উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নে হাটবাজারে দেশি প্রযুক্তির দা-কুড়াল, খুনতা ও কাটারি বানাতে বেশ ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছে কামাররা।

উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নে বোরো ধান কর্তন শুরু হয়েছে এতে কাচি তৈরিতে আগাম ওয়ার্ডার দেয়া শুরু করায় কামার গ্রাম ও হাট বাজারগুলোতে কাচির টং টং শব্দে এখন মুখরিত। আধুনিকতার উৎকর্ষ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির উন্নতির সঙ্গে সঙ্গে নানাবিধ সমস্যার কারণে ধীরে ধীরে হারিয়ে যেতে বসেছে হাজার হাজার গ্রাম বাংলার মানুষের প্রিয় এই কামার শিল্পটি।

এক সময় উপজেলার ১০ টি ইউনিয়নের প্রায় অর্ধশতাধিক কর্মকার পরিবার থাকলেও তাদের তৈরি পণ্য সামগ্রী প্রযুক্তির ছোঁয়ার কাছে টিকে থাকতে না পারায় বেশকিছু পরিবার তাদের পৈতৃক পেশা ধরে রাখতে না পারছে বাঁচতে, না পারছে বাঁচাতে। কিছুটা বাধ্য হয়েই পরিবারের অভাব অনটন ও চাহিদার তাগিতে লাভ জনক পেশায় চলে যাচ্ছে। উপজেলার দোহলপাড়া গ্রামের প্রায় ১০ টি পরিবারের কর্মকারেরা তাদের পৈতৃক পেশা অনেক কষ্টের মধ্যে দিয়ে হলেও দু’-মুঠো ভাতের আশায় তারা এ ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছে। যতটুকু লাভ হোকনা কেন কোনোরকম দিন চললেই তারা খুশি। অন্য পেশায় যেতে তারা নারাজ। ডিমলা উপজেলার টুনির হাট,ডাঙ্গার হাট,ডিমলা বাজার সহ প্রতিটি হাটবাজারে বোরো ধান কাটা ও কোরবানির ঈদ সামনে রেখে কামারপাড়ার কারিগররা সারা বছর অলস সময় কাটালেও বর্তমানে বোরো ধান কাটা ও সামনে কোরবানি ঈদের কারণে রাত-দিন ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছে।

এখনকার কামাররা তাদের নিপুণ হাতের তৈরি বঁটি, কুঠার, খুন্তা সহ বিভিন্ন ধরনের যাবতীয় প্রয়োজনীয় লৌহজাত দ্রব্য তৈরি করেন। উপজেলার দোহলপাড়া গ্রামের মিঠুন চন্দ্র কর্মকার জানান, একটি মাঝারি ধরনের দা ৪০০ টাকা, তরকারি কাটার কাটারি ৩০ টাকা,কাচি ৪০/৫০ টাকা পর্যন্ত বিক্রয় হয়। সারাদিন হাড় ভাঙা পরিশ্রম করে যে কয়টা জিনিস তৈরি করি তা বিক্রয় করে বেশি লাভ না হলেও পরিবার-পরিজন নিয়ে ডাল-ভাত খেয়ে বেঁচে থাকার স্বার্থে এই পেশা ধরে রেখেছি। তিনি আরো জানান, আমার বাপ দাদার মূল পেশা ছিল এটা। তারা গত হওয়ার পর ঐ সূত্র ধরে আমার জীবনের শেষ মুহূর্তে এই পেশা ধরে রেখেছি। অন্য কোনো পেশায় যাব সেই আর্থিক সঙ্গতি নেই। তবে সরকার আমাদের বিভিন্ন উপায়ে সহযোগিতা ও সুদবিহীন ঋণ প্রদান করলে অবশ্যই এই দেশীয় কামার শিল্প পূর্বের ন্যায় ঘুরে দাঁড়াবে।


আরও খবর



মতলবে খুন হয়েছেন যমুনা ফিউচার পার্কের ব্যবসায়ী উজ্জ্বল

প্রকাশিত:শুক্রবার ০৬ মে ২০২২ | হালনাগাদ:শুক্রবার ০৬ মে ২০২২ | ১১৯০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

তানজিমুল হাসান মায়া’জ, ঢাকা:

রাজধানীর যমুনা ফিউচার পার্কের ব্যবসায়ী ঊষা ইন্টারন্যাশনালের ব্যবস্থাপনা পরিচালক উজ্জ্বল মিয়াজী খুন হয়েছেন। বৃহষ্পতিবার (০৫ মে) দিবাগত রাত ১২ টা ৩০ মিনিটের পর চাঁদপুরের মতলব উত্তর উপজেলার ষাটনল পর্যটনকেন্দ্র এলাকায় দুর্বৃত্তদের গুলিতে তিনি নিহত হন।

জানা যায়, উপজেলার ষাটনল পর্যটনস্থলে শুক্রবার (০৬ মে) একটি অনুষ্ঠানকে কেন্দ্র করে প্যান্ডেল সহ অনুষ্ঠান আয়োজন তদারকী কালে দুর্বৃত্তদের গুলিতে ঘটনাস্থলে মারা যান তিনি।

ঘটনাস্থলে কর্মরত ডেকোরেটর প্রতিষ্ঠানের এক কর্মচারী (নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক) জানান, রাত প্রায় ১২ টা ৩০ মিনিটে প্যান্ডেলের কাজ চলমান অবস্থায় একদল অস্ত্রধারী সন্ত্রাসীরা এসে আমাদের ঘেরাও করে ফাঁকা গুলি ছুড়তে থাকে।

তাৎক্ষণিক উজ্জ্বল মিয়াজী কাছে এলে দুর্বৃত্তরা তার নাম জিজ্ঞেস করলে তিনি নিজের নাম উচ্চারণ করার সাথে সাথে তাকে গুলি করে পালিয়ে যায়।

ঘটনার পর স্থানীয়রা তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসকরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

ঘটনা সম্পর্কে চাঁদপুর জেলার পুলিশ সুপার মিলন মাহমুদ মুঠোফোনে জানান, এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত কেউ মামলা করেনি মামলা হলে দ্রুত আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হবে।

আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে নিহত উজ্জ্বলের উপর দুর্বৃত্তরা আক্রমণ করেছে। এঘটনায় সূরতহাল প্রতিবেদন পাওয়ার পর ও মামলা দায়ের হলে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে বলে জানিয়েছেন, মতলব উত্তর থানার অফিসার ইনচার্জ শাহজাহান কামাল।

নিহত উজ্জ্বল মিয়াজীর বিরুদ্ধে ডজন খানেক মামলার বিষয়ে জানতে চাইলে মুন্সিগঞ্জ সদর থানার অফিসার ইনচার্জ আবু বক্কর সিদ্দিক বলেন, নিহত উজ্জ্বল মিয়াজীর বিরুদ্ধে একটি ওয়ারেন্ট ছিলো এটা আমি জেনেছি, এছাড়া অন্য কোন মামলা আছে বলে আমার জানা নেই ।


আরও খবর



পরমাণু বিজ্ঞানী ড. ওয়াজেদ মিয়ার মৃত্যুবার্ষিকী আজ

প্রকাশিত:সোমবার ০৯ মে ২০২২ | হালনাগাদ:সোমবার ০৯ মে ২০২২ | ৩২৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন পরমাণু বিজ্ঞানী ড. এমএ ওয়াজেদ মিয়ার ১৩তম মৃত্যুবার্ষিকী আজ। বর্ণাঢ্য কর্মময় জীবনের অধিকারী এ বিজ্ঞানী ২০০৯ সালের ৯ মে ইন্তেকাল করেন। তিনি আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার স্বামী। ১৯৪২ সালের ১৬ ফেব্রুয়ারি রংপুরের পীরগঞ্জ উপজেলার লালদিঘির ফতেহপুর গ্রামে ড. এম এ ওয়াজেদ মিয়ার জন্ম। বাবা আবদুল কাদের মিয়া ও মা ময়েজুন্নেসার চার ছেলে ও তিন মেয়ের মধ্যে তিনি ছিলেন সর্বকনিষ্ঠ।

ওয়াজেদ মিয়া ১৯৬১ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের স্নাতক (সম্মান) পরীক্ষায় প্রথম শ্রেণিতে দ্বিতীয় স্থান লাভ করেন এবং ১৯৬২ সালে স্নাতকোত্তর পরীক্ষায় প্রথম শ্রেণিতে প্রথম হন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় তিনি ফজলুল হক হলের আবাসিক ছাত্র ছিলেন। ছাত্রলীগ মনোনীত প্রার্থী হিসাবে ১৯৬১-৬২ শিক্ষাবছরের জন্য হল ছাত্র সংসদের সহ-সভাপতি নির্বাচিত হন। ১৯৬২ সালে শিক্ষা কমিশনবিরোধী আন্দোলন করতে গিয়ে গ্রেফতার হন।

ড. ওয়াজেদ মিয়া অনেক জাতীয়, আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক বিজ্ঞানবিষয়ক সম্মেলনে অংশ নেন। তার গবেষণামূলক ও বিজ্ঞানবিষয়ক অনেক প্রবন্ধ জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পত্র-পত্রিকায় এবং সাময়িকীতে প্রকাশিত হয়েছে। তিনি বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি কমিশনের চেয়ারম্যান ছিলেন। তিনি ১৯৬৭ সালের ১৭ নভেম্বর বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জ্যেষ্ঠ কন্যা শেখ হাসিনার সঙ্গে বিয়েবন্ধনে আবদ্ধ হন। তাদের এক ছেলে সজীব ওয়াজেদ জয় এবং এক মেয়ে সায়মা ওয়াজেদ পুতুল। মৃত্যুর পর শেষ ইচ্ছা অনুযায়ী রংপুরের পীরগঞ্জ উপজেলার ফতেহপুর গ্রামে বাবা-মায়ের কবরের পাশে তাকে দাফন করা হয়।

প্রতি বছরের মতো আজ দিনটি যথাযোগ্য মর্যাদায় বিভিন্ন সংগঠন নানা কর্মসূচির মাধ্যমে পালন করবে। দিনটি উপলক্ষ্যে ওয়াজেদ মিয়ার জন্মস্থান লালদিঘি ফতেহপুর গ্রামে এবং রংপুরের পীরগঞ্জ উপজেলা প্রশাসন, ড. ওয়াজেদ মিয়ার পরিবার, উপজেলা আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠন, ড. ওয়াজেদ স্মৃতি সংসদ (ডিডব্লিউএসএস), ড. ওয়াজেদ ফাউন্ডেশন, বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়, স্মৃতিচারণ, ফাতেহা পাঠ, কবর জিয়ারত, মিলাদ মাহফিল ও গরিবদের মাঝে খাবার বিতরণসহ নানা কর্মসূচি গ্রহণ করেছে।


আরও খবর



রাজধানীর কলাবাগানের তেঁতুলতলা মাঠ রক্ষার অন্যতম আন্দোলনকারী

১২ ঘণ্টা পর মা-ছেলেকে ছেড়ে দিল পুলিশ

প্রকাশিত:সোমবার ২৫ এপ্রিল ২০২২ | হালনাগাদ:সোমবার ২৫ এপ্রিল ২০২২ | ৪৩৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

পুলিশের কাজে বাধা দেওয়ার অভিযোগে রাজধানীর কলাবাগানের তেঁতুলতলা মাঠ রক্ষার অন্যতম আন্দোলনকারী ও সমাজকর্মী সৈয়দা রত্না এবং তার ছেলে ঈসা আব্দুল্লাহকে থানা থেকে অবশেষে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।আটকের ১২ ঘণ্টা পর রোববার রাতে তাদের পরিবারের জিম্মায় ছেড়ে দিয়েছে পুলিশ।

এর আগে সকালে তেঁতুলতলা মাঠ থেকে তাদের থানায় নিয়ে যাওয়া হয়। সকালে সৈয়দা রত্না মাঠে ভবন নির্মাণের প্রতিবাদে লাইভ করছিলেন। লাইভ করার সময় তাকে আটক করা হয়। তবে এ ঘটনায় তাদের বিরুদ্ধে কোনো আইনি পদক্ষেপ নেবে না বলে পুলিশ জানিয়েছে।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন কলাবাগান থানার ওসি পরিতোষ চন্দ্র পাল বলেন, সরকারি কাজে বাধা দেওয়ার অভিযোগে সৈয়দা রত্না ও ছেলে ঈসা আব্দুল্লাহকে আটক করে থানায় নিয়ে আসা হয়। পরে রাতে তাদের পরিবারের জিম্মায় ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। সরকারি কাজে তারা আর বাধা দিবেন না- এ অঙ্গীকারে তাদের ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।

রোববার সকালে সৈয়দা রত্না ফেসবুক লাইভে গিয়ে কলাবাগানের তেঁতুলতলা মাঠটি দখল হয়ে যাওয়া নিয়ে সবার দৃষ্টি কামনা করছিলেন। এ সময় সাদা পোশাকধারী এবং পোশাকধারী পুলিশ তাকে লাইভ করতে নিষেধ করেন। এরপর ওই পুলিশ সদস্যরা তার মোবাইল কেড়ে নেওয়ার চেষ্টা করেন ও তাকে টেনেহিঁচড়ে একটি পুলিশ ভ্যানে তুলে নেন।

তখন থানা পুলিশ জানায়, নির্মাণকাজে বাধা ও ঠিকাদারকে ধাক্কা দেওয়ার অভিযোগে দুইজনকে আটক করে থানায় নেওয়া হয়েছে। জিজ্ঞাসাবাদে কোনো অপরাধ পেলে তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এর আগে গত ৩১ জানুয়ারি মাঠটিতে তারকাঁটার বেড়া দিয়ে বেষ্টনী তৈরি করে পুলিশ। খেলার মাঠ হিসেবে পরিচিত জায়গাটি কলাবাগান থানা ভবন হওয়ার কথা রয়েছে। তবে থানা ভবন নির্মাণের বিরুদ্ধে দীর্ঘদিন ধরে আন্দোলন করেন আসছেন এলাকাবাসী।


আরও খবর



আফগান নারীদের মুখ ঢাকা বোরকা পরার নির্দেশ

প্রকাশিত:রবিবার ০৮ মে ২০২২ | হালনাগাদ:রবিবার ০৮ মে ২০২২ | ২৭৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

জনসমক্ষে নারীদের মুখ ঢেকে রাখার নির্দেশ দিয়েছেন আফগানিস্তানের সর্বোচ্চ নেতা। শনিবার এ সংক্রান্ত একটি ডিক্রি জারি করা হয়েছে। খবর আল জাজিরার।

তালেবান প্রধান হাইবাতুল্লাহ আখুনজাদার জারি করা ওই ডিক্রিতে বলা হয়েছে- নারীদের একটি চাদোরি (মাথা থেকে পা পর্যন্ত বোরকা) পরা উচিত, কারণ এটি ঐতিহ্যবাহী এবং সম্মানজনক। ধর্ম প্রচার ও অধর্ম প্রতিরোধ মন্ত্রণালয়ের একজন মুখপাত্র কাবুলে এক সংবাদ সম্মেলনে শীর্ষনেতা হাইবাতুল্লাহ আখুনজাদার ডিক্রিটি পড়ে শোনান।

ওই ডিক্রিতে বলা হয়েছে- কোনো নারী বাড়ির বাইরে মুখ ঢেকে বের না হলে তার বাবা বা নিকটতম পুরুষ আত্মীয়ের সঙ্গে সরকারি কর্মকর্তারা সাক্ষাৎ করবেন এবং তাকে গ্রেফতার করা হতে পারে কিংবা তিনি সরকারি চাকরিজীবী হলে তাকে বরখাস্ত করা হবে। মুখ ঢেকে রাখার জন্য বোরকা হচ্ছে আদর্শ। ১৯৯৬ থেকে ২০০১ সাল পর্যন্ত তালেবানের প্রথম দফা শাসনামলে আফগান নারীদের এ ধরনের বোরকা পরতে বাধ্য করা হতো। আফগানিস্তানে বেশিরভাগ নারীই মাথায় স্কার্প পরেন, কিন্তু কাবুলের মতো শহরাঞ্চলে অনেকেই তাদের ঢেকে রাখেন না।

গত কয়েক মাস ধরে তালেবান নেতারা বিশেষ করে ধর্ম প্রচার এবং অধর্ম প্রতিরোধ মন্ত্রণালয় থেকে অনেক নতুন বিধিনিষেধ ঘোষণা করেছে। আর এসব কারণে তাদের বিরুদ্ধে সমালোচনা ও আন্তর্জাতিক চাপও বেড়েছে।

গত বছরের আগস্টে আফগানিস্তানের ক্ষমতা দখল করে তালেবান। ওই সময় গোষ্ঠীটি জানিয়েছিল, তারা প্রথমবারের মতো এবার কট্টরপন্থা অবলম্বন করবে না। অবশ্য গত মার্চে বালিকাদের উচ্চ বিদ্যালয় বন্ধ করে দিয়েছে তালেবান সরকার। তাদের ভাষ্য- ছাত্রীদের পোশাকবিধি নির্ধারণ না করা পর্যন্ত স্কুলগুলো বন্ধ থাকবে।

নিউজ ট্যাগ: আফগানিস্তান

আরও খবর



সিনেমা পরিচালনার আগ্রহ হারিয়েছেন ববিতা

প্রকাশিত:বুধবার ১৮ মে ২০২২ | হালনাগাদ:বুধবার ১৮ মে ২০২২ | ১৮৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

প্রখ্যাত চলচ্চিত্র অভিনেত্রী ববিতা জীবনে একবারের জন্য হলেও সিনেমা নির্মাণ করতে চেয়েছিলেন। কিন্তু এখন আর সেই আগ্রহ নেই তার। করোনা পরবর্তী সময়ে সিনেমা ইন্ডাস্ট্রির দুর্দশা দেখে পরিচালনার ইচ্ছা থেকে সরে দাঁড়িয়েছেন বলে জানিয়েছেন ববিতা।

এ প্রসঙ্গে ববিতা বলেন, ভেবেছিলাম একটি সিনেমা হলেও নির্মাণ করব। কিন্তু করোনার কারণে চলচ্চিত্রে বলা যায় একটা বিপর্যয়ই নেমে এসেছে। কিন্তু সার্বিক বিবেচনায় মনে হচ্ছে, চলচ্চিত্র এখনো আগের মতো ঘুরে দাঁড়াতে পারেনি। তাই আমিও আমার সিদ্ধান্ত থেকে সরে দাঁড়ালাম।

একই সঙ্গে যারা এই সময় সাহস নিয়ে সিনেমা নির্মাণ করছেন, তাদেরকে শুভ কামনা জানিয়েছেন তিনি। দর্শকদের প্রেক্ষাগৃহে গিয়ে বাংলা সিনেমা দেখার আহ্বানও জানিয়েছেন তিনি। 

সবশেষ ২০১৫ সালে নারগিস আকতারের পুত্র এখন পয়সাওয়ালা সিনেমায় অভিনয় করেছিলেন বরেণ্য অভিনেত্রী ববিতা। এরপর আর কোনো সিনেমায় পাওয়া যায়নি তাকে। নতুন আর কোনো সিনেমায় তিনি অভিনয় করবেন কিনা, সে বিষয়টিও নিশ্চিত করেননি।

নিউজ ট্যাগ: ববিতা

আরও খবর