আজঃ বৃহস্পতিবার ২৪ জুন ২০২১
শিরোনাম

দক্ষিণ কোরিয়ায় বাসের ওপর ভবন ধস, নিহত ৯

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ১০ জুন ২০২১ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ১০ জুন ২০২১ | ৯৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

দক্ষিণ কোরিয়ায় একটি বাসের ওপর পাঁচতলা ভবন ধসে পড়ায় নয় জন নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন অন্তত আট জন। দেশটির দক্ষিণাঞ্চলীয় শহর গুয়াংজুতে গতকাল বুধবার (৯ জুন) এই দুর্ঘটনা ঘটেছে। এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে সিএনএন।

জানা যায়, দুর্ঘটনার পর সেখানে উদ্ধার তৎপরতা শুরু করছে অগ্নিনির্বাপক ও উদ্ধারকারী বাহিনী (ফায়ার সার্ভিস)। ফায়ার সার্ভিস কর্মকর্তা কিম সেওক সান জানিয়েছেন, বাসটি যখন যাত্রী নেওয়ার জন্য নির্ধারিত স্টপেজে দাঁড়িয়েছিল, ঠিক তখনই ঘটে এই দুর্ঘটনাটি। অই সময় বাসটিতে ১৭ জন যাত্রী ছিল।

ঠিক কী কারণে ভবনটি ধসে পড়েছে তা এখনও স্পষ্ট নয়। আহতদের নিকটস্থ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে বলে জানিয়েছেন কিম সেওক-সান।

ভবনের ভেতরে কেউ আটকা পড়েছেন কি না সেই অনুসন্ধান ফায়ার সার্ভিস কর্মীরা করছে উল্লেখ করে এই কর্মকর্তা জানান, ওই ভবন ও তার সংলগ্ন এলাকা থেকে লোকজনদের ইতোমধ্যে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে।

একজন প্রত্যক্ষদর্শী ইয়াং ইক জে বলেন, ভবনটি যখন ধসে পড়ল, আমার স্রেফ মনে হলো যে পায়ের তলায় মাটি কাঁপছে। প্রথম দিকে ধুলোর কারণে সড়কে কি হলো দেখতে পাইনি। ঘন কুয়াশার মতো ওই ধুলো কেটে যাওয়ার পর আমরা বাসের দিকে ছুটে গিয়ে প্রাথমিক উদ্ধার কাজ শুরু করি।

এর আগে ১৯৯৫ সালে একবার দক্ষিণ কোরিয়ায় ভবন ধস হয়েছিল। সেবারের দুর্ঘটনায় মারা গিয়েছিলেন ৫০০'রও বেশি মানুষ।



আরও খবর
করোনার ডেল্টা প্লাসে প্রথম মৃত্যু

বৃহস্পতিবার ২৪ জুন ২০২১




১৬ জুন পর্যন্ত বিধিনিষেধ বাড়ানোর প্রস্তাব

প্রকাশিত:রবিবার ০৬ জুন ২০২১ | হালনাগাদ:রবিবার ০৬ জুন ২০২১ | ১০২জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

চলমান বিধিনিষেধ আরও ১০ দিন বাড়ানোর প্রস্তাব করা হয়েছে। রবিবার (৬ জুন) মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে এ সংক্রান্ত প্রস্তাবনা প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে পাঠানো হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা অনুমোদন দিলে আজ রাতে আরও ১০ দিন বিধিনিষেধ বাড়ানো হবে। মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

আজ রবিবার (৬ জুন) মধ্যরাত থেকে চলমান বিধিনিষেধের মেয়াদ শেষ হচ্ছে।

উল্লেখ্য, গত ১৪ এপ্রিল ভোর ৬টা থেকে ৭ দিনের কঠোর লকডাউন শুরু হয়। পরে ৬ দফা লকডাউন বা বিধিনিষেধের মেয়াদ বাড়ানো হয়। গত ২৩ মে থেকে ৩০ মে রবিবার মধ্যরাত পর্যন্ত বিধিনিষেধ বাড়িয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়। এ সময় স্বাস্থ্যবিধি মেনে আন্তঃজেলা বাস, লঞ্চ এবং ট্রেনসহ সব ধরনের গণপরিবহন চলার অনুমতি দেওয়া হয়। একইসঙ্গে হোটেল-রেস্তোরাঁগুলো আসন সংখ্যার অর্ধেক মানুষকে বসিয়ে সেবা দেওয়ার অনুমতি পায়।

বর্তমানে সরকারি বেসরকারি স্বায়ত্বশাসিত অফিস আদালত ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ রয়েছে। তবে বিশেষ সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানসমূহ সরকারের নির্বাহী আদেশে সীমিত পরিসরে খোলা রয়েছে।

মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ ও জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা জানান, বিধিনিষেধ বাড়ানো বা তুলে দেওয়ার বিষয়ে সরকার চুলচেরা বিশ্লেষণ করে সিদ্ধান্ত নিতে চাইছে। কারণ, করোনার ভারতীয় ভ্যারিয়েন্ট শঙ্কা হয়ে ঝুলে আছে। সবকিছু একেবারে খুলে দিয়ে মানুষের বেপরোয়া আচরণ নিয়ন্ত্রণ না করতে পারলে বিপর্যয় হতে পারে। আবার অফিস-আদালত দীর্ঘদিন বন্ধ করে রাখাও ক্ষতির কারণ হচ্ছে।

জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের একজন শীর্ষ কর্মকর্তা জানান, ভারতীয় ভ্যারিয়েন্ট নিয়ে খুবই উদ্বিগ্ন সরকার। এখন সীমান্ত এলাকাগুলোতে লকডাউন দেওয়া হচ্ছে। সেটা বহাল রাখার সঙ্গে বেশি সংক্রমিত এলাকায় লকডাউন আরোপ করা যেতে পারে। সে ক্ষেত্রে মাস্ক ব্যবহারসহ স্বাস্থ্যবিধি পতিপালনের ক্ষেত্রে জোর দেওয়াসহ কিছু বিধিনিষেধ তো থাকবেই।


আরও খবর



ব্ল্যাক ফাঙ্গাস চিকিৎসা ব্যয়বহুল, ওষুধও অপ্রতুল

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ২৭ মে ২০২১ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ২৭ মে ২০২১ | ২১৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

মিউকোরমাইকোসিস (ব্ল্যাক ফাঙ্গাস) জনিত রোগের চিকিৎসা দেশে ব্যয়বহুল। তার প্রধান কারণ ওষুধের দাম এবং নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রের সেবা। এই রোগের চিকিৎসায় ব্যবহৃত ওষুধ তৈরি করে একটি মাত্র কোম্পানি। আর তাদের কাঁচামাল আসে ভারত থেকে। তাই সেখানেও আছে অপ্রতুলতা রয়েছে। আর স্বাস্থ্য অধিদফতর জানিয়েছে-  ব্ল্যাক ফাঙ্গাসের চিকিৎসায় ব্যবহৃত ওষুধ সহজলভ্য করতে কাজ করা হচ্ছে। বিশেষজ্ঞ কমিটি দ্বারা এই রোগের চিকিৎসার জন্য একটি গাইডলাইন প্রস্তুত করার কাজ চলছে। তবে গাইডলাইন না থাকলেও বেসিক ট্রিটমেন্ট চালাচ্ছেন চিকিৎসকরা। 

রাজধানীর বারডেম হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ব্ল্যাক ফাঙ্গাসের সন্দেহজনক রোগীর জ্বর রয়েছে। তবে তার শারীরিক অবস্থা বর্তমানে স্থিতিশীল। কিন্তু চূড়ান্ত মতামত দিতে আরও সময় লাগবে বলে জানিয়েছেন বারডেম হাসপাতালের রেসপিরেটরি বিভাগের প্রধান অধ্যাপক ডা. মোহাম্মদ দেলোয়ার হোসেন। সেখানে উপসর্গ দেখে চিকিৎসকরা ধারণা করেন তিনি ব্ল্যাক ফাঙ্গাসে আক্রান্ত। তবে রোগতত্ত্ব, রোগ নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা প্রতিষ্ঠান (আইইডিসিআর) জানিয়েছে, এটা নিশ্চিত হতে হলে তাদের সব পরীক্ষা শেষ করতে হবে।

ভারতের ব্ল্যাক ফাঙ্গাস ছড়িয়েছে ব্যাপকভাবে। সেখানে ব্ল্যাক ফাঙ্গাসে এ পর্যন্ত আক্রান্ত হয়েছে ১১ হাজার ৭১৭ জন। ভারতের গুজরাট, মহারাষ্ট্র ও অন্ধপ্রদেশের আক্রান্তের হার সবচেয়ে বেশি। গত সপ্তাহে ভারতে করোনাভাইরাসের রোগীদের মধ্যে মিউকরমাইকোসিস (ব্ল্যাক ফাঙ্গাস) শনাক্ত হলে এটিকে মহামারি ঘোষণা করার নির্দেশ দেয় স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়। এতে সংক্রমিত প্রায় ৫০ শতাংশ মানুষ মারা যাচ্ছে। আর যারা বেঁচে যাচ্ছেন তাদের মধ্যে একটি অংশের চোখ অপসারণ করতে হচ্ছে।

অধ্যাপক ডা. মোহাম্মদ দেলোয়ার হোসেন জানান, এই রোগীর বয়স ৫৩ বছর। তার অ্যাজমা, অনিয়ন্ত্রিত ডায়াবেটিস এবং উচ্চ রক্তচাপ রয়েছে। চিকিৎসা নেওয়ার পর তার অবস্থার কতটা উন্নতি  হলো জানতে চাইলে তিনি বলেন, এটা এখনই বলা  সম্ভব হচ্ছে না। তার চিকিৎসাটা দীর্ঘমেয়াদি। দুই থেকে ছয় সপ্তাহ পর্যন্ত চিকিৎসা দিতে হয়,কিন্তু তার চিকিৎসা শুরু হয়েছে মাত্র কয়েকদিন হলো।

চিকিৎসকদের মতে , ব্ল্যাকফাঙ্গাসের চিকিৎসা মূলত নির্ভর করে সংক্রমণের তীব্রতার ওপর। সেজন্য কিছু ওষুধ আছে, আবার তীব্রতা বেশি হলে ইনজেকশন প্রয়োগ হয়। এই চিকিৎসায় ব্যবহৃত ওষুধের দাম বেশি হওয়ায় এবং রোগীর নিবিড় পর্যবেক্ষণের প্রয়োজন হয় বলে এই চিকিৎসা ব্যয়বহুল।

স্বাস্থ্য অধিদফতরের রোগ নিয়ন্ত্রণ শাখার পরিচালক অধ্যাপক ডা নাজমুল ইসলাম বলেন, মিউকোরমাইকোসিস বা কালো ছত্রাক একটি বিরল রোগ। এটি খুব বেশি মানুষের হয় বলে তথ্য-উপাত্ত বলে না। অবশ্যই এর চিকিৎসা অনেক ব্যয়বহুল এতে কোনও সন্দেহ নেই। বিষয়টি নিয়ে গত কিছু দিন ধরে আমরা ক্রমাগত কাজ করছি এবং একটি গাইড লাইন দেওয়ার চেষ্টা করছি। ব্ল্যাক ফাঙ্গাস মোকাবিলায় যেসব ওষুধ ব্যবহার করতে হয়, সেসব কীভাবে সহজলভ্য করা যায় সে বিষয়টি নিয়েও আমরা কাজ করছি। আমরা খুব অল্প সময়ের মধ্যে সুনির্দিষ্ট প্রস্তাবনা দেব। তার কারণ হলো এই ওষুধগুলো সহজে পাওয়া যায় না। এই পরিস্থিতির কেউ যেন সুযোগ নিতে না পারে সে বিষয়টি মাথায় রেখে আমরা অগ্রসর হচ্ছি।

প্রিভেন্টিভ মেডিসিন বিশেষজ্ঞ ডা. লেলিন চৌধুরী বলেন, ফাঙ্গাস প্রতিরোধে একটি ওষুধ আছে। আবার কোন কোন সময় ব্ল্যাক ফাঙ্গাসের জন্য ইঞ্জেকশন দেওয়ার প্রয়োজন হয়। এই ওষুধের দামটি বেশি আবার অনেকেরই আইসিইউ সাপোর্ট প্রয়োজন হয়। যার কারণে চিকিৎসা ব্যয়বহুল।

তিনি আরও বলেন, এই রোগের চিকিৎসা নির্ভর করে মূলত তীব্রতার ওপর। এজন্য কোন ফর্মুলা নেই। মাইল্ড রোগী, মোডারেট রোগী এবং সিভিয়ার রোগীর চিকিৎসা ব্যবস্থায় একেক সময় লাগে। আমরা এখন যে বেসিক ট্রিটমেন্ট দিচ্ছি এটিকেই গাইডলাইনে অন্তর্ভুক্ত করা যেতে পারে।

ব্ল্যাক ফাঙ্গাসের চিকিৎসায় ব্যবহৃত ইনজেকশন প্রস্তুত করে শুধুমাত্র বিকন ফারমাসিউটিক্যালস। এই ওষুধের ৫০ মি লি পরিমানের একটি ভায়ালের খুচরা মুল্য ১৫ হাজার টাকার কিছু বেশি। তবে প্রচলিত ওষুধ না হওয়ায় এর উৎপাদন এবং সরবরাহ কম। আর অত্যাধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করেই এগুলো প্রস্তুত করতে হয় বলে অন্য কেউ তা তৈরি করতে চায় না বলে জানিয়েছেন বিকন ফারমাসিউটিক্যালসের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. এবাদুল করিম।

তিনি বলেন, এই ওষুধ প্রস্তুত করতে খুবই অত্যাধুনিক প্রযুক্তির প্রয়োজন হয়। আর এটার কাঁচামাল যেমন অনেক দামি আবার প্রযুক্তিও দামি। যার কারণে বেশি সংখ্যক কোম্পানি পারেও না এটা বানাতে। আমাদের কাছে বর্তমানে যেটুকু স্টক আছে তাই আছে। এমনিতে তো চাহিদা অনেক কমই ছিল। এখন হঠাৎ করে এখানে চাহিদা দেখা দিয়েছে। আবার বাজার থেকে অবৈধ পথে ভারতেও চলে যেতে পারে, এজন্য আমরা সতর্কতার সঙ্গে পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছি। কাঁচামালের জন্য জন্য আমরা বলেছি, তাদের আজকে জানানোর কথা। কাঁচামাল বেশিরভাগই ভারত থেকেই আসে। সেখানেও তো সংকট। 

তিনি আরও বলেন, ভারত নিজেদের চাহিদা পূরণ করেই পারছেন না। যে কারণে একটু শংকার মধ্যে আছি। আমরা আশা করি হয়তো কিছু একটা ম্যানেজ করতে পারবো। সরকারের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, আমরা চেষ্টা করছি।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক জানান, যারা বয়স্ক, যাদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমে গেছে, তাদেরকে বেশি করে এই বিষয়ে সতর্ক হতে হবে। আমি ইতোমধ্যে বিভিন্ন ওষুধ কোম্পানিকে নির্দেশনা দিয়েছি যাতে এই ফাঙ্গাসের জন্য যে ধরনের ওষুধ প্রয়োজন সেটা যেন এখন থেকেই তৈরি করে। আল্লাহ না করুক যদি এখানে রোগী বাড়ে, তাহলে যেন যথাযথ চিকিৎসা করা যায়।

প্রসঙ্গত এসব ছত্রাক পরিবেশে বিশেষ করে মাটি, পঁচে যাওয়া জৈব পদার্থ যেমন: পঁচা ফলমূল, পাতা বা পশুর বিষ্ঠায় ছড়িয়ে থাকে। এসব ছত্রাককে ল্যাবরেটরির কৃত্রিম মিডিয়াতে যখন বৃদ্ধি করা হয়, এদের রং হয় গাঢ় বাদামি বা কালো। তাই এদের ব্ল্যাক ফাঙ্গাস বা কালো ছত্রাক বলা হয়। এই ছত্রাকের সংক্রমণ ছোঁয়াচে নয় বলে জানিয়েছেন চিকিৎসকরা।

নিউজ ট্যাগ: ব্ল্যাক ফাঙ্গাস

আরও খবর
করোনায় আরও ৭৬ জনের মৃত্যু

মঙ্গলবার ২২ জুন ২০২১




আজিমপুর স্টাফ কোয়ার্টারের বাথরুম থেকে ঢাবি ছাত্রীর মরদেহ উদ্ধার

প্রকাশিত:রবিবার ০৬ জুন ২০২১ | হালনাগাদ:রবিবার ০৬ জুন ২০২১ | ১৬২জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

রাজধানীর আজিমপুর সরকারি স্টাফ কোয়ার্টারের একটি ভবনের বাথরুম থেকে ইসরাত জাহান তুষ্টি (২১) নামের এক ছাত্রীর মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ছিলেন। রোববার (৬ জুন) সকাল সোয়া ৭টার দিকে তাকে উদ্ধার করে পরে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে তাকে মৃত ঘোষণা করেন কর্তব্যরত চিকিৎসক। পরে মরদেহটি মর্গে রাখা হয়েছে।

এ বিষয়ে ফায়ার সার্ভিসের পলাশী ব্যারাক ফায়ার স্টেশনের স্টেশন অফিসার মো. সাইফুল ইসলাম জানান, সকাল সোয়া ৭টার দিকে খবর পেয়ে আজিমপুর সরকারি স্টাফ কোয়ার্টার ইউনিট ২-এর ১৮ নম্বর ভবনের নিচতলায় একটি রুমের বাথরুমের দরজা ভেঙে ভেতরে অচেতন অবস্থায় থেকে উদ্ধার করা হয় ইসরাত জাহানকে। এরপর দ্রুত তাকে ঢাকা মেডিকেলে নিয়ে গেলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

তিনি আরও জানান, দুজন শিক্ষার্থী মিলে স্টাফ কোয়ার্টারের নিচতলায় একটি বাসায় সাবলেট ভাড়া থাকতেন। সকালে তার রুমমেট ঘুম থেকে উঠে বাথরুমের দরজা ভেতর থেকে লাগানো দেখতে পায়। তবে ভেতরে কলের পানি পড়ছিল। এরপর ওই রুমমেট ৯৯৯-এর মাধ্যমে আমাদের খবর দিলে পরে ওই বাসা থেকে তাকে উদ্ধার করা হয়। অসুস্থতাজনিত কারণে সে বাথরুমের ভেতরে পড়ে মারা যেতে পারে বলে আমরা প্রাথমিকভাবে ধারণা করছি। সে গতকাল বৃষ্টিতে ভিজেছিল, এ ছাড়া তার ঠান্ডার সমস্যা ছিল বলে জানতে পেরেছি।

এদিকে মৃতের সহপাঠী শাফায়েত আহমেদ জানান, ইসরাত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী। থাকতেন বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা হলের ৪২২ নম্বর কক্ষে। তবে হল বন্ধ থাকায় সে আজিমপুর সরকারি স্টাফ কোয়ার্টারে সাবলেট থাকতেন। আর তার বাড়ি নেত্রকোনা আটপাড়া উপজেলার। তার বাবার নাম আলতু মিয়া।


নিউজ ট্যাগ: রাজধানী আজিমপুর

আরও খবর



ঢাকাসহ সারাদেশে বজ্রবৃষ্টির পূর্বাভাস

প্রকাশিত:বুধবার ০৯ জুন ২০২১ | হালনাগাদ:বুধবার ০৯ জুন ২০২১ | ৮৩জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

চলতি সপ্তাহে উত্তর বঙ্গোপসাগরে লঘুচাপ থেকে নিম্নচাপে পরিণত হলেও এখন পর্যন্ত ঘূর্ণিঝড়ের আশঙ্কা নেই বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।

বুধবার (৯ জুন) আবহাওয়ার পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমি বায়ু ঢাকা, চট্টগ্রাম, সিলেট, বরিশাল ও ময়মনসিংহ পর্যন্ত অগ্রসর হয়েছে। এ ছাড়া দেশের অবশিষ্টাংশেও মৌসুমি বায়ু আসার অনুকূল পরিস্থিতি রয়েছে।

মঙ্গলবার (৮ জুন) সকাল ৬টা পর্যন্ত সর্বশেষ ২৪ ঘণ্টায় দেশে সবচেয়ে বেশি বৃষ্টিপাত হয়েছে চুয়াডাঙ্গায় ৫৪ মিলিমিটার।

এদিকে, ঢাকা, ময়মনসিংহ, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের বেশির ভাগ জায়গায় এবং রংপুর, রাজশাহী ও খুলনা বিভাগের অনেক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। সেই সঙ্গে কোথাও কোথাও মাঝারি থেকে ভারি বৃষ্টিপাত হতে পারে বলে সতর্ক করেছে আবহাওয়া অফিস।


আরও খবর



সারাদেশে দমকা হাওয়াসহ বৃষ্টি

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ২৭ মে ২০২১ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ২৭ মে ২০২১ | ১৫৮জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

ঘূর্ণিঝড় ইয়াস ভারতের উপকূল অতিক্রম শেষে গভীর নিম্নচাপে পরিণত হয়েছে। এর প্রভাবে আগামী ২৪ ঘণ্টা বঙ্গোপসাগর ও বাংলাদেশের উপকূলীয় এলাকায় দমকা হাওয়া বইবে। কোথাও কোথাও ভারী বৃষ্টি হবে। জোয়ারের পানি ২ থেকে ৪ ফুট বেশি হওয়ার আশঙ্কা করা হচ্ছে।

আবহাওয়াবিদ আব্দুর রহমান বলেন, আজ এবং আগামীকাল এই আবহাওয়াই বিরাজ করবে। প্রায় সারাদেশেই কম বেশি ঝড় বৃষ্টি হতে পারে। বিশেষ করে নিম্নচাপটি এখন উত্তর-পশ্চিম দিকে সরছে, ফলে দেশের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলে বৃষ্টির পরিমাণ বেশি হতে পারে।

আবহাওয়ার পূর্বাভাসে বলা হয়, খুলনা, ময়মনসিংহ, বরিশাল, রাজশাহী ও রংপুর বিভাগের অনেক জায়গায় এবং ঢাকা, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। সেইসঙ্গে দেশের পশ্চিমাঞ্চলে মাঝারি ধরনের ভারী থেকে ভারী বৃষ্টি হতে পারে।

গত ২৪ ঘণ্টায় সর্বোচ্চ বৃষ্টি হয়েছে মোংলায় ৪৫ মিলিমিটার। এছাড়া চট্টগ্রামে ৬, সিলেটে ১৫, রাজশাহীতে ৫, খুলনায় ৩৮ এবং বরিশালে ১০ মিলিমিটার বৃষ্টি হয়েছে। এছাড়া ঢাকা ও রংপুরে সামান্য বৃষ্টি রেকর্ড করা হয়েছে।

ইয়াস এখন উত্তর উড়িষ্যা ও ঝাড়খণ্ড এলাকায় অবস্থান করেছে। এটি আরও উত্তর-পশ্চিম দিকে অগ্রসর হয়ে দুর্বল হয়ে যেতে পারে।

আবহাওয়া অধিদফতরের সতর্ক বার্তায় বলা হয়, ইয়াসের প্রভাবে উপকূলীয় এলাকায় বায়ুচাপের আধিক্য বিরাজ করছে। এ জন্য খুলনা, সাতক্ষীরা, বাগেরহাট, ঝালকাঠি, পিরোজপুর, বরগুনা, পটুয়াখালী, বরিশাল, ভোলা, নোয়াখালী, লক্ষ্মীপুর, ফেনী, চাঁদপুর ও চট্টগ্রাম জেলার এবং তার আশপাশের দ্বীপ ও চরগুলোতে দমকা হাওয়াসহ বৃষ্টি হতে পারে। কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারি থেকে অতিভারী বৃষ্টি হতে পারে।

একইসঙ্গে এসব এলাকার ওপর দিয়ে ৫০ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে দমকা বা ঝড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে। এসব এলাকার নিম্নাঞ্চল স্বাভাবিক জোয়ারের চেয়ে ২ থেকে ৪ ফুটে বেশি উচ্চতার জোয়ারে প্লাবিত হতে পারে।


আরও খবর