আজঃ বৃহস্পতিবার ১৩ জুন ২০২৪
শিরোনাম

দোহারে স্থানীয় সরকার দিবস উপলক্ষে বর্ণাঢ্য র‍্যালি

প্রকাশিত:সোমবার ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৩ | হালনাগাদ:সোমবার ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৩ | অনলাইন সংস্করণ
নাজনীন শিকদার (দোহার-নবাবগঞ্জ)

Image

ঢাকার দোহার উপজেলায় স্থানীয় সরকার দিবস উন্নয়ন মেলা উপলক্ষে বর্ণাঢ্য র‌্যালি ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

সোমবার (১৮ সেপ্টম্বর) দোহার উপজেলা পরিষদ ও উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে উপজেলা প্রাঙ্গণ থেকে একটি র‌্যালি বের করা হয়। র‌্যালিটি উপজেলার প্রধান সড়কগুলো প্রদক্ষিণ করে পুনরায় উপজেলা পরিষদে এসে শেষ হয়। তিনদিন ব্যাপী এ মেলা ১৭ সেপ্টেম্বর থেকে শুরু হয়ে ১৯ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত চলবে।

উপস্থিত ছিলেন দোহার উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মো. আলমগীর হোসেন, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোবাশের আলম, উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. মো. শামীম হোসেন, বীর মুক্তিযোদ্ধা করম আলীসহ উপজেলার বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তাগণ।

পরে উন্নয়ন মেলার বিভিন্ন স্টলগুলো পরিদর্শন করেন আগত অতিথিবৃন্দ।


আরও খবর



দেশের ৯টি কৃষিগুচ্ছ ভর্তি পরীক্ষার আবেদনের সময় বাড়লো ৫ জুন পর্যন্ত

প্রকাশিত:বুধবার ২৯ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ২৯ মে ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
চট্টগ্রাম প্রতিনিধি

Image

দেশের ৯টি কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের গুচ্ছ পদ্ধতিতে ২০২৩-২৪ শিক্ষাবর্ষে ১ম বর্ষ স্নাতক (সম্মান) শ্রেণিতে ভর্তিতে আবেদনের সময়সীমা আগামী ৫ জুন পর্যন্ত বর্ধিত করা হয়েছে। যা বৃহস্পতিবার পর্যন্ত আবেদনের শেষ সময় ছিল।

বুধবার এ বিষয়ে কৃষিগুচ্ছের কেন্দ্রীয় ভর্তি কমিটির এক বিজ্ঞপ্তিতে মাধ্যমে জানানো হয়।

সম্প্রতি ঘূর্ণিঝড় রেমাল কারণে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে বিদ্যুৎ ও ইন্টারনেট সেবা মারাত্মকভাবে বিঘ্নিত হওয়ায় বুধবার দুপুরে অনুষ্ঠিত কেন্দ্রীয় ভর্তি কমিটি এবং টেকনিক্যাল কমিটির এক জরুরি জুম সভায় এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।

সভায় সভাপতিত্ব করেন চট্টগ্রাম ভেটেরিনারি ও এনিম্যাল সাইন্সেস বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য (ভারপ্রাপ্ত) এবং কেন্দ্রীয় ভর্তি কমিটির সভাপতি প্রফেসর ড. মো: কামাল।

৯টি কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের গুচ্ছপদ্ধতিতে মোট আসন ৩ হাজার ৭১৮টি। বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে ১১১৬টি, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে ৪৩৫টি, শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় ৬৯৮টি, পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় ৪৪৮টি, চট্টগ্রাম ভেটেনারি ও অ্যানিম্যাল সায়েন্সেস ইউনিভার্সিটি ২৭০টি, সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় ৪৩১টি, খুলনা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় ১৫০টি, হবিগঞ্জ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় ৯০টি ও কুড়িগ্রাম কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে ৮০টি আসন রয়েছে।


আরও খবর



চেয়ারম্যান প্রার্থীর টাকা না নেওয়ায় পোলিং অফিসারকে মারধর

প্রকাশিত:সোমবার ২০ মে ২০24 | হালনাগাদ:সোমবার ২০ মে ২০24 | অনলাইন সংস্করণ
শাওন মিয়া (জাজিরা) শরীয়তপুর

Image

৬ষ্ঠ উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থীর টাকা নিতে অস্বীকৃতি প্রকাশ করায় এক পোলিং অফিসারকে মারধর করার অভিযোগ উঠেছে শরীয়তপুরের জাজিরা উপজেলা পরিষদ নির্বাচনের মোটরসাইকেল প্রতীকের চেয়ারম্যান প্রার্থী মোহাম্মদ ইদ্রিস ফরাজির সমর্থকদের বিরুদ্ধে।

রোববার (১৯ মে) রাতে শরীয়তপুরের জাজিরা উপজেলার বিকে নগর বাজারে এ ঘটনা ঘটে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, আগামীকাল ২১ মে ৬ষ্ঠ উপজেলা পরিষদ নির্বাচনের দ্বিতীয় ধাপে অনুষ্ঠিত হবে জাজিরা উপজেলা পরিষদ নির্বাচন। নির্বাচনে ২৫ নং বিকে নগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক মীর আবু সাইদ পোলিং অফিসার হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন। পোলিং অফিসার হিসেবে নির্বাচনী প্রশিক্ষণ নিয়ে রোববার রাতে মীর আবু সাইদ বাড়ির পার্শ্ববর্তী বিকে নগর বাজারে গিয়েছিলেন। রাত আনুমানিক ১০ টার দিকে। পরে অজ্ঞাত এক যুবককে দিয়ে মীর আবু সাইদকে বাজারের এক পাশে ডেকে নিয়ে যায় বিকে নগর ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান সাইদুর রহমান সরদার, আব্দুল আলী সরদার ও মজিবুর বানিয়া। এ সময় সাইদুর রহমান সরদারসহ অন্যান্যরা মীর ইমরান আলীকে নির্বাচনের দিন মোটরসাইকেল প্রতীকের চেয়ারম্যান প্রার্থী মোহাম্মদ ইদ্রিস ফরাজির পক্ষে কাজ করার জন্য অনুরোধ করেন। বিনিময়ে তাকে মোটা অঙ্কের টাকাসহ অন্যান্য সুযোগ সুবিধা প্রদান করা হবে বলে জানানো হয়। সরকারি কাজে নিয়োজিত একজন ব্যক্তি হিসেবে মীর আবু সাইদ এমন প্রস্তাবে রাজি হননি। এরপর সাইদুর রহমান সরদার, আব্দুল আলী সরদারসহ অন্যান্যরা মীর আবু সাইদকে মারধর করেন। খবর পেয়ে মীর আবু সাইদের স্বজন ও স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠিয়েছে। হাসপাতাল থেকে প্রাথমিক চিকিৎসার পরে বর্তমানে তিনি নিজ বাড়িতে অবস্থান করছেন মীর আবু সাইদ। এ ঘটনায় জাজিরা উপজেলার শিক্ষকসহ অন্যান্যদের মধ্যে ক্ষোভ বিরাজ করছে।

পোলিং অফিসার ও শিক্ষক মীর আবু সাইদ বলেন, আসছে ২১ তারিখের উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে পোলিং অফিসার হিসেবে দায়িত্ব আমাকে দেওয়া হয়েছে। প্রশিক্ষণ শেষে আমি বাড়িতে অবস্থান করছিলাম। এসময় ব্যক্তিগত কাজে বাজারে গেলে একজন লোক আমাকে ডেকে নিয়ে যায় সাবেক চেয়ারম্যান সাইদুর রহমানসহ অন্যান্যদের কাছে। তারা আমাকে টাকার বিনিময়ে মোটরসাইকেল প্রতীকের পক্ষে কাজ করার জন্য প্রস্তাব দিলে আমি অস্বীকৃতি জানাই। এরপর তারা আমাকে মারধর করেছে। বিষয়টি নিয়ে আমি চিন্তিত হয়ে পড়েছি। বিষয়টি নিয়ে আমি আমার সিনিয়র শিক্ষকদের সঙ্গে আলোচনা করে রিটার্নিং কর্মকর্তাসহ সংশ্লিষ্টদের নিকট অভিযোগ দেব।

অভিযুক্ত মোটরসাইকেল প্রতীকের সমর্থক ও বিকে নগর ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান সাইদুর রহমান সরদার বলেন, আপনি কোথা থেকে বিষয়টি জেনেছেন, তা আমি জানিনা। মীর আবু সাইদ এমন কোনো বংশের ছেলে নয় যে, তাকে ম্যানেজ করতে পারলে একশ ভোট পাওয়া যাবে। তার সঙ্গে আমাদের কারও এমন কোনো ঘটনা ঘটেনি৷ বিষয়টি সম্পূর্ণ মিথ্যা ও ভিত্তিহীন।

বিষয়টি নিয়ে জানার জন্য মোটরসাইকেল প্রতীকের চেয়ারম্যান প্রার্থী মোহাম্মদ ইদ্রিস ফরাজির সাথে তার মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগ করার চেষ্টা করলে তিনি ফোন ধরেননি।

জাজিরা উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষক সমাজের মহিলা বিষয়ক সম্পাদক আফরোজা আক্তার সুমি বলেন, আমরা সরকারি চাকুরি করি। সরকারের দেওয়া দায়িত্ব পালন করাই আমাদের কাজ। নির্বাচন একটি রাজনৈতিক ইস্যু। কারও পক্ষ নিয়ে কাউকে রাজনৈতিক ভাবে সুযোগ সুবিধা প্রদান করা সম্পূর্ণ অনৈতিক ও আইনগত ভাবে অন্যায়। আমাদের শিক্ষক মীর আবু সাইদ এমন একটি প্রস্তাবে সম্মতি না দেওয়ায় তাকে মারধর করা হয়েছে। যা সম্পূর্ণ ভাবে অন্যায়। বিষয়টি নিয়ে আমরা উর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের কাছে অভিযোগ দায়ের করব।

বিষয়টি নিয়ে জাজিরা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা সাদিয়া ইসলাম লুনা বলেন, বিষয়টি নিয়ে এখনো কেউ অভিযোগ দেয়নি। যদি লিখিত অভিযোগ পাই, তাহলে আইনগতভাবে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।


আরও খবর



এনবিআর চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে আদালত অবমাননার রুল জারি

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ১১ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ১১ জুন ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
আদালত প্রতিবেদক

Image

গুগল, ফেসবুকসহ অনলাইন টেক জায়ান্ট কোম্পানিগুলোর কাছ থেকে কর আদায়ের বিষয়ে প্রতিবেদন দাখিল না করায় জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের চেয়ারম্যান আবু হেনা মো. রহমাতুল মুনিমের বিরুদ্ধে রুল জারি করেছেন আদালত। মঙ্গলবার (১১ জুন) এ রুল জারি করা হয়।

বুধবার (৫ জুন) হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখায় জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) চেয়ারম্যান আবু হেনা মো. রহমাতুল মুনিমের বিরুদ্ধে আদালত অবমাননার অভিযোগে মামলা দায়ের করা হয়।

গত ১৯ মে সংশ্লিষ্ট বিষয়ে জবাব চেয়ে এনবিআর চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে আইনি নোটিশ পাঠানো হয়। এতে ১০ দিনের সময় দিয়ে বলা হয়, নোটিশের ব্যাত্যয় হলে আদালত অবমাননার অভিযোগ এনে হাইকোর্টে মামলা করা হবে। ল অ্যান্ড লাইফ ফাউন্ডেশন ট্রাস্টের পক্ষে ওই নোটিশ পাঠান সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ব্যারিস্টার মোহাম্মদ হুমায়ুন কবির (পল্লব) ও ব্যারিস্টার মো. কাউছার।

গুগল, ফেসবুক, অ্যামাজনসহ অন্যান্য ইন্টারনেটভিত্তিক সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের কাছ থেকে বাংলাদেশের আইন অনুযায়ী ট্যাক্স ও ভ্যাট আদায়ের নির্দেশ প্রতিপালন করে উচ্চ আদালতে অগ্রগতি প্রতিবেদন দাখিল না করায় এনবিআর চেয়ারম্যানকে লিগ্যাল নোটিশ পাঠানো হয়েছিল।

এনবিআরের চেয়ারম্যানের উদ্দেশে বলা হয়, আপনি সর্বোচ্চ আদালতের আদেশ পেয়েছেন এবং আদালতের আদেশ সম্পর্কে ভালোভাবে অবগত। আদালতের আদেশ মেনে চলতে আপনি বাধ্য। কিন্তু এখনো দেশের সর্বোচ্চ আদালতের নির্দেশ আমলে নেননি। আদালতের আদেশ গুরুতরভাবে লঙ্ঘন করেছেন। দেশের সর্বোচ্চ আদালতকে ইচ্ছাকৃতভাবে অবহেলা এবং অবমাননার জন্য আপনাকে বিচারের সম্মুখীন হতে হবে। কিন্তু নোটিশের পরও কার্যকর কোনো ব্যবস্থা না নেওয়ায় তার বিরুদ্ধে হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখায় আদালত অবমাননার মামলা দায়ের করা হয়।

এ বিষয়ে ব্যারিস্টার মোহাম্মদ হুমায়ন কবির (পল্লব) জানান, ২০২০ সালের ৮ নভেম্বর হাইকোর্ট তার প্রদত্ত রায়ে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডকে প্রতি ছয় মাস অন্তর অন্তর গুগল, ফেসবুক, ইউটিউব, ইয়াহু, অ্যামাজনসহ অন্যান্য ইন্টারনেটভিত্তিক সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিজ্ঞাপন, ডোমেইন বিক্রি, লাইসেন্স ফিসহ সব ধরনের লেনদেন থেকে মূসক, টার্নওভার কর ও সম্পূরক শুল্ক, ধারা ১৫ এর অধীন আরোপিত মূল্য সংযোজন কর এবং আয়কর প্রদানসহ সব ধরনের বকেয়া রাজস্ব আদায়ের বিবরণী হলফনামা আকারে হাইকোর্টে দাখিল করার জন্য নির্দেশ দেন। কিন্তু জাতীয় রাজস্ব বোর্ড হাইকোর্টের আদেশ প্রতিপালন করেনি যা আদালত অবমাননার শামিল। ফলে রায় প্রতিপালন না করায় এনবিআরের চেয়ারম্যান আবু হেনা মোস্তফা মো. রহমাত্লু মুনিমকে ই-মেইলে আদালত অবমাননার অভিযোগে লিগ্যাল নোটিশ পাঠানো হয়।


আরও খবর



কলকাতায় উদ্ধার খণ্ডিত মাংস এমপি আনারের, ধারণা হারুনের

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ৩০ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ৩০ মে ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

কলকাতায় সেপটিক ট্যাংক থেকে উদ্ধার হওয়া মাংসের টুকরোগুলো এমপি আনোয়ারুল আজিম আনারের বলে মনে করছেন ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশের প্রধান অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার মোহাম্মদ হারুন অর রশীদ।

তিনি বলেন, আলামত উদ্ধার, পারিপার্শ্বিক ডিজিটাল তথ্য-উপাত্ত সংগ্রহ করায় আনার হত্যার তদন্ত অনেকটাই এগিয়েছে। ফরেনসিক রিপোর্ট পেলেই তা নিশ্চিত হওয়া যাবে।

বৃহস্পতিবার (৩০ মে) বিকেলে ঝিনাইদহ-৪ আসনের সংসদ সদস্য আনোয়ারুল আজিম আনার হত্যাকাণ্ড নিয়ে তদন্ত শেষে কলকাতা থেকে বাংলাদেশে নেমে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন।

হারুন অর রশীদ বলেন, আনোয়ারুল আজিম আনারকে গত ১৩ মে কলকাতার মাটিতে হত্যা করা হয়েছে। এ ঘটনায় বাংলাদেশে একটি মামলা রুজু হয়েছে। একই ঘটনায় কলকাতায়ও একটি হত্যা মামলা রুজু হয়েছে। ইতোমধ্যে আমাদের কাছে তিনজন ঘাতক গ্রেপ্তার রয়েছেন। এর মধ্যে মূল ঘাতক আমানুল্লাহ ওরফে শিমুল ভূঁইয়া। হত্যার পরিকল্পনা হয়েছে বাংলাদেশের মাটিতে আর হত্যাটি সংগঠিত হয়েছে কলকাতায়। মামলাটির তদন্তের জন্য আমরা কলকাতায় গিয়েছিলাম। আমাদের কাছে গ্রেপ্তার হওয়া আসামিদের দেওয়া তথ্য যাচাই-বাছাই করার জন্য ও ঘটনাস্থলে ডিজিটাল এভিডেন্সগুলো দেখতে আমরা সেখানে গিয়েছিলাম।

তিনি বলেন, মামলায় ভিকটিমের মরদেহ বা মরদেহের অংশবিশেষ না পাওয়া গেলে তদন্তকারী কর্মকর্তার সুরতহাল, ভিসেরা ও মেডিকেল রিপোর্ট দিতে বেগ পেতে হয়। এগুলো না পাওয়া গেলে মামলাটি নিষ্পত্তি করাও অনেক কঠিন হয়ে যায়। আমরা সেখানে গিয়ে আমাদের হাতে গ্রেপ্তার আসামিদের তথ্য ক্রস এক্সামিনেশন করেছি। এ ছাড়া কলকাতায় গ্রেপ্তার আসামির তথ্য যাচাই-বাছাই করেছি। কলকাতার সিআইডিকে সঙ্গে নিয়ে আমরা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি এবং আসামিদের কাছ থেকে পাওয়া তথ্য মিলিয়ে দেখার চেষ্টা করেছি।

তিনি আরও বলেন, আমরা কলকাতা পুলিশকে অনুরোধ করেছিলাম সুয়ারেজ লাইন ও সেপটিক ট্যাংক দেখার জন্য। আমরা মনে করি, সেখান থেকে কিন্তু ভিকটিমের মরদেহের খণ্ডাংশ উদ্ধার করা হয়েছে। ভারতীয় পুলিশ ফরেনসিক ও ডিএনএ পরীক্ষা করে এ বিষয়ে জানাবে। আমরা প্রাথমিকভাবে মনে করি, স্বাভাবিকভাবে ফ্লাশের মাধ্যমে মাংসগুলো সেখানে যায়নি। তাই আমরা মনে করছি, মরদেহের খণ্ডাংশগুলো এমপি আনারের।

হারুন বলেন, মূল পরিকল্পনাকারী আখতারুজ্জামান শাহীন যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থান করছেন। আরেকজন অভিযুক্ত নেপালে। ইন্টারপোলের মাধ্যমে তাদের ফিরিয়ে আনা হবে। আমরা কাঠমুন্ডুর সঙ্গে যোগাযোগ করছি। শাহীনকে ফেরাতে ইন্টারপোলের সহায়তা নিতে ভারতকে অনুরোধ করেছি।

গত ১২ মে চিকিৎসার জন্য ঝিনাইদহের কালীগঞ্জ থেকে চুয়াডাঙ্গার দর্শনার গেদে সীমান্ত দিয়ে ভারতে যান সংসদ সদস্য আনার। ওঠেন পশ্চিমবঙ্গে বরাহনগর থানার মণ্ডলপাড়া লেনে গোপাল বিশ্বাস নামে এক বন্ধুর বাড়িতে। পরদিন ডাক্তার দেখানোর কথা বলে বাড়ি থেকে বের হন। এরপর থেকেই রহস্যজনকভাবে নিখোঁজ আনোয়ারুল আজিম।


আরও খবর



মোংলায় তরুণীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ, গ্রেফতার ৫

প্রকাশিত:বুধবার ০৫ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ০৫ জুন ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
বাগেরহাট প্রতিনিধি

Image

বাগেরহাটের মোংলায় এক তরুণীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের ঘটনায় অভিযুক্ত পাঁচ জনকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। বুধবার (৫ জুন) দুপুরে তাদেরকে বাগেরহাট জেলা কারাগারে পাঠায় পুলিশ।

এর আগে বুধবার সকালে মোংলা থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা করেন ভুক্তভোগীর বোন। ভুক্তভোগী ও তার বোন মোংলা পৌর শহরের একটি বাড়িতে ভাড়া থাকতেন। মোংলা থানার ওসি কে এম আজিজুল ইসলাম এই তথ্য নিশ্চিত করেন।

কারাগারে পাঠানো আসামিরা হলো- মোংলা উপজেলার সুন্দরবন ইউনিয়নের বাঁশতলা গ্রামের মনিরুল ফকিরের ছেলে রুমান ফকির (২৫), ওলি শেখের ছেলে রানা শেখ (২৪), তায়জিদ খানের ছেলে সুমন (২৯), বাশার মোসাল্লির ছেলে মিজানুর মোসাল্লি (৩৬) ও চিলা ইউনিয়নের হলদিবুনিয়া পঙ্গুর মোড় এলাকার মৃত চানমিয়া শেখের ছেলে রাসেল শেখ (২২)।

এই মামলায় মোট সাত জনকে আসামি করা হয়েছে। বাকি দুই আসামি পলাতক রয়েছে। তারা হলো- মৃত আব্দুর রশিদের ছেলে জামাল (৪৫), লুৎফরের ছেলে আওয়াল (৩৫)।

মোংলা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা কে এম আজিজুল ইসলাম জানান, চিংড়ি ঘেরে নিয়ে জোরপূর্বক ধর্ষণের অভিযোগে ৭ জনকে আসামী করে একটি অভিযোগ পেয়েছি। এর মধ্যে ৫ জনকে আটক করা হয়েছে। মামলা দায়ের ও সকল আইনানুক প্রক্রিয়া শেষে আসামীদের আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।


আরও খবর