আজঃ মঙ্গলবার ২৩ জুলাই ২০২৪
শিরোনাম

দৌলতখানে জেলেকে পিটিয়ে হত্যা, নারী আটক

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ২৫ মে ২০২৩ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ২৫ মে ২০২৩ | অনলাইন সংস্করণ
পরান আহসান, ভোলা

Image

তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে ভোলার দৌলতখান উপজেলার  রতন মাঝি (৫০) নামে এক জেলেকে পিটিয়ে হত্যা করেছে প্রতিপক্ষরা। বুধবার (২৪ মে) রাতে ১০টার দিকে উপজেলার চরপাতা ইউনিয়নের ৯নং ওয়ার্ডের বেড়িবাঁধ এলাকায় এ ঘটনা ঘটে বলে জানায় স্থানীয়রা।

আরও পড়ুন: ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ছুরিকাঘাতে ছাত্রলীগের যুগ্ম সম্পাদকের মৃত্যু

পুলিশ সুত্র জানায়, বিকেলের দিকে চরপাতা ইউনিয়নের বেড়িবাঁধ এলাকায় দুই পরিবারের বাচ্চারা খেলাধুলা করছে। সেখানে তাদের মধ্যে কথা কাটাকাটির এক পর্যায়ে শুরু হয় হাতাহাতি। সেই ঘটনাকে কেন্দ্র করেই দুই পরিবারের মধ্যে সংঘর্ষ বাধে। এরপর বিষয়টি স্থানীয়রা কিছুটা নিষ্পত্তি করে দিলেও রাতে বেড়িবাধের সেই হাতাহাতির ঘটনায় জড়িত এক শিশুর বাবা রতনকে প্রতিপক্ষ নারী পুরুষ একত্রিত হয়ে তুলে নিয়ে যা একটি অন্ধকার ঘরে। সেখানে তাকে আটকে রেখে চালানো হয় অমানবিক নির্যাতন। নির্যাতনের একপর্যায়ে সেখানেই তার মৃত্যু হয়।

খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে ছুটে আসেন দৌলতখান থানা পুলিশ। সেখান থেকে তারা নিহতের মরদেহ উদ্ধারের পাশাপাশি ঘটনার সাথে সম্পৃক্ত প্রতিপক্ষ এক নারীকেও আটক করে। এদিকে আজ (২৫ মে) বৃহস্পতিবার ইউনিয়নটিতে চেয়ারম্যান পদে শুরু হলো উপনির্বাচনের ভোট গ্রহণ। এর আগে জেলেকে পিটিয়ে হত্যা করার বিষয়টিকে নির্বাচনের ইস্যু হিসেবে দাঁড়া করানোর জন্য একটি মহল উঠে পড়ে লেগেছে।

আরও পড়ুন: শেরপুর চায়না জালের বিরুদ্ধে অভিযান

তবে এই ঘটনার সাথে চরপাতা ইউনিয়নের নির্বাচন কিংবা রাজনৈতিক কোন সম্পৃক্ততা নেই এমনটি নিশ্চিত করে বলে দৌলতখান থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোঃ জাকির হোসেন বলেন, খবর পাওয়ার সাথেই ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়। সেখান থেকে নিহতের মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠিয়ে দেওয়া হয় ভোলা সদর হাসপাতালের মর্গে। এমনকি এ ঘটনার মূল হোতা অর্থাৎ প্রধান আসামি হিসেবে এক নারীকেও আটক করা হয় বলে জানান তিনি।


আরও খবর



স্মৃতির হাহাকার নিয়ে মানিকের মায়াটান

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ১৬ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ১৬ জুলাই ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
বিনোদন ডেস্ক

Image

মুক্তি পেলো জীবনমুখী গানের কণ্ঠশিল্পী, লেখক ও সাংবাদিক আমিরুল মোমেনীন মানিকের নতুন গান মায়াটান। ইউটিউব চ্যানেল মানিক মিউজিক-এ প্রকাশিত হয়েছে এটি। শৈশবের স্মৃতি জাগানিয়া হাহাকার নিয়ে নির্মিত গানটির কথা ও সুর সাজিয়েছেন শিল্পী নিজেই। সঙ্গীতায়োজনে ছিলেন অণু মোস্তাফিজ। ভিডিও নির্মাণ করেছেন আলম মোরশেদ।

গানটি প্রসঙ্গে মানিক বলেন, প্রত্যেকের জীবনকেই নানাভাবে অনুপ্রেরণা দেয় ফেলে আসা শৈশব। আবার কখনো নষ্টালজিয়ায় আক্রান্ত করে। জীবনের সোনালী দিনগুলোর মধুর স্মৃতিকে উসকে দিতেই মায়াটান গানটি অদ্ভুত ভালো লাগা তৈরি করবে সবার মধ্যে। এই গানে শুধু শৈশব নয়, ব্রিটিশ বিরোধী বিপ্লবী তিতুমীরের ঐতিহাসিক ঘটনার যোগসূত্রও তৈরি করা হয়েছে ভিডিওর কাহিনীচিত্রের মাধ্যমে। জানা গেছে, পরবর্তিতে মায়াটান শিরোনামের গানটি যুক্ত হবে আপকামিং বিপ্লবী তিতুমীর চলচ্চিত্রে।

গানটি প্রসঙ্গে ভিডিও নির্মাতা মোরশেদ আলম বলেন, হৃদয়কে মুগ্ধতায় ভরিয়ে দেওয়ার মতো কথা ও সুরের গান মায়াটান। আকাশ, প্রকৃতি এবং সোঁদা মাটির ঘ্রাণ আছে গানের ভিডিওতে। দর্শক ফিরে যাবে ফেলে আসা মায়ামাখা শৈশবে। মানিক ভাই যেমন অসাধারণ গেয়েছেন, তেমনি অণু মোস্তাফিজ ভাইও হাড়ি, পাতার বাঁশি, বৈঠার শব্দ দিয়ে দারুণ সঙ্গীতায়োজন করেছেন।

২০১৪ সালে  কিংবদন্তি কণ্ঠশিল্পী নচিকেতা চক্রবর্তীর সঙ্গে আমিরুল মোমেনীন মানিকের আয় ভোর শিরোনামের গান প্রকাশিত হলে দুই বাংলায় ব্যাপক সাড়া পড়ে। এরপর, নচিকেতার সঙ্গে নীল পরকীয়া এবং সকাল হবে কি শিরোনামের আরও দুটি গান করেন মানিক। এর বাইরে মা যে দশ মাস দশ দিন, শিরায় শিরায় রক্তকণায়সহ আরও বেশ কিছু জনপ্রিয় গান উপহার দিয়েছেন মানিক। গানের পাশাপাশি আমিরুল মোমেনীন মানিক সাহিত্য ও সাংবাদিকতা নিয়ে কাজ করেন। ইতোমধ্যে বেরিয়েছে ২১টি গ্রন্থ। তাঁর বেস্ট সেলার বইয়ের নাম বিশ্ববিদ্যালয়ের কতিপয় স্টুপিড শিক্ষক। সাংবাদিকতায় মানিক পেয়েছেন ইউনেস্কো ক্লাব জার্নালিজম এ্যাওয়ার্ড। ইউটিউব জার্নালিজমের প্রথম ধারণা উপস্থাপন করে তিনি প্রতিষ্ঠা করেছেন চেঞ্জটিভি. প্রেস। বর্তমানে আমিরুল মোমেনীন মানিক হামদর্দ বাংলাদেশের পরিচালক তথ্য ও গণসংযোগ হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।


আরও খবর



নারীর জীবনমাত্রার মান হ্রাস পায় এন্ডোমেট্রিওসিস রোগে

প্রকাশিত:সোমবার ২৪ জুন 20২৪ | হালনাগাদ:সোমবার ২৪ জুন 20২৪ | অনলাইন সংস্করণ
স্বাস্থ্য ডেস্ক

Image

এন্ডোমেট্রিওসিসের কারণে সামাজিক, জনস্বাস্থ্য ও অর্থনৈতিক অবস্থাও প্রভাবিত হয়। এ রোগের কারণে একজন নারীর গুরুতর ব্যথা, ক্লান্তি, বিষণ্নতা, উদ্বেগ ও বন্ধ্যাত্বের কারণে জীবনযাত্রার মান হ্রাস হতে পারে। এন্ডোমেট্রিওসিসে আক্রান্ত কিছু নারী প্রচণ্ড ব্যথা অনুভব করেন যার কারণে তাদের কাজ বাধাগ্রস্ত হয়। অনেক ক্ষেত্রে তারা স্কুলেও যেতে পারে না। এন্ডোমেট্রিওসিসের কারণে সহবাসের সময় অসহ্য ব্যথা অনুভূত হয়। যার কারণে আক্রান্ত ব্যক্তি ও তাদের সঙ্গীদের যৌন স্বাস্থ্যও প্রভাবিত হয়।

এখনো অনেক দেশের সাধারণ জনগণ এ রোগ সম্পর্কে অবগত নয়। সেসব দেশের সামনে সারিতে থাকা স্বাস্থ্যসেবা প্রদানকারীরাও এ রোগ সম্পর্কে জানে না। মাসিকের সময় প্রচণ্ড ব্যথা হলেও তা নিয়ে সতর্ক থাকে না তারা । যার কারণে অনেকের সঠিক সময়ে ডায়াগনস্টিকের অভাবে এ রোগ ধরা পড়ে না।

প্রাথমিক অবস্থায় সচেতনতা তৈরি করলে অনেকেই এ ভয়াবহতা থেকে রক্ষা পেতে পারে। ডায়াগনস্টিক দেরিতে হওয়ার কারণে নন-স্টেরয়েডাল ব্যথানাশক (ব্যথানাশক), মৌখিক গর্ভনিরোধক এবং প্রজেস্টেরন-ভিত্তিক গর্ভনিরোধকসহ উপলব্ধ চিকিৎসা পদ্ধতিগুলো সম্পর্কে আক্রান্তরা অবগত থাকে না। অনেক দেশে স্বাস্থ্য ব্যবস্থার সীমিত ক্ষমতার কারণে, যাদের প্রয়োজন তাদের জন্য বিশেষ অস্ত্রোপচারের সুবিধাও থাকে না। এছাড়া বিশেষ করে নিম্ন ও মধ্যম আয়ের দেশগুলোয় এন্ডোমেট্রিওসিসের প্রাথমিক অবস্থা নির্ণয় ও কার্যকর চিকিৎসার জন্য প্রয়োজনীয় দক্ষতা ও সরঞ্জামগুলোর অভাব রয়েছে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও) এন্ডোমেট্রিওসিসের গুরুত্ব এবং মানুষের যৌন ও প্রজনন স্বাস্থ্য, জীবনের মান এবং সামগ্রিক সুস্থতার ওপর এর প্রভাব নিয়ে বিশেষভাবে কাজ করছে। ডব্লিউএইচওর মূল লক্ষ্য এন্ডোমেট্রিওসিসের কারণে সৃষ্ট সমস্যাগুলোর সমাধান করা।

বিশ্বব্যাপী, বিশেষ করে নিম্ন ও মধ্যম আয়ের দেশগুলোয়, এন্ডোমেট্রিওসিস মোকাবেলায় কার্যকর নীতি ও হস্তক্ষেপের পরিমাণ বাড়িয়ে তুলতে এবং সমর্থন করতে বেশকিছু কার্যক্রম হাতে নিয়েছে ডব্লিউএইচও। এ লক্ষ্য অর্জনে  ডব্লিউএইচওর একাধিক সংস্থার সঙ্গে অংশীদারত্ব করছে। যার মধ্যে রয়েছে একাডেমিক প্রতিষ্ঠান ও অন্যান্য সংস্থা। জড়িত প্রতিষ্ঠানগুলো সক্রিয়ভাবে এন্ডোমেট্রিওসিস প্রতিরোধ, রোগ নির্ণয়, চিকিৎসা ও যত্নের কার্যকর মডেল শনাক্ত করতে বিভিন্ন গবেষণায় জড়িত রয়েছে। ডব্লিউএইচও এন্ডোমেট্রিওসিসের জন্য সচেতনতা বৃদ্ধি, নীতি ও পরিষেবার ওপর গুরুত্ব আরোপ করেছে। এ বিষয়ে সুশীল সমাজ ও এন্ডোমেট্রিওসিস রোগীর সেবা কার্যক্রমের সঙ্গে জড়িত সংস্থাগুলোকে সহযোগিতা করে। ডব্লিউএইচও সিদ্ধান্ত গ্রহণের জন্য দেশ ও অঞ্চল-নির্দিষ্ট এন্ডোমেট্রিওসিস প্রাদুর্ভাব ডাটা সংগ্রহ এবং বিশ্লেষণের সুবিধার্থে এবং সমর্থন করার জন্য প্রাসঙ্গিক সংস্থাগুলোকে সহযোগিতা করছে।


আরও খবর
বাড়ছে ডেঙ্গু, শতাধিক নতুন রোগী শনাক্ত

বৃহস্পতিবার ১১ জুলাই ২০২৪




গাইবান্ধায় বন্যা পরিস্থিতির অবনতি, বানভাসি লক্ষাধিক মানুষ

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ১১ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ১১ জুলাই ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
গাইবান্ধা প্রতিনিধি

Image

গাইবান্ধায় ব্রহ্মপুত্রের পানি গত ২৪ ঘণ্টায় ৫ সেন্টিমিটার বেড়ে বিপৎসীমার ৪০ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হওয়ায় বন্যা পরিস্থিতির আরও অবনতি হয়েছে। নতুন করে পানি বৃদ্ধির কারণে ব্রহ্মপুত্র বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধের বাইরে তিস্তা ও ব্রহ্মপুত্র বেষ্টিত সুন্দরগঞ্জ, সদর, ফুলছড়ি ও সাঘাটা উপজেলার ১৬৫টি চরের লক্ষাধিক মানুষ ১০ দিন ধরে পানিবন্দি জীবন যাপন করছে।

বৃহস্পতিবার (১১ জুলাই) সকাল ৯টায় পাউবোর দেওয়া তথ্যমতে এ সময় বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে ৯২ মিলিমিটার।

এ ছাড়াও ঘাঘট ও তিস্তা নদীতেও পানি বাড়ছে। গাইবান্ধা জেলার ৪টি উপজেলায় ২৬টি ইউনিয়ন প্লাবিত হয়েছে। এরমধ্যে সদর উপজেলায় ৫টি, সুন্দরগঞ্জ উপজেলায় ৯টি, সাঘাটা উপজেলায় ৫টি ও ফুলছড়ি উপজেলায় ৭টি ইউনিয়ন রয়েছে।

কাঁদা-পানিতে বন্যার্তরা চরম দুর্ভোগে রয়েছেন। দুর্গত এলাকায় খাদ্য সংকটের পাশাপাশি মানুষের দেখা দিয়েছে চর্মরোগসহ পানিবাহিত নানান রোগ। ঘরে পানি থাকায় গবাদি পশু নিয়ে উঁচু ঢিবিতে মানুষ গাদাগাদি করে বসবাস করছে। গো-খাদ্যের অভাবে চরাঞ্চলের মানুষের প্রধান অর্থকরী সম্পদ গবাদিপশু নিয়ে বিপাকে পড়েছেন। বন্যায় ১৪০টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ রয়েছে।

জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, পানিবন্দি পরিবারের সংখ্যা ৩৬ হাজার ২০৭টি। এরমধ্যে গাইবান্ধা সদরে ১০ হাজার ৫৮৭টি, সুন্দরগঞ্জে ৫ হাজার ৫০০টি, সাঘাটায় ১২ হাজার ৬৩০টি ও ফুলছড়িতে ৭ হাজার ৪৯০টি। এছাড়া বন্যার্তদের জন্য ১৮১টি স্থায়ী অস্থায়ী আশ্রয় কেন্দ্র খোলা হয়েছে। দুর্গত এলাকায় ৩ হাজার ২৫০ প্যাকেট শুকনা খাবার, ৩৮৫ মেট্রিক টন জি আর চাল ও জিআর ক্যাশ ১৫ লাখ টাকা ৪ উপজেলায় উপবরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।

ত্রাণ বিতরণ ও উদ্ধার কার্যক্রমের জন্য নৌকা, স্পীড বোট প্রস্তুত রাখা হয়েছে। জেলা এবং উপজেলায় বন্যা নিয়ন্ত্রণ কক্ষ খোলা হয়েছে। ইউনিয়ন ভিত্তিক বন্যা আশ্রয়কেন্দ্র প্রস্তুত রয়েছে। প্রতিটি উপজেলায় মেডিকেল টিম, কৃষি টিম, স্বেচ্ছাসেবক টিম এবং লাইভস্টোক টিম গঠন করা হয়েছে। বন্যা পরিস্থিতি সংক্রান্ত প্রচার প্রচারণা চলমান রয়েছে। জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের মাধ্যমে পানির জেরিকেন এবং পানি বিশুদ্ধকরণ ট্যাবলেট সরবরাহ করা হচ্ছে।

জেলার সাঘাটা, ফুলছড়ি, সদর ও সুন্দরগঞ্জ উপজেলার ৪৫টি ইউনিয়নে ১৩ হাজার ৭৭১ পরিবারকে বন্যা পূর্বপ্রস্তুতি হিসেবে পরিবার প্রতি ৫ হাজার টাকা করে মোট ১০ কোটি টাকা মোবাইল ব্যাংকিং এর মাধ্যমে প্রদান করা হয়েছে। ১০টি ক্লাস্টারভিলেজ, ৩টি বন্যা আশ্রয় কেন্দ্র ও জিইউকের পরিচালিত ৬টি স্কুলে অন্ততপক্ষে ৫ শতাধিক বন্যার্ত মানুষ আশ্রয় নিয়েছে। উদ্ধার নৌকার মাধ্যমে বিভিন্ন আশ্রয় কেন্দ্রে শতাধিক পরিবারের ৩০০ নারী-পুরুষ, শিশু. পাবিবন্দি ও বৃদ্ধসহ তাদের সহায়সম্পদ নিরাপদে পৌঁছে দেওয়া হয়েছে। সদর উপজেলার কামারজানি উইনিয়নের কুনদেরপাড়া গণউন্নয়ন কেন্দ্র বন্যা আশ্রয় কেন্দ্র ও বিভিন্ন বাধে ২০ ল্যাট্রিন সেট ও ২টি নলকূপ স্থাপন করা হয়েছে। সেখানে টিনসেট স্থাপন করে শতাধিক পরিবারের অস্থায়ী বাসস্থান তৈরি করা হয়েছে। এছাড়া গবাদি পশুর জন্য পলিথিন সিট দেওয়া হয়েছে ১ হাজার ফুট।

আন্তর্জাতিক দাতা সংস্থা ইউএনএফপিই এর সহায়তা ২ হাজার ৪০০ নারীর মাঝে ১৬ ধরণের উপকরণ সামগ্রী মর্যাদা সুরক্ষা কিট ও প্রত্যেককে ৯০০ টাকা করে যাতায়াতভাতা প্রদান করা করেছে। এছাড়াও জেলায় ৯০৮ জনকে ৪ হাজার ৩০০ টাকা করে মোবাইল ব্যাংকিং এর মাধমে পাঠানো হয়েছে। এরমধ্যে ৫০ জন হিজড়াকে ৪ হাজার ৩০০ টাকা করে নগদ প্রদান করা হয়েছে।

গাইবান্ধার পাউবো নির্বাহী প্রকৌশলী হাফিজুল হক জানান, ব্রহ্মপুত্র নদের পানি বিপৎসীমার ওপরে রয়েছে। তবে সপ্তাহখানেকের মধ্যে বন্যার পানি পুরোপুরি নেমে যাবে।


আরও খবর



ব্ল্যাকমেইল করে ছাত্রীদের শারীরিক সম্পর্কে বাধ্য করতেন শিক্ষক অভিজিৎ

প্রকাশিত:বুধবার ১৭ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ১৭ জুলাই ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
চট্টগ্রাম প্রতিনিধি

Image

ছাত্রীদের শারীরিক সম্পর্কে বাধ্য করার ঘটনায় চট্টগ্রামের বোয়ালখালীতে কোচিং সেন্টারের শিক্ষক সবুজ চক্রবর্তী অভিজিৎকে (৩০) গ্রেফতার করেছে থানা পুলিশ।

মঙ্গলবার (১৬ জুলাই) এক ছাত্রীর অভিভাবক বাদী হয়ে বোয়ালখালী থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা দায়েরের পর পুলিশ তাকে গ্রেফতার করে। সবুজ চক্রবর্তী অভিজিৎ পটিয়া থানার কেলিশহর গ্রামের সরোজ মাস্টার বাড়ির গৌরি শংকর চক্রবর্তীর ছেলে।

সবুজ ২০২১ সালে কধুরখীল ইউনাইটেড মুসলিম উচ্চ বিদ্যালয়ে এমপিওভুক্ত কম্পিউটার ল্যাব অপারেটর হিসেবে যোগদান করেন। এরপর থেকে বিদ্যালয়ের পাশে ক্যানভাস টিচিং হোম নামে একটি কোচিং সেন্টার পরিচালনা করে আসছিলেন।

অভিযোগ রয়েছে, সবুজ কোচিং সেন্টারের ছাত্রীদের ব্ল্যাকমেইল ও প্রলোভন দেখিয়ে শারীরিক সম্পর্কে বাধ্য করতো। বেশ কিছুদিন ধরে এ কর্মকাণ্ড চালিয়ে আসলেও চার ছাত্রী অভিযোগ দিলে বিষয়টি জানাজানি হয়। গত ৯ জুলাই সবুজের কোচিং সেন্টারের চার ছাত্রী বিচার চেয়ে কধুরখীল ইউনাইটেড মুসলিম উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের কাছে লিখিত অভিযোগ দেয়।

ওইদিনই সবুজ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের কাছে ব্যক্তিগত ও পারিবারিক কারণ দেখিয়ে পদত্যাগপত্র জমা দেন। এ ঘটনা জানাজানি হওয়ার পর এলাকাবাসী বিদ্যালয়ের সামনে সবুজের বিচার চেয়ে একাধিকবার বিক্ষোভ করেছেন।

বোয়ালখালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আছহাব উদ্দিন বলেন, কম্পিউটার ল্যাব অপারেটর সবুজের বিরুদ্ধে এক শিক্ষার্থীর অভিভাবক বাদী হয়ে মামলা দায়ের করেছেন। অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেফতার করা হয়েছে। গত ২৫ মার্চ ও ৩ এপ্রিল এক ছাত্রীকে শারীরিক সম্পর্কে বাধ্য করার কথা উল্লেখ রয়েছে বলে জানান ওসি।

নিউজ ট্যাগ: চট্টগ্রাম

আরও খবর



বঙ্গবন্ধু ভ্রাম্যমাণ লাইব্রেরি পরিদর্শনে চুয়েট ভিসি

প্রকাশিত:বুধবার ২৬ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ২৬ জুন ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
রাহুল সরকার, চট্টগ্রাম ব্যুরো

Image

চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (চুয়েট)-এ আগত বঙ্গবন্ধু ভ্রাম্যমাণ লাইব্রেরি পরিদর্শন করেছেন চুয়েটের ভাইস-চ্যান্সেলর অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ রফিকুল আলম। এসময় পরিদর্শন বইয়ে মন্তব্য লিপিবদ্ধ করেন তিনি।

বুধবার চুয়েট টিএসসি সম্মুখে অবস্থানরত ভ্রাম্যমান লাইব্রেরি পরিদর্শনকালে তিনি বলেন, বঙ্গবন্ধু, মুক্তিযুদ্ধ ও বাংলাদেশ একই সূত্রে গাঁথা। স্বাধীন বাংলাদেশ রাষ্ট্রের মহান স্বপ্নদ্রষ্টা ও স্থপতি ছিলেন জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। তাঁর আদর্শ, ত্যাগ তিতিক্ষা, দেশপ্রেমিক চিন্তা ভাবনা ও বলিষ্ট নেতৃত্ব ভবিষ্যত প্রজন্মের নিকট তুলে ধরার জন্য বাংলাদেশ সড়ক পবিবহন কর্পোরেশন (বিআরটিসি) নিজস্ব কারিগরি দক্ষতায় বঙ্গবন্ধু ভ্রাম্যমাণ লাইব্রেরি বাসটি প্রস্তুত করেছে দেখে আমি অত্যন্ত আনন্দিত। আমি এই উদ্যোগের সফলতা কামনা করছি।

এ সময় আরো উপস্থিত ছিলেন চুয়েটের প্রো ভাইস-চ্যান্সেলর অধ্যাপক ড. জামাল উদ্দীন আহাম্মদ, রেজিস্ট্রার (অতিরিক্ত দায়িত্ব) অধ্যাপক ড. শেখ মোহাম্মদ হুমায়ুন কবির, ছাত্রকল্যাণ পরিচালক অধ্যাপক ড. মো: রেজাউল করিম, পরিকল্পনা ও উন্নয়ন পরিচালক অধ্যাপক ড. কাজী দেলোয়ার হোসেন, সিএসই বিভাগের অধ্যাপক ড. কৌশিক দেব, উপ-পরিচালক (জনসংযোগ) মোহাম্মদ ফজলুর রহমানসহ অন্যান্য অফিসিয়ারগণ উপস্থিত ছিলেন।

এছাড়া সকাল থেকে চুয়েট শিক্ষক, কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং ছাত্র-ছাত্রীরা ভ্রাম্যমাণ লাইব্রেরি পরিদর্শন করেন।


আরও খবর