আজঃ বৃহস্পতিবার ১৩ মে ২০২১
শিরোনাম

দুবাই থেকে আসা বিমানে মিললো ২ কোটি টাকার স্বর্ণ

প্রকাশিত:শুক্রবার ৩০ এপ্রিল ২০২১ | হালনাগাদ:শুক্রবার ৩০ এপ্রিল ২০২১ | ৯৭জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অভিযান চালিয়ে ২৮টি স্বর্ণবার জব্দ করেছেন শুল্ক গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তর কর্মকর্তারা।

শুক্রবার দুবাই-ঢাকা বাংলাদেশ বিমানের একটি বিশেষ ফ্লাইটের সিটের নিচে পরিত্যক্ত অবস্থায় ওই স্বর্ণবার পাওয়া যায়।

বিমানবন্দর শুল্ক গোয়েন্দা কর্মকর্তারা জানান, জব্দ করা স্বর্ণের বারের ওজন সোয়া ৩ কেজি। যার বর্তমান বাজার মূল্য ২ কোটি ৬ লাখ ২৫ হাজার টাকা। পাচারের উদ্দেশে উড়োজাহাজের সিটের নিচে এসব স্বর্ণবার লুকিয়ে রেখেছিলেন বিমানের বিশেষ ফ্লাইটে আসা এক শ্রেশির যাত্রীবেশী চোরাকারবারি।

কর্মকর্তারা জানান, বৃহস্পতিবার রাত ২টার দিকে বিমানবন্দরে অবতরণ করে বাংলাদেশ বিমানের এই বিশেষ ফ্লাইট। এসময় গোপন সংবাদে শুল্ক গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তরের সহকারী পচিালক মো. ইফতেখার আলম ভুঁইয়ার নেতেৃত্বে বিমানের এ ফ্লাইটে অভিযান চালানো হয়।

এ ব্যপারে শুল্ক গোয়েন্দার সহকারী পরিচালক মো. ইফতেখার আলম ভুঁইয়া জানান, আগে থেকেই গোপন সংবাদ ছিল বাংলাদেশ বিমানের বিশেষ ফ্লাইটে (দুবাই-ঢাকা) স্বর্ণের চালান বহন করবে যাত্রীবেসী চোরাকারবারি। এমন সংবাদের ভিত্তিতে বৃহস্পতিবার গভীর রাতে বিমানবন্দরে বৃদ্ধি করা হয় শুল্ক গোয়েন্দার নজরদারি। যাত্রীরা নামার পর তাতে অভিযান চালায় শুল্ক গোয়েন্দা কর্মকর্তারা।

তিনি আরও বলেন, জব্দ স্বর্ণবারের বাজার মূল্য ২ কোটি ৬ লাখ ২৫ হাজার টাকা। এ ঘটনায় একটি মামলা হয়েছে।

কর্মকর্তারা জানান, এ নিয়ে গত ৬ মাসে বিমানবন্দরে অভিযান চালিয়ে বাংলাদেশ  বিমানের ভেতর থেকে ৬টি চোরাই স্বর্ণবারের চালান থেকে প্রায় ৩০ কেজির বেশি স্বর্ণবার জব্দ করা হয়েছে। তবে এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত কাউকে শনাক্ত করা যায়নি।

এ ছাড়া বেসরকারি  ইউএস বাংলার এয়ারলাইন্সের একটি খাবারের গাড়ি থেকে  থেকে ৭ কেজি স্বর্ণবার জব্দ করা হয়। এ ঘটনায় ইউএস বাংলার ৮ কর্মীকে আটক করে বিমানবন্দর থানায় সোর্পদ করা হয়। এ নিয়ে বিমানবন্দর কেন্দ্রিক চোরাকারবারি চক্রের বহন করা মোট ৩৭ কেজি স্বর্ণ জব্দ করা হয়।


আরও খবর



মালয়েশিয়ায় অবৈধ অভিবাসীদের বৈধতা দেয়ার ঘোষণা

প্রকাশিত:শনিবার ২৪ এপ্রিল ২০২১ | হালনাগাদ:শনিবার ২৪ এপ্রিল ২০২১ | ৯৯জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

মালয়েশিয়ায় নতুন করে সেবা খাতের আরও চারটি উপ শাখায় অবৈধ অভিবাসী কর্মীদের বৈধতা দেয়ার ঘোষণা দিয়েছে দেশটির সরকার। সরকারের এমন সিদ্ধান্তে খুশি প্রবাসী বাংলাদেশিরা।

স্থানীয় সময় বৃহস্পতিবার (২২ এপ্রিল) এক বিবৃতিতে দেশটির স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী হামজাহ জয়নুদিন সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান।

অবৈধ অভিবাসী শ্রমিকদের বৈধতা দিতে তৃতীয় পক্ষের হস্তক্ষেপ ছাড়াই গত বছরের ১৬ নভেম্বর রিক্যালিব্রেশন লেবাররিক্যালিব্রেশন রিটার্ন নামে দুটি পরিকল্পনা হাতে নেয় মালয়েশিয়া সরকার। একটি অবৈধ অভিবাসী শ্রমিকদের বৈধভাবে কাজের নিয়োগ এবং অপরটি নিজ দেশে স্বেচ্ছায় ফেরত যাওয়া। আর প্রকল্প দুটি চলতি বছরের ৩০ জুন পর্যন্ত বলবৎ থাকবে।

তবে অবৈধ কর্মীদের শুধুমাত্র নির্মাণ, উৎপাদন, চাষ ও কৃষি এ চারটি খাতে বাংলাদেশসহ ১৫টি দেশের অবৈধ অভিবাসী কর্মীদের বৈধতার জন্য অনলাইনে আবেদন করার কথা থাকলেও এখন থেকে সার্ভিস সেক্টরের চারটি সাব সেক্টরে যেমন হোলসেল ও রিটেইল, রেস্তোঁরা, কার্গো এবং পরিসেবার জন্য আবেদন করতে পারবেন তাদের নিয়োগকর্তারা।

একই সাথে মালয়েশিয়ায় বসবাসরত অবৈধ অভিবাসীরা চাইলে শর্তসাপেক্ষে নিজ দেশে ফিরে যেতে পারবেন। সরকারের এমন সিদ্ধান্তে খুশি প্রবাসী বাংলাদেশিরা।

এদিকে বৈধকরণ ঘোষণার পর থেকেই রাজধানী কুয়ালালামপুরসহ পুরো মালয়েশিয়ায় এক শ্রেণির দালাল প্রতারণার ফাঁদ পেতেছে। তাদের বিষয়ে সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়েছেন কমিউনিটির নেতারা।

কমিউনিটি নেতা ও মালয়েশিয়া প্রবাসি ব্যবসায়ী মো. মামুন বিন আবদুল মান্নান বলেন, অনেকেই  সার্ভিস সেক্টরের ভিসা করায় আগ্রহী এবং অপেক্ষায় ছিলেব অবশেষে মালয়েশিয়া সরকার সেটির (রিক্যালিব্রেশন লেবাররিক্যালিব্রেশন রিটার্ন নামে দুটি পরিকল্পনা) ঘোষণা করেছে।

কমিউনিটি নেতা ও মালয়েশিয়া প্রবাসি ব্যবসায়ী নাজমুল ইসলাম বাবুল বলেন, অযথা দালালদের খপ্পরে পড়বেন না, সঠিক মালিক খুঁজে নেবেন।

এছাড়া যে সব অভিবাসী ২০১১ সালে এবং ২০১৬ সালে রি-হায়ারিং প্রোগ্রামে নাম নিবন্ধন করেও ভিসা পাননি তারা এখন বৈধতার জন্য নিবন্ধিত হতে পারবেন। আর যারা তাদের কোম্পানি থেকে পালিয়ে অন্য কোথাও চলে গেছেন, তাদের বিরুদ্ধে যদি কোন রিপোর্ট না থাকে তাহলে তারাও এ রিক্যালিব্রেশন কর্মসূচিতে নিবন্ধন গ্রহণ করতে পারবেন।

রিক্যালিব্রেশন প্রোগ্রাম নামে এই দুটি পরিকল্পনায় এখনও পর্যন্ত প্রায় ১ লাখ ৪৫ হাজার ৮শ ৩০ জন অনিবন্ধিত অভিবাসী অংশ নিয়েছেন। এর মধ্যে ৭২ হাজার ৩২৪ জন তাদের নিজ নিজ দেশে ফিরে যেতে সিদ্ধান্ত নিয়েছেন এবং ৭৩ হাজার ৫০৬ জন বৈধ হওয়ার জন্য নিবন্ধন করেছেন।

মালয়েশিয়া সরকারের নতুন এ সিদ্ধান্তের কারণে প্রবাসীদের মধ্যে কিছুটা স্বস্তি ফিরলেও দালালদের দৌরাত্ম্য ও নানামুখী সমস্যায় প্রবাসীরা বিগত বছরগুলোর মতো এবারও যেন প্রতারিত না হন সে বিষয়ে সতর্ক থাকার তাগিদ দিয়েছেন অভিবাসন বিশেষজ্ঞরা।


আরও খবর



এবার বালিতে পোঁতা লাশ মিলল গঙ্গার তীরে

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ১৩ মে ২০২১ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ১৩ মে ২০২১ | ২২জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

বিহার ও উত্তরপ্রদেশে গঙ্গা নদীতে কয়েক ডজন লাশ ভেসে আসার পর এবার নদীটির ধারে অন্তত দুটি স্থানে বালিতে পোঁতা একাধিক মৃতদেহ পাওয়া গেছে।

উত্তরপ্রদেশের রাজধানী লখনৌ থেকে ৪০ কিলোমিটার দূরে উন্নাও জেলার দুটি স্থানে এ মৃতদেহগুলো পাওয়া যায় বলে ভারতের গণমাধ্যমগুলো জানিয়েছে।

এনডিটিভি জানিয়েছে, বৃহস্পতিবার সকালে একদল কর্মকর্তা ঘটনাস্থলে গিয়ে যে দুটি স্থানে মৃতদেহগুলো পাওয়া গেছে, সেসব স্থানে আরও গভীর গর্ত খুঁড়ে লাশগুলোকে সমাহিত করেছেন।

পোড়ানোর কাঠের অভাবে এ মৃতদেহগুলো বালিতে পুঁতে ফেলা হতে পারে বলে অনেকে ধারণা করছেন।

মোবাইল ফোনে তোলা ছবি ও ভিডিওতে দুই স্থানেই একাধিক পোতাঁ লাশ ও স্থানীয়দের ভিড় দেখা গেছে; বেশিরভাগ মৃতদেহের গায়ে জড়ানো ছিল গেরুয়া কাপড়।

জেলা ম্যাজিস্ট্রেট রবীন্দ্র কুমার এক বিবৃতিতে বলেছেন, কেউ কেউ মৃতদেহ না পুড়িয়ে নদীর ধারে বালিতে কবর দেয়। খবর পেয়ে আমি ঘটনাস্থলে কর্মকর্তাদের পাঠিয়েছি। আমি তাদেরকে এ বিষয়ে তদন্ত ও যথাযথ ব্যবস্থা নিতেও বলেছি।

যে মৃতদেহগুলো মিলেছে, সেগুলো কোভিড রোগীর কিনা তা নিশ্চিত নয় বলেও মন্তব্য করেছেন তিনি।

চলতি সপ্তাহে বিহার ও উত্তরপ্রদেশে গঙ্গায় ভেসে আসা ৭০ এরও বেশি মৃতদেহের দেখা মিলেছে। মঙ্গলবারও উত্তরপ্রদেশের গাজিপুরে নদীতে ভেসে আসা লাশ পাওয়া গেছে।

পোড়ানোর কাঠের অভাব, লাশগুলোকে ভাসিয়ে দেওয়ার একটি কারণ হতে পারে বলে মনে করছেন স্থানীয়রা।

সরকারি তালিকায় স্থান না দেওয়া কোভিড-১৯ এ মৃতদের লাশ এভাবে ভাসিয়ে দেওয়া হতে পারে বলেও অনুমান করছেন তারা।



আরও খবর



হেফাজতের তাণ্ডব, ফুটেজ দেখেই গ্রেফতার হচ্ছে : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

প্রকাশিত:রবিবার ২৫ এপ্রিল ২০২১ | হালনাগাদ:রবিবার ২৫ এপ্রিল ২০২১ | ৮৮জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল বলেছেন, দেশের বিভিন্ন জেলায় হেফাজতে ইসলামের তাণ্ডবের ঘটনায় জড়িদের ভিডিও ফুটেজ দেখেই গ্রেফতার করা হচ্ছে।

রবিবার (২৫ এপ্রিল) দুপুরে রাজধানী স্কুল প্রাঙ্গণে ঢাকা উত্তর আওয়ামী লীগ আয়োজিত অনুষ্ঠানে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এ কথা বলেন। এ সময় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী দলটির নেতাদের সঙ্গে আলোচনা হলেও নৃশংস এ ঘটনায় জড়িতদের আইনের আওতায় আনা হবে বলে প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, হেফাজত হলো একটি অরাজনৈতিক সংগঠন, রাজনীতি করার কোনো নীতিমালায় নেই। যদিও এটার সঙ্গে অনেকেই দ্বিমত পোষণ করছেন।

আসাদুজ্জামান খান কামাল বলেন, যারা অগ্নিসংযোগ করেছেন, যারা ভাঙচুর করেছেন, যাদের জন্য আজকে নিরীহ কতগুলো প্রাণ চলে গেছে তাদের শাস্তি ভোগ করতেই হবে। তদন্তের মাধ্যমে আমরা সঠিক প্রমাণ পেয়েছি, ভিডিও ফুটেজে যাদের আমরা দেখেছি, তাদেরকে আমরা আইনের মুখোমুখি করছি। কোনো গণগ্রেফতার করছি না বা কাউকে হয়রানি করার জন্যও গ্রেফতার করছি না।


আরও খবর



ক্যাচ মিসের মাশুল দিয়ে হতাশাময় সেশন বাংলাদেশের

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ২৯ এপ্রিল ২০২১ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ২৯ এপ্রিল ২০২১ | ১০০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

প্রথম টেস্টের ছবিই ভেসে উঠছে ক্যান্ডিতে। পিচ বোলারদের সাহায্য করলেও উইকেটের দেখা নেই বাংলাদেশের। লাঞ্চ বিরতির পরও সাফল্য আসেনি। উইকেট অক্ষত রেখে শ্রীলঙ্কার স্কোর ১০০ ছাড়িয়ে গেছে।

নাজমুল হোসেন শান্ত ক্যাচটি তালুবন্দি করতে পারলে দৃশ্যপট অন্যরকম হতে পারতো। তার ক্যাচ মিসে দ্বিতীয় জীবন পাওয়া দিমুথ করুণারত্নে সুযোগ কাজে লাগিয়ে তুলে নিয়েছেন টেস্ট ক্যারিয়ারের ২৬তম হাফসেঞ্চুরি। ২৮ রানে জীবন পাওয়া লঙ্কান অধিনায়ক ইতিমত্যে পূরণ করেছেন টেস্টের ৫ হাজার রানের মাইলফলকও।

করুণারত্নের সঙ্গে সমানতালে লড়ে যাচ্ছেন আরেক ওপেনার লাহিরু থিরিমানে। বাঁহাতি এই ব্যাটসম্যান বোলারদের কোনও সুযোগই দিচ্ছেন না। চমৎকার ব্যাটিংয়ে তিনিও পেয়েছেন হাফসেঞ্চুরি। ১০২ বলে পূরণ করেছেন লাল বলের ক্রিকেটের ১১তম ফিফটি। তাদের দৃঢ়তায় কঠিন সময় যাচ্ছে তাসকিন আহমেদ-আবু জায়েদ রাহীদের। অথচ শান্ত ক্যাচটি নিতে পারলে উইকেট উদযাপন করতে পারতেন তাসকিন।

ক্যান্ডির দ্বিতীয় টেস্টেও তাই লঙ্কান ব্যাটসম্যানদের দাপট। ৩৭ ওভারে কোনও উইকেট না হারিয়ে স্বাগতিকদের সংগ্রহ ছিল ১১৪।

এই ক্যাচ ফেলে দিলেন শান্ত!

সুযোগ খুব বেশি দিচ্ছেন না শ্রীলঙ্কার ব্যাটসম্যানরা। অনেক চেষ্টার পর এলো প্রথম দিনের সবচেয়ে সহজ সুযোগ। কিন্তু হেলার নষ্ট করলেন নাজমুল হোসেন শান্ত। স্লিপে দাঁড়িয়ে বল হাতে নিলেন কিন্তু তালুবন্দি করতে পারলেন না। বোলার তাসকিন আহমেদের সঙ্গে আক্ষেপে পুড়লো বাংলাদেশের ক্রিকেটপ্রেমীরা।

দ্বিতীয় টেস্টেও দুর্দান্ত সব ডেলিভারি দিচ্ছেন তাসকিন। বেশ কয়েকবার কঠিন পরীক্ষা নিয়েছেন শ্রীলঙ্কান ওপেনারদের। চমৎকার বোলিংয়ের পুরস্কারও পেতে যাচ্ছিলেন তিনি। কিন্তু সতীর্থ ফিল্ডার শান্ত সুবর্ণ ‍সুযোগ নষ্ট করলে উইকেট বঞ্চিত তাসকিন। ডানহাতি পেসারের দুর্দান্ত ডেলিভারি দিমুথ করুণারত্নের ব্যাটের কানায় লেগে গেলে স্লিপে দাঁড়ানো শান্ত হাতে নিয়েও বল রাখতে পারেননি। ফলে করুণারত্নে পেলেন দ্বিতীয় জীবন

এক বল পরই দলীয় ৫০ রান ছাড়ায় শ্রীলঙ্কা। ফলে কোনও উইকেট না হারিয়েই ফিফটি পেয়েছে স্বাগতিকরা। আর প্রথম সেশনে বাংলাদেশকে থাকতে হয় উইকেটশূন্য। লাঞ্চ বিরতিতে যাওয়ার সময় শ্রীলঙ্কার স্কোর ছিল ২৭ ওভারে ৬৬ রান।

রিভিউ নষ্ট করলো বাংলাদেশ

রিভিউয়ের সঠিক ব্যবহারে এখনও পারদর্শী হয়ে উঠতে পারেনি বাংলাদেশ। ক্যান্ডি টেস্টের প্রথম দিনের খেলায় যেমন নষ্ট করলো একটি রিভিউ। আবু জায়েদ রাহীর বল দিমুথ করুণারত্নের ব্যাটের বেশ খানিকটা বাইরে দিয়ে যাওয়ার পরও রিভিউ নিয়েছিলেন অধিনায়ক মুমিনুল হক।

১২তম ওভারের চতুর্থ বলটি করেছিলেন রাহী। অফ স্টাম্পের বাইরে পিচ করা বল হয়তো পয়েন্ট দিয়ে মারতে চেয়েছিলেন বাঁহাতি করুণারত্নে। কিন্তু বাড়তি বাউন্স পাওয়ায় চাহিদা অনুযায়ী খেলতে পারেননি। বল সরাসরি জমা পড়ে উইকেটকিপার লিটন দাসের গ্লাভসে। বোলার রাহী আবেদন করতেই থাকলেন, তাতেও আম্পায়ারের সাড়া মেলেনি। এই অবস্থায় বেশ খানিকটা সময় নিয়ে অতঃপর রিভিউ নিলেন মুমিনুল।

কিন্তু রিপ্লেতে দেখা যায়, ব্যাট-বলে কোনও সংযোগ হয়নি। ফলে রিভিউ হারায় বাংলাদেশ।

বাংলাদেশের বোলারদের সামনে অবশ্য সুবিধা করতে পারছেন না শ্রীলঙ্কার দুই ওপেনার করুণারত্নে ও লাহিরু থিরিমানে। শুরু থেকেই তারা সতর্ক। বেশ কয়েকবার পরীক্ষাও দিতে হয়েছে তাদের। যদিও ঠাণ্ডা মাথার ব্যাটিংয়ে উইকেট অক্ষত রেখেছেন দুই ওপেনার। প্রথম ঘণ্টায় কোনও উইকেট না হারিয়ে স্বাগতিকদের স্কোর ছিল ১৪ ওভারে ২২।


আরও খবর



শিমুলিয়াঘাটে যানবাহনের দীর্ঘসারি, সব ফেরি সচল

প্রকাশিত:শুক্রবার ৩০ এপ্রিল ২০২১ | হালনাগাদ:শুক্রবার ৩০ এপ্রিল ২০২১ | ৬১জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

মুন্সিগঞ্জ প্রতিনিধিঃ

মুন্সিগঞ্জের শিমুলিয়া ফেরিঘাটে দক্ষিনবঙ্গগামী যাত্রী ও যানবাহনের চাপ বেড়েছে। গত কয়েকদিন দক্ষিণবঙ্গ থেকে ঢাকামুখী যাত্রী চাপ থাকলেও শুক্রবার ভোর থেকে দক্ষিণবঙ্গগামী ব্যাক্তিগত ও পন্যবাহী যানবাহন সংখ্যা বাড়তে থাকে শিমুলিয়াঘাট এলাকায়। সকাল থেকে ঘাট এলাকায় ৪ শতাধিক ব্যাক্তিগত ছোটগাড়ি ও ২ শতাধিক পন্যবাহী বড় গাড়ি অবস্থান করছে বলে বিআইডাব্লিউটিসি সূত্রে জানাগেছে।

আর এসব যানবাহন পারাপারে শিমুলিয়া-বাংলাবাজার নৌরুটের বহরে থাকা সবগুলো (১৬টি) ফেরি বর্তমানে সচল রয়েছে।

বিআইডাব্লিউটিসি শিমুলিয়াঘাটের সহকারী ব্যবস্থাপক (বানিজ্য) প্রফুল্ল চৌহান জানান, শুক্রবার ছুটির দিন হওয়ায় স্বাভাবিক সময়ের চেয়ে যানবাহনের চাপ বেড়েছে। তবে যাত্রী চাপ তেমনে বাড়েনি। কেউ কেউ আবার ঈদকে কেন্দ্র করে আগেই বাড়ি ফিরছে। এখন ছোটগাড়ি গুলো পারাপার করা হচ্ছে শুধু। পর্যায়ক্রমে সকল গাড়িই পারাপার করা হবে।

এদিকে লকডাউনে গনপরিবহন বন্ধ থাকার নির্দেশনায় নৌরুটে লঞ্চ ও স্পীডবোট চলাচল বন্ধ রয়েছে। তবে নিয়ম আমান্য করে নৌরুটিতে বিচ্ছিন্ন ভাবে কিছু স্পীডবোট ও ট্রলার চলাচল করতে দেখা গেছে।


আরও খবর