আজঃ সোমবার ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৪
শিরোনাম

দুর্নীতির বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান দুদক চেয়ারম্যানের

প্রকাশিত:শনিবার ০৯ ডিসেম্বর ২০২৩ | হালনাগাদ:শনিবার ০৯ ডিসেম্বর ২০২৩ | অনলাইন সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক

Image

দুর্নীতির বিরুদ্ধে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানিয়েছেন দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) চেয়ারম্যান মঈনউদ্দীন আবদুল্লাহ। শনিবার (৯ ডিসেম্বর) আন্তর্জাতিক দুর্নীতিবিরোধী দিবসের উদ্বোধনের সময় তিনি এ কথা বলেন।

তিনি বলেন, দুর্নীতি শুধু বাংলাদেশে নয়, এটি বৈশ্বিক সমস্যা। এ জন্য দুর্নীতির বিরুদ্ধে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে।

জাতিসংঘ ২০০৩ সালে এ দিনকে আন্তর্জাতিক দুর্নীতিবিরোধী দিবস ঘোষণা করে। সে হিসেবে এবার ২১তম আন্তর্জাতিক দুর্নীতিবিরোধী দিবস। এবার দিবসের প্রতিপাদ্য হচ্ছে উন্নয়ন, শান্তি ও নিরাপত্তার লক্ষ্যে দুর্নীতির বিরুদ্ধে আমরা ঐক্যবদ্ধ।

বরাবরের ন্যায় এবারও রাজধানী ঢাকাসহ দেশের আট বিভাগ, ৬৪ জেলা এবং ৪৯৫ উপজেলায় বড়পরিসরে উদযাপন করা হবে আন্তর্জাতিক দুর্নীতিবিরোধী দিবস। একই সঙ্গে দেশে সব সিটি করপোরেশন, পৌরসভা, জেলা, উপজেলা ও ইউনিয়ন পরিষদ, সরকারি-আধাসরকারি ও স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান এবং পিকেএসএফসহ অন্যান্য এনজিওতে দুর্নীতিবিরোধী বিভিন্ন অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে।

যার মধ্যে রয়েছে সারা দেশে দুর্নীতিবিরোধী কার্টুন প্রদর্শনী, মানববন্ধন, সেমিনার ও আলোচনাসভা। যেখানে প্রশাসনের কর্তাব্যক্তি, সমাজের বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ, সামাজিক সংগঠন, দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটি ও সাধারণ জনগণ অংশগ্রহণ করবে।

দুর্নীতিবিরোধী দিবসে বেলা ১১টায় বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির জাতীয় নাট্যশালা অডিটরিয়ামে দুর্নীতি দমন ও প্রতিরোধে করণীয় শীর্ষক আলোচনাসভা হবে। এ অনুষ্ঠানে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন বাংলাদেশের প্রধান বিচারপতি বিচারপতি ওবায়দুল হাসান।

কেন্দ্রীয় কর্মসূচির বাইরে সারা দেশে বিভাগীয়, জেলা ও উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে দৃশ্যমান ও উন্মুক্ত স্থানে দুর্নীতিবিরোধী বাণী সংবলিত ব্যানার স্থাপন, জাতীয় পতাকা ও দুদক পতাকা উত্তোলন, ফেস্টুন-বেলুন উড়ানো, আলোচনাসভা এবং গণযোগাযোগ অধিদপ্তরের জেলা তথ্য অফিসের সহযোগিতায় দুদকের সমন্বিত জেলা কার্যালয়/ জেলা কার্যালয়/ বিভাগীয় জেলা কার্যালয়ের আয়োজনে ব্যাপক জনসমাগম হয় এমন স্থানে দুর্নীতিবিরোধী তথ্যচিত্র প্রদর্শন করা হচ্ছে।

বাংলাদেশ আনকাকের সদস্য রাষ্ট্র হিসেবে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) ২০০৭ সালে আন্তর্জাতিক দুর্নীতিবিরোধী দিবস পালন শুরু করে। যদিও সরকারিভাবে ২০১৭ সাল থেকে দিবসটি উদ্যাপিত হচ্ছে। দুদকের পাশাপাশি আন্তর্জাতিক দুর্নীতিবিরোধী দিবস উদ্যাপন উপলক্ষ্যে বিভিন্ন অনুষ্ঠানের আয়োজন করা করছে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি)।


আরও খবর



১৭ ফেব্রুয়ারি পাকিস্তানজুড়ে বিক্ষোভের ডাক ইমরান খানের দলের

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ১৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ১৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
আন্তর্জাতিক ডেস্ক

Image

সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানের দল পাকিস্তান তেহরিক-ই-ইনসাফ (পিটিআই) দেশজুড়ে শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভের ডাক দিয়েছে । বৃহস্পতিবার (১৫ ফেব্রুয়ারি) পাকিস্তান পিপলস পার্টি (পিপিপি) ও পাকিস্তান তেহরিক-ই-ইনসাফ-পার্লামেন্টারিয়ানসের (পিটিআই-পি) সঙ্গে জোট গঠনের খবর পরিষ্কার করার পর এ কথা জানিয়েছে পিটিআই।

জিও নিউজের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, পিটিআইয়ের প্রতিষ্ঠাতা ইমরান খান রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বীদের বিরুদ্ধে সুর নরম করেছেন। তার দল পিপিপি ও পার্টির বিচ্ছিন্ন অংশের সঙ্গে আলোচনায় সম্মত হওয়ার পর এই সিদ্ধান্ত জানানো হয়েছে।

দলের সূত্র জিও নিউজকে জানিয়েছে, ইমরান খান বর্তমানে আদিয়ালা জেলে বন্দী। তিনি পিপিপির সঙ্গে কথা বলতে প্রস্তুত। দলটি ইতিমধ্যেই পাকিস্তান মুসলিম লীগ-নওয়াজের প্রধানমন্ত্রীর প্রার্থী শাহবাজ শরিফকে সমর্থনের ঘোষণা দিয়েছে।

তবে, পিটিআই নেতা ব্যারিস্টার মুহাম্মদ আলী সাইফ সরকার গঠনের জন্য পিপিপির সঙ্গে যোগাযোগের খবর অস্বীকার করেছেন। সাংবাদিকদের তিনি বলেন, পিটিআই প্রতিষ্ঠাতা পিপিপি ও পিএমএল-এনের সঙ্গে আলোচনার বিরুদ্ধে কঠোরভাবে পরামর্শ দিয়েছিলেন।

পিপিপির সঙ্গে সরকার গঠনের প্রতিবেদন বিভ্রান্তিকর উল্লেক করে তিনি বলেন, পিটিআই প্রতিষ্ঠাতা বিরোধী দলে বসতে বলেছেন কিন্তু পিপিপি ও পিএমএল-এনের সঙ্গে জোট বাঁধবেন না।

পরে রাওয়ালপিন্ডিতে ইমরান খানের সঙ্গে সাক্ষাতের পর সাংবাদিকদের ব্যারিস্টার গহর খান ও শের আফজাল মারওয়াতও বিলাওয়ালের নেতৃত্বাধীন দলের সঙ্গে জোটের কথা অস্বীকার করেছিলেন।


আরও খবর



মিয়ানমার আগে থেকেই বাংলাদেশের সঙ্গে যুদ্ধের চেষ্টা করছে: র‍্যাব মহাপরিচালক

প্রকাশিত:শনিবার ২৪ ফেব্রুয়ারী 20২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ২৪ ফেব্রুয়ারী 20২৪ | অনলাইন সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক

Image

মিয়ানমার অনেক আগে থেকেই বাংলাদেশের সঙ্গে যুদ্ধের চেষ্টা করছে বলে মন্তব্য করেছেন র‍্যাব মহাপরিচালক এম খুরশীদ হোসেন। আজ শনিবার দুপুরে গোপালগঞ্জের কাশিয়ানী এম এ খালেক ডিগ্রি কলেজ মাঠে কৃতী শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা ও বৃত্তি প্রদান অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

এম খুরশীদ হোসেন বলেন, মিয়ানমার যা করছে তা রাজনৈতিক উদ্দেশ্যেই করছে। মিয়ানমার অনেক আগে থেকেই চেষ্টা করছে বাংলাদেশের সঙ্গে যুদ্ধ করার জন্য। রোহিঙ্গা আটক হওয়া থেকে শুরু করে তারা পায়ে পাড়া দিচ্ছে, আমরা তো কাজ করি আমরা জানি। আমি বহুবার কক্সবাজার গিয়েছি, বর্ডারে গিয়েছি, আমি সব ঘুরে এসেছি। প্রধানমন্ত্রী যে দৃঢ়চেতা এবং তাঁর যে প্রজ্ঞা, উনি কোনো দিন যুদ্ধে জড়াবেন না। কারণ, এখন যুদ্ধে যাওয়া মানে আমার দেশটা শেষ হয়ে যাওয়া। মিয়ানমারে এখন সামরিক সরকার রয়েছে। তারা এখন চাচ্ছে আমাদের সঙ্গে যুদ্ধ বাধাতে পারলে তারা সেভ হবে। কারণ, ওর দেশে এখন যে অবস্থা তৈরি হয়েছে, ওর দেশের আরাকান আর্মি তাদের বিরুদ্ধে গিয়ে এখন সমানে ভূমি দখল করছে। সেনাবাহিনী-আরাকান দ্বন্দ্ব এখন বলতে গেলে শেষ পর্যায়ে চলে গিয়েছে। গভর্নমেন্ট বাঁচার জন্য উসকানি দিচ্ছে।

র‍্যাবের মহাপরিচালক বলেন, মাদক এখন বিভিন্ন দেশ থেকে এয়ারেও আসছে, জলপথেও আসছে। বেশির ভাগ মাদক মিয়ানমার থেকে আসছে। উদ্দেশ্যমূলকভাবে মাদক পাঠাচ্ছে মিয়ানমার। কিছুদিন পর আপনারা জানবেনআমরা যে জাল ফেলে রেখেছি, সবচেয়ে যে বড় গ্যাং স্টার, তাকে আমরা জালের মধ্যে ফেলেছি। আমরা কিছু করতে পারব।

শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের উদ্দেশে র‍্যাব মহাপরিচালক বলেন, বর্তমান জেনারেশনের যে চ্যালেঞ্জ, এর মধ্যে একটি হলো মাদক আরেকটি ইলেকট্রনিক ডিভাইস। নেশা বলতে আমরা শুধু মাদককে বুঝি, তা কিন্তু না। আপনি আপনার সাধারণ জীবন যাপনের বাইরে যেকোনো কাজে যখন আসক্ত হয়ে গেলেন সেটাই নেশা। এখন মাদক, জুয়া, বিভিন্ন রকম অনলাইন গেম খেলা, সারা দিন ফেসবুক টেপা এগুলো নেশা হয়ে দাঁড়িয়েছে। এ প্রজন্মকে বাঁচাতে হলে শুধু বই খাতা দিয়ে স্কুলে পাঠিয়ে দিলাম আর শিক্ষকেরা পাহারা দেবে, তা সম্ভব না। বাচ্চাদের শুরুতেই আপনাদের তৈরি করতে হবে। মাটি যখন নরম থাকে, তখন আপনি তাঁকে যেকোনো আকার দিতে পারবেন। আর মাটি যখন শক্ত হয়ে যাবে, তখন আকার চেঞ্জ করতে গেলে সেটি ভেঙে যাবে। একটা বাচ্চাকে যদি শৈশব ও কৈশোর থেকে না শেখান পরবর্তীকালে ইউনিভার্সিটি, কলেজে গিয়ে কিন্তু কিছুই শিখবে না। অতএব, অভিভাবকদের মূল ভূমিকা রয়েছে, তারপর শিক্ষকদের, আর তাঁকে নিজের থেকে তো চেষ্টা করতেই হবে।

বর্তমান সময়ের ক্যাডারদের উদ্দেশে তিনি বলেন, এখন আমাদের চিন্তা হচ্ছে, আমরা তো শেষ পর্যায়ে। এখন বাংলাদেশে যে কজন রয়েছি, ইলেকশন যারা করলাম। প্রিন্সিপাল সেক্রেটারি, ক্যাবিনেট সেক্রেটারি, আইজিপি, আমি নিজে, ডিজি এনএসআই, স্বরাষ্ট্রসচিব আমরা সব কিন্তু বলতে গেলে অবসরপ্রাপ্ত লোক। আমাদের এক্সটেনশন করে রেখেছে। আমাদের ছাড়েনি এ জন্য যে ইলেকশন করে দেওয়ার জন্য। কারণ, অভিজ্ঞ লোকের অভাব রয়েছে। এখনকার প্রত্যেকটা ক্যাডারের মধ্যে পেশাদারির ঘাটতি রয়েছে। যেমন লেখাপড়ায় ঘাটতি রয়েছে, তেমন পেশাদারিতে ঘাটতি রয়েছে, ডিসিপ্লিনেও ঘাটতি রয়েছে। এটাকে যদি আমরা ওভারকাম করতে না পারি, তাহলে কী করতে হবে? নিশ্চয়ই আমাদের এখন থেকে চেষ্টা করতে হবে। না হলে এই যে যুবসমাজ, নতুন প্রজন্মএগুলো যদি মিস গাইডেড হয়ে যায়, তাহলে এই দেশের অস্তিত্ব কে ধরে রাখবে?

এর আগে র‍্যাবের মহাপরিচালক এম খুরশীদ হোসেন কাশিয়ানী এম এ খালেক ডিগ্রি কলেজ মাঠে কৃতী শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা ও বৃত্তি প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন। সেখানে ২০২৩ সালে এসএসসি ও এইচএসসিতে জিপিএ ৫ প্রাপ্ত ১০৯ জন কৃতী শিক্ষার্থীর প্রত্যেকের হাতে ১০ হাজার টাকা ও ক্রেস্ট তুলে দেন।

র‍্যাব-৬, খুলনার অধিনায়ক লে. কর্নেল ফিরোজ কবীরের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন র‍্যাবের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (প্রশাসন) ইমতিয়াজ আহমেদ, গোপালগঞ্জ জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের স্থানীয় সরকার বিভাগের উপপরিচালক আজহারুল ইসলাম, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার কাজী মাহবুবুল আলম (ক্রাইম অ্যান্ড অপস), জেলা শিক্ষা অফিসার সেলিম তালুকদার, এম এ খালেক ডিগ্রি কলেজের অধ্যক্ষ কে এম মাহবুব, অবসরপ্রাপ্ত স্কুলশিক্ষক জাহিদুর রহমান প্রমুখ।


আরও খবর



পেকুয়ায় প্রভাবশালীদের বিরুদ্ধে নদী থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের অভিযোগ

প্রকাশিত:বুধবার ১৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ১৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
মোহাম্মদ ফারুক, কক্সবাজার

Image

কক্সবাজারের পেকুয়া উপজেলার উজানটিয়া ইউনিয়নের পূর্বদিক দিয়ে প্রবাহিত মাতামুহুরী নদীতে শ্যালো মেশিন বসিয়ে গত এক মাস ধরে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন করার অভিযোগে উঠেছে উজানটিয়া ইউপির সদস্য সোনা মিয়া সিন্ডিকেট এর বিরুদ্ধে।

অবৈধ উপায়ে বালু উত্তোলনের কারণে মারাত্মক ঝুঁকিতে রয়েছে উজানটিয়ার রুপালী বাজার এলাকায় ৬৪/২বি পোল্ডারের পানি উন্নয়নের বেড়িবাঁধ ও মানুষের ঘরবাড়িসহ বিভিন্ন স্থাপনা। অচিরেই অবৈধ বালু উত্তোলন বন্ধ না করলে সামনের বর্ষা মৌসুমে ওই এলাকায় আবারো পাউবোর বেড়িবাঁধে ব্যাপক ভাঙন দেখা দিতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন স্থানীয়রা। 

জানা যায়, গত এক মাস ধরে উজানটিয়া ইউনিয়নের পুর্ব দিকে প্রবাহিত মাতামুহুরী নদীর উজানটিয়ার রুপালী বাজার পয়েন্টে নদীতে শ্যালো মেশিন বসিয়ে বালু উত্তোলন অব্যাহত রেখেছে একই ইউনিয়নের ৭ নং ওয়ার্ডের মেম্বার সোনা মিয়া ও ইউনিয়ন ছাত্রীগের সহ সভাপতি মো: কাফি চৌধুরী এবং যুবলীগ নেতা আয়াত।

খাল কিংবা নদী থেকে বালি উত্তোলনের নিয়ম না থাকলেও অবৈধভাবে বালু উত্তোলন করে বেচা-বিক্রিতে জড়িত রয়েছে এই সিন্ডিকেট। রাজস্ব ফাঁকি দিয়ে বেআইনীভাবে বালু উত্তোলন করলেও পেকুয়া উপজেলা প্রশাসন নদী থেকে বালু উত্তোলন বন্ধে কোন ব্যবস্থা গ্রহণ না করায় স্থানীয় সচেতন মহলে ক্ষোভ বিরাজ করছে। 

এ বিষয়ে পেকুয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা চাই থোয়াইহলা চৌধুরী জানান, অবৈধভাবে বালু উত্তোলন কর্মকান্ডে অবশ্যই অভিযান হবে।

স্থানীয়রা জানান, প্রায় একমাস ধরে চলছে এই বালু উত্তোলন। যার ফলে নদী ভাঙনের শংঙ্কায় রয়েছে নদীর পাড়ে অবস্থিত শতাধিক পরিবার। নদী থেকে অবৈধ বালু উত্তোলনের ফলে সরকার বঞ্চিত হচ্ছে রাজস্ব থেকে। স্থানীয়রা নদী থেকে অবৈধ উপায়ে বালু উত্তোলন বন্ধে জরুরী ভিত্তিতে পেকুয়া উপজেলা প্রশাসনের সহযোগীতা কামনা করেছেন।

নদী থেকে অবৈধ উপায়ে বালু উত্তোলন প্রসঙ্গে জানতে বালুখেখো সিন্ডিকেটের সদস্য সোনা মিয়া মেম্বারের সাথে মুঠোফোনে যোগাযোগ করলে তিনি বলেন, বালু উত্তোলনের কাজে আমি জড়িত নাই । বালু পরিবহনের জন্য আমার গাড়ি ভাড়া দিয়ে থাকি।  বালু উত্তোলন করে ছাত্রলীগ নেতা কাফি এবং  যুবলীগ নেতা আয়াত। তাদের মুঠোফোনে যোগাযোগ করে বক্তব্য নেওয়ার জন্য একাধিকবার চেষ্টা করা হলেও তাদের মুঠোফোনে পাওয়া যায়নি।

এ ব্যাপারে জানতে চাইলে উজানটিয়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান তোফাজ্জল করিম  বলেন, আমার ইউনিয়ন খুব শান্ত ছিল, ৭ নং ওয়ার্ডের মেম্বার সোনা মিয়া সিন্ডিকেট করে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন এবং মাটি বিক্রি করে ইউনিয়নের অনেক ক্ষতি করে যাচ্ছে। এবিষয়ে প্রশাসনকে অবহিত করেছি আমি।


আরও খবর
ঝিনাইদহ জেলা কারাগারে কয়েদির মৃত্যু

সোমবার ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৪




ভূমিকম্পে কাঁপল পাকিস্তান

প্রকাশিত:শনিবার ১৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ১৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
আন্তর্জাতিক ডেস্ক

Image

পাকিস্তানে ৪ দশমিক ৭ মাত্রার ভূমিকম্প আঘাত হেনেছে। শনিবার স্থানীয় সময় রাত ১২টা ৫৭ মিনিটে দেশটির সোয়াত, দির জেলা এবং নীলম উপত্যকা ও এর আশপাশের এলাকায় এ ভূ-কম্পন অনুভূত হয়। তবে এতে তাৎক্ষণিকভাবে কোনো হতাহত বা ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া যায়নি।

পাকিস্তানের আবহাওয়া বিভাগের (পিএমডি) বরাতে দেশটির সামা টিভি জানিয়েছে, সোয়াত, দির, নীলুম উপত্যকা এবং আশপাশের এলাকাসহ পাকিস্তানের বিভিন্ন অঞ্চলে ভূমিকম্পের কম্পনের খবর পাওয়া গেছে। রিখটার স্কেলে এর মাত্রা ছিল ৪ দশমিক ৯। ভূমিকম্পটি ভূ-পৃষ্ঠ থেকে ১৯০ কিলোমিটার গভীরে আঘাত হানে।

গণমাধ্যমটি বলছে, বিশেষ করে নীলম উপত্যকা, শারদা মহকুমাসহ আশপাশের অঞ্চলে এই কম্পের ফলে স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। কম্পনের পর নীলুম উপত্যকার বাসিন্দারা তাদের ঘর-বাড়ি থেকে বেরিয়ে আসেন এবং পবিত্র কোরআন তেলাওয়াত করতে থাকেন।

পাকিস্তানের আবহাওয়া বিভাগ এবং অন্যান্য সংস্থাগুলো পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছে এবং কম্পনের বিস্তারিত তথ্য সংগ্রহ করছে। তবে এখনো কোনো সরকারি সতর্কতা বা পরামর্শ জারি করা হয়নি।


আরও খবর



বৈশ্বিক পোশাকখাতের পাওয়ার হাউস বাংলাদেশ: ডব্লিউইএফ

প্রকাশিত:শনিবার ২৪ ফেব্রুয়ারী 20২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ২৪ ফেব্রুয়ারী 20২৪ | অনলাইন সংস্করণ
অর্থ ও বাণিজ্য ডেস্ক

Image

বাংলাদেশের টেক্সটাইল ও পোশাক শিল্প বৈশ্বিক পোশাকখাতের পাওয়ার হাউসে পরিণত হয়েছে বলে জানিয়েছে বিশ্ব অর্থনৈতিক সংস্থা (ডব্লিউইএফ)।

সম্প্রতি ডব্লিউইএফ বাংলাদেশের দারিদ্র্য থেকে টেক্সটাইল পাওয়ার হাউসে অতিক্রম করণ আফ্রিকার দেশগুলোর জন্য শিক্ষার শিরোনামে একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বৈশ্বিক টেক্সটাইল ও পোশাক শিল্পের পাওয়ার হাউসে পরিণত হওয়ায় বাংলাদেশের দারিদ্র্যের হার অর্ধেকে নেমেছে এবং মোট দেশজ উৎপাদন উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। বাজারমুখী নীতি, বেসরকারিকরণ, বাণিজ্য উদারীকরণ এবং কৌশলগত বৈদেশিক বিনিয়োগ বাংলাদেশের পোশাক রপ্তানি ও শিল্প প্রবৃদ্ধিকে ত্বরান্বিত করার মূল চাবিকাঠি ছিল।

ডব্লিউইএফর ব্লগে ইন্টারন্যাশনাল ফিন্যান্স কর্পোরেশনের (আইএফসি) ম্যানুফ্যাকচারিং ইনভেস্টমেন্ট অ্যান্ড ট্রেড সাপ্লায়ার ফাইন্যান্সের গ্লোবাল ম্যানেজার ফেমি আকিনরেবিয়ো বলেছেন, যেহুতু বাংলাদেশ তার অর্থনীতিকে বৈচিত্র্যময় এবং ভ্যালু চেইনে আরোহণ করতে চায়, সে জন্য আফ্রিকা পোশাক শিল্পের পরবর্তী সীমানা হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে। যা একই ধরনের আন্তর্জাতিক সমর্থন থেকে উপকৃত হচ্ছে।

তিনি বলেন, বাংলাদেশ সত্তরের দশকের শুরুতে ৯ মাস যুদ্ধের পর পাকিস্তানের কাছ থেকে স্বাধীনতা লাভ করে। সে সময় দেশটি অত্যন্ত দরিদ্র ও ঘনবসতিপূর্ণ দেশ হিসেবে আবির্ভূত হয়েছিল। তখন দেশেটির অর্থনীতির মুলভিত্তি ছিল পাট, যা জনগণকে খাদ্য যোগাতেও অক্ষম ছিল। এরপর ১৯৭৪ সালে দেশটি এমন একটি ভয়াবহ দুর্ভিক্ষের কবলে পড়ে যাকে পরমাণু হামলার পরের সকালের মতো বর্ণনা করেছিলেন ওই সময় দেশটিতে সফররত বিশ্বব্যাংকের একজন অর্থনীতিবিদ। এর কিছু বছর পর বিদেশী বিনিয়োগ আকৃষ্ট করার জন্য একটি সরকারী প্রচারণা ফলপ্রসূ হয়েছিল। যা দেশটির কৃষি অর্থনীতিকে টেক্সটাইল এবং পোশাক উৎপাদনে পাওয়ার হাউসে রূপান্তরিত করেছে। এ শিল্পকে এমন একটি অলৌকিক অর্থনৈতিক ও সামাজিক প্রত্যাবর্তন হিসাবে বর্ণনা করা যেতে পারে যা আজ উন্নয়নশীল দেশগুলো অনুকরণ করার চেষ্টা করছে।

আকিনরেবিয়ো বলেন, বাংলাদেশের পোশাক রপ্তানি বৃদ্ধির মূলে রয়েছে দেশটির শিল্পের বেসরকারিকরণ, বাণিজ্য উদারীকরণ ও বাজারমুখী নীতি। রেডি-টু-ওয়্যার পোশাক বৃদ্ধির ইঞ্জিন হয়ে সুতির টি-শার্ট, প্যান্ট, পুলওভার এবং ডেনিম তার প্রিয় স্পট হয়ে উঠেছে। গত এক দশকে দেশটি তার অর্থনীতিকে বিশ্বের ৩৫তম বৃহত্তম দেশে উন্নীত করেছে। লাখ লাখ মানুষের কর্মসংস্থান করেছে এবং দারিদ্র্যের হার অর্ধেকে নামিয়ে এনেছে। কোভিড-১৯ মহামারীর আগে দেশটির অর্থনীতি বার্ষিক ৭ শতাংশ হারে বৃদ্ধি পেয়েছিল, জিডিপি বেড়ে প্রায় ২ হাজার ৫০০ ডলারে উন্নীত হয়েছিল, যা ভারতকেও ছাড়িয়ে গিয়েছিল।

তিনি আরও বলেন, বর্তমানে বাংলাদেশের রপ্তানি আয়ের ৮৪ শতাংশই আসে শুধু পোশাক থেকে। চূড়ান্তভাবে ২০৪১ সালের মধ্যে বাংলাদেশের লক্ষ্য উচ্চ আয়ের দেশে পরিণত হওয়া। আর এর মুল অস্ত্র দেশটির পোশাক খাত। তবে সফল শিল্পায়ন নীতির জন্য ধন্যবাদ পাওয়ার যোগ্য বাংলাদেশ। এগুলোর মধ্যে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপের সঙ্গে অগ্রাধিকারমূলক বাণিজ্য চুক্তি নিয়ে আলোচনা করা এবং রফতানি অঞ্চলগুলোতে যন্ত্রপাতি আমদানির শুল্কমুক্ত অনুমতি দেওয়া।

আইএফসির এ কর্মকর্তা বলেন, বাংলাদেশ ৩ হাজার ৫০০টিরও বেশি কারখানায় ৪০ লাখ লোকের কর্মসংস্থান করেছে। দেশটি ১৬৭টি দেশে ৪৩ বিলিয়ন ডলারের পণ্য রপ্তানি করে। পোশাক কাটা, সেলাই ও একত্রিত করা কঠিন এবং ক্লান্তিকর ও সস্তা শ্রমের ওপর নির্ভর করে সাধারণত রফতানি-নেতৃত্বাধীন বৃদ্ধির মডেলগুলো চিরকাল স্থায়ী হয় না। তবে বাংলাদেশ সাফল্যের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে এবং পরিকল্পনার পরবর্তী ধাপে রয়েছে।

২০২৩ সালের অক্টোবরে বাংলাদেশ আসেন ফেমি আকিনরেবিয়ো। সেই অভিজ্ঞতা তুলে ধরে তিনি বলেন, বাংলাদেশের পোশাক শিল্পে মূলত নারী শ্রমশক্তির আধিপত্য রয়েছে, যাদের কাজে কারখানার ফ্লোর থেকে অর্থনীতির প্রবৃদ্ধি উপকৃত হয়েছে। ইন্টারন্যাশনাল ফিন্যান্স কর্পোরেশন (আইএফসি) এবং আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থার (আইএফসি) কর্মসূচি কারখানায় কাজের পরিবেশ উন্নত করেছে, লিঙ্গ বৈচিত্র্যকে উন্নত করেছে এবং নারীদের জন্য ব্যবস্থাপনার সুযোগ তৈরি করেছে।

তিনি বলেন, বাংলাদেশের এই অভিন্ন সমৃদ্ধির সামাজিক প্রভাব সুদূরপ্রসারী। প্রতিবেশি দেশগুলোর তুলনায় বাংলাদেশের নারীরা বেশি শিক্ষিত, দেশটির তিন-চতুর্থাংশ নারী শিক্ষিত। প্রতিবেশিদের তুলনায় দেশটির নারীদের শিক্ষা গ্রহণ, উচ্চ বেতনের চাকরি এবং স্বাস্থ্যবান সন্তান ধারণের সম্ভাবনা বেশি। আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সামান্য সহায়তায় উন্নয়নের সামাজিক ও টেকসই সুফল পোশাক উৎপাদনকারী দেশগুলোর পরবর্তী ক্লাস্টারে স্থানান্তরিত হবে।


আরও খবর
২৪ দিনে প্রবাসী আয় ১৮ হাজার কোটি টাকা

রবিবার ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৪