আজঃ বৃহস্পতিবার ১৯ মে ২০২২
শিরোনাম

দূষণের কবলে হালদা নদী, ঝুঁকিতে মৎস্য প্রজনন

প্রকাশিত:শনিবার ১৪ মে ২০২২ | হালনাগাদ:শনিবার ১৪ মে ২০২২ | ৩১০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

চরমভাবে দূষণের শিকার হচ্ছে এশিয়ার একমাত্র মিঠা পানির প্রাকৃতিক মৎস্য প্রজনন ক্ষেত্র হালদা নদী। প্রতিবছর কার্প জাতীয় রুই, কাতল, মৃগেল, কালি বাউশসহ বিভিন্ন প্রজাতির মা মাছ ডিম ছাড়ে এ নদীতে, যা দেশের অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। তবে বিশেষজ্ঞরা বলছে, দূষণ অব্যাহত থাকলে শিগগিরই প্রাণ হারাবে হালদা নদী, হ্রাস পাবে মৎস্য প্রজনন।

২০২০ সালে রুই জাতীয় মাছের মৎস্য প্রজনন কেন্দ্র হিসেবে খ্যাত এ নদীকে বঙ্গবন্ধু মৎস্য হেরিটেজ হিসেবে ঘোষণা করেছে সরকার। ফলে হালদার জীববৈচিত্র্য ও পরিবেশ রক্ষায় খাগড়াছড়ি জেলার রামগড় ও মানিকছড়ি উপজেলা, চট্টগ্রাম জেলার ফটিকছড়ি, রাউজান, হাটহাজারী উপজেলা এবং পাঁচলাইশ থানার মধ্য দিয়ে প্রবাহিত হালদা নদী এবং নদী তীরবর্তী ৯৩ হাজার ৬১২টি দাগের ২৩ হাজার ৪২২ একর সীমানার হেরিটেজ এলাকায় ১২টি শর্ত আরোপ করেছে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়। কিন্তু স্থানীয় প্রশাসন সচেতনতা ও বিভিন্ন সময় অভিযান চালালেও অনেক জায়গায় মানা হচ্ছে না এসব শর্ত। নদীর পাড়ে অবস্থিত বিভিন্ন বাজার কর্তৃপক্ষ ও স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের তদারকির অভাবে দূষিত হচ্ছে এই প্রাকৃতিক সম্পদ।

সরেজমিন চট্টগ্রামের ফটিকছড়ি নারায়ণহাটে নদীর পাড়ে দেখা মেলে ময়লার ভাগাড়ের। বাজারের ময়লা আবর্জনার স্তূপ করে রাখার ফলে বৃষ্টি হলে তা পানির সঙ্গে গড়িয়ে মিশে যাচ্ছে নদীতে। এর ফলে প্রতিনিয়ত দূষণের কবলে পড়ছে এই মৎস্য প্রজনন কেন্দ্রটি।

স্থানীয় ব্যবসায়ী আব্দুল নবী বলেন, স্থানীয় বাজারের মানুষ, মুরগির দোকানের উৎকৃষ্টসহ ময়লাগুলো ফেলে থাকে। আমার দোকান এই ময়লার স্তুপের পাশে হওয়াতে দোকানে অবস্থান করা অসহনীয় হয়ে পড়েছে। অনেকবার নিষেধ করা সত্ত্বেও কেউ মানছে না তা। গিয়াস উদ্দিন নামে এক পথচারী জানান, প্রতিদিন সকালে বাজার পরিষ্কার করার পর বর্জ্যগুলো এখানে এনে ফেলে যায়। বাজারের বিষাক্ত বর্জ্য পানির সাথে মিশে আশে-পাশের পরিবেশ ও পানি দূষিত হয়ে উৎকট দুর্গন্ধ সৃষ্টি হচ্ছে। উৎকট দুর্গন্ধের কারণে এ সময় শীতলক্ষ্যার তীরে দাঁড়িয়ে থাকাই দুরূহ হয়ে পড়েছে। নাকে রুমাল চেপে ধরে খেয়া পারাপার হতে হচ্ছে।

নারাণহাট বাজার ব্যবসায়ী কল্যান সমিতির সভাপতি মাস্টার আবু তাহের চৌধুরীর কাছে এ বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি জানান, আমরা এ বিষয় নিয়ে ইতিমধ্যে স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান ও প্রশাসনকে জানিয়েছিলাম তারা কার্যকর ব্যবস্থা না নিলে আমাদের কিছু করার নেই। নারায়ণহাট বাজারের ইজারাদার মাস্টার মাহবুবুল আলাম বলেন, আমরা চেয়ারম্যানের সাথে কথা বলেছি এটার জন্য আলাদা জায়গা ব্যবস্থা করছি সেখানে থেকে সরিয়ে অন্যত্রায় ফেলার ব্যবস্থা করব।

নারায়নহাট ইউপি চেয়ারম্যান আবু জাফর মাহমুদ চৌধুরী জানান, আমি উপজেলার সমন্বয় সভায় প্রথম মিটিংয়ে এটি উপস্থাপন করেছি এবং ইউএনও সাহেবকে জানিয়েছি আমরা দ্রুত ব্যবস্থা নিয়ে সরিয়ে ফেলার ব্যবস্থা করছি আশা করছি দ্রুত সময়ে আলাদা একটি ময়লার ডাম্পিং এর ব্যবস্থা করবো।

এ বিষয়ে ফটিকছড়ি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মহিনুল হাসান বলেন, আমরা বিষয়টি খুব গুরুত্বের সঙ্গে দেখছি। বিষয়টি স্থানীয় চেয়ারম্যানকে নির্দেশনা দিয়েছি। উনি আমাদের সাথে সমন্বয় করে দ্রুত সময়ে এটি পরিষ্কার করে ময়লা ফেলার একটি ডাম্পিংয়ের ব্যবস্থা করবে।

নিউজ ট্যাগ: হালদা নদী

আরও খবর



চীনে বহুতল ভবন ধসে ৫৩ জনের প্রাণহানি

প্রকাশিত:শুক্রবার ০৬ মে ২০২২ | হালনাগাদ:শুক্রবার ০৬ মে ২০২২ | ৩৮০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

চীনের চাংশা নগরীতে একটি বহুতল ভবন ধসে অন্তত ৫৩ জন নিহত হয়েছে বলে রাষ্ট্রায়ত্ত সম্প্রচারমাধ্যমের খবরে বলা হয়েছে। গত সপ্তাহে ভবন ধসের এ ঘটনা ঘটে, তারপর থেকে কয়েকদিন ধরে চলা উদ্ধারকাজের পর শুক্রবার সিসিটিভি নিহতের এ সংখ্যার কথা জানায়।

সিসিটিভির বরাত দিয়ে বার্তা সংস্থা রয়টার্স জানিয়েছে, ২৯ এপ্রিল হুনান প্রদেশের আট তলা ওই ভবনটি ধসে পড়ে, উদ্ধারকারীরা ধ্বংসস্তূপ থেকে এ পর্যন্ত ১০ জনকে জীবিত অবস্থায় বের করে আনতে সক্ষম হয়েছেন। এদের মধ্যে একজনকে ঘটনার ৫ দিন ১১ ঘণ্টা পর উদ্ধার করা হয়। 

চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং এ ঘটনার পর উদ্ধার অভিযান ও ঘটনার তদন্তের নির্দেশ দিয়েছিলেন। এ ঘটনায় ইতোমধ্যে নয়জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। দুর্ঘটনার জন্য চারজনের বিরুদ্ধে অভিযোগ আনা হয়েছে। বাকি পাঁচজনের বিরুদ্ধে অভিযোগ হলো ভুল নথিপত্র সরবরাহ করার।

চীনে আগেও ভবন ধসের এমন অনেক ঘটনা ঘটেছে। দুর্বল অবকাঠামো, নিরাপত্তা অব্যবস্থাপনা এবং স্থানীয় কর্মকর্তাদের মধ্যে দুর্নীতির কারণেই এ ধরনের ঘটনা ঘটছে বলে মনে করা হচ্ছে।


আরও খবর



ভাইজানের চোখ পড়েছে শেহনাজ গিলের ওপর

প্রকাশিত:শুক্রবার ২৯ এপ্রিল ২০২২ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২৯ এপ্রিল ২০২২ | ৫৭৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

বলিউডে বেশ কয়েকজন নায়িকাকে নিয়ে এসেছেন সালমান খান। তার হাত ধরে পরিচিতি পেয়েছেন জারিন খান কিংবা এই সময়ের সাই মাঞ্জেরকরসহ আরও অনেকে। এবার ভাইজানের চোখ পড়েছে টিভি জগতের জনপ্রিয় তারকা শেহনাজ গিলের ওপর। সুদর্শনা এই রমণীকেই এবার সিনেমার পর্দায় নিয়ে আসতে চলেছেন তিনি।

শোনা যাচ্ছে, সালমান খানের নতুন সিনেমা কাভি ঈদ কাভি দিওয়ালিতে দেখা যেতে পারে শেহনাজকে। সাল্লু নিজেই নাকি প্রস্তাব দিয়েছেন। এই সিনেমায় সালমানের ভগ্নীপতি আয়ুষ শর্মাও থাকছেন। তার বিপরীতে দেখা যাবে শেহনাজকে।

সুপারস্টারের সিনেমা দিয়ে বড় পর্দায় পা রাখতে চলেছেন শেহনাজ। এর জন্য কত পারিশ্রমিক পাচ্ছেন? শোনা যাচ্ছে, সালমান কোনো অংক বলেননি। বরং শেহনাজের ওপরই ছেড়ে দিয়েছেন। তিনি যতটা চান, তাই পাবেন। শুধু তাই নয়, শুটিং শিডিউলও নাকি নিজের পছন্দসই তারিখে নিতে বলেছেন সালমান।

তবে কি শেহনাজে মন গলেছ ভাইজানের? সে প্রশ্ন তোলা থাক। তবে সালমানের বিগ বস অনুষ্ঠানের ১৩তম আসরে ছিলেন শেহনাজ। তখন থেকেই তাকে পছন্দ করেন অভিনেতা। জীবনের বিভিন্ন ওঠা-নামার মাঝেও তার অবিকৃত সারল্য ও সততা মুগ্ধ করে সাল্লুকে।

টিভি তারকা সিদ্ধার্থ শুক্লার সঙ্গে গভীর প্রেম ছিল শেহনাজ গিলের। তাদের বিয়ে করার কথাও ছিল। তবে গত বছর হঠাৎ মারা যান সিদ্ধার্থ। এরপর একেবারে ভেঙে পড়েন শেহনাজ। কয়েক মাস হলো অভিনেত্রী স্বাভাবিক হয়ে কাজে ফিরেছেন।


আরও খবর



লক্ষ বছর আগের শিশুর দাঁত খুঁজে পেলেন বিজ্ঞানীরা

প্রকাশিত:বুধবার ১৮ মে ২০২২ | হালনাগাদ:বুধবার ১৮ মে ২০২২ | ১৫০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

সম্প্রতি লাওসের একটি গুহায় এক লক্ষ ৩০ হাজার বছরের পুরনো একটি মানুষের দাঁত খুঁজে পেলেন বিজ্ঞানীরা। প্রাথমিক ভাবে এটি একটি শিশুর দাঁত বলে মনে করা হচ্ছে।

মঙ্গলবার একটি গবেষণায় জানানো হয়েছে, উদ্ধার হওয়া এই শিশুর দাঁত মানুষের বিবর্তন সম্পর্কে বিজ্ঞানীদের আরও বেশি তথ্য জানতে সাহায্য করবে।

গবেষকদের দাবি, এই দাঁতটি মানুষের পূর্বপুরুষ ডেনিসোভান প্রজাতির। ডেনিসোভান প্রজাতি মানবজাতির বিলুপ্ত একটি শাখা। দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার উষ্ণ ক্রান্তীয় অঞ্চলে এই প্রজাতির বসবাস ছিল বলে মনে করা হয়।

মানবজাতির বিলুপ্ত আর একটি শাখা নিয়ানডারথালদের সঙ্গে ডেনিসোভান শাখার সম্পর্ক ছিল বলে ধারণা করা হয়। যদিও ডেনিসোভান শাখা সম্পর্কে খুবই কম তথ্য রয়েছে বিজ্ঞানীদের হাতে।

২০১০ সালে সাইবেরিয়ার গুহায় কাজ করার সময় ডেনিসোভান শাখার খোঁজ পান গবেষকরা। এর আগে এই শাখার বিষয়ে বিজ্ঞানীদের কোনও ধারণা ছিল না। গুহার মধ্যে এক মহিলার আঙুলের হাড় খুঁজে বের করার সময় তাঁরা প্রথম এই শাখার খোঁজ পান।সাইবেরিয়ার ডেনিসোভা গুহায় প্রথম সন্ধান পাওয়া যায় বলে মানুষের পূর্বপুরুষের এই প্রজাতির নাম দেওয়া হয়েছে ডেনিসোভান।

শুধুমাত্র একটি আঙুলের হাড় এবং একটি ছোট দাঁতের জিনের গঠন নিয়ে গবেষণা করে বিজ্ঞানীরা পুরো প্রজাতি সম্পর্কে সম্যক ধারণা পেয়েছেন।

পরে ২০১৯ সালে তিব্বত মালভূমিতে একটি চোয়ালের হাড় খুঁজে পাওয়া যায়। এই চোয়ালের হাড়ও ডেনিসোভান শাখার বলে গবেষকরা জানান। গবেষকরা এ-ও ধারণা করেন, এই প্রজাতির কিছু মানুষ চিনেও বসবাস করতেন।

ডেনিসোভানরা অদৃশ্য হওয়ার আগে সামান্য চিহ্ন রেখে গিয়েছিল। তবে ডিএনএ-র কোনও খোঁজ বিজ্ঞানীদের কাছে ছিল না।

অস্ট্রেলিয়ান এবং পাপুয়া নিউ গিনির আদিবাসীদের মধ্যে মানুষের পূর্বপুরুষের ডিএনএ-র পাঁচ শতাংশ পর্যন্ত রয়েছে।

দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায় মানুষের আধুনিক পূর্বপুরুষের সঙ্গে ডেনিসোভানদের যোগ ছিল বলেও বিজ্ঞানী ক্লেমেন্ট জানোলি জানিয়েছেন। ফ্রেঞ্চ ন্যাশনাল সেন্টার ফর সায়েন্টিফিক রিসার্চ-এর গবেষক ক্লেমেন্ট জানান, সাইবেরিয়া বা তিব্বতের পর্বত থেকে দূরে এশিয়া মহাদেশের এই অংশে ডেনিসোভানদের উপস্থিতির কোনও প্রমাণ নেই।

তবে এই ধারণা ভুল প্রমাণিত হয় যখন বিজ্ঞানীদের একটি দল উত্তর-পূর্ব লাওসের কোবরা গুহায় অনুসন্ধান শুরু করেন। ২০১৮ সালে টাম পা লিং গুহার পাশের একটি গুহায় এই দাঁতটি খুঁজে পাওয়া যায়।

দাঁতের বাইরের অংশের প্রোটিন পরীক্ষা করার পর গবেষকরা জানিয়েছেন, এই দাঁত সম্ভবত সাড়ে তিন থেকে সাড়ে আট বছর বয়সি এক নাবালিকার। তাপ এবং আর্দ্রতার কারণে দাঁতটির ডিএনএ অনেকাংশেই নষ্ট হয়ে যায়।

দাঁতের আকৃতি বিশ্লেষণ করার পর বিজ্ঞানীরা মনে করছেন এই দাঁত সম্ভবত ডেনিসোভান মানবের। এক লক্ষ ৩০ হাজার বছর থেকে এক লক্ষ ৬৪ হাজার আগে ডেনিসোভান মানবের অস্তিত্ব ছিল বলেও ধারণা বিজ্ঞানীদের।

নিউজ ট্যাগ: শিশুর দাঁত

আরও খবর



২৭ টাকা কেজি দরে বোরো ধান কিনবে সরকার

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ২৮ এপ্রিল ২০২২ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ২৮ এপ্রিল ২০২২ | ৪২০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

অভ্যন্তরীণ উৎস থেকে ধান সংগ্রহ অভিযান শুরু করেছে সরকার। বৃহস্পতিবার (২৮ এপ্রিল) থেকে প্রতি কেজি ধান ২৭ টাকা দরে সরাসরি কৃষকের কাছ থেকে কেনা শুরু হয়েছে। চাল সংগ্রহ শুরু হবে ৭ মে থেকে। ৩১ আগস্ট পর্যন্ত এ অভিযান চলবে। আজ খাদ্য অধিদপ্তরের সম্মেলন কক্ষ হতে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে যুক্ত হয়ে এ সংগ্রহ কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন খাদ্যমন্ত্রী সাধন চন্দ্র মজুমদার।

সাধন চন্দ্র মজুমদার বলেন, লাইসেন্স ছাড়া কেউ ধান কিনে অবৈধ মজুদ করতে পারবেন না। কে কতটুকু ধান কিনছেন কোন মিল মালিকের কাছে বিক্রি করছেন তা খাদ্য বিভাগকে জানাতে হবে। খাদ্য কর্মকর্তাদের এসব তথ্য নিয়মিত অধিদপ্তরে প্রেরণ করতে হবে। কেউ অবৈধভাবে মজুদ করছে কিনা তা কঠোর নজরদারিতে থাকবে।

তিনি বলেন, আজ সারাদেশে ধান সংগ্রহ শুরু হলেও চাল সংগ্রহ হবে ৭ মে থেকে। ৭-১৬ মের মধ্যে খাদ্য অধিদপ্তরের সাথে মিল মালিকদের চুক্তিবদ্ধ হতে হবে উল্লেখ করে তিনি বলেন, কোন ক্রমেই চুক্তিবদ্ধ হওয়ার সময় বাড়ানো হবে না।

তিনি আরো বলেন, সংগ্রহ অভিযান সফল করতে একটি সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা থাকা দরকার। সংগ্রহ মৌসুমের শেষের দিকে তাড়াহুড়ো না করে পরিকল্পনা মোতাবেক সংগ্রহ কার্যক্রম সফল করতে খাদ্য বিভাগের কর্মকর্তাদের প্রতি নির্দেশনা দেন।

এ সময় ঢাকা বিভাগের টাঙ্গাইল, রাজশাহী বিভাগের নওগাঁ, রংপুর বিভাগের দিনাজপুর,সিলেট বিভাগের সুনামগঞ্জ, ময়মনসিংহ বিভাগের ময়মনসিংহ, চট্টগ্রাম বিভাগের ব্রাহ্মণবাড়িয়া, বরিশাল বিভাগের বরিশাল এবং খুলনা বিভাগের ঝিনাইদহ হতে জেলার জনপ্রতিনিধি, জেলা প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, জেলা খাদ্য বিভাগের কর্মকর্তা, মিল মালিক এবং কৃষক প্রতিনিধিগণ অনলাইনে সংযুক্ত ছিলেন।

খাদ্যমন্ত্রী কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সঠিকভাবে নির্দেশনা মোতাবেক ধান সংগ্রহের মাধ্যমে মজুত বাড়ানোর নির্দেশনা দেন। গুদামে ধান দেওয়ার সময় কৃষকগণ যাতে কোনো প্রকার হয়রানির শিকার না হয় সেদিকে সজাগ দৃষ্টি রাখার জন্যও কর্মকর্তা-কর্মচারীদের প্রতি নির্দেশ দেন তিনি। পাশাপাশি ধান এবং চালের কোয়ালিটির সঙ্গে কোনো প্রকার আপস করা হবে না বলেও জানান।

খাদ্য মন্ত্রণালয়ের সচিব ড. মোছাম্মাৎ নাজমানারা খানুম এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে খাদ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো. সাখাওয়াত হোসেন, খাদ্য মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব (প্রশাসন) মো. মজিবুর রহমান, খাদ্য অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক আব্দুল্লাহ আল মামুন এবং পরিচালক (সংগ্রহ) মো. রায়হানুল কবীর বক্তব্য রাখেন।

উল্লেখ্য, বিগত ২৪ ফেব্রুয়ারি খাদ্য পরিকল্পনা ও পরিধারণ কমিটির সভায় চলতি বোরো মৌসুমে সারাদেশে সরাসরি কৃষকের কাছ থেকে ২৭ টাকা কেজি দরে ৬ লাখ ৫০ হাজার মেট্রিক টন ধান, মিলারদের কাছ থেকে ৪০টাকা কেজি দরে ১১ লাখ মেট্রিক টন সিদ্ধ চাল ও ৩৯ টাকা কেজি দরে পঞ্চাশ হাজার মেট্রিক টন আতপ চাল সংগ্রহের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়।


আরও খবর



শ্রীলঙ্কাকে ২০ কোটি টাকার ওষুধ দিচ্ছে বাংলাদেশ

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ০৫ মে ২০২২ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ০৫ মে ২০২২ | ৩৮৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

শ্রীলংকাকে ২০ কোটি টাকার জরুরি ওষুধ উপহার দিয়েছে বাংলাদেশ। বৃহস্পতিবার দুপুরে রাজধানীর রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন পদ্মায় বাংলাদেশের পক্ষ হতে শ্রীলঙ্কাকে জরুরি ওষুধ উপহার হস্তান্তর অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী ডা. জাহিদ মালেক। উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ ঔষধ শিল্প এসোসিয়েশনের সভাপতি নাজমুল আহসান পাপন ও ঢাকায় নিযুক্ত শ্রীলঙ্কার হাই কমিশনার প্রফেসর সুদর্শন সেনেভিরাত্নে।

এসময় পররাষ্ট্র সচিব (সিনিয়র সচিব) মাসুদ বিন মোমেন, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের (সচিব পূর্ব) মাশফি বিনতে শামস, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এবং স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।


আরও খবর