আজঃ বৃহস্পতিবার ২৪ জুন ২০২১
শিরোনাম

এবার বালিতে পোঁতা লাশ মিলল গঙ্গার তীরে

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ১৩ মে ২০২১ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ১৩ মে ২০২১ | ১৫১জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

বিহার ও উত্তরপ্রদেশে গঙ্গা নদীতে কয়েক ডজন লাশ ভেসে আসার পর এবার নদীটির ধারে অন্তত দুটি স্থানে বালিতে পোঁতা একাধিক মৃতদেহ পাওয়া গেছে।

উত্তরপ্রদেশের রাজধানী লখনৌ থেকে ৪০ কিলোমিটার দূরে উন্নাও জেলার দুটি স্থানে এ মৃতদেহগুলো পাওয়া যায় বলে ভারতের গণমাধ্যমগুলো জানিয়েছে।

এনডিটিভি জানিয়েছে, বৃহস্পতিবার সকালে একদল কর্মকর্তা ঘটনাস্থলে গিয়ে যে দুটি স্থানে মৃতদেহগুলো পাওয়া গেছে, সেসব স্থানে আরও গভীর গর্ত খুঁড়ে লাশগুলোকে সমাহিত করেছেন।

পোড়ানোর কাঠের অভাবে এ মৃতদেহগুলো বালিতে পুঁতে ফেলা হতে পারে বলে অনেকে ধারণা করছেন।

মোবাইল ফোনে তোলা ছবি ও ভিডিওতে দুই স্থানেই একাধিক পোতাঁ লাশ ও স্থানীয়দের ভিড় দেখা গেছে; বেশিরভাগ মৃতদেহের গায়ে জড়ানো ছিল গেরুয়া কাপড়।

জেলা ম্যাজিস্ট্রেট রবীন্দ্র কুমার এক বিবৃতিতে বলেছেন, কেউ কেউ মৃতদেহ না পুড়িয়ে নদীর ধারে বালিতে কবর দেয়। খবর পেয়ে আমি ঘটনাস্থলে কর্মকর্তাদের পাঠিয়েছি। আমি তাদেরকে এ বিষয়ে তদন্ত ও যথাযথ ব্যবস্থা নিতেও বলেছি।

যে মৃতদেহগুলো মিলেছে, সেগুলো কোভিড রোগীর কিনা তা নিশ্চিত নয় বলেও মন্তব্য করেছেন তিনি।

চলতি সপ্তাহে বিহার ও উত্তরপ্রদেশে গঙ্গায় ভেসে আসা ৭০ এরও বেশি মৃতদেহের দেখা মিলেছে। মঙ্গলবারও উত্তরপ্রদেশের গাজিপুরে নদীতে ভেসে আসা লাশ পাওয়া গেছে।

পোড়ানোর কাঠের অভাব, লাশগুলোকে ভাসিয়ে দেওয়ার একটি কারণ হতে পারে বলে মনে করছেন স্থানীয়রা।

সরকারি তালিকায় স্থান না দেওয়া কোভিড-১৯ এ মৃতদের লাশ এভাবে ভাসিয়ে দেওয়া হতে পারে বলেও অনুমান করছেন তারা।



আরও খবর
করোনার ডেল্টা প্লাসে প্রথম মৃত্যু

বৃহস্পতিবার ২৪ জুন ২০২১




জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ৩ লাখ ১৬ হাজার শিক্ষার্থী অটোপাস

প্রকাশিত:বুধবার ১৬ জুন ২০২১ | হালনাগাদ:বুধবার ১৬ জুন ২০২১ | ৮২জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image
২০২০ সালে অনার্স ১ম বর্ষ পরীক্ষায় অংশগ্রহণের জন্য ফরম পূরণ করেছেন সর্বমোট ৪ লাখ ৬৭ হাজার ৮৩৫ জন শিক্ষার্থী। এদের মধ্যে নিয়মিত শিক্ষার্থী সংখ্যা ২ লাখ ৯৭ হাজার ৬২৬ জন

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অনার্স প্রথম বর্ষের ৩ লাখ ১৬ হাজার ৬৭৬ জন শিক্ষার্থীকে অটোপাস দেওয়া হয়েছে। বুধবার (১৬ জুন) জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অনার্স ১ম বর্ষের শিক্ষার্থীদের শর্তসাপেক্ষে ২য় বর্ষে প্রমোশন দেওয়ার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। কোভিড-১৯ মহামারির কারণে শিক্ষার্থীদের পরীক্ষা গ্রহণ করা সম্ভব হয়নি। যেসব শিক্ষার্থী ২০২০ সালে অনার্স ১ম বর্ষ পরীক্ষায় অংশগ্রহণের জন্য ফরম পূরণ করেছেন তাদেরকে শর্তসাপেক্ষে ২য় বর্ষে প্রমোশন দিয়ে ক্লাস করার অনুমতি দেওয়া হয়েছে।

২০২০ সালে অনার্স ১ম বর্ষ পরীক্ষায় অংশগ্রহণের জন্য ফরম পূরণ করেছেন সর্বমোট ৪ লাখ ৬৭ হাজার ৮৩৫ জন শিক্ষার্থী। এদের মধ্যে নিয়মিত শিক্ষার্থী সংখ্যা ২ লাখ ৯৭ হাজার ৬২৬ জন, অনিয়মিত শিক্ষার্থী সংখ্যা ১৯ হাজার ৫০ জন। আর মানোন্নয়ন পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ১ লাখ ৫১ হাজার ১৫৯ জন। এসব শিক্ষার্থীর মধ্যে ২য় বর্ষে প্রমোশন পাবেন ৩ লাখ ১৬ হাজার ৬৭৬ জন শিক্ষার্থী। ২০১৯-২০২০ শিক্ষাবর্ষে ভর্তি হয়েছিল ৩ লাখ ৭৩ হাজার ৮৭৬ জন শিক্ষার্থী।

এর আগে গতকাল মঙ্গলবার (১৫ জুন) জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক মশিউর রহমান বলেন, করোনার কারণে অনার্স পরীক্ষা নেওয়া সম্ভব হয়নি। সেজন্য শর্তসাপেক্ষে অনার্স প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থীদের অটোপাসের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তবে করোনা পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থীদের দ্বিতীয় বর্ষে উত্তীর্ণ করে দিলেও তাদেরকে প্রথম বর্ষের বিষয়গুলোর পরীক্ষা নেওয়া হবে। তখন অটোপাস পাওয়া শিক্ষার্থীদের সেসব পরীক্ষায় পাস করতে হবে।


আরও খবর



গত ২৪ ঘন্টায় চাঁপাইনবাবগঞ্জে সংক্রমণের হার কমেছে

প্রকাশিত:রবিবার ০৬ জুন ২০২১ | হালনাগাদ:রবিবার ০৬ জুন ২০২১ | ৯৩জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

চাঁপাইনবাবগঞ্জে করোনাভাইরাস সংক্রমণের হার কমেছে বলে জানিয়েছে স্বাস্থ্যবিভাগ। তাদের দেয়া তথ্য অনুযায়ী শুক্রবারের তুলনায় শনিবার সংক্রমণ হার ১৪ ভাগ কমেছে। শুক্রবার এ জেলায় গড় সংক্রমণের হার ছিলো ৫৫.১৫ ভাগ, যেটা শনিবার ছিল ৪০.৬৮ ভাগ।

চাঁপাইনবাবগঞ্জের সিভিল সার্জন জাহিদ নজরুল চৌধুরী বলেন, শনিবার (৫ জুন) ৩৪৯ জনের নমুনা পরীক্ষায় ১৪২ জনের করোনা শনাক্ত হয়, সে হার ছিলো ৪০.৬৮ ভাগ।

এদিকে চাঁপাইনবাবগঞ্জে চলমান ২য় দফা লকডাউনের ৬ষ্ঠ দিনে মানুষের চলাচল আগের দিনগুলোর চাইতে বেড়েছে। জেলার কার্যক্রমও স্বাভাবিক রয়েছে। সকাল থেকে পুলিশের ৫০টি চেকপোস্টে দায়িত্ব পালন করছে তারা।

চাঁপাইনবাবগঞ্জের সিভিল সার্জন জাহিদ নজরুল চৌধুরী বলেন, করোনা আক্রান্তদের মধ্যে ২৪৩ জন শনিবার সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন। এখন পর্যন্ত শনাক্ত হওয়া ২৪৮৯ জনের মধ্যে সুস্থ হয়েছেন ১৪৬৪ জন। সুস্থতার হার ৫৮.৮১ ভাগ।

এদিকে চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর হাসপাতালের করোনা ইউনিটের দায়িত্বপ্রাপ্ত তথ্যকর্মকর্তা ডা. আহনাফ শাহরিয়ার বলেন, শনিবার বিকালে রবিবার সকাল ৮টা পর্যন্ত ৪৮ জন রোগী ভর্তি হয়েছে।


নিউজ ট্যাগ: চাঁপাইনবাবগঞ্জ

আরও খবর



ভারতে শনাক্ত ও মৃত্যুর হার কমেছে

প্রকাশিত:বুধবার ১৬ জুন ২০২১ | হালনাগাদ:বুধবার ১৬ জুন ২০২১ | ৫৬জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

গত কয়েক মাসে ভারতে ভয়াবহভাবে নিষ্পেষিত করেছে এই মহামারী। একটা সময় প্রায় প্রতিদিনই শনাক্ত গুনেছে ৩ লক্ষাধিক। মৃত্যু ৩ বা ৪ হাজারের অধিক।  তবে এবার সেই ধারায় শিথিলতা এসেছে।  কমে এসেছে করোনার দাপট।

ওয়ার্ল্ডোমিটার্স এর তথ্য অনুযায়ী, টানা কয়েকদিন ধরে ভারতে শনাক্ত ও মৃত্যুর হার কমেছে।  গত ২৪ ঘণ্টায় শনাক্ত ছিলো ৬২ হাজার ২২৬ জন এবং মৃত্যু ১ হাজার ৪৭০ জন।

দুইদিন আগে গত ১৪ জুন এই সংখ্যা ছিলো ৬২ হাজার ৫৯৭ জন (শনাক্ত) এবং মৃত্যু ১ হাজার ৪৫২ জন। তার আগের দিন ১৩ জুন ছিলো ৬৮ হাজার ৪০০ জন (শনাক্ত) এবং মৃত্যু ১ হাজার ৬৭১ জন। আর ১২ জুন শনাক্ত ছিলো ৮১ হাজার ৫ জন এবং মৃত্যু ১ হাজার ৮৩০ জন।

তুলনামূলক কিছুটা বেশি ছিল ১১ ও ১০  জুন। ১১ তারিখে শনাক্ত ছিলো ৮৪ হাজার ৬৯৫ জন এবং মৃত্যু ১ হাজার ৯২৯ জন। আর ১০ জুন শনাক্ত ৯১ হাজার ২৬৬ জন এবং মৃত্যু ২ হাজার ১৮ জন।

আজ পর্যন্ত ভারতে মোট করোনা শনাক্ত হয়েছে ২ কোটি ৯৬ লাখ ৩২ হাজার ২৬১ জন।  মোট মৃত্যু হয়েছে ৩ লাখ ৭৯ হাজার  ৬০১ জনের এবং সুস্থ হয়ে উঠেছেন ২ কোটি ৮৩ লাখ ৮০ হাজার ৬৩৪ জন।

গত একদিনে সারাবিশ্বে করোনা শনাক্ত হয়েছে ৩ লাখ ৭০ হাজার ৩৮৩ জন এবং মারা গেছে ৯ হাজার ১৪৯ জন।

এই দিন সর্বোচ্চ শনাক্ত ও মৃত্যু হয়েছে ব্রাজিলে।  শনাক্ত ৮৮ হাজার ৯৯২ জন এবং মৃত্যু ২ হাজার ৭৬০ জন।

সারাবিশ্বে এখন পর্যন্ত মোট করোনা শনাক্ত হয়েছে ১৭ কোটি ৭৪ লাখ ৮ হাজার ৬১৮ জন। মৃত্যু হয়েছে ৩৮ লাখ ৩৮ হাজার ৩৭৫ জন।  এর মধ্যে সুস্থ হয়ে উঠেছে ১৬ কোটি ১৮ লাখ ৩৭ হাজার ৯১৮ জন মানুষ।


আরও খবর
করোনার ডেল্টা প্লাসে প্রথম মৃত্যু

বৃহস্পতিবার ২৪ জুন ২০২১




হাজার হাজার রকেট বানাচ্ছে হামাস

প্রকাশিত:সোমবার ৩১ মে ২০২১ | হালনাগাদ:সোমবার ৩১ মে ২০২১ | ১১৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

গাজা উপত্যকায় বিমান হামলার বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তুলতে ইসরায়েলে হাজার হাজার রকেট হামলা চালিয়েছিল ফিলিস্তিনের ইসলামি প্রতিরোধ আন্দোলন হামাস। মূলত এই রকেট হামলায় নাস্তানাবুদ ইসরায়েল যুদ্ধবিরতিতে যেতে বাধ্য হয়।

তবে হামাস থেমে নেই। প্রতিরোধ যুদ্ধের নতুন কৌশল নিয়ে এগিয়ে যাচ্ছে সংগঠনটি। ভবিষ্যতে আরও প্রবল আক্রমণের মাধ্যমে ইসরায়েলকে কাবু করার জন্য হাজার হাজার রকেট তৈরি করছে তারা।

অবরুদ্ধ গাজা উপত্যকায় হাজার হাজার নতুন রকেট নির্মাণের কাজ শুরু করা হয়েছে বলে ঘোষণা দিয়েছেন সংগঠনের একজন পলিটব্যুরো নেতা। তিনি বলেছেন, ইসরায়েলি আগ্রাসন বন্ধ হওয়ার পর গাজার রকেট নির্মাণ কারাখানাগুলো আবার চালু হয়েছে।

হামাস নেতা ফাতনি হামাদ রোববার গাজায় এ ঘোষণা দিয়ে বলেন, ইহুদিবাদীদের সর্বশেষ আগ্রাসন বন্ধ হওয়ার পর ফিলিস্তিনি প্রতিরোধ আন্দোলন রকেট উৎপাদন প্রক্রিয়া আবার শুরু করেছে।

তিনি বলেন, বায়তুল মুকাদ্দাস ও আল-আকসায় ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহুর দমন অভিযান রুখে দিতে আমাদের কারখানা এবং ওয়ার্কশপগুলোতে হাজার হাজার রকেট নির্মাণের কাজ শুরু করা হয়েছে।

মে মাসের গোড়ার দিকে আল-আকসা মসজিদে মুসল্লিদের ওপর ইসরায়েলি সেনারা ব্যাপক দমন অভিযান শুরু করে। এর প্রতিবাদে গাজা উপত্যকা থেকে ইসরায়েল অভিমুখে রকেট নিক্ষেপ শুরু করে প্রতিরোধ আন্দোলনগুলো। অন্যদিকে দখলদার ইসরায়েল টানা ১২ দিন গাজা উপত্যকার বেসামরিক স্থাপনায় বর্বর বিমান হামলা চালায়। এতে ফিলিস্তিনের নারী-শিশুসহ আড়াই শতাধিক মানুষ নিহত হয়।


আরও খবর
করোনার ডেল্টা প্লাসে প্রথম মৃত্যু

বৃহস্পতিবার ২৪ জুন ২০২১




পরীমণিকাণ্ডে সেই নাসির গ্রেপ্তার

প্রকাশিত:সোমবার ১৪ জুন ২০২১ | হালনাগাদ:সোমবার ১৪ জুন ২০২১ | ১১৩জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

নায়িকা পরীমণিকে ধর্ষণ চেষ্টার ঘটনায় দায়ের করা মামলার প্রধান আসামি ব্যবসায়ী নাসির ইউ মাহমুদকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) ও ঢাকা জেলা পুলিশের যৌথ অভিযানে তিনি গ্রেপ্তার হন।

সোমবার (১৪ জুন) দুপুর ২ টায় তাকে রাজধানীর উত্তরার নিজ বাসা থেকে গ্রেপ্তার করা হয় বলে জানা গেছে। মামলার পরই আলোচিত ব্যবসায়ী নাসিরকে গ্রেপ্তারে মাঠে নেমে পড়েছিলো আইন প্রয়োগকারী সংস্থার সদস্যরা।

অভিযান পরিচালনাকারী বিশ্বস্ত সূত্র বলছে, পরীমণির অভিযোগের ভিত্তিতে আবাসন ব্যবসায়ী নাসির ইউ মাহমুদকে উত্তরার সেক্টর-১ এর ১২ নম্বর রোডস্থ নিজস্ব বাসা (১৩ নং) থেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

এ অভিযানে নেতৃত্ব দেন ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের উপ-কমিশনার (ডিসি) মশিউর রহমান। অন্যদিকে ঢাকা জেলা পুলিশের নেতৃত্ব দেন সাভার সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ ‍সুপার আব্দুল্লাহিল কাফী।

তবে ঢাকা জেলার পুলিশ সুপার (এসপি) মারুফ হোসেন সরদার বলেন, এ বিষয়ে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া অব্যাহত আছে।

তবে এসপির কথায় নাসিরকে গ্রেপ্তার করার ইঙ্গিত পাওয়া গেছে। নাসিরকে গ্রেপ্তারের বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে এসপি বলেন, কাজ চলতেছে, আমার উপর আস্থা রাখেন। একটু সময় দেন। বিকেলের দিকে খোঁজ নিয়েন।

নিউজ ট্যাগ: পরীমণি

আরও খবর