আজঃ সোমবার ০৮ মার্চ ২০২১
শিরোনাম

এবার চশমায় শোনা যাবে গান

প্রকাশিত:শনিবার ০৬ ফেব্রুয়ারী ২০২১ | হালনাগাদ:সোমবার ১৫ ফেব্রুয়ারী ২০২১ | ১২৫জন দেখেছেন
Share
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

প্রযুক্তির জগতে প্রতিনিয়তই এমন চমক আসছে, যা হয়তো বছর পাঁচেক আগেও কল্পনা করতে পারত না । বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির অগ্রগতি আমাদের অবাক করছে বটে। তবে আমরাও এই অগ্রগতির সঙ্গে পা মেলাচ্ছি। এবার আরও একটি অসাধারণ আবিষ্কারের কথা শোনা যাচ্ছে। স্মার্টফোনের পর বাজারে আসতে চলেছে স্মার্ট গ্লাস।

অ্যাপল, স্যামস্যাং, অপোর মতো সংস্থাগুলো ইতোমধ্যে স্মার্ট গ্লাস তৈরির কাজ শুরু করেছে। এই চশমায় এআর (Augmented Reality) প্রযুক্তি থাকবে বলে মনে করা হচ্ছে। এবার একই পথে স্মার্ট গ্লাস তৈরির কাজ শুরু করল চীনা সংস্থা শাওমি। এই চশমা ভার্চুয়াল তথ্য দেবে। ফোনে যেমন ফটো ও ভিডিও আলাদা করে রাখা ও দেখা যায়, এই চশমাতেও তেমনই অপশন থাকবে। ফোনের নোটিফিকেশনও চশমায় দেখা যাবে। এছাড়া হোডফোন ছাড়াই এই চশমায় গান শোনা যাবে।

শাওমি তাদের স্মার্ট গ্লাস এ ফটোথেরাপি ফিচার দিতে পারে। যার ফলে এই চশমার মাধ্যমে মানসিকভাবে অসুস্থ ও ডিপ্রেশন এ ভোগা ব্যক্তিদের চিকিত্সাও সম্ভব হবে। সাউন্ড ও ভিজুয়াল, দু’রকম সিগনাল এই চশমার মাধ্যমে পাঠানো যাবে।

নিউজ ট্যাগ: স্মার্ট গ্লাস
Share

আরও খবর



আবরার হত্যা : ২৫ আসামির আত্মপক্ষ সমর্থন ১৪ মার্চ

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ০৪ মার্চ ২০২১ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ০৪ মার্চ ২০২১ | ৯৬জন দেখেছেন
Share
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) শিক্ষার্থী আবরার ফাহাদ রাব্বী (২২) হত্যা মামলায় ২৫ আসামির বিরুদ্ধে সাক্ষ্যগ্রহণ সমাপ্ত করেছেন আদালত। একই সঙ্গে আগামী ১৪ মার্চ এ মামলার আত্মপক্ষ সমর্থনের দিন ধার্য করা হয়েছে।

ঢাকার দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল-১-এর বিচারক আবু জাফর মোহাম্মদ কামরুজ্জামানের আদালতে আজ বৃহস্পতিবার এ সাক্ষ্যগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। আদালতের সরকারি কৌঁসুলি (পিপি) আবু আব্দুল্লাহ মিঞা এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

আবু আব্দুল্লাহ মিঞা বলেন, আজ এ মামলায় তদন্ত কর্মকর্তা ডিবি পুলিশের পরিদর্শক ওয়াহিদুজ্জামানের জেরা শেষ করেন আইনজীবীরা। এরপরই বিচারক আত্মপক্ষ সমর্থনের জন্য দিন নির্ধারণ করেন।

পিপি আরও বলেন, আত্মপক্ষ সমর্থনের পরই এ মামলায় যুক্তিতর্ক ও শুনানি অনুষ্ঠিত হবে। এরপর আসামিরা সাফাই সাক্ষ্য না দিলে মামলার রায় যেকোনো দিন ঘোষণা করবেন বিচারক।

২০১৮ সালের ৬ অক্টোবর রাতে বুয়েটের শেরেবাংলা হলের একটি কক্ষে বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা আবরারকে পিটিয়ে হত্যা করেন। এ ঘটনায় ১৯ জনকে আসামি করে পরের দিন ৭ অক্টোবর চকবাজার থানায় একটি হত্যা মামলা করেন আবরারের বাবা।

মামলার ২৫ আসামি

মামলায় আসামিরা হলেন- বুয়েট ছাত্রলীগের বহিষ্কৃত সাধারণ সম্পাদক মেহেদী হাসান রাসেল, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মুহতামিম ফুয়াদ, তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক মো. অনিক সরকার ওরফে অপু, সাংগঠনিক সম্পাদক মেহেদী হাসান রবিন ওরফে শান্ত, আইনবিষয়ক উপসম্পাদক অমিত সাহা, উপসমাজসেবাবিষয়ক সম্পাদক ইফতি মোশাররফ সকাল, ক্রীড়া সম্পাদক মো. মেফতাহুল ইসলাম জিয়ন, গ্রন্থ ও প্রকাশনাবিষয়ক সম্পাদক ইশতিয়াক আহম্মেদ মুন্না, কর্মী মুনতাসির আল জেমি, খন্দকার তাবাখখারুল ইসলাম তানভীর, মো. মুজাহিদুর রহমান, মো. মনিরুজ্জামান মনির, আকাশ হোসেন, হোসেন মোহাম্মদ তোহা, মো. মাজেদুর রহমান মাজেদ, শামীম বিল্লাহ, মুয়াজ ওরফে আবু হুরায়রা, এ এস এম নাজমুস সাদাত, আবরারের রুমমেট মিজানুর রহমান, শামসুল আরেফিন রাফাত, মোর্শেদ অমত্য ইসলাম, এস এম মাহমুদ সেতু, মুহাম্মদ মোর্শেদ-উজ-জামান মণ্ডল ওরফে জিসান, এহতেশামুল রাব্বি ওরফে তানিম ও মুজতবা রাফিদ।

আসামিদের মধ্যে মুহাম্মদ মোর্শেদ-উজ-জামান মণ্ডল ওরফে জিসান, এহতেশামুল রাব্বি ওরফে তানিম ও মুজতবা রাফিদ পলাতক। বাকি ২২ জন গ্রেপ্তার আছেন। এ মামলায় আটজন আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন।

মামলার বিবরণ

২০১৯ সালের ১৩ নভেম্বর মামলার তদন্ত কর্মকর্তা গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশের পরিদর্শক (নিরস্ত্র) মো. ওয়াহিদুজ্জামান ২৫ জনকে আসামি করে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। এরপর ওই বছরের ১৭ ফেব্রুয়ারি এ মামলার বিচারকাজ দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালে পাঠানোর জন্য ঢাকার মহানগর পাবলিক প্রসিকিউটরের (পিপি) কার্যালয়ে আবেদন করেন নিহত আবরার ফাহাদের বাবা মো. বরকত উল্লাহ। গত বছরের ১২ মার্চ আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রী অ্যাডভোকেট আনিসুল হক আবরার হত্যা মামলাটি দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালে পাঠানোর ফাইল অনুমোদন করেন।

Share

আরও খবর



চার লেন হচ্ছে নওগাঁর প্রধান সড়ক

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ০২ মার্চ 2০২1 | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ০২ মার্চ 2০২1 | ১৪৩জন দেখেছেন
Share
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image
বহুবছর ও বহু কাটখড় পোড়ানোর পর নওগাঁর মানুষের দীর্ঘদিনের দাবীর পরিপ্রেক্ষিতে প্রধান সড়কটি দুই লেন করা হলেও তা মূল শহরের কিছু ব্যক্তি মালিকানার স্থাপনার কারণে দুই লেনের জন্য যে জায়গার প্রয়োজন তাও করা সম্ভব হয়নি

তিলোত্তমা শহর নওগাঁ, ছোট যমুনা নদী বিভক্ত করেছে এই নওগাঁ শহরকে। মূলত ছোট যমুনা নদীকে ঘিরেই গড়ে উঠেছে তিলোত্তমা এই শহর। আর শহরে চলাচলের জন্য একটি প্রধান সড়কই ভরসা। দিন যতই যাচ্ছে ততই নওগাঁ শহরে বসতি সংখ্যা বৃদ্ধি পাচ্ছে। বৃদ্ধি পাচ্ছে ছোট ছোট যানবাহন কিন্তু সেই তুলনায় আধুনিকায়ন হচ্ছে না শহরের অভ্যন্তরের বড়-ছোট জনগুরুত্বপূর্ন সড়কগুলো। যার কারণে ছুটির দিন বাদে শহরের যে কোন রাস্তা কিংবা সড়কে সকাল থেকে রাত পর্যন্ত যানজট লেগেই থাকে। শহরকে এই যানজট মুক্ত করার লক্ষ্যে শহরের প্রধান সড়ক প্রসস্থ করার পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে নওগাঁ সড়ক ও জনপদ বিভাগ।

১৮৭৭ সালে নওগাঁ মহকুমা গঠিত হয়। এরপর প্রায় ১০৭ বছর পর ১১টি উপজেলা নিয়ে ১৯৮৪ সালের ১মার্চ নওগাঁ জেলায় রুপান্তর হয়। নওগাঁ শহর থেকে ৫কিলোমিটার দূরে সান্তাহার রেল জংশন স্থাপন হলে তা মূলত ছিলো নওগাঁর জন সাধারণের চলাচলকে কেন্দ্র করে। সান্তাহারে রেল চলাচল শুরু হলে নওগাঁর গুরুত্ব আরো বেড়ে যায়। প্রয়োজন দেখা দেয় পাকা সড়কের। তখন রাজশাহী জেলা বোর্ডের উদ্যোগে সান্তাহার থেকে একটি প্রসস্থ সড়ক নির্মান করা হয় মহাদেবপুর পর্যন্ত। সড়কটি ছিল প্রথম দিকে সুরকী বিছানো সড়ক। অনেক পরে সড়কটি সান্তাহার থেকে নওগাঁর কাজীর মোড় পর্যন্ত কনক্রিট করা হয়। বিভিন্ন সময় ধীরে ধীরে সড়কটি তার রুপ পাল্টাতে থাকে। এরপর বর্তমান অবস্থায় এসে পৌঁছে। কিন্তু ক্রমবর্ধমান জনসংখ্যা ও যান চলাচল বৃদ্ধি পাওয়ায় এই সড়কটি এখন চলাচলের অযোগ্য হয়ে পড়েছে।

নিনিত্যদিন অসহনীয় যানজট আর ফুটপাত বিহীন সড়কটি নওগাঁ শহরবাসীর জন্য আগে ছিল বিড়ম্বনার এখন তা হয়ে উঠেছে গলার কাটা। শত শত সিএনজি চালিত থ্রি হুইলার, ব্যাটারী চালিত ইজিবাইক, বউ সোহাগী, রিক্সা, মটর সাইকেল, বাস, ট্রাকসহ নানান যানবাহনের জটে শহরটি যেনো দিন দিন মরণ ফাঁদে পরিণত হচ্ছে। ছোট বড় দূর্ঘটনা এখন প্রতিদিনের বিষয়। স্কুল কলেজগামী শিক্ষার্থী ও পথচারীরা হয়ে পড়েছে ওই যানজটের অন্যতম শিকার। এই দূর্ভোগ থেকে উত্তরনের একমাত্র উপায় হচ্ছে সড়ক প্রসস্থকরন।

বহুবছর ও বহু কাটখড় পোড়ানোর পর নওগাঁর মানুষের দীর্ঘদিনের দাবীর পরিপ্রেক্ষিতে প্রধান সড়কটি দুই লেন করা হলেও তা মূল শহরের কিছু ব্যক্তি মালিকানার স্থাপনার কারণে দুই লেনের জন্য যে জায়গার প্রয়োজন তাও করা সম্ভব হয়নি। এবার নওগাঁবাসীর জন্য সুখবর বয়ে আনছে নওগাঁ সড়ক ও জনপদ বিভাগ। নওগাঁর ঢাকা রোডের মোড় থেকে চৌমাশিয়ার (নওহাটা) মোড় পর্যন্ত সাড়ে ১৬ কিলোমিটার সড়কটি ৪লেনে উন্নীত করার পরিকল্পনার গ্রহন করেছে নওগাঁ সড়ক ও জনপদ বিভাগ। সড়কের প্রয়োজনে নির্মাণ করা হবে, ব্রীজ, কালর্ভাট, ড্রেন, ফুটপাত ও রোড ডিভাইডারসহ নানান অবকাঠামো। মোট ১০০ ফুট প্রসস্থ হবে বর্তমান সড়কটি। আগামী ১মাসের মধ্যে এ সংক্রান্ত ডিপিপি সাবমিট করা হবে বলে সওজ অফিস সূত্রে জনা গেছে।

অপরদিকে শহরের মধ্যে ছোট যমুনা নদীর উপরের লিটন সেতুটি ২লেনের। বর্তমান লিটন সেতুটি ব্যাপক সংস্কারের আওতায় আনা হবে। এই সেতুর আদলে পাশে আরেকটি নতুন সেতু নির্মাণ করা হবে। একই ভাবে শহরের অপর তুলশী গঙ্গা নদীর উপর ২লেনের যে সেতুটি আছে তার পাশে আরো একটি ২লেনের সেতু নির্মান করা হবে। সড়কটি চার লেনে উন্নীত করতে গিয়ে সড়কের দু’ধারে ব্যক্তি মালিকানাধীন যে জমি ও অবকাঠামো অধিগ্রহন করা হবে তারা জমির মূল্যবাবদ ৩গুণ ও অবকাঠামোর জন্য ২গুন অর্থ পাবেন।

নওগাঁ সওজ সূত্রে জনা গেছে, নওগাঁ সদর আসনের সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার নিজাম উদ্দীন জলিল জন ও নওগাঁ-৪ (মহাদেবপুর-বদলগাছী) আসনের সংসদ সদস্য ছলিম উদ্দীন তরফদার সেলিম নওগাঁ সড়ক বিভাগকে গত বছর নভেম্বর মাসের দিকে সড়ক প্রসস্থকরণ বিষয়ে একটি ডিও লেটার দেন। এই বিষয়ে একই মতামত ব্যক্ত করেন খাদ্যমন্ত্রী সাধন চন্দ্র মজুমদার এমপি। এরপর সড়ক বিভাগ ডিপিপি প্রস্তুতির কাজে হাত দেয়। ডিপিপির কাজ শেষ হয়েছে এবং আগামী ১মাসের মধ্যে তা সাবমিট করা হবে। এতে প্রাথমিক ব্যয় ধরা হয়েছে প্রায় ৯শ কেটি টাকা।

নওগাঁ সড়ক ও জনপদ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী সাজেদুর রহমান সাজিদ জানান, এই বিষয়ে সাংসদ মহোদয়গনের কাছ থেকে ডিও লেটার পাওয়ার পর একটি প্রাথমিক পরিকল্পনা গ্রহন করা হয়েছে। নওগাঁর পশ্চিম ঢাকা রোড (বাইপাস মোড়) থেকে মহাদেবপুর উপজেলার চৌমাশিয়া মোড় পর্যন্ত সাড়ে ১৬কিলোমিটার সড়কটি ৪ লেনে উন্নীত করার প্রাথমিক পরিকল্পনার কাজ ইতিমধ্যে শেষ হয়েছে। আগামী ১মাসের মধ্যে সরকারের সড়ক বিভাগের দপ্তরে ডিপিপি সাবমিট করা হবে। সড়ক প্রসস্থ করতে গিয়ে আর যা যা করার প্রয়োজন তার সব কিছুই করা হবে।

নিউজ ট্যাগ: নওগাঁ
Share

আরও খবর
সর্বনিম্ন তাপমাত্রা নওগাঁয়

শনিবার ১৬ জানুয়ারী ২০২১




আমি বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে ন্যায়বিচার পাইনি

প্রকাশিত:সোমবার ০১ মার্চ ২০২১ | হালনাগাদ:সোমবার ০১ মার্চ ২০২১ | ৮৫জন দেখেছেন
Share
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

একাডেমিক গবেষণায় চৌর্যবৃত্তির ঘটনায় শাস্তি হিসেবে পদাবনতি হওয়া ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের শিক্ষক সামিয়া রহমান বলেছেন, তাঁকে  ষড়যন্ত্র করে অন্যায়ভাবে ফাঁসানো হয়েছে। তাঁকে বলির পাঁঠা বানানো হয়েছে। তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের বর্তমান কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে ন্যায়বিচার পাননি। এ বিষয়ে প্রকৃত সত্য উদ্‌ঘাটন করার জন্য বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষকে কঠোর নির্দেশ দিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের আচার্য ও রাষ্ট্রপতির কাছে অনুরোধ জানিয়েছেন। বিষয়টি নিয়ে তিনি আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়ার মধ্যেও আছেন।

আজ সোমবার রাজধানীর সেগুনবাগিচায় ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে এক সংবাদ সম্মেলনে সামিয়া রহমান এসব কথা বলেন। সংবাদ সম্মেলন আরও উপস্থিত ছিলেন বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য নাজমুল আহসান কলিমুল্লাহ এবং আইনজীবী তুরিন আফরোজ।

সামিয়া রহমান বলেন, যে গবেষণার লেখার জন্য তাঁকে অভিযুক্ত করা হয়েছে, সেটা তিনি লেখেননি, জমাও দেননি। এসংক্রান্ত প্রমাণও তাঁর কাছে আছে। এই ষড়যন্ত্রের পেছনে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের কেউ কেউ এবং কিছু শিক্ষক জড়িত রয়েছেন বলে ইঙ্গিত করেন সামিয়া রহমান। তবে তাঁদের নাম না বলে এ বিষয়ে অনুসন্ধান করে তা বের করতে সাংবাদিকদের প্রতি অনুরোধ জানান।

সামিয়া রহমান বলেন, এ ঘটনার জন্য জার্নালের রিভিউয়ার ও বোর্ডের শাস্তির সুপারিশ ছিল। তিনি বলেন, তাঁদের শাস্তি হয় না, কারণ তাঁরা প্রতিষ্ঠিত বলে বিশ্ববিদ্যালয় তা সুকৌশলে এড়িয়ে যায়, আর বলির পাঁঠা হই আমি। প্রতিহিংসা এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকরাজনীতির নোংরামির চরম শিকার হলাম আমি।শিকাগো জার্নালের যে ব্যক্তির ই-মেইলের কথা বলা হয়েছে, সেটি ভুয়া বলে দাবি করেন সামিয়া রহমান।

গবেষণায় চৌর্যবৃত্তির অভিযোগে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ সম্প্রতি গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের শিক্ষক সামিয়া রহমানকে সহযোগী অধ্যাপক থেকে সহকারী অধ্যাপক পদে পদাবনতি দিয়েছে। আগামী দুই বছরের মধ্যে তিনি পদোন্নতির জন্য আবেদন করতে পারবেন না।

আর শাস্তি পাওয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের আরেক শিক্ষক প্রভাষক সৈয়দ মাহফুজুল হক মারজান এখন শিক্ষা ছুটি নিয়ে দেশের বাইরে আছেন। ছুটি শেষে ফেরার পর তিনি পদোন্নতি পেয়ে যেতেন। কিন্তু সিন্ডিকেটের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী বিভাগে যোগ দেওয়ার পর তাঁকে আরও দুই বছর প্রভাষক পদে চাকরি করতে হবে।

নিউজ ট্যাগ: সামিয়া রহমান
Share

আরও খবর
করোনার টিকা নিলেন আাজকের দর্পণের প্রকাশক

মঙ্গলবার ১৬ ফেব্রুয়ারী ২০২১




মুজিব আদর্শের সৈনিকেরা রাজপথ ভয় পায় না: কাদের

প্রকাশিত:সোমবার ০৮ মার্চ ২০২১ | হালনাগাদ:সোমবার ০৮ মার্চ ২০২১ | ৫২জন দেখেছেন
Share
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেছেন, বিএনপির আন্দোলনের বিকল্প হচ্ছে আগুন-সন্ত্রাস, অপরাজনীতি আর গুজব তৈরি করা। তিনি আরও বলেন, বিকল্প আন্দোলনের নামে দেশের সম্পদ এবং জীবনহানি ঘটানোর অপপ্রয়াস জনগণ ও সরকার মেনে নেবে না। সেতুমন্ত্রী আজ সোমবার সকালে তাঁর সরকারি বাসভবনে আয়োজিত নিয়মিত ব্রিফিংয়ে এ কথা বলেন।

দেশ-বিদেশে গোপন বৈঠক আর ষড়যন্ত্র বিএনপির বিকল্প আন্দোলন দাবি করে সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেন, জনবিচ্ছিন্ন এসব আন্দোলনের ভয় দেখিয়ে কোনো লাভ নেই। কারণ, মুজিব আদর্শের সৈনিকেরা রাজপথ ভয় পায় না।

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, যারা এ পর্যন্ত রাজপথে কোনো ধরনের আন্দোলনের ঢেউ তুলতে পারেনি, তাদের বাধা দেওয়ার দরকার হয় না। বিএনপি আন্দোলনে জনগণকে সম্পৃক্ত করতে সম্পূর্ণ ব্যর্থ হয়েছে বলেও মন্তব্য করেন সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।

বিরোধী মত দমাতে ভয়ংকর কোনো শক্তি কাজ করছেবিএনপির মহাসচিবের এমন অভিযোগ প্রসঙ্গে ওবায়দুল কাদের সেই শক্তির পরিচয় জনসমক্ষে প্রকাশ করতে  আহ্বান জানান।

এ ছাড়া দেশে মত প্রকাশের স্বাধীনতা নেইবিএনপির নেতাদের এমন বক্তব্যের বিষয়ে ওবায়দুল কাদের বলেন, সরকারের সমালোচনার জন্য এ পর্যন্ত একজন বিএনপিনেতাকেও গ্রেপ্তার করা হয়নি। সুতরাং, দেশে মত প্রকাশের স্বাধীনতা সম্পূর্ণভাবে বিরাজমান।

সরকার ক্ষমতা, দাম্ভিকতা আর দুর্নীতির বৃত্ত তৈরি করেছেমির্জা ফখরুলের এই অভিযোগের জবাবে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, এ কথাগুলো বিএনপির শাসন আমলের জন্য চির সত্য।

বিএনপিই এ দেশে দুর্নীতিকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দিয়েছিল উল্লেখ করে ওবায়দুল কাদের বলেন, ক্ষমতার অপব্যবহারের মহোৎসব তাদের শাসনামলে হয়েছিল। আর, হাওয়া ভবন নামে বিকল্প ক্ষমতাকেন্দ্র তৈরি করা হয়েছিল।

শেখ হাসিনার সরকার গণতন্ত্রকে এগিয়ে নিতে অবিরাম প্রয়াস চালিয়ে যাচ্ছেন, অথচ বিএনপি কোনোরূপ সহযোগিতা না করে অপরাজনীতির মাধ্যমে গণতন্ত্রের এগিয়ে যাওয়ার গতিকে বার বার থামিয়ে দিচ্ছে বলেও মন্তব্য করেন ওবায়দুল কাদের।

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেন, বিএনপির অগণতান্ত্রিক আচরণ এবং রাজনীতি এ দেশের গণতন্ত্রের চলমান ধারাকে বিঘ্নিত করছে।

নিউজ ট্যাগ: ওবায়দুল কাদের
Share

আরও খবর



চলে গেলেন সংগীতশিল্পী জানে আলম

প্রকাশিত:বুধবার ০৩ মার্চ ২০২১ | হালনাগাদ:বুধবার ০৩ মার্চ ২০২১ | ৮৫জন দেখেছেন
Share
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

কিংবদন্তি সংগীতশিল্পী জানে আলম আর নেই। মঙ্গলবার রাত ১০টায় তিনি রাজধানীর পিজি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান। (ইন্নালিল্লাহি ওয়াইন্নইলাহি রাজিউন)।

প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান সিডি চয়েসের কর্ণধার জহিরুল ইসলাম সোহেল মৃত্যুর খবরটি নিশ্চিত করেছেন।

তিনি বলেন, এক মাস আগে তিনি করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হন। এরপর করোনা নেগেটিভ হলেও নিউমোনিয়াসহ নানা জটিল রোগে আক্রান্ত হন। এর জন্য গেল এক মাস বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে তিনি চিকিৎসাধীন ছিলেন।

সোহেল আরও বলেন, অবস্থার অবনতি হলে মঙ্গলবার জানে আলম ভাইকে লাইফ সাপোর্ট দেওয়া হয়। কিন্তু শেষ রক্ষা হলো না। আলম ভাই আমাদের ফেলে চলে গেলেন। সারাক্ষণ হাসিখুশি মানুষটা এভাবে হুট করে চলে যাবেন, আমরা ভাবতেও পারিনি।

সংগীত প্রযোজকদের সংগঠন এমআইবির মহাসচিব এসকে সাহেদ আলী পাপ্পু জানান, আজ বুধবার সকাল ১০টায় জানে আলমের মগবাজার বাসভবন এলাকায় জানাজা শেষে মরদেহ নিয়ে যাওয়া হবে জন্মস্থান মানিকগঞ্জের হরিরামপুরে। সেখানে পারিবারিক কবরস্থানে চিরশায়িত হবেন এই নন্দিত শিল্পী।

উল্লেখ্য, শিল্পী জানে আলমের জন্ম মানিকগঞ্জের হরিরামপুরে। গানের শুরুটা স্বাধীনতার পর পরই। প্রথম অ্যালবাম বনমালী দিয়ে তৈরি হয় পরিচিতি। সে সময় পপ শিল্পী আজম খান তাকে অনেক অনুপ্রেরণা দিয়েছেন। পপ গানের মধ্যে ফোক ধাঁচ এবং অধ্যাত্মবাদ যুক্ত করে গান করা তার বৈশিষ্ট্য। মানুষের পছন্দের সাথে মিলিয়ে নতুন ধারা তৈরি করার জন্যই তার এমন গান করা।

জানে আলমের নিজের গাওয়া গানের সংখ্যা চার হাজারের মতো। এছাড়া তার লেখা, সুর এবং পরিচালনা করা গান রয়েছে প্রায় তিন হাজার। বাংলাদেশের অনেক পরিচিত শিল্পীই গেয়েছেন তার গান।

এদিকে একটি গন্ধমের লাগিয়া আল্লাহ বানাইছে দুনিয়া খ্যাত গানের পপ শিল্পী জানে আলমের মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন আরেক কিংবদন্তি শিল্পী ফকির আলমগীর।

তার অসংখ্য জনপ্রিয় গানের মধ্যে রয়েছে-  একটি গন্ধমের লাগিয়া, ইশকুল খুইলাছে, বৈশাখে তোমার সাথে হইলো আমার পরিচয়, দিঘির জলে ঢিল মারিলে জলতরঙ্গ হইয়া যায়, কালি ছাড়া কলমের মূল্য যে নাই ইত্যাদি।

নিউজ ট্যাগ: জানে আলম
Share

আরও খবর