আজঃ শুক্রবার ০১ মার্চ ২০২৪
শিরোনাম

এবার সফলভাবে তিনটি স্যাটেলাইট কক্ষপথে পাঠাল ইরান

প্রকাশিত:রবিবার ২৮ জানুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:রবিবার ২৮ জানুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি ডেস্ক

Image

একসাথে সফলভাবে আরও তিনটি স্যাটেলাইট কক্ষপথে পাঠাল ইরান। দেশীয় প্রযুক্তিতে তৈরি এসব স্যাটেলাইট পৃথিবী পৃষ্ঠ থেকে সর্বনিম্ন ৪৫০ কিলোমিটার এবং সর্বোচ্চ ১,১০০ কিলোমিটার উচ্চতায় স্থাপন করার দাবি করেছে দেশটি।

স্যাটেলাইটগুলোর নাম মাহদা, কেহান-২ এবং হাতেফ-১। রবিবার ইরানের সেমনান প্রদেশের ইমাম খোমেনি স্পেস লঞ্চ টার্মিনাল থেকে দেশটির প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের নির্মিত সিমোরগ (ফিনিক্স) স্যাটেলাইট যান দ্বারা এগুলো উৎক্ষেপণ করা হয়।

জানা গেছে, মাহদা একটি গবেষণা স্যাটেলাইট। এর ডিজাইন, উৎপাদন, সন্নিবেশিত এবং পরীক্ষা- সবই করা হয় ইরানের মহাকাশ গবেষণা কেন্দ্রে। মাত্র ৩২ কিলোগ্রাম ওজনের এই স্যাটেলাইট উন্নত স্যাটেলাইট সাবসিস্টেম পরীক্ষা করার জন্য তৈরি করা হয়েছে।

মাহদার প্রধান কাজ হল- কম উচ্চতায় স্পেস কার্গোর একাধিক ইনজেকশনে সিমোরগ লঞ্চারের কর্মক্ষমতা মূল্যায়ন করা, সেই সঙ্গে নতুন ডিজাইন এবং মহাকাশে দেশীয় প্রযুক্তির নির্ভরযোগ্যতা মূল্যায়ন করা।

কেহান-২ এবং হাতেফ-১ হল কিউবিক ন্যানো স্যাটেলাইট। এগুলোর ওজন ১০ কিলোগ্রামেরও কম। স্যাটেলাইট দুটি প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন সহযোগী সংস্থা ইরান ইলেকট্রনিক্স ইন্ডাস্ট্রিজ দ্বারা উৎক্ষেপণের জন্য ডিজাইন ও উৎপাদন করা হয়।

ইরান গণমাধ্যমের খবরে বলা হয়, কেহান-২ স্থান-ভিত্তিক অবস্থানের জন্য তৈরি করা হয়েছে। পৃথিবীর দিকে স্থিরভাবে এবং সুনির্দিষ্টভাবে লক্ষ্য করার জন্য এটির স্থিতি নির্ধারণ এবং নিয়ন্ত্রণ সাবসিস্টেম রয়েছে। আর হাতেফ-১ হল ইন্টারনেট অব থিংসে (আইওটি) ন্যারোব্যান্ড কমিউনিকেশন প্রযুক্তির ব্যবহার পরীক্ষা করবে।

পশ্চিমা দেশগুলোকে বুড়ো আঙ্গুল দেখিয়ে আরোপিত নিষেধাজ্ঞা থাকা সত্ত্বেও সম্প্রতি ইরান বেসামরিক মহাকাশ কর্মসূচিতে বিশাল সাফল্য অর্জনে সক্ষম হয়েছে। ইরান বর্তমানে স্যাটেলাইট তৈরি ও উৎক্ষেপণে সক্ষম বিশ্বের শীর্ষ ১০টি দেশের মধ্যে একটিতে পরিণত হয়েছে।

গত সপ্তাহে ইরানের ইসলামিক রেভ্যুলিউশন গার্ডস কর্পস (আইআরজিসি) অ্যারোস্পেস ফোর্স কায়েম ১০০ স্যাটেলাইট ক্যারিয়ার ব্যবহার করে কক্ষপথে সোরাইয়া নামের একটি স্যাটেলাইট কক্ষপথে সফলভাবে স্থাপন করে।


আরও খবর



পশুর নদীতে আবারও কয়লা বোঝাই কার্গো ডুবি

প্রকাশিত:শনিবার ২৪ ফেব্রুয়ারী 20২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ২৪ ফেব্রুয়ারী 20২৪ | অনলাইন সংস্করণ
বাগেরহাট প্রতিনিধি

Image

বাগেরহাটের মোংলা বন্দরের পশুর নদীতে ৯৫০ মেট্রিক টন জ্বালানি কয়লা নিয়ে এম ভি ইশরা মাহমুদ নামে একটি কার্গো জাহাজ ডুবির ঘটনা ঘটেছে। শনিবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) সকাল সাড়ে ১১টার দিকে পশুর নদীর চরকানা এলাকায় এই দুর্ঘটনা ঘটে। এ সময় জাহাজের ১১ নাবিক সবাই সাঁতরে তীরে উঠতে সক্ষম হন।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, বন্দরের ৬ নম্বর মুরিং বয়ায় অবস্থান করা মার্শাল আইল্যান্ডের পতাকাবাহী মার্চেন্ট শিপ এমভি পারাস থেকে কয়লা বোঝাই করেছিল কার্গো জাহাজটি। যশোরের নওয়াপাড়ায় একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের জন্য নেওয়া হচ্ছিল এই জ্বালানি কয়লা।

কার্গো জাহাজটির মাস্টার কাজী কামরুল ইসলাম জানান, শুক্রবার সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় কয়লাবোঝাই করে যশোরের নওয়াপাড়ার উদ্দেশে যাচ্ছিলেন তারা। ওইদিন পশুর নদের বানিশান্তা বাজার বয়ায় নোঙরে রাখা হয় কার্গোটি। সেখানে জাহাজটির তলা ফেটে পানি ঢুকতে শুরু করে। সেখান থেকে দ্রুত ছেড়ে এসে পশুর নদীর চরকানা এলাকায় আসা মাত্রই ডুবতে থাকে। এ সময় জাহাজে থাকা ১১ নাবিক দ্রত সাঁতরে তীরে ওঠে। পরে কার্গো জাহাজ থেকে কয়লা অপসারণ করে পাশে অবস্থান করা একটি বার্জে রাখতে শুরু করে মালিকপক্ষ।

মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষের জনসংযোগ বিভাগের উপ-পরিচালক মো. মাকরুজ্জামান মুন্সি জানান, কয়লা নিয়ে কার্গো জাহাজটি পশুর নদের চরে ডুবে গেলেও বন্দরের নৌ চ্যানেল নিরাপদ ও ঝুঁকিমুক্ত রয়েছে। দুর্ঘটনার পর পশুর চ্যানেলে জাহাজ চলাচল স্বাভাবিক রয়েছে বলেও জানান তিনি।

এর আগে গত ১৭ নভেম্বর ৮০০ টন কয়লা নিয়ে পশুর নদে ডুবে যায় একটি কার্গো জাহাজ। ১৬ অক্টোবর ক্লিংকার নিয়ে ওই নদের চার নম্বর বয়া এলাকায় ডুবে যায় আনমনা-২ নামে একটি কার্গো জাহাজ।


আরও খবর



শেরপুরে অগ্নিকাণ্ডে দাদি-নাতির মৃত্যু

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
মো. নাজমুল হোসাইন, শেরপুর

Image

শেরপুর সদরের এক বাড়িতে অগ্নিকাণ্ডে এক শিশু ও এক নারী নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় ওই বাড়িটি সম্পূর্ণ পুড়ে গেছে। এ ছাড়া আগুনে চারটি গরুও পুড়ে মারা গেছে।

সদর উপজেলার কামারেরচর ইউনিয়নের পয়েস্তিরচরে আজ মঙ্গলবার ভোরে এই ঘটনা ঘটে।

নিহতরা হলেন ফিরোজা বেগম (৭০) ও তাঁর নাতি শরিফ (৭)। নিহত ফিরোজা বেগম ওই গ্রামের মো. আমান উল্লাহ মন্টুর স্ত্রী ও শরিফ একই বাড়ির হাবিবুর রহমানের ছেলে।

স্থানীয়রা জানান, ওই বাড়িতে ভোরে অগ্নিকাণ্ডের সূত্রপাত হয়। এ সময় একটি গোয়ালঘরসহ দুটি ঘর পুড়ে গেছে। খবর পেয়ে শেরপুর ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা ঘটনাস্থলে গিয়ে ৭ বছরের শিশু শরিফের মরদেহ উদ্ধার করেন। এ সময় আশঙ্কাজনক অবস্থায় শরিফের দাদি ফিরোজা বেগমকে উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠিয়ে দেন। পরে তাঁকে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে সকালে তাঁর মৃত্যু হয়। এ ঘটনায় চারটি গরুও পুড়ে মারা গেছে।

এতে কমপক্ষে পাঁচ লক্ষাধিক টাকার মালামাল ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে দাবি করেছে ক্ষতিগ্রস্থ পরিবার।

বিষয়টি নিশ্চিত করে শেরপুর ফায়ার সার্ভিসের পরিদর্শক দেলোয়ার হোসেন বলেন, কী কারণে অগ্নিকাণ্ডের সূত্রপাত হয়েছে তা তদন্ত করে জানানো হবে।

শেরপুর সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এমদাদুল হক বলেন, নিহতের পরিবারের পক্ষ থেকে ময়নাতদন্ত ছাড়া মরদেহ দাফনের অনুরোধ করা হয়েছে। এ ব্যাপারে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।


আরও খবর



বিদেশি বন্ধুরা বিএনপিকে ছেড়ে চলে গেছে : ওবায়দুল কাদের

প্রকাশিত:সোমবার ০৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:সোমবার ০৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
রাজনীতি ডেস্ক

Image

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, দেশের জনগণও বিএনপির সঙ্গে নেই, বিদেশি বন্ধুরা তাদের ছেড়ে চলে গেছে।

সোমবার (৫ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে আওয়ামী লীগ সভাপতির ধানমন্ডির রাজনৈতিক কার্যালয়ে এক ব্রিফিংয়ে তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, আমেরিকার প্রেসিডেন্ট বাইডেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে লম্বা চিঠি পাঠিয়েছেন বাংলাদেশের সঙ্গে একযোগে কাজ করার জন্য। অর্থনৈতিক উন্নয়নের ব্যাপারে বিশেষভাবে অঙ্গীকার ব্যক্ত করেছেন তিনি।

সাংবাদিকদের মাধ্যমে বিএনপির প্রতি প্রশ্ন রেখে আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেন, এখন আপনারা (বিএনপি) কী বলবেন? কে আপনাদের ক্ষমতায় বসানোর জন্য আসবে? কে আমাদের (আওয়ামী লীগ) হটাতে আসবে? যাদের আশায় ছিলেন তারা তো এখন একসঙ্গেই কাজ করার জন্য এসেছেন। নেতারা তো অনেকেই পালিয়ে আছেন, অনেকে প্রকাশ্যে আসেন না। এখন আপনাদের সাহসের উৎস কোথায়? কে সাহায্য করবে? দেশের জনগণ আপনাদের থেকে সরে গেছে।

তিনি বলেন, নির্বাচনে ২৮ টি রাজনৈতিক দল অংশ নিয়েছে। সংসদ বসেছে। অধিবেশনের শুরুতেই স্ট্যান্ডিং কমিটি পর্যন্ত হয়ে গেছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পুরো সংসদীয় স্ট্যান্ডিং কমিটি নিজ হাতে লিখেছেন।

বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া আবারও রাজনীতি করতে পারবেন কি না এমন প্রশ্নের উত্তরে ওবায়দুল কাদের বলেন, খালেদা জিয়া রাজনীতি করবেন কি না এটা বিএনপির নেতাদের প্রশ্ন করাই ভালো, এটা তাদের সিদ্ধান্তের ব্যাপার।

সংসদে বিএনপিকে ব্যান করার দাবি উঠেছে, এ নিয়ে আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদকের দৃষ্টি আকর্ষণ করলে তিনি বলেন, দেখুন আমি একটা কথা বলি, সংসদে সবাই কথা বলতে পারেন। সদস্যদের নানা মতামত (অপিনিয়ন) থাকতে পারে। কিন্তু মতামতটাই সিদ্ধান্ত, এমনটা মনে করার এখনো কোনো কারণ নেই। আমরা ধরনের কোনো সিদ্ধান্ত দলীয়ভাবেও চিন্তা করিনি।

মিয়ানমারের অভ্যন্তরীণ সংঘাতের ফলে এখন পর্যন্ত বাংলাদেশের তিনজন আহত হয়েছে এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, যা ঘটছে তা তো আমরা জানি। এটা আমাদের মাননীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর বিষয়। তিনি একটা প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেছেন। সেটাই আমাদের দলের প্রতিক্রিয়া। এই বিষয়টা নিয়ে আমাদের আশেপাশের দুই/তিনটা গ্রামের জনগণ বাড়িঘর ছেড়ে চলে যাচ্ছেন। আমাদের জন্য এটা উদ্বেগের। গোলা, মর্টারের শেল বাংলাদেশের ভূখণ্ডেও পড়ছে। আমাদের তিনজন ইতোমধ্যে আহত হয়েছে। আমাদের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এসব ব্যাপারে নিশ্চয় মিয়ানমারের সঙ্গে যোগাযোগ করবে।

তিনি বলেন, আগস্টের ২৫ তারিখে যখন মিয়ানমারের জনগণ সীমান্ত দিয়ে প্রবেশ করে, আমাদের এয়ারস্পেস অনেক সময় লঙ্ঘিত হয়েছে। তারপরও আমাদের প্রধানমন্ত্রীর কঠোর নির্দেশনা ছিল, তারা যতই প্রভোকেট করুক আমরা কোনো প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করব না। আমরা যুদ্ধের পক্ষে নই। আমরা আলাপ আলোচনার মাধ্যমেই সমস্যার সমাধানে আগ্রহী। এখানে ব্যাপারটা হলো কনফ্লিক্ট অব ইন্টারেস্ট। এটা তাদের নিজেদের বিষয়। আরাকান আর্মির সঙ্গে মিয়ানমারের ক্ষমতাসীন সেনাবাহিনীর যুদ্ধ। এটা তাদের ইন্টারনাল কনফ্লিক্ট। আমরা আহ্বান করব, পার্শ্ববর্তী দেশের জন্য আতঙ্কের কারণ হয় এমন কনফ্লিক্টের সমাধান তাদের নিজেদেরই করা উচিত। এব্যাপারে জাতিসংঘের তত্ত্বাবধানে একটা সমাধান হতে পারে।

ওবায়দুল কাদের বলেন, চীনের রাষ্ট্রদূত গতকাল আমার সঙ্গে দেখা করতে এসেছিলেন। আমি তাকেও এব্যাপারে বলেছি আপনাদের কথা তারা শুনে বলেই সারা বিশ্ব জানে। কাজেই আপনারা তাদেরকে যুদ্ধ থেকে, ইন্টারনাল কনফ্লিক্ট থেকে দূরে থাকার জন্য এবং তাদের বিরোধ বাংলাদেশে কোনো প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি না করুক এই বিষয়টা আপনাদের একটু দেখা উচিত। যেহেতু আপনারা আমাদের গুরুত্বপূর্ণ পার্টনার সে হিসেবে আপনাদের সহযোগিতার আহ্বান আমরা জানাচ্ছি।

বর্তমান পরিস্থিতিতে আবারও যদি রোহিঙ্গারা বাংলাদেশে প্রবেশ করতে চায় সে ক্ষেত্রে বাংলাদেশের পলিসি কী হবে এমন প্রশ্নের জবাবে ওবায়দুল কাদের বলেন, আমাদের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ইতোমধ্যে বলেছেন, আমাদের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ও বলেছে, আমরা সে উদারতা দেখানোর ব্যাপারটা এফোর্ট করতে পারব না। এমনিতেই একটা বোঝা, তারপর আরেক বোঝা। এটা আর সম্ভব নয়।

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের ধর্ষণকাণ্ডের বিষয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ করলে আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক বলেন, আমাদের বিভিন্ন ভ্রাতৃপ্রতিম ও সহযোগী সংগঠন আছে। এই দলের ভিতরে শতভাগ ভাল মানুষ আছে এই দাবি আমরা করতে পারি না। এর মধ্যে খারাপ কাজও কিছু লোক করে। খারাপের কাজের জন্য আমাদের একটা বৈশিষ্ট্য হলো, আমরা খারাপ কাজটা প্রশ্রয় দেই না। আইনের আওতায় আসার মত যে অপরাধ তা আইনের আওতায় এনেই করা উচিত। এই পর্যন্ত অনেক দৃষ্টান্ত আছে, এই সরকার ক্ষমতায় আসার পর যারা খারাপ কাজ করেছে, যারা অপরাধ করেছে তারা কেউই পার পায়নি।

এসময় আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক বিএম মোজাম্মেল হক, এস এম কামাল হোসেন, উপ দপ্তর সায়েম খান, কার্যনির্বাহী সদস্য সাহাবুদ্দিন ফরাজীসহ অনেকেই উপস্থিত ছিলেন।


আরও খবর



সীমান্তে আহত-নিহতদের পরিবারে বিজিবির আর্থিক সহায়তা প্রদান

প্রকাশিত:সোমবার ১২ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:সোমবার ১২ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
কক্সবাজার প্রতিনিধি

Image

বাংলাদেশ-মিয়ানমার সীমান্তে মর্টার শেল বিস্ফোরণে আহত ও নিহত পরিবারের মাঝে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) আর্থিক সহায়তা প্রদান করেছে। রবিবার (১১ ফেব্রুয়ারি) বিজিবি মহাপরিচালকের নির্দেশে এই সহায়তা প্রদান করা হয়। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন কক্সবাজার ব্যাটালিয়ন (৩৪ বিজিবি) অধিনায়ক লে. কর্নেল আব্দুল্লাহ আল মাশরুকী।

জানা যায়, সাম্প্রতিককালে মায়ানমারের অভ্যন্তরে চলমান সংঘর্ষের জেরে মায়ানমার থেকে নিক্ষিপ্ত মর্টার শেল বিস্ফোরণে একজন বাংলাদেশি নাগরিক নিহত এবং কয়েকজন আহত হন।

বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত সংবাদ থেকে জানা যায়, আহত ও নিহতদের পরিবারের সবাই অসহায় ও হতদরিদ্র। আহতদের অনেকেই অর্থাভাবে যথার্থ চিকিৎসা করাতে পারছেন না। এমনকি এখনো পর্যন্ত তাদের পাশে এসে দাঁড়ায়নি কেউ। গণমাধ্যমের এমন খবরে বিজিবি মহাপরিচালকের নির্দেশে রবিবার কক্সবাজার ব্যাটালিয়ন (৩৪ বিজিবি) অধিনায়ক লে. কর্নেল আবদুল্লাহ আল মাশরুকী আহত আনোয়ারুলকে দেখতে কক্সবাজার সদর হাসপাতালে যান।

সেখানে তার চিকিৎসার বিষয়ে খোঁজ-খবর নেন এবং উন্নত চিকিৎসার জন্য বিজিবি মহাপরিচালকের পক্ষ থেকে ৫০ হাজার টাকা আর্থিক সহায়তা দেন। পরে কক্সবাজার ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক ঘুমধুম ইউনিয়নের জলপাইতলী এলাকার নিহত নারীর আহত দুজন নাতি-নাতনিকে দেখতে যান, তাদের খোঁজ-খবর নেন এবং বিজিবি মহাপরিচালকের পক্ষ থেকে নগদ ১ লাখ টাকা আর্থিক সহায়তা দেন।


আরও খবর



একুশে পদক তুলে দিলেন প্রধানমন্ত্রী

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ২০ ফেব্রুয়ারী ২০24 | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ২০ ফেব্রুয়ারী ২০24 | অনলাইন সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক

Image

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা অমর একুশে ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে ২১ বিশিষ্ট ব্যক্তির হাতে একুশে পদক ২০২৪ তুলে দিয়েছেন। মঙ্গলবার (২০ ফেব্রুয়ারি) বেলা সাড়ে ১১টায় রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে এক অনুষ্ঠানে বাংলাদেশের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ বেসামরিক পুরস্কার একুশে পদক তুলে দেন তিনি।

১৯৫২ সালের এই দিনে মাতৃভাষার জন্য সর্বোচ্চ আত্মত্যাগকারী ভাষা আন্দোলনের শহীদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানাতে জাতি ২১ ফেব্রুয়ারি অমর একুশে ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালন করবে। বর্তমান আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে পুরস্কারপ্রাপ্তদের দেয়া টাকার পরিমাণ কয়েক গুণ বাড়ানো হয়েছে। সর্বশেষ গত ২০২০ সালে তা বাড়িয়ে চার লাখ টাকা করা হয়েছে।

এর আগে, ১৩ ফেব্রুয়ারি সরকার নিজ নিজ ক্ষেত্রে অসামান্য অবদানের জন্য একুশে পদকর জন্য ২১ জন বিশিষ্ট নাগরিকের নাম ঘোষণা করে। এ বছর ভাষা আন্দোলন ক্যাটাগরিতে দুজন, শিল্পকলায় ১২ জন, সমাজসেবায় দুজন, ভাষা ও সাহিত্যে চারজন এবং শিক্ষায় একজন বিশিষ্ট নাগরিক এ পুরস্কার পেয়েছেন।

ভাষা আন্দোলন বিভাগে পুরস্কারের জন্য মৌ. আশরাফুদ্দীন আহমদ (মরণোত্তর), বীর মুক্তিযোদ্ধা হাতেম আলী মিয়ার (মরণোত্তর) নাম ঘোষণা করা হয়েছে। শিল্পকলা বিভাগে সংগীত ক্যাটাগরিতে জালাল উদ্দীন খা (মরণোত্তর), বীর মুক্তিযোদ্ধা কল্যাণী ঘোষ (মরণোত্তর), বিদিত লাল দাস (মরণোত্তর), এন্ড্রু কিশোর (মরণোত্তর), শুভ্রদেব, নৃত্যকলা ক্যাটাগরিতে শিবলী মোহাম্মদ, অভিনয় ক্যাটাগরিতে ডলি জহুর ও এম এ আলমগীর, আবৃত্তি ক্যাটাগরিতে খান মো. মুস্তাফা ওয়ালিদ (শিমুল মুস্তাফা) ও রূপা চক্রবর্তী, চিত্রকলা ক্যাটাগরিতে শাহজাহান আহমেদ বিকাশ, মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক প্রামাণ্যচিত্র নির্মাণ ও আর্কাইভিং ক্যাটাগরিতে কাওসার চৌধুরী, সমাজসেবা বিভাগে মো. জিয়াউল হক, রফিক আহামদ, ভাষা ও সাহিত্য বিভাগে মুহাম্মদ সামাদ, লুৎফর রহমান রিটন, মিনার মনসুর, রুদ্র মুহাম্মদ শহীদুল্লাহ (মরণোত্তর) এবং শিক্ষা বিভাগে প্রফেসর ড. জিনবোধি ভিক্ষু- এ পুরস্কার পেয়েছেন।

১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনের শহীদদের স্মরণে একুশে পদক প্রবর্তন করা হয়। সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রণালয় স্বর্ণপদক, সম্মাননা সনদ ও নগদ অর্থ দিয়ে পুরস্কার প্রদান করে। ২০২৩ সালে ১৯ জন বিশিষ্ট ব্যক্তি ও দুই প্রতিষ্ঠানকে মর্যাদাপূর্ণ একুশে পদক দেওয়া হয়।


আরও খবর
শপথ নিলেন নতুন ৭ প্রতিমন্ত্রী

শুক্রবার ০১ মার্চ ২০২৪