আজঃ শুক্রবার ০১ মার্চ ২০২৪
শিরোনাম

এবার টিকটকে অ্যাকাউন্ট খুললেন বাইডেন

প্রকাশিত:সোমবার ১২ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:সোমবার ১২ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
আন্তর্জাতিক ডেস্ক

Image

এবার অন্যতম জনপ্রিয় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম টিকটকে অ্যাকাউন্ট খুলেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন। স্থানীয় সময় গতকাল রোববার ২৬ সেকেন্ডের একটি ভিডিও আপলোড দিয়ে এই প্ল্যাটফর্মটিতে যাত্রা শুরু করেন তিনি। তিনি এমন এক সময়ে এই প্ল্যাটফর্মটিতে অ্যাকাউন্ট খুললেন যখন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের সময় ঘনিয়ে আসছে। বার্তা সংস্থা এএফপির এক প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা গেছে।

যুক্তরাষ্ট্রে চীনা এই ভিডিও শেয়ারিং প্ল্যাটফর্মটি নিয়ে ব্যাপক সমালোচনা আছে। মার্কিন আইনপ্রণেতাদের একটা বড় অংশই এই প্ল্যাটফর্মের সমালোচনা করেছেন। এমনকি বাইডেনের দল ডেমোক্রেটিক পার্টির নেতারাও এই প্ল্যাটফর্মের সমালোচনা করেছেন। তারপরও নির্বাচনকে সামনে রেখে জো বাইডেন টিকটকে অ্যাকাউন্ট খুললেন। 

আরও পড়ুন>> ফিলিপাইনে সোনার খনি ধসে নিহত ৫৪

চীনা প্রতিষ্ঠান বাইটড্যান্স টিকটকের মালিক প্রতিষ্ঠান। মার্কিন আইনপ্রণেতাদের অভিযোগ, চীন যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে প্রচারের জন্য এই প্ল্যাটফর্মটিকে ব্যবহার করছে। তবে বাইটড্যান্স সব সময়ই এই অভিযোগ অস্বীকার করেছে।

টিকটকে খোলা বাইডেনের অ্যাকাউন্টের নাম @বাইডেনএইচকিউ ক্যাম্পেইন। সেই অ্যাকাউন্টে শেয়ার করা ভিডিওতে রাজনীতি থেকে শুরু করে যুক্তরাষ্ট্রের ন্যাশনাল ফুটবল লীগ চ্যাম্পিয়নশিপসহ বিভিন্ন বিষয়ে কথা বলেন।

টিকটক ছাড়াও মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের অন্য দুই জনপ্রিয় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুক ও এক্সে অ্যাকাউন্ট আছে। ফেসবুকে তাঁর অ্যাকাউন্টের নাম জো বাইডেন এবং এক্সে তাঁর অ্যাকাউন্টের নাম প্রেসিডেন্ট বাইডেন।


আরও খবর



ওয়ালটন সার্ভিসেস কুস্তির উভয় বিভাগে চ্যাম্পিয়ন আনসার বাহিনী

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ২০ ফেব্রুয়ারী ২০24 | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ২০ ফেব্রুয়ারী ২০24 | অনলাইন সংস্করণ
প্রেস বিজ্ঞপ্তি

Image

ইলেকট্রনিক্স জায়ান্ট ওয়ালটন হাই-টেক ইন্ডাস্ট্রিজ পিএলসির পৃষ্ঠপোষকতায় ও বাংলাদেশ অ্যামেচার রেসলিং ফেডারেশনের ব্যবস্থাপনায় আয়োজিত ওয়ালটন উন্মুক্ত ১২তম জাতীয় সার্ভিসেস (পুরুষ ও মহিলা) কুস্তি প্রতিযোগিতা-২০২৪ মঙ্গলবার (২০ ফেব্রুয়ারি) শেষ হয়েছে। শেখ রাসেল রোলার স্কেটিং কমপ্লেক্সে অনুষ্ঠিত তিন দিনব্যাপী ওই প্রতিযোগিতার উভয় বিভাগে চ্যাম্পিয়ন হয়েছে বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনী।

পুরুষ বিভাগের ১০টি ওজন শ্রেণির পাঁচটিতে স্বর্ণ, ৩টিতে রৌপ্য ও ২টিতে ব্রোঞ্জসহ মোট ১০টি পদক জিতে চ্যাম্পিয়ন হয় তারা। ৩টি স্বর্ণ, ৩টি রৌপ্য ও ৪টি ব্রোঞ্জসহ ১০টি পদক জিতে রানার্স-আপ হয় বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। আর ২টি স্বর্ণ, ৪টি রৌপ্য ও ৩টি ব্রোঞ্জসহ মোট ০৯টি পদক জিতে তৃতীয় হয় বাংলাদেশ সেনাবাহিনী।

এদিকে নারী বিভাগের ১০টি ওজন শ্রেণি থেকে ৭টি স্বর্ণ, ২টি রৌপ্য ও ১টি ব্রোঞ্জসহ মোট ১০টি পদক জিতে চ্যাম্পিয়ন হয় আনসার। আর রানার্স-আপ হওয়া বাংলাদেশ সেনাবাহিনী পায় ২টি স্বর্ণ ও ৬টি রৌপ্যসহ মোট ৮টি পদক। তৃতীয় হওয়া বাংলাদেশ পুলিশ পেয়েছে ১টি স্বর্ণ, ১টি রৌপ্য ও ৩টি ব্রোঞ্জসহ মোট ৫টি পদক।

পুরুষ বিভাগে সেরা খেলোয়াড় নির্বাচিত হন বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর জুয়েল (৭৪ কেজি ওজন শ্রেণি)। মহিলা বিভাগে সেরা খেলোয়াড় নির্বাচিত হয়েছেন বাংলাদেশ আনসার দলের রোজিনা (৭৬ কেজি ওজন শ্রেণি)।

টুর্নামেন্টের উভয় বিভাগের চ্যাম্পিয়ন, রানার্স-আপ ও তৃতীয় হওয়া দলকে ট্রফি দেওয়া হয়। সেরা খেলোয়াড় হওয়া দুজনই পেয়েছেন ৫ হাজার টাকা করে নগদ অর্থ পুরস্কার। এছাড়া প্রতিযোগিতায় পদকপ্রাপ্ত খেলোয়াড়দের ওয়ালটনের পক্ষ থেকে হোম অ্যাপ্লায়েন্স পুরস্কার প্রদান করা হয়।

প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ওয়ালটনের সিনিয়র এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর এফ.এম. ইকবাল বিন আনোয়ার (ডন), বিশেষ অতিথি হিসেবে ছিলেন ওয়ালটনের মার্কেটিং এন্ড কমিউনিকেশন বিভাগের সিনিয়র ডেপুটি এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর রবিউল ইসলাম মিলটন ও সিনিয়র ডেপুটি অপারেটিভ ডিরেক্টর মেহরাব হোসেন আসিফ।

এ সময় অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ফেডারেশনের সহ-সভাপতি এমএ কুদ্দুস খান, সাধারণ সম্পাদক তাবিউর রহমান পালোয়ান, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আশিকুর রহমান বাচ্চু ও মেসবাহ উদ্দিন আজাদ প্রমুখ।

এবারের এই প্রতিযোগিতায় বাংলাদেশ সেনাবাহিনী, বাংলাদেশ পুলিশ, বাংলাদেশ আনসার, বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) ও তিতাস গ্যাসের পক্ষে ১৫০ জন মহিলা ও পুরুষ কুস্তিগীর অংশ নেন। পুরুষ ও মহিলা উভয় বিভাগে ১০টি করে মোট ২০টি ওজন শ্রেণিতে প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়। পুরুষ বিভাগের ওজন শ্রেণিগুলো ছিল- ৫৭ কেজি, ৬১ কেজি, ৬৫ কেজি, ৭০ কেজি, ৭৪ কেজি, ৭৯ কেজি, ৮৬ কেজি, ৯২ কেজি, ৯৭ কেজি ও ১২৫ কেজি। মহিলাদের ওজন শ্রেণিগুলো ছিল- ৫০ কেজি, ৫৩ কেজি, ৫৫ কেজি, ৫৭ কেজি, ৫৯ কেজি, ৬২ কেজি, ৬৫ কেজি, ৬৮ কেজি, ৭২ কেজি ও ৭৬ কেজি।

অনুষ্ঠানে ওয়ালটনের সিনিয়র এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর এফ.এম. ইকবাল বিন আনোয়ার (ডন) বলেন, দীর্ঘদিন যাবত খেলাধুলাসহ সব ধরনের সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানকে উৎসাহিত ও সহযোগিতা করে আসছে ইলেকট্রনিক্স জায়ান্ট ওয়ালটন। খেলাধুলার এসব প্রতিযোগিতায় ওয়ালটনের অংশগ্রহণ থাকবে সবসময়।

ওয়ালটনের মার্কেটিং এন্ড কমিউনিকেশন বিভাগের সিনিয়র ডেপুটি এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর রবিউল ইসলাম মিলটন বলেন, যেকোনো প্রতিযোগিতায় প্রতিভাবান মুখগুলো সামনে উঠে আসে। এই কুস্তি প্রতিযোগিতাও এর ব্যতিক্রম কিছু নয়। প্রতিযোগিতামুখর এই ইভেন্ট অত্যন্ত সুন্দর ও সফলভাবে অনুষ্ঠিত হয়েছে। এই প্রতিযোগিতায় ওয়ালটনের উপস্থিতি ওয়ালটনকে সম্মানিত করেছে।

উল্লেখ্য, কুস্তি প্রতিযোগিতা-২০২৪ এর ইভেন্ট পার্টনার ছিল দেশের জনপ্রিয় ইলেকট্রনিক্স ব্র্যান্ড মার্সেল। আর মিডিয়া পার্টনার হিসেবে ছিলো অনলাইনভিত্তিক সংবাদমাধ্যম রাইজিংবিডি.কম।


আরও খবর



কুবি শিক্ষক সমিতির নেতৃত্বে তাহের-মেহেদী

প্রকাশিত:সোমবার ১৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:সোমবার ১৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি

Image

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় (কুবি) শিক্ষক সমিতির নির্বাচনে নিরঙ্কুশ জয় পেয়েছে নীল দল। শিক্ষক সমিতির কার্যনির্বাহী কমিটির ১৫টি পদেই জয় পেয়েছে দলটির সদস্যরা।

এতে সভাপতি পদে একক প্রার্থী হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন পদার্থবিজ্ঞানের অধ্যাপক ড. মো. আবু তাহের। এছাড়া সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছেন মার্কেটিং বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক মেহেদী হাসান। তিনি অপর প্রতিদ্বন্দ্বী লোকপ্রশাসন বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক জিয়া উদ্দিনকে ৮৯ ভোটে পরাজিত করেন।

সোমবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) সকাল সাড়ে ৯টা থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবনের শিক্ষক লাউঞ্জে এ ভোট গ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। ভোট গ্রহণ চলে দুপুর ২টা পর্যন্ত। ভোট গণনা শেষে বিকাল সাড়ে ৩ টায় ফলাফল ঘোষণা করেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার অধ্যাপক ড. রেজাউল করিম। এতে শিক্ষকদের ২৬৬ জন ভোটারের মধ্যে ১৭৪ জন ভোট দিয়েছেন। এরমধ্যে তিনটি ভোট বাতিল করা হয়েছে।

শিক্ষক সমিতি-২০২৪ এর অন্যান্য পদে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছেন অর্থনীতি বিভাগের অধ্যাপক ড. কাজী মোহাম্মদ কামাল উদ্দিন (সহ সভাপতি) ও একাউন্টিং এন্ড ইনফরমেশন সিস্টেমস্ বিভাগের অধ্যাপক মো. তোফায়েল হোসেন মজুমদার (সহ সভাপতি), কম্পিউটার সায়েন্স এন্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. মাহমুদুল হাছান (যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক), প্রত্নতত্ত্ব বিভাগের সহকারী অধ্যাপক মো. মুর্শেদ রায়হান (কোষাধ্যক্ষ), লোক প্রশাসন বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. জান্নাতুল ফেরদৌস (সাহিত্য, সংস্কৃতি ও ক্রীড়া সম্পাদক) এবং মার্কেটিং বিভাগের সহকারী অধ্যাপক মাহফুজুর রহমান ( প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক)।

কার্যকরী সদস্য পদে নির্বাচিত হয়েছেন একাউন্টিং এন্ড ইনফরমেশন সিস্টেমস্ বিভাগের অধ্যাপক ড. বিশ্বজিৎ চন্দ্র দেব, অর্থনীতি বিভাগ অধ্যাপক ড. মো. শামিমুল ইসলাম, পরিসংখ্যান বিভাগের অধ্যাপক ড. দুলাল চন্দ্র নন্দী, নৃবিজ্ঞান বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক মোহাম্মদ আইনুল হক, রসায়ন বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. মো. শাহাদাৎ হোসেন, অর্থনীতি বিভাগ সহকারী অধ্যাপক স্বর্ণা মজুমদার ও গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের সহকারী অধ্যাপক মাহমুদুল হাসান।

উল্লেখ্য, শিক্ষক সমিতির নির্বাচনে সাদা দল অংশগ্রহণ করেনি।


আরও খবর
জাবির ‘ডি’ ইউনিটের ফল প্রকাশ

বৃহস্পতিবার ২৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৪




স্টেডিয়ামে প্রকাশ্যে দুইজনের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করল তালেবান

প্রকাশিত:শনিবার ২৪ ফেব্রুয়ারী 20২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ২৪ ফেব্রুয়ারী 20২৪ | অনলাইন সংস্করণ
আন্তর্জাতিক ডেস্ক

Image

তালেবান কর্তৃপক্ষ পূর্ব আফগানিস্তানের একটি ফুটবল স্টেডিয়ামে হত্যার দায়ে দোষী সাব্যস্ত দুই ব্যক্তিকে প্রকাশ্যে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করেছে। এসময় মৃত্যুদণ্ড দেখতে স্টেডিয়ামের ভিতরে হাজার হাজার মানুষ জড়ো হয়েছিল।

ভারতীয় সংবাদ মাধ্যম এনডিটিভি জানিয়েছে, দেশটির সুপ্রিম কোর্টের কর্মকর্তা আতিকুল্লাহ দারবিশ তালেবানের সর্বোচ্চ নেতা হিবাতুল্লাহ আখুন্দজাদার স্বাক্ষরিত একটি মৃত্যু পরোয়ানা উচ্চস্বরে পড়ার পর উভয় ব্যক্তিকে পিছন থেকে গুলি করে তাদের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়।

আতিকুল্লাহ দারবিশ বলেন, এই দুই ব্যক্তিকে হত্যার অপরাধে দোষী সাব্যস্ত করা হয়েছিল। আদালতে দুই বছর ধরে বিচার চলার পর তাদের মৃত্যুদণ্ডের আদেশে স্বাক্ষর করা হয়েছে।

১৯৯৬ সাল থেকে ২০০১ সাল পর্যন্ত তালেবানের প্রথম শাসনামলে জনসমক্ষে মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের ঘটনা বেশ স্বাভাবিক ছিল। তবে ২০২১ সালের আগস্টে নতুন করে ক্ষমতায় ফিরে আসার পর এই নিয়ে মাত্র চারজনের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হল দেশটিতে।


আরও খবর



চট্টগ্রাম রেলওয়ে পুলিশের জনসচেতনতামূলক কার্যক্রম

প্রকাশিত:শুক্রবার ০২ ফেব্রুয়ারী 2০২4 | হালনাগাদ:শুক্রবার ০২ ফেব্রুয়ারী 2০২4 | অনলাইন সংস্করণ
চট্টগ্রাম প্রতিনিধি

Image

চট্টগ্রাম রেলওয়ে জেলা পুলিশের উদ্যোগে ট্রেন ভ্রমণে অজ্ঞান ও মলম পার্টি থেকে সতর্ক হওয়া, চলন্ত ট্রেনে পাথর নিক্ষেপ ও ছাদে ভ্রমণ, মাদকদ্রব্য বহন, রেললাইনের যন্ত্রাংশ (নাট, বল্টু, স্লিপার ইত্যাদি) চুরি বন্ধ, রেলওয়ে পারাপার, টিকিট কালোবাজারি বন্ধ ও ট্রেন ভ্রমণে সতর্কতা, ট্রেনে ও রেললাইনে নাশকতা প্রতিরোধে, চলন্ত অবস্থায় ট্রেনে না উঠা এবং রেললাইন পারাপার ও ট্রেন ভ্রমণে সতর্ক করতে জনসচেতনতামূলক কর্মসূচি পালন করা হয়েছে। শুক্রবার সকাল থেকে দিনব্যাপী বিভিন্ন স্থানে এ কার্যক্রমের কর্মূসচি শুরু করা হয়।

রেলওয়ে পুলিশ সুপার মোহাম্মদ হাছান চৌধুরীর নির্দেশনায় চাঁদপুর রেলওয়ে থানার বড় রেলওয়ে স্টেশন এলাকা, লাকসাম রেলওয়ে থানার রেলওয়ে জংশন রেললাইন এলাকা, ফৌজদার হাট রেলওয়ে পুলিশ ফাঁড়ির রেললাইন এলাকা, সীতাকুণ্ড রেলওয়ে পুলিশ ফাঁড়ির রেলওয়ে স্টেশন এলাকা, ফেনী রেলওয়ে পুলিশ ফাঁড়ির সহদেবপুর রেলক্রসিং এলাকা, চৌমুহনী রেলওয়ে পুলিশ ফাঁড়ির আটিয়াব্রীজ রেলক্রসিং এলাকা, কুমিল্লা রেলওয়ে পুলিশ ফাঁড়ির রেলওয়ে স্টেশন এলাকায়  রেলপথে নাশকতা রোধে বিশেষ কার্যক্রমের অংশ হিসেবে বিভিন্ন স্থানে জনসচেতনতামূলক সভা অনুষ্ঠিত হয়।

রেলওয়ে পুলিশ সুপার মোহাম্মদ হাছান চৌধুরী বলেন, যাত্রীদের আরামদায়ক ও স্বাচ্ছন্দ্যে ট্রেন ভ্রমণ করার লক্ষ্যে আমাদের নিয়মিত কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। চলন্ত ট্রেনে পাথর নিক্ষেপ রোধ, অপরিচিত কারো কাছ থেকে কোনো কিছু না খাওয়া, মলম ও অজ্ঞান পার্টির খপ্পর থেকে রক্ষাসহ রেলওয়ে পুলিশ কর্তৃক নানান ধরনের পদক্ষেপ হাতে নিয়েছে। এরই অংশ হিসেবে বিভিন্ন এলাকায় ও কলোনিতে সচেতনতামূলক কার্যক্রম চলমান রয়েছে।

সভায় রেলওয়ে কর্মকর্তা-কর্মচারী, স্থানীয় লোকজন, রেলওয়ে যাত্রীসাধারণ, দোকানদার এবং রেললাইনের পাশে বসবাসরত জনসাধারণ উপস্থিত ছিলেন।

সভায় ট্রেনে ভ্রমণরত অবস্থায় অজ্ঞান পার্টি ও মলম পার্টি হতে রক্ষার সর্তকতা থাকতে বলা হয়। এছাড়া চলন্ত ট্রেনে পাথর নিক্ষেপকারিকে ধরিয়ে দিতে, চলন্ত অবস্থায় ট্রেনে না উঠা, রেললাইনের যন্ত্রাংশ (নাট, বল্টু, স্লিপার ইত্যাদি) চুরি বন্ধে রেলওয়ে পুলিশকে তথ্য দিয়ে সহায়তা করা এবং রেললাইন পারাপারে সতর্ক হতে  সকলকে অনুরোধ করা হয়।


আরও খবর



আলোচিত সগিরা মোর্শেদ হত্যা মামলার রায় আজ

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ২০ ফেব্রুয়ারী ২০24 | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ২০ ফেব্রুয়ারী ২০24 | অনলাইন সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক

Image

দীর্ঘ ৩৫ বছর পর আজ মঙ্গলবার (২০ ফেব্রুয়ারি) সগিরা মোর্শেদ হত্যা মামলার রায় ঘোষণা করা হবে। ঢাকার তিন নম্বর বিশেষ দায়রা জজ মোহাম্মদ আলী হোসাইনের আদালতে এই রায় ঘোষণা করার কথা রয়েছে।

এর আগে গত ২৫ জানুয়ারি মামলাটি যুক্তিতর্কের শুনানির পর ৮ ফেব্রুয়ারি রায় ঘোষণার জন্য দিন ঠিক করেছিলেন আদালত। কিন্তু রায় প্রস্তুত না হওয়ায় ঢাকার তিন নম্বর বিশেষ দায়রা জজ মোহাম্মদ আলী হোসাইন মঙ্গলবার (২০ ফেব্রুয়ারি) রায় ঘোষণার দিন ঠিক করেন।

মামলার আসামিরা হলেন- নিহতের ভাসুর ডা. হাসান আলী চৌধুরী ও হাসান আলীর স্ত্রী সায়েদাতুল মাহমুদ ওরফে শাহীন, শ্যালক আনাস মাহমুদ ওরফে রেজওয়ান এবং ডা. হাসান আলীর ভাড়াটে খুনি মারুফ রেজা ও মন্টু।

মামলার বাদীপক্ষের আইনজীবী ফারুক আহাম্মদ জানান, তারা আশা করছেন আসামিদের মৃত্যুদণ্ড হবে।

আদালত মামলাটির বিচারকালে ১৭ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ করেছেন। মামলাটি প্রথমে ঢাকার দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল-১ এ বিচারাধীন ছিল। ১৩৫ কার্যদিবসে মামলাটির নিষ্পত্তি না হওয়ায় পরবর্তীতে রায় ঘোষণাকারী আদালতে পাঠানো হয়।

৩৫ বছর আগে ১৯৮৯ সালের ২৫ জুলাই রমনা এলাকায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ছাত্রী সগিরা মোর্শেদ মেয়েকে ভিকারুননিসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজ থেকে আনতে গিয়ে স্কুলের কাছেই রিকশায় থাকাবস্থায় গুলিবিদ্ধ হন। এরপর ঢাকা মেডিকেলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সগিরা মোর্শেদ মারা যান। এ ঘটনায় তার স্বামী আবদুস ছালাম চৌধুরী বাদী হয়ে অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিদের আসামি করে রমনা থানায় হত্যা মামলা করেন।

এ মামলা ২৫ জন তদন্ত কর্মকর্তা তদন্ত করে গড়ে একজন করে আসামি গ্রেপ্তার করেন। ১৯৯১ সালের ১৭ জানুয়ারি মন্টু নামে একজনকে আসামি করে চার্জশিট দেয় পুলিশ। আদালতে বিচারও শুরু হয়। কিন্তু সাক্ষ্য গ্রহণের এক পর্যায়ে সাক্ষীরা মারুফ রেজা নামের এক ব্যক্তির নাম এই হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত জানান। ফলে আদালত পুনঃতদন্তের আদেশ দেন। ওই আদেশ চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে যান মারুফ রেজা। এরপর হাইকোর্ট ২০১৯ সালের হাইকোর্ট পিবিআইকে অধিকতর তদন্তের নির্দেশ দেন। পিবিআই মারুফ রেজাকে ঘিরে তদন্তে নেমে হত্যার আসল রহস্য বের করেন। ২০১৯ সালের ১৬ জানুয়ারি পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই) পুলিশ পরিদর্শক রফিকুল ইসলাম আদালত চার্জশিট জমা দেন। ২০২০ সালের ২ ডিসেম্বর আসামিদের বিরুদ্ধে চার্জগঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দেন আদালত।

চার্জশিটে বলা হয়, হত্যাকারী মারুফ রেজার মোটরসাইকেলের পেছনে আসামি হাসানের শ্যালক আনাস মাহমুদ ওরফে রেজওয়ান যান। যাতে সগিরাকে সহজে দেখিয়ে দিতে পারেন। রেজওয়ান দেখিয়ে দিলে মারুফ রেজা গুলি করে পালিয়ে যায়।

ডা. হাসান আলী চৌধুরী আদালতে দেওয়া স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিতে বলেছেন, তিনি ইস্কাটনে প্রাইভেট প্র্যাকটিস করতেন। আসামি মারুফ রেজা তার রোগী ছিলেন। সে শহরে মাস্তানি করত। সগিরা মোর্শেদকে শায়েস্তা করার জন্য তিনি তাকেই ঠিক করেন। তার সঙ্গে ২৫ হাজার টাকায় হয় এ কাজের জন্য। কিন্তু সে সগিরা মোর্শেদকে চিনত না। এজন্য তার শ্যালককে দায়িত্ব দেন সগিরা মোর্শেদকে চিনিয়ে দেওয়ার জন্য।

সগিরা মোর্শেদের স্বামীর নাম আবদুস ছালাম চৌধুরী। তার বড় ভাইয়ের নাম সামছুল আলম চৌধুরী। মেজো ভাই চিকিৎসক হাসান আলী চৌধুরী। তিনজনই তাদের পরিবার নিয়ে আউটার সার্কুলার রোডে তখন বসবাস করতেন। সগিরা মোর্শেদরা থাকতেন দ্বিতীয় তলায়। চিকিৎসক হাসান তার স্ত্রী সায়েদাতুল মাহমুদা শাহীনকে নিয়ে থাকতেন ওই বাসার তৃতীয় তলায়। শাহীন তিন তলা থেকে প্রায় সময় ময়লা-আবর্জনা ফেলতেন, যা সগিরা মোর্শেদের পেছনের রান্না ঘর ও সামনের বারান্দায় পড়ত। এ নিয়ে সগিরার সঙ্গে শাহীনের প্রায় ঝগড়াঝাঁটি হতো। ওই তুচ্ছ কারণেই শাহীন সগিরাকে শায়েস্তা করার জন্য তার স্বামী হাসানকে দিয়ে তার রোগী তৎকালীন সিদ্ধেশ্বরী এলাকার সন্ত্রাসী মারুফ রেজাকে ২৫ হাজার টাকা দিয়ে ভাড়া করে ১৯৮৯ সালের ২৫ জুলাই সিদ্ধেশ্বরীর ভিকারুননিসা নূন স্কুলের সামনে সগিরা মোর্শেদকে গুলি করে হত্যা করান।


আরও খবর
জজ কোর্ট চত্বরে ককটেল বিস্ফোরণ

বৃহস্পতিবার ২৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৪