আজঃ বৃহস্পতিবার ২৪ জুন ২০২১
শিরোনাম

ঈদে ৪ দিন বন্ধ থাকছে আখাউড়া স্থলবন্দর

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ১১ মে ২০২১ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ১১ মে ২০২১ | ১২১জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষ্যে ও সাপ্তাহিক ছুটির কারণে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়া স্থলবন্দর টানা চার দিন আমদানি-রপ্তানি বাণিজ্য কার্যক্রম বন্ধ থাকবে। বৃহস্পতিবার থেকে আগামী রবিবার পর্যন্ত এ চার দিন ওই স্থলবন্দরে আমদানি-রপ্তানি বাণিজ্য কার্যক্রম বন্ধ থাকবে বলে স্থলবন্দর ব্যবসায়ী অ্যাসোসিয়েশনের এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়। তবে এ সময় বিশেষ ব্যবস্থায় উভয় দেশের আটকেপড়া পাসপোর্টধারী যাত্রী পারাপার স্বাভাবিক থাকবে।

আখাউড়া স্থলবন্দরে আমদানি-রপ্তানিকারক অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক মো. শফিকুল ইসলাম ও ব্যবসায়ী রাজীব উদ্দিন ভূঁইয়া জানান, পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষ্যে বন্দরের সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট অ্যাসোসিয়েশন ও আমদানি-রপ্তানিকারক অ্যাসোসিয়েশন যৌথভাবে চার দিন বন্দর বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। বিষয়টি ইতোমধ্যে ভারতের ত্রিপুরা রাজ্যের আগরতলার ব্যবসায়ী নেতৃবৃন্দকে চিঠিতে জানিয়ে দেয়া হয়েছে।

আখাউড়া ইমিগ্রেশন ইনচার্জ আব্দুল হামিদ বলেন, এ স্থল সীমান্তপথে আমদানি-রপ্তানি বাণিজ্য বন্ধ থাকলেও বিশেষ অনুমোদন নেওয়া পাসপোর্টধারী যাত্রীদের পারাপার স্বাভাবিক থাকবে। তিনি বলেন, সীমান্ত বন্ধ হওয়ায় বাংলাদেশে আটকেপড়া ভারতীয় নাগরিকরা বাংলাদেশ পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এবং স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের নির্দেশে ভারতীয় হাইকমিশনের তালিকা মোতাবেক নিজ দেশে যেতে পারবেন। অন্যদিকে ভারতে আটকেপড়া বাংলাদেশিরা আগরতলায় বাংলাদেশ সহকারী হাইকমিশনের নো অবজেকশন সার্টিফিকেট (এনওসি) বা অনাপত্তিপত্র ছাড়পত্র নিয়ে দেশে ফেরত আসতে পারবেন।



আরও খবর



ভাসানচরে যেতে লাগবে সরকারের অনুমতি

প্রকাশিত:বুধবার ০২ জুন 2০২1 | হালনাগাদ:বুধবার ০২ জুন 2০২1 | ১২৬জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

সরকারের অনুমতি ছাড়া ভাসানচরে যাতায়াত নিষিদ্ধ করা হয়েছে। আইনশৃঙ্খলা সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটি এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

বুধবার (২ জুন) সচিবালয়ে অনুষ্ঠিত কমিটির বৈঠক শেষে সংবাদ ব্রিফিংয়ে এ তথ্য জানান আইনশৃঙ্খলা সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির সভাপতি ও মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হক।

তিনি বলেন, ভাসানচর বিচ্ছিন্ন এলাকা। সেখানে প্রতিদিনই বহুসংখ্যক নৌযান যাচ্ছে, ব্যবসা-বাণিজ্য করছে। এসব আর হতে দেওয়া যাবে না। এগুলো বন্ধের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। কোনো নাগরিক এখন থেকে সরকারের অনুমতি ছাড়া ভাসানচরে যেতে পারবেন না।

আ ক ম মোজ্জাম্মেল হক বলেন, এ পর্যন্ত ১৮ হাজার রোহিঙ্গাকে ভাসানচরে স্থানান্তর করা হয়েছে। সেখানে তাদের জন্য মানসম্মত থাকার ব্যবস্থা করা হয়েছে। এখন তারা পাঁচ হাজার করে টাকা দেওয়ার জন্য বিক্ষোভ করছে। পৃথিবীর কোনো দেশে শরণার্থীদের জন্য নাগরিক সুবিধা থাকে না। তাদের থাকার ব্যবস্থা করা হয়, নিরাপত্তার ব্যবস্থা করা হয় মাত্র। কিন্তু বাংলাদেশে শরণার্থীদের থাকা-খাওয়া ও নিরাপত্তার ব্যবস্থা সরকার করছে। এর মধ্যে আবার তারা বাড়তি টাকার জন্য বিক্ষোভ করছে। তাদের পকেট খরচ দেওয়ার কোনো বিধান নেই। তারা হয়তো কারও প্ররোচণায় এমন দাবি তুলেছে।

মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী বলেন, যেসব রোহিঙ্গা কক্সবাজার বা অন্যত্র রয়েছে তারা মাদক ব্যবসা ও অনৈতিক কাজের সঙ্গে জড়িত। সেগুলো নিয়ন্ত্রণে আনার জন্য চারদিকে দেয়াল নির্মাণের কাজ চলছে। সেখানে সিসি ক্যামেরা বাড়ানো হবে। অবৈধ কর্মকাণ্ড বন্ধ করতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে কঠোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলে জানান মন্ত্রী।

তিনি বলেন, দেশের বিভিন্ন স্থানে আশ্রয় নেওয়া রোহিঙ্গাদের ধরে এনে ক্যাম্পে পাঠাতে পুলিশকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।


আরও খবর



নদীতে ভাসানো হলো সহস্রাধিক চিতাভস্ম

প্রকাশিত:শুক্রবার ০৪ জুন ২০২১ | হালনাগাদ:শুক্রবার ০৪ জুন ২০২১ | ১০৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

পর পর সারি বেঁধে বসানো রয়েছে অসংখ্য মাটির পাত্র। সবই সাদা কাপড়ে বাঁধা। পাত্রগুলোতে রয়েছে করোনায় মৃত নাম-পরিচয়হীন সহস্রাধিকের চিতাভস্ম। বেঙ্গালুরু শহরের সুমনাহল্লি শ্মশানের চিত্র এটি।

প্রতিটি পাত্রের একটি নম্বর রয়েছে।  পাত্রগুলো কাবেরী নদীর ঘাটে আনা হয় প্রথা মেনে।  ঘাট থেকে ভাসিয়ে দেওয়া হয় অজ্ঞাতপরিচয় এক হাজার ২০০ জনের দেহাবশেষ। খবর আনন্দবাজারের।

ঘটনা বেশ অমানবিকই বটে। করোনা মহামারির ভয় মানুষের মধ্যে এমনভাবে ঢুকে গেছে যে, মানুষ মরদেহ সৎকারের ক্ষেত্রেও বাছবিচার শুরু করতে বাধ্য হয়েছে। করোনার আতঙ্কে বহু পরিবার মৃত স্বজনের চিতাভস্ম পর্যন্ত নিতে রাজি নয়। আবার প্রথা মেনে আচার-অনুষ্ঠান করার সামর্থ্যও নেই অনেকের।

বেঙ্গালুরু টিআর মিলস শ্মশানের কনট্রাক্টর কিরণ কুমার বলেন, একটা পরিবারে দুই-তিনজন করোনায় মারা গেলে বাকি সদস্যরা আর শ্মশানে এসে ছাই সংগ্রহ করেন না।

দীর্ঘদিন ধরে প্রচুর ছাইভর্তি মাটির পাত্র জমেছে শহরের প্রায় সবকটি শ্মশানেই। তাই বাধ্য হয়ে সরকারকেই চিতাভস্ম নদীতে ভাসিয়ে দেওয়ার কাজ করতে হচ্ছে।


আরও খবর
করোনার ডেল্টা প্লাসে প্রথম মৃত্যু

বৃহস্পতিবার ২৪ জুন ২০২১




শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলার বিষয়ে নতুন করে যা বললেন মন্ত্রী

প্রকাশিত:শনিবার ২৯ মে ২০২১ | হালনাগাদ:শনিবার ২৯ মে ২০২১ | ১১৬জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

করোনা সংক্রমণ পরিস্থিতি যদি নিয়ন্ত্রণে থাকে তাহলে নির্ধারিত তারিখে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দেয়া হবে। তবে পরিস্থিতি অনুকূলে না থাকলে মানুষের স্বাস্থ্যকে ঝুঁকির মধ্যে ফেলে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দেয়া হবে না বলে জানিয়ে দিলেন শিক্ষামন্ত্রী ডা: দীপু মনি।

শনিবার জাতীয় প্রেস ক্লাবে জাতীয় প্রত্যাশা সংগঠনের আয়োজনে মরহুম আইনমন্ত্রী অ্যাডভোকেট আব্দুল মতিন খসরুর স্মরণসভায় শিক্ষামন্ত্রী এসব কথা বলেন। এ সময় তিনি আরো বলেন, কোনো আন্দোলনের মুখেই জনগণের জীবন নিয়ে অবহেলা করবে না সরকার।

ডা: দীপু মনি বলেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দেয়ার ব্যাপারে সরকারের সব প্রস্তুতি নেয়া আছে। সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনা করে যথাসময়ে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দেয়া হবে।

এর আগে বৃহস্পতিবার শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগ থেকে জারি করা এক নির্দেশনায় বলা হয়েছিল, করোনা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে থাকলে আগামী ১৩ জুন মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলা এবং শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালনায় প্রয়োজনীয় প্রস্তুতিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।

মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের নির্দেশনায় বলা হয়, করোনা সংক্রমণ থেকে শিক্ষার্থীদের সুরক্ষার লক্ষ্যে আগের ধারাবাহিকতায় আগামী ১২ জুন পর্যন্ত সব ধরনের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকবে। এ সময়ে নিজেদের এবং অন্যদের করোনা সংক্রমণ থেকে সুরক্ষার লক্ষ্যে শিক্ষার্থীরা নিজ নিজ বাসস্থানে অবস্থান করবে। বাসায় থেকে তারা টেলিভিশন ও অনলাইন শিক্ষা কার্যক্রমের সাথে সংযুক্ত থাকবে।

নির্দেশনায় আরো বলা হয়, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকাকালীন শিক্ষার্থীদের বাসায় অবস্থানের বিষয়টি অভিভাবকরা নিশ্চিত করবেন এবং স্থানীয় প্রশাসন তা নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করবে।

এর আগে বুধবার ভার্চুয়াল এক সংবাদ সম্মেলনে শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনি জানান, আগামী ১৩ জুন থেকে মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দেয়া‌ হবে। তবে বিশ্ববিদ্যালয় খুলে দেয়ার বিষয়টি নির্ভর করছে শিক্ষক-শিক্ষার্থী সবাইকে করোনার টিকার আওতায় আনার ওপর।

তিনি বলেন, ১২ জুন পর্যন্ত স্কুল-কলেজ বন্ধ থাকছে, ১৩ জুন থেকে সেগুলো খুলে দেয়া হচ্ছে।

এর আগে তিনি বলেন, যদি ১৩ জুন স্কুল-কলেজগুলো খুলে দিতে পারি সেক্ষেত্রে ২০২১ সালের এসএসসি-এইচএসসি ব্যাচকে অগ্রাধিকার দেয়া হবে। তারা হয়তো সপ্তাহের ছয় দিন ক্লাসে আসবে। যারা ২০২২ সালের এসএসসি-এইচএসসি পরীক্ষার্থী তাদের ছুটির দিন ছাড়া বাকি দিনগুলোতে ক্লাসে নিয়ে আসা হবে। অন্যদের বিষয়ে সপ্তাহে হয়তো এক দিন ক্লাসে আনা হবে।


আরও খবর



চট্টগ্রামে ‘মাদকবাহী’ মাইক্রোর চাপায় এএসআই নিহত

প্রকাশিত:শুক্রবার ১১ জুন ২০২১ | হালনাগাদ:শুক্রবার ১১ জুন ২০২১ | ৯৩জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

চট্টগ্রামে মাদকবাহী বেপরোয়া গতির মাইক্রোবাসের ধাক্কায় নগরের চান্দগাঁও থানার সহকারী উপ-পরিদর্শক (এএসআই) কাজী সালাহ উদ্দীন (৩৮) নিহত হয়েছেন। মাইক্রোবাসটিতে মাদক বহন করা হচ্ছিল বলে জানিয়েছে পুলিশ।

শুক্রবার (১১ জুন) ভোর সাড়ে ৪টার দিকে চান্দগাঁওয়ের কাপ্তাই রাস্তার মাথা এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

এ ঘটনায় মো. মাসুম (২৬) নামে আরেক পুলিশ সদস্য আহত হয়েছেন। বর্তমানে তিনি চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালে চিকিৎসাধীন বলে জানা গেছে। নিহত এএসআইয়ের বাড়ি লক্ষীপুর সদর উপজেলার দক্ষিণ জয়পুর এলাকায়।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন চান্দগাঁও থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মো. আমির হোসেন।

তিনি বলেন, ভোররাতে এএসআই কাজী সালাহ উদ্দীন কাপ্তাই রাস্তার মাথা এলাকায় দায়িত্ব পালন করছিলেন। একটি মাইক্রোবাসে করে মাদকদ্রব্য নেয়া হচ্ছে- গোপন সূত্রে এমন খবর পেয়ে তিনি ওই মাইক্রোবাসকে থামানোর সংকেত দেন। কিন্তু গাড়িটি না থামিয়ে কর্তব্যরত পুলিশ সদস্যদের ধাক্কা দিলে ঘটনাস্থলে কাজী সালাউদ্দিন নিহত হন। এ ঘটনায় মো. মাসুম নামে আরেক পুলিশ সদস্য আহত হয়েছেন।

এসআই মো. আমির আরো বলেন, ঘটনার পর মাইক্রোবাসটিকে জব্দ করা সম্ভব হলেও অভিযুক্ত কাউকে আটক করা সম্ভব হয়নি। এ ঘটনায় পুলিশ বাদী হয়ে মামলার প্রস্তুতি নিচ্ছে।


আরও খবর



নেত্রী নাকি আমাকে বহিষ্কারের নির্দেশ দিয়েছেন : কাদের মির্জা

প্রকাশিত:রবিবার ১৩ জুন ২০২১ | হালনাগাদ:রবিবার ১৩ জুন ২০২১ | ১৬৪জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image
নেত্রীর নির্দেশ পেলে দল এবং পৌরসভার পদ থেকে বিদায় নেব। নেত্রী ব্যস্ত মানুষ, তিনি হয়তো সময় পাবেন না, তবে সঙ্গে যারা থাকেন তাদের কেউ মেসেজ দিলেও হবে

দল ও পৌরসভার মেয়রের পদ থেকে বহিষ্কৃত হচ্ছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদেরের ছোটভাই বসুরহাট পৌরসভার মেয়র আবদুল কাদের মির্জা।

রবিবার দুপুর ১২টায় ফেসবুক লাইভে এসে কাদের মির্জা বলেন, আজকে (রবিবার) আমার জীবনে হয়তো জনপ্রতিনিধি বা পৌরসভার মেয়র হিসেবে শেষ দিবস। তাই কয়েকটি কথা বলার জন্য আপনাদের সামনে হাজির হয়েছি। আপনারা আমার কথাগুলো মনযোগ দিয়ে শুনবেন।

কাদের মির্জা বলেন, আজ (রবিবার) সকাল ৯টার দিকে মোবাইলে একটা কল পেয়েছি। নোয়াখালীর একজন ত্যাগী নেতা আমাকে ফোন দিয়ে বলেছেন- নেত্রী (শেখ হাসিনা) আমাকে নাকি বহিষ্কারের নির্দেশ দিয়েছেন।

তিনি বলেন, বড়ভাই সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের শনিবার নাকি আমাকে বহিষ্কারের জন্য নেত্রীকে অনুরোধ করেছেন। এরপর নেত্রী নাকি ওই নির্দেশ দিয়েছেন। তবে আমি খবর নিয়ে জেনেছি ওবায়দুল কাদের নেত্রীকে বলেছেন- তাকে (ওবায়দুল কাদের) দল থেকে সরিয়ে দিতে। ওবায়দুল কাদের নাকি বলেছেন- আমি এভাবে দল ও সরকারের দায়িত্ব পালন করতে পারব না। ছোটভাই কাদের মির্জা আমাকে অপমান করেছে। নেত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন- সেটা তোমার পারিবারিক বিষয়, তুমি দেখ। 

কাদের মির্জা বলেন, এখন শুনছি আমাকে নাকি বহিষ্কার করা হয়েছে। সকালে এসব কথা জানার পর আমি পৌরসভার দাপ্তরিক সকল কাজ শেষ করেছি। নেত্রীর নির্দেশ পেলে দল এবং পৌরসভার পদ থেকে বিদায় নেব। নেত্রী ব্যস্ত মানুষ, তিনি হয়তো সময় পাবেন না, তবে সঙ্গে যারা থাকেন তাদের কেউ মেসেজ দিলেও হবে। দল থেকে বিদায় নিলেও পৌরসভায় একটি কক্ষে বঙ্গবন্ধু শিক্ষা ও গবেষণা পরিষদের অফিস করেছি। বহিষ্কারের পর সেখানে বাধা দিলে বা বসতে না দিলে বঙ্গবন্ধু ম্যুরালে গিয়ে শেখ হাসিনার উন্নয়ন ও বঙ্গবন্ধুর আদর্শের জয়গান গাইবো।

এসময় কোম্পানীগঞ্জে ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) নির্বাচনে আওয়ামী লীগের চেয়ারম্যান পদে নিজের ঘোষিত প্রার্থীদের তালিকাও বাতিল ঘোষণা করেন কাদের মির্জা।

তিনি বলেন, এ ঘোষণা দিবেন একমাত্র শেখ হাসিনা। তিনি যাদেরকে মনোনয়ন দিবেন তারা যদি যোগ্য হয় তাহলে তাদের পক্ষে কাজ করব আমি।

এদিকে বহিষ্কার হলে পৌরসভার পরবর্তী উপনির্বাচনে আবারও দাঁড়িয়ে নিজের জনপ্রিয়তা যাচাই করবেন বলেও জানান আলোচিত এ মেয়র। যদিও এরআগে স্থানীয় সরকারের আর কোনো নির্বাচনে অংশগ্রহণ না করার অঙ্গীকার করেছিলেন তিনি।

প্রসঙ্গত, গত ৩১ ডিসেম্বর থেকে দলের ভেতরের নানা কথা বলে আলোচিত ও সমালোচিত হন কাদের মির্জা। পরে গত ৩১ মার্চ ফেসবুকে দলের সাধারণ সদস্যের পদ থেকে পদত্যাগের ঘোষণাও দেন তিনি। এরপর আবার তিনি দাবি করেন দলের হাইকমান্ড তার পদত্যাগপত্র গ্রহণ করেনি তাই তিনি আবারও দলে ফিরে এসেছেন।


আরও খবর