আজঃ বৃহস্পতিবার ১৩ মে ২০২১
শিরোনাম

ঈদগাহে নয়, ঈদের জামাত হতে পারে মসজিদে

প্রকাশিত:রবিবার ২৫ এপ্রিল ২০২১ | হালনাগাদ:রবিবার ২৫ এপ্রিল ২০২১ | ৯৪জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

দেশে মহামারি করোনাভাইরাস (কোভিড-১৯) সংক্রমণ পরিস্থিতির কারণে এবারও ঈদের জামাত উন্মুক্ত স্থান বা ঈদগাহে পড়ার ওপর নিষেধাজ্ঞা দিতে পারে সরকার। গত বছরের মতো স্বাস্থ্যবিধি মেনে ঈদুল ফিতরের জামাত মসজিদে আদায়ের সিদ্ধান্ত আসতে পারে।

তবে ঈদ জামাতের বিষয়ে আগামী মঙ্গলবার (২৭ এপ্রিল) সভা করে সিদ্ধান্ত নেয়া হবে বলে ধর্ম মন্ত্রণালয় থেকে জানা গেছে।

চাঁদ দেখা সাপেক্ষে আগামী ১৩ বা ১৪ মে দেশে মুসলমানদের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব ঈদুল ফিতর উদযাপিত হবে। ঈদের দিন মুসলমানরা মসজিদ কিংবা ঈদগাহে ২ রাকাত ঈদের ওয়াজিব নামাজ আদায় করে থাকেন।

রবিবার (২৫ এপ্রিল) দুপুরে ধর্ম বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ফরিদুল হক খানের কাছে ঈদ জামাতের বিষয়ে জানতে চাইলে বলেন, আমি মনে করি ঈদের জামাতের বিষয়ে সিদ্ধান্ত গত বছরের মতোই থাকবে। আরো কঠিন হয়তো হবে না। আমরাও চাই গত বছরের সিদ্ধান্তটাই থাক। তবে সবকিছুই আলোচনা করে আমরা ফাইনাল করবো।

তিনি বলেন, আগামী পরশু দিন আমরা একটা সিদ্ধান্তে যাব। আমাদের একটি অফিসিয়াল মিটিং হবে, সেখানে আমরা সিদ্ধান্ত নেব।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, গত বছর যে পরিস্থিতি ছিল, এবার এর চেয়ে পরিস্থিতি আরো খারাপ। আমাদের সচিব, মন্ত্রিপরিষদ সচিবসহ সবাইকে বলেছি বসে একটা সিদ্ধান্ত নিন। গত বছর যে সিদ্ধান্ত ছিল সেটা ঠিক রাখবেন নাকি, আরও কঠিন করবেন নাকি কিছুটা রিল্যাক্স করবেন, বসেই সেই সিদ্ধান্ত নেয়া যেতে পারে।

কোভিড-১৯ সংক্রমণ রোধে গত ১৪ এপ্রিল ভোর ৬টা থেকে আট দিনের কঠোর লকডাউন (বিধিনিষেধ) শুরু হয়। লকডাউনের মধ্যে পালনের জন্য ১৩টি নির্দেশনা দেয়া হয় সরকারের পক্ষ থেকে। সেই মেয়াদ শেষ হয় গত বুধবার (২১ এপ্রিল) মধ্যরাতে। পরে লকডাউনের মেয়াদ আগামী ২৮ এপ্রিল মধ্যরাত পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে।

যদিও ২৯ এপ্রিল থেকে লকডাউনের মেয়াদ আর বাড়ছে না, বিধিনিষেধ শিথিল হচ্ছে বলে জানিয়েছেন জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী।


আরও খবর
আগামীকাল সৌদিতে ঈদ

বুধবার ১২ মে ২০২১




যেসব ফল ওজন কমাতে সাহায্য করে

প্রকাশিত:শনিবার ০৮ মে ২০২১ | হালনাগাদ:শনিবার ০৮ মে ২০২১ | ৭০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

ফল আমাদের স্বাস্থ্যের জন্যে খুবই উপকারী। প্রতিটি মানুষের প্রতিদিনের খাদ্য তালিকায় যে কোনো ধরনের একটি ফল অবশ্যই থাকা উচিৎ নিজের সুস্বাস্থ্যের জন্যেই। ফল খাওয়ার উপকারিতাগুলো যেকোন বয়সের যে কারোর জন্যে দারুণ। কিছু ফল ওজন কমাতেও সাহায্য করে। প্রতিদিন চার বার ফল খেলে অতিরিক্ত ক্যালোরি গ্রহণের মাত্রা কমে যায়। আর এভাবেই ওজন কমাতে সাহায্য করে ফল। আর নির্দিষ্ট কিছু ফল এক্ষেত্রে বেশি উপকারী। আসুন জেনে নেওয়া যাক সে বিষয়ে:-

তরমুজ: মিনারেল সমৃদ্ধ ফল হিসেবে পরিচিত। এর ক্যালরির পরিমাণও কম। এক কাপ অর্থাৎ ১৫০ থেকে ১৬০ গ্রাম তরমুজ থেকে মিলবে মাত্র ৪৬ থেকে ৬১ ক্যালরি। ক্যালরি কম হলেও এতে রয়েছে উচ্চ মাত্রায় আশ, পটাশিয়াম এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট যেমন- ভিটামিন সি, বেটাক্যারোটিন এবং লাইকোপেন। আর এর শর্করা ধীরে রক্তে মিশে। ফলে অন্যান্য খাবার খাওয়ার চাহিদা কমায়।

আপেল: আপেল উচ্চ আঁশ এবং ফ্লাভানয়েড পলিমারস সমৃদ্ধ, যা ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখতে সাহায্য করে। আঁশ ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট পেতে খোসাসহ আপেল খাওয়া উচিত। এটা রক্তের শর্করা নিয়ন্ত্রণে রাখে। রক্তের শর্করা নিয়ন্ত্রণে থাকলে তা ক্ষুধা নিয়ন্ত্রণে রেখে ডায়াবেটিস হওয়া থেকে রক্ষা করে।

কমলা: অন্যান্য টক ফলের মতো কমলা ভিটামিন সি সমৃদ্ধ এবং ক্যালরি কম। আর এটা অনেক্ষণ পেট ভরা রাখতে সাহায্য করে। তবে মনে রাখতে হবে রস করে খাওয়ার চাইতে আস্ত কমলা খাওয়া বেশি উপকারী।

কলা: উচ্চ মাত্রায় ক্যালরি ও শর্করা থাকার কারণে ওজন কমাতে গিয়ে অনেকেই কলা খাওয়া এড়িয়ে যান। তবে ক্যালরি বেশি হলেও এই ফলে আরও রয়েছে পটাশিয়াম, ম্যাগনেশিয়াম, ম্যাঙ্গানিজ, আঁশ, বিভিন্ন অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট এবং ভিটামিন এ, বি-সিক্স এবং সি। এই ফলের শর্করাও শরীরে ধীরে শোষিত হয়। তাই বিভিন্ন পুষ্টি উপাদনে ভরপুর কলা দেহের ওজন কম রাখতে সাহায্য করে।

নাশপাতি: বৃটিশ মেডিকেল জার্নালে প্রকাশিত এক গবেষণায় দেখা গেছে, নাশপাতি ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখতে সহায়তা করে কারণ এতে আছে ফ্লাভানয়েড পলিমারস। প্রতি ১৩৮ মি.গ্রা. বাড়তি ফ্লাভানয়েড পলিমারস ওজন কম হারে বাড়ায়। তাই, যারা ওজন কমাতে চায় তাদের ফ্লাভানয়েড সমৃদ্ধ ফল খাওয়া উচিত। খোসাসহ খাওয়া হলে এর আঁশ দীর্ঘক্ষণ পেট ভরা রাখে। ফলে এলোমেলো খাবার খাওয়া থেকে বিরত থাকা যায়।

স্ট্রবেরি: ব্লুবেরি বা স্ট্রবেরি এই ধরনের ফলে ক্যালরির মাত্রা কম কিন্তু অন্যান্য পুষ্টিগুণ অনেক। আমাদের দেশে ব্লুবেরি সহজলভ্য না হলেও স্ট্রবেরি পাওয়া যায়। এক কাপ বা ১৫২ গ্রাম স্ট্রবেরিতে ৫০-এর কম ক্যালরি থাকে।


আরও খবর



হেফাজত নেতা মামুনুল হক গ্রেপ্তার

প্রকাশিত:রবিবার ১৮ এপ্রিল ২০২১ | হালনাগাদ:রবিবার ১৮ এপ্রিল ২০২১ | ১১৩জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image
২০১৩ সালের শাপলা চত্বর তাণ্ডবের ঘটনাতেও তার বিরুদ্ধে একাধিক মামলা আছে। এসব মামলায় তাকে গ্রেপ্তার করা হয়ে থাকতে পারে বলে জানা গেছে

হেফাজতে ইসলামের কেন্দ্রীয় যুগ্ম মহাসচিব ও ঢাকা মহানগরীর সেক্রেটারি মামুনুল হককে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। রাজধানীর মোহাম্মাদপুরের জামিয়া রাহমানিয়া মাদ্রাসা থেকে দুপুর ১২টার দিকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

গ্রেপ্তারের পর মামুনুলকে ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) তেজগাঁও বিভাগের উপকমিশনারের কার্যালয়ে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) তেজগাঁও বিভাগের উপকমিশনার (ডিসি) হারুন অর রশীদ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, মোহাম্মদপুর থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। বর্তমানে আমার কার্যালয়ে রয়েছেন।

মামুনুল হকের বিরুদ্ধে ২০১৩ সালের একটি মামলায় গ্রেপ্তারি পরোয়ানা রয়েছে বলে জানান ডিএমপি কমিশনার।

ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সফর সাম্প্রতিক সহিংসতা ও রিসোর্টকাণ্ডে রাজধানীর পল্টন থানা ও নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁ থানায় দুটি মামলা হয়েছে মামুনুল হকের বিরুদ্ধে। এছাড়া, ২০১৩ সালের শাপলা চত্বর তাণ্ডবের ঘটনাতেও তার বিরুদ্ধে একাধিক মামলা আছে। এসব মামলায় তাকে গ্রেপ্তার করা হয়ে থাকতে পারে বলে জানা গেছে।


আরও খবর



করোনায় গত ২৪ ঘণ্টায় ভারতে ৪ হাজার ১২৬ জনের মৃত্যু

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ১৩ মে ২০২১ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ১৩ মে ২০২১ | ২৮জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

মহামারি করোনাভাইরাসের দ্বিতীয় ঢেউয়ে অনেকটা ভয়ংকর পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে ভারতে। এ ভাইরাসে দেশটিতে হাজার হাজার মানুষ আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হচ্ছে। অক্সিজেনের অভাবে হাসপাতাল প্রাঙ্গণে অনেকের মৃত্যু হচ্ছে।

ইতোমধ্যে করোনায় গত ২৪ ঘণ্টায় ভারতে ৪ হাজার ১২৬ জনের মৃত্যু হয়েছে। যা গতকাল বুধবার এর থেকে কিছুটা কম। বুধবার দেশটিতে মৃত্যু হয়েছিল ৪ হাজার ২০০ জনের। আর বৃহস্পতিবার (১৩ মে) আক্রান্ত হয়েছে ৩ লাখ ৬২ হাজার ৪০৬ জন। যা বুধবারের তুলনায় প্রায় ১৪ বেড়েছে।

করোনাভাইরাসে আক্রান্ত ও প্রাণহানির পরিসংখ্যান রাখা ওয়েবসাইট ওয়ার্ল্ডওমিটারের তথ্যানুযায়ী, বৃহস্পতিবার (১৩ মে) সকাল ৮টা পর্যন্ত গত ২৪ ঘণ্টায় আক্রান্তে দ্বিতীয় ও মৃত্যুতে তৃতীয় অবস্থানে থাকা ভারতে করোনা আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন ৪ হাজার ১২৬ জন। এ নিয়ে এখন পর্যন্ত মোট মৃত্যু হয়েছে ২ লাখ ৫৮ হাজার ৩৫১ জনের। এ ছাড়া গত ২৪ ঘণ্টায় আক্রান্ত হয়েছেন ৩ লাখ ৬২ হাজার ৪০৬ জন। এ নিয়ে এখন পর্যন্ত মোট সংক্রমিত হয়েছেন ২ কোটি ৩৭ লাখ ২ হাজার ৮৩২ জন।

এদিকে, ওয়ার্ল্ডওমিটারের তথ্যানুযায়ী, বৃহস্পতিবার (১৩ মে) সকাল ৮টা পর্যন্ত গত ২৪ ঘণ্টায় বিশ্বে মারা গেছেন আরও ১৩ হাজার ৮২৬ মানুষ এবং নতুন করে করোনাভাইরাস শনাক্ত হয়েছেন প্রায় ৭ লাখ ৫০ হাজার ৬৫৬ জন। এ নিয়ে বিশ্বে মোট করোনায় মৃত্যু হয়েছে ৩৩ লাখ ৪৫ হাজার ১৮ জনের এবং আক্রান্ত হয়েছেন ১৬ কোটি ১০ লাখ ৮০ হাজার ৫৮১ জন। এদের মধ্যে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ১৩ কোটি ৮৮ লাখ ৬৩ হাজার ৫১৮ জন।

করোনায় এখন পর্যন্ত সবচেয়ে বেশি সংক্রমণ ও মৃত্যু হয়েছে বিশ্বের ক্ষমতাধর দেশ যুক্তরাষ্ট্রে। তালিকায় শীর্ষে থাকা দেশটিতে এখন পর্যন্ত করোনা সংক্রমিত হয়েছেন ৩ কোটি ৩৫ লাখ ৮৬ হাজার ১৩৬ জন। মৃত্যু হয়েছে ৫ লাখ ৯৭ হাজার ৭৮৫ জনের।


আরও খবর



‘নগদ’ এ দৈনিক লেনদেন ৪০০ কোটি টাকা ছাড়ালো

প্রকাশিত:বুধবার ২১ এপ্রিল 20২১ | হালনাগাদ:বুধবার ২১ এপ্রিল 20২১ | ১১২জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

মোবাইল ফিন্যান্সিয়াল সার্ভিসে বিশ্বের সবচেয়ে দ্রুতগতিতে বেড়ে ওঠা নগদ এখন চার কোটি গ্রাহকের অপারেটর। সম্প্রতি এ ল্যান্ডমার্ক অতিক্রম করেছে বাংলাদেশ ডাক বিভাগের আর্থিক সেবাটি।একই সময়ে নগদ-এর দৈনিক লেনদেন ৪০০ কোটি টাকা পেরিয়েছে।

বাণিজ্যিক সেবা শুরু করার মাত্র দুই বছরের মধ্যে একটি সরকারি সেবার এমন সাফল্য চারিদিকে সাড়া ফেলেছে। চলমান কোভিডের সময়ে সরকারি নানান ভাতা, উপবৃত্তি, আর্থিক সহায়তা বিতরণে ডিজিটালাইজেশনের প্রচলন করে ভাতাভোগীর হাতে সহজেই সহায়তা পৌঁছে দেওয়া, স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা এবং সরকারি অর্থের সাশ্রয় করার মতো কাজ করেও সবার প্রশংসা কুড়িয়েছে নগদ

মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিস-এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক তানভীর এ মিশুক বলেন, প্রচলিত সব পরিষেবা যাতে নগদ-এ পাওয়া যায় তার জন্য আমরা সব হবে নগদ-এ লক্ষ্য নিয়ে কাজ করছি। আর সেজন্য প্রতিদিনিই আমরা অসাধ্য সাধনের চেষ্টা করে যাচ্ছি। *১৬৭# নম্বরে ডায়াল করে পিন সেট করার মাধ্যমে অ্যাকাউন্ট খোলা পৃথিবীর আর কোথাও না থাকলেও নগদ সেটি সম্ভব করেছে। অথচ একসময় একটি অ্যাকাউন্ট খুলতে কত কিছুই না করতে হতো। উদ্ভাবনী প্রচেষ্টার এই অগ্রযাত্রায় মাত্র দুই বছরের মধ্যে নগদ ৪০০ কোটি টাকা লেনদেনের মাইলফলক ছুঁয়েছে এটি আমাদের জন্য অনেক আনন্দের একটি সময়।

২০১৯ সালের ২৬ মার্চ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সেবাটি উদ্বোধনের পর মাত্র ১০ মাসে এক কোটি গ্রাহকের ল্যান্ডমার্ক অতিক্রম করে নগদ। পরের এক কোটি গ্রাহক পেতে সময় লাগে মাত্র ছয় মাস। দুই কোটি থেকে তিন কোটিতে আসতে সময় লাগে আরও সাত মাস। আর শেষ এক কোটি গ্রাহক পেতে সময় লেগেছে দুই মাসেরও কম সময়।

 গ্রাহক নিবন্ধনের জন্য দেশের আর্থিক খাতে প্রথমবারের মতো ই-কেওয়াইসি (কাস্টোমারকে জানা) চালু করে সাড়া ফেলে নগদনগদ-এর দেখানো পথ অনুসরণ করেই এখন আরও অনেক আর্থিক প্রতিষ্ঠান গ্রাহক নিবন্ধনে ই-কেওয়াইসি চালু করেছে। গ্রাহকের অ্যাকাউন্ট খোলার প্রক্রিয়াকে সহজতর করায় যেকোনো সময় নগদ-এর সঙ্গে যুক্ত হতে পারছেন যেকেউ। মোবাইল ফোন অপারেটরদের সঙ্গে পার্টনারশিপের মাধ্যমে চালু হওয়া এ সেবাটিও বিশ্বে প্রথমবারের মতো ঘটেছে।

নগদ-এর উদ্ভাবনী সব সেবার কারণে শুরু থেকেই লেনদেনের পরিমাণও বাড়তে থাকে আশানুরূপভাবে। ২০২০ সালের জানুয়ারিতে প্রথম দিকে ১০০ কোটি টাকা লেনদেনের মার্ক অতিক্রম করে নগদ। তখন এক অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীরতথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয় পরের এক বছরের মধ্যে দৈনিক লেনদেনের অঙ্ক ২০০ কোটি টাকা পেরুনোর লক্ষ্য বেঁধে দেন। তবে তার আগে, ওই একই বছরের ডিসেম্বরে  দৈনিক লেনদেনের অঙ্ক দ্বিগুণ হয়ে যায়। গত মার্চে দৈনিক লেনদেন ৩০০ কোটি টাকা এবং এক মাসের ব্যবধানে গত সপ্তাহে এটি ৪০০ কোটি টাকা পেরিয়েছে।

নগদ এর দ্রুতগতির অগ্রযাত্রাকে অত্যাধুনিক প্রযুক্তিগত উদ্ভাবন এবং গ্রাহকবান্ধব সেবা চালু করার সফল সম্মীলন বলে মনে করেন ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগের মন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার।

তিনি বলেন, নামমাত্র মূল্যে গ্রাহকদের আর্থিক লেনদেনের স্বাধীনতা নিশ্চিত করার যে চমৎকার উদহারণ ডাক বিভাগের সেবা নগদ তৈরি করেছে, সেখানে সাফল্য আসাটা ছিল অবধারিত। শুরু থেকেই আমি নগদ-এর ক্রমযাত্রা দেখে আসছি। মোবাইল  ফোনের মাধ্যমে কেন্দ্র থেকে প্রান্ত পর্যন্ত সেবা পৌঁছে দেওয়ার যে উদাহরণ নগদ তৈরি করেছে, সেটি সরকারের ডিজিটালাইজেশন প্রক্রিয়ার এক উৎকৃষ্টতম উদাহরণ। খুব অল্প সময়ে নগদ দেশের এক নম্বরও মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিস হিসেবে প্রতিষ্ঠা পাবে বলে আমি বিশ্বাস করি।

বাংলাদেশ ডাক বিভাগের মহাপরিচালক মো. সিরাজ উদ্দিন নগদ-এর চমৎকার এই অর্জনে সেবাটির সঙ্গে জড়িত সব কর্মী ও গ্রাহককে অভিনন্দন জানিয়ে বলেন, মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিস সেবায় দেশে বিপ্লব ঘটানো অপারেটরের নাম নগদ। এত দ্রুততার সঙ্গে একটি সরকারি সেবার বিস্তৃতি আমাকে আগের চেয়েও অনেক বেশি আত্মবিশ্বাসী করেছে, সরকারের দিন বদলের ভিশনে নগদ গুরুত্বপূর্ণ অবস্থানেই থাকবে।


আরও খবর



ভারত থেকে বাংলাদেশে আসা যাত্রীদের মধ্যে করোনা শনাক্ত

প্রকাশিত:রবিবার ০২ মে 2০২1 | হালনাগাদ:রবিবার ০২ মে 2০২1 | ১০২জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image
নির্দেশনা অনুযায়ী দেশে ফেরত আসা যাত্রীদের ১৪ দিনের প্রাতিষ্ঠানিক কোয়ারেন্টাইনে রাখা হচ্ছে। শার্শা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মীর আলিফ রেজা আগত যাত্রীদের সার্বিক দেখাশোনার জন্য চেকপোস্টের আন্তর্জাতিক টার্মিনালে মনিটরিং

শনিবার দুপুর ২টা পর্যন্ত ভারতে আটকে পড়া বাংলাদেশে যাত্রী এসেছে ৭০ জন। এদের পাঠানো হয়েছে খুলনার বিভিন্ন হোটেলে। গত ৬ দিনে সবমিলে দেশে ফেরত আসা যাত্রীর সংখ্যা ১ হাজার ২৬ জন। দেশে ফেরত আসা এসব যাত্রীদের মধ্যে করোনা শনাক্ত পাওয়া গেছে ৭ জন। তাদের যশোর সদর হাসপাতালের করোনা ইউনিটে ভর্তি করা হয়েছে।

ভারতে আটকে পড়া বাংলাদেশি যাত্রীদের চাপে ভরে গেছে বেনাপোলের আবাসিক হোটেল ও মাদরাসা। চাপ সামলাতে শনিবার থেকে দেশে ফেরা যাত্রীদের ৭৫ কিলোমিটার দুরে জেলা সদর নড়াইলের পর এবার নেয়া হচ্ছে খুলনায়।

রবিবার (২ মে) দুপুর ১টার মধ্যে দেশে ফিরেন আরও প্রায় ৮০ জন বাংলাদেশি। এদের বিশেষ ব্যবস্থায় খুলনায় নেয়া হচ্ছে। গতকাল পর্যন্ত দেশে ঢুকেছে ৯৪৬ জন। প্রথম তিনদিনের প্রায় ৬ শতাধিক যাত্রীকে রাখা হয় বেনাপোলের বিভিন্ন আবাসিক হোটেলে। বেনাপোলে পর্যটন মোটেলসহ হোটেলের সংখ্যা ১২। স্থান সংকুলান না হওয়ায় ২৯ তারিখ দেশে ফেরত আসা যাত্রীদের রাখা হয় ঝিকরগাছার গাজীর দরগা মাদ্রাসায়। ৩০ তারিখের যাত্রীদের পাঠানো হয়েছে নড়াইলের বিভিন্ন হোটেলে।

সরকারী নির্দেশনা অনুযায়ী দেশে ফেরত আসা যাত্রীদের ১৪ দিনের প্রাতিষ্ঠানিক কোয়ারেন্টাইনে রাখা হচ্ছে। শার্শা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মীর আলিফ রেজা আগত যাত্রীদের সার্বিক দেখাশোনার জন্য চেকপোস্টের আন্তর্জাতিক টার্মিনালে মনিটরিং সেল বসিয়ে দেখা শোনা করছেন।

বেনাপোলের পোর্টভিউ হোটেলের সত্ত্বাধিকারী আলহাজ্ব ওয়াজেদ আলী জানান, আজ থেকে তার হোটেলে অবস্থান নেয়া প্রায় ৫০ জন রোজাদার যাত্রীকে তার পরিবারের পক্ষ থেকে বিনামূল্যে সন্ধ্যায় ইফতার এবং রাতে সেহরির ব্যবস্থা করা হয়েছে। ঈদের আগের দিন পর্যন্ত সকল রোজাদার যাত্রীদের খাবার দেয়া অব্যাহত থাকবে।


আরও খবর