আজঃ শনিবার ০২ মার্চ 2০২4
শিরোনাম

এক বছরে দেশে ইন্টারনেট ব্যবহারকারী বেড়েছে ৭০ লাখ

প্রকাশিত:সোমবার ১২ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:সোমবার ১২ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি ডেস্ক

Image

৭০ লাখ নতুন ইন্টারনেট ব্যবহারকারীসহ ২০২৩ সালের ডিসেম্বর শেষে বাংলাদেশে ইন্টারনেট গ্রাহকের সংখ্যা ১৩ কোটি ১০ লাখে পৌঁছেছে।

সম্প্রতি বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রক সংস্থার (বিটিআরসি) প্রকাশিত তথ্যে ইন্টারনেট ব্যবহারকারীর এই সংখ্যা সম্পর্কে জানা যায়।

বিটিআরসির তথ্য অনুযায়ী, ১১ কোটি ৮৪ লাখ ৯০ হাজার মোবাইল ইন্টারনেট ব্যবহারকারী এবং ১ কোটি ২৮ লাখ ৮০ হাজার ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট ব্যবহারকারী রয়েছেন।

বাংলাদেশে বর্তমানে চারটি মোবাইল কোম্পানি কার্যক্রম পরিচালনা করছে, যার মধ্যে তিনটি বিদেশি সমর্থনপুষ্ট মোবাইল ফোন অপারেটর।

তথ্য অনুযায়ী, ডিসেম্বর শেষে মোবাইল অপারেটর গ্রামীণফোনের ৮ কোটি ২২ লাখ, রবি আজিয়াটার ৫ কোটি ৮৬ লাখ, বাংলালিংক ডিজিটাল কমিউনিকেশনসের ৪ কোটি ৩৪ লাখ ৮০ হাজার এবং টেলিটক বাংলাদেশের গ্রাহক সংখ্যা ৬৪ লাখ ৬০ হাজারে দাঁড়িয়েছে।


আরও খবর



তুমব্রু সীমান্তে ফের গোলাগুলি, সতর্ক বিজিবি

প্রকাশিত:রবিবার ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:রবিবার ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক

Image

বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার ঘুমধুম ইউনিয়নের তুমব্রু সীমান্ত এলাকা ও মিয়ানমারের ঢেকিবুনিয়া এলাকা থেকে কয়েক দফায় বিকট শব্দ শোনা গেছে। রোববার (২৫ ফেব্রুয়ারি) বিকাল ৩টা ৪০ মিনিট থেকে এ সংবাদ লেখা পর্যন্ত গোলাগুলির শব্দ পাওয়া গেছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয়রা। এর আগে শনিবার রাত সোয়া ২টা থেকে টানা শত রাউন্ড গুলির আওয়াজ শুনেছেন বলে জানিয়েছেন স্থানীয় ইউপি সদস্য দিল মোহাম্মদ ভুট্টো।

বাইশফাড়ি সীমান্তের বাসিন্দা মো. এরশাদ বলেন, দু'দিন ধরে মিয়ানমার সীমান্তে ব্যাপক গোলাগুলিতে আমরা আতঙ্কের মধ্যে আছি। সীমান্ত এলাকায় কাজকর্ম করতে ভয় লাগছে।

তবে সীমান্ত এলাকায় বিজিবি সদস্যদের সতর্ক অবস্থানে দেখা গেছে। বন্ধ হয়ে যাওয়া সাতটি স্কুল এখনও খোলেনি। পরিস্থিতি পুরো স্বাভাবিক হলে কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদনের মাধ্যমে বন্ধ স্কুলগুলো খুলে দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা ফরিদুল আলম হুসাইনি।

সূত্রে জানা গেছে, মিয়ানমার জান্তা বাহিনীর হাতছাড়া হওয়া আরকান আর্মি নিয়ন্ত্রিত তুমব্রু রাইট ক্যাম্প থেকে গুলি ছোড়া হলে প্রতিপক্ষ অপর বিদ্রোহীরা তাদের ওপর পাল্টা গুলি চালায়।

ঘুমধুম ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান জাহাঙ্গীর আজিজ বলেন, আবরও গোলাগুলির শব্দে আতঙ্কিত হয়ে পড়েছে তার এলাকার হাজারও মানুষ। তবে লোকজন কাজকর্ম স্বাভাবিকভাবে চালিয়ে যাচ্ছেন।


আরও খবর



মিয়ানমার থেকে কোনো শব্দ আসেনি

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ২০ ফেব্রুয়ারী ২০24 | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ২০ ফেব্রুয়ারী ২০24 | অনলাইন সংস্করণ
মোহাম্মদ ফারুক, কক্সবাজার

Image

কক্সবাজারের টেকনাফ লাগোয়া সীমান্তের ওপারে মিয়ানমার থেকে গোলাগুলি ও বিস্ফোরণের কোন শব্দ সোমবার সন্ধ্যার পর থেকে অদ্যাবধি আর আসেনি। এক সপ্তাহের বেশি বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ি এবং কক্সবাজারের উখিয়া সীমান্তের ওপার থেকেও সংঘাতের কোনো শব্দ আসেনি।

স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা বলছেন, বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ি এবং কক্সবাজারের উখিয়া সীমান্ত এলাকার জনজীবন স্বাভাবিক রয়েছে। টেকনাফে গোলাগুলির কোনো শব্দ না আসলেও নাফ নদী এলাকায় আতঙ্ক পুরোপুরি কাটেনি। এ কারণে মঙ্গলবারও জেলেরা নাফ নদীতে নামেননি। প্রশাসনের নির্দেশনা পেলে জেলেরা মাছ ধরার জন্য নদীতে যাবে।

টেকনাফের সাবরাং ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য আব্দুস সালাম জানান, গতকাল দুপুর ১২ টা  পর্যন্ত শাহপরীরদ্বীপ এলাকায় থেমে থেমে গুলি   গোলাবর্ষণের শব্দ শোনা যায়। তারপর পুরো রাত থেকে মঙ্গলবার এই পর্যন্ত গোলাবর্ষণের কোনও শব্দ শোনা যায়নি।

এ ইউপি সদস্য জানান, মঙ্গলবার সকাল পর্যন্ত শাহপরীরদ্বীপ সীমান্ত এলাকায় গোলাগুলির কোনও শব্দ না আসলেও আতঙ্ক পুরোপুরি কাটেনি। একারণে জেলেরা নাফ নদীতে মাছ ধরা বন্ধ রেখেছেন। সীমিত হয়ে পড়েছে স্থানীয় নৌযান চলাচলও। তবে আগামী কাল থেকে প্রশাসনের নির্দেশনা পেলে জেলেরা নদীতে যাবে

হ্নীলা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান রাশেদ মাহমুদ আলী জানান, সোমবার সকালে ইউনিয়নের ফুলেরডেইল সীমান্ত এলাকা টানা ১০ থেকে ১৫ মিনিট বেশ কিছু গোলাগুলির শব্দ শোনা গিয়েছিল। রাতে গোলাগুলির কোনও শব্দ আসেনি। মঙ্গলবার দুপুর পর্যন্ত সীমান্ত পরিস্থিতি স্বাভাবিক মনে হয়েছে।

টেকনাফ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. আদনান চৌধুরী বলেন, মঙ্গলবার কোনও ধরনের বিস্ফোরণ ও গোলাগুলির শব্দ পাওয়া যায়নি বলে জানিয়েছেন স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা। মিয়ানমারের সংঘাতময় পরিস্থিতির কারণে বিজিবি-কোস্টগার্ড ও পুলিশের টহল বাড়ানোর হয়েছে। সীমান্তে বসবাসরত মানুষকে সতর্ক থাকতে বলা হয়েছে।


আরও খবর



এবারও অস্থায়ী শহিদ মিনারে ফুল দিবে চট্টগ্রামবাসী

প্রকাশিত:সোমবার ১৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:সোমবার ১৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
রাহুল সরকার, চট্টগ্রাম ব্যুরো

Image

২১ ফেব্রুয়ারি শহিদ দিবসে এবারও চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন মিউনিসিপ্যাল মডেল স্কুল ও কলেজ মাঠে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানাবেন চট্টগ্রামবাসী।

সোমবার বিকালে টাইগারপাসস্থ চসিক কার্যালয়ে বীর মুক্তিযোদ্ধা, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, সাংস্কৃতিক ব্যক্তিবর্গ, সাংবাদিকবৃন্দ ও বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার প্রতিনিধিবৃন্দ শহিদ মিনার প্রসঙ্গে তাদের তাদের মতামত তুলে ধরার পর সম্মিলিতভাবে এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।

সভায় চসিক মেয়র বলেন, নির্মাণাধীন শহিদ মিনারের দৃশ্যমান না হওয়া এবং সিড়ি সঙ্কীর্ণ ও বয়োবৃদ্ধদের উপযোগী না হওয়া নিয়ে অনেকের অভিযোগ আছে। এ বিষয়টি কীভাবে সমাধান করা যায় তা বুঝার জন্য সংশ্লিষ্টদের নিয়ে আমরা একটি কমিটি করে বিষেষজ্ঞদের মতামত নিয়েছি। কমিটির মতামত ও আজকের সভায় উপস্থিত সবার মতামতের ভিত্তিতে সিদ্ধান্ত হল এইবারের শহিদ দিবসে গতবারের মতো এবারও মিউনিসিপ্যাল স্কুল প্রাঙ্গণে আমরা শ্রদ্ধা নিবেদন করব।

সভায় বিশিষ্টজনরা বলেন, মেয়র রেজাউল যেভাবে দৃঢ়তার সাথে অবৈধভাবে ফুটপাত দখলকারীদের কাছ থেকে ফুটপাত উদ্ধার করেছেন সেভাবে চট্টগ্রামের শহিদ মিনার নিয়ে নাগরিকদের যে দাবি তা বাস্তবায়নে নেতৃত্ব দিবেন বলে আমাদের আশা।

সভায় বীর মুক্তিযোদ্ধাদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন মুক্তিযুদ্ধ গবেষক বীর মুক্তিযোদ্ধা ডা. মাহফুজুর রহমান, ১৪ দলীয় জোট নেতা বীর মুক্তিযোদ্ধা ইন্দুনন্দন দত্ত, বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা সংসদের কমান্ডার মোজাফফর আহমদ, ডেপুটি কমান্ডার মো. নুরউদ্দিন, কালাম চৌধুরী। এছাড়া, একুশে পদকপ্রাপ্ত নাট্যজন আহমেদ ইকবাল হায়দার, সাংস্কৃতিক সংগঠক দেওয়ান মাকসুদ আহমেদ, মহিলা আওয়ামী লীগের দপ্তর সম্পাদক হাসিনা আক্তার, কলামিস্ট ড. মাসুম চৌধুরী, নাট্যজন সুচরিত দাশ খোকন, সমাজসেবী দীপঙ্কর চৌধুরী কাজল, অলক ঘোষ, রাশেদ হাসান, প্রণব চৌধুরী বক্তব্য রাখেন। বিশিষ্ট সাংবাদিকদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন আবু সুফিয়ান, চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের সভাপতি সালাহ উদ্দিন মো. রেজা, চট্টগ্রাম সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি তপন চক্রবর্তী, চৌধুরী ফরিদ, কলিম সরওয়ার, ফেরদৌস হাসান, শহীদুল্লাহ শাহরিয়ার। মেয়রের একান্ত সচিব আবুল হাশেম এবং নগর পরিকল্পনাবিদ আবদুল্লাহ আল ওমর, অধ্যক্ষ আবু তস্লেব বেলালসহ বিভিন্ন অঙ্গনের বিশিষ্টজনরা উপস্থিত ছিলেন।


আরও খবর



২১ ফেব্রুয়ারি পালনে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে মাউশির নির্দেশনা

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ২০ ফেব্রুয়ারী ২০24 | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ২০ ফেব্রুয়ারী ২০24 | অনলাইন সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক

Image

আগামীকাল বুধবার (২১ ফেব্রুয়ারি) শহিদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস। দিবসটি পালনে দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শহিদ মিনারে ভাষা আন্দোলনের শহিদদের স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করতে বলা হয়েছে। শহিদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালনে সব স্কুল-কলেজে জাতীয় কর্মসূচির সঙ্গে সঙ্গতি রেখে স্ব স্ব কর্মসূচি গ্রহণ করতে বলেছে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি)।

মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর থেকে জারি করা আদেশে ইংরেজি মাধ্যমের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানসহ সরকারি-বেসরকারি স্কুল ও কলেজগুলোকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস ও শহিদ দিবস পালনে নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। আদেশটি সব সরকারি-বেসরকারি স্কুলের প্রধান শিক্ষক, কলেজের অধ্যক্ষ এবং মাঠপর্যায়ের শিক্ষা কর্মকর্তাদের পাঠানো হয়েছে।

যেসব নির্দেশনা মানতে হবে :

মহান শহিদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসে ইংলিশ মিডিয়াম স্কুলসহ সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও শিক্ষা অফিসে সঠিক নিয়মে, সঠিক রং ও মাপের জাতীয় পতাকা অর্ধনমিত রাখতে হবে। সূর্যোদয়ের সময়ে জাতীয় পতাকা অর্ধনমিত অবস্থায় উত্তোলন এবং সূর্যাস্তের সময় জাতীয় পতাকা নামাতে হবে।

ইংলিশ মিডিয়াম স্কুলসহ সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও শিক্ষা অফিস ২১ ফেব্রুয়ারি সকালে ভাষা আন্দোলনে শহীদদের স্মৃতির উদ্দেশে শহিদ মিনারে শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করবে।

যথাযোগ্য মর্যাদায় দিবসটি পালনের লক্ষ্যে জাতীয় কর্মসূচির সঙ্গে সংগতি রেখে ইংলিশ মিডিয়াম স্কুলসহ সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান নিজ নিজ কর্মসূচি গ্রহণ করবে।

দিবসটির সঙ্গে সংগতি রেখে শিক্ষার্থীদের রচিত কবিতা, গল্প, সৃজনশীল লেখা ও তাদের আঁকা ছবি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর শেখ রাসেল দেয়ালিকায় উপস্থাপন করতে বলা হয়েছে।


আরও খবর
জাবির ‘ডি’ ইউনিটের ফল প্রকাশ

বৃহস্পতিবার ২৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৪




বিএসএমএমইউতে ‘ফাইব্রোস্ক্র্যান’ মেশিনের শুভ উদ্বোধন

প্রকাশিত:সোমবার ১২ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:সোমবার ১২ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
প্রেস বিজ্ঞপ্তি

Image

প্রথমবারের মত লিভারে চিকিৎসায় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ে (বিএসএমএমইউ) ফাইব্রোস্ক্র্যান মেশিন উদ্বোধন করা হয়েছে। সোমবার (১২ ফেব্রুয়ারি) বিশ্ববিদ্যালয়ের ডি-ব্লকে গ্যাস্ট্রোএন্টারোলজি বিভাগে প্রধান অতিথি হিসেবে এ মেশিনের শুভ উদ্বোধন করেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ডা. মোঃ শারফুদ্দিন আহমেদ।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়েরর উপাচার্য অধ্যাপক ডা. মোঃ শারফুদ্দিন আহমেদ বলেন, বর্তমান প্রশাসন দায়িত্ব নেবার পর সর্বাধুনিক প্রযুক্তি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ে চিকিৎসা সেবায় প্রয়োগ করা হচ্ছে। আজকের এই ফাইব্রোস্ক্যান মেশিনের উদ্বোধনের জন্য লিভার সিরোসিস, ফ্যাটিলিভারে আক্রান্ত রোগীদের চিকিৎসা সহজ লভ্য হল। ফ্যাটি লিভার আগেভাগে এ মেশিন দিয়ে নির্ণয় করা হলে লিভার সিরোসিস রোগ সহজেই প্রতিরোধ করা যাবে।

উপাচার্য অধ্যাপক ডা. মোঃ শারফুদ্দিন আহমেদ বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার একটিই কথা কোনো রোগী যেনো দেশের বাইরে না যায়। আমরা সেই লক্ষ্য নিয়ে চেষ্টা করছি। বিদেশে রোগীরা না গেলে যে অর্থ বাঁচবে তা দিয়ে আরেকটি পদ্মা সেতু তৈরি করা যাবে।

অনুষ্ঠানে বিশ্ববিদ্যালয়ের গ্যাস্ট্রোএন্টারোলজি বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ডা. মোঃ  দেওয়ান সাইফুদ্দিন আহমেদ,  বাংলাদেশ গ্যাস্ট্রোএন্টারোলজি সোসাইটির মহাসচিব অধ্যাপক ডা. চঞ্চল কুমার ঘোষ, অধ্যাপক ডা. রাজীবুল আলম, সহযোগী অধ্যাপক ডা. মাসুদুর রহমান, সহযোগী অধ্যাপক ডা. শোয়েব চৌধুরী, সহকারী অধ্যাপক ডা. আব্দুল্লাহ্ আল মামুন, ডা. এবিএম সফিউল্লাহ, ডা. ফজলুল করিম চৌধুরী, ডা. নুরুজ্জামান , ডা. সুস্মিতা ইসলাম, ডা. শাহনেওয়াজ  ও বিভাগের অন্যান্য, চিকিৎসকবৃন্দ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা, নার্সরা উপস্থিত ছিলেন।

ফাইব্রোস্ক্যান (Fibroscan) একটি অত্যাধুনিক যন্ত্র। এর সাহায্যে Transient Elastography নামক পুরোপুরি ব্যথামুক্ত পদ্ধতিতে লিভার স্টিফনেস বা লিভার কতখানি শক্ত হয়ে আছে, তা পরীক্ষা করা যায়। লিভার স্টিফনেসের কয়েকটি ধরন রয়েছে। ফরাসি প্রতিষ্ঠান ইকোসেন (Echosen) নির্মিত ফাইব্রোস্ক্যানের মাধ্যমে সিরোসিস-সহ সবগুলো ধাপ নির্ণয় করা যায়। লিভারের নানা ধরনের দীর্ঘমেয়াদি রোগ ক্রনিক ভাইরাল হেপাটাইসিস, অ্যালকোহলিক, নন-অ্যালকোহলিক ফ্যাটি লিভার ডিজিজ ও  লিভার সিরোসিস শনাক্তকরণে এ মেশিন ব্যবহার করা হয়। এর ফলে রোগীরা খুব সহজেই রোগ নির্ণয় করে চিকিৎসা সেবা নিতে পারবে ।


আরও খবর