আজঃ মঙ্গলবার ২৩ জুলাই ২০২৪
শিরোনাম

এক পিকআপের অনুসন্ধানে মিলল চার পিকআপ, গ্রেপ্তার ৯

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৩ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৩ | অনলাইন সংস্করণ
গাজীপুর প্রতিনিধি

Image

গাজীপুরের বাসন থানায় দায়ের করা একটি পিকআপ চুরির মামলা তদন্তে নামে পুলিশ। তদন্তের এক পর্যায়ে বেরিয়ে আসে আন্ত:জেলা চোর চক্রের সন্ধান, যারা একের পর এক এসব পিকআপ চুরির সঙ্গে জড়িত। পরে পুলিশের একাধিক টিম অভিযান চালিয়ে গাজীপুর ও ময়মনসিংহের বিভিন্ন এলাকা থেকে চক্রের ৯ সদস্যকে গ্রেপ্তারসহ চোরাই চারটি পিকআপ উদ্ধার করে। মঙ্গলবার দুপুরে গাজীপুর মহানগর উপ পুলিশ কমিশনার কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ ব্রিফিংয়ে এ তথ্য জানান উপ-কমিশনার (অপরাধ) আবু তোরাব মো. শামছুর রহমান।

গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন, মো. ইয়াসিন (১৯), মো. ইলিয়াস (২৭), রমজান (৩০), মো. নাহিদ (২৩), মো. বেলাল খা (৪০), আব্দুল আলিম (৩০), কাশেম বেপারী (৩৫), বাবুল মিয়া (৪০) ও আবু বকর সিদ্দিক (৫২)।

পুলিশ কর্মকর্তা বলেন, গত ৫ সেপ্টেম্বর রাত ১০ টার দিকে বাসন থানার ভোগড়া এলাকায় চট্টগ্রামগামী রোডের স্কয়ার ফ্যাক্টরীর সামনে থেকে ৬ লাখ টাকা মূল্যমানের একটি পিকআপ চুরি হয়। এ ব্যাপারে পিকআপটির মালিক আবুল বাশার থানায় মামলা দায়ের করেন। মামলার পর ঘটনা তদন্তে পুলিশের একাধিক টিম কাজ শুরু করে।  এক পর্যায়ে শ্রীপুর উপজেলায় অভিযান চালিয়ে চোর চক্রের সদস্য ইয়াসিন ও ইলিয়াসকে একটি পিকআপসহ গ্রেপ্তার করা হয়। পরে পুলিশের আবেদনের প্রেক্ষিতে আদালত তাদের এক দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

পুলিশের রিমান্ডে গ্রেপ্তারকৃতরা জানায়, তারা আন্ত: জেলা চোর চক্রের সদস্য এবং তাদের দখলে আরও চোরাই পিকআপ রয়েছে। পরে তাদের দেয়া তথ্যমতে, অভিযান চালিয়ে অভিযুক্ত নাহিদ ও রমজানকে গ্রেপ্তার করা হয়। অভিযানের এক পর্যায়ে সালনা থেকে গ্যারেজ মালিক কাশেম বেপারীকে গ্রেপ্তার ও তার গ্যারেজ থেকে চোরাই পিকআপ উদ্ধার করা হয়। পরবর্তীতে কালিয়াকৈর উপজেলার বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে বেলাল খা ও আব্দুল আলীমে কাছ থেকে একটি চোরাই পিকআপ এবং ময়মনসিংহ জেলার ফুলবাড়িয়া থানা এলাকা থেকে বাবুল মিয়া ও আবু বকর সিদ্দিককে গ্রেপ্তার করে তাদের কাছ থেকে অপর একটি চোরাই পিকআপ উদ্ধার করা হয়। গ্রেপ্তারকৃতদের বিরুদ্ধে বিভিন্ন থানায় একাধিক মামলা রয়েছে বলে জানান এই পুলিশ কর্মকর্তা।

 

সংবাদ ব্রিফিংয়ে বাসন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আবু সিদ্দিকসহ পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।


আরও খবর



রাজধানীতে নববধূকে দলবদ্ধ ধর্ষণ, গ্রেপ্তার ৭

প্রকাশিত:রবিবার ৩০ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:রবিবার ৩০ জুন ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক

Image

স্বামীর সঙ্গে ঘুরতে এসে অপহরণ ও পরবর্তীতে দলবদ্ধ ধর্ষণের শিকার হয়েছেন এক নববধূ। শনিবার (২৯ জুন) এ ঘটনার মূল হোতাসহ ৭ আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে খিলক্ষেত থানা পুলিশ।

পুলিশ জানায়, নববধূকে জোরপূর্বক ধরে নিয়ে বনরূপা এলাকার ঝোপঝাড়ের মধ্যে নিয়ে মারধর করে এবং ৩ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করে। একপর্যায়ে তারা ভিকটিমের স্বামীকে ছেড়ে দেয় মুক্তিপণের টাকা আনার জন্য। ভিকটিমের স্বামী ওই স্থান ত্যাগ করে ৯৯৯ এ কল দিয়ে পুলিশের সহায়তা চায়। এর মধ্যে আসামিরা ভিকটিমকে বিভিন্নভাবে মারধর করে ও শারীরিক নির্যাতন করে। ভিকটিম তাদেরকে কাঁদতে কাঁদতে না মারার জন্য বারবার অনুরোধ করে। আসামিরা ভিকটিমের আর্তনাদ কর্ণপাত না করে ভিকটিমের ওপর অমানুষিক অত্যাচার চালিয়ে যেতে থাকে। একপর্যায়ে আসামিরা ভিকটিমকে ধর্ষণ করে। পরে ঘটনাস্থলে পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে আসামিরা পালিয়ে যায়।

এসি ক্যান্টনমেন্ট জোন শেখ মুত্তাজুল ইসলামের নেতৃত্বে খিলক্ষেত থানার কয়েকটি টিম এ অভিযান পরিচালনা করেন।

শেখ মুত্তাজুল ইসলাম বলেন, ওই নববধূ শুক্রবার সন্ধ্যায় তার স্বামীর সঙ্গে ঘুরতে বের হন। তারা খিলক্ষেত থানা এলাকার ঢাকাময়মনসিংহ মহাসড়কের বনরূপা এলাকায় গেলে সেখানে আবুল কাশেম ওরফে সুমন নামের এক ব্যক্তির নেতৃত্বে সাতজনের দল তাদের অপহরণ করে। ভুক্তভোগী নববধূ ও তার স্বামীকে বনরূপা এলাকার ঝোপঝাড়ের ভেতরে নিয়ে যান দুর্বৃত্তরা। পরে স্বামীর কাছে মুক্তিপণ দাবি করেন তারা। মুক্তিপণের টাকা আনার জন্য ছেড়ে দিলে তিনি বেরিয়ে এসে জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯ নম্বরে ফোন দেন। পুলিশ খবর পেয়ে সঙ্গে সঙ্গে বনরূপা এলাকায় যায়। পুলিশ সদস্যদের উপস্থিতি টের পেয়ে দুর্বৃত্তরা ঝোপঝাড়ের ভেতরে বারবার তাদের অবস্থান পরিবর্তন করতে থাকেন। ভোর ৪টার দিকে পুলিশ সেখান থেকে ভুক্তভোগী নববধূকে উদ্ধার করতে সক্ষম হয়। দুর্বৃত্তরা পালিয়ে যান।

ভুক্তভোগীর সঙ্গে কথা বলে পুলিশ জানতে পারে তিনি ধর্ষণের শিকার হয়েছেন। পুলিশ কর্মকর্তা মুত্তাজুল ইসলাম বলেন, ওই নারী পুলিশকে জানিয়েছেন, চারজন দুর্বৃত্ত তাকে ধর্ষণ করেন।

পুলিশের গুলশান বিভাগের ডিসি রিফাত রহমান শামীম বলেন, শুক্রবার রাতে ঘটনাটি জানানোর পরপরই অভিযান শুরু হয়। গ্রেপ্তাররা দলবদ্ধ ধর্ষণের সঙ্গে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছেন। জড়িত একজন ওই নববধূর পূর্ব পরিচিত।

নিউজ ট্যাগ: দলবদ্ধ ধর্ষণ

আরও খবর



কংগ্রেসকে আক্রমণ করে প্রথম পার্লামেন্ট অধিবেশন শুরু করলেন মোদি

প্রকাশিত:সোমবার ২৪ জুন 20২৪ | হালনাগাদ:সোমবার ২৪ জুন 20২৪ | অনলাইন সংস্করণ
আন্তর্জাতিক ডেস্ক

Image

ভারতে নরেন্দ্র মোদির তৃতীয় মেয়াদের প্রথম পার্লামেন্ট অধিবেশ শুরু হয়েছে। সোমবার (২৪ জুন) স্থানীয় সময় সকাল ১১ টা শুরু হয় অধিবেশন। চলবে আগামী ৩ জুলাই পর্যন্ত। প্রথম দিনই প্রধান বিরোধী দল কংগ্রেসকে আক্রমণ করে লোকসভা অধিবেশন শুরু করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। ভারতের সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি এ খবর জানিয়েছে।

অধিবেশন শুরুর আগের ভাষণে ইন্দিরা গান্ধীর আমলের কংগ্রেস সরকারকে আক্রমণ করেন মোদি। বলেন, ৫০ বছর আগে ২৫ জুন দেশে জরুরি অবস্থা জারি করা হয়েছিল। সেটা দেশের অন্ধকার অধ্যায়। গণতন্ত্রের উপর কালো দাগ। আর কখনও সেই আঁধার নেমে আসবে না এই দেশে।

বিরোধীদের উদ্দেশে তিনি বলেন, এখন পর্যন্ত বিরোধীরা আমাকে হতাশ করেছেন। তবে আশা করছি, পার্লামেন্টে তারা সুষ্ঠুভাবে তাদের দায়িত্ব পালন করবেন।

মোদির ভাষণের পর জাতীয় সংগীতের সঙ্গে লোকসভার প্রথম অধিবেশন শুরু হয়। প্রোটেম স্পিকার মোদিকে লোকসভার নেতা ঘোষণা করেন। এসময় তৃতীয় বার নির্বাচিত হয়ে দায়িত্ব তিন গুণ বেড়ে গিয়েছে বলে জানান তিনি। সকলের মত নিয়ে সরকার পরিচালনা করবেন বলেও জানালেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।

সোমবার লোকসভার সংসদ সদস্য হিসেবে শপথগ্রহণ করেছেন মোদি। তার মন্ত্রিসভার সদস্যরাও শপথ নিয়েছেন। শপথগ্রহণ তত্ত্বাবধান করেছেন প্রোটেম স্পিকার ভর্তৃহরি মহতাব। সকালেই রাষ্ট্রপতি ভবনে গিয়ে প্রোটেম স্পিকার হিসাবে শপথ নিয়েছেন তিনি। লোকসভার স্পিকার নির্বাচন করা হবে ২৬ জুন। নতুন স্পিকার নির্বাচিত না হওয়া পর্যন্ত, প্রোটেম স্পিকার হিসেবে লোকসভার প্রথম কয়েকটি অধিবেশনে সভাপতিত্ব করবেন মহতাব। লোকসভায় সংসদ সদস্যদের শপথগ্রহণ চলবে মঙ্গলবার পর্যন্ত।

প্রেসিডেন্ট দ্রৌপদী মুর্মু আগামী ২৭ জুন লোকসভা ও রাজ্যসভার যৌথ সভায় ভাষণ দেবেন। ওইদিন তিনি আগামী ৫ বছরের জন্য নতুন সরকারের রোডম্যাপ রূপরেখা দিতে পারেন।


আরও খবর
আজ নেলসন ম্যান্ডেলার জন্মদিন!

বৃহস্পতিবার ১৮ জুলাই ২০২৪




কোটা বিরোধী আন্দোলনে উত্তাল জবি, ৪ দফা দাবি

প্রকাশিত:সোমবার ০১ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:সোমবার ০১ জুলাই ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি

Image

২০১৮ সারের জারিকৃত পরিপত্র অনুযায়ী কোটা ব্যবস্থা পুনর্বহালের দাবিতে বৈষম্য-বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের ব্যানারে ছাত্র সমাবেশ করেছে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের সাধারণ শিক্ষার্থীরা।

সোমবার (১ জুলাই) ক্যাম্পাসে রফিক ভবনের সামনে এ আন্দোলন কর্মসূচির আয়োজন করা হয়। এসময় কোটা বিরোধী একটি মিছিল জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাসের মূল ফটক থেকে শুরু হয়ে রায়সাহেব বাজার প্রদক্ষিণ করে আবার ক্যাম্পাসের রফিক ভবনের নিচে এসে শেষ হয়। পরবর্তীতে আন্দোলনকারীরা ৪ দফা দাবি উল্লেখ করে তাদের আজকের দিনের কার্যক্রমের সমাপ্তি ঘোষণা করেন।

দাবিগুলো হলো: 

১। ২০১৮ সালে ঘোষিত সরকারি চাকরিতে কোটা পদ্ধতি বাতিল ও মেধা-ভিত্তিক নিয়োগের পরিপত্র বহাল রাখতে হবে।

২। ১৮ এর পরিপত্র বহাল সাপেক্ষে কমিশন গঠন করে দ্রুত সময়ের মধ্যে সরকারি চাকরিতে (সকল গ্রেডে) অযৌক্তিক ও বৈষম্যমূলক কোটা বাদ দিতে হবে এবং কোটাকে ন্যূনতম পর্যায়ে নিয়ে আসতে হবে। সেক্ষেত্রে সংবিধান অনুযায়ী কেবল অনগ্রসর জনগোষ্ঠীর কথা বিবেচনা করা যেতে পারে।

৩। সরকারি চাকরির নিয়োগ পরীক্ষায় কোটা সুবিধা একাধিকবার ব্যবহার করা যাবে না এবং কোটায় যোগ্য প্রার্থী না পাওয়া গেলে শুন্য পদগুলোতে মেধা অনুযায়ী নিয়োগ দিতে হবে।

৪। দুর্নীতিমুক্ত, নিরপেক্ষ ও মেধা-ভিত্তিক আমলাতন্ত্র নিশ্চিত করতে কার্যকর ব্যবস্থা নিতে হবে।

এছাড়া আন্দোলনকারীরা আরও বলেন, পরবর্তীতে আমরা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে সমন্বয় করে তারা তাদের পরবর্তী কর্মসূচি তাদের নিজস্ব প্লাটফর্মে জানিয়ে দেবেন।


আরও খবর
আরও ৩ দিনের এইচএসসি পরীক্ষা স্থগিত

বৃহস্পতিবার ১৮ জুলাই ২০২৪




টস জিতে ব্যাটিংয়ে ভারত

প্রকাশিত:শনিবার ২৯ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ২৯ জুন ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
ক্রীড়া প্রতিবেদক

Image

বার্বাডোসের কেনসিংটন ওভালের আজকের পিচটি বেশ শুষ্ক। বিশেষজ্ঞরাও বলছেন, পিচ বেশ ব্যাটিং উপযোগী। তাছাড়া এবারের টুর্নামেন্টে ওয়েস্ট ইন্ডিজে আগে ব্যাটিং করে জয়ের হারই বেশি। তাই টসে জিতে সিদ্ধান্ত নিতে কোনো দ্বিধায় না পড়েই ব্যাটিং বেছে নিলেন রোহিত শর্মা। ভারত ও দক্ষিণ আফ্রিকার মধ্যে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ফাইনালের এই ম্যাচটি শুরু বাংলাদেশ সময় রাত সাড়ে আটটায়।

ক্রিকেটে এতদিন চোকার্স তকমা জুটেছে দক্ষিণ আফ্রিকার কপালে। দ্বিপক্ষীয় সিরিজে ভালো করলেও আইসিসি টুর্নামেন্টে দলটি সাফল্যের জন্য হাপিত্যেশ করে। ওয়ানডে ক্রিকেটে অনেকবার সেমিফাইনাল খেললেও একটিকেও ফাইনাল পর্যন্ত নিতে পারেনি তারা। এতদিন টি-টোয়েন্টিতেও একই অবস্থা ছিল দলটির। তবে এবার এইডেন মার্করামের নেতৃত্বে ঘুরে দাঁড়িয়েছে দলটি। প্রথমবারের মতো আইসিসিরি কোনো টুর্নামেন্টের ফাইনালে উঠেছে তারা।

অন্যদিকে, দীর্ঘদিন আইসিসির কোনো ট্রফি জিততে পারছে না ভারত। বিশ্বকাপ হলে যোগ হবে আরও ২ বছর। সবশেষ ২০১১ সালে ওয়ানডে বিশ্বকাপ জিতেছিল দলটি। এরপর ২০১৩ সালে জিতেছে চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি। এরপর ১১ বছরে তিনটি ফাইনাল খেললেও আর শিরোপার মুখ দেখা হয়নি। তাই শিরোপা জিততে মরিয়া ২০০৭ সালের উদ্বোধনী টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ জয়ীরাও।

টি-টোয়েন্টিতে এর আগে ২৬ ম্যাচে মুখোমুখি হয়েছে ভারত ও দক্ষিণ আফ্রিকা। এর মধ্যে জয়ের দিক দিয়ে কিছুটা এগিয়ে ভারত। মেন ইন ব্লুদের ১৪ জয়ের বিপরীতে প্রোটিয়ারা জয় পেয়েছে ১১ ম্যাচে। একটি ম্যাচে কোনো ফল আসেনি।


আরও খবর



কুড়িগ্রামে ভয়াবহ বন্যা, ২ লাখ মানুষ পানিবন্দী

প্রকাশিত:রবিবার ০৭ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:রবিবার ০৭ জুলাই ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
মোঃ মাসুদ রানা, কুড়িগ্রাম

Image

কুড়িগ্রামে বন্যা পরিস্থিতি ভয়াবহ রূপ ধারণ করেছে। টানা ৬ দিন স্থায়ী বন্যায় মানুষজন চরম দুর্ভোগে পড়েছে। বিশেষ করে ধরলা ও ব্রহ্মপূত্র নদী তীরবর্তী মানুষের কষ্টের শেষ নেই। এখানকার হাজার হাজার বন্যা কবলিত মানুষ বাড়িঘর ছেড়ে অন্যত্র আশ্রয় নিয়েছেন।

কুড়িগ্রাম পানি উন্নয়ন বোর্ডের আজ রোববার সকাল ৯টায় পাওয়া তথ্য মতে, ব্রহ্মপুত্র নদের চিলমারী পয়েন্টের পানি কিছুটা স্থিতিশীল থাকলেও বেড়েছে ধরলা ও দুধকুমার নদের পানি।

তথ্য অনুযায়ী, ব্রহ্মপুত্র নদের পানি ২৬.৫৮ সেন্টিমিটার, ধরলা ২৬.৩৬ সেন্টিমিটার, দুধকুমার ৩০.১১ সেন্টিমিটার ও তিস্তা নদীর পানি ২৯.২০ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।

জেলার ৯টি উপজেলার দুটি পৌরসভাসহ প্রায় ৬০টি ইউনিয়নের দুই লাখ মানুষ পানিবন্দী হয়ে পড়েছেন। প্রাথমিকভাবে মানুষ যেসব উঁচু স্থানে গবাদিপশু রেখেছেন গত দুদিন ধরে সেসব স্থানে পানি ওঠায় গবাদি পশু নিয়ে বিপাকে পড়েছেন তারা। জীবন বাঁচাতে অনেকে নিজস্ব নৌকা, উঁচু রাস্তা, ফ্লাড শেল্টার, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও উঁচু ভূমিতে কিংবা আত্মীয়ের বাড়িতে আশ্রয় নিয়েছেন।

এদিকে কুড়িগ্রামের নাগেশ্বরীতে দুধকুমার নদীর বেড়িবাঁধ ভেঙে লোকালয়ে পানি প্রবেশ করেছে। এতে নতুন করে আরও প্রায় ১৫টি গ্রাম প্লাবিত হয়েছে। উপজেলার বামনডাঙ্গা ইউনিয়নের মিয়াপাড়া এলাকার পুরাতন বেড়িবাঁধটির দুটি স্থানে প্রায় ১শ মিটার এলাকা ভেঙে যায়। ফলে ভাঙা অংশ দিয়ে প্রবল স্রোতে প্রবেশ করে একের পর এক গ্রাম প্লাবিত হতে থাকে। পানি আরও বৃদ্ধি পেলে নাগেশ্বরী পৌর শহর পানিতে নিমজ্জিত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। বাঁধ ভাঙায় এরইমধ্যে বামনডাঙ্গা ইউনিয়নের মিয়া পাড়া, মালিয়ানি, সেনপাড়া, তেলিয়ানী, পাটেশ্বরী, বোয়ালেরডারা, অন্তাইপাড়, ধনিটারী, বিধবাটারী, বড়মানী, বামনডাঙ্গা, নাগেশ্বরী পৌরসভার ৩নং ওয়ার্ডের সাঞ্জুয়ার ভিটা, ভুষিটারী, ফকিরটারী গ্রাম প্লাবিত হয়েছে।

নাগেশ্বরী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সিব্বির আহমেদ জানান, বাঁধ ভাঙার বিষয়টি আমি জেনেছি, সরেজমিন পরিদর্শন ছাড়া কিছু বলা যাচ্ছে না।

কুড়িগ্রাম সিভিল সার্জন ডা. মঞ্জুর-এ-মুর্শেদ, ইউনিয়ন পর্যায়ে ৮৩টি মেডিকেল টিম বন্যা কবলিত এলাকায় কাজ করছে।

কুড়িগ্রাম কৃষি সম্প্রসারণ বিভাগের উপপরিচালক আব্দুল্লাহ আল মামুন জানান, এখন পর্যন্ত ৬ হাজার ৬৬০ হেক্টর ফসলি জমি, বীজতলা ও শাকসবজি বন্যার পানিতে নিমজ্জিত রয়েছে। পানি নেমে গেলে ক্ষয়ক্ষতির হিসাব পাওয়া যাবে।

জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার নবেজ উদ্দিন সরকার জানান, ২৬৫টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান প্লাবিত হওয়ায় পাঠদান বন্ধ রয়েছে।

কুড়িগ্রাম পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী রাকিবুল হাসান জানান, দুধকুমার নদীর তীররক্ষা বাঁধ নির্মাণ চলমান আছে। সেগুলো বা পানি উন্নয়ন বোর্ডের বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধ ভাঙার কোনো খবর তাদের কাছে নেই।


আরও খবর