আজঃ সোমবার ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৪
শিরোনাম

এখন যেসব কাজ করতে পারবেন না মন্ত্রী-এমপিরা

প্রকাশিত:বুধবার ২২ নভেম্বর ২০২৩ | হালনাগাদ:বুধবার ২২ নভেম্বর ২০২৩ | অনলাইন সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক

Image

তফসিল ঘোষণা করেছে নির্বাচন কমিশন। এ ক্ষেত্রে সংবিধান অনুযায়ী সংসদ সদস্য ও মন্ত্রীরা তাদের পদে থেকেই জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে পারলেও মেনে চলতে হবে কিছু বিধিনিষেধ।

জাতীয় নির্বাচনের সময় সরকারি সুবিধাভোগী অতি গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিরা কী করতে পারবেন আর কী করতে পারবেন না, তার উল্লেখ আছে সংসদ নির্বাচনে রাজনৈতিক দল ও প্রার্থীর আচরণ বিধিমালায়।

আচরণ বিধিমালায় বলা হয়েছে, সরকারি সুবিধাভোগী অতি গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিরা তাদের সরকারি কর্মসূচির সঙ্গে নির্বাচনী কর্মসূচি বা কর্মকাণ্ড যোগ করতে পারবেন না। তারা নিজের বা অন্যের পক্ষে নির্বাচনী প্রচারে সরকারি যানবাহন, সরকারি প্রচারযন্ত্রের ব্যবহার বা অন্যান্য সরকারি সুবিধা ভোগ করতে পারবেন না এবং এ উদ্দেশ্যে সরকারি, আধা সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত সংস্থার কর্মকর্তা-কর্মচারী বা কোনো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষক বা কর্মকর্তা-কর্মচারীকে ব্যবহার করতে পারবেন না।

আচরণবিধি অনুযায়ী, সরকারি সুবিধাভোগী অতি গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি নির্বাচনে প্রার্থী হলে তিনি তার নির্বাচনী এলাকায় সরকারি উন্নয়ন কর্মসূচিতে কর্তৃত্ব করতে পারবেন না বা এসংক্রান্ত সভায় যোগ দিতে পারবেন না। এ ধরনের প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী কোনো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের পরিচালনা পর্ষদে সভাপতি বা সদস্য হয়ে থাকলে বা তার মনোনীত কোনো ব্যক্তি পর্ষদে থাকলে নির্বাচনপূর্ব সময়ে তিনি বা তার মনোনীত ব্যক্তি ওই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের কোনো সভায় সভাপতিত্ব বা অংশ নিতে পারবেন না অথবা ওই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের কোনো কাজে জড়িত হতে পারবেন না।

আচরণবিধিতে আরও আছে, নিজে প্রার্থী বা অন্য কোনো প্রার্থীর নির্বাচনী এজেন্ট না হলে ভোট দেওয়া ছাড়া নির্বাচনের দিন ভোটকেন্দ্রে প্রবেশ বা ভোট গণনার সময় গণনাকক্ষে প্রবেশ বা উপস্থিত থাকতে পারবেন না।

সরকারি সুবিধাভোগী অতি গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তির মধ্যে আছেন প্রধানমন্ত্রী, জাতীয় সংসদের স্পিকার, সরকারের মন্ত্রী, চিফ হুইপ, ডেপুটি স্পিকার, বিরোধীদলীয় নেতা, সংসদ উপনেতা, বিরোধীদলীয় উপনেতা, প্রতিমন্ত্রী, হুইপ, উপমন্ত্রী বা তাদের সমপদমর্যাদার কোনো ব্যক্তি, সংসদ সদস্য এবং সিটি করপোরেশনের মেয়র।

নির্বাচনের আচরণবিধি লঙ্ঘন শাস্তিযোগ্য অপরাধ। এ অপরাধের জন্য সর্বোচ্চ ৬ মাসের কারাদণ্ড বা সর্বোচ্চ ৫০ হাজার টাকা জরিমানা বা উভয় দণ্ড দেওয়া যায়।


আরও খবর
জানুয়ারিতে সড়ক দুর্ঘটনায় ৪৮৬ মৃত্যু

রবিবার ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৪




ফুল নিয়ে ওঠা যাবে না মেট্রোরেলে

প্রকাশিত:বুধবার ১৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ১৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক

Image

ভালোবাসা দিবসে প্রেমিক-প্রেমিকাদের হাতে হাতে ফুল থাকবেএটাই স্বাভাবিক। কিন্তু এতে বাধ সেজেছে মেট্রোরেল কর্তৃপক্ষ। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাবি) মেট্রোরেল স্টেশনে ফুল নিয়ে ট্রেনে ভ্রমণ নিষেধ লেখা একটি নোটিশ টানিয়ে দেওয়া হয়েছে।

আজ বুধবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) সকালে ঢাবি স্টেশন এলাকায় এ নোটিশ দেখা যায়।

এর আগে রাজধানীর সবচেয়ে বড় পাইকারি বাজার হিসেবে পরিচিত কারওয়ান বাজার স্টেশনে কাঁচা শাক-সবজি ও মাছ-মাংস নিয়ে মেট্রোরেলে প্রবেশে নিষেধ করে নোটিশ টানানো হয়। সেখানে বলা হয়, কাঁচা শাক-সবজি, মাছ ও মাংস পরিবহন নিষেধ।

মেট্রোরেলের উত্তরা থেকে আগারগাঁও অংশ ২০২২ সালের ২৮ ডিসেম্বর উদ্বোধন করা হয়। পরবর্তী সময় ২০২৩ সালের ৪ নভেম্বর উদ্বোধন করা হয় আগারগাঁও থেকে মতিঝিল অংশ। বর্তমানে উত্তরা থেকে মতিঝিল পর্যন্ত মেট্রোরেলের ১৬টি স্টেশনের সবগুলো থেকেই যাত্রী ওঠা-নামা করে। সকাল সাড়ে সাতটা থেকে রাত সাড়ে আটটা পর্যন্ত উত্তরা থেকে মতিঝিল পর্যন্ত ট্রেন চলাচল করছে।


আরও খবর
খারাপ হয়েছে ঢাকার বায়ু

শনিবার ২৪ ফেব্রুয়ারী 20২৪




চীনে সেতুতে জাহাজের ধাক্কা, ভেঙে নদীতে পড়ল গাড়ি

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ২২ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ২২ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
আন্তর্জাতিক ডেস্ক

Image

চীনের গুয়াংজুতে পণ্যবাহী জাহাজের ধাক্কায় মাঝ বরাবর ভেঙে গেছে একটি সেতু। এতে ওই মূহুর্তে সেতুর ওপর দিয়ে যেতে থাকা বাসসহ পাঁচটি যানবাহন নদীতে পড়ে তলিয়ে গেছে।

বৃহস্পতিবার (২২ ফেব্রুয়ারি) ভোরে গুয়াংজু প্রদেশের নানশা জেলায় পার্ল নদীতে এ দুর্ঘটনা ঘটেছে। শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত দুর্ঘটনায় দুজন নিহত হয়েছেন বলে জানা গেছে। সঙ্গে আহত হয়েছেন জাহাজের একজন ক্রু। এছাড়া এ ঘটনায় এখনও তিনজন নিখোঁজ রয়েছেন বলে জানিয়েছে স্থানীয় কর্তৃপক্ষ। খবর সাউথ চায়না মর্নিং পোস্টের।

চীনের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম সিসিটিভির এক ফুটেজে দেখা গেছে, সেতুর একটি অংশ ভেঙে নদীতে তলিয়ে গেছে। সেতুর নিচে আটকে আছে দুর্ঘটনা কবলিত জাহাজটি। তবে, জাহাজে কোনও মালামাল ছিলো না বলেই মনে হয়েছে। 

আরও পড়ুন>> ফিলিপাইনে ট্রাক খাদে পড়ে ১৫ জন নিহত

এ ঘটনার পরপরই সেতুর আশেপাশের বাসিন্দাদের অন্যত্র সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। আটক করা হয়েছে জাহাজের ক্যাপ্টেনকে। আশেপাশের এলাকায় পানি সরবরাহ ও ইন্টারনেটের মতো পরিষেবাও আপাতত স্থগিত করা হয়েছে।

প্রসঙ্গত, পার্ল নদীর মোহনায় অবস্থিত গুয়াংজু হলো চীনের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ও ব্যস্ততম বাণিজ্যিক বন্দর নগরী। আর ঘটনাস্থল নানশা জেলা দক্ষিণ চীনের অন্যতম দ্রুততম বর্ধনশীল বন্দর। ২০০৪ সালে চালু হওয়ার পর থেকে প্রতি বছরই এ বন্দরে কার্গো জাহাজ চলাচল বেড়ে চলেছে।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, সেতুটিতে ত্রুটি দেখা দেওয়ায় বেশ কিছুদিন আগেই এটা সংস্কারের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছিলো। কিন্তু তিনবার স্থগিত হয়ে যায় সংস্কারের উদ্যোগ। এছাড়া ২০২১ সালে নৌযানের সঙ্গে সংঘর্ষ এড়িয়ে সেতুর কাঠামোগত নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য বিশেষ পরিকল্পনাও নেওয়া হয়েছিল।


আরও খবর



সকালে মেট্রোরেল চলাচলে বিঘ্ন, জানা গেল কারণ

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ১৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ১৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক

Image

সিগন্যাল সিস্টেমে ত্রুটির কারণে মেট্রোরেল চলাচলে বৃহস্পতিবার (১৫ ফেব্রুয়ারি) সকাল থেকে বিঘ্ন সৃষ্টি হয়েছে বলে জানিয়েছে মেট্রোরেল পরিচালনাকারী ঢাকা ম্যাস ট্রানজিট কোম্পানি লিমিটেডের (ডিএমটিসিএল) কর্তৃপক্ষ।

জানা যায়, বৃহস্পতিবার (১৫ ফেব্রুয়ারি) সকালে ট্রেন চলাচল শুরুর পর চারটি ট্রিপ শেষে এই সমস্যা দেখা দেয়। তবে মেট্রো চলাচল স্থগিত করা হয়নি।

মেট্রোরেলের এক কর্মকর্তা সকালে বলেন, সকাল থেকে ট্রেন চলাচল একেবারে বন্ধ হয়নি। সিগন্যাল সিস্টেমে ত্রুটির কারণে কিছু সমস্যা হয়েছিল। চারটি ট্রেন চলার পর সাময়িকভাবে ট্রেন চলাচলে দেরি হচ্ছিল। এখন ঠিক হয়ে যাবে।

মেট্রোরেলের পরিচালক (অপরারেশন অ্যান্ড মেইনটেনেন্স) নাসির উদ্দিন আহমেদ বলেন, কিছু সমস্যা হয়েছিল, পরে ঠিক হয়ে গেছে।

এর আগে বুধবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) শেওড়াপাড়া বা কাজীপাড়া এলাকায় মেট্রোর তারে ঘুড়ি জড়িয়ে পড়ায় মেট্রো চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। মেট্রোরেল পরিচালনাকারী সংস্থা ঢাকা ম্যাস ট্রানজিট কোম্পানি লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক এম এ এন সিদ্দিক গণমাধ্যমকে জানান, দুপুর দেড়টার দিকে মেট্রো চলাচল সাময়িকভাবে বন্ধ হয়ে যায়। পরে সমস্যার সমাধান করে চলাচল শুরু হয়। 

আরও খবর
খারাপ হয়েছে ঢাকার বায়ু

শনিবার ২৪ ফেব্রুয়ারী 20২৪




বায়ুদূষণে ঢাকা বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন

প্রকাশিত:সোমবার ১৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:সোমবার ১৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক

Image

বায়ুদূষণে বিশ্বের ১১০টি শহরের তালিকায় আবারও প্রথম স্থানে ঢাকা। সোমবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) সকাল ৯টার দিকে আইকিউএয়ারের বাতাসের মানসূচকে (এয়ার কোয়ালিটি ইনডেক্স-একিউআই) ঢাকার স্কোর ছিল ৩৩৫। এ স্কোরকে দুর্যোগপূর্ণ বা ঝুঁকিপূর্ণ বলে গণ্য করা হয়।

তালিকায় দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে পাকিস্তানের শহর লাহোর। এই শহরের স্কোর ছিল ২১৪। তালিকার ১৮৩ স্কোর নিয়ে তৃতীয় স্থানে রয়েছে ভারতের শহর দিল্লি।বায়ুদূষণের এ পরিস্থিতি নিয়মিত তুলে ধরে সুইজারল্যান্ডভিত্তিক প্রতিষ্ঠান আইকিউএয়ার।

বাতাসের মান নিয়ে তৈরি করা এই লাইভ বা তাৎক্ষণিক একিউআই সূচক একটি নির্দিষ্ট শহরের বাতাস কতটা নির্মল বা দূষিত, সে সম্পর্কে মানুষকে তথ্য দেয় ও সতর্ক করে। একই সময়ে সবচেয়ে নির্মল বাতাসের শহরের তালিকায় সবার ওপরে রয়েছে কানাডার ভ্যানক্যুভার বিসি। তার পরের পাঁচটি শহরই যুক্তরাষ্ট্রের।

আইকিউএয়ারের দেওয়া আজকের তালিকায় বলা হয়েছে, ঢাকার বাতাসে অতিক্ষুদ্র বস্তুকণাই (পিএম ২.৫) দূষণের প্রধান উৎস। আজ ঢাকার বাতাসে যতটা এই বস্তুকণা আছে, তা বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউএইচও) মানদণ্ডের চেয়ে ৪৩ গুণের বেশি। বাতাসের এ অবস্থা থাকায় সবার জন্য পরামর্শ, আজ বাইরে বের হলে মাস্ক ব্যবহার করতে হবে।

বায়ুদূষণ বেশি হলে সবচেয়ে ঝুঁকিতে থাকেন সংবেদনশীল গোষ্ঠীর ব্যক্তিরা। তাদের মধ্যে আছেন বয়স্ক, শিশু, অন্তঃসত্ত্বা ও জটিল রোগে ভোগা ব্যক্তিরা। তাদের বিষয়ে বিশেষ যত্নবান হওয়া দরকার বলে পরামর্শ বিশেষজ্ঞদের। আইকিউএয়ারের মানদণ্ড অনুযায়ী, স্কোর ৫১ থেকে ১০০ হলে তাকে মাঝারি বা গ্রহণযোগ্য মানের বায়ু হিসেবে বিবেচনা করা হয়। ১০১ থেকে ১৫০ স্কোরকে সংবেদনশীল গোষ্ঠীর জন্য অস্বাস্থ্যকর ধরা হয়।

স্কোর ১৫১ থেকে ২০০ হলে তা অস্বাস্থ্যকর বায়ু। স্কোর ২০১ থেকে ৩০০ হলে তাকে খুবই অস্বাস্থ্যকর বায়ু ধরা হয়। ৩০১ থেকে তার ওপরের স্কোরকে দুর্যোগপূর্ণ বা ঝুঁকিপূর্ণ ধরা হয়।


আরও খবর
খারাপ হয়েছে ঢাকার বায়ু

শনিবার ২৪ ফেব্রুয়ারী 20২৪




চিলিতে দাবানলে মৃত বেড়ে ৯৯, জরুরি অবস্থা জারি

প্রকাশিত:সোমবার ০৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:সোমবার ০৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
আন্তর্জাতিক ডেস্ক

Image

দক্ষিণ আমেরিকার দেশ চিলিতে ভয়াবহ দাবানলে নিহতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৯৯ জনে। বিপর্যয়কর পরিস্থিতি মোকাবিলায় দেশটির প্রেসিডেন্ট গ্যাব্রিয়েল বোরিক জরুরি অবস্থা ঘোষণা করেছেন।

দেশটির ভালপারাইসো অঞ্চলে এ অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে। দাবানলে ক্ষতিগ্রস্তদের মধ্যে অনেকেই গ্রীষ্মের ছুটি কাটাতে উপকূলীয় অঞ্চলে বেড়াতে এসেছিলেন।

দেশটির সরকারি সূত্র জানিয়েছে, সারা দেশে ৪৩ হাজার হেক্টরেরও বেশি এলাকা দাবানলে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। দাবানলে মৃত্যুর সংখ্যা আরও বাড়তে পারে। প্রেসিডেন্ট গ্যাব্রিয়েল বোরিক বলেছেন, পরিস্থিতি খুবই গুরুতর।

দাবানলে পর্যটক নগরী ভিনা দেল মার ও আশেপাশের এলাকা বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। সেখানে ক্ষতিগ্রস্ত কয়েকটি এলাকায় জরুরি উদ্ধারকর্মীরা পৌঁছতে পারছে না।

এদিকে চিলির স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় ভালপারাইসোতে স্বাস্থ্য সতর্কতাও জারি করেছে। একই বিবৃতিতে মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, বিপর্যয়কর পরিস্থিতি মোকাবিলায় স্বাস্থ্য পরিষেবার ওপর চাপ কমাতে সাহায্য করার জন্য পড়াশোনার শেষের দিকে থাকা মেডিকেল শিক্ষার্থীদেরও কাজে লাগানো হবে।

চিলির স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ক্যারোলিনা তোহা বলেন, আমরা যে তথ্য পেয়েছি তাতে নিহতের সংখ্যা অনেক বাড়তে পারে। শুক্রবার থেকে শনিবারের মধ্যে আগুন ৩০ হাজার হেক্টর থেকে ৪৩ হাজার হেক্টরে ছড়িয়ে পড়েছে। উদ্বেগের বিষয় হচ্ছে- কোথাও কোথাও আগুন শহরের খুব কাছে ছড়িয়ে পড়ছে।

প্রসঙ্গত, চিলিতে গ্রীষ্মকালে উচ্চ তাপমাত্রার সময় প্রায় দাবানলের ঘটনা ঘটে। এই পরিস্থিতিতে চিলির সরকার জনগণকে দাবানলে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় ভ্রমণ না করার আহ্বান জানানো হয়েছে।


আরও খবর