আজঃ বৃহস্পতিবার ১৯ মে ২০২২
শিরোনাম

একসঙ্গে পুলিশের ডিআইজি হলেন স্বামী-স্ত্রী

প্রকাশিত:শুক্রবার ১৩ মে ২০২২ | হালনাগাদ:শুক্রবার ১৩ মে ২০২২ | ৩৯০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) যুগ্ম কমিশনার পদে কর্মরত ঊর্ধ্বতন পুলিশ কর্মকর্তা দম্পতি একসঙ্গে পদোন্নতি পেয়ে উপ-মহাপরিদর্শক (ডিআইজি) হয়েছেন।

পদোন্নতি পাওয়া যুগল হলেন- ডিএমপির যুগ্ম পুলিশ কমিশনার (অপারেশনস) মো. মনির হোসেন ও তার সহধর্মিনী ডিএমপির পরিবহন বিভাগের যুগ্ম পুলিশ কমিশনার শামীমা বেগম।

বুধবার (১১ মে) রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক প্রজ্ঞাপনে ৩২ জন পুলিশ কর্মকর্তাকে পদোন্নতি দেওয়া হয়। এদের মধ্যে মনির হোসেন ১৯৯৯ সালে ১৮তম বিসিএসের মাধ্যমে ২৫ জানুয়ারি সহকারী পুলিশ সুপার হিসেবে বাংলাদেশ পুলিশ যোগদান করেন। পেশাগত জীবনে দক্ষতার পরিচয় দিয়ে তিনি ডিএমপির প্রসিকিউশন বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনারসহ গোপালগঞ্জ ও নড়াইল জেলার পুলিশ সুপার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। এছাড়া তিনি পুলিশ হেডকোয়ার্টার্সের এআইজি হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ পদে দায়িত্ব পালন করেছেন। বর্তমানে তিনি ডিএমপির যুগ্ম পুলিশ কমিশনার (অপারেশনস) হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।

আর শামীমা বেগম একই সালে একই বিসিএসের মাধ্যমে সহকারী পুলিশ সুপার হিসেবে যোগদান করেন। তিনিও পুলিশের বিভিন্ন ইউনিটে দক্ষতার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করেছেন। ডিএমপির ওমেন সাপোর্ট অ্যান্ড ইনভেস্টিগেশন বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনারসহ সিআইডি এবং পুলিশ হেডকোয়ার্টার্সের পুলিশ সুপার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। এছাড়া তিনি অ্যাডিশনাল ডিআইজি হিসেবে পুলিশ হেডকোয়ার্টার্স ও পুলিশ ট্রেনিং সেন্টার টাঙ্গাইলে দায়িত্ব পালন করেছেন। বর্তমানে তিনি ডিএমপির যুগ্ম পুলিশ কমিশনার (পরিবহন) হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।

নিউজ ট্যাগ: ডিএমপি ডিআইজি

আরও খবর



জাতিসংঘের তত্ত্বাবধানে মারিউপোল থেকে ৫০০ বেসামরিককে উদ্ধার

প্রকাশিত:শুক্রবার ০৬ মে ২০২২ | হালনাগাদ:শুক্রবার ০৬ মে ২০২২ | ৩১৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

ইউক্রেনের মারিউপোল থেকে জাতিসংঘের তত্ত্বাবধানে ৫০০ বেসামরিক লোককে উদ্ধার করা হয়েছে। মারিউপোলের আজভস্টাল স্টিল মিল থেকে তাদের উদ্ধার করা হয়েছে বলে শুক্রবার ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি জানিয়েছেন। খবর আরব নিউজের।

জাতিসংঘ জানিয়েছে, বৃহস্পতিবার স্টিল মিলে আটকেপড়া একদল বেসামরিক লোককে সরিয়ে আনা হয়েছে।টেলিগ্রামকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে জেলেনস্কির কার্যালয়ের এক কর্মকর্তা এন্ডিয়ে ইয়েরমাক জানিয়েছেন, আমরা ৫০০ নাগরিককে উদ্ধার করতে সক্ষম হয়েছি।

তিনি আরও বলেন, কিয়েভ তার বাসিন্দাদের বাঁচাতে যা যা করা দরকার, তাই করবে।রুশ সেনাবাহিনী গত বৃহস্পতিবার থেকে তিন দিনের যুদ্ধবিরতি ঘোষণা করেছে, কিন্তু ইউক্রেনের কমান্ডার জানিয়েছেন, স্টিল মিল এলাকায় এখনও ভারি গোলাবর্ষণ চালিয়ে যাচ্ছে রুশ বাহিনী।

সোভিয়েত যুগে তৈরি ওই স্টিল মিলের টানেলে কয়েক হাজার সামরিক ও বেসামরিক লোকজন আশ্রয় নিয়েছেন রুশ আগ্রাসন শুরুর পর থেকে।এর আগেও কয়েক দফায় বেসামরিক লোকজনকে ওই স্টিল মিল এলাকা থেকে উদ্ধার করে নিয়ে যাওয়া হয়েছে।


আরও খবর



স্বজনদের কবর জিয়ারত করলেন প্রধানমন্ত্রী

প্রকাশিত:বুধবার ০৪ মে ২০২২ | হালনাগাদ:বুধবার ০৪ মে ২০২২ | ৩৬৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

নিহত স্বজনদের কবর জিয়ারত করেছেন জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের দুই কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও শেখ রেহানা। ঈদুল ফিতরের মধ্যে বুধবার সকালে তারা রাজধানীর বনানী কবরস্থানে যান এবং সেখানে তারা পরিবারের সদস্যদের কবর জিয়ারত ও দোয়া করেন।

প্রধানমন্ত্রীর প্রেস উইং থেকে এ তথ্য জানোনো হয়।

প্রধানমন্ত্রীর সহকারী প্রেস সচিব-১ এম এম ইমরুল কায়েস জানান, বোনকে নিয়ে বুধবার সকালে বনানী কবরস্থানে যান শেখ হাসিনা। তারা পরিবারের সদস্যদের কবর জিয়ারত ও দোয়া করেন।

এরপর তারা ১৯৭৫ সালের ১৫ অগাস্ট নিহত জাতির পিতার পরিবারের সদস্যদের কবরে গোলাপের পাপড়ি ছিটিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।

১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট সেনাবাহিনীর একদল বিপথগামী কর্মকর্তার হাতে সপরিবারে জীবন দিতে হয় তৎকালীন রাষ্ট্রপতি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে।

সেই রাতে ঘাতকরা বঙ্গবন্ধু ছাড়াও তার স্ত্রী ফজিলাতুন নেছা মুজিব, তিন ছেলে শেখ কামাল, শেখ জামাল, শেখ রাসেল, শেখ কামালের স্ত্রী সুলতানা কামাল, শেখ জামালের স্ত্রী রোজী জামাল, বঙ্গবন্ধুর ছোট ভাই শেখ নাসেরসহ পরিবারের ১৮ সদস্যকে হত্যা করে। এদের মধ্যে বঙ্গবন্ধু ছাড়া বাকি সবার কবর বনানী কবরস্থানে। বঙ্গবন্ধুকে সমাহিত করা হয় গোপালগঞ্জের টুঙ্গীপাড়ায়। তখন বিদেশে থাকায় বেঁচে যান বঙ্গবন্ধুর দুই মেয়ে শেখ হাসিনা ও শেখ রেহানা।


আরও খবর



পুঠিয়ায় ৯২ হাজার লিটার সয়াবিন তেল জব্দ

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ১০ মে ২০২২ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ১০ মে ২০২২ | ৪৬০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

রাজশাহীর পুঠিয়া উপজেলার বানেশ্বর বাজারে বেশ কয়েকটি গুদাম ও দোকানে অবৈধভাবে ৯২ হাজার ৬১৬ লিটার ভোজ্যতেল মজুদের ঘটনায় অভিযান পরিচালনা করছে পুলিশ।

মঙ্গলবার (১০ মে) বিকালে রাজশাহী জেলা পুলিশ ও পুঠিয়া থানা পুলিশ যৌথ অভিযান পরিচালনা শুরু করে। নিউজ লেখা পর্যন্ত পুলিশের অভিযান অব্যাহত ছিলো।

মঙ্গলবার (১০ মে) সন্ধ্যা পোনে ৭টার দিকে বিষয়টি নিশ্চিত করে রাজশাহী জেলা পুলিশের মুখপাত্র ও অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ইফতে খায়ের আলম জানান, অভিযান এখনও অব্যাহত রয়েছে। চারটি গোডাউন থেকে সয়াবিন ও সরিষার তেল পাওয়া যায়। চার গোডাউনের মালিককে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। সেইসাথে তাদের কাগজপত্র যাচাই-বাছাই করা হচ্ছে। তবে সরকারিভাবে এখনও জব্দ বা আটক কোনো কিছু দেখানো হয়নি। অভিযান শেষে বিস্তারিত জানানো সম্ভব হবে।

এর আগে মঙ্গলবার সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত অবৈধভাবে সয়াবিন তেল মজুদ ও নির্ধারিত দামের চেয়ে অতিরিক্ত দামে তেল বিক্রি করার অভিযোগে রাজশাহীর তিন ব্যবসায়ীকে ৭৫ হাজার টাকা জরিমানা করেছে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদফতর। ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদফতরের রাজশাহী বিভাগীয় কার্যালয়ের উপ-পরিচালক অপূর্ব অধিকারী ও সহকারী পরিচালক হাসান-আল-মারুফ এই অভিযান চালান।

অভিযান শেষে সহকারী পরিচালক হাসান-আল-মারুফ জানান, মঙ্গলবার (১০ মে) সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত তারা নগরীর সাহেব বাজার ও বহরমপুর এলাকায় অভিযান চালান। এ সময় সাহেববাজার এলাকার মেসার্স হুমায়ুন স্টোরে ১৩২ বোতল সয়াবিন তেল মজুদ পাওয়া যায়। বোতলজাত সয়াবিন তেল মজুদ রেখেছিলেন বিক্রেতা হুমায়ুন কবীর। এই ঘটনায় তাকে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইনে ২০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। একইসঙ্গে জব্দকৃত ১৩২ বোতল সয়াবিন তেল গায়ে লেখা দামে বিক্রি করে ব্যবসায়ীতে অর্থ প্রদান করা হয়েছে।

একই অভিযানে সাহেববাজার এলাকার মেসার্স পাপ্পু অ্যান্ড ব্রাদার্সকে ৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। এই প্রতিষ্ঠানটির মালিক নজরুল ইসলাম নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে বাড়তি দামে বোতলজাত সয়াবিন তেল বিক্রি করছিলেন।

হাসান-আল-মারুফ জানান, আলাদা অভিযানে নগরীর বহরমপুর মোড় এলাকার মেসার্স নুরুন্নবি ট্রডার্সকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে বাড়তি মূল্যে খোলা সয়াবিন তেল বিক্রি করছিলেন প্রতিষ্ঠানটির মালিক নুরুন্নবী। তাৎক্ষণিকভাবে এই তিন ব্যবসায়ীর কাছ থেকে জরিমানা আদায় করে রাষ্ট্রীয় কোষাগারে জমা করা হয়েছে।


আরও খবর



৪০টি ফায়ার স্টেশন উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী

প্রকাশিত:রবিবার ২৪ এপ্রিল ২০২২ | হালনাগাদ:রবিবার ২৪ এপ্রিল ২০২২ | ৪৪০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে নতুন করে নির্মিত ৪০টি ফায়ার স্টেশনের উদ্বোধন ঘোষণা করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। আজ রবিবার (২৪ এপ্রিল) সকাল ১১টার কিছুক্ষণ পরে ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স অধিদফতর চত্বরে উদ্বোধনী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। প্রধানমন্ত্রী তার সরকারি বাসভবন গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সিংয়ের মাধ্যমে অনুষ্ঠানে যুক্ত হন।

ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স অধিদফতরে উপস্থিত ছিলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল, সুরক্ষা সেবা বিভাগের সচিব মো. মোকাব্বির হোসেন ও ফায়ার সার্ভিসের মহাপরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো, সাজ্জাদ হোসাইন প্রমুখ।

ফায়ার সার্ভিস সূত্রে জানা গেছে, দেশে বর্তমানে সর্বমোট ৪৫৬টি ফায়ার স্টেশন চালু রয়েছে। নতুন ৪০টি ফায়ার স্টেশন যোগ হওয়া এই সংখ্যা দাঁড়ালো ৪৯৬টি। ইতোমধ্যে ৪০টি ফায়ার স্টেশনে জনবল নিয়োগ ও অগ্নি নির্বাপণে প্রয়োজনীয় যন্ত্রাংশ প্রদান করা হয়েছে। ৪০টি ফায়ার স্টেশন চালুর মাধ্যমে ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স অধিদফতর নতুন করে আরও সক্ষমতা অর্জন করলো। এতে অগ্নি দুর্ঘটনা রোধ, জনজীবন ও জনগণের সম্পদ রক্ষা বহুলাংশে কমে আসবে বলে মনে করছে সংশ্লিষ্টরা।

অধিদফতর জানিয়েছে, নবনির্মিত ৪০টি ফায়ার স্টেশন হলো- টাঙ্গাইলের ঘাটাইল ফায়ার স্টেশন, মানিকগঞ্জের সিঙ্গাইর, দৌলতপুর ও সাটুরিয়া ফায়ার স্টেশন, গাজীপুরের কাপাসিয়া, মুন্সীগঞ্জ সদর (পুনর্নির্মাণ) ও সিরাজদিখান, মাগুরা সদর (পুনর্নির্মাণ), কিশোরগঞ্জের নিকলী স্থল কাম-নদী, ঢাকার কল্যাণপুর, জামালপুর সদর ও সরিষাবাড়ী (পুনর্নির্মাণ), যশোর সদর ও ঝিকরগাছা (পুনর্নির্মাণ), যশোর সেনানিবাস, যশোরের চৌগাছা ও কেশবপুর, বাগেরহাটের মোল্লাহাট, ফরিদপুর সদর (পুনর্নির্মাণ), চাঁদপুরের ফরিদগঞ্জ, খাগড়াছড়ির পানছড়ি, সুনামগঞ্জের দোয়ারাবাজার, কিশোরগঞ্জের ইটনা, অষ্টগ্রাম, হোসেনপুর, মিঠামইন ও পাকুন্দিয়া, মেহেরপুরের মুজিবনগর, রাজবাড়ীর কালুখালী, সাতক্ষীরার দেবহাটা, নোয়াখালীর কবিরহাট, বিবাড়ীয়ার বিজয়নগর, বান্দরবানের থানচি ও রামু, খুলনার দাকোপ ও বটিয়াঘাটা, হবিগঞ্জের চুনারুঘাট, নেত্রকোনার পূর্বধলা, ময়মনসিংহের গৌরীপুর এবং মাদারীপুরের কালকিনি ফায়ার স্টেশন।


আরও খবর



নোয়াখালীতে জামায়াতের ৪৫ নেতাকর্মীকে কারাগারে প্রেরণ

প্রকাশিত:রবিবার ১৫ মে ২০২২ | হালনাগাদ:রবিবার ১৫ মে ২০২২ | ২৭০জন দেখেছেন

Image

নোয়াখালী প্রতিনিধি:

নোয়াখালীর সদরে একটি স্কুল থেকে গ্রেফতারকৃত জামায়াত ইসলামীর ৪৫ নেতাকর্মীকে কারাগারে পাঠিয়েছে আদালত। পুলিশ বলছে, তারা ওই একাডেমি ভবনের দ্বিতীয় তলার একটি শ্রেণি কক্ষে অস্থিতিশীল পরিবেশ সৃষ্টি করার জন্য গোপন বৈঠকে মিলিত হয়েছিলেন।

গ্রেফতারকৃতরা হলো, সোনাইমুড়ী উপজেলা জামায়াতের আমির মোহাম্মদ হানিফ (৫২) চাটখিল উপজেলা জামায়াতের সেক্রেটারি মাওলানা ওমর ফারুক (৫২) সেনবাগ উপজেলা জামায়াতের সেক্রেটারি মো.নুরুল আফসার (৫০) চাটখিল উপজেলা জামায়াতের নায়েবে আমীর মহিউদ্দীন হাসান (৪৮)  কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা জামায়াতের সেক্রেটারি বেলায়েত হোসেন (৫২) সহ ৪৫জন নেতাকর্মি।

রোববার (১৫ মে) বিকেল পৌনে ৬টার দিকে আটককৃত আসামিদের গ্রেফতার দেখিয়ে নোয়াখালী চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে সোপর্দ করে পুলিশ। পরে আদালত তাদেরকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেয়। এর আগে একই দিন দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে নোয়াখালী পৌরসভার ৪নম্বর ওয়ার্ডের জয়কৃঞ্চপুর এলাকার আল ফারুক একাডেমির দ্বিতীয় তলা থেকে তাদের আটক করা হয়।

বিষয়টি নিশ্চিত করেন নোয়াখালীর পুলিশ সুপার (এসপি) মো. শহীদুল ইসলাম বলেন, রোববার দুপুর ১২টার দিকে জেলার বিভিন্ন উপজেলার জামায়াত ইসলামীর নেতাকর্মিরা সুধারাম থানা এলাকার মাইজদী আল ফারুক একাডেমির দ্বিতীয় তলায় সরকার বিরোধী গোপন বৈঠক করার জন্য একত্রিত হয়। বৈঠক চলাকালে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সদর সার্কেল ও সুধারাম থানার ওসি আল ফারুক একাডেমিতে অভিযান চালিয়ে ৪৫ জন জামায়াত ইসলামী নেতাকর্মিকে গ্রেফতার করে।

তিনি আরো জানান, এ সময় আটকৃতদের কাছে থাকা ধর্মীয় উগ্রতা সৃষ্টিকারী বিভিন্ন ধরনের বই উদ্ধার করা হয়। প্রাথমিক ভাবে জানা যায় যে, ধর্মীয় উগ্রতাকে পুঁজি করে অস্থিতিশীল পরিবেশ সৃষ্টির লক্ষে সরকার বিরোধী ক্ষতিকারক বেআইনী কার্যকলাপের প্রস্তুতিমূলক অংশ হিসেবে এই গোপন বৈঠকের আয়োজন করা হয়েছিল। 

এসপি জানায়, গ্রেফতারকৃত আসামিদের বিরুদ্ধে বিশেষ ক্ষমতা আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে। ওই মামলায় তাদেরকে গ্রেফতার দেখিয়ে নোয়াখালী চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।

আরও খবর