আজঃ শনিবার ১৫ জুন ২০২৪
শিরোনাম

এমপি আনারের বন্ধু কে এই গোলাম রসুল?

প্রকাশিত:বুধবার ২৯ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ২৯ মে ২০২৪ | পত্রিকায় প্রকাশিত
ঝিনাইদহ প্রতিনিধি

Image

গোলাম রসুল। কালীগঞ্জ মোবারকগঞ্জ চিনিকলের তৃতীয় শ্রেণির কর্মচারী। ২০১২ সালে র‌্যাবের হাতে আটক হয়েছিলেন। এসিড নিক্ষেপসহ একাধিক মামলার আসামী গোলাম রসুল ১১টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যুক্ত। নিয়োগ বানিজ্য আর হানিট্র্যাপের ব্যবসা করে হাতিয়ে নিয়েছন কোটি কোটি টাকা। এমপি আনারের অন্ধকার জগতে টেনে নিয়ে যাওয়ার পেছনে এই গোলাম রসুলের হাত রয়েছে। ৩য় শ্রেণির কর্মচারী হয়েও তার ভয়ে তটস্থ থাকেন মোবারকগঞ্জ চিনিকলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক। সাধারণ ক্লার্ক হয়েও নিজে কাঁচের ঘর তৈরী করে নিয়েছেন। আছে একাধিত রক্ষিতা। এমপি আনারের নাম ভাঙিয়ে ১১টি প্রতিষ্ঠানের দায়িত্ব পালন করছেন। তিনি কখনো র‌্যাবের সোর্স আবার কখনো সাংবাদিক পরিচয় দিয়ে থাকেন।

এখন তিনি বিপুল সম্পদের মালিক। বলছি এমপি আনারের বন্ধু পরিচয়দানকারী গোলাম রসুলের কথা। গোলাম রসুল উপজেলার ফয়লা গ্রামের আফসার আলীর ছেলে। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, গোলাম রসুল একসময় জামায়াতের রাজনীতির সাথে জড়িত ছিলেন। ২০১২ সালের ১৭ জুন এসিড অপরাধ দমন আইনে মামলা হয় গোলাম রসুলের বিরুদ্ধে। এরপর একই সালের ৬ নভেম্বর আইন-শৃঙ্খলা বিঘ্নকারী অপরাধে  দ্রূত বিচারে তার বিরুদ্ধে আরো একটি মামলা দায়ের হয়। কিন্তু এসব মামলায় কিছুই হয়নি তার। ২০১২ সালের ১০ নভেম্বর র‌্যাব বাবা ওরফে গোলাম রসুলকে আটক করে র‌্যাব। সে সময় তার আটকের ছবিও প্রকাশ করে র‌্যাব। ২০১৪ সালে আনোয়ারুল আজীম আনার এমপি হওয়ার পর দৃশ্যপট পরিবর্তন হতে থাকে। প্রতিটি মামলা থেকে খালাস পেতে থাকেন। ২০১৪ সালে তার বন্ধু আনোয়ারুল আজীম আনার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হওয়ার পর আওয়ামী লীগের রাজনীতির সাথে জড়িত হন গোলাম রসুল।

মোবারকগঞ্জ চিনিকল শ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতিসহ একাধিক স্কুল, কলেজ ও মাদ্রাসার সভাপতি আছেন। বন্ধু এমপির দাপটে কোনবারেই নির্বাচন করা লাগেনি তার। কেউ সভাপতি পদে ভোট করতে চাইলে তাকে ভয় দেখিয়ে মাঠ ছাড়া করেন। মোবারকগঞ্জ চিনিকল সমবায় সমিতির সাধারণ সম্পাদকও তিনি। দীর্ঘ ১৫ বছর তিনি এই পদে বহাল। দুই বছর পর পর কমিটি করার কথা থাকলেও তিনি এমপির ভয় দেখিয়ে নিজের ইচ্ছামতো পদ বাগিয়ে নিয়ে বসে আছেন। এই সমবায় সমিতিতে রয়েছে দুটি তেলপাম্প ও দুটি পুকুর। ভয়ে কেউ এসবের হিসাব নিতে পারে না। নিজের ইচ্ছায় পরিচালনা হয় প্রতিষ্ঠানগুলো। এছাড়াও তিনি মোবারক আলী মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের পরিচালনা পর্ষদের সভাপতি, শহীদ নুর আলী কলেজের সদস্য, কালীগঞ্জ ডায়াবেটিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক, কালীগঞ্জ ফুড সেফটির সভাপতি, আলহাজ¦ বদর উদ্দিন ও এমপি আনোয়ারুল আজীম আনার অটিস্টিক বিদ্যালয়ের সভাপতিও তিনি। একাধিক মসজিদ-মাদ্রাসার সভাপতিও এই গোলাম রসুল। অভিযোগ উঠেছে মোবারকগঞ্জ চিনিকলে গত মাড়াই মৌসুমে ১৩২ জনকে নিয়োগ দিয়েছেন এই গোলাম রসুল। তাদের কাছ প্রায় ২০ কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন।

এছাড়া ১৭৩ জনকে চাকরী স্থায়ী করার কথা বলে নিয়েছেন ৮ কোটি ৬৫ লাখ টাকা। কিন্তু তাদের চাকরী স্থায়ী হয়নি। নিয়োগকৃতদের মধ্যে ৭ জন নারী রয়েছে। এদের কি কারণে চাকরী দিয়েছেন তা রহস্যজনক বলে মনে হচ্ছে। এক বিধবা নারী রয়েছে গোলাম রসুলের পিএস। তাকেও চাকরী দেওয়া হয়েছে সুগার মিলে। এ ভাব বাপ দাদার পৈত্রিক সম্পত্তি বানানো হয়েছে মোচিক। মোচিকের কোটি কোটি টাকার সম্পত্তি গোলাম রসুল দখল করে রেখেছেন। শোনা যাচ্ছে মিল এরিয়ার সোনালী ব্যাংকে থাকা শ্রমিকদের প্রবিডেন্ট ফান্ডের কোটি কোটি টাকাও গায়েব করে দিয়েছেন এই গোলাম রসুল। গোলাম রসুলের সম্পকের পরিমাণ জানা না গেলেও সম্প্রতি তিনি থাইল্যান্ডে রিসোর্ট কিনেছেন। ঢাকায় আছে একাধিক ফ্ল্যাট। কালীগঞ্জ শহরের ভুষন স্কুল রোডে রয়েছে চারতলা বাড়ি। এদিকে গোলঅম রসুলের নিজ গ্রাম ফয়লায় তার ভাইপো রকিকে দিয়ে গড়ে তুলেছেন কিশোর গ্যাং এর সম্রাজ্য।

কিছুদিন আগে মদসহ ধরা পড়ে ওই গ্যাংয়ের সদস্য। গোলাম রসুলের অন্যায়ের প্রতিবাদ করলে তার ভাইপোর নিয়ন্ত্রিত কিশোর গ্যাং দিয়ে হামলা করানো হয়। আনার হত্যার মুল পরিকল্পনাকারী আক্তারুজ্জামান শাহীনের আলীশান বাংলো বাড়িতে যাতায়াত ছিল গোলাম রসুলের। 

এ ব্যাপারে গোলাম রসুল বলেন, তিনি দুইবার শাহীনের বাংলোতে গিয়েছেন এমপির সাথে। একবার বিয়েতে আর একবার দর্শনা থেকে ফেরার পথে। রাজনৈতিক প্রতিপক্ষরা এসিড নিক্ষেপ মামলা দিয়েছিল। একবছর পর সেটি মিমাংসা হয়। জনপ্রিয়তার কারণে কেউ তার বিরুদ্ধে সভাপতি পদে মোবারকগঞ্জ চিনিকল শ্রমিক ইউনিয়নের নির্বাচনে দাঁড়ায় না। আমার নামে সুগার মিলের কোন কিছু লিজ নেই।


আরও খবর



মোংলায় নির্বাচনে দায়িত্ব পালনে বাধার অপরাধে ছয় মাসের কারাদণ্ড

প্রকাশিত:রবিবার ০৯ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:রবিবার ০৯ জুন ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
বাগেরহাট প্রতিনিধি

Image

মোংলা উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে এক আনসার সদস্যকে দায়িত্ব পালনে বাঁধা ও মারধর করার অপরাধে আনারস প্রতীকের চেয়ারম্যান প্রার্থীর এক কর্মিকে ছয় মাসের সশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

রবিবার (৯ জুন) পৌর শহরের ৮ নম্বর ওয়ার্ডের মোহ‌সি‌নিয়া আলিম মাদ্রাসা কেন্দ্রে বেলা সাড়ে ১১টায় ভোট চলাকালে এই ঘটনা ঘটে। এসময় ভ্রাম্যমাণ আদালত বসিয়ে ওই কর্মী শাকিল শেখ (২১) কে দন্ড দেন বাগেরহাট জেলা অতিরিক্ত চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট ড. আতিকুস সামাদ।

তিনি বলেন, মহাসিনিয়া আলিম মাদ্রাসা সেন্টারে নির্বাচনে অন্যদের সাথে ভোটারদের নিরাপত্তার দায়িত্বে ছিলেন আনসার সদস্য মোতালেব হোসেন। এসময় শেহালাবুনিয়া এলাকার মৃত মোস্তফা শেখের ছেলে শাকিল শেখ নামে ওই যুবক নারী ও পুরুষদের সারিবদ্ধ লাইন ভেঙ্গে ভোটকেন্দ্রে ঢোকার চেষ্টা করে। এসময় আনসার সদস্য মোতালেব হোসেন তাকে বাঁধা দেন। কিন্তু তাকে ধাক্কা দিয়ে মারধর শুরু করেন। এসময় দায়িত্বে থাকা পুলিশ সদস্যরা ঘটনাস্থল থেকে তাকে আটক করেন।

পরে উপজেলা পরিষদ নির্বাচন বিধিমালা,২০১৩ এর বিধি ৭৬ (গ)-(আ) অনুযায়ী আটক ব্যক্তি তার অপরাধ স্বীকার করে। এরপরে ভ্রাম্যমাণ আদালত বসিয়ে ছয় মাসের সশ্রম কারাদণ্ড ও ৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। জরিমানার টাকা পরিশোধে ব্যার্থ হলে আরও ১৫ দিনের কারাদণ্ড দেওয়া হয় বলেও জানান বিচারক ড.মোঃ আতিকুস সামাদ।

পরে ওই আসামীকে বাগেরহাট জেলা কারগারে পাঠানোর জন্য মোংলা থানায় সোপর্দ করা হয়।


আরও খবর



রাজনীতিতে আসার ইঙ্গিত দিলেন আনারকন্যা ডরিন

প্রকাশিত:শুক্রবার ২৪ মে 20২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২৪ মে 20২৪ | অনলাইন সংস্করণ
উপজেলা প্রতিনিধি

Image

ঢাকা থেকে বৃহস্পতিবার মধ্যরাতে বাসায় ফেরেন আনারকন্যা মুমতারিন ফেরদৌস ডরিন।  শুক্রবার দুপুরে শহরের ভূষণ স্কুল সড়কে নিজ বাসভবনের নিচে স্থানীয় নেতাকর্মীদের নিয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন তিনি। এ সময় তিনি তার বাবার হত্যার সঙ্গে যারা জড়িত তাদের শাস্তি দাবি করেন। ডরিন বলেন, স্পিকারের সহযোগিতায় ভারতীয় ভিসা পেয়েছি। প্রয়োজন হলে ভারত যাব।  

তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী তার বাবা হত্যার বিচার করেছেন তাহলে আমার বাবা হত্যারও বিচার তিনি অবশ্যই করবেন। জীবিত থাকতে বুঝি নাই বাবা কতোটা জনপ্রিয় ছিল। বাবা হত্যার বিচার চাইতে গিয়ে দেখিছি বাবাকে মানুষ কতোটা ভালোবাসে। যেখানে গিয়েছি সবার ভালোবাসা পেয়েছি সেটা একমাত্র বাবার কারণে।

সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, সুযোগ পেলে অবশ্যই রাজনীতি করব; তবে সেটা নিয়ে এখন ভাবছি না। প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে আমি কথা বলেছি, তিনি আমাকে আশস্ত করেছেন বাবা হত্যার বিচার তিনি করবেন। তিনি আমার পাশে থেকে সব সহযোগিতা করে যাচ্ছেন। তিনি এখন আমার একমাত্র অভিভাবক।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আয়ুব হোসেন খান, সহ-সভাপতি শামীম আরা মান্নান, কালীগঞ্জ পৌরসভার মেয়র আশরাফুল আলমসহ অন্যান্যরা। এদিকে এমপি আনার হত্যায় উপজেলার প্রতিটি মসজিদে মাগফিরাত কামনায় দোয়া অনুষ্ঠিত হয়েছে।


আরও খবর



কোরবানির আগে টুংটাং শব্দে মুখরিত কামারশালা

প্রকাশিত:শুক্রবার ১৪ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ১৪ জুন ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
দিনাজপুর প্রতিনিধি

Image

লোহা পেটানোর টুংটাং শব্দে মুখর এখন উপজেলার কামার পাড়াগুলো। কোরবানিকে কেন্দ্র করে ভোর থেকে গভীর রাত পর্যন্ত লোহা পিটিয়ে কামাররা তৈরি করছেন দা, বঁটি, ছুরি ও চাপাতি। এসব জিনিস দুই ধরনের লোহার উপকরণ দিয়ে তৈরি করা হয়। একটি স্প্রিং লোহা (পাকা লোহা) এবং আরেকটি কাঁচা লোহা। লোহা ও কয়লার দাম গত বছরের চেয়ে এবার বেড়েছে। তাই গত বছরের চেয়ে এসব জিনিসের দামও বেশি।

ক্রেতাদের চাহিদা অনুযায়ী দা, বঁটি, ছুরি ও চাপাতি তৈরিতে দম ফেলার ফুরসত নেই কামারদের। দেশীয় জাতের লোহার এসব জিনিসপত্র তৈরিতে এখন ব্যস্ত সময় পার করছেন দিনাজপুরের খানসামা উপজেলার স্থানীয় কামারেরা।

কোরবানি ঈদে গরু, ছাগল, মহিষ কোরবানির পশু হিসেবে জবাই করা হয়। ঈদের দিন সকাল থেকে কোরবানির পশু জবাই চলে। এসব পশুর গোশত কাটতে দা-বঁটি, ছুরি, ধামা, চাপাতি ইত্যাদি ধাতব হাতিয়ার অপরিহার্য। কোরবানির পশু কাটা-কাটিতে চাই এসব ধারালো অস্ত্র।

শুক্রবার (১৪ জুন) সরেজমিনে দেখা যায়, খানসামা বাজার, উপজেলার পাকেরহাট বাজার, কাচিনীয়া বাজার, বোটের হাট, চৌরঙ্গী বাজারসহ বিভিন্ন গ্রামের হাট বাজারে।

এবার প্রতিটি ধারালো দা বিক্রয় হচ্ছে ৩০০-৫০০ টাকা, কোরবানির ছুরি ৫০০ থেকে ৮০০ টাকা, পশুর হাড় কাটার জন্য চাপাতি ৬০০ থেকে ১০০০ টাকা, চামড়া ছাড়ানোর চাকু ২০০ থেকে ২৫০ টাকা, নারিকেল কোরানি ২০০ থেকে ৩০০ টাকা, মাংস কাটার বটি ৩০০ থেকে ৪০০ টাকা। তাছাড়া অন্যান্য কৃষি উপকরণ ধানকাটার কাঁচি, লাঙ্গলের ফলাসহ অন্যান্য তৈজসপত্রও ভালো দামে বিক্রয় হয়ে থাকে।

উপজেলার কয়েকজন কর্মকার জানান, বছরের অন্য সময়ের চেয়ে কোরবানির ঈদে তাদের আয় রোজগার অনেক বেশি হয়। এমনিতে সারা বছর কাজ অনেক কম থাকে। এর মধ্যে কয়দিন পর পর লোহার দাম বেড়ে যায়। এতেই তারা বেকায়দায় পড়েন। ভালো চালান থাকলে আগে থেকে লোহা কিনে রাখতে পারলে ভালো লাভ পাওয়া যেত বলেও জানান তারা।

তাছাড়া পশু জবাই থেকে শুরু করে মাংস তৈরির কাজে প্রয়োজনীয় ওইসব হাতিয়ারের চাহিদাও রয়েছে ব্যাপক। তাই ঈদের পূর্বেই কোরবানির পশু জবাই কাজের হাতিয়ার সংগ্রহে কামারদের দ্বারে দ্বারে ঘুরেন স্থানীয় কসাই, কৃষকসহ বিভিন্ন পেশাজীবী মানুষ।

উপজেলার হোসেনপুর কামারপাড়ার কর্মকার মানিক বলেন, এখন কিছু আয় হলেও সারাবছর আমাদের টুকটাক করে চলতে হয়। আমি আগে ডাঙ্গারহাটে তৈরি করতাম এবং সেখানেই বিক্রি করতাম হাট ভেঙে যাওয়ায় এখন বাড়িতে তৈরি করে বিক্রি করি।

উপজেলার পাকেরহাট এলাকার কামার দয়াল চন্দ্র রায় বলেন, পরিবারের ঐতিহ্য ধরে রাখতে এই পেশায় আছি। সবকিছুর দাম বেড়ে গেছে তাই আগের মতো আর লাভ নেই। পরিবার নিয়ে কোনোরকম দিন পার করছি।

স্থানীয় ক্রেতারা জানান, আর মাত্র কয়েকদিন পরেই ঈদ। গরু ও ছাগল জবাই দিতে এবং মাংস কাটতে দা, বঁটি, চাকু ও ছুরির প্রয়োজন। এজন্য বাজারে দা, বঁটি ও ছুরি কিনতে এসেছি। তবে গত বছরে এসব জিনিসের দাম খানিকটা বেশি।

চাপাতি কিনতে আসা আব্দুর সুবাহান বলেন, আগের চাপাতিটা আর চলে না। তাই দাম দর করে একটি চাপাতি নিয়েছি ৪০০ টাকায়। মাংস ও হাড় কাটার জন্য এটা কিনেছি।

খানসামা বাজারে কোরবানির যন্ত্রপাতি কিনতে আসা আ. সালাম বলেন, বছরের অন্য সময়ের তুলনায় এই সময়ে অনেক ভিড় থাকে। বাজারে অনেক দোকান থাকায় এখানে অনেক সাশ্রয়ী মূল্যে কাজ করা যায়। তবে লোহার দাম বাড়ায় এসব যন্ত্রপাতির দামও বেড়েছে।

নিউজ ট্যাগ: কামারশালা

আরও খবর



ডিপজলের শিল্পী সমিতির দায়িত্ব পালনে নিষেধাজ্ঞা

প্রকাশিত:সোমবার ২০ মে ২০24 | হালনাগাদ:সোমবার ২০ মে ২০24 | অনলাইন সংস্করণ
আদালত প্রতিবেদক

Image

বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির (২০২৪-২৬) মেয়াদি নির্বাচনে সম্পাদক পদে বিজয়ী ডিপজল তার পদে বসতে পারবেন না। সেই সঙ্গে পরাজিত সাধারণ সম্পাদক প্রার্থী নিপুণ আক্তারের অভিযোগ তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট। সোমবার (২০ মে) বিচারপতি নাইমা হায়দার ও বিচারপতি কাজী জিনাত হকের হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেন।

এর আগে গত ১৫ মে নিপুণের পক্ষে আইনজীবী অ্যাডভোকেট পলাশ চন্দ্র রায় শিল্পী একটি রিট আবেদন করেন। রিটে নির্বাচনে অনিয়ম ও কারচুপির অভিযোগ এনে এ ঘটনা তদন্তে কমিটি গঠনের পাশাপাশি নতুন করে নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা ও মিশা-ডিপজলের নেতৃত্বাধীন কমিটির দায়িত্ব পালনে নিষেধাজ্ঞা চাওয়া হয়।

গত ১৯ এপ্রিল বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির দ্বি-বার্ষিক নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। ফলাফল ঘোষণা হয় শনিবার (২০ এপ্রিল) সকালে। ফল ঘোষণা করেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার খোরশেদ আলম খসরু। এতে নতুন সভাপতি নির্বাচিত হন জনপ্রিয় অভিনেতা এবং বিগত দুই মেয়াদের সফল সভাপতি মিশা সওদাগর এবং সাধারণ সম্পাদক পদে জয়ী হন চলচ্চিত্রের মুভি লর্ড ও দানবীর খ্যাত অভিনেতা মনোয়ার হোসেন ডিপজল।

নির্বাচনে সভাপতি মিশা সওদাগর মোট ভোট পান ২৬৫টি। অন্যদিকে মাহমুদ কলি ১৭০ ভোট পেয়ে পরাজিত হন। সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত ডিপজল পান ২২৫ ভোট। ১৭ ভোট কম পেয়ে পরাজিত হন নিপুণ আক্তার (২০৯)।


আরও খবর



৪৬ হাজার প্রাথমিক শিক্ষকের মৌখিক পরীক্ষা গ্রহণে বাধা কাটল

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ৩০ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ৩০ মে ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক

Image

প্রশ্নফাঁসের অভিযোগ ওঠায় তৃতীয় ধাপে ঢাকা চট্টগ্রাম বিভাগের ৪৬ হাজার প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক নিয়োগের কার্যক্রম ৬ মাসের জন্য স্থগিতের আদেশ স্থগিত করেছেন চেম্বার আদালত। এর ফলে উত্তীর্ণ পরীক্ষার্থীদের মৌখিক পরীক্ষা গ্রহণে বাধা নেই বলে জানিয়েছেন আইনজীবীরা। তবে পরীক্ষায় প্রশ্নফাঁসের ঘটনা তদন্তে হাইকোর্টের আদেশ বহাল রেখেছেন আদালত। আদালত বলেছেন, পরীক্ষার প্রশ্নফাঁসের ঘটনায় তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত মৌখিক পরীক্ষার ফল প্রকাশ করা যাবে না।

বৃহস্পতিবার (৩০ মে) আপিল বিভাগের চেম্বার বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিম এ আদেশ দেন।

আদালতে রাষ্ট্রপক্ষে শুনানি করেন অ্যাটর্নি জেনারেল এ এম আমিন উদ্দিন, অতিরিক্ত অ্যাটর্নি জেনারেল শেখ মো. মোরসেদ ও সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল সাইফুল আলম। রিটের পক্ষে ছিলেন ব্যারিস্টার সৈয়দ সায়েদুল হক সুমন।

এর আগে মঙ্গলবার (২৮ মে) ৪৬ হাজার শিক্ষক নিয়োগের কার্যক্রম ৬ মাসের জন্য স্থগিত করেন হাইকোর্ট। একইসঙ্গে প্রশ্নপত্র ফাঁসের ঘটনা তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। বিচারপতি মোস্তফা জামান ইসলাম ও বিচারপতি এস এম মাসুদ হোসেন দোলনের হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেন।

আদালতে রিটের পক্ষে শুনানি করেন ব্যারিস্টার সৈয়দ সায়েদুল হক সুমন। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল তুষার কান্তি রায়।

সেদিন ব্যারিস্টার সুমন বলেন, সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষার তৃতীয় ধাপের পরীক্ষায় প্রশ্নফাঁস হয়েছিল। আর এই ফাঁস হওয়া প্রশ্নে অনেকে পরীক্ষা দিয়েছে। এরইমধ্যে তৃতীয় ধাপের পরীক্ষার ফলও প্রকাশিত হয়েছে। এ কারণে পরীক্ষার প্রকাশিত ফল নিয়ে প্রশ্ন উঠে। প্রশ্নফাঁস হওয়ার ঘটনার তদন্ত ও পরীক্ষা প্রক্রিয়া স্থগিত চেয়ে হাইকোর্টে রিট করেন ঢাকা ও চট্টগ্রামের কয়েকজন পরীক্ষার্থী।

সহকারী শিক্ষক নিয়োগের জন্য গত বছরের ২৮ ফেব্রুয়ারি প্রথম ধাপে রংপুর, সিলেট ও বরিশাল বিভাগের ক্লাস্টারের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর। এরপর ২২ মার্চ ২য় ধাপে রাজশাহী, খুলনা ও ময়মনসিংহ বিভাগের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়। পরে ১৭ জুন ৩য় ধাপে ঢাকা ও চট্টগ্রাম বিভাগে নিয়োগের জন্য বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়।

প্রথম ধাপে ৩ লাখ ৬০ হাজার ৭০০, দ্বিতীয় ধাপে ৪ লাখ ৫৯ হাজার ৪৩৮ এবং তৃতীয় ধাপে ৩ লাখ ৪০ হাজার প্রার্থী আবেদন করেন।


আরও খবর