আজঃ মঙ্গলবার ২৫ জানুয়ারী ২০২২
শিরোনাম

ফাইভ-জি যুগে প্রবেশ করলো বাংলাদেশ

প্রকাশিত:রবিবার ১২ ডিসেম্বর ২০২১ | হালনাগাদ:রবিবার ১২ ডিসেম্বর ২০২১ | ৭৭৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image
আমাদের লক্ষ্য বাংলাদেশকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়া। ফাইভ-জি কেবল উন্নত দেশগুলো চালু করছে। আমরাও সে সময়ে চালু করতে যাচ্ছি। আমরা পিছিয়ে থাকতে চাই না

ফাইভ-জি যুগে প্রবেশ করলো বাংলাদেশ। ডিজিটাল বাংলাদেশ বিনির্মাণে ২০০৮ সালের ১২ ডিসেম্বর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ঘোষিত কর্মসূচির ধারাবাহিকতায় ফাইভজি যুগে এই পদার্পণ। ডিজিটাল বাংলাদেশ দিবসে রবিবার (১২ ডিসেম্বর) রাতে রাজধানীর রেডিসন হোটেলে নিউ ইরা উইথ ৫ জি শীর্ষক এক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে পরীক্ষামূলকভাবে এ সেবা চালু করা হয়।

ফাইভ-জি উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও প্রযুক্তি বিষয়ক উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয়। অনুষ্ঠানে ভার্চুয়ালি সংযুক্ত থেকে তিনি এই প্রযুক্তি উদ্বোধন করেন।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে সজীব ওয়াজেদ জয় বলেন, 'আমাদের লক্ষ্য বাংলাদেশকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়া। ফাইভ-জি কেবল উন্নত দেশগুলো চালু করছে। আমরাও সে সময়ে চালু করতে যাচ্ছি। আমরা পিছিয়ে থাকতে চাই না।'

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ডাক ও টেলিযোগাযোগমন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার এবং ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির সভাপতি এ কে এম রহমতুল্লাহ্ এমপি। অনুষ্ঠানে আরে উপস্থিত ছিলেন ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগের সচিব মো. খলিলুর রহমান, বিটিআরসি চেয়ারম্যান শ্যাম সুন্দর সিকদার ও টেলিটক বাংলাদেশ লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ইঞ্জিনিয়ার মো. সাহাব উদ্দিন।

রাষ্ট্রয়ত্ত মোবাইল ফোন অপারেটর টেলিটকের মাধ্যমে দেশে চালু হলো ফাইভ-জি। ফাইভ-জি প্রযুক্তি চালু করতে টেলিটককে সহায়তা করছে হুয়াওয়ে ও নকিয়া। সাইটগুলো যেসব এলাকায় স্থাপন করা হয়েছে- বাংলাদেশ সচিবালয়, জাতীয় সংসদ ভবন এলাকা, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়, বঙ্গবন্ধু স্মৃতিসৌধ, সাভার জাতীয় স্মৃতিসৌধ ও গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়া বঙ্গবন্ধুর সমাধিস্থল।

নিউজ ট্যাগ: ফাইভ-জি

আরও খবর



বিধিনিষেধ বাড়বে কিনা সিদ্ধান্ত ৭ দিন পর

প্রকাশিত:সোমবার ২৪ জানুয়ারী ২০২২ | হালনাগাদ:সোমবার ২৪ জানুয়ারী ২০২২ | ১৮০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ ও সব অফিসে অর্ধেক জনবল নিয়ে পরিচালনার মতো সরকারের চলমান বিধিনিষেধগুলো আরও বাড়ানো হবে কিনা তা জানা যাবে এক সপ্তাহ পর। সোমবার সচিবালয়ে নিজ দপ্তরে জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এ কথা জানান।

তিনি বলেন, আমাদের উদ্দেশ্য সবাই মাস্ক পরুক। এই সময়টা আমরা অতিক্রম করতে চাই। স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বলছেন, আগামী ফেব্রুয়ারির মাঝামাঝি নাগাদ এটি বাড়বে। সবাইকে সচেতন হতে হবে। আমরা চাই এই তৃতীয় ঢেউ থেকে যত তাড়াতাড়ি উত্তরণ করতে পারি। সে জন্য সবাইকে স্বাস্থ্যবিধি মেনে তৃতীয় ঢেউ মোকাবিলা করতে হবে।

করোনাভাইরাস সংক্রমণ রোধে ইতোমধ্যে পাঁচটি নির্দেশনা জারি করা হয়েছে মন্ত্রিপরিষদে। তন্মধ্যে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ রাখা, অর্ধেক জনবল নিয়ে অফিস পরিচালনার প্রজ্ঞাপন রোববার জারি করে সরকার।

বাকি সব নির্দেশনার বিষয়ে জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী সোমবার বলেন, আমরা অবশ্যই আগামী এক সপ্তাহ পর দেখব এটি কী পর্যায়ে আছে, সে অনুযায়ী আমরা পরবর্তী নির্দেশনা দেব।

তিনি বলেন, এখন যে ভ্যারিয়েন্টটা দেখছি ওমিক্রন, এটা সেরে উঠতে অল্প সময় নিচ্ছে। রিকভারি রেট কিন্তু খুবই ভালো। ৮৫ শতাংশের বেশিসংখ্যক আক্রান্ত মানুষ ঘরে থেকে ট্রিটমেন্ট নিতে পারছেন এবং তারা সেরে উঠছেন। আমরা অবশ্যই আগামী এক সপ্তাহ পর দেখব এটার (সংক্রমণ) কী পর্যায়ে আছে, সেই অনুযায়ী আমরা পরবর্তী নির্দেশনা দেব।

মাস্ক পরার বাধ্যবাধকতার বিষয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন,  সবাইকে মাস্ক পরে বাইরে আসতে হবে। একটা তারিখ দেওয়া হবে যে, আগামীকাল থেকে মোবাইল কোর্ট নামবে। তাই আগে থেকে সতর্ক করে নিয়েই কিন্তু মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হবে।

গণপরিবহণ সরকারের বিধিনিষেধ মানছে না বিষয়ে সাংবাদিকদের মন্তব্যে প্রতিমন্ত্রী বলেন, সরকারের দেওয়া বিধিনিষেধ সবাইকে মানতে হবে। ইউরোপ সংক্রমণের ক্ষেত্রে তাদের পিক সময় পার করেছে। আমাদের একটু পরে শুরু হয়েছে। এ জন্য আমাদের চূড়ান্ত সংক্রমণ একটু পরে হতে পারে। সে ক্ষেত্রে আমরা চাইব, যাদের যেভাবে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে, নির্দেশনাগুলো সবাই মেনে চললে তা সবার জন্যই ভালো। পরিবহণ সেক্টরে যারা রয়েছেন, তাদেরও আমাদের সহযোগিতার করতে হবে। নিয়ম মেনে তারা গণপরিবহণ পরিচালনা করবেন। এর মধ্য দিয়ে আমরা একটা ভালো ফল পাব। আশা করছি, অল্প সময়ের মধ্যে তৃতীয় ঢেউ উত্তরণ করব।


আরও খবর
মাস্ক ছাড়া বের হলেই জরিমানা

সোমবার ২৪ জানুয়ারী ২০২২




শান্তিরক্ষী প্রেরণকারী দেশ হিসেবে এক নম্বরে বাংলাদেশ: সেনাপ্রধান

প্রকাশিত:রবিবার ০২ জানুয়ারী 2০২2 | হালনাগাদ:রবিবার ০২ জানুয়ারী 2০২2 | ৫০৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

সেনাবাহিনীর প্রধান জেনারেল এস এম শফিউদ্দিন আহমেদ বলেছেন, প্রশিক্ষণের মাধ্যমে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর গুণগত মান বিশ্ব পর্যায়ে নিয়ে যেতে চাই। বাংলাদেশ সেনাবাহিনী শান্তিরক্ষী প্রেরণকারী দেশ হিসেবে বিশ্বে এক নম্বরে রয়েছে।

রোববার (০২ জানুয়ারি) সকালে হবিগঞ্জের আজমিরীগঞ্জে শিবপাশা ইউনিয়নের পশ্চিমভাগ সরকারি মাঠে শীতার্থদের মাঝে শীতবস্ত্র বিতরণ শেষে এসব কথা বলেন তিনি।

তিনি আরও বলেন, এ অর্জন একদিনে হয়নি। আমাদের অনেক ত্যাগ মেনে নিতে হয়েছে। বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর প্রতি জনগণের যে আস্থা আছে সেটি আমরা সঠিকভাবে প্রদর্শন করতে চাই।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন ১৭ পদাতিক ডিভিশনের জিওসি ও এরিয়া কমান্ডার মেজর জেনারেল হামিদুল হক। উল্লেখ্য, সেনাবাহিনীর প্রধানের দিকনির্দেশনায় প্রতি বছরের ন্যায় এ বছরও এলাকার দুঃস্থ মানুষের মাঝে শীতবস্ত্র, ত্রাণ বিতরণ এবং বিনামূল্যে চিকিৎসাসেবা প্রদানসহ নানাবিধ জনসেবামূলক কাজ পরিচালনা করছে সেনাবাহিনী।


আরও খবর



রেস্তোরাঁর বিষয়ে সরকারের সিদ্ধান্তটি বাস্তবসম্মত নয় : মালিক সমিতি

প্রকাশিত:বুধবার ১২ জানুয়ারী ২০২২ | হালনাগাদ:বুধবার ১২ জানুয়ারী ২০২২ | ৩৭৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

করোনা সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে সরকার এরমধ্যেই ১১ দফা নির্দেশনা দিয়েছে। এই নিদের্শনাগুলো বৃহস্পতিবার (১৩ জানুয়ারি) থেকে কার্যকর হবে। তবে এসব নির্দেশনার মধ্যে একটি হচ্ছে- কেউ রেস্তোঁরায় খেতে গেলে তাকে করোনা টিকার সনদ দেখাতে হবে। সরকারের এই নির্দেশনা বাস্তবসম্মত নয় বলে মনে করছেন বাংলাদেশ রেস্তোরাঁ মালিক সমিতি।

মঙ্গলবার (১১ জানুয়ারি) সংগঠনটির সমিতির সাধারণ সম্পাদক ইমরান হাসান গণমাধ্যমকে বলেছেন, রেস্তোরাঁ আসা কোনো কাস্টমারকে আমরা বাধা দিতে পারবো না।

তিনি বলেন, করোনা সংক্রমণ ঠেকাতে রেস্তোরাঁর বিষয়ে সরকারের নির্দেশনা নিয়ে বৈঠক করা হয়েছে। সেখানে সবাই একমত হয়েছেন যে, রেস্তোরাঁর বিষয়ে সরকারের সিদ্ধান্তটি বাস্তবসম্মত নয়।

ইমরান হাসান বলেন, সরকারের কাছে আমরা আবেদন করেছি, এ সিদ্ধান্ত থেকে সরে আসার। বাস্তবসম্মত সিদ্ধান্ত দিয়ে আমাদেরকে যেন ব্যবসা পরিচালনা করার সুযোগ দেওয়া হয়।

তিনি বলেন, আমরা বলেছি, মাস্ক পরা নিশ্চিত করতে হবে। আর এ ব্যবসার সঙ্গে যারা জড়িত রয়েছেন, তাদের মধ্যে যারা টিকার আওতায় আসেননি, তাদেরকে টিকা দেওয়ার ব্যবস্থা করতে হবে।

ইমরান হাসান বলেন, আমরা কাস্টমারকে বাধা দিতে পারবো না। এটা একটা ভোগান্তি, এই ভোগান্তি আমরা নিতে পারবো না।

নিউজ ট্যাগ: রেস্তোরাঁ

আরও খবর



আজ থেকে নতুন বই বিতরণ কার্যক্রম শুরু

প্রকাশিত:শনিবার ০১ জানুয়ারী ২০২২ | হালনাগাদ:শনিবার ০১ জানুয়ারী ২০২২ | ৫১০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

নতুন বছরের শুরুর দিন এবার বই উৎসব হচ্ছে না। তবে নতুন বই বিতরণ কার্যক্রম আজ শনিবার (১ জানুয়ারি) থেকে শুরু হচ্ছে। এবারের শিক্ষাবর্ষে ৪ কোটি ১৭ লাখ ২৬ হাজার ৮৫৬ জন শিক্ষার্থীর মাঝে ৩৪ কোটি ৭০ লাখ ২২ হাজার ১৩০ কপি পাঠ্যপুস্তক বিনামূল্যে বিতরণ করা হচ্ছে। এর মধ্যে দৃষ্টি প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থীদের জন্য ব্রেইল পদ্ধতিতে পাঠ্যপুস্তক ও ৫টি ক্ষুদ্র নৃ গোষ্ঠীর শিক্ষার্থীদের মাতৃভাষায় মুদ্রিত পাঠ্যপুস্তকও রয়েছে। তবে, এ বছরের প্রথমদিনে সব শিক্ষার্থীকে বই দেওয়া সম্ভব হচ্ছে না। পর্যায়ক্রমে নতুন বই পাবে শিক্ষার্থীরা ।

২০১২ সাল থেকে বর্তমান সরকার আনুষ্ঠানিকভাবে বই বিতরণ উৎসবের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের হাতে বই তুলে দিচ্ছে। এই কার্যক্রমের ধারাবাহিকতায় সারাদেশে একযোগে বছরের প্রথম দিন ১ জানুয়ারি শিক্ষক-শিক্ষার্থী-অভিভাবক, স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, প্রাথমিক শিক্ষা সংশ্লিষ্ট দফতরসমূহের কর্মকর্তা-কর্মচারির উপস্থিতিতে উৎসবমুখর ও আনন্দঘন পরিবেশে বই বিতরণ উদযাপিত হয়ে আসছে।

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশত বার্ষিকী উদযাপন উপলক্ষে  ২০২১ সালে বই উৎসবকে কেন্দ্র করে বর্ণিলভাবে সাজানো হলেও বিশ্বব্যাপী করোনাভাইরাস পরিস্থিতির কারণে সেটি সম্ভব হয়নি। তবে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক-কর্মকর্তাদের মাধ্যমে, সফলভাবে পহেলা জানুয়ারি ৯ কোটি ৩৭ লাখ ৭৫ হাজার ৮৯৩টি বই শিক্ষকদের বাড়িতে পৌঁছে দিয়েছে।

২০২২ শিক্ষাবর্ষে প্রাথমিক স্তরে ৯ কোটি ৩০ লাখ ৩৪ হাজার ৩০টি, প্রাক-প্রাথমিক স্তরে ৬৬ লাখ ৫ হাজার ৪৮০টি, ক্ষুদ্র নৃ গোষ্ঠীর জন্য ২ লাখ ১৯ হাজার ৩৬৪ টিসহ মোট ৯ কোটি ৯৮ লাখ ৫৮ হাজার ৮৭৪টি বই শিক্ষার্থীদের মাঝে বিতরণ করা হবে। প্রাক প্রাথমিকের শিক্ষার্থীদের জন্য পাঠ্যপুস্তক-পঠন-পাঠন সামগ্রীর মধ্যে আমার বই এবং অনুশীলন খাতা বিতরণ করা হবে যথাক্রমে ৩৩ লাখ ২ হাজার ৭৪০টি।

অন্যদিকে জেলা-উপজেলা ও থানার জন্য ৫১২ টি উপজেলা ও থানায় বাংলা ভার্সানে এবং  ৫৬টি জেলায় ইংরেজি ভার্সানের বই বরাদ্দ করা হবে। প্রথম শ্রেণিতে মোট ১ কোটি ২৪৯৬ হাজার ৪৯৪টি পাঠ্যপুস্তকের মধ্যে বাংলা ভার্সানে ৫১২ টি উপজেলা ও থানায় ১ কোটি ২৩ লাখ ৭৬ হাজার ৫৯৯টি, ইংরেজি ভার্সানে ৫৬ টি জেলায় ১ লাখ ১৯ হাজার ৮৯৫টি বই বিতরণ করা হবে। দ্বিতীয় শ্রেণিতে মোট ১ কোটি ২১ লাখ ৪৩ হাজার ৩০৯ টির মধ্যে বাংলা ভার্সানে ১ কোটি ২০ লাখ ২৩ হাজার ৭৮০ এবং ইংরেজি ভার্সানে ১ লাখ ১৯ হাজার ৫২৯টি। তৃতীয় শ্রেণিতে মোট ২ কোটি ৩৬ লাখ ৫ হাজার ১৮৬ টির মধ্যে বাংলা ভার্সানে ২ কোটি ৩৩ লাখ ৯৯ হাজার ৩৪৮ টি এবং ইংরেজি ভার্সানে ২লাখ ৫ হাজার ৮৩৮ টি। চতুর্থ শ্রেণিতে মোট ২ কোটি ২৯ লাখ ৪৫ হাজার ৯৯৭টি বইয়ের মধ্যে বাংলা ভার্সানে ২ কোটি ২৭ লাখ ৫৮ হাজার ৭৬৭টি এবং  ইংরেজী ভার্সানে ১ লাখ ৮৭ হাজার ২৩০টি বই বিতরণের জন্য বরাদ্দ করা হয়েছে। পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের জন্য মোট ২ কোটি ১০ লাখ ২৪ হাজার ৫২৩টির মধ্যে বাংলা ভার্সানে ২ কোটি ৮ লাখ ৬০ হাজার ১৯৩ টি এবং ইংরেজি ভার্সানে ১ লাখ ৬৪ হাজার ৩৩০ টি ।

এছাড়া ক্ষুদ্র-নৃগোষ্ঠীর শিশুদের জন্য নিজস্ব বর্ণমালা সম্বলিত মাতৃভাষায় প্রাক-প্রাথমিক শ্রেণির পঠন-পাঠন সামগ্রী এবং প্রাথমিক স্তরের পাঠ্যবই প্রণয়ন এবং সরবরাহের ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। ২০২২ শিক্ষাবর্ষে ৫টি ক্ষুদ্র-নৃগোষ্ঠী (চাকমা, মারমা, ত্রিপুরা, গারো ও সাদরী) শিশুদের মাঝে প্রাক-প্রাথমিক এবং প্রাথমিক পর্যায়ে পাঠ্যপুস্তক বিতরণ করা হচ্ছে।

ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর পাঠ্যপুস্তক বান্দরবান, রাঙামাটি, খাগড়াছড়ি, চট্টগ্রাম, হবিগঞ্জ, মৌলভীবাজার, শেরপুর, নেত্রকোণা, ময়মনসিংহ, টাঙ্গাইল, নঁওগা, নাটোর, সিরাজগঞ্জ, দিনাজপুর, জয়পুরহাট, চাঁদপুর, ফেনী, কক্সবাজার, সুনামগঞ্জ ও চাঁপাইনবাবগঞ্জ এই মোট ২০ টি জেলায় সরবরাহ করা হবে।

২০১০ সাল থেকে ২০২১ সাল পর্যন্ত সর্বমোট ৪০০ কোটি ৫৪ লাখ ৬৭ হাজার ৯১১ কপি বই বিতরণ করা হয়েছে।

নিউজ ট্যাগ: বই উৎসব

আরও খবর



২০২১ সালে ৫৩৭১ সড়ক দুর্ঘটনা, নিহত ৬২৮৪

প্রকাশিত:শনিবার ০৮ জানুয়ারী ২০২২ | হালনাগাদ:শনিবার ০৮ জানুয়ারী ২০২২ | ৪৩০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

২০২১ সালে ৫ হাজার ৩৭১টি সড়ক দুর্ঘটনায় অন্তত ৬ হাজার ২৮৪ জন নিহত ও ৭ হাজার ৪৬৮ জন আহত হয়েছেন।

আজ শনিবার (৮ জানুয়ারি) ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে সংবাদ সম্মেলনে এমনই একটি পরিসংখ্যান তুলে ধরেছে রোড সেফটি ফাউন্ডেশন। বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদনের ভিত্তিতে এই তালিকা তৈরি করেছেন তারা।

সংস্থাটি জানায়, নিহতদের মধ্যে ৩৫ দশমিক ২৩ শতাংশ মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় মারা গেছে। এ ছাড়াও নিহতদের মধ্যে ৩৪ দশমিক ২৪ শতাংশ পথচারী এবং ১২ দশমিক ৬৯ শতাংশ চালক ও হেলপার ছিলেন।

গত বছর ৭৬টি নৌ-দুর্ঘটনায় ১৫৯ জন নিহত, ১৯২ জন আহত এবং ৪৭ জন নিখোঁজ রয়েছেন। একই সময়ে ১২৩টি ট্রেন দুর্ঘটনায় অন্তত ১৪৭ জন নিহত ও ৩৯ জন আহত হয়েছেন।

নিউজ ট্যাগ: সড়ক দুর্ঘটনা

আরও খবর