আজঃ রবিবার ২১ জুলাই ২০২৪
শিরোনাম

ফের আদালতে ধাক্কা খেলেন কেজরিওয়াল, জামিন স্থগিত

প্রকাশিত:শুক্রবার ২১ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২১ জুন ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
আন্তর্জাতিক ডেস্ক

Image

আদালতে বড় ধাক্কা খেলেন ভারতের দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়াল। দিল্লির হাইকোর্ট তার জামিনে স্থগিতাদেশ দিয়েছে। এতে করে নিম্ন আদালতে জামিন পেয়েও আপাতত জেল থেকে বের হওয়া হচ্ছে না তার। শুক্রবার (২১ জুন) এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মদ নীতি কেলেঙ্কারি মামলায় বৃহস্পতিবার রাতেই দিল্লির রাউস অ্যাভিনিউ আদালত দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়ালকে জামিন দেয়। শুক্রবার দিল্লির তিহাড় জেল থেকে তার মুক্তি পাওয়ার কথা ছিল।

কিন্তু তার আগেই জামিনের আদেশকে চ্যালেঞ্জ করে দিল্লি হাইকোর্টে আবেদন করে ভারতের কেন্দ্রীয় অর্থ মন্ত্রণালয়ের তদন্তকারী সংস্থা এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ইডি)। আর সেখানেই আপাতত নিম্ন আদালতের জামিনের রায়ে স্থগিতাদেশ দেওয়া হয়েছে।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যম বলছে, নিম্ন আদালতে কেজরিওয়ালের জামিনের নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করে শুক্রবার দিল্লি হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয় এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট। বিচারপতি সুধীর কুমার জৈন ও বিচারপতি রবীন্দর দুদেজার ভ্য়াকেশন বেঞ্চের পক্ষ থেকে ট্রায়াল কোর্টের জামিনের নির্দেশে স্থগিতাদেশ দেওয়া হয়।

আদালতের পক্ষ থেকে বলা হয়, যতক্ষণ পর্যন্ত হাইকোর্টে মামলার শুনানি না হচ্ছে, ততক্ষণ পর্যন্ত এই রায়ে (জামিন) স্থগিতাদেশ থাকবে।

হাইকোর্টের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, এখনও পর্যন্ত আদালতের কাছে রিলিজ অর্ডার এসে পৌঁছয়নি। কোন শর্তে কেজরিওয়াল জামিন পেয়েছেন, তাও জানা নেই।

এদিকে ইডির পক্ষ থেরকও এদিন আদালতে দাবি করা হয়েছে, রাউস অ্যাভিনিউ আদালতে শুনানির সময় ইডির আইনজীবী বা সলিসিটর জেনারেলকে গতকাল বক্তব্য রাখার সুযোগ দেওয়া হয়নি। ইডির পক্ষ থেকে রাউস অ্যাভিনিউ আদালতে দাবি করা হয়েছিল, অন্তত ৪৮ ঘণ্টার জন্য জামিনে স্থগিতাদেশ দেওয়া হোক। তবে সেই আবেদন মানেনি আদালত।

অন্যদিকে কেজরিওয়ালের আইনজীবী অভিষেক মনু সিংভির দাবি, এর আগে এই মামলার শুনানি হয়েছে। ৭ ঘণ্টা ধরে শুনানি চলেছে। তখন বক্তব্য রাখার সুযোগ পেয়েছিলেন ইডির আইনজীবীরা। তবে যাই হোক, দিল্লি হাইকোর্টে শুনানি না হওয়া পর্যন্ত কেজরিওয়ালের জামিনে স্থগিতাদেশ জারি করা হয়েছে। ফলে নিম্ন আদালতে জামিন পেলেও, জেল থেকে আপাতত মুক্তি পাচ্ছেন না দিল্লির এই মুখ্যমন্ত্রী।

উল্লেখ্য, ২০২১ সালে দিল্লির সরকার একটি মদ নীতি গ্রহণ করে। এরমাধ্যমে শহরটিতে মদ বিক্রি আধুনিকায়ন করার উদ্যোগ নেওয়া হয়। তবে পরবর্তীতে অভিযোগ উঠে এই নীতি ব্যবহার করে ব্যাপক দুর্নীতি করেছেন অরবিন্দ কেজরিওয়াল। আর এই অভিযোগেই তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

কিন্তু লোকসভা নির্বাচন চলাকালীন ১০ মে কেজরিওয়ালকে অন্তবর্তীকালীন জামিন দেওয়া হয়। ওই সময় জেল থেকে বেরিয়ে তিনি দিল্লিতে দলের জন্য নির্বাচনী প্রচারণা চালান। তবে লোকসভায় তার দলের কোনও প্রার্থীই জয় পাননি।


আরও খবর
আজ নেলসন ম্যান্ডেলার জন্মদিন!

বৃহস্পতিবার ১৮ জুলাই ২০২৪




মাদ্রাসা ছাত্রকে বলৎকার, শিক্ষকের বিচারের দাবিতে সংবাদ সম্মেলন

প্রকাশিত:বুধবার ০৩ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ০৩ জুলাই ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
পটুয়াখালী প্রতিনিধি

Image

পটুয়াখালীতে প্রথম শ্রেণির এক শিক্ষার্থীকে বলৎকারের অভিযোগ উঠেছে মাহমুদুল হাসান নামে সহকারী শিক্ষিকের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগীর পিতা ঐ শিক্ষকের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চেয়ে বুধবার(৩ জুলাই) দুপুরে পটুয়াখালী প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করেন। মাহমুদুল হাসান পৌর শহরের দারুল কুরআন মাদ্রাসার মাদ্রাসার সহকারী শিক্ষক।

এসময় সংবাদ সম্মেলনে ঐ শিশুর পিতা বলেন, গত ৯ জুন বেলা এগারোটার সময় দারুল কুরআন মাদ্রাসার প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক এবং প্রধান শিক্ষক আহম্মদ কবির ও সহকারী শিক্ষক মাহমুদুল হাসান প্রথম শ্রেণির শিশু শিক্ষার্থীকে মাদ্রাসার তৃতীয় তলার একান্ত রুমে ডেকে নিয়ে শিক্ষক মাহমুদুল হাসানের পুরুষাঙ্গে তৈল মেখে ঐ শিশুকে জোড় পূর্বক ম্যাসেজ করান এবং যৌন কর্ম করেন। পরে ঐ শিশু কান্নাকাটি করলে তাকে মারধর করেন শিক্ষক মাহমুদুল হাসান।

মারধরে শিশুটি গুরুতর অসুস্থ হয়ে পরলে তাকে কোন চিকিৎসা না করে বাড়িতে পাঠিয়ে দেয় মাদ্রাসার পরিচালক আহম্মদ কবির ও সহকারী শিক্ষক মাহমুদুল হাসান। এমনকি ঐ শিশুর পরিবারকে না জানিয়ে উল্টো কোন কিছু না বলার জন্য শিশুটিকে হুমকি দেন। গত ১২ জুন শিশুটি কুরবানিতে বাড়ি গেলে অসুস্থ হয়ে পরে এবং শিশুটির মা জিগ্যেস করার একপর্যায়ে তার সাথে ঘটে যাওয়া পুরো বিষয়টি খুলে বলেন। এদিকে শিশুটির পিতা কর্মস্থলে থাকায় তার মা ১৫ জুন চিকিৎসার জন্য পটুয়াখালী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করেন।

পরে এঘটনায় ঐ শিশুর পিতা বাদী হয়ে বিজ্ঞ নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইবুনালে দারুল কুরআন মাদ্রাসার প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক ও প্রধান শিক্ষক আহম্মদ কবির এবং সহকারী শিক্ষক মাহমুদুল হাসানকে আসামি করে একটি মামলা করেন। যার মামলা নং ৩৫১। এঘটনায় ১লা জুলাই বিজ্ঞ ট্রাইবুনাল মামলাটি এজাহার হিসাবে নেয়ার জন্য পটুয়াখালী সদর থানার অফিসার ইনচার্জ ওসিকে নির্দেশ দেন।

বর্তমানে দারুল কুরআন মাদ্রাসার প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক ও প্রধান শিক্ষক আহম্মদ কবির এবং সহকারী শিক্ষক মাহমুদুল হাসান মামলা হওয়ার পরই পলাতক রয়েছে বলে জানান আরেক সহকারী শিক্ষক জসিম উদ্দিন।

এবিষয়ে পটুয়াখালী সদর থানার অফিসার ইনচার্জ ওসি মোঃ জসিম কে একাধিক বার তার মুঠোফোনে কল দিলে তিনি তা রিসিভ করেনি।


আরও খবর



হানিফ ফ্লাইওভারের টোল প্লাজায় ফের আগুন

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ১৮ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ১৮ জুলাই ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক

Image

রাজধানীর যাত্রাবাড়ীতে হানিফ ফ্লাইওভারের টোল প্লাজায় ফের আগুন দিয়েছেন আন্দোলনকারীরা। বৃহস্পতিবার (১৮ জুলাই) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে সেখানে আগুন দেন তারা। এ সময় বিক্ষোভকারীদের তোপের মুখে পিছু হটে পুলিশ। এর আগে বুধবার রাতে টোল প্লাজায় আগুন দেন আন্দোলনকারীরা।

এদিন বেলা সাড়ে ১১টার দিকে কাজলা এলাকায় পুলিশ ও বিক্ষোভকারীদের মধ্যে সংঘর্ষ শুরু হয়। সংঘর্ষে কাজলাসহ টোল প্লাজা এলাকা রণক্ষেত্রে পরিণত হয়।

সরেজমিনে দেখা যায়, শত শত আন্দোলনকারী পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষে জড়িয়েছেন। এ সময় পুলিশ আন্দোলনকারীদের লক্ষ্য করে মুহুর্মুহু টিয়ারশেল নিক্ষেপ করতে থাকে। আন্দোলনকারীরাও পুলিশের দিকে লক্ষ্য করে ইট-পাটকেল নিক্ষেপ করছেন। তাদের হাতে লাঠিসোঁটাও দেখা গেছে।

এ সময় আন্দোলনকারীরা আমার ভাইয়ের রক্ত, বৃথা যেতে দেবো না; কোটা না মেধা, মেধা মেধা; চেয়েছিলাম অধিকার, হয়ে গেলাম রাজাকার- এমন নানান ধরনের স্লোগান দিতে থাকেন।

সংঘর্ষ চলাকালে আন্দোলনকারীরা একজনকে ব্যাপক মারধর ধরেন। তবে তার পরিচয় নিশ্চিত হওয়া যায়নি। এছাড়া ১০৩ নং ওয়ার্ড আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবকলীগের কার্যালয় ভাঙচুর করেন বিক্ষোভকারীরা।

এর আগে এদিন সকাল থেকে যাত্রাবাড়ীতে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করেন আন্দোলনকারীরা। সকাল থেকেই সেখানে অবস্থান নেন বিক্ষোভকারীরা।

আন্দোলনকারীদের অবস্থানের কারণে কোনো যানবাহন ঢাকা থেকে বের হতে পারছে না। আবার কোনো যানবাহন ঢুকতেও পারছে না।

নিউজ ট্যাগ: হানিফ ফ্লাইওভার

আরও খবর



জবিতে অনির্দিষ্টকালের জন্য ক্লাস পরীক্ষা বন্ধ

প্রকাশিত:রবিবার ৩০ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:রবিবার ৩০ জুন ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি

Image

আগামী ১ জুলাই থেকে অনির্দিষ্টকালের জন্য জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) ক্লাস ও পরীক্ষা বন্ধ ঘোষণা করেছে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতি।

অর্থ মন্ত্রণালয়ের জারিকৃত পেনশন সংক্রান্ত বৈষম্যমূলক প্রজ্ঞাপন প্রত্যাহার, প্রতিশ্রুত সুপার গ্রেডে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের অন্তর্ভুক্তি এবং শিক্ষকদের জন্য স্বতন্ত্র বেতন স্কেল প্রবর্তনের দাবিতে সোমবার (১ জুলাই) থেকে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে সকল ধরনের ক্লাস-পরীক্ষা বন্ধ থাকবে বলে জানিয়েছেন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতি (জবিশিস)।

রবিবার (৩০ জুন) জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি অধ্যাপক ড. মমিন উদ্দিন ও সাধারণ সম্পাদক ড. শেখ মাশরিক হাসানের সাক্ষরিত এক বিজ্ঞাপ্তি তে এ কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়।

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক ড. মাশরিক হাসান বলেন, আমরা আগেই বলেছিলাম আমাদের দাবি না মানলে সর্বাত্মক কর্মবিরতিতে যাবো। কিন্তু এখন পর্যন্ত আমাদের দাবি মেনে নেওয়া হয়নি। তাই আগামীকাল থেকে ক্লাস পরীক্ষা বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয় ১ জুলাই থেকে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের সকল বিভাগের সকল ক্লাস-পরীক্ষা বন্ধ থাকবে; অনলাইন, সান্ধ্যকালীন ক্লাস, শুক্র ও শনিবারের প্রফেশনাল কোর্সের ক্লাস বন্ধ থাকবে; সকল পরীক্ষা বর্জন করা হবে। মিডটার্ম, ফাইনাল ও ভর্তি পরীক্ষাসহ কোনও পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে না।

বিভাগীয় চেয়ারম্যান বিভাগীয় অফিস, সেমিনার, কম্পিউটার ল্যাব ও গবেষণাগার বন্ধ থাকবে। অ্যাকাডেমিক কমিটি, সমন্বয় ও উন্নয়ন কমিটি, প্রশ্নপত্র সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত হবে না; অনুষদের ডিনবৃন্দ ডিন অফিস, ভর্তি পরীক্ষাসহ সংশ্লিষ্ট কর্যক্রম বন্ধ রাখবেন। নবীন বরণ অনুষ্ঠানের কর্মসূচি গ্রহণ করা যাবে না। কোনও সিলেকশন বোর্ডের সভা অনুষ্ঠিত হবে না। দায়িত্বপ্রাপ্ত কোন শিক্ষক প্রশাসনিক দায়িত্ব পালন করবেন না।

গত ১৩ মার্চ অর্থ মন্ত্রণালয় থেকে প্রত্যয় স্কিমের প্রজ্ঞাপন জারির পর থেকেই এর বিরুদ্ধে সরব হয়ে ওঠে বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতি ফেডারেশন। প্রত্যয় স্কিম বাতিলের দাবিতে ৪ জুন অর্ধদিবস কর্মবিরতি পালন করেন শিক্ষকেরা। ওই দিন ২৫, ২৬ ও ২৭ জুন অর্ধদিবস কর্মবিরতির পাশাপাশি ৩০ জুন পূর্ণদিবস কর্মবিরতি এবং ১ জুলাই থেকে দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত সর্বাত্মক কর্মবিরতির ঘোষণা দেন তারা।


আরও খবর
আরও ৩ দিনের এইচএসসি পরীক্ষা স্থগিত

বৃহস্পতিবার ১৮ জুলাই ২০২৪




ছাগলকাণ্ডে আলোচিত মতিউর রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকেরও পরিচালক

প্রকাশিত:শনিবার ২২ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ২২ জুন ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক

Image

কোরবানি উপলক্ষে ১৫ লাখ টাকায় ছাগল কিনে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আলোচিত হয়েছেন মুশফিকুর রহমান ইফাত নামের এক তরুণ। তিনি জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) কর্মকর্তা ড. মো. মতিউর রহমানের ছেলে বলে দাবি করা হচ্ছে। যদিও তা অস্বীকার করেন মতিউর।

কিন্তু অনুসন্ধানে বেরিয়ে এসেছে মতিউর রহমানই ইফাতের বাবা। এবার কোরবানির ঈদে ইফাত রাজধানীর মোহাম্মদপুরের সাদিক এগ্রো থেকে একটি ছাগল ছাড়াও ঢাকার অন্তত সাতটি খামার ও একটি হাট থেকে ৭০ লাখ টাকার গরু কিনেছেন। গত বছরও কিনেছেন ৬০ লাখ টাকার পশু।

আলোচনা এখন মতিউর রহমানের সম্পদের দিকে গড়িয়েছে। তার কত সম্পদ রয়েছে, সেটি নিয়েও আলোচনা শুরু হয়েছে। একাধিক বাড়ি, গাড়ি, ফ্ল্যাট ও প্লটের তথ্য বেরিয়ে আসছে। চট্টগ্রাম, গাজীপুর, নরসিংদী ও ময়মনসিংহে রয়েছে তার ও পরিবারের সদস্যদের নামে রিসোর্ট, শুটিংস্পট, বাংলো বাড়ি, জমিসহ নামে-বেনামে রয়েছে অঢেল সম্পত্তি।

ব্যাংক হিসাবে রয়েছে বিপুল পরিমাণ অর্থ শেয়ারবাজারে রয়েছে বড় অঙ্কের বিনিয়োগ। সরকারি কর্মকর্তা হলেও তিনি শেয়ারবাজারে প্লেসমেন্ট শেয়ারের বড় ব্যবসায়ী। ইতোমধ্যে তিনি নিজেও বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেলে দেওয়া (১৯ জুন প্রচারিত) এক সাক্ষাৎকারে বলেছেন, তিনি বিভিন্ন কোম্পানির প্রাথমিক গণপ্রস্তাব (আইপিও) ওই কোম্পানির মালিকদের কাছ থেকে কম দামে কিনে নিয়ে পরে বাজারে বেশি দামে বিক্রি করে বড় অঙ্কের মুনাফা করেছেন।

আলোচনায় উঠে আসে, জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) কর্মকর্তা ড. মতিউর রহমান রাষ্ট্রায়ত্ত সোনালী ব্যাংকের পরিচালক পদেও রয়েছেন। ২০২২ সালের ১ ফেব্রুয়ারি তিন বছরের জন্য তাকে নিয়োগ দেয় অর্থ মন্ত্রণালয়ের আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগ। রাজস্ব কর্মকর্তা ও রাষ্ট্রীয় ব্যাংকের পরিচালক হওয়ার সুবাদে শেয়ারবাজারসহ বিভিন্ন ব্যবসায় সুযোগ সুবিধা নিয়ে গড়ে তুলেছেন বিশাল সম্পদের পাহাড়।

এদিকে মতিউর রহমান ইফাতকে ছেলে হিসেবে অস্বীকার করলেও বিভিন্ন মাধ্যমে খোঁজ নিয়ে জানা যায়, ইফাতের মা শাম্মী আখতার শিভলী ওরফে শিবু মতিউর রহমানের দ্বিতীয় স্ত্রী। শাম্মী আখতারের বাবার বাড়ি ফেনীর সোনাগাজী উপজেলার আমিরাবাদ ইউনিয়নের সোনাপুর গ্রামে। শাম্মী আখতার ফেনী জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সংসদ সদস্য (ফেনী-২) নিজাম উদ্দিন হাজারীর আত্মীয়।

বাবার অঢেল সম্পদে বিলাসী জীবনযাপন করেন ১৯ বছরের ইফাত। তার ব্যবহার করা মোবাইল ফোনে যে সিমকার্ড ব্যবহার করছেন, সেটি তার বাবার জাতীয় পরিচয়পত্র ব্যবহার করে তোলা। ইফাতের স্বজনও বলছেন, মতিউর রহমান তার বাবা। মতিউর রহমান সম্পর্কে ফেনী-২ আসনের সংসদ সদস্য নিজাম উদ্দিন হাজারীর মামাতো বোন-জামাই।

নিজাম উদ্দিন হাজারী বৃহস্পতিবার গণমাধ্যমে জানান, ইফাত এনবিআর কর্মকর্তা মতিউর রহমানের ছেলে, এটাই সত্য। কেন নিজের সন্তানকে অস্বীকার করছেন, সেটা তিনিই ভালো বলতে পারবেন। আমার মামাতো বোন শাম্মী আখতার শিবলীর সঙ্গে মতিউরের বৈবাহিক বিচ্ছেদও হয়নি।

জানা যায়, মতিউর রহমানই ইফাতের বাবা। মতিউর দুই বিয়ে করেছেন। প্রথম স্ত্রীর নাম লাইলা কানিজ। যিনি বর্তমানে নরসিংদীর রায়পুরা উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান। তাদের এক ছেলে ও এক মেয়ে আছে। মতিউর প্রথম স্ত্রী ও সন্তানদের নিয়ে থাকেন বসুন্ধরায়। দ্বিতীয় স্ত্রী শাম্মী আক্তারের সন্তান মুশফিকুর রহমান ইফাত। থাকেন ধানমন্ডির বাসায়। আর তার মা থাকেন কাকরাইলের একটি ফ্ল্যাটে। ইফাতের আরেক বোন ফারজানা রহমান ইস্পিতা থাকেন কানাডায়।


আরও খবর
মেট্রোরেল চলাচল পুরোপুরি বন্ধ

বৃহস্পতিবার ১৮ জুলাই ২০২৪




রাবিতে কোটা সংস্কারের দাবিতে শিক্ষার্থীদের অবস্থান কর্মসূচি

প্রকাশিত:রবিবার ৩০ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:রবিবার ৩০ জুন ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
আসিক আদনান, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়

Image

সরকারি প্রথম ও দ্বিতীয় শ্রেণির চাকরিতে কোটা পুনর্বহাল বাতিল এবং সরকারি চাকরিতে কোটা সংস্কারের দাবি জানিয়ে অবস্থান কর্মসূচি পালন করেছে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) সাধারণ শিক্ষার্থীরা।

রোববার (৩০ জুন) সকাল ১১টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্যারিস রোডে সাধারণ শিক্ষার্থীদের ব্যানারে আয়োজিত অবস্থান কর্মসূচিতে এ দাবি জানান তারা। এ ছাড়াও সরকারি চাকরিতে বা জীবনে একবার কোটা ব্যবহার করতে পারবে কোটাধারী শিক্ষার্থীরা এমন দাবিও জানান তারা।

'দেশটা নয় পাকিস্তান, কোটা হোক অবসান', 'জেগেছে রে জেগেছে, ছাত্র সমাজ জেগেছে',' ছাত্র সমাজ ভাই ভাই, কোটা ছাড়া চাকরি চাই', 'অন্যায় কোটায় নিয়োগ পেলে, দুর্নীতি বাড়ে প্রশাসনে, বৈষম্যের বিরুদ্ধে, লড়াই করো একসাথে','৭১র হাতিয়ার, গর্জে উঠো আরেকবার' এসময় এমনসব কোটাবিরোধী বিভিন্ন স্লোগান দেয় তারা।

বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী শফিকুর ইসলাম বলেন, হাইকোর্টের এ রায় হচ্ছে যুক্তিহীন ও বৈষম্যমূলক। কানাডায় কোনো কোটা পদ্ধতি নেই, মাত্র ৫% কোটা আছে পাশের দেশ চীন ও ভারতে। বাংলাদেশের এতো উন্নয়নশীল দেশ হয়েও ৫৬% কোটা দিচ্ছে যা চরম বৈষম্য। আমরা দ্রুত কোটা সংস্কার চাই।

বায়োকেমেস্ট্রি এন্ড মলিকুলার বায়োলজি বিভাগের শিক্ষার্থী ফাহিম রেজা বলেন, "কোটা বাতিল হোক এমনটা আমরা চাইনা। কারণ কোটার বিষয়ে সংবিধানো উল্লেখ রয়েছে। তেমনি সংবিধানে এটাও উল্লেখ রয়েছে যে, পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীর জন্য কোটা থাকবে। সমাজের দৃষ্টিতে যারা পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠী নয় তাদেরকে কোটার আওতাভুক্ত করা সংবিধান বহির্ভূত। আমরা চাই অতিদ্রুত কোটা পদ্ধতি সংস্কার করে পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীদেরকে অগ্রাধিকার দেওয়া।"

বিশ্ববিদ্যালয়ের পপুলেশন সায়েন্স এন্ড হিউম্যান রিসোর্স ডেভেলপমেন্ট বিভাগের শিক্ষার্থী মো. আমান উল্লাহ খান বলেন, "আমরা কোটা সংস্কার না, কোটা পদ্ধতির সংস্কারের দাবি জানাচ্ছি। আমরা দুই দফা দাবি আদায়ে এ আন্দোলনে নেমেছি। প্রথমত, একটি প্যানেল গঠনের মাধ্যমে ৫৬ শতাংশ কোটা থেকে সংস্কার করে ১০ শতাংশ কোটা রাখার দাবি জানাচ্ছি। দ্বিতীয়ত, কোটাধারী শিক্ষার্থীরা জীবনে একবার কোটা ব্যবহার করতে পারবে। একজন শিক্ষার্থী বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তির ক্ষেত্রে কোটা ব্যবহার করলে চাকরিতে আর কোটা ব্যবহার করতে পারবে না। কোটায় যদি কোনো যোগ্য পার্থী না পাওয়া যায় তাহলে মেধা দিয়ে তা পূর্ণ করতে হবে। আমাদের এ দাবি বাস্তবায়ন না হওয়া পর্যন্ত আমাদের কোটা আন্দোলন চলমান থাকবে।"

এসময় বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগের প্রায় দুই শতাধিক শিক্ষার্থী এ অবস্থান কর্মসূচিতে অবস্থান নেন।


আরও খবর
আরও ৩ দিনের এইচএসসি পরীক্ষা স্থগিত

বৃহস্পতিবার ১৮ জুলাই ২০২৪