আজঃ সোমবার ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৪
শিরোনাম
সন্ত্রাস, দুর্নীতি দমন ও উন্নয়ন অব্যাহত রাখতে

ফের শ ম রেজাউল করিমকে চায় ভোটাররা

প্রকাশিত:শনিবার ০৯ ডিসেম্বর ২০২৩ | হালনাগাদ:শনিবার ০৯ ডিসেম্বর ২০২৩ | অনলাইন সংস্করণ
মশিউর রাহাত (পিরোজপুর)

Image
আসন্ন দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে পুনরায় শ ম রেজাউল করিম আওয়ামী লীগের প্রার্থী হওয়ায় এ আসনের শান্তিপ্রিয় জনগণ উল্লাস প্রকাশ করে এবং তার প্রতি সমর্থন জানিয়েছেন।

পাঁচ বছর আগেও চাঁদাবাজি, সন্ত্রাস, দুর্নীতি, নিয়োগ বাণিজ্য, টেন্ডারবাজিসহ নানা অপরাধের অভয়ারণ্য ছিলো পিরোজপুর। মানুষের কাছে সন্ত্রাসের জনপদ হিসেবে পরিচিত ছিলো অঞ্চলটি। সেখানে বইছে এখন শান্তির সুবাতাস। ২০১৮ অনুষ্ঠিত একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে পিরোজপুর-১ আসনে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন পান আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কমিটির তৎকালীন আইন বিষয়ক সম্পাদক শ ম রেজাউল করিম। ওই নির্বাচনে তিনি বিপুল ভোটের ব্যবধানে সাঈদীপুত্র শামীম সাঈদীকে পরাজিত করে এমপি হন।

এমপি নির্বাচিত হয়ে প্রথমে গৃহায়ন ও গণপূর্তমন্ত্রী পরে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।

বিগত পাঁচ বছরে তিনি নিজ নির্বাচনী এলাকার গ্রামীণ রাস্তা সংস্কার, সম্প্রসারণ ও মজবুতকরণ, ব্রিজ-কালভার্ট, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, মন্দির-মসজিদের অবকাঠামগত উন্নয়ন, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় নির্মাণ, অসহায় মানুষকে সরকারি উদ্যোগে ঘর করে দেয়া, সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির বিভিন্ন পর্যায়ে ভাতা প্রদান করা, শতভাগ বিদ্যুতায়িত করাসহ অসংখ্য উন্নয়নের পাশাপাশি চাঁদাবাজি, সন্ত্রাস, দুর্নীতি, নিয়োগ বাণিজ্য, টেন্ডার-সন্ত্রাস বন্ধ করে সন্ত্রাসের জনপদকে শান্তি ও উন্নয়নের জনপদে পরিণত করেছেন।

আসন্ন দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে পুনরায় শ ম রেজাউল করিম আওয়ামী লীগের প্রার্থী হওয়ায় এ আসনের শান্তিপ্রিয় জনগণ উল্লাস প্রকাশ করে এবং তার প্রতি সমর্থন জানিয়েছেন।

পিরোজপুর সদর-নাজিরপুর-ইন্দুরকানী এই তিন উপজেলা নিয়ে গঠিত পিরোজপুর-১ আসনটিতে এবার মনোনয়নপত্র দাখিল করেন নয় প্রার্থী। যাচাই-বাছাইয়ে চারজনের মনোনয়নপত্র বাতিল হয়েছে। বৈধ প্রার্থীরা হলেন- মন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম (আওয়ামী লীগ), একেএমএ আউয়াল (স্বতন্ত্র), মো. নজরুল ইসলাম (জাতীয় পার্টি), মো. সাইদুল ইসলাম ডালিম (জাসদ) এবং মো. ফরহাদ আহম্মেদ (জাকের পার্টি)।

এখনো প্রতীক বরাদ্দ না হলেও ৭ জানুয়ারির  ভোটকে সামনে রেখে জমজমাট হয়ে উঠেছে পিরোজপুর। চলছে চায়ের আড্ডা, গ্রামে-গঞ্জে, শহর-বন্দরে নির্বাচনী অফিস নির্মাণ, ওয়ার্ড-পৌরসভা-ইউনিয়নভিত্তিক নির্বাচনী পরিচালনা কমিটি গঠন এবং প্রার্থীদের সঙ্গে চলছে মতবিনিময়।

দলীয় নেতা-কর্মীসহ একাধিক সাধারণ ভোটারদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, বর্তমান এমপি এলাকায় উন্নয়ন ও চাঁদাবাজি বন্ধ করায় তার প্রতি খুশি তারা। যিনি উন্নয়ন করতে পারবেন, সেই প্রার্থীকেই তারা ভোট দেবেন। এর আগে ১০ বছর যিনি এমপি ছিলেন, তিনি এমপি হয়েও তেমন কোনো কাজ করেননি ও সাধারণ মানুষেকে হামলা-মামলা ও জেল-জুলুম, অত্যাচার ও নির্যাতন করেছে, এবারের নির্বাচনে তিনি বিদ্রোহী প্রার্থী হলেও জনগণ তাকে ভোট দেবেন না।

আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী ও বর্তমান সংসদ সদস্য মন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম বলেন, পিরোজপুর-১ আসনে বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপনসহ অভাবনীয় উন্নয়ন হয়েছে। চাঁদাবাজি বন্ধ করা, ঘুষ-দুর্নীতিমুক্ত করা, নিয়োগ বাণিজ্য বন্ধ করা, উন্নয়ন প্রকল্প থেকে কমিশন নেয়া বন্ধ করা, সন্ত্রাস বন্ধ করা, মাদকের ছোবল থেকে রক্ষা করাসহ নানামুখী কর্মসূচির মাধ্যমে শান্তি ও উন্নয়নের জনপদে পরিণত করেছি পিরোজপুরকে। সঙ্গত কারণেই মানুষ চায় এই উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখতে শেখ হাসিনার মনোনীত প্রার্থীকে ভোট দিতে। স্বতন্ত্র প্রার্থী একেএমএ আউয়াল তার ভাই এবং তাদের অনুগত কিছু কর্মী, নৌকার কর্মী-সমর্থকদের জীবননাশের হুমকি দিয়ে নির্বাচনের শান্তিপূর্ণ পরিবেশ নষ্ট করার অপচেষ্টা চালাচ্ছেন। তাদের সন্ত্রাসী বাহিনীর নৈরাজ্য সৃষ্টির প্রচেষ্টা জনগণ রুখে দেবে। তবে আইনের কঠোর প্রয়োগ আশা করি।

জেলা মৎস্যজীবী লীগের আহ্বায়ক সিকদার চাঁন বলেছেন, আওয়ামী লীগের মনোনীত প্রার্থীর পক্ষে আওয়ামী লীগ ও তার সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা আওয়ামী লীগ কার্যালয়ে যেতে পারছেন না। স্বতন্ত্র প্রার্থী একেএমএ আউয়ালের পক্ষে সেখানে নির্বাচন কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়। জেলা আওয়ামী লীগের কমিটিতে দুঃসময়ের নেতাকর্মীদের কমিটিতে না রেখে এই স্বতন্ত্র প্রার্থী তার ব্যক্তিগত লোকজন দিয়ে কমিটি করেছেন।

নিউজ ট্যাগ: শ ম রেজাউল করিম

আরও খবর



ভালোবাসা দিবসে শাহবাগে ২০ কোটি টাকার ফুল বিক্রির আশা

প্রকাশিত:শনিবার ১০ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ১০ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক

Image

আগামী ১৪ ফেব্রুয়ারি বিশ্ব ভালোবাসা দিবস। একই দিনে বসন্তের শুরু, পহেলা ফাল্গুন। বছরের অন্যান্য সময়ের চাইতে এ সময়টাতে ভালো ব্যবসার আশা করেন ব্যবসায়ীরা। দিবসটিকে কেন্দ্র করে বাড়তি প্রস্তুতিও নিয়ে রাখেন অনেকে। ক্রেতার চাপ সামলাতে অনেক দোকানি দুই-তিন দিনের জন্য নেন বাড়তি কর্মচারী।

সরেজমিনে ঢাকার শাহবাগে অবস্থিত ফুল মার্কেটে গিয়ে দেখা যায়, বছরের অন্য সময়ের চাইতে এখন ক্রেতা সমাগম কিছুটা বেশি। কারণ হিসেবে বিক্রেতারা বলছেন, এসময় বিবাহসহ বিভিন্ন সামাজিক অনুষ্ঠান বেশি হয়ে থাকে। তাই ক্রেতার সংখ্যাও বেশি। তবে ভালোবাসা দিবসকে কেন্দ্র করে বাড়তি লাভের আশা দেখছেন ব্যবসায়ীরা। সাধারণ একটি দিনের তুলনায় এদিন কয়েকগুণ বেশি বিক্রির প্রত্যাশা তাদের।

শাহবাগের এ ফুল মার্কেট ঘুরে দেখা যায়, এখানে ফুলের দুটি মার্কেট রয়েছে। একটি খুচরা ফুল বিক্রির মার্কেট। আরেকটি পাইকারি মার্কেট। খুচরা মার্কেটে মোট দোকান ৫০টি। পাইকারি ফুলের মার্কেট সরগরম থাকে রাত ১টা থেকে সকাল ১০টা পর্যন্ত। দিনের বেলা এ মার্কেটে তেমন ক্রেতা-বিক্রেতা থাকেন না। মূলত ঢাকা শহরের ক্ষুদ্র ফুল ব্যাবসায়ীরা এ পাইকারি মার্কেট থেকে ফুল কিনে সেগুলো দোকানে বিক্রি করেন। ঢাকার আসেপাশের অনেক কৃষক সরাসরি এ মার্কেটে এসে ফুল বিক্রি করে থাকেন। সব মিলিয়ে প্রতি রাতে প্রায় ৪০০ জনের মতো বিক্রেতা এখানে ফুল বিক্রি করতে বসেন।

এসব ফুল মার্কেটের ব্যবসায়ীরা বলছেন, ভালোবাসা দিবসে বাড়তি বিক্রি হবে এ আশায় তারা বাগানে আগেভাগেই ফুলের অর্ডার দিয়ে রেখেছেন।

শাহবাগের এ ফুল মার্কেটের মালঞ্চ পুষ্প কেন্দ্রের দোকানি আব্দুল বারেক বলেন, এখন দিনে ১০ থেকে ২০ হাজার টাকার ফুল বিক্রি হয়। বছরের অন্য সময়ে বিক্রি মোটামুটি থাকে। তবে এখন বিক্রি ভালো। আসছে ভালোবাসা দিবসে ভালো বিক্রি হবে বলে আশা করছি। সেদিন দুই লাখ টাকার ফুল বিক্রি করতে পারবো। আমার এখানে ১০ ধরনের ফুল আছে। এখন প্রতিটা গোলাপের দাম ২০ টাকা, ভালোবাসা দিবসে এটার দাম হবে সর্বনিম্ন ৫০-৬০ টাকা।

ফুল সজ্জ্বা দোকানের বিক্রেতা মোহাম্মদ জাকারিয়া বলেন, ক্রেতার চাহিদা মেটাতে বাগানে অগ্রীম ফুলের অর্ডার দিয়ে রেখেছি। আজকে ভালো মানের গোলাপ ৪০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। ভালোবাসা দিবসে এটা ৮০-৯০ টাকায় বিক্রি হবে। গোলাপী রংয়ের বিদেশী গেলাপ এখন প্রতি পিস ১০০ টাকায় বিক্রি করছি। ১৪ ফেব্রুয়ারি ১৫০ টাকার বেশি দামে বিক্রি হবে। বাগান মালিকরাও দাম বাড়িয়েছে। আগের চাইতে বেশি দামে অর্ডার করতে হচ্ছে।

শাহবাগ বটতলা ক্ষুদ্র ফুল ব্যবসায়ী সমবায় সমিতির সভাপতি মোহাম্মদ আবুল কালাম আজাদ বলেন, এবার বাগান মালিকরা ফুলের দাম বাড়িয়ে রেখেছে। তাই আমাদেরও বেশি দামে বিক্রি করতে হবে। আমাদের টার্গেট প্রায় ১৫ কোটি টাকার ফুল বিক্রি করা। দেখা যাক কী হয়। আশা করি এবার ভালো ব্যবসা হবে।

শাহবাগে অবস্থিত পাইকারি ফুল মার্কেটে ঢাকা ফুল ব্যবসায়ী কল্যাণ বহুমুখী সমবায় সমিতি লিমিটেডের সভাপতি শ্রী বাবুল প্রসাদ বলেন, এমনিতেই প্রতিদিন আমাদের এখানে ৩৫ থেকে ৪০ লাখ টাকার ফুল পাইকারি বিক্রি হয়। ১৪ ফেব্রুয়ারিতে ৫ কোটি টাকার বেশি ফুল বিক্রি হবে বলে আশা করছি। আমাদের এ মার্কেটে যশোর, ঝিনাইদহ, চুয়াডাঙ্গা, রংপুর, সিলেট, কক্সবাজারসহ মোট ২৪টি জেলা থেকে ফুল আসে। অনেকেই আগে থেকে ফুলের অর্ডার করে রাখে। যেগুলো কম উৎপাদন হয় এবং চাহিদা বেশি, সেগুলোর অর্ডার বেশি থাকে। অনেক চাষি সরাসরি এখানে এসে পাইকারি মূল্যে ফুল বিক্রি করে।


আরও খবর
২৪ দিনে প্রবাসী আয় ১৮ হাজার কোটি টাকা

রবিবার ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৪




যেসব এলাকায় ১৪ ঘণ্টা গ্যাস থাকবে না আজ

প্রকাশিত:শুক্রবার ১৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ১৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক

Image

গ্যাস পাইপলাইনের জরুরি টাই-ইন কাজের জন্য গাজীপুরের একটি অংশে আজ শুক্রবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) ১৪ ঘণ্টা গ্যাস সরবরাহ বন্ধ থাকবে।

বৃহস্পতিবার (১৫ ফেব্রুয়ারি) তিতাস গ্যাস ট্রান্সমিসন অ্যান্ড ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি লিমিটেডের পক্ষ থেকে বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গ্যাস পাইপলাইনের জরুরি টাই-ইন কাজের জন্য শুক্রবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) সকাল ১০টা থেকে রাত ১২টা পর্যন্ত ধনুয়া হতে রাজেন্দ্রপুর পর্যন্ত ২০ ইঞ্চি ব্যাসের লাইনে সংযুক্ত গ্রাহকদের গ্যাস সরবরাহ বন্ধ থাকবে।

এ সময়ে তুলা গবেষণা হতে রাজেন্দ্রপুর পর্যন্ত ১২ ইঞ্চি ব্যাসের লাইনে সংযুক্ত গ্রাহকদের গ্যাসের স্বল্পচাপ বিরাজ করবে।


আরও খবর
ঝিনাইদহ জেলা কারাগারে কয়েদির মৃত্যু

সোমবার ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৪




মেডিকেল ভর্তিতে ৫ শতাংশ মুক্তিযোদ্ধা কোটা: হাইকোর্ট

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ০১ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ০১ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
আদালত প্রতিবেদক

Image

মেডিকেল ও ডেন্টাল কলেজে এমবিবিএস এবং বিডিএস কোর্সে নতুন শিক্ষার্থী ভর্তি নীতিমালায় মুক্তিযোদ্ধা কোটায় পাঁচ শতাংশ আসন সংরক্ষণ করতে নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট। আগামী ৯ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য ভর্তি পরীক্ষায় এটি কঠোরভাবে মানার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার বিচারপতি মোস্তফা জামান ইসলামের নেতৃত্বাধীন হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেন।

নীতিমালায় উল্লেখ রয়েছে, ‌‍মুক্তিযোদ্ধা সন্তান এবং সন্তানদের সন্তানাদির জন্য মোট আসনের ২ শতাংশ আসন সংরক্ষিত থাকবে। তবে এই কোটার আসন শূন্য থাকলে সাধারণ কোটা থেকে মেধাক্রমের ভিত্তিতে শিক্ষার্থী ভর্তির মাধ্যমে এই আসন পূরণ করা যাবে।

এই নীতিমালায় থাকা ২ শতাংশ কোটা রাখার বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে এক রিট আবেদন আদালতে দায়ের করেন অহিদুল ইসলাম নামের এক মুক্তিযোদ্ধার সন্তান ও প্রজন্ম কাউন্সিলের এক নেতা। রিটের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী মুনতাসীর উদ্দিন আহমেদ।

রিটকারীর বক্তব্য হচ্ছে, মুক্তিযোদ্ধা কোটা ৫ শতাংশ রাখার গাইডলাইন সুপ্রিম কোর্টের রায় রয়েছে। তা লঙ্ঘন করে ভর্তি নীতিমালায় দুই শতাংশ রাখা হয়েছে। আদালত নির্দেশনা দিয়েছেন ৫ শতাংশ কোটা সংরক্ষণ করে যেন ফলাফল দেওয়া হয়।

আগামী ৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৩-২৪ শিক্ষাবর্ষের এমবিবিএস ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। এর এক মাস পর ৮ মার্চ ডেন্টালের ভর্তি পরীক্ষা হবে।


আরও খবর



রমজানে রাজধানীতে সুলভমূল্যে দুধ-ডিম-মাংস বিক্রি করবে সরকার

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ১৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ১৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক

Image

আসন্ন রমজানে রাজধানীর ২৫টি স্পটে সুলভমূল্যে দুধ, ডিম, মাংস, ড্রেসড ব্রয়লারসহ অন্যান্য খাদ্যপণ্য সরবরাহ করা হবে। গত রমজানের চেয়ে এবার পাঁচটি স্পট বাড়ানো হয়েছে। এসব পণ্যের দাম সহনীয় পর্যায়ে রাখা হবে।

মৎস্য ও প্রাণিসম্পদমন্ত্রী মো. আব্দুর রহমান বৃহস্পতিবার (১৫ ফেব্রুয়ারি) রমজান মাস উপলক্ষে মন্ত্রণালয়ের করণীয় হিসেবে বিভিন্ন এজেন্ডার ওপর আলোচনাসভায় মন্ত্রী এ তথ্য জানান।

তিনি বলেন, আসন্ন রমজানে ঢাকা শহরে আরও নতুন পাঁচটি স্পট বাড়ানো হয়েছে। এসব পণ্য সুলভ মূল্যে বিপণন করা হবে।

মৎস্য ও প্রাণিসম্পদমন্ত্রী বলেন, জনগণ যাতে রমজানে সুলভ মূল্যে প্রাণিজ পণ্য কিনতে পারে সেদিকে ব্যবসায়ীদের খেয়াল রাখতে হবে।

গত বছর রমজানে কার্যক্রমে গরুর মাংস প্রতি কেজি ৬৪০ টাকা, খাসির মাংস প্রতি কেজি ৯৪০ টাকা, ড্রেসড ব্রয়লার প্রতি কেজি ৩৪০ টাকা, দুধ প্রতি লিটার ৮০ টাকা এবং ডিম প্রতিটি ১০ টাকা মূল্যে বিক্রয় করা হয়। তবে এ বছর পণ্যগুলোর দাম এখনও নির্ধারণ করা হয়নি।

সঠিক মূল্যে পশুখাদ্য উপকরণ আমদানির ক্ষেত্রে ব্যবসায়ীদের সহযোগিতার জন্য বাণিজ্য মন্ত্রণালয়, কৃষি মন্ত্রণালয়, জাতীয় রাজস্ব বোর্ড, ট্যারিফ কমিশনসহ সংশ্লিষ্ট অন্যান্য প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তাদের সঙ্গে আলোচনা করে ব্যবস্থা নিতে হবে বলে জানিয়েছেন মন্ত্রী।

এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. সেলিম উদ্দিন, অতিরিক্ত সচিব এটিএম মোস্তফা কামাল, কৃষি মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব শাহীন আখতার, প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ডা. মো. এমদাদুল হক তালুকদার।


আরও খবর



কুবি শিক্ষক সমিতির নেতৃত্বে তাহের-মেহেদী

প্রকাশিত:সোমবার ১৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:সোমবার ১৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি

Image

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় (কুবি) শিক্ষক সমিতির নির্বাচনে নিরঙ্কুশ জয় পেয়েছে নীল দল। শিক্ষক সমিতির কার্যনির্বাহী কমিটির ১৫টি পদেই জয় পেয়েছে দলটির সদস্যরা।

এতে সভাপতি পদে একক প্রার্থী হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন পদার্থবিজ্ঞানের অধ্যাপক ড. মো. আবু তাহের। এছাড়া সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছেন মার্কেটিং বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক মেহেদী হাসান। তিনি অপর প্রতিদ্বন্দ্বী লোকপ্রশাসন বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক জিয়া উদ্দিনকে ৮৯ ভোটে পরাজিত করেন।

সোমবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) সকাল সাড়ে ৯টা থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবনের শিক্ষক লাউঞ্জে এ ভোট গ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। ভোট গ্রহণ চলে দুপুর ২টা পর্যন্ত। ভোট গণনা শেষে বিকাল সাড়ে ৩ টায় ফলাফল ঘোষণা করেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার অধ্যাপক ড. রেজাউল করিম। এতে শিক্ষকদের ২৬৬ জন ভোটারের মধ্যে ১৭৪ জন ভোট দিয়েছেন। এরমধ্যে তিনটি ভোট বাতিল করা হয়েছে।

শিক্ষক সমিতি-২০২৪ এর অন্যান্য পদে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছেন অর্থনীতি বিভাগের অধ্যাপক ড. কাজী মোহাম্মদ কামাল উদ্দিন (সহ সভাপতি) ও একাউন্টিং এন্ড ইনফরমেশন সিস্টেমস্ বিভাগের অধ্যাপক মো. তোফায়েল হোসেন মজুমদার (সহ সভাপতি), কম্পিউটার সায়েন্স এন্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. মাহমুদুল হাছান (যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক), প্রত্নতত্ত্ব বিভাগের সহকারী অধ্যাপক মো. মুর্শেদ রায়হান (কোষাধ্যক্ষ), লোক প্রশাসন বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. জান্নাতুল ফেরদৌস (সাহিত্য, সংস্কৃতি ও ক্রীড়া সম্পাদক) এবং মার্কেটিং বিভাগের সহকারী অধ্যাপক মাহফুজুর রহমান ( প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক)।

কার্যকরী সদস্য পদে নির্বাচিত হয়েছেন একাউন্টিং এন্ড ইনফরমেশন সিস্টেমস্ বিভাগের অধ্যাপক ড. বিশ্বজিৎ চন্দ্র দেব, অর্থনীতি বিভাগ অধ্যাপক ড. মো. শামিমুল ইসলাম, পরিসংখ্যান বিভাগের অধ্যাপক ড. দুলাল চন্দ্র নন্দী, নৃবিজ্ঞান বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক মোহাম্মদ আইনুল হক, রসায়ন বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. মো. শাহাদাৎ হোসেন, অর্থনীতি বিভাগ সহকারী অধ্যাপক স্বর্ণা মজুমদার ও গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের সহকারী অধ্যাপক মাহমুদুল হাসান।

উল্লেখ্য, শিক্ষক সমিতির নির্বাচনে সাদা দল অংশগ্রহণ করেনি।


আরও খবর